কেউ সমাধান দেন।
লক্ষ শহীদ রক্ত দিয়ে
ভাসিয়ে দিল দেশ,
দাঁড়িয়ে সেই রক্তস্রোতে
ভাবছি, "আহা! বেশ!!"
হাজার মানুষ হত্যা করেও
যাচ্ছে বেঁচে কাদের,
কাঠখড় এত ভস্ম করে
এই কি বিচার তাদের!
অতপর গর্দভকুলের প্রতিনিধি সদম্ভে কহিল,
"চৌধুরী সাহেব, গর্দভ হইতে পারি, কিন্তু আমাদিগেরও দুগ্ধ হইয়া থাকে।"
রোজকার সিস্টেমে দিয়েছিনু রওনা
রাজধানী শহরেতে ম্যালা কিছু পাওনা।
কাছাকাছি গিয়ে দেখি - ও মা! এ যে অবরোধ!!
যেতে মোরে মানা করে কতিপয় নির্বোধ!
খোঁজ নিয়ে দেখি সেথা সবকিছু বদ্ধ
সরকারি লোকজন খায় কচু সেদ্ধ!
কাজকাম ফেলে সব লোকে আছে বাসাতে,
বেরুলেই পেয়াদার বাড়ি খাবে পাছাতে ...
আমি বলি, এ কী হাল! চিত্র যে উল্টা!
এইসব করে তারা ছিঁড়বে কী চুলটা?
সভা করে বিরোধীরা, করে হোক ধন্য;
লোটাখানা হাতে, উঁকি দিয়ে দেখি
জলের বদলে ছাই;
কামাল তু নে কামাল কিয়া ভাই ...
কামালের বড় খায়েশ হয়েছে
নরকে ঘুরতে যাই;
কামাল তু নে কামাল কিয়া ভাই ...
আদিষ্ট হয়ে মূল সেনাপতি বলে
"আমি ওই দলে নাই;
কামাল তু নে কামাল কিয়া ভাই" ...
তাইতো চলিছে একেলা কামাল
পুঁছিবার টাইম নাই;
কামাল তু নে কামাল কিয়া ভাই ...
এই ব্লগেতে লেখতে গিয়ে
আমি আর ছড়া কাটব না,
কারণ বিপদ রয়েছে যেখানে
সেই পথে আর হাঁটব না।
নিরাপদ বেডরুমের দাবিতে
ব্যানার ফেস্টুন আর ঘাঁটব না।
ব্যঙ্গচিত্র আঁকতে গিয়ে
পেন্সিল আর ছাঁটব না।
নিরাপত্তার দুশ্চিন্তায়
চায়ের কাপ আর চাটব না।
'স্বাভাবিকভাবে মরতে চাই'
এ পোস্টার আর সাঁটব না।
এই ব্লগেতে লেখতে গিয়ে
আমি আর ছড়া কাটব না।
শুধুই দেব খবরটুকু
নেইকো কোন ভয়,
সবাই এখন খুব নিরাপদ
জল পড়ে পাতা নড়ে
জল কেন আটকা?
জলধরে জল ধরে
দেয় ঝাড়ি টাটকা ...
নাচছে দেখো
যাচ্ছে নেচে
ফাটিয়ে তবলা বায়া;
যাচ্ছে চেনা
মুদ্রা নাচের,
এ যে বিশ্ব বেহায়া!
মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন।
এ জাতির কপালে শুধু মাত্র আফসোসটাই করার আছে ...
লালদাড়ি জানোয়ার দেলোয়ার সাঈদী
হাতে নিয়ে কাঁঠালের পাতা, ডাকে - ভাইডি!
শুনে দেখো ছুটে আসে ছাগু লেজ নাচিয়ে,
সাঈদী শুধায় তারে - 'দে না মোরে বাঁচিয়ে'
তাই শুনে ছাগুরাজ করে এক টকশো,
সুযোগের ব্যবহারে করে দিল মকশো।
"সাঈদী তো ভালু লুক" - এই তার ম্যাতকার,
এরপর ছাগু দেখো চেটে দেয় খেত কার ...