দুর্দান্ত এর ব্লগ

মেধা ও তার প্রকাশ কি আদৌ চুরি করা সম্ভব?

দুর্দান্ত এর ছবি
লিখেছেন দুর্দান্ত (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৪/০৫/২০১২ - ৭:৩১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মেধা-সত্ত্ব নিয়ে একটি সুন্দর আলোচনা হচ্ছে প্রকৃতিপ্রেমিকের সাম্প্রতিক পোস্টে। সচলায়তনের সাথে সম্পৃক্ত অনেকেই (সকলেও হতে পারে) নিশ্চিত যে অন্যের লেখা বা ছবি নিজের লেখায় ব্যাবহার করার সময়ে সেখানে রেফারেন্স ব্যাবহার করলে লেখার মান উন্নত হয়। এর সাথে বিমত প্রকাশ করার মত যথেষ্ট কারণ ও উপাত্ত আমার হাতে নেই। তাই আমিও আপাতত যেখান


ইচিং বিচিং তিচিং চা

দুর্দান্ত এর ছবি
লিখেছেন দুর্দান্ত (তারিখ: সোম, ০৩/০৫/২০১২ - ১১:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৯৭৩ সালের শরৎকালের এক সন্ধ্যায় বৃষ্টি ঝির ঝির ইস্তাম্বুল। ব্রিটিশ সওদাগরি প্রতিষ্ঠান এক্সপোর্ট-ইম্পোর্ট এর টেলেক্স ঘর। টেলেক্স যন্ত্রের পাশে অধীর আগ্রহে বসে আছে রিকি টার। অন্য সন্ধ্যাগুলোতে রিকিকে আমরা দেখতে পেতাম ইস্তাম্বুলের নিষিদ্ধ এলাকার কোন নাইটক্লাবে। নাইটক্লাবের তরুণীদের মধ্যে যারা রিকির নীল চোখ আর চোস্ত তুরকী বোলচালের রহস্য সমাধান করতে গিয়ে আর সুশীল দূরত্ব রাখতে পারেনা, তাদের কেউ হয়তো ব


জাতীয়তাবাদ একটি ধর্মের নাম

দুর্দান্ত এর ছবি
লিখেছেন দুর্দান্ত (তারিখ: সোম, ০২/২৭/২০১২ - ৫:৫৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাংলাদেশীরা ধর্মভীরু। ইসলাম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ও জাতীয়তাবাদ নামক ধর্মগুলোর প্রতি বাঙ্গালীর দুর্বলতা নতুন কিছু নয়। আমরা যারা মুক্ত-চেতনাকে প্রয়োজনীয় মনে করি, যুক্তিকে ধর্মের ওপরে স্থান দেই তাদের অনেকেই ধর্মের মতই সামনে আসা অন্যান্য প্রতিটি ধারনা ও প্রস্তাবনাকেই যুক্তি দিয়ে বুঝতে চাই, খতিয়ে দেখতে চাই। এই অবস্থান থেকে অন্ধ ধার্মিকের অনেকগুলো সমস্যা আমাদের চোখে পড়ে। যেমন ধর্মের প্রতি নিঃশর্ত বিশ্বাস


'বাংলা' জিনিসটা কি?

দুর্দান্ত এর ছবি
লিখেছেন দুর্দান্ত (তারিখ: সোম, ০২/২০/২০১২ - ৬:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আইচ্চা কয়েন তো দেহি, বাংলা খাওন কুন্ডা?

আমি জানি, আফনে কইবেন ভাত আর মাছের ঝাল।

আইচ্চা, এইবার বলেন, মাছের ঝাল কি দিয়া বানায়?

আফনে বলবেন, কেন? মাছ তো থাকেই, সাথে থাকে হলুদ মরিচ পিয়াজ আর তেল, এসব। তবে আর কিছু না থাক, বেশ করে কাঁচা লংকা নাইলে সে আবার কেমনধারা মাছের ঝাল?


