সচলের আড্ডায়...

বিপ্লব রহমান এর ছবি
লিখেছেন বিপ্লব রহমান (তারিখ: সোম, ১৭/১২/২০০৭ - ৮:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সচল সমাবেশ, ২০০৭, টিএসসিসচল সমাবেশ, ২০০৭, টিএসসিসচল সমাবেশ নিয়ে আমিত আহমেদের উত্তেজনা টের পাওয়া গেলো একদিন আগে, ১৪ ডিসেম্বর। টেলিফোন আর টেলিফোন, এসএমএস আর এসএমএস। কারা আসতে পারেন, কারা আসতে পারছেন না, কোনো মেয়ে ব্লগার থাকবেন কী না, থার্ড আই লন্ডন থেকে টেলিফোনে লাইভ ইন্টারভিউ নিতে চান - এই সব। একটু রহস্য করে বলেন, “আপনার জন্য সারপ্রাইজ আছে। সেটা কী, কিছুতেই আগাম বলা যাবে না!”

পরদিন ১৫ ডিসেম্বর শনিবার বিকাল পৌনে ৫ টায় আমি চারুকলা দোতলায় পৌঁছে অমিতকে ফোনে ধরি, “কোথায় আপনি? আমি তো চারুকলার দোতলায়।”

“আমি তো প্রায় চলে এসেছি। বস, ওখানে মাহবুব লীনেন ভাই আছেন। দাড়ি ওয়ালা, লাল গেঞ্জি আর চশমা পরা, আপনি তাকে একটু খুঁজে দেখুন।”
সচল সমাবেশ, ২০০৭, আজিজ মার্কেট

একটু পরে এক যুবক আরেক মেয়ের হাত ধরে চারুকলা দিয়ে ভেতরে ঢুকলেন। ওপরে বারান্দায় আমাকে দেখেই বললেন, “আপনি বিপ্লব, বিপ্লব রহমান?”

আমি মাথা ঝাঁকিয়ে নীচে নেমে এসে পরিচিত হই। উনি অচ্ছুৎ বলাই, সঙ্গে তার স্ত্রী। তারা বললেন, “ছবি দেখে আপনাকে সহজেই চেনা যায়!”

কাছেই অমিতের বর্ণনা মতো এক ভদ্রলোক মোবাইল ফোন কানে ধরে পায়চারী করছিলেন। আমরা তিনজনে তাকে চেপে ধরি, “আপনি লীলেন ভাই?” ধারণা ঠিকই। এরপর হাজির হন অমিত, আরেক অমিত দা (জার্মানী), বাচ্চা কোলে নিয়ে রাসেল ভাই, অপলা আপু। সবাই চারুকলার ছাদে পা ছড়িয়ে বসতে না বসতেই অমিত দা অধূমপায়ী হয়েও এক কার্টুন বেনসন সবার উদ্দেশ্যে নিবেদন করেন। দেরী দেখে পিয়াল ভাইকে ফোন, “আমি আসছি, রাস্তায় প্রচণ্ড জ্যাম।”

আমি অমিতকে জানাই, অফিসে কাজের চাপ থাকায় বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকম এর আরো দুজন ব্লগার মাসকাওয়াথ আহসান ও এহছান লেনিন সমাবেশে আসতে পারছেন না। আর জেবতিক আরিফ ঢাকার বাইরে। তো তিনিও অনুপস্থিত থাকছেন।

খানিক পরে চারুকলার মামা এসে বাগড়া দেন, ছাদে বসার সময় শেষ। আমাদের এখন চলে যেতে হবে। কি আর করা, ৯১, আজিজ সুপার মার্কেটে লীলেন ভাইয়ের আস্তানায় মাদুর বিছিয়ে বসা। দু একটা মোম জ্বালিয়ে গল্প - গুজব। তখনো জাতীয় বিদ্যুত গ্রিড সচল হয়নি, দেশজুড়ে দেখা দিয়েছে বিদ্যুত বিপর্যয়। একটু পর মুজিব মেহেদী ভাই ও আরো দু - তিনজন লীলেন ভাইয়ের বন্ধু কাছে এসে পরিচিত হন। তারা সকলেই সচলের নিয়মিত পাঠক।

এরই মধ্যে পিয়াল ভাই আর একটু পরে কালো লেদার জ্যাকেট, লাল গেঞ্জি ও গলায় ডিজিটাল ক্যামেরা ঝুলিয়ে হাজির হন আরেক যুবক। অমিত পরিচয় করিয়ে দেন, “বিপ্লবদা, উনি আহমেদ অরূপ কামাল, অরূপদা, আপনার সারপ্রাইজ!”

আমি সত্যিই চমকিত হই। সচলের এই ছোট্ট আড্ডায় যোগ দিতে একেবারে মালয়শিয়া থেকে অরূপদা উড়ে চলে এলেন! কয়েকদিন আগেই উনি গুগল টকে আমাকে অবশ্য বলেছিলেন, তার আসার একটা ক্ষীণ সম্ভবনা আছে। মাশীদ আপুর নতুন চাকরি, তাই তিনি হয়তো আসতে পারবেন না -- ইত্যাদি। আর আমি কী না ভেবেছি, অমিতের জিএফ আসবে আড্ডায়, সেটাই বুঝি আমার সারপ্রাইজ!

অরূপদাকে ঘিরেই আড্ডা সচল হয়। কুশল বিনিময়, ছোটখাট প্রশ্নোত্তর পর্ব। খুচরো আলাপ - সালাপ।

আরেকটু পরে আড্ডায় যোগ দেন ঝরাপাতা, হযবরল। ঝরাপতাকে নাম জিজ্ঞেসা করতে উনি বলেলেন, তার নাম নাকি অভ্র পথিক! অর্থাৎ আসল নাম প্রকাশে বাধা আছে। তাই আমি আর হযবরল দাকে ওই প্রশ্ন করার ঝুঁকি নেই না। তবে ঝরাপতা এতো অল্প বয়স্ক দেখে বেশ অবাক হই। আমি তো ভেবেছি তার বয়স ৪০ - ৪৫ হবে! আর পিয়াল ভাই ভেবেছেন, এটি বোধহয় কোনো মেয়ের নিক!

এর পর আমরা তিনতলাতেই ‘বাঙ্গাল’ নামে একটি স্টলের সামনে জড়ো হই। তারা গেঞ্জির ওপর কবিতা ছেপে প্রকাশ করেছেন। তো এই কবিতা - গেঞ্জির প্রকাশনা উৎসব শুরু হয় আনুষ্ঠানিকভাবে। সেখানে বিখ্যাত কবি আব্দুল মান্নান সৈয়দ মূল আকর্ষণ। লীলেন ভাই তার বক্তব্যে বললেন, “একবার আমি শাড়ির ওপর কবিতা লিখে প্রকাশ করেছিলাম। কিন্তু শাড়ির বিপদ হচ্ছে, পাঠক খানিকটা পরে বলেন, আপা এবার একটু ঘুরে দাঁড়ান, বাকিটা পরি!”

অরূপদা সচলায়তন নিয়ে স্কুল মাস্টারের মতো গুছিয়ে একটা লেকচারও ঝাড়লেন। কোনো রকম প্রস্তুতি ছাড়াই একজন মানুষ কী করে এ রকম গুছিয়ে বলেন, কে জানে?

এরপর আমরা দলে দলে রওনা হই টিএসসিতে। সেখানে বাইরের লনে গোল হয়ে পা ছড়িয়ে বসি সকলে। আবারো আড্ডা, আবারো কথোপকথন। পাশের বাড়ির টপ রেটেড ব্লগার নিয়েও কথা হয়। “আমি আপনাকে পাঁচ দিলাম!” আনাড়ি এই ব্লগারের কীর্তি নিয়েও খুব হাসাহাসি হলো একচোট।

এর মধ্যে অরূপ দা ধূমপায়ী সবার হাতে এক প্যাকেট করে ডানহিল সিগারেট আর সুন্দর করে ‘সচলায়তন’ লেখা টি - শার্ট ধরিয়ে দেন। পিয়াল ভাইয়ের বাবুর জন্য একটি আলাদা গিফট।

এক ফাঁকে অরূপ দা টেলিফোনে ধরেন কাউকে। ফোন ধরেই ধমক, “এই ছাগল! ফোন ধরিস না কেনো? কথা বল, সচলের সবার সঙ্গে।” ওপারে ছিলেন হিমু ভাই। আমার হাতে যখন ফোনটি এলো, তখন হিমু ভাইয়ের প্রথম কথা, “বিপ্লব, আপনাকে বিপ্লব!” আমি বলি, “আমি আপনাকে পাঁচ দিলাম!” হা হা হা।...

এক সময় থার্ড আই অমিতের ফোনে ঢুকে পড়েন। শুরু হলো টেলিফোন সাক্ষাতকার। প্রথমে অমিত, তারপরে অরূপদা, তারপর আমি, তারপর পিয়াল ভাই, অপলা আপু আর সব শেষে লীলেন ভাই। উনি তখন মাত্র এক বালিকাসহ টিএসসিতে এসেছেন। আর পিয়াল ভাই তো জানতেনই না কার ফোন, কিসের সাক্ষাতকার। ভাগ্যিস অমিত আর অরূপ দা আমাকে খানিকটা আভাষ দিয়েছিলেন, নইলে কেঁচোগণ্ডুস হওয়ার সম্ভাবনা ছিলো বিস্তর।...

চা, কফি, সিগারেট আর আড্ডায় রাত গড়ায়। সবই ঝরাপাতাকে মিস করে। উনি কী একটা কাজে শাহবাগ থেকেই চলে গেছেন। জেবতিক আরিফ ভাইয়ের অনুপস্থিতিও অনুভূত হয়।

এক সময় পিয়াল ভাইয়ের পরামর্শে সবাই পুরনো পল্টনের ‘রাধুনী'তে ভাত খেতে যাই। সেখানে আবার বাদ পড়েন বান্ধবীসহ লীলেন ভাই আর অপলা আপু। টাকি ভর্তা, সব্জি, মাছের কোপ্তা, রুই মাছ, মুর্গি আর কোকসহ জম্পেশ খাওয়া - দাওয়া হয়। সবাই হাত দিয়ে খেলেও অমিতকে দেখি বিলিতি কায়দায় কাঁটা চামচ নিয়ে কসরত করতে। এ নিয়ে তাকে একটু ক্ষেপানোর চেষ্টাও চলে।

খাবার টেবিলে আবার ব্লগিং এর বিষয় উঠে আসে। নিঝুম এর মজার লেখা নিয়ে খানিক আলোচনার পর আমি বলি দ্রোহীর কথা। কী যে জিনিয়াস একেকজন! আর দ্রোহীর স্বাক্ষর? সেটিও বেশ মজার। অরূপদা জানতে চান, তার স্বাক্ষরের বিষয়ে। সঙ্গে সঙ্গে আমরা দু’তিনজন মিলে তাকে জ্ঞান দেই, “কী মাঝি? ডরাইলা? -- এটি পদ্মা নদীর মাঝিতে কপিলা কুবেরকে বলেছিলো।” বলাইদা যোগ করেন, “কপিলা এ কথা বলে কুবেরের পৌরষ জাগাতে চেয়েছিলো।”...

বিল দেওয়ার পর্ব এলে অরূপদাসহ দুতিনজন বিল দেওয়ার জন্য গুঁতোগুতি করেন। “মানিব্যাগ ভুলে বাসায় ফেলে এসেছি” --এমন ভাব করে আমি ব্যস্ত হয়ে পড়ি কোকের গ্লাস নিয়ে। ‘রাঁধুনী'তে সেদিন আমরাই লাস্ট কাস্টমার। তাই ম্যানেজার সিগ্রেট খাওয়ার অনুমতি দেন।

রাত ১০ টার দিকে যে যার গন্তব্যে। গভীর রাতে অমিতের এসএমএস, “বস, আপনি সচল সমাবেশের ওপর পোস্ট দিন।...আমি ব্যস্ত।”

আমার জবাব, “না বস, ছবিসহ আপনি পোস্ট দিন। আপনি হলেন উদ্যোক্তা।”

এই নিয়ে গোটা দশেক এসএমএস চালাচালির পর শেষ পর্যন্ত ও লেখার ভারটা আমার ওপর গছাতে সক্ষম হয়। ফাঁকিবাজ কী আর গাছে ধরে?...


মন্তব্য

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

বিস্তারিত সরস বর্ণনা। বিপ্লব ভাইয়ের চশমা দেখেই চিনেছি। হাসি
তবে আমি একাই গিয়েছিলাম কাঁটায় কাঁটায় ৫ টায়, বাকিরা কেউ আগে, কেউ পরে। চোখ টিপি

আগামীকাল দেখি কিছু ছবি আপলোড করতে পারি কিনা। অবশ্য আগে সবার অনুমতি নিতে হবে। (যারা আডডায় ছিলেন, তাদের কারো অসুবিধা থাকলে একটা মেসেজ দিয়েন।)

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

মাহবুব লীলেন এর ছবি

আমি গেছি ৪.৪০ এ
বিপ্লব আমাকে লাল গেঞ্জিমার্কা বলে ছবি ছাপিয়েছে নীল গেঞ্জির
বাংলা সিনেমার নায়িকাদের মতো আমার পোশাকও বদলে গেলো?

ধ্রুব হাসান এর ছবি

বর্ননাটা গম্‌ (ভালো) হয়েছে! তবে ছবিটবি অলংকার হিসেবে দিলে আরো গম লাগিতো আর কি!ছবি যখন তোলাতে কারো আপত্তি ছিলোনা তো দিতে কেন এতো গায়ে জ্বর? দিয়ে দিন, আশা করি সবাই ভালোবেসে ক্ষমা করিবে! ধন্যবাদ বিপ্লব রহমানকে।।

কনফুসিয়াস এর ছবি

বিপ্লবদা নিজেও জানেন না, এই পাঁচ পদ্ধতি দিয়ে আপনি বাংলা ব্লগের ইতিহাসে মোটামুটি বিপ্লব সৃষ্টি করে ফেলেছেন!
এই লেখায় আপনারে তাই আবার বিপ্লব।
এইরকম ডিটেইলস লেখাই চাইছিলাম।

-----------------------------------
যা দেখি তা-ই বলি...

-----------------------------------
বই,আর্ট, নানা কিছু এবং বইদ্বীপ

হিমু এর ