বই পড়া - জাভা

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি
লিখেছেন প্রকৃতিপ্রেমিক (তারিখ: শনি, ০২/০১/২০১৬ - ১:১৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লেখাটির ছোট্ট একটা ভূমিকা দিতে হবে। এই লেখাটি পড়ুয়াদের ২০১৫ আহবানকে সাড়া দিয়ে লিখেছি। কিন্তু সে অর্থে কোন রিভিউ নয়। সন্দেশের আহবানের সূত্রে অনেকদিন পর আবার লেখা হল। আর সেই সাথে যদি তরুণ প্রজন্মের ছোট একটা অংশকে খানিকটা প্রভাবিত করা যায় সেটি হবে বাড়তি পাওনা।

গত সামারে হঠাৎ কী মনে করে জাভা প্রোগ্রামিং এর উপর একটা বই কিনে পড়া শুরু করলাম। গল্পের মতো পড়া। বহু বছর আগে নটর ডেম কলেজের বড় ভাই বলেছিলেন যদি জাভা আর সি প্লাস প্লাস শেখ তাহলে ভবিষ্যতে অনেক কাজে লাগবে। আজ প্রায় বিশ বছর পর সেই কথাটা মনে পড়ছে। সত্যিই যদি এত দীর্ঘ সময় কোন ল্যঙ্গুয়েজ নিয়ে কাটানো যায়, সেই ভাষায় দক্ষতা আসবে এমনটা হয়তো বলা যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে খুব সম্ভবত প্রথম বর্ষে থাকাকালীন বাজারে সি প্রোগ্রামিং এর উপর বাংলায় একটা বই পাওয়া যেত। সেই বইয়ের মাধ্যমেই সি প্রোগ্রামিং এর সাথে পরিচয়।  লেখকের পুরো নাম মনে নেই তবে "নিউটন" নামটা ছিল তা মনে আছে। বেশ আগ্রহ নিয়ে পড়া শুরু করেছিলাম। যতদূর মনে পড়ে পয়েন্টার নামক একটা বিষয়ে যেয়ে আর এগুতে পারিনি।  শখের বশে সি শেখা শুরু করেছিলাম। পাঠ্যসূচিতে ছিল ফোরট্রান, যে কারণে 'আউট বই'-হিসেবে সি-এর উপর সময় দেয়া সম্ভব হয়নি। সেসময় ফেইসবুক ছিলনা, আর গুগলেরও জন্ম হয়নি। তথ্যের সহজলভ্যতা এখনকার তুলনায় ছিলনা বললেই চলে। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি হয় সম্ভবত ১৯৯৫-৯৬ সনের দিকে। আমি নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার শুরু করি '৯৬ বা '৯৭-এ। তাই প্রাতিষ্ঠানিক কিংবা অপ্রাতিষ্ঠানিক কোন ভাবেই সি শেখা হয়ে ওঠেনি।

যাই হোক, পরবর্তীতে ফলিত পরিসংখ্যান নিয়ে পড়াশুনা করেছি। পড়াশুনা ও গবেষণার কাজে পরিসংখ্যানের জন্য তৈরী প্রোগ্রামিং ভাষা আর (R) দিয়েই সবসময় কাজ করেছি। হালে বিগ ড্যাটার যুগে এসে ইন্ডাস্ট্রিগুলো যখন পাইথন-পাইথন করছে তখন নিজেকে আপডেট করার জন্যই হঠাৎই নতুন কিছু চেখে দেখার ইচ্ছে হল। আর সে সূত্রেই জাভা'র সাথে পরিচয়।

নিতান্তই শখের বশে জাভা'র একটা বই কিনে ফেললাম। হার্বার্ট শিল্ড-এর জাভা - এ বিগিনার'স গাইড। যদ্দুর মনে পড়ে এই লেখকের সি-প্রোগ্রামিং এর একটা বইয়ের নাম পরবর্তীতে জেনেছিলাম যেটা নাকি কম্পিউটার সায়েন্সের ছেলেপেলেরা পড়তো। পাঠক, তথ্যে ত্রুটি থাকলে দয়া করে জানাবেন। স্মৃতি প্রতারণা করতে পারে।

Java - Reading for pleasure
কয়েকটা পরিসংখ্যানের বইয়ের মাঝে জাভা'র বই - ক্যান্ডিড ছবি

দীর্ঘদিন কম্পিউটারকে খাটিয়ে কম্পিউটেশনাল কাজ করে স্ট্যাটিসটিক্যাল প্রোগ্রামিং এর উপর মোটামুটি একটা ধারণা হয়েছে। ভেবেছিলাম প্রোগ্রামিং অনেকটাই শেখা হয়ে গেছে। ভুল ভাঙলো জাভা'র বইটা হাতে নিয়ে।

