অনেকটা শখ আর খানিকটা ঈর্ষা থেকে শেষ পর্যন্ত একটা ক্যামেরা কিনেই ফেললাম। ভালোই ছিলাম ১২X জুমের ক্যানন ক্যামেরাটা নিয়ে। হঠাৎ অফিসের ভিন্স চ্যাঙ একটা ফোর্টিডি কিনে ফেলল। ভিন্সের কান্ড দেখি আর নিজেকে সান্ত্বনা দেই। শুধু ভিন্স কিনলে ভালোই ছিল। ইদানিং এদিকে এসএলআর জ্বরে ব্যাপক প্রকোপ। যে ছবি তুলতে জানেনা সেও একটা এসএলআর কিনে বসে থাকে। ছবি তুলুক আর না তুলুক, গল্পের আসরে বেশ দাপটে বলে, "ইয়া আই হ্যাভ ওয়ান টু.."। ডিএসএলআর ক্যামেরার দাম ভালোই। এখন অবশ্য অনেক সস্তা হয়ে গেছে। তারপরও কেনার সাহস হয়না। দুহপ্তা নেট ঘেটে ঠিক করলাম হয় ক্যাননের ৪৫০ডি কিনবো না হয় ক্যাননেরই ৩০ডি কিনবো। ৪৫০ডি হল নবিশি মডেল আর ৩০ডি হল সেমি-প্রো। বাজারে তখন ৪০ডির দাপট। যুক্তি বলে পুরোনো ৩০ডি পানির দামে পাওয়া যাবে। বাস্তবে দেখা গেল ৩০ডি-র দাম যাবতীয় আশার মুখে লাথি মেরে পুরোনো দামের বেশ কাছেই শক্ত হয়ে লটকে আছে।
উদ্ধার করলো সৌরভ, জাপান থেকে সে বেশ সস্তায় (তুলনামূলক সস্তা, পরমমানে নয়) একটা ৪০ডি কিনে দিল (পেপ্যালে টাকা পাঠাতে গিয়ে অবশ্য কিঞ্চিত ধরা খেতে হল)।
৪০ডি হাতে পাওয়ার আনন্দে আমি অফিস বাঙ মারলাম। কখনও পাশের বাড়ির ছবি তুলি, কখনও পায়ের বুড়ো আঙুলের ছবি তুলি। উইকেন্ডে চিড়িয়াখানায় যাই, ডানামেলা সারসের ছবি তুলে আমার সে কি উত্তেজনা। ফ্লিকার নতুন অ্যাকাউন্ট খুলে ফেললাম, কয়েকটা গ্রুপে ঢুকে ছবি পাঠানোও শুরু করলাম।
এবং তারপরই শুরু হল আপদ। একে তো নেশাটা জেঁকে ধরেছে, তার উপর মাথায় ঢুকেছে লেন্স কেনার ভূত। অনেক আগে পড়েছিলাম এসএলআর কিনতে হলে হয় দামীলেন্স সস্তা বডি না হয় দামী বডি সস্তা লেন্স কিনতে হয়। কথাটা দেখি সর্বাংশে সত্য।
আমার পাখির ছবি তোলার বাতিক। ৮৫মিলিমিটারে ঠিক এই কাজটা হয় না। ৩০০-৪০০মিমি না হলে শুরুই করা যায় না (মেজমামার ছিল ৫০০মিলিমিটারের লেন্স)। তো নতুন লেন্স কিনতে হবে। লেন্স কিনতে গিয়ে আবিস্কার করলাম আরেক যন্ত্রনার!
