রাষ্ট্রদূত এরশাদ!

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি
লিখেছেন ইশতিয়াক রউফ (তারিখ: শুক্র, ২১/০৯/২০০৭ - ৪:০৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রক্ষা কর হে নূর হোসেনের খোদা... ক্ষমা অনেকবার চেয়েছি, এবার শাস্তি দেবো নিজেই নিজেকে যদি এই সংবাদ সত্য হয়।

অনেক দিন হয় এত বড় ঝাঁকি খাইনি। এমনকি একের পর এক মৌলবাদীদের বাড়াবাড়িতেও না। এই খবরের কিয়দাংশও যদি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে এই দেশের পেছনের পানে যাওয়ার ষোলকলা পূর্ণ হয়।

অবশ্য, এই একটাই তো বাকি ছিল। গায়ের জোরে জিয়ার রাজাকার-তোষণ ভুলে যাওয়া দিয়ে শুরু ছিল। এরপর একে একে মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানের দালাল ডাকা হয়েছে, সংসদ ভবন চত্বরে রাজাকার দাফন করা হয়েছে, রাজাকার রাষ্ট্রপতি হয়েছে, রাজাকার মন্ত্রী হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংকলনের দায়ে সাহিত্যিকদের পশ্চাৎদেশ দিয়ে ডিম থেকে গরম পানি পর্যন্ত বহু প্রকার রন্ধন সামগ্রী ঢোকানো হয়েছে, মুক্তচিন্তার দায়ে জেল-জরিমানা হয়েছে, যা দেখি তা দেখবার দায়ে গায়ে মারা হয়েছে, যা ভাবি তা বলবার দায়ে প্রাণে মারা হয়েছে... তুলনায় এরশাদের পুনর্বাসন খুব একটা বড় কিছু না। কম তো নাচিনি একে নিয়ে আমরা।

রাষ্ট্রদূত এরশাদ


মন্তব্য

শোহেইল মতাহির চৌধুরী এর ছবি

রাষ্ট্রপতি ছিলেন এরশাদ। সুতরাং রাষ্ট্রদূত তিনি হতে চাইবেন না।
এটা একটা অপমানজনক প্রস্তাব।
তবে বর্তমান সরকার যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে সত্ লড়াকু না তা বুঝা যাচ্ছে। তাদের প্ল্যান ও ষড়যন্ত্রের বিভিন্ন খুঁটিনাটি ঝোলা থেকে বের হচ্ছে।

-----------------------------------------------
সচল থাকুন ---- সচল রাখুন

-----------------------------------------------
মানুষ যদি উভলিঙ্গ প্রাণী হতো, তবে তার কবিতা লেখবার দরকার হতো না

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

এরশাদের জন্য নয়। এই লোক জেল এড়াতে পারলেই খুশি। প্রকাশ্যেই তো অনেকবার বলেছে এই কথা। ইজ্জত-সম্মানের বালাই থাকলে এই লোক বিশ্ববেহায়া খেতাব জিততো না।

অনেক অনেক টাকা... চেক!
রওশন থেকে নিস্তার... চেক!
দুর্নীতির মামলা থেকে রক্ষা... চেক!
রাষ্ট্রীয় পদ... চেক!
অঢেল টাকা... চেক!
কোমল বিছানা... চেক!
কবিতা লেখার খাতা... চেক!
(চীনা ভাষায়) খাতায় লিখবার মত কবি... চেক!
কচি কচি সুন্দরী... চেক!
উচ্চপদস্থ কর্মচারীর শিক্ষিতা স্ত্রী... চেক!
ভালবাসিবার অবসর... চেক!
প্রেমসুধা (জিনসেং)... চেক!
...
...

নাহ, কিছুর তো কমতি দেখছি না!

হিমু এর ছবি
জ্বিনের বাদশা এর ছবি

গুড লিস্ট

এরশাদ তো জিনসেংয়ের স্বর্গরাজ্যে পদার্পন করছে ,,, ব্লাডপ্রেসারটা ঠিক রাখতে পারলেই হয় ,,, চোখ টিপি

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

হিমু এর ছবি

কবি আবু মুস্তাফিজের একটি কবিতা মনে পড়ছে, চৈনিক মেয়েদের নিয়ে ... তিনি লিখেছিলেন,

শুনেছি, চৈনিক মেয়েরা বণিক পুরুষদের শরীর খেতে দেয়
পাটিসাপ্টা পিঠাপুলির মতোন। ঘাপ্টি মেরে বন্ধুদের কাছ থেকে এইসব মজাদার গল্প শুনে দৈনিকি চৈনিক মেয়ের পাটিসাপ্টা পিঠা, রিঠা মৎস্য সহযোগে খাই।

স্বাদ কেমুন জানতে চাইলে রিঠা মৎস্যই প্রকৃষ্ট উদাহরণ তাহার। কিন্তু তাহারপরো উচুঁ চুঁচি আর ছোট পুশির গপ্প আজীবনই গপাগপ গিলেছি। পিলেচমকানো ধড়াশ ধড়াশ বুকে প্রচুর কাফাকাফিসহযোগে শুনেছি, শুধু ইংরেজি জানা থাকলেই কেল্লাফতে। অরা মারতে দেয় প্রচুর মার। মারকাটারি করতে দেয় উলুবনজুড়ে ঘুলুঘুলু।

ছোট্ট পায়ে নাথি কষায় নিঙ্গে। ভেঙ্গে ফেলে শইলের সমস্ত আইঢাই। ঘাইঘাই না করে বরং সঙ্গীতের সুমিষ্ট পান করায় ফুং ফাং ফু ফাং কথা কয়ে।

আশা করি হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ সুখেই থাকবেন।

কই বাঘা, পুরান কবিতাগুলি ছাড়েন এক এক করে।


হাঁটুপানির জলদস্যু

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

সচলায়তন যদি একটি দৈনিক হত, তাহলে আজকে বিকেলেই মামু ও কাকুকে খতিবের হাত ধরে ক্ষমা চাইতে হত। আর আপনার পরিণতির কথা বাদই দিলাম। খেয়াল করে পড়লে ইসলামের অবমাননার অনেক কিছু খুঁজে পাওয়া যাবে এই লাইনগুলোয়। উদ্ধৃত অংশ স্বরচিত না হলেও ক্ষমা নেই। ঠিক যেমন ক্ষমা নেই দাউদ হায়দারের।

দ্রোহী এর ছবি

অতি সুখবর!! বেচারা এরশাদ - সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা থাকলে চীনের জনসংখ্যা কিছু বাড়াতে পারতো।


কি মাঝি? ডরাইলা?

অতিথি লেখক এর ছবি

ব্যাপার আসলে অন্যরকম। তারা বেছে বেছে কয়েকটা পত্রিকার বারোটা বাজাবে ঠিক করেছে।প্রথম আলোকে ফাঁদে ফেলেছে, আজকের কাগজ বন্ধ হয়েছে [নাকি করা হয়েছে?]সাপ্তাহিক ২০০০ কে নাকে খত দিতে হচ্ছে। জনকণ্ঠের জন্যও অপেক্ষা করছে আরো বড় কিছু, মালিককে তো জেলে পোরা হয়েছে আগেই - এ তালিকায় আর কোন কোন পত্রিকা বা সংবাদমাধ্যম বা মানুষ থাকতে পারে তা সহজেই অনুমেয়।

সৌরভ এর ছবি

হতাশ সবকিছু নিয়ে।



আমি ও আমার স্বপ্নেরা লুকোচুরি খেলি


আবার লিখবো হয়তো কোন দিন

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।