বৃষ্টিকন্যা

হাসিব জামান এর ছবি
লিখেছেন হাসিব জামান [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ৩০/০৬/২০০৯ - ১০:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


এক.

বাইরে ঝুম বৃষ্টি। শ্রাবনধারা ঝরিছে ঝরো ঝরো। অঢেল বর্ষণধারার হাল্কা কিছু আঁচ এসে লাগছে আমার গায়ে, বাস চলছে “মাইলাইন”। তন্ময় হয়ে বৃষ্টি দেখি আমি জানালার পাশের সিটে বসে, বেশ রোমান্টিসিজম ভিড় করছে মনে, কাব্য উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে,পাত্তা দিলাম না। আজকাল কবিতা চলে না, গান লিখতে ইচ্ছে করে। কিন্তু একটাও কি গান লেখা হলো আজো? নাহ, আজ রাতে একটা গান লিখবোই-বৃষ্টির গান - “হ্যালো, বৃষ্টি কেমন আছো? বন্ধুর খবর কী ? টিপটিপ সুরে বলো তারে, আমি ভাল অছি।” এই জাতীয় চটুল গান, খুব চলছে ইদানীং।

রাস্তাঘাট ফাঁকা ফাঁকা কয়েকটা স্কুল ড্রেস পরা মেয়ে ভিজতে ভিজতে যাচ্ছে। আবার কয়েকটা ছেলেও যাচ্ছে স্কুলে, ছাতা মাথায় দিয়ে। কেন যেন ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ভিজতে বেশী পছন্দ করে। এর কারণ কী? হয়তো ওরাই ভালো জানে। চোখ বুজে বৃষ্টি ভেজা একটা মুখ মনে করার চেষ্টা করি। মনে পড়ে না, বরং অন্য আরেকটা চেহারা ভেসে ওঠে। মাথাটা মনে হয় গেছে। প্রায়ই এরকম হয় -ভাবি একজনকে আর দেখি আরেকজনকে। ধুরো ছাই, এর চেয়ে বরং বৃষ্টি দেখি। বাস চলছে না, স্টপেজ়ে সুদীর্ঘ লাইন। এই ঝুম বৃষ্টিতে এতগুলো মানুষ আসছে কোত্থেকে? খেয়াল করে দেখি এখানে ও সেই একই জিনিস- ব্যাটা ছেলেরা ছাতা মাথায় দাঁড়িয়ে কাই-কুই করছে, আর যুবতী ললনারা পরম সুখে ভিজছে। আহা! ভিজতে জানি কত সুখ।

দুই.

আমার ছাত্রীর কথা মনে পড়ে। পড়াচ্ছি মন উজাড় করে (বরাবরি এরকম ভাবে পড়াই)। ইন্টিগ্রেশনের ডাল -ভাত টাইপ কিছু অংক। মেয়েটার মুখের ভাব দেখে কিছুই বোঝা যাচ্ছে না - সে কী আদৌ অংক নিয়ে ভাবছে নাকি তার মন পড়ে আছে অন্য কোথাও, অন্য কোনখানে। স্টুডেন্টদের আমার খুব রহস্যময় মনে হয়, পড়া বেঝানোর সময় ওরা জানি কি নিয়ে ভাবে। আমি নিজে শেষ বর্ষের ছাত্র। আল্লাহ রহম করলে মাস ছয়েক পরে ছাত্র জীবনের ইতি টানব। এই সুদীর্ঘ ২০ বছরের ছাত্রজীবনে (বয়স চার থেকে চব্বিশ!) আমি স্যারদের কাছে ২০% এ বেশী পড়া বুঝতে পারি নাই (হলফ করে বলতে পারি!)। তাহলে পাশ করতাম কিভাবে? আল্লাহর কসম, নিজে নিজে পড়ে আর গাব-জাব দিয়ে। অনেক সময় এমনো হইছে, আসল ধারনার ধার দিয়েও যায় নাই, আমি নিজের মত গোঁজামিল দিয়ে বুঝছি। যাইহোক এর জন্য আমি স্যারদের কোন দোষ দেই না, ৯০% সময় আমি অন্য কিছু নিয়ে ভাবতাম (কি নিয়ে সেটা আর নাইবা বললাম), আর ১০% সময় স্যারদের কিঞ্চিৎ সমস্যা ছিল। ভার্সিটি লাইফে এযাবত ডজনখানেক পোলাপান পড়িয়ে যা বুঝলাম- সবারই আমার মত অবস্থা। কোন এক ভাবের জগতে ওরা ভাসমান।