আমাদের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা কৌশলের ক্রমবিকাশ - ৩

দুর্দান্ত এর ছবি
লিখেছেন দুর্দান্ত (তারিখ: বিষ্যুদ, ১২/১৫/২০১১ - ৬:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এখানে আরএখানে ১৯৭১ সালের বর্ষাকাল অব্দি পাকিস্তান ও ভারতের যুদ্ধ প্রস্তুতি নিয়ে কিছু কথা বলেছি। এখানে শুরুতেই মুক্তিবাহিনী নিয়ে কিছু কথা বলা যাক।


সেনাবাহিনী, যুদ্ধকৌশল ইত্যাদি

দুর্দান্ত এর ছবি
লিখেছেন দুর্দান্ত (তারিখ: বিষ্যুদ, ১২/১৫/২০১১ - ৩:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভারত ও পাকিস্তান – এই দুই দেশের নিয়মিত সামরিক বাহিনীর সিংহভাগ পদাতিক। বিমান বা নৌবাহিনীর গুরুত্ব বাড়ছে, কিন্তু সংখ্যার দিক থেকে পদাতিক বাহিনীই মূখ্য। ব্যাক্তি সৈনিকের পরে পদাতিক বাহিনীর ক্ষুদ্রতম একক ৪-৫ জনের একটি সশস্ত্র দল বা ‘ফায়ার-টিম’ দিয়ে গঠিত হয়। এর নেতৃত্বে একজন নন কমিশন্ড অফিসার (এন সি ও) অথবা অভিজ্ঞ সৈনিককে দেখা যায়। কয়েকটি ফায়ারটিম একসাথে হয়ে একজন বয়োজ্যেষ্ঠ এন সি ও’র অধিনে একটি স্কোয়াড


আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধ পরিচালনা কৌশলের ক্রমবিকাশ-২

দুর্দান্ত এর ছবি
লিখেছেন দুর্দান্ত (তারিখ: মঙ্গল, ১২/০৬/২০১১ - ৪:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগের পর্বে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় কৌশলের অনুসিদ্ধান্ত ও পরিকল্পনার পটভূমি নিয়ে কথা বলেছিলাম।


আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধ পরিচালনা কৌশলের ক্রমবিকাশ-১

দুর্দান্ত এর ছবি
লিখেছেন দুর্দান্ত (তারিখ: শনি, ১২/০৩/২০১১ - ৯:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটি দেশের পররাষ্ট্রনীতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ তাদের সেনাবাহিনীর পরিচালনা কৌশল। আর সেই দেশটি যদি পাকিস্তান হয়, তবে সেখানে সেনাবাহিনীর পরিচালনা কৌশলই আদতে দেশটির পররাষ্ট্রনীতি। এটা ৪৭, ৬৫, ৭১ এ যেমন সত্য ছিল, এখনো আছে। এবছরের নভেম্বরের ২৬ তারিখের ঘটনা ও তারপরের বহুল প্রচারিত কেচ্ছাকাহিনিতে সেটাই দেখা গেছে।


শক্তির অপচয়

দুর্দান্ত এর ছবি
লিখেছেন দুর্দান্ত (তারিখ: মঙ্গল, ১০/০৪/২০১১ - ৭:৫৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দুর্গতিনাশিনির পুনরাগমন আমার বন্ধু-মহলের একাংশে আনন্দের বন্যা বইয়ে দেয়। কুয়াশায় আচ্ছন্ন সকালের ফাঁক দিয়ে এসে পড়া নাযুক সূর্যরশ্মির মত মনের ওপরে প্লাস্টারে বাম হাত মোড়া ছোট ছেলেটির ছায়া এসে পড়ে। রায়েরবাজার আখড়ার প্যান্ডেলে পারিবারিক নিকট-বন্ধুদের হাসিমুখ, ধুপের গন্ধ আর নেশা ধরানো ঢাকের শব্দের ভেতর বাতাসা-মুরলী চিবোতে চিবোতে সেই ছেলেটি হেঁটে বেড়ায়। হলুদ লাল আর সোনালী রঙের ভেতর থেকে তিনটি চোখের অপলক


মুচাই অথবা একটি অনুর্বর গাভীর গল্প

দুর্দান্ত এর ছবি
লিখেছেন দুর্দান্ত (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৬/৩০/২০১১ - ৩:৪৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যে বাড়িটিতে আমি বড় হয়েছি, সেই চারতলা বাড়ীটির তলায় একটি আর ছাদে আরেকটি পানির ট্যাঙ্ক ছিল। নিচতলার সিঁড়ির তলায় লোহার খাঁচায় বসে থাকতো এক ময়ূরকণ্ঠী নীল রং এর পেড্রলো পাম্প। সকাল বিকেল সিঁড়িঘরে মৃদু ঝাঁই ঝাঁই শব্দ তুলে সেই পাম্প নিচের ট্যাঙ্ক থেকে পানি ছাদের ট্যাঙ্কে তুলত। ভোরে ঘুম ভেঙে শুনতে পেতাম। আবার আসরের আজান পড়তে পড়তেই। বিকেলেও সিঁড়ি বেয়ে নিচে খেলতে নামার সময় বেখেয়ালে শুনতাম আমি সেই পাম্পটার আও