| ‹ পুরোনো ব্লগ | সব ব্লগ | নতুন ব্লগ › |
আইএসপিআর থেকে পাঠানো সেনাসদরের এক ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ১১ জানুয়ারি ২০০৭-এর প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর ভূমিকা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়। দেশের এই দুর্যোগময় মুহূর্তে সেনাবাহিনী রাষ্ট্রপতির নির্দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সহায়তায় এগিয়ে আসে এবং পরে দেশগঠনে বিভিম্ন উম্নয়ন ও সেবামূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে। সেনাবাহিনীর এ প্রশংসনীয় ভূমিকা দেশের পত্রপত্রিকাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিফলিত হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকার সম্পাদকীয় কলাম, টেলিভিশন চ্যানেলে টক শো এবং মুক্ত আলোচনায় সেনাবাহিনী সম্পর্কে বিভিন্ন কাল্পনিক ও বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য প্রকাশ করা হচ্ছে। জরুরি অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে সেনাপ্রধান বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এমনকি বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এবং দেশি-বিদেশি পত্রিকায় সাক্ষাৎকারে বর্তমানে সেনাবাহিনীর ভূমিকা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সরকারের আসম্ন সংলাপে সেনাবাহিনীর অংশগ্রহণ সম্পর্কে কতিপয় রাজনৈতিক দল থেকে দাবি উত্থাপিত হয়েছে। স্বতঃপ্রণোদিত হয়েই কিছু কিছু রাজনৈতিক দল এরকম দাবি উত্থাপন করেছে। এই সংলাপে অংশগ্রহণের ব্যাপারে সেনাবাহিনীর কোনো আগ্রহ বা অভিপ্রায় নেই। এখানে উলেক্ষ্য যে সেনাবাহিনী সরকারের নির্দেশেই তাদের দায়িত্ম্ব পালন করছে। বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে সরকারকে সহযোগিতা প্রদান করে আসছে এবং প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও করবে। দেশের গণমাধ্যমে ব্যক্তিগত ধারণার পরিপ্রেক্ষিতে সেনাবাহিনী সম্পর্কে মনগড়া নেতিবাচক মন্তব্য জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে বিধায় এ ধরনের মন্তব্য থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
গতকালের সেরা কৌতুক ছিলো সেনা সদর দপ্তর থেকে সংবাদপত্রগুলোকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি। সেখানে সেনাসদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে ১১ই জানুয়ারি রাষ্ট্রপতির নির্দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সহায়তায় এগিয়ে আসে এবং পরে দেশগঠনে বিভিন্ন উন্নয়ন ও সেবামূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহন করে।
সেবাবাহিনী সরকারের নির্দেশেই তাদের দায়িত্ব পালন করেছে।
মাঝে মাঝে সেনাবাহিনীর কৌতুকবোধে মুগ্ধ হয়ে যাই। তারা রাষ্ট্রপতির নির্দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সহায়তায় এগিয়ে আসে, এই চরম উক্তি শুনে হাসতে হাসতে উল্টে পড়ি, আবার উঠে দাঁড়াই, আবার গড়িয়ে পড়ি হাসতে হাসতে।
স্বতঃপ্রণোদিত হয়েই কিছু রাজনৈতিক দল এই দাবি করছে, সেই সব রাজনৈতিক দলদের অনুরোধ আপনারা মহান সেবাবাহিনীকে প্রলুব্ধ করবেন না। তারা অনুরোধে ঢেঁকি গিলে ফেলতে পারে, পেট ভর্তি থাকলেও তারা আবার পাত পারতে পারে । আর একবার বললেই খাইবো সেনাবাহিনীকে প্রলুব্ধ করবার জন্য সেসব চক্রান্তকারী রাজনৈতিক দলের প্রতি অশেষ ঘৃণা।
২
আইএসপিআর থেকে পাঠানো সেনাসদরের এক ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, ১১ জানুয়ারি ২০০৭-এর প্রেক্ষাপটে সেনাবাহিনীর ভূমিকা সর্বমহলে প্রশংসিত হয়। দেশের এই দুর্যোগময় মুহূর্তে সেনাবাহিনী রাষ্ট্রপতির নির্দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সহায়তায় এগিয়ে আসে এবং পরে দেশগঠনে বিভিম্ন উম্নয়ন ও সেবামূলক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করে।
ঞঁ!
৩
অনুস্বার!
৪
ষ্ণ!
৫
- পোলাপাইন এইহানে ব্যঞ্জনবর্ণ অনুশীলন কর্তাছে, দিবোনে ডটু কাহা আইয়া দৌড়ানি।
___________
<সযতনে বেখেয়াল>
৮
সত্যভাষণ।
...হাসতে হাসতে উল্টে পড়ি, আবার উঠে দাঁড়াই, আবার গড়িয়ে পড়ি হাসতে হাসতে।
৯
আমি কখনোই সরকারী কোন প্রেসনোট পড়ে হেসে উল্টে পড়ি না ।
কারন প্রেসনোট জাতীয় বিষয়গুলো পড়ার আগেই আমি মাটিতে বেশ করে শুয়ে পড়ি , তারপর আর গড়িয়ে পড়ার উপায় থাকে না ।
সেনাবাহিনীকে সংলাপে ডাকাডাকি করে কিছু রাজনীতিবিদ আগে থেকেই জ্বিহবায় শান দিয়ে রাখছে , যাতে করে সময়মতো ভালো করে চাটতে পারে ।
১০
দুই সেনা অফিসারের কথোপকথন:
- জানো, সিভিলিয়ানদের মধ্যেও বুদ্ধিমান কিছু লোক আছে।
- বললেই হলো! আছেই যদি, তবে তারা কদম মিলিয়ে মার্চ করে চলাফেরা করে না কেন?
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব দেবো। কিন্তু কী পাবো তার বদলে?
১১
৯০ পরবর্তীকালে যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হইলো তখন তা উচ্চ প্রসংশিত ছিলো... বলা হইছিলো এই মডেল রপ্তানি করা যাইবো।
সেই প্রকল্প ফেইল মারছে... কিন্তু বাংলাদেশের সেনাবাহিনী যা একখান খেইল দেখাইলো... রেঙ্গুন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এই মডেল ফলো করতে পারে... কে বলেরে সেনাবাহিনীর বুদ্ধি নাই?______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
১২
মইনের সেরা কৌতুকঃ
(১) ট্রাস্ট ব্যাংক থেকে মাত্র ৩০ লক্ষ নেওয়ার দাবী।
(২) কোন যুদ্ধে না গিয়েই ফুল জেনারেল হওয়া।
(৩) উর্দি বাদ দিয়ে পাব্লিকে চলাফেরা করা।
(৪) সর্ব বিষয়ে নিজেকে পন্ডিত প্রমাণ করতে সন্ত্রাসী, প্রশ্ন-ফাঁকার আতাউর রহমানের রাষ্ট্র'বিজ্ঞান সমিতি থেকে থেকে শুরু করে যে কোন প্রফেশনাল বডিতে 'সার গর্ভ' টটলজিকাল বক্তৃতা দেওয়া।
(৫) নিজের বন্ধু ও আত্মীয়দের সর্ব ক্ষেত্রে সুপ্রতিষ্ঠিত করা এবং আগের ক্ষমতাবানদের একই নীতির সমালোচনা করা।
(৬) দেশে কোন কাজ নেই প্রমাণ করতে বার বার বিদেশ ভ্রমণ।
জানুয়ারী ১১ তে মাসুদুদ্দীন ক্ষমতায় এলে (অল্পের জন্য মিস) অবশ্য তার ভায়রা সাঈদ ইস্কান্দরের দলই ক্ষমতায় ফেরত যেত।
১৩
(
)
১৪
সত্যই দিনের সেরা কৌতুক!
১৫
কঠিন!
গতকাল পেপারে পইড়া মজা পাইছিলাম সেনাবাহিনীর নাকি সংলাপে অংশগ্রহণের কোন ইচ্ছাই নাই...
_________________________________
ভরসা থাকুক টেলিগ্রাফের তারে বসা ফিঙের ল্যাজে
১৬
ঠোলাদের কান্ড কারখানাইতো আলাদা! ওরা তো কথায় কথায় 'ব্লাডি সিভিলিয়ান' বলে গালি দেয়। তখন কান্দন ছাড়া কোন উপায় থাকে না। হাসমু কখন?
**********************************
কৌনিক দুরত্ব মাপে পৌরাণিক ঘোড়া!
১৭
অনেক দিন পর সত্য কথা শোনার মজা পাইলাম
১
- আপনে যে কী!
অরা কি রামগরুরের ছাও নাকি যে কৌতুক করতে পারবো না!
কৌতুকে মজা পাইলাম।
___________
<সযতনে বেখেয়াল>