ছাত্র গুলো অবশ্য তাদের ভাবনা মাঝে মধ্যে আমার সাথে শেয়ার করে। নিউটনের তৃতীয় সূত্র বুঝাচ্ছি- প্রত্যেক ক্রিয়ার বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া আছে। স্টুডেন্ট হঠাৎ বলে বসলো, “ভাইয়া, হাশমির নতুন ছবিটা দেখছেন?”
আমি কিছুই জানি না এমন একটা গোবেচারা ভাব করে বলি,“ নাহ, অনেকদিন মুভি দেখা হয় না। কেমন হইছে, ভালো নাকি?”
ছাত্র বিজ্ঞের ভাব করে বলে,“ চলে, গান গুলো জোশ।” আমি আর কথা বাড়াই না। এরপরের কাহিনী কোনদিকে যাবে জানা আছে।
আবার দেখা গেল ছাত্রের পড়ার টেবিলে দুটা লাঠির মত কি যেন!!
“এগুলো কি, পড়ার টেবিলে কেন?”
“ভাইয়া , আপনাকে তো বলাই হয় নাই। আমরা ফ্রেন্ডসরা মিলে একটা ব্যান্ড দিচ্ছি। কাজ শুরু হয়ে গেছে। আমি ড্রামস বাজাব। তাই আজকে স্টেডিয়াম মার্কেট থেকে এ দুইটা কিনে আনলাম।”
“ড্রামস বাজাবা কেমনে, পারো নাকি?” (লাঠি নিয়ে আমি টুকটাক করি)
“টনি ভাইয়ার কাছে ভর্তি হইতেছি তো, মাসে পাঁচশ টাকা করে, দারুন বাজায়”
“কোন টনি?” (আমি আকাশ থেকে পড়ি)
“ব্ল্যাকের টনি, চিনেন না ভাইয়া?”
“ও আচ্ছা, আচ্ছা”।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে মেয়েদের নিয়ে। ওরা কিছু তো বলবেই না, মাঝে মাঝে হঠাৎ ভাবের কোন কথা বলে ওঠে। বড়ই রহস্যময়।
আমার সেই ছাত্রী, সেকেন্ড ইয়ারের সায়েন্স পড়ুয়া মেয়ে। পড়াচ্ছি তাকে জানালার পাশে বসে। দুম করে আকাশ বাতাস উজাড় করে নামলো বৃষ্টি।
“জানালাটা লাগিয়ে দাও” আমি বলি।
“স্যার, আপনার বৃষ্টি ভালো লাগে না?” (মেয়েটির চোখে অবাক বিস্ময়)
আমি তো আরো অবাক, পড়ানোর সময় আমি ভাবটাবের ধার ধারি না, পুরো পেশাদার হয়ে যাই। বৃষ্টিতে বই খাতা ভিজে যাচ্ছে, আর মেয়েটা বলে কিনা, আমার বৃষ্টি ভালো লাগে না খারাপ লাগে ?
সদা স্বল্পভাষী ভাববাজ মেয়েটা আপন মনে বলে চলে, “জানেন স্যার! বৃষ্টি যে আমার কি ভালো লাগে। রোজ কলেজ থেকে ফেরার সময় ভাবি- ইস, যদি বৃষ্টি নামত! ভিজতে ভিজতে বাসায় যাব। কিন্তু এক দিন ও নামে না, আর যখন বাসায় থাকি তখন ঠিকই ঝুম করে বৃষ্টি নামে।”
আমি কি বলব, ভেবে পাই না, চুপ করে বকি।
ছাত্রী আমকে কিছু বলতে না দেখে আসে- চুপ হয়ে যায়, সে চায় আমিও যেন এমন কিছু বলি, আমার রোবটিক ভাব দেখে খনিকটা মনোক্ষুন্ন কি সে হয়?

