অপ বাক এর ব্লগ

ভুল বাংলা

অপ বাক এর ছবি
লিখেছেন অপ বাক (তারিখ: শুক্র, ১৩/০১/২০০৬ - ৩:৩৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বেশ আগে দুরে নামের একজনের গান শুনে আমি অবাক। যেই মানুষটা পর পর 3টা বাংলা বাক্য লিখতে পারে না সে গান গাইছে কেন? পরে দেখলাম আন্ডারগ্রউন্ড মেটাল ব্যান্ডের জনগন ভূল বাংলায় গান লিখে, সব গান ভুল তা কিন্তু না। তবুও বিষয়টা শ্রুতিকটু। কিন্তু ভুল বাংলার বা অর্থবিহীন বাংলার নতুন উদাহরন হুইল পাওয়ার এর বিজ্ঞাপন। নোংরা কালো মোজা ধুয়ে সাদা করে ফেলবে এমন দাবি নির্মাতার। কিন্তু যদি মোজা কালো হয় সেটা সাদা করে ফেলা ভালো কোন লক্ষন না।
এর পরের উদাহরন বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচারিত খবরে। সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মীরা কোরবানীর বর্জ্য পরিস্কার করছে। যদিও আমি দাবি করছি না সিটি কর্পোরশনের সব কর্মী অপরিচ্ছন্ন তবে তাদের খবর ছিলো পরিচ্ছন্নতা অভিযান --এ ক্ষেত্রে শব্দ


ইসলামী শাসনব্যবস্থা ও বাংলাদেশ

অপ বাক এর ছবি
লিখেছেন অপ বাক (তারিখ: মঙ্গল, ১০/০১/২০০৬ - ১:২৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঘটনাটা বেশ কয়েক বছর আগের- উদিচির বোমাবিস্ফোরনের আগে বা পরে। আফগানিস্তানে মোল্লা ওমরের তালেবান দল ক্ষমতায়। অলস আলোচনা শুরু হয়েছিলো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বুদ্ধ মুর্তি ধ্বংসকরা নিয়ে। মুর্তিপুজা নিষিদ্ধ কিন্তু পরধর্মপালনে সম্পূর্ন স্বাধীনতাও ইসলামের একটা ধারা। যদি অন্য ধর্মের প্রতি সামান্য শ্রদ্ধাবোধ থাকে তাহলে বিধর্মীদের রক্তের লালসা থাকতে পারে না। আর তারচেয়ে বেশী গুরূত্বপূর্ন বিষয় তার পূরাতাত্তি্বক মূল্য। সভ্যতার অগ্রগতির এক একটা সোপান মুর্তিগুলো। নির্বোধের মতো নিজের দেশের ঐতিহ্য ধ্বংস করা নিজের সংস্কৃতির প্রতি তীব্র বিরাগ কোন উন্নত মননশীলতার বিষয় না।

আসলে এই উগ্র ইসলামিক রাজনীতি কতটুকু গ্রহনযোগ্য। দুইটা বহুল ব্যবহার করা হাদিস- তোমাদের মধ্যে


যা জানতে চাই

অপ বাক এর ছবি
লিখেছেন অপ বাক (তারিখ: সোম, ০৯/০১/২০০৬ - ৫:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কিছু জিজ্ঞাসা ছিলো দেশের শিক্ষিত জনতার কাছে। বিশেষত আমাদের জন্ম এমন এক সময়ে যখন বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত তাই সত্যি ইতিহাস ঘটতে দেখার সুযোগ হয় নি। ভাষা আন্দোলন এর ইতিহাস জানি না। জানতে ইচ্ছা করে কিন্তু সুযোগ নেই। এতবড় একটা অসাম্প্রদায়িক আন্দোলন হলো যার ভিত্তি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষন । কৃষ্টি সংস্কৃতি রক্ষার জন্যে এত বড় একটা আন্দোলন হলো দেশজুড়ে অথচ তার উপর ভিত্তি করে তেমন রচনা নেই। রাজনৈতিক আর সাধারন মানুষের চেতনার পরিবর্তনের ধাপগুলো বোঝার উপায় নেই। প্রায় সমস্ত দেশেই রাষ্ট্রভাষার দাবিতে সমাবেশ হলো-দেয়াল লিখন লিফলেট হলো কিন্তু কারা সংগঠিতকরলো তার জবাব নেই।
1948 থেকে 1952 পর্যন্ত বিভিন্ন আঞ্চলিক দৈনিক ঘাটলেই জানা যেত কোথায় কিভাবে