জাভা পড়া শুরু করে বুঝলাম প্রোগ্রামিং এর মহাসমুদ্রের ধারে কাছেও যেতে পারিনি। এত চমৎকার একটা ভাষা যেটাকে মনে হয়েছে অতি যত্ন এবং চিন্তা ভাবনা করে সাজানো কোন উপাখ্যানের মতো। কম্পিউটারের ভাষা সম্পর্কে এতদিন যা জানতাম জাভা'র বই পড়ে নিজেকে মনে হচ্ছিল এতদিন যা শিখেছি সেটা আসলে অনানুষ্ঠানিক শিক্ষার মত, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নয়। অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং কী সেটা না জেনেই এতদিন ইন্টাড়্যাকটিভলি অবজেক্ট, মেথড, ক্লাস এসব ব্যবহার করেছি। কিন্তু জাভায় দেখলাম কী চমৎকার করে এসবের বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

সামার পরবর্তী সময়ে অনেকটা আগ্রহের বশে পাইথন আর সি-শার্প এর উপরও দ্রুত চোখ বুলিয়েছি। আমার সীমিত জ্ঞানে সি-শার্প অনেকটা জাভার মতোই মনে হয়েছে। সি-শার্প জাভার তুলনায় আরেকটু ব্যবহার-বান্ধব মনে হয়েছে।

প্রোগ্রামিংএর বইগুলোকে সব একই রকম মনে হয়। বইগুলো সিনট্যাক্স শেখায়। সিনট্যাক্স মানে প্রোগ্রামের ভাষাটি দিয়ে যেভাবে প্রোগ্রাম লিখতে হবে সেটি। অনেকটা বর্ণমালা শেখার পর যেভাবে বাক্য গঠন শিখি, সেরকম। কোন বইই এগলরিদম শেখায় না। আমার কাজ চালানোর মতো যা লাগে সেটা আমি শিখেছি, তবে ধারণা করি প্রথাগতভাবে শেখার সুযোগ থাকলে হয়তো আবারো শিখতে চাইতাম।

শেষ করি দুটো অনুধাবন দিয়ে।

১। ব্যতিক্রম বাদ দিলে অধিকাংশ পরিসংখ্যানবিদ সম্ভবত ভালো প্রোগ্রামার নয়। কিন্তু তারা জানে কিভাবে কাজটা সমাধা করতে হবে। হয়তো এফিশিয়েন্সি তাদের কাছে এখন পর্যন্ত খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। কিন্তু ভবিষ্যতের কথা ভাবলে এফিশিয়েন্ট কোড লেখার উপর জোর দিতে হবে। এর জন্য ভালো মেন্টর খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়।

২। পাইথন এবং জাভা জানাটা পরিসংখ্যানবিদদের জন্য এখন অত্যন্ত জরুরী। বিশেষ করে যারা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে চায়। আমেরিকার অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান ডিগ্রির কারিকুলামে এখন পাইথন ঢুকে পড়েছে। বাংলাদেশের ছেলেপেলেদের কারিকুলামে এসব ঢুকতে হয়তো আরো বছর ৪-৫ লেগে যেতে পারে। তাই প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুযোগ না থাকলেও শিক্ষক ডট কম কিংবা কোর্সেরা থেকে এসবের কোর্স করে নিতে পরামর্শ দিচ্ছি।

পরিশেষে বলি, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ইজ ফান। সময় নষ্ট না করে এসবের পেছনে যতটুকু সময় পাওয়া যায় তা কাজে লাগাও। বাংলাদেশের ছেলেমেয়েরা প্রয়োজনীয় নির্দেশনা এবং গাইড পেলে অনেক দ্রুত অনেকদূরে যেতে পারবে বলে আমি অভিজ্ঞতার আলোকে বিশ্বাস করি।

ধন্যবাদ সবাইকে।


মন্তব্য

নিওফাইট নিটোল এর ছবি

অাপনার নাতিদীর্ঘ অভিজ্ঞতাটাকু ভাল লাগল......যদিও অামি নিজেই কম্পু লাইনের বান্দা, তারপরও ভার্সিটিতে একসময় এই জাভা অামার "বুধবার"-এর সকালটাকে বিভীষিকা করে তুলত-রীতিমতো একটা অাতঙ্কে থাকতাম অাগের দিন যে পরের দিন ল্যাবে কী করে না জানি কাটে!!! ওঁয়া ওঁয়া

তারপর প্রোগ্রামিং বেঁচেই খেয়ে পড়ে অাছি......সব প্রোগ্রামারই যে সত্যিই একে ভালবাসে তা কিন্তু না.....সত্যিকারের প্রোগ্রামার হওয়াটা পুরোটাই প্যাশনের বিষয়.....অামার মধ্যেও সে ভালবাসার পুরোটা অাসেনি এখনও......অাসলে ভালবাসা অানতে পারলে "টাইম পাসের" জন্য এর চেয়ে বড় ফান অার হয় না.....অার বাকি সব লাভের হিসাব তো পড়েই রইল হাসি