লেন্সের মান নির্ভর করে নীচের বিষয়গুলোর উপরঃ
১. শার্পনেস (কতো স্পষ্ট ছবি আসবে, সস্তা লেন্স কিছু কিছু অংশ ঝাপসা হয়ে যায়, ঝকমকে ভাবটা হারিয়ে যায় তখন)
২. ম্যাক্সিমাম অ্যাপারচার (কতো বেশী আলো লেন্সে ঢোকে, বেশী আলো ঢুকলে হাইস্পীডে ছবিতোলা সোজা)
৩. ফোকাল লেন্থ/ জুম রেঞ্জ
৪. ঝাঁকুনি প্রতিরোধক ব্যবস্থা (হাঁতের কাপুনিতে যেন ছবি ঝাপসা না হয় তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা)
৫. অটো ফোকাস পারফরমেন্স (বাজে লেন্সে অটো ফোকাস ধীরে হয় বা সুক্ষ হয় না)
৬. ব্র্যান্ড এবং আরো কিছু ভুলে যাওয়া বিষয় 
প্রথমে কিনলাম একটা ৫০মিলিমিটারের লেন্স। ম্যাক্সিমাম অ্যাপারচার ১.৮। শ' তিনেক রিঙ্গিত দাম, বেশ সস্তাই বলা যায়, আর ম্যাক্সিমাম অ্যাপারচার ১.৮ হওয়ায় এটাকে ফাস্ট লেন্স ধরা হয়। এই লেন্সটা ব্যবহার করা হয় সাধারন পোর্ট্রেট তোলার জন্য। খুব সামান্য অংশ ফোকাসে থাকে এই লেন্স । বাকিটা সুন্দর করে ঘোলাটে হয়ে যায় (বোকে বলে একে)। বোকে তৈরির আনন্দে আমি পাগল। যাই তুলি তাই ভালো লাগে!
দুদিন পরে আবার মাথায় ঢুকল টেলিফোটো ছাড়া চলবে না। ক্যানন চাররকম লেন্স বানায়, EF, EF-S, L আর DO। EF, L, DO সব নরমাল ও কিছু ডিজিটাল ক্যামেরায় চলে। EF-S চলে সব ডিএসএলআর-এ। L টাইপকে বলা হয় লাক্সারী গ্রেড, দাম চট করে দেড়-দুহাজার ডলারে উঠে যায় এর আশ্চর্যরকম গুনগত মানের জন্য (খেলার মাঠে যে সাদা লেন্স দেখেন উহাই L লেন্স)। DO লেন্স এর মান ও দাম L এর খুব কাছাকাছি, তবে আকারে ছোট।
শখ ছিল ক্যাননের ৭০-২০০মিমি L IS USM F/2.8 লেন্স কিনবো। এখানে IS মানে হল এতে ঝাঁকুনি প্রতিরোধক আছে, USM মানে হল অটোফোকাস মটর নিঃশব্দে ও দ্রুত কাজ করবে, আর f/২.৮ মানে হল ম্যাক্সিমাম অ্যাপারচার ২.৮, টেলিফোটোর জন্য যা বেশ ফাস্ট বলা যায়। কেনা হল না দামের জন্য, ১৬০০ ডলার তো গাছে ধরে না
, L লেন্স বলে কথা!
অনেক খুঁজে ঠিক করলাম ক্যাননের ৭০-৩০০মিমি EF IS USM F/4-5.6 লেন্সই কিনবো। এটা L না, তাই খানিকটা সস্তা ও ২৫০-৩০০মিমি রেঞ্জে দুর্বল। ম্যাক্সিমাম অ্যাপারচারও ৪ থেকে ৫.৬ এর মধ্যে উঠানামা করে। ২.৮ এর চেয়ে এতে কম আলো ঢুকবে, ফলে কম আলোতে বা অ্যাকশন শট নেওয়াটা একটু ঝামেলা হয়ে যাবে। তবে IS আর USM তো আছেই। দামও L লেন্সের অর্ধেক। ৫৫০ ডলারের মতো।
শেষপর্যন্ত আর কেনা হল না, এখানে পাওয়া যায় না। আর ৫৫০ ডলার খরচ করাটাও সম্ভব না। কালকে একটা সেকেন্ডহ্যান্ড কেনার ধান্দা করে ধরা খেলাম।
অনেকে বলে ট্যামরন বা সিগমা-র লেন্স কিনতে। এসব ব্র্যান্ডের দাম কম, কিন্তু ভরসা পাই না স্যাম্পল ইমেজ দেখে।
একটা ভালো টেলিফোটো আর একটা ১০-২২মিমি ওয়াইড পেলে ভালো হতো। ডিএসএলআর এখন হয়ে গেছে হাতি পোষার মতো!
যে কাজটা পয়েন্ট অ্যান্ড শুট ক্যামেরায় করা যায়, সেই কাজ ডিএসএলআরে করার মানে হয় না! তাই ডিএসএলআর কেনার আগে চুরি-চামারি করে বস্তা ভর্তি টাকা রেডি করুন আর জেনে নিন কিসের/কিধরনের ছবি তুলতে যাবেন এই সাদা হাতি দিয়ে।
লেন্স কিনতে না পারার দুঃখে সেদিন একটা "কেবল রিলিজ" কিনে ফেললাম, ভাবছি বজ্রপাতের ছবি তুলবো। মুস্কিল হল জিনিসটা কেনার পর থেকে ঝড়-বৃষ্টি থেমে গেছে। তবে কাল জিনিসটা ব্যবহার করে উপরের ছবিটা তুললাম। এক্সপিরিমেন্ট মন্দ হয়নি...
মন্তব্য
তথ্যবহুল। ভবিষ্যতে কাজে লাগলেও লাগতে পারে।
____________________________________
ব্যাকুল প্রত্যাশা উর্ধমুখী; হয়তো বা কেটে যাবে মেঘ।
দূর হবে শকুনের ছাঁয়া। কাটাবে আঁধার আমাদের ঘোলা চোখ
আলোকের উদ্ভাসনে; হবে পুন: পল্লবীত বিশুষ্ক বৃক্ষের ডাল।
___________________________
লাইগ্যা থাকিস, ছাড়িস না!
জাপানীস্যারকে জাঝা
ছবিটা কি আপনার তোলা?
গ্লাসের উপরে একটা স্পুন, কিন্তু ছায়াটা তো ফর্কের ...
হাত বাড়িয়ে ছুঁই না তোকে, মন বাড়িয়ে ছুঁই,
দুইকে আমি এক করি না এক কে করি দুই৷
ক্যামেরার মাজেজা বুঝলাম না, গ্লাসের উপড় রাখা টি স্পুন, কিন্তু নীচে ছায়া পড়ছে ফর্কের। দামী ক্যামেরাতো বটেই। আমার ছবি শুট করলে, ঐধারে হয়তো এ্যাশকে দেখা যাবে।
তানবীরা
---------------------------------------------------------
চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে
*******************************************
পদে পদে ভুলভ্রান্তি অথচ জীবন তারচেয়ে বড় ঢের ঢের বড়
হুমম, বচ্চনের পুত্রবধূ। ভবিষ্যত জিরাফ বচ্চনের ভাবী মা।
তানবীরা
---------------------------------------------------------
চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে
*******************************************
পদে পদে ভুলভ্রান্তি অথচ জীবন তারচেয়ে বড় ঢের ঢের বড়
মাশীদ আপনার প্রতিভায় মুগ্ধ, আর আমি হলাম সংশয়বাদী। ছবি ভালো হয়েছে কাসাম ছে।
তানবীরা
---------------------------------------------------------
চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে
*******************************************
পদে পদে ভুলভ্রান্তি অথচ জীবন তারচেয়ে বড় ঢের ঢের বড়
মাথার উপর দিয়ে গেছে লেখা।
ছবি দারুন।
ক্যামনে করলেন?
ওয়েবসাইট | ব্লগস্পট | ফেসবুক | ইমেইল
মন্তব্য করতে করতেই দেখি আগে জবাব চলে এসেছে।
ওয়েবসাইট | ব্লগস্পট | ফেসবুক | ইমেইল
পোস্ট-প্রসেসিং না জানলে আর এল সিরিজের লেন্স না থাকলে ডিজিটাল এসএলআর না কেনাই ভালো। যারা ফটোশপের কারুকাজ জানেননা তাদের জন্য ডিএসএলআর তেমন কাজের না। আর সবাই তো অরূপ নন, অতএব সাধু সাবধান।
Practical Photography-র শেষ সংখ্যাটাতো আমিও কিনছিলাম। কিনলে কি হবে আমি তো আর অরূপের মত এক্সপিরিমেন্ট করতে যাইনি।
তা করবোই বা কি করে - আমার তো এখনও DSLR কেনাই হয়নি। নাইকন কিনবো বলে ভেবে রেখেছিলাম। একটা ম্যাক কম্পিউটার কেনার আসায় ক্যামেরা কেনার পরিকল্পনা বাদ দিয়ে রেখেছি। Nikon D40 D80তো মোটামুটি এখন অ্যামেচারদের ক্যামেরা হিসেবেই পরিচিত। তাই ভেবেছিলাম প্রফেশনালদের দিকে কাঁধ বাঁকিয়ে D200 কিনবো ঠিক করেছিলাম। কিন্তু এ দেখি বাজার ছাড়া। ডি-৭০০ নিয়ে নাইকন এখন বাজারে তোলপাড় করছে। ইউকে-তে আবার সবকিছুর বাড়তি দাম। ডি-৭০০-র বডি বিক্রি করছে এরা ১,৮০০ পাউন্ডে। লেন্সগুলো সব দুই হাজার পাউন্ডের উপরে। ক্যানন ৪০-ডি শুধু বডিই প্রায় ৬০০ পাউন্ড। অরূপ ক্যামেরায় অনেক টাকা ঢালছে বুঝা যায়।
ডি-২০০ কি নাইকন মার্কেট থেকে উঠিয়ে দিলো নাকি। এই জিনিসের আর বিজ্ঞাপন দেখি না। মালয়েশিয়ায় দাম কেমন?
