দ্বিতীয় দৃষ্টি

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি
লিখেছেন ইশতিয়াক রউফ (তারিখ: বিষ্যুদ, ১২/০৭/২০০৭ - ২:০০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বরাবরের মত বাস আজকেও সময় মত এল না। আজকে মিনিট দশেক দেরি। শহরটা ছোট, সীমিত, সবুজ। মূলধারার আমেরিকান শহর। হলিউডি চমক-জমক নেই এখানে। ঘামের শহর, নামের নয়। লোকসংখ্যা খুব একটা বেশি না। লাখ তিনেকের মত হবে। পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এখানে খুবই দীন। তবে কারণটা মানুষের সংখ্যা নয়, মানুষের ধরন। সাদা আর কালো। বেশি বেশি কাল...বরাবরের মত বাস আজকেও সময় মত এল না। আজকে মিনিট দশেক দেরি। শহরটা ছোট, সীমিত, সবুজ। মূলধারার আমেরিকান শহর। হলিউডি চমক-জমক নেই এখানে। ঘামের শহর, নামের নয়। লোকসংখ্যা খুব একটা বেশি না। লাখ তিনেকের মত হবে। পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এখানে খুবই দীন। তবে কারণটা মানুষের সংখ্যা নয়, মানুষের ধরন। সাদা আর কালো। বেশি বেশি কালো, কম কম সাদা। কারও হাতে বেশি বেশি সম্পদ, কারও হাতে একেবারেই কম। সম্পদশালীরা শুধুই সাদা। দুস্থরা শুধুই কালো। পাবলিক তাই কালো। পাবলিক ট্রান্সপোর্টও তাই। বাসগুলো যেন সভ্যতার চিড়িয়াখানা। দারিদ্র্যের ভ্রাম্যমান যাদুঘর। যারা চড়ে তারা আমার মত। ঠিক যেমন আমিও আর সবার মত।

ডিপ সাউথের শহর। দুর্বলতম অঙ্গরাজ্য। দুই মহা-হারিকেনের দ্বৈত দাপটে অধুনা তারকাখ্যাতি পাওয়ার পরও বদলায়নি লুইজিয়ানার কোন কিছুই। এর রাজধানিতে রাজা আছে, ধন নেই। তবু পাথরের বুক চিরে পানি আনার কড়কড়ে সবুজ নেশায় আমিও চড়লাম বাসে। বরাবরের মত শেষের এক কোণায়। নিরাপদ দূরত্বে বসে মানব দেখে মানস চেনার অক্ষম চেষ্টা। সংখ্যালঘুর অবসর। ঘন্টাখানেক অনেক সময়। একে একে বাসে চড়লো অনেকে। কেউ বানর, কেউ বিড়াল, কেউ বেজি। মানুষের পূর্বপুরুষ সবাই, কিন্তু কেউ মানুষ না।

বানরটা ব্যাস্ত বেশ। ঝুলে পড়া জিন্সের হাফপ্যান্ট এক হাতে মুঠ করে ধরা। গায়ে হাতাকাটা গেঞ্জি। মাথায় বারান্দাওয়ালা টুপি। মুখে ললিপপ। হাঁটুর নিচের পকেটে ঝুনঝুন করছে খুচরা পয়সা। পায়ে দুধের মত সাদা কেডস। ঝুলছে অনেক। দুর্বোধ্য হিপহপের সাথে সাথে আওয়াজ দিচ্ছে হঠাৎ হঠাৎ। পাশের লোকটার দিকে ফিরে কিছু বললো। ইবনিক্স। ভাষার দাস্ত থেকে জন্মানো দুর্বোধ্য কিছু ধ্বনিমালা। আলাপন শেষে বিশেষ অঙ্গভঙ্গি ছাড়া এর অর্থ পূর্ণ হয় না। উল্টা দিকে বসা বাচ্চা ছেলেটার সাথে জমেছে মনে হয় বেশ। বাচ্চাটা বাসের ফ্লোরে গড়াচ্ছে, বানর উৎসাহ দিচ্ছে, বাচ্চার বাপ গর্বিত চোখে ছেলের কীর্তি দেখছে।

বিড়ালটার সাজ অনেক। রাঙ্গানো নখ, বাঁধানো দাঁত, পাঁকানো চুল। নকল নখের উপর টকটকে লাল পলিশ। দাঁতে পিতলের আচ্ছাদন। চুলগুলো লালচে, রুক্ষ। জিভে আংটি। হাতে ছয়টা। একেক কানে চারটে করে ছিদ্র অলংকৃত হয়ে আছে বিবিধ আকারের ধাতুতে। এর উপরই ঠেসে ধরে আছে মোবাইলটা। তারস্বরে বকছে কাউকে। ঐ প্রান্তের হতভাগা কী পাপ করেছিলেন বোঝার জো নেই। তবে এটুকু জানা গেল যে ঐ প্রান্তে পুরুষ কেউ এবং তার জন্মপরিচয় কিছুটা ধোঁয়াশা। লোকটার মা তেমন সুবিধার মহিলা নন। কয়েদি ও নাবিকদের লোকটার সাথে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন করা উচিত। পরবর্তী দেখায় লোকটার তোবরানো গাড়িটা তার পশ্চাৎদেশ দিয়ে প্রবেশ করানো হবে। এহেন আরো অনেক অনাহূত তথ্যে ভেসে গেলাম চোখের পলকে। বড় জাঁদরেল বিড়াল।

বেজির হাতে একটা ব্যাগ। তাতে দুটো গোলাপি টুপি, কয়েক ফাইল মাথাব্যাথার ওষুধ, চার হাত লম্বা কিছু টি-শার্ট, মাছের আঁশের মত ডিজাইনের একটা হাতব্যাগ, ডজন খানেক সিগারেটের প্যাকেট। লজেন্সও আছে কিছু। সাধছে এক মহিলাকে। মানা করায় ক্ষেপে গেল খুব। যেন সাধিবামাত্র কিনিতে বাধ্য থাকিবে। না, মহিলা তবু কিনছে না। নিজেই সাবার করে দিল এবার লজেন্সটা। খোসাটার ঠিকানা হল পাশের সিট, আর মুখের গামটা লেগে গেল সিটের নিচে। উঠে গিয়ে আরেক জনের পাশে বসলো। এবারে সফল। এক শিশি টাইলানল। দামটা বেশি মনে হল একটু। কে জানে, শিশিতে কী বেঁচলো। দাওয়াই, নাকি রোগ।

আমার দিকেই আসছে। কিছু বলবে মনে হয়। কিছু বললো মনে হয়। কিছু শুনবার অপেক্ষায় মনে হয়। প্রথম নিয়ম খাটে না এরকম অবস্থায়। চলন্ত বাসের ভেতর আটকা। দুঃখিত বলে দ্রুত হেঁটে চলে যাবার পথ নেই। দ্বিতীয় নিয়মও অচল। জনসমাবেশে নিরাপত্তা খোঁজার অবস্থা নেই এখানে। সেফটি ইন নাম্বারস কথাটা খাটে না এই চিড়িয়াখানায়। অগত্যা তৃতীয় নিয়ম। ফেস ইওর ফিয়ার উইথ এ গ্রেশাস স্মাইল। স্থিরদৃষ্টে চেয়ে রইলাম বেজির চোখের দিকে। আলতো করে মাথা দুলিয়ে বললাম, নো থ্যাংকিউ। আরেক পশলা ইবনিক্স। আমার ভাণ্ডার থেকে বেজির জন্য আরও কিছু স্মিত হাসি। হাত মেলাতে চায়। যাক, নিরীহ বেজি। কিছু উপদেশ দিয়ে গেল। ইউ বি গুড ছাড়া কিছু উদ্ধার করতে পারলাম না। দূর থেকে ইশারা করছে। জবাবের ভঙ্গি জানা নেই। হাসিই সই।

বিদীর্ণ ঘরবাড়ি, সতের ইঞ্চি সাইজের কাস্টম হুইল, আর বুক কাঁপানো বেজ। কাল্লুপাড়ায় এসে গেছি। ভরে গেল বাসের সবটা। আমার পাশের সিটটা খালি থাকলেই হয়। সবার গায়ে কাজের পোশাক। সবার হাতে ফোন। সবার আলগা নখ। সবার নিম্নার্ধ্ব কুশ্রী রকম মোটা। প্রতি তিনজনে একজন হাসলে চোখ ধাঁধিয়ে যাচ্ছে পিতলের সূর্যে। ছেলেগুলো সবাই যেন বিড়ালটার প্রতিবিম্ব। কারও হাতে ওয়েলফেয়ারের টাকায় কেনা ঘড়ি। কেউ বাস্কেটবল খেলছে ছায়ার সাথে।

মেয়েটার রং বেশ সুন্দর। কিছু কালোর গায়ের রং সাদাদের মত হয়। তাই বলে এতটা? নাহ, সাদাই তো। চুল পরিপাটি করে বাঁধা। জুতার ফিতে বাঁধা। জামাটা প্যান্টে গোঁজা। কিন্তু এই মেয়ে এখানে কেন? বুঝলাম ফ্রি কান্ট্রি, তাই বলে এই এলাকায় সাদা মেয়ে কেন? ব্যাগটা দেখে মনে হচ্ছে না তেমন অবস্থাসম্পন্য। ভাড়া কম দেখে এখানে থাকে হয়তো। এভাবে দেখা ঠিক না। বাইরের দিকে চেয়ে সুর ভাজি কোন কিছুক্ষণ। মেয়েটার চুলে সিঁথি ছিল। ক্লিপ দিয়ে আটকানো ছিল। প্যান্টটা কি পরিষ্কার ছিল, নাকি ময়লা? ময়লা হলে এপাড়ায় বিবাহিত, পরিষ্কার হলে ভাগ্যাহত। টিকেট কি প্রিপেইড কার্ডে পাঞ্চ করলো, নাকি কয়েনে দিল? কার্ডে দিলে এখানেই থাকে, কয়েনে হলে কোন কাজে এসেছিল।

পাশে গিয়ে বসলেই পারি। আড়চোখে দেখে নেওয়া যাবে। চাই কি বৃত্তান্ত জেনে নেওয়াও যেতে পারে। পুরো বাস ভরা হলেও মেয়েটার পাশের সিটটাও খালি।


মন্তব্য

মাশীদ এর ছবি

আহ্!
দুর্দান্ত!
এক টানে পড়ে গেলাম। আমেরিকার যে দৃশ্য ভেসে উঠল সেটা দেখে মনটা খারাপ হল। একটু অবাকও হলাম।
শেষটায় মজা পেলাম খুব। ভাবছি মেয়েটার পাশের সিটটা আর কতক্ষণ খালি ছিল চোখ টিপি


ভাল আছি, ভাল থেকো।


ভাল আছি, ভাল থেকো।

আপনার নাম লিখুন এর ছবি

হাই অভি, ইটস ফাহিম ফ্রম গ্রুপ-টু, দেন আইইউটি, চিনতে পারছ? (মোর ক্লু, রানা স্যারের ব্যাচ, মনে করে দেখ)

ভাস্কর এর ছবি

অভি
আপনের লেখায় আমি জাস্ট মোহিত হইয়া ছিলাম, শেষ বাক্য পড়ার পর ঘোরটা কাটলো! একদম অন্তর থেইকা কই...পড়তে পড়তে নিজের মনে হইতে ছিলো ঐ বাসে বিলাই-বেজির সাথে আমিও ছিলাম...


স্বপ্নের মতোন মিলেছি সংশয়ে...সংশয় কাটলেই যেনো মৃত্যু আলিঙ্গন...


