শিকার

খেকশিয়াল এর ছবি
লিখেছেন খেকশিয়াল (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৪/১২/২০১৪ - ১০:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"তোমরা ছেলেরা এতো অগোছালো কেনো?" নাক মুখ কুঁচকে বলে লাইনা। কাঁধের ব্যাগটা নামিয়ে রেখে ধপ করে পড়ে বিছানায়। মাতাল চোখে চারদিক দেখে শুয়ে শুয়ে। ঘরটা মাঝারি আকৃতির, সারা ঘরে হাবিজাবি জিনিসপত্রে ভরা। বইগুলো সব কম্পিউটার ডেস্কে ডাই করে রাখা।

"বিয়ার চলবে নাকি?" জেসন জিজ্ঞেস করে, বিছানায় এলিয়ে পড়ে।

"না বাবা, অনেক খেয়ে ফেলেছি। মাথাটা এমনিতেই কেমন ধরে আছে।"

জেসন গড়িয়ে চলে আসে লাইনার মুখের উপর। ঝুঁকে চুমু খায় একটা ঠোঁটে। মুখ উঁচু করে সাড়া দেয় লাইনা। আরেকটা। আস্তে আস্তে ঠোঁট লেগে যায় দুজনের। লাইনা আস্তে করে ঘাড়ের উপর দিয়ে গলিয়ে আনে তার টপস। দুই হাতে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে থাকে জেসনকে। জেসনের ঠোঁটের কোনায় একটা মিচকে হাসি ঝুলে পড়ে। আজকে সন্ধ্যায় যখন প্রথম দেখেছে ওকে তখনই ঠিক করে ফেলেছিলো ওকে ঘরে নিয়ে আসবে। বারের কাউন্টারে খুনসুটি, একটার পর একটা ড্রিঙ্ক অফার করে বেশ পটিয়ে ফেলেছিলো ওকে। কথাবার্তায় জানতে পারে মেডিকেলের স্টুডেন্ট লাইনা, স্কলারশীপে পড়তে এসেছে ইউরোপের একটা দেশ থেকে, নামটা কী জানি বিদঘুটে। মদের ঘোরে এখন মনেও পড়ছে না।

উত্তেজিত হয়ে পড়ে লাইনা, টানাটানি করে খুলে আনে জেসনের টিশার্ট। তপ্ত হয়ে উঠে জেসন, চুমু খেতে খেতেই লাইনার ঘাড়ের ফাঁক দিয়ে দেখে নেয় তার ক্যামেরার পজিশন।

স্টিভই তাকে প্রস্তাবটা দিয়েছিলো, বলেছিলো, তার চেহারায় জেল্লা আছে, মেয়ে পটাতে ওস্তাদ সে, সেই পারবে। স্টিভের সাথে অনেক আজে বাজে লোকের খাতির। ড্রাগ ডিলার থেকে শুরু করে বি-রেটেড মুভি, পর্ন, হিডেন ক্যাম এসবের ব্যবসা করা লোকগুলোকে সে ভালই চিনে। আর এতোগুলো টাকা প্রতি সপ্তাহে, লোভ হয়েছিল জেসনের। স্টিভই ওর ঘরে এসে ক্যামেরা ট্যামেরা সেট ফেট করে ওরে ল্যাপটপে খুটখাট কীসব জানি করে গিয়েছিল, ওকে বলেছিল চিন্তা না করতে। ভিডিওগুলিতে ওর চেহারা ব্লার করে দেবে।

প্রতি শুক্রবার নতুন নতুন মেয়ে নিয়ে আসছে জেসন। চেহারাসুরত খারাপ না তার, অনায়াসে পটাতে পারে ছুড়ি থেকে বুড়ি। হিডেন ক্যামে ভিডিও করছে প্রতি সপ্তাহে। পরের সপ্তাহে টাকা গুনছে। কে এক বুড়ো নাকি কিনে নেয় এগুলো স্টিভের থেকে। একবার জানতে চেয়েছিলো সে। স্টিভ বলে নি, সেও গা করেনি। তার এতো মাথা ঘামানের কি আছে। টাকা আসলেই হলো। সেক্স আর টাকা, রীতিমত অ্যাডিক্ট হয়ে গেছে সে। এই রাতগুলোতে স্টিভও জাগে তার সাথে, নিজের বাড়িতে রিমোটলি মনিটর করে সবকিছু। লাইনা যখন বাথরুমে, ফোনে একবার কথা হয়েছে ওর স্টিভের সাথে।