Get this widget | Track details | eSnips Social DNA

তিন.

“সরি, আপনাকে পুরা ভিজিয়ে দিলাম।”
একটা মেয়ের কন্ঠে আমি বাস্তবে ফিরি, দেখি আমার পাশের সিটে আপাদমস্তক ভেজা একটা সুন্দরী মেয়ে বসেছে, বাসের সিটটা বেশ চিপা হওয়াতে আমার একপাশও সে ভালোমতোই ভিজিয়ে দিয়েছি, তার কোলের কলেজ ব্যাগটাও ভিজা। সে আমার দিকে কৌতুক মাখা চোখে তাকিয়ে আছে। আমি কিছু না বলে একটু হাসলাম। আসলে আমার অনেকটা ঘোরলাগা অবস্থা হয়েছে, কোন সুন্দরী মেয়ে দেখলে বরাবরই যেটা আমার হয়। মেয়েটির চুলগুলো ভেজা, কপাল ভেজা, চোখের পাতা, তারপর .......... সবখানে শুধু ফোঁটা ফোঁটা জল, যেন সবুজ পাতায় শিশির কনা। বাস আবার চলতে শুরু করেছে, বৃষ্টি মনে হয় আরো বেড়েছে, সেই সাথে আমার ঘোর লাগা ভাবটাও বেড়ে চলেছে। হঠাৎ মেয়েটা খুব উল্লাস নিয়ে বলল,
“আজকে খুব দারুন বৃষ্টি নামছে, তাই না?”
আমি কি বলব? আবার সেই আধখানা হাসি দিলাম।
“আপনার হাসিটা কিন্তু খুব সুন্দর ! প্লিজ, ডোন্ট মাইন্ড”।
আমি শকের মতো খেলাম। বলে কি মেয়েটা? আমার এক অতি বিজ্ঞ কাজিন ইদানীং বলে, “অর্ক, তোমার হাসিটা ইম্প্রুভ করতেছে। চেষ্টা করো, মেয়েরা এরকম হাসি পছন্দ করে।” মোবাইলেও একটা অচেনা মেয়ে আমার হাসি শুনে বলে, “আপনার হাসি খুব সুন্দর, যারা প্রানখুলে হাসতে পারে তাদের মনটা অনেক বড় হয়।“ অভিজ্ঞ ফ্রেন্ডরা শুনে বলে, “এগুলো ফোনে মেয়েদের কমন কথা, ছেলেদের পটাতে বলে।” তাই বলে আজ সরাসরি কোন মেয়ে আমাকে বলবে, দিবাস্বপ্নেও কল্পনা করি নাই। আমাকে কিছু বলতে না দেখে মেয়েটি বলে, “আপনি কি আমার উপর রাগ করছেন?” এবারে তো কথা বলতে হয়, নাহলে আবার গাঁধা ভাবতে পারে।
“কি নাম তোমার!” (জুনিয়র ছেলেমেয়েদের দেখলেই আমি নিজের স্টুডেন্ট ভাবতে শুরু করি।)
“শ্রাবণ”
আমি তো আবার ভাবের জগতে চলে গেলাম। নাহ, আজকের বৃষ্টি বোধ হয় আমাকে ভাসিয়েই নিয়ে যাবে।
“কি নাম শুনেই চুপ? আসলে আমার নাম শ্রাবনী, সবাই শ্রাবণ বলে ডাকে।”
“আমি অর্ক। তুমি কিসে পড়ো?”
“ইকোনোমিক্স -ফার্স্ট ইয়ার। আপনি কি স্টুডেন্ট?”
আমি আবার হেসে নিজের জীবনের একমাত্র পরিচয়খানা দেই।
“ও, মাই গড!”
“কেন কী হৈসে?”
শ্রাবণী খানিকটা লজ্জা পায়, হাসিটি এড়াতে মুখ অন্যদিকে সরিয়ে নেয়।
আমি ভাবি, “শুধু তোমার জন্য” টাইপ গান মনে হয় এদের নিয়েই লেখা হয়।


