লাবণ্যময়ী লুবিয়ানা: ৬ (উৎসর্গ:বিড়ালপ্রেমি শাহানা)

শোহেইল মতাহির চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন শোহেইল মতাহির চৌধুরী (তারিখ: শুক্র, ১২/০৫/২০০৬ - ৯:২৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


লুবিয়ানার কথা মনে হলেই মনে পড়ে হাসি হাসি মুখ সুখি সুখি চেহারার মানুষগুলোর কথা। আলাদা করে সেখানকার মানুষ আর জনজীবনের খোঁজ-খবর নেয়ার মত সময় ছিলো না, যদিও মানুষই সবসময় আমার সবচে' আগ্রহের বিষয়। একমাত্র হোটেল ডমিনা মিডিয়ার ড্রাইভারের সাথেই যা কিছু কথা হয়েছে। একদিন তার কাজের ফাঁকে কংগ্রেস স্কোয়ারে এক কাপ কফি খাইয়ে আরো কিছুটা বাড়তি সময় বের করে নিয়েছি আলাপের। কিন্তু সে আর কতটুকু। তবু বিভিন্ন জিনিস কেনা-কাটার সময় যে ছোট্ট আলাপচারিতা, রেস্টুরেন্টে ওয়েটার বা মালিকের সাথে যে কথাবার্তা আর দূর থেকে কিছু লোকজনকে দেখে ওদের জীবন-যাপনের কিছু খন্ড চিত্রের সাথে পরিচিত হয়েছি।

চোখ কেড়েছে শিশুদের প্রতি ওদের মমতা। নিজের সনত্দানকে সবাই ভালবাসে। তবে আমার কাছে মনে হয়েছে ওরা বোধহয় খুবই নম্রভাবে কথা বলে শিশুদের সাথে। খুব প্রশ্রয় দেয় শিশুদের। শাসনের চেয়ে সোহাগই বেশি। তবে তঁ্যাদড় কোনো শিশুও দেখিনি। লুবিয়ানার জনগোষ্ঠী একেবারেই তরম্নণ। বয়স্ক কোনো লোকের দেখা পাওয়া ভার। আর তরুণেরা চড়ছে সাইকেল। সব বড় রাসত্দায় লাল রংয়ের আলাদা লেন আছে সাইকেলের জন্য। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে যারা শহরে আসে তাদের যান অতি-অবশ্যই সাইকেল। সাইকেল ছাড়া অনেকের সঙ্গী হচ্ছে কুকুর। প্রেম করছে কপোত-কপোতী, বা ক্যাফেতে আড্ডা পিটাচ্ছে বন্ধু-বান্ধবরা, নীচে চেয়ারের সাথে বেঁধে রাখা কুকুর। পাহাড়ের লোকদের কি অতিরিক্ত কুকুর-প্রীতি থাকে?


মন্তব্য

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।