বানিজ্যে মুকিতযুদ্ধ ২

অপ বাক এর ছবি
লিখেছেন অপ বাক (তারিখ: সোম, ০৯/০১/২০০৬ - ২:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কোন কিছু পাওয়ার প্রত্যাশায় যুদ্ধকরেন নি মুক্তিযোদ্ধারা তবে একদল লোভী মানুষ মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়কে পূজি করে সম্পদ আহরন করেছে এটা আমাদের জাতিয় লজ্জা। মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে একটা আবেগী অবস্থান আছে যাদের তারা এই পরিচয় ব্যাবহার করে নিজেদের আখের গুছিয়ে নষ্ট করলো সবার শ্রদ্ধা।
যেহেতু কিছু পাওয়ার আশায় যুদ্ধ করেন নি তাই মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ের গর্ব ছাড়া অন্য কিছু না পেয়ে অনেকেই তাদের পূর্বপেশায় ফিরে গেছেন -ছাত্ররা শিক্ষাঙ্গনে শ্রমিকরা তাদের পেশায়। কিন্তু কিছু কুলাঙ্গার এসেছে রাষ্ট্রের কাছে যুদ্ধের পারিশ্রমিক বুঝে নিতে। তাদের প্রতি আবেগীদূর্বলতা হয়তো সেনাবাহিনীবিহীন বাংলাদেশ তৈরী করার একটা বাধা ছিলো। আমার অনুমান এমনটাই। হয়তো বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর ইতিহাস


বানিজ্যে মুক্তিযুদ্ধ ১

অপ বাক এর ছবি
লিখেছেন অপ বাক (তারিখ: সোম, ০৯/০১/২০০৬ - ১:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিষয়টা আমার মনে হয়েছে বেশ কয়েক বছর আগে। ইতিহাসজ্ঞান নিতান্ত অপ্রতুল তাই ভুল মন্তব্য করেও ফেলতে পারি,এই আশংকাই বেশী।

25শে মার্চের পর নির্বিচার গনহত্যাপ্রতিরোধে প্রথম প্রতিরোধ করেন পুলিশ বাহিনী,এর কয়দিন পরে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় সবাইকেই যুদ্ধে জড়িয়ে পরতে হয়। কেউ স্বাধীনতার পক্ষে আর কেউ স্বাধীনতার বিপক্ষে অখন্ড পাকিস্তান রাখার জন্যে। শুধুমাত্র একটা বিষয় উল্লেখ্য --- 25শে মার্চের আগের আন্দোলনের কোথাও বিচ্ছিন্নতার দাবী ছিলো না ছিলো স্বাধীকারের দাবী আর পরিস্থিতি বিচারে যথেষ্ট ন্যায়সংগত দাবী ছিলো সেটা। বৈষম্যের সেই ইতিহাস বা পরিসংখ্যান খুব সহজেই পাওয়া যাবে আর স্বাধীকারের দাবীর যৌক্তিকতা প্রমান মুল প্রসঙ্গ না। আওয়ামী লীগের সংখ্যাগরিষ্ঠতা এমন ছিলো