“বৃষ্টিতে ভিজতে তোমার কি খুব ভালো লাগে?”
যেন হৃদয়ের কোন কথা বলা হয়েছে এরকম ভাব নিয়ে শ্রাবনী বলল,”ভীষণ ভাল লাগে, বৃষ্টি হলেই ভিজতে নেমে যেতে ইচ্ছে করে। আপনার ভালো লাগে না ।”
“খু-উ-উ-ব, বৃষ্টিতে ভিজলে মন ভালো হয়ে যায়।” (পুরো মিথ্যা কথা, নিজে নিরাপদ অবস্থায় থাকলে বৃষ্টি এবং বৃষ্টিভেজা কাউকে দেখতে ভালো লাগে, কিন্তু নিজে ভুলেও ভিজতে চাইনা, জ্বর-জারি হবার ভয়ে বর্ষার দিনে ব্যাগ সাথে থাকলেই ছাতা রাখি।)
কিন্তু আমার বানানো কথায় শ্রাবণী খুব খুশী হলো, যেন মনের মানুষের দেখা পেয়েছে এমন ভাব সাব।
“আপনার কি রিকশায় করে ঘুরতে ভালো লাগে?
“হ্যাঁ, খুব। বাসে চড়ি বাধ্য হয়ে। কাজ না থাকলে প্রায়ই বিকেলবেলা একা একা রিকশায় করে ঘুরতে বের হই।” (৫০% মিথ্যা। আসলে বাসে চড়তেই বেশী ভালো লাগে, দু একজন সুন্দরী ললনার দেখা পাওয়া যায়, আর রিকশায় তো একা একা বেরিং লাগে।)
“আপনার দেখি আমার সাথে খুব মিল। কিন্তু একটা ব্যাপারে খুব অমিল। আপনার পড়তে খুব ভালো লাগে, আর আমার পড়তে একদম ইচ্ছে করে না।”
হায়রে মেয়ে, আমার যে পড়তে কেমন লাগে, তা যদি তোমাকে বোঝতে পারতাম! বুক চিড়ে দেখালে বুঝতে পারতা নিরস পড়াশুনায় ঝাঝড়া হয়ে গেছে অন্তরটা।
তবু বলি, “কেন ইচ্ছে করে না, কেন?”
শ্রাবণী মন খারাপ করে বলে, “আমার পড়ে কি হবে?”
সত্যিই তো, পড়ে কি হবে? আহারে, এ্যাতো সুন্দর একটা মেয়ে, ওর জীবনটা অন্যরকম হওয়া উচিত-আনন্দময়, ভালোবাসাময়।
আমাকে চুপ থাকতে দেখে শ্রাবণী বলে, “কী ভাবছেন?”
“আমি কথা ঘুরানোর জন্য বলি, “তোমার কি ক্লাশ আছে নাকি এখন?”
“হ্যাঁ, কিন্তু ক্লাশ করবো না।”
“কেন?”
“এমনি ইচ্ছে করতেছে না একদম। কিছুক্ষন বৃষ্টিতে ভিজে ঘোরাঘুরি করে বাসায় চলে যাব।”