লাইনা একটা খামচি দেয় তার বুকে। "উহ!" কুকড়ে উঠে জেসন। ছিলে গেছে বেশ। মাথা গরম হয়ে যায় তার। এসব আবার কী! কিন্তু রাগটা বুঝতে দেয় না। কিন্তু জেসনের মুখ থেকে বিরক্তি সরে না, খিলখিল করে হেসে ওর বুকের উপর চড়ে বসে লাইনা। ও হাসে, কোনভাবেই শিকারকে অসন্তুষ্ট করা যাবে না। এর আগে অনেক পাখি রাগ করে চলে গেছে, একটা টাকা পায় নি সে।

লাইনা কী যেন খুঁজে, মুখে কৌতুকের হাসি, এদিক ওদিক তাকায়। টেবিলের উপর গোছ করে রাখা দড়ি দেখে তার চোখ চকচক করে উঠে, বলে, "এই তোমাকে বাঁধি?"

আঁতকে উঠে জেসন, তার আগের একবারের কথা মনে পড়ে যায়, এসব তার একদমই ভাল্লাগে না। কী না কী করে বসে! চেঁচিয়ে বলে, " না না! বাঁধবে মানে কী?"

"হি হি .. হি হি না না বাঁধবো না, যাও।" বলে উঠে বসে লাইনা, ঘাড় ঘুরিয়ে বলে, "বিয়ার এনেছিলে না? কোথায় রেখেছো?" হাত দিয়ে মেঝের দিকে দেখিয়ে দেয় জেসন।

উঠে গিয়ে খুঁজে লাইনা। একটু পর দুটো বিয়ার নিয়ে আসে, একটা খুলে জেসনকে এগিয়ে দেয়। শান্ত চোখে জেসনকে দেখে বলে, "ধুর তুমি বেরসিক! একটুও মজার না!" আধশোয়া হয়ে বিয়ারে চুমুক দেয় জেসন।

বেশ মাতাল হয়ে পড়েছে জেসন, চোখ দুটো এখনই বুজে আসছে। অথচ কিছুই করা হলো না। ঘাড় ঘুরিয়ে লুকিয়ে রাখা ক্যামেরার পজিশন দেখতে যাবে আর কোত্থেকে যেন প্রচণ্ড ব্যাথায় ছিটকে পড়ে সে বিছানায়, কানে তীক্ষ্ণ সাইরেন বাজে। আবছা চোখে দেখে বোতল উঁচিয়ে বসে আছে লাইনা দাঁত খিঁচিয়ে। নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারে না জেসন। বোতলটা আরেকবার নামিয়ে আনে লাইনা জেসন এর মাথা বরাবর, ধপ করে অন্ধকার নেমে আসে জেসনের চারপাশে।


এক হাতে কফির মগ, ল্যাপটপের সামনে বসে দেখছিলো সব স্টিভ। হাত থেকে ছলকে পড়ে কফি। মেয়েটা করছে কী! জেসন এলিয়ে পড়েছে বিছানায়, রক্তে ভেসে যাচ্ছে চারপাশ। হাতে উল্টো করে ধরা রক্তমাখা বিয়ারের বোতলটা নিয়ে খিলখিলিয়ে হাসছে মেয়েটা। কী করবে বুঝতে পারে না স্টিভ। উঠে তৈরী হতে যাবে, ওকে থামায় বুড়ো লোকটা, বলে,

"কিচ্ছুটি করতে যেও না, যা চলছে চলুক।"

"কিন্তু বস, একটা কিছু হয়ে গেলে.."

খিক খিক করে হাসে বুড়ো, বলে, "হলে তুমিই আগে বিপদে পড়তে পারো। আর দেখিই না কী হয়, আমার তো মজাই লাগছে।" স্টিভের বেসবল ব্যাটটা দুইহাতে নিয়ে খেলতে থাকে বুড়ো। কী করবে বুঝতে পারে না স্টিভ, এদিক ওদিক হাঁটাহাটি করতে থাকে সে। ল্যাপটপের স্ক্রীনে দেখে জেসন পড়ে আছে ওভাবেই।


জেসন চোখ খোলার চেষ্টা করে। মাথায় প্রচণ্ড ব্যাথা। এক চোখ খুলতে পারে না, কী যেন চটচটে তরলে ঢেকে গেছে চোখ। রক্ত! চিৎকার করতে গিয়েও করতে পারে না, মুখ বাধা শক্ত করে। গোঙানির শব্দ হয় কেবল। নড়তে পারে না একটুও, চার হাত পা খাটের সাথে টানটান করে বাঁধা। সবকিছু কেমন আবছা দেখতে থাকে। আস্তে আস্তে যখন চোখ সয়ে আসে, দেখে তার সামনে লাইনা বসে আছে। মুখ হাসিহাসি, হাতে কী লম্বা কাঁচির মতন একটা যন্ত্র.. খ্যাচ খ্যাচ শব্দ করছে ও ওটা নিয়ে।

"তোমাকে না একদম ব্যাঙের মত দেখাচ্ছে! হাহাহা .. কেমন চিৎপটাং হয়ে পড়ে আছো। এটা কী বলতো?"

কাঁচিটা আরেকবার চোখ কুঁচকে দেখে জেসন, কিছু বলতে চায়, শুধু গোঙানির মত শব্দ হয়।

"এটাকে বলে রিব শেয়ার্জ, এটা দিয়ে নাকি পাজরের হাড় কাটে।" হাসিমুখে বলে লাইনা। কাঁধে করে আনা ব্যাগটা থেকে বের করে আরেকটা ছোট করাতের মত কী যেন। হাতে নিয়ে উল্টেপাল্টে দেখতে থাকে। ঘামতে শুরু করে জেসন, কী হচ্ছে এগুলো? বুঝে উঠতে পারছে না সে কিছু!

"আমি না তোমাকে মিথ্যে বলেছি। আমি ডাক্তার না। তবে এই যন্ত্রপাতিগুলো সব এক ডাক্তার ছোকরার। আসলে আমার মাথায় একটু সমস্যা আছে জানো?" একটু গম্ভীর হবার ভান করে লাইনা। এপাশ ওপাশ তাকিয়ে কিছু একটা খোঁজার চেষ্টা করে জেসন। মাথার ক্ষত থেকে রক্ত বেরিয়েই চলছে, বিছানায় রক্তমাখা বিয়ারের বোতলটা গড়াগড়ি খাচ্ছে। হঠাৎ ওর মনে পড়ে, স্টিভ দেখছে সবকিছু, ও নিশ্চয়ই ওকে বাঁচাবে! ওর বাসা এখান থেকে বেশি দূরে নয়।

"স্কুলে থাকতে বায়োলজী ক্লাসে ব্যাঙ কাটতাম আমরা। ব্যাঙ কাটাকুটিতে আমি অনেক ভালো ছিলাম জানো? ঠিক এভাবে চিৎপটাং করে একটা ট্রেতে ব্যাঙ বাবাজির চার হাত পা সুঁচ দিয়ে গেথে কাটতাম আমরা।" লাইনার মুখের দুষ্টু হাসিটা ফিরে আসে আবার।

"যন্ত্রগুলো কীভাবে পেয়েছি জিজ্ঞেস করলে না?" নিঃশব্দে খুনখুন করে হাসতে থাকে লাইনা, যেন খুব একটা মজার কথা বলেছে। জেসনের সারা শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়।


ল্যাপটপের সামনে বসে কেঁপে যায় স্টিভ, দৌড়ে বের হতে যাবে আর খপ করে ওর হাত ধরে বুড়ো লোকটা। বলে,

"আহ! যাচ্ছো কোথায়?"

"আরে কুত্তিটা তো একদম সাইকো, মেরে ফেলবে জেসনকে!"

"তাতে তোমার কী?" খ্যাক খ্যাক করে হাসে বুড়ো, বলে "জানো, এরকম ভিডিওর চাহিদা কত? একদম চুপটি করে বসে থাকো, কোত্থাও যেতে হবে না।"

হতভম্ব হয়ে বুড়োর দিকে তাকিয়ে থাকে স্টিভ, এ কী? পাগল নাকি? কী বলছে এসব?

"কি-কিন্তু, মরে যাবে তো ছেলেটা!"

"এহ দয়ার সাগর এসেছেন ... গর্ধভ জানি কোথাকার, এরকম জিনিস কি সহজে মেলে? জানো এই ভিডিওর কত দাম হতে পারে? উনি উদ্ধার করতে যান আর আমি এতগুলো টাকা মিস করি! আমার কাছে তোমার কত বাকি সে খেয়াল আছে তো? সব তো নেশা করেই উড়িয়ে দিয়েছো। সবকিছুরই দর্শক আছে বুঝলে, খালি জায়গামত বেচতে পারলেই হলো। আর তুমি এখন গিয়ে কিছুই করতে পারবে না, বরঞ্চ আরো বিপদে পড়তে পারো। আরো আগে যদি বের হতে তবে একটা কথা ছিল.."

বুড়োর দিকে অবাক হয়ে ঠায় তাকিয়ে থাকে স্টিভ। আস্তে আস্তে মাথা চেপে বসে পড়ে, কিচ্ছু ভাবতে পারছে না সে আর।

লাইনা আস্তে আস্তে বড় কাচিটা নিয়ে জেসনের কোলে উঠে আসে। একটুও নড়তে পারে না জেসন, বোবা শব্দ করতে থাকে কেবল। দুচোখের কোনা দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ে। স্টিভ আসছে না কেন?

লাইনা আর কথা বলে না, বিরাট বড় কাচিটা নিয়ে একটা বড় ব্যাঙ কাটতে এগিয়ে আসে সামনে।


মন্তব্য

সত্যপীর এর ছবি

অ্যাঁ!!

..................................................................
#Banshibir.

খেকশিয়াল এর ছবি

অ্যাঁ

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি

ভয়ংকর। শুরু থেকেই ভাবছিলাম কে কার শিকার হয়। ছোটগল্পের টান টান উত্তেজনা!

"সব পড়াশুনার এর যন্ত্রপাতি। বাব্বা, এতো সব কিনতে কত পয়সা বেরিয়ে গেলো!"

শুধু পড়াশুনার হবে বোধহয়।
শুভকামনা।

-----------------------------------
অন্ধ, আমি বৃষ্টি এলাম আলোয়
পথ হারালাম দূর্বাদলের পথে
পেরিয়ে এলাম স্মরণ-অতীত সেতু

আমি এখন রৌদ্র-ভবিষ্যতে

খেকশিয়াল এর ছবি

সব বলতে সব যন্ত্রপাতির কথা বলেছে।

ধন্যবাদ আপনাকে

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি

দুঃখিত আমি বোঝাতে পারিনি। আমি বলতে চেয়েছিলাম, 'সব পড়াশুনার এর যন্ত্রপাতি' না হয়ে বোধহয় 'সব পড়াশুনার যন্ত্রপাতি' হবে। শুভকামনা।

-----------------------------------
অন্ধ, আমি বৃষ্টি এলাম আলোয়
পথ হারালাম দূর্বাদলের পথে
পেরিয়ে এলাম স্মরণ-অতীত সেতু

আমি এখন রৌদ্র-ভবিষ্যতে

খেকশিয়াল এর ছবি

ও-হো চোখ এড়িয়ে গিয়েছিলো, ধন্যবাদ আপনাকে
কিন্তু এখন পুরো লাইনটাই বাদ দিয়ে দিয়েছি

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

হাসিব এর ছবি
খেকশিয়াল এর ছবি

ইয়ে, মানে...

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

মরুদ্যান এর ছবি

চলুক

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চল রে

খেকশিয়াল এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

অতিথি লেখক এর ছবি

সার্থক ছোটগল্প। আপনার লেখার ধরনটা বেশ, একরোখা।

খেকশিয়াল এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

দুষ্টু-মধুর গল্প ভেবে পড়তে গিয়ে একী বিদঘুটে ব্যপার! লেখকের ফাঁসি চাই! মিজান, পিষে ফ্যালো

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

খেকশিয়াল এর ছবি

কোলাকুলি ছি এসব বলে না

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

"সব পড়াশুনার এর যন্ত্রপাতি। বাব্বা, এতো সব কিনতে কত পয়সা বেরিয়ে গেলো!" - এই লাইনটা কোনভাবে পালটানো যায় কিনা একটু ভেবে দেখো। তোমার গল্পের পাঠকেরা এই লাইনটা পড়ার পর থেকে লাইনাকে সন্দেহ করা শুরু করবে এবং কী ঘটতে যাচ্ছে সেটা মোটামুটি ভেবে ফেলবে। এছাড়া বাকি সব যথারীতি তোমার স্ট্যান্ডার্ড হয়েছে। আর জেরেমি নামটা ক্লিশে লেগেছে। পর্নস্টার হলেই তার নাম জেরেমি হতে হবে নাকি?


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

খেকশিয়াল এর ছবি

অকা, উল্টেপাল্টে দিলুম, এখন মাখনের তেহারী খাওয়ান দেঁতো হাসি

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

তেহারী তোমার অনেক আগে থেকেই পাওনা। পরবর্তী সুযোগেই সেটা হয়ে যাবে। ওদিকে মেটাল ডক তো তোমাকে আমাকে ফেলেই কামরূপ-কামাখ্যা চলে গেলো। অন্য দুয়েক জনকে জোটাও, এই ফাঁকে আমরা পেন্ডিং টো টো টা সেরে ফেলি।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

খেকশিয়াল এর ছবি

জায়গায় দাঁড়াইয়া আওয়াজ দিয়েন

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

মেঘলা মানুষ এর ছবি

এত ভয় দেখান কেনু?

খেকশিয়াল এর ছবি

হাসি

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

অতিথি লেখক এর ছবি

বুড়োটা ম লে সবচেয়ে ভালো হতো।

দেবদ্যুতি রায়

খেকশিয়াল এর ছবি

হাসি

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

স্পর্শ এর ছবি

রসভঙ্গ করে দিলেন মিয়া! ভালো ভালো ব্যাপারগুলো আরো কিছুক্ষণ চলতো না হয়।

একবার ভাবছিলাম, মেয়েটা ড্রাকুলাবেরোবে। এইটাও ভালো হইসে।


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

তাহসিন রেজা এর ছবি

ফাইন লাগলু দেঁতো হাসি

------------------------------------------------------------------------------------------------------------
“We sit in the mud, my friend, and reach for the stars.”

অলীক জানালা _________

অতিথি লেখক এর ছবি

শিকারটা যদিও রিভার্স হয়ে গেলো কিন্তু আমি স্টিভের সাথের যে বুড়োটা তার এক্টিভিটিসটায় মজা পেলাম।
সুপ্রভাত
== অপর্ণা মিতু

মাসুদ সজীব এর ছবি

সুস্থ, স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ বিনোদনের মতো এইটা কি করলেন চিন্তিত ? পুরাই বাকশালী আচরণ চোখ টিপি । গল্প ভালো পাইছি হাসি

-------------------------------------------
আমার কোন অতীত নেই, আমার কোন ভবিষ্যত নেই, আমি জন্ম হতেই বর্তমান।
আমি অতীত হবো মৃত্যুতে, আমি ভবিষ্যত হবো আমার রক্তকোষের দ্বি-বিভাজনে।

অতিথি লেখক এর ছবি

এভাবে শিকারীর জায়গা বদলে যাবে ভাবতেই পারিনি। এক নিঃস্বাসে পড়া শেষ করলাম। ভালো লেগেছে।

জোছনা

সুবোধ অবোধ এর ছবি

বাহ্‌ তো! হাততালি

অতিথি লেখক এর ছবি

মৃদুল আহমেদকে অনেক ধন্যবাদ এই গল্পটার খোঁজ দেওয়ার জন্য। খেঁকশিয়ালকে ঈর্ষা করি।

---মোখলেস হোসেন।

মন মাঝি এর ছবি

খেকশিয়ালকে করেন না? দেঁতো হাসি

****************************************

অতিথি লেখক এর ছবি

হা হা হা। অনেকদিন লেখেন না! তাই ভাবলাম চন্দ্রবিন্দু প্রাপ্তি হয়ে গিয়েছে কিনা!

---মোখলেস হোসেন

খেকশিয়াল এর ছবি

শয়তানী হাসি

-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।