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

একজন কম্পিউটার লাইনে অভিজ্ঞ মানুষের মন্তব্য পড়ে তাদের পার্সপেক্টিভটাও জানা গেল।

প্রোগ্রামিংএ অনেকের ন্যাচারাল আগ্রহ থাকে। অনেকে ন্যাচারালি প্রোগ্রামিংএ ভালো হয়। আবার অনেকে আছে তাদের সামনে সমস্যা ধরে দিলে তা কিভাবে সমাধান করা যায় সেটা খুব চমৎকার করে বের করতে পারে। যার যার যেখানে সামর্থ আছে সেটাকে যদি জাগিয়ে তোলা যায় সেটা খুবই ভাল হবে। জানি না আমাদের দেশে যারা কম্পিউটার সায়েন্স পড়ছে তারা কতটা প্রোগ্রামিং শিখছে।

আমার অনেক বন্ধুর কাছে শুনেছি বাংলাদেশে যে হারে কম্পিউটারে ডিগ্রীধারী জনগোষ্ঠি তৈরী হচ্ছে তারা নাকি (তাদের অভিজ্ঞতায়) প্রোগ্রামিংএর কিছুই জানে না। আমার অনেক বন্ধুই ম্যানেজার এবং এমন লেভেলে আছে যারা হায়ার করে।

নিওফাইট নিটোল এর ছবি

অাপনার বন্ধুদের কথা পুরো ঠিক.........প্রাণ থাকলেই প্রাণী হয় কিন্তু মন না থাকলে যেমন মানুষ হয় না- তেমনি কোডিং জানলে সে ডেভলপার হয় বটে কিন্তু ভালবাসা না থাকলে প্রোগ্রামার হওয়া যায় না চোখ টিপি
ভুরি ভুরি ছেলেপেলে বের হচ্ছে প্রতিবছর, নানা প্ল্যাটফর্মে কাজ জানে-নানা অ্যাপসও পারে সবাই......দক্ষতা থাকতে পারে প্রযুক্তিগত- হয়তোবা কাজ এবং অভিজ্ঞতার জোরে তাদের পদোন্নতিও হবে- কিন্তু যারা সত্যিকারের প্রোগ্রামিং জানে তারা সর্বদাই অালাদা......ওটা অন্যরকম ভালবাসা-ভাললাগা-পিছুটান খাইছে

মুঞ্চায় ওইরাম হইতে-কিন্তু ক্যামনে কী কে জানে!! হো হো হো

ভার্সিটি অামাদের কোডিং শিখায় কিন্তু প্রোগ্রামার নিজেদের হতে হয়- এখানেই সাধনাটা লুকায়িত......যদিও অনেক পড়ে বুঝেছি সাধনার মাহাত্ম্যটা দেঁতো হাসি

অাপনিও প্রোগ্রামিংয়ের অাসল রসটা সবকিছুর উর্ধ্বে গিয়ে খুঁজে পান এই কামনা করি....

Happy Coding

অতিথি লেখক এর ছবি

আমিও ফলিত পরিসংখ্যানের ছাত্র ছিলাম। কম্পিউটার সায়েন্সে পড়ার অনেক ইচ্ছে থাকা স্বত্বেও পড়া হয়ে উঠেনি। দুধের স্বাদ ঘোলে মিটিয়েছি স্ট্যাটিসটিক্যাল প্রোগ্রামিং করে। ভেবেছিলাম অনেক কিছুই শিখে গেছি। পাশ করার পর একবার কম্পিউটার সায়েন্স থেকে পাশ করা লোকদের সাথে কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। তখন বুঝতে পেরেছিলাম এলগরিদম/ ডাটা স্ট্রাকচার এই বিষয় গুলো সম্পর্কে কিছুই না জেনে নিজেকে প্রোগ্রামার ভাবাটা মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ না।

ব্যতিক্রম বাদ দিলে অধিকাংশ পরিসংখ্যানবিদ সম্ভবত ভালো প্রোগ্রামার নয়।

কথা সত্য। আমার নিজের ক্লাসের কথা মনে পরে গেলো। একই কাজ করার জন্য দুই লাইন কম কোড যে লিখল সে যে ভাল প্রোগ্রামার এটা আমার সহপাঠীদের মধ্যে খুব কম জনই বুঝতে পারত। তাদের কথা ছিল - কাজতো একই হচ্ছে। আরও পরে কম্পিউটার ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করার সময় বুঝতে পেরেছি প্রোগামের রান টাইমের গুরুত্ব।