বাইরে তাকিয়ে দেখি বৃষ্টি অনেকটা কমে আসছে। তাই দেখে শ্রাবণীর মনটা আরো খারাপ হয়ে গেল। সে একদম চুপ। ওকে চুপচাপ দেখে আমার মনটাও খারাপ হয়ে গেল। বাস নীলক্ষেতের কাছে চলে আসছে। এখনি আমরা আলাদা হয়ে যাব, আর কোনদিন দেখা হবে না। এর আগে ও এমন হয়েছে। আমি কখনো কোন মেয়ের মোবাইল নাম্বার চাইতে পারিনা, কেমন যেন নিজের কাছে ছোট ছোট লাগে। আমি জানি শ্রাবণীকে যতই ভালো লাগুক, আমি ওর নাম্বার চাইতে পারব না।

বাস থামল। আমরা দুজনেই নেমে এক জায়গায় দাঁড়ালাম। বাইরে মেঘলা পরিবেশ সবুজ ড্রেস পরা মেয়েটিকে আমার সত্যিই ভীষন ভালো লেগে গেল। আমরা দুজন চুপচাপ দাঁড়িয়ে, কেউ কোন কথা বলি না। দু তিন মিনিট চলে যায়। ওর সুখে মেঘলা আকাশের মত অন্ধকার, ওকে ছেড়ে যেতে আমার নিজের ও খুব কষ্ট হচ্ছে, না হলে কোন একটা কিছু করে ওকে হসিয়ে দিতাম। আমি একটু সুরে আসে- করে ডাকি, “এ্যাই খালি, পলাশী যাবা?” রিকশাটা দাঁড়িয়ে পরে। সোজা উঠে বসি। তারপর ফিরতে থাকি হৃদয়হীন সেই চেনা রাজ্যের দিকে।


মন্তব্য

ইমরুল কায়েস এর ছবি

হুম, খুব ভাল।

বৃষ্টির এই দিনে তোর সেই বৃষ্টিকন্যাকে খুব মনে পড়ছে।
......................................................
পতিত হাওয়া

হাসিব জামান এর ছবি

ধন্যবাদ ইম্রুল্কায়েস।
আমার অবশ্য তোরে খুব মনে পড়ছে।

নিবিড় এর ছবি

ভাল লাগল সহজ সাবলীল গল্প চলুক


মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় ।

হাসিব জামান এর ছবি
প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

আপনার লেখা বেশ রোম্যান্টিক। আর প্রেমিকার সাথে বৃষ্টিতে ভিজতে মনে হয় সবচেয়ে মজা।

হাসিব জামান এর ছবি

লেখা পড়ার জন্য ধন্যবাদ পিপিদা। আমি মানুষ্টাই ঐরকম আরকি। হাসি
একসাথে হাতধরে ভেজার সৌভাগ্য হয়নি কোনদিন। বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে দুইজন দুইদিকে চলে গেছি। একজনের মাথায় ছাতা অন্যজনের মাথায় ঘোমটা।
-----------------------------------------
ভালবাসা তুমি - প্রেয়সীর ঠোঁটে প্রগাঢ় চুম্বন;
ভয়হীন তবু, দেখলে দেখুক না লোকজন।

তুলিরেখা এর ছবি

আহা, আহা, আহা।
অন্তর ঝাঝরা বালকেরে উত্তম ঝাঝা।

হাসি
-----------------------------------------------
কোন দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

হাসিব জামান এর ছবি
আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

লেখা ভালো লাগছে... চলুক

(ছবিটা অপ্রয়োজনীয় মনে হলো) হাসি

হাসিব জামান এর ছবি

ধন্যবাদ শিমুল ভাই।

হুম তাই মনে হচ্ছে এখন। কয়েকটা টাইপো চোখে পড়ছে। কিন্তু অচল অতিথি, এডিট করার ক্ষমতা আমার নাই।

