আসল নাম
কুঙ্গ থাঙ
আমার ওয়েবসাইট
http://manipuriblog.blogspot.com
তুলসীতলায় প্রতিদিন কুকুরটি এসে মুতে (শব্দটি অ-কুকুর সমাজে সেন্সরড হতে পারে) চলে যায়..
সকালে কিংবা বিকালে, কোন কোনদিন রাতের বেলা, সুযোগ বুঝে যখন কেউ দেখে না...
কুকুরটি পালিত নাকি বেওয়ারিশ, কেউ জানেনা...
এ সময়টিতে সাধারনত ধর্মকর্মের ধুম পড়ে... এখানে ওখানে মন্দির তৈরীর উৎসব চলে আর চতুর্দিকে লেগে থাকে পূজার্চ্চনা... এ সময়টিতে ঘরে ঘরে ধর্মের পতাকা উড়ে পতপত...
গেরস্ত দাঁতমুখ খিঁচিয়ে বলে, হালার কুত্তা! তোরে একদিন পাইছি তো...
দেশগ্রাম ঘুরে ঘুরে কুকুরটির ব্যস্ত সময় কাটে... সে মাংসের গন্ধ চিনতে পারে ... আগুনের স্পর্শ পেলে দৌড়ে পালায়... রক্ত চেটে চেটে খায় আর বমি করে... মানুষদের মতো সে বসে থাকে না ... তাকে প্রতিদিন খাদ্যের চিন্তা করতে হয়... নিজেকে টিকিয়ে রাখতে হয়...
কুকুরটি বিশ্রীভাবে ঘেউ ঘেউ করে ডাকে... দেশগ্রামের চমৎকার সব বৃক্ষ, সাজানো ঘরবাড়ী, দালানকোঠা, সুন্দর উঠান দেখলেই সে এক পা শূণ্যে উঠিয়ে দেয়... কুকুরটিকে হত্যার জন্য গেরস্ত দা খুন্তি লাঠি বল্লম সবকিছু নিয়ে অপেক্ষায় থাকে...
কুকুরটির ভাষা গেরস্ত ধরতে পারে না, গেরস্তের রাগও কুকুরটি বুঝতে পারে না ...
তুলসীতলার সামনে আজ ভয়ানক এক যুদ্ধ হবে!
মুল গল্পঃ শুভাশিস সিনহা
বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী থেকে ভাষান্তরঃ কুঙ্গ থাঙ
মন্তব্য
ইসস! এরপর না জানি কি হলো!
------------------------------------------------------------
ধর্ম নিয়ে রাজনীতি সবচেয়ে বড় দুর্নীতি-আবুল ফজল।
আমার চারপাশ ডট কম।।।ফেবু
পরে কি হবে তা জানার আগ্রহ আমারও! পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
____________________________________________________________
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি
ভালো লাগলো
অ:ট: শুভাশিস সিনহা কি জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যতত্বের? মনিপুর থিয়েটারের?
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
হ্যা তিনিই... চিনেন নাকি?
____________________________________________________________
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি
হু চিনি... তার শ্রীমঙ্গলের বাড়িতে কিছুদিন আগে একটা চমৎকার দুপুর কেটেছে...
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
আচ্ছা আপনার কথা তাকে বলব ...শুভাশিসের বাড়ি শ্রীমঙ্গল নয়, কমলগঞ্জ। বইমেলায় শুভাশিসের নতুন উপন্যাস বেড়িয়েছে- কুলিমানুর ঘুম।
____________________________________________________________
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি
আপনার অটোমেটেড কমেন্ট জেনারেটরকে ধন্যবাদ
____________________________________________________________
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি
----------------------------------------------------------------------------------------------
"একদিন ভোর হবেই"
ধন্যবাদ অরফিয়াস।
____________________________________________________________
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি
প্রদীপ্তময় সাহা, পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
____________________________________________________________
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি
খুব সুন্দর ।
গল্প এবং অনুবাদ দুটোই খুব ভাল ।
এখানে এসে গল্পটির ইঙ্গিত কিছুটা উপলব্ধি করা যায়।
চিরকাল এমনটিই হয়ে এসেছে। আর তাইতো অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠে যুদ্ধ। শ্রেণীসংগ্রাম।
শেষের লাইনটি সার্থক ছোটগল্পের দাবী পূরণ করেছে। সবার ভিতরই আসন্ন এক অনিশ্চিত পৃথিবীকে নিয়ে শঙ্কা কাজ করে।
অনুবাদককে ধন্যবাদ চমৎকার একটা ছোট গল্প বাংলা ভাষায় উপহার দেয়ার জন্য।
পাঠ, এবং অসাধারন বিশ্লেষনের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
____________________________________________________________
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি
গল্পের বিষয়টা দারুণ
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
____________________________________________________________
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি
।
____________________________________________________________
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি
ভালো লেগেছে। বিশেষ করে সমাজের সাথে তুলসিতলার তথাকথিত পবিত্রতার ব্যাভিচারের উন্মোচন ভাবায়।
কিছু বছর আগে হঠাত করেই কিছু মনিপুরী গল্প হাতে এসেছিল। পড়েছিলাম। লেখকরা বেশীরভাগই আসাম অঞ্চলের সাহিত্যিক। ভালো লেগেছিল। তারপর আর বিশেষ কিছু পড়া হয়নি। তবে মনে হয়েছে মনিপুরী সাহিত্য যথেষ্ট শক্তিশালী।
এত কম লিখেন কেন? আরেকটু বেশী লিখুন, প্রত্যাশা রইলো।
হেঁয়ালির চিঠিতে ডাকঘর | দৃষ্টি |
পড়ার জন্য এবং পাঠ প্রতিক্রিয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। ভাষাটি বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি যা উত্তর-পুর্ব ভারতে মণিপুরি (মৈতৈ) নামে পরিচিত আরেকটি ভাষা থেকে ভিন্ন। তাবে আপনার অনুমান সঠিক। এভাষার বেশীর ভাগ লেখক আসাম অঞ্চলের সাহিত্যিক। তবে বাংলাদেশেও এ ভাষায় সাহিত্যচর্চা কম নয়। বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরি ভাষায় দুটি নিয়মিত সাহিত্য পত্রিকা বের হয় সিলেট থেকে।
____________________________________________________________
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি
বেশি রকম ভালো লাগলো।
...........................
একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা
কমপ্লিমেন্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
____________________________________________________________
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি
ধন্যবাদ পদ্মজা
____________________________________________________________
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি
শেষ দুই লাইন। অসাধারন।

____________________________________________________________
প্রান্তিক জনগোষ্ঠিগুলোর ভাষা ও জাতিগত অস্তিত্বের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও সমমর্যাদা দাবী করছি
গল্পটা বেশ লাগলো।
বাংলাদেশে বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী ভাষায় নিয়মিত সাহিত্যপত্রিকা বের হয়ে জেনে মনটা ভালো হয়ে গেলো!
নতুন মন্তব্য করুন