আজ

অপ বাক এর ছবি
লিখেছেন অপ বাক (তারিখ: রবি, ০৮/০১/২০০৬ - ১২:০০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সারাদিন মানুষের ভাবনা পরি। আড্ডাবাজ,ওয়ালী,হাবিব, ভালোই লাগে। সবসময় এক মত হতে পারি না, কি আর করার। তারে তারে তথ্য আদান-প্রদানের সুবিধা নিজের ঘরের সাচ্ছন্দে কথা বলা যায়। নিজের ডায়েরীর মতো একান্ত না হলেও সবার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা মানে যে কেউ যা কিছু বলতে পারে, মানুষের মননের উপর লাগাম টানার সক্ষমতা নেই রাষ্ট্রের।

কয়দিন আগে মজার একটা ঘটনা পরলাম। নেট এ মানুষের পরিচয় কতটা গোপন থাকে এ বিষয়ে। অন লাইন ডেটিং সাইটে যোগ্য সঙ্গী খুজছে পাগলের মতো। এমন দুজনের পরিচয় , 6 মাস অনলাইনে কথাবার্তা ভালো লাগার এক পর্যায়ে রোমান্টিক ছুটি কাটানোর পরিকল্পনায় নির্জন সমুদ্র সৈকত। প্রথম দেখায় দু জনের চমকে ওঠা। জীবনের আদর্শ সঙ্গী ভেবে যার সাথে দেখা সে তার মা।
আমরা


২৮শে জুন

অপ বাক এর ছবি
লিখেছেন অপ বাক (তারিখ: রবি, ০৮/০১/২০০৬ - ২:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


ভোর 3টা না বলে গভীর রাত বলি, ঘুম ভাঙ্গলো। হাসপাতালে ফোন, ডাক্তারের সাথে কথা । সিদ্ধান্ত সময় হয়েছে হাসপাতালে যেতে হবে। এতরাতে ট্যাক্সি নিয়ে যাওয়া যায় আবার কুর্নিয়াকেও ফোন করে আসতে বলা যায়। আমার গাড়ী নেই, চালাতেও শিখি নি।এত রাতে ক্ষমাপ্রার্থনা করে ফোন করলাম মেঘকে। তার পর গুছিয়ে রাখা ব্যাগ নিয়ে হাসপাতাল। ঋক এর জন্ম হওয়ার সময় হয়েছে। পুর্নিমা রাত তাই প্রসুতি কক্ষে অত্যাধিক ব্যাস্ততা। এর মধ্যেই কোন এক ঘরে অবস্থান হলো আমাদের। নার্সের আগমন, বিভিন্ন যন্ত্র জুড়ে দেওয়


ফো পরিবার

অপ বাক এর ছবি
লিখেছেন অপ বাক (তারিখ: রবি, ০৮/০১/২০০৬ - ১:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


আমার সাথে কুর্নিয়ার পরিচয় গত জুন এ। আমরা দুজন আলাদা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাই বড়দিনের ছুটির পর দেখা হলো আবার বসন্তবিরতিতে। বাকি মাঝের সময়ে যোগাযোগে টেলিফোন ভরসা ।সেমিস্টার শেষ হলো মে মাসের শেষে। আর তখন খবর পেলাম কুর্নিয়া তার বন্ধুদের নিয়ে অনাগত শিশুর আগমন উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান করছে। আমার ছেলের প্রথম অনুষ্ঠানে আমি অনুপস্থিত কারন সময়ে মিলে নি।

আমার আসার পর দেখা হলো তার সাথে। ইন্দোনেশিয়ার ছেলে এবং বাবা। তার ছেলে জশুয়া এবং বউ লিয়ান গরমের ছুটিতে ইন্দোন


ঋক

অপ বাক এর ছবি
লিখেছেন অপ বাক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/০১/২০০৬ - ৬:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


5 মাসে তোলা ছবি


ঋক

অপ বাক এর ছবি
লিখেছেন অপ বাক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/০১/২০০৬ - ৬:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


2 মাসে তোলা সে এখনও ক্যামেরার মূল আকর্ষন।