ধুসর গোধূলি এর ছবি
হাসিব জামান এর ছবি

ইস্‌সিরে হাসি

ধন্যবাদ ধুগোদা, আপনার মত আমি ও গান দিতাম চাই।

ভুতুম এর ছবি

ভালো লাগলো বেশ।

-----------------------------------------------------------------------------
সোনা কাঠির পাশে রুপো কাঠি
পকেটে নিয়ে আমি পথ হাঁটি

হাসিব জামান এর ছবি
ফারুক হাসান এর ছবি

বৃষ্টিতে বেজার মত আনন্দদায়ক লেখা।

হাসিব জামান এর ছবি

আনন্দ দিতে পেরে ধন্য।
চলেন বৃষ্টিতে ভিজতে নেমে যাই। সাথে প্রেমিকা থাকল আর নাইবা থাকল।

ফারুক হাসান এর ছবি

নারে ভাই, এখন বৃষ্টিবিলাস করতে গেলে খবর আছে, চারদিকে খালি H1N1. । ঠান্ডা লেগে হাঁচি দিলে চ্যাংদোলা করে হাসপাতালে নিয়ে ৭ দিন আটকে রাখবে।

হাসিব জামান এর ছবি
রেনেট এর ছবি

আমার কাছে মনে হচ্ছে এটা গল্প না দেঁতো হাসি

লেখা খুবই ভালো লাগলো। গানটাও অসাধারণ লাগলো। কার গান?
---------------------------------------------------------------------------
No one can save me
The damage is done

---------------------------------------------------------------------------
একা একা লাগে

হাসিব জামান এর ছবি

তাইলে কি ভাই?
গান ভাল লাগ্লেই ভাল। কে গাইছে জানলে ভাল নাও লাগতে পারে। চোখ টিপি
-----------------------------------------
ভালবাসা তুমি - প্রেয়সীর ঠোঁটে প্রগাঢ় চুম্বন;
ভয়হীন তবু, দেখলে দেখুক না লোকজন।

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

শাওনান্টির গাওয়া এই এলবামের কয়েকটা গান দূর্দান্ত লাগে...

হাসিব জামান এর ছবি
সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

"কেন যেন ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ভিজতে বেশী পছন্দ করে।"
বৃষ্টির সাথে বালিকাদের সম্পর্ক কুনো ছেলে কখনোই বুঝিবে না। ইহা তাহাদের জন্য রহস্য হইয়াই থাকিবে। চোখ টিপি
গানটা মনে করিয়ে দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ। হাসি

...........................

সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

হাসিব জামান এর ছবি

রহস্য জানতে মন চায়। চোখ টিপি
লেখা পড়ার জন্য আপ্নাকেও ধন্যবাদ।

অম্লান অভি এর ছবি

পড়তে পড়তে মজা পেলাম। আমার এমন যাত্রার কথাও মনে পড়ল। তবে আমি ভাগ্যবান বৈকি সেল নম্বর নয় তবে ফেসবুক আইডিটা পেয়ে গেছি তার। তাই গল্প লিখতে পারছি না।
আবার বৃষ্টি দিন আসুক বা অন্য কোন সহযাত্রীর যাত্রা পালায় অর্ক আবার ভাসুক মোহনীয়তায়।

মরণ রে তুহু মম শ্যাম সমান.....

অতিথি লেখক এর ছবি

দারূণ লেখা ।
আপনার লেখা দেখে আমার ও স্টুডেন্ট নিয়ে পোস্ট দিতে ইচ্ছা করছে ।
ওলি
oli

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- হুমম, ৫১ সপ্তাহ আগের লেখা। ভালো লাগলো, এবারও। "তোমার জন্য" গান হিসেবে অর্ণবেরটাই চালিয়ে দিলাম।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

অতিথি লেখক এর ছবি

সহজ,সুন্দর,মজার।।ভালো লাগলো খুব।।

[বিষন্ন বাউন্ডুলে]

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।