-----------------------------------------------
সচল থাকুন... ...সচল রাখুন
-----------------------------------------------
মানুষ যদি উভলিঙ্গ প্রাণী হতো, তবে তার কবিতা লেখবার দরকার হতো না
অরূপ, এই একটাই ছবি?! তাড়াতাড়ি আরো কারিকুরি মার্কা ছবি আপ্লোড করেন !
দারুন ছবি! দেখেই বুঝতে পেরেছি ছবির গন্ডগোলটা, পরে আপনার ব্যাখ্যা পড়ে বুঝলাম আসলে ব্যাপারটা কি। দারুন এক্সপেরিমেন্ট হয়েছে। আমি অবশ্য অনেক চিন্তাভাবনা করে এসএলআর না কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। মাসখানেক আগে শেষ পর্যন্ত সনি-ডব্লিউ ১৫০ কিনেছি। আরো কিছু ছবি আপলোড করেন, দেখি।
___________________________________
বিষন্নতা ছোঁয় আমায় মাঝে মাঝেই, কখনো কি ছোঁয় না তোমায়?
একটু সংশোধন:
ক্যানন চাররকম লেন্স বানায় কথাটা ঠিক ওভাবে বলা যায় না।
Canon Lens:
Mount, 3 types:
Manual, EF or EF-s
Primery Light Control, 2 types:
Convex Lens or Defrective Optics (DO)
Main Lens Material, 2 types:
Glass or CaF (Low Dispersion or L)
লেন্সগুলো উপরের বিভিন্ন প্রযুক্তির সমন্বয়ে তৈরী হতে পারে।
L মানে লাক্সারী নয় Low Dispersion Optics
EF-s সব ডিজিটালে চলবে না (শুধু ১.৬ গুন ডিজিটালে চলবে যেমন (20D/30D/40D/50D কিন্তু 1DsIII , 5D, 1DIII তে নয়, এরা ১x অথবা ১.৩x)
:.:::....:..::..:.::...:.:.:...:.:..:..:::....::..:...:..:.:.:....:..:.:.:.:.
To see Photos Visit: www.sirajul.com
লিখব ভাই, এক বই নিয়ে এমন নাস্তানাবুদ অবস্থায় আছি যে এটি বের না হওয়া পর্যন্ত কিছুই করা যাচ্ছে না। আর বাংলা টাইপে এত সময় লাগে যে আর কি বলব।
ক্রোমাটিক অ্যাবারেশন লেন্সের (একক অথবা কম্পাউন্ড) এক মৌলিক ধর্ম। এটা কমানো লেন্সের অভ্যন্তরীন ডিজাইন ইস্যু। সাধারণত কাঁচের সাথে কাঁচের বিপরীতধর্মী অ্যাবারেশন আছে এমন লেন্স (ক্যলসিয়াম ফ্লুরাইট) স্যন্ডুইচ করে ক্রোমাটিক অ্যাবারেশন কমানো হয়। বাইরে থেকে কিছু করা যায় বলে আমি জানি না।
পাখীর ছবি তোলার খায়েশ থাকলে ৭০-৩০০ IS USM সবচেয়ে উপযুক্ত প্রথম লেন্স। লেন্স ও ক্যমেরা হ্যান্ডলিং এবং লো লাইট ফটোগ্রাফি একটি শেখার বিষয়। অনেকেরই প্রথম লেন্স ও ক্যামেরা নষ্ট হয় হ্যান্ডলিং শেখার আগে। অনেকে অবসেসিভ হয়ে ক্যমেরা কিনে পরে বুঝে যে হবিটা ঠিক পোষাচ্ছে না। তাই নতুন মডেলের বি এম ডব্লিউ কিনে ড্রাইভিং শেখার চেয়ে পরে বুঝে শুনে L লেন্স কেনা ভাল।
:.:::....:..::..:.::...:.:.:...:.:..:..:::....::..:...:..:.:.:....:..:.:.:.:.