স্বপ্নের মতোন মিলেছি সংশয়ে...সংশয় কাটলেই যেনো মৃত্যু আলিঙ্গন...

??? এর ছবি

অসাধারণ ন্যারেটিভ! ৫।

অচেনা এর ছবি

দারুন লেখা।

বসছিলেন?চোখ টিপি

-------------------------------------------------
যত বড়ো হোক ইন্দ্রধনু সে সুদূর আকাশে আঁকা,
আমি ভালোবাসি মোর ধরণীর প্রজাপতিটির পাখা॥

অমিত আহমেদ এর ছবি

ভাল্লাগলো, মাশীদের মতই একটানে পড়ে গেলাম।
খালি সিটের মেটাফোরটা বুদ্ধিদীপ্ত।


আমার বেলা যে যায় সাঁঝ-বেলাতে
তোমার সুরে সুরে সুর মেলাতে

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

সবাইকে ধন্যবাদ।

না, বসি নাই ঐ সিটে। পুরো বাস ভরা থাকলেও আমরা দুইজন একা ছিলাম। সংখ্যালঘু, তাই। আমি যেভাবে মেয়েটাকে দ্বিতীয়বার দেখেছিলাম, ঠিক সেভাবেই আমাকেও দেখছিল সবাই।

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি

অভি মিয়া, জটিল লিখছো ...ভাল্লাগছে ...

এখন কও তো দেখি আমারে চিনতে পার কিনা? (চান্স কম, তাও দেখি)

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

নাহ, এই ছবি দেখে চেনার উপায় নাই। আরো কিছু হিন্ট দাও পারলে।

শোহেইল মতাহির চৌধুরী এর ছবি

একেক কানে চারটে করে ছিদ্র অলংকৃত হয়ে আছে বিবিধ আকারের ধাতুতে। এর উপরই ঠেসে ধরে আছে মোবাইলটা। তারস্বরে বকছে কাউকে। ঐ প্রান্তের হতভাগা কী পাপ করেছিলেন বোঝার জো নেই। তবে এটুকু জানা গেল যে ঐ প্রান্তে পুরুষ কেউ এবং তার জন্মপরিচয় কিছুটা ধোঁয়াশা। লোকটার মা তেমন সুবিধার মহিলা নন।

ইশতি বেশ সুখপ্রদভাবে খিস্তিখেউর শুনালো।
ব্রাভো।

-----------------------------------------------
সচল থাকুন ---- সচল রাখুন

-----------------------------------------------
মানুষ যদি উভলিঙ্গ প্রাণী হতো, তবে তার কবিতা লেখবার দরকার হতো না

সুমন চৌধুরী এর ছবি

ভালো লাগলো ।
.......................................
ঋণম্ কৃত্বাহ ঘৃতম্ পীবেৎ যাবৎ জীবেৎ সুখম্ জীবেৎ

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি

অভি -> আমার প্রোফাইলে যদি উঁকি মাইরা থাকো তাহলে অলরেডি জাইনা গেছো যা আমি নটরডেমিয়ান, আইইউটিয়ান ... আরেকটু বলি, গ্রুপ টু ... অ্যান্ড রানা স্যারের ব্যাচ ...

আপাতত ভাবতে থাকো, না পারলে আরো কিছু দিমু ...

আর হ্যাঁ, আসল কথাটাই তো বলি নাই, তোমার এই ব্লগের সবগুলি লেখাই পড়ছি, অসাধারণ লাগছে ... চালায়া যাও ...

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

শাফায়েত?

শামীম এর ছবি

বিল্লির ফোনালাপের বর্ণনাটা মনে থাকবে বহুদিন। - পুরাটাই কঠ্ঠিন!!
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।

________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি

অভি মিয়া, মনে হয় ঠিকই ধরছো, তবে এই নামে তো জন্মেও ডাকো নাই, কেইস কি? দেঁতো হাসি ... আমার আরেকটা "অধিক প্রচলিত" নাম আছে মনে করতে পার? ...

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

মাফ করে দাও ভাই। এদ্দুর যে মনে করতে পারসি, আমি তাতেই অবাক। কম দিন তো হল না। ৪ বছর! আমার এন্ডে অনেক বেশি (দুঃ+)ঘটনাবহুল ছিল সময়টা। ডাকনাম একটা মনে পড়তেসে, কিন্তু উল্টাপাল্টা বলার চেয়ে আরেক বেলা সময় নেওয়া ভাল।

গ্রুপ-৭ না, এটা নিশ্চিত ছিলাম। গ্রুপ-১ এর কেউও না। রানা স্যার বলাতে মেলাতে সহজ হইসে। কিন্তু আইডেন্টিফিকেশনটা কিছুটা মেয়েলি কারণে। তোমার শার্ট। হাসি

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি

শার্ট? ভাইরে ছবি দেইখা তো আমি নিজেই শার্টের কালার বুঝতে পারতেছি না তুমি কেমনে বুঝলা? ... আর শার্টটা নটরডেম লাইফের না এইটা গ্যারান্টিড ...

রিস্ক নেওয়ার কিছু নাই, এতদূর যখন পারছো এইটাও পারবা ... সো শূট ...

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

ফাহিম। মাফ করে দিয়ো ভাই। ১ নম্বরের মুড়ির টিন বাসের মত ধাক্কায় ধাক্কায় পুরানো বন্ধুর নাম মনে করতেসি। লজ্জা লাগতেসে খুব। মন থেকেই স্যরি। এই ৪ বছর আমি কমপ্লিট আইসোলেশনে ছিলাম। মন খারাপ

শার্ট কবেকার জানি না, তবে আমাকে ফেয়ারওয়েল দেওয়ার সময় এটা পরণে ছিল তোমার।

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি

অভি,মুহম্মদ জাফর ইকবালের সফদার আলী সিরিজের "হেরোইন কারবারী" বইটা পড়ছিলা? সেইখানে সফদার আলীর গেস করার একটা ঘটনা আছে ... মতিন বলছিল ইনফরমার লোকটা একটা আজব চিড়িয়া, আর পুলিশের বড়কর্তা খালি এসিড এসিড কমেন্ট করে ... সফদার আলী শুনছেন শুধু "এসিড" আর "চিড়িয়া" ... তাই শুইনাই সফদার আলী গেস করে ফেললেন "এসিড দিয়ে হেরোইন বানানো হচ্ছে, আর যতবার পুলিশ ধরতে যাচ্ছে ততবারই চিড়িয়া উড় গেয়া" ... কমপ্লিট রং অ্যাজাম্পশন, বাট কারেক্ট রেজাল্ট হাসি

আমার মনে হয় তোমার কেসটাও একটু সেরকমই হইছে ... তবে যেভাবেই ধর না কেন, ঠিকমতই ধরছ ... আয়্যাম ইমপ্রেসড ... এত কম ক্লু থেকে আমি নিজেও পারতাম বলে মনে হয় না ...

তুমি যেমন আইসোলেশনে ছিলা আমিও তেমনি ছিলাম ...নটরডেমিয়ান কারও সাথেই সেভাবে যোগাযোগ নাই ... শুধুমাত্র যারা আইইউটিয়ান তারা বাদে ... এতদিন পর এখন আবার একটু একটু করে শুরু হচ্ছে ...

তোমারে দেইখা হেভি মজা পাইলাম ... লিখতে থাকো ...পড়তে থাকি ...

সিরাত এর ছবি

আবার পড়লাম। আবার হাসলাম। চলুক

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

তোর আর ভুতুমের এই শুরু থেকে সব পোস্ট পড়ার প্রকল্পের সৌজন্যে পুরনো অনেক লেখা চোখের সামনে আসছে আবার। এই অভিজ্ঞতাগুলো নিয়ে লিখিস। এই লেখাটার কথা ভুলেই গেছিলাম! হাসি

সিরাত এর ছবি

অকে! হাসি

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।