শিক্ষক ডট কম কিংবা কোর্সেরা থেকে এসবের কোর্স করে নিতে পরামর্শ দিচ্ছি

কোর্সেরাতে যে এই পর্যন্ত কত কোর্সের নিবন্ধন করলাম!!! খালি আর (R) এর একটা কোর্স ছাড়া আর কোনটাই শেষ করতে পারিনি। তবে পাইথন নিয়ে একটা সময় কিছু নাড়াচাড়া করেছিলাম। আসলে আমি বড় অলস লুক চাল্লু

-আতোকেন

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

তাহলে তো আমাদের অভিজ্ঞতা একই রকম মনে হচ্ছে হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

আপনার স্মৃতি আপনাকে প্রতারিত করেনি। ভার্সিটিতে হার্বার্ট শিল্ডের সি এর রেফারেন্স বই আছে 'টিট ইউরসেলফ্‌ সি' নামে। শাবিপ্রবি-তে সব ডিপার্টমেন্টের জন্য সি প্রোগ্রামিং, ডাটা স্ট্রাকচার এবং ডিপার্টমেন্ট অনুযায়ী অ্যালগরিদম পড়ানো হয়।

প্রোগ্রামিং জানা-টা দিনকে দিন অপরিহার্য হয়ে উঠছে। আপনার লেখার জন্য ধন্যবাদ। সময়োপযোগী লেখা। পড়েও ভালো লাগলো।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ।

দেবদ্যুতি এর ছবি

চলুক

...............................................................
“আকাশে তো আমি রাখি নাই মোর উড়িবার ইতিহাস”

তূর্য (Toorja) এর ছবি

আমি কম্পিউটার সায়েন্সের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আমার আশপাশে অনেককে দেখছি "যত ভালো প্রোগ্রামিং পারব তত ভালো চাকরি পাবো" টাইপ মানসিকতা নিয়ে ছুটছে। কাজেই "কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ইজ ফান" কথাটা
আরেকবার মনে করিয়ে দেয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

যাক অন্তত একজনকে উৎসাহ দিতে পেরেছি হাসি

তানভীর এর ছবি

চলুক

পাইথনের বই খুঁজছি। একটা ভালো বইয়ের নাম দিয়েন হাসি

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

আমার অভিজ্ঞতা সীমিত। দুইটা বই পড়েছি, দুটাই ওরাইলি'র। পাইথন ফর ড্যাটা এনালাইসিস দেখতে পারেন। পাইথনের উপর অনলাইনে প্রচুর রিসোর্স আছে। আপনি কী ধরনের লার্নার তার উপর নির্ভর করে বই অথবা অনলাইন যেটা ভালো লাগে সেটা ট্রাই করতে পারেন।

আমি বই ছাড়া কোন কিছু সহজে শিখতে পারি না। তাই বই কিনি হাসি

মেঘলা মানুষ এর ছবি

যে বইটার কথা বলেছেন বাংলা ভাষায় সি এর উপর খুব ভালো বই ছিল সেটা। লেখকের নাম নিউটন নয়, ছিল নিটন

কোর্সেরাতে পাইথন কোর্সে তিনবার রেজিস্ট্রেশন করেও বিপথগামী(!) হয়ে আর শেষ করা হয় নি। যদিও আমার কাজে প্রোগ্রামিং খুব একটা লাগে না; তবুও স্বীকার করতে হবে এর ব্যব‌হার দিন দিন বাড়ছে। জীবনে একটা ইমেজ প্রসেসিং এর কোর্স করেছিলাম, ইন্সট্রাকটর অন্য জায়গায় চাকরি নিয়ে চলে গিয়েছিলেন; তাই অনলাইনে পড়াতেন। কিন্তু, খুব ভালো ইন্টারনাল অনলাইন ফোরাম ছিল ছাত্রদের মধ্যে। একজনের সমস্যা আরেকজন সমাধান করে দিন, একজনের ভুল আরেকজন ধরিয়ে দিত। কোর্সটা অনেক রাত জাগিয়ে রেখেছিল, কিন্তু শেষ করে মজা পেয়েছিলাম।

শুভেচ্ছা হাসি

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

হ্যাঁ নিটন। ঠিক ধরেছেন। অনেক দিন আগের কথা তো, স্মৃতি থেকে লেখা হাসি

অভী এর ছবি

জাভা শুধু একটা প্রোগ্রামিং ভাষা না, একটা গল্প।

অতিথি লেখক এর ছবি

সি-শার্প জাভার তুলনায় আরেকটু ব্যবহার-বান্ধব মনে হয়েছে।

আসলেই তাই। অন্তত আমার মনে হয়। কেন জানি জাভা আমার ভালো লাগেনা। তারপরেও এই কয়েকদিন আগে Head First Java বইটা পড়লাম। উলটে-পালটে দেখবেন পারলে। শিশুসুলভ আনন্দ পেতে পারেন।

- ইমতিয়াজ

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।