To see Photos Visit: www.sirajul.com
বস্ আপনি এসব নিয়ে নিয়মিত কিছু কিছু লেখা দিলে আমরা যারা এ নিয়ে উতসাহী তারা উপকৃত হতাম।
L মানে যদিও Low Dispersion Optics ব্যবহারিক অর্থেই হয়তো আমরা ওটাকে লাক্সারি বানিয়ে নিয়েছি। কারণ তার দাম আর কোয়ালিটি। হি হি..
যতটা মনে পড়ে এটা ব্ল্যাক বুলবুল।
আমি মনে করি তৃতীয় পক্ষের লেন্সের চাইতে প্রথম পক্ষের লেন্স দীর্ঘ সময়ে বেশী লাভজনক। সেইজন্য মূল ব্রান্ডের লেন্সই কেনা উচিত্ (গার্লফ্রেন্ডের পেছনে পয়সা কম খরচ করে হলেও)।
এখান থেকে কিছু আইডিয়া পেতে পারেন।
টেলিফোটো সাধারনভাবে জুম থেকে কয়েক গুন ভাল ছবি দেবে। তবে টেলিফোটো অনেক দামী এবং অনেকের জন্য অসুবিধাজনক যেমন ফটো সাংবাদিক। ছবির চরম মানের চেয়ে বিষয়টা ধরা তাদের জন্য বেশী জরুরী। ছবি বেশী বড় না করলে অতি উচ্চ মেগাপিক্সেল বা উচ্চ মানের লেন্স কেনার কোন অর্থ নেই।
কোন লেন্স কোন এফ স্টপে কেমন ব্যাবহার করবে তা ঐ লেন্সের MTF (মড্যুলেশন ট্রান্সফার ফাংশন) কার্ভ থেকে বোঝা যায়। যে কোন লেন্সে কম এফ স্টপের (ওয়াইড ওপেন) খারাপ মানের কারণ CA আর বেশী এফ স্টপের (১৬ বা বেশী) খারাপ মানের কারণ এপারচারের জন্য আলোর ব্যতিচার (Defraction)।
:.:::....:..::..:.::...:.:.:...:.:..:..:::....::..:...:..:.:.:....:..:.:.:.:.
To see Photos Visit: www.sirajul.com
ছবিটা চমৎকার, জট্টিল। আরো ছবি ছাড়েন অরূপ ভাই।
-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।
-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।
এইবার আপ্নে বুঝবেন কত গমে কত আটা! সচলে ছবি আপলোড করতে যে কি মহা সুখ সেইটা এবার আপনার এসেলার কেনার সুবাদে উপলব্দী করলেই হয়। ছবি আপলৌড পদ্ধতি একটু সহজ করার ব্যবস্থা করেন।
আর বুড়া আঙ্গুল থেকে শুরু করে হুর পরী কারো ছবি বাদ দিয়েননা।
আমারও কিন্তু একটা ক্যানন ৪০০ ডি আছে।
---------------------------
স্বপ্নকে ছুঁতে চাই সৃষ্টির উল্লাসে
-------------------------------
স্বপ্নকে ছুঁতে চাই সৃষ্টির উল্লাসে
অনেক তথ্য জানতে পারলাম।
ডিএসএলআর কেনার শখ উবে গেছে।
--------------------------------------------------------

একটা ডিএসএলআর কিনব বলে প্রচুর পড়াশোনা করলাম। কাজের কাজ যেটা হল আগের চেয়ে বেশী কনফিউজ হয়ে গেলাম। একটা Canon EOS 50D কিনব কিনা ভাবছি।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
বিরক্ত লাগলে এটা এখনও কমপ্যাক্ট ফ্ল্যাশ ব্যবহার করে দেখে। কমপ্যাক্ট ফ্ল্যাশের যুগ আছে নাকি এখনো?
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
লেন্সের ব্যাপারটা সব কটা জায়গাতেই বার বার করে বলল দেখলাম। আমার পয়েন্ট এন্ড শ্যুট একটা আছে: ক্যানন A650 IS। তাই এবারে ডিএসএলআর দেখছিলাম। বাজেট কম। অথচ শুধু ক্যামেরার বডির দামই ১২০০ ডলার। তারপর নাকি লেন্স না কিনলে লাভ নাই।
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির
নতুন মন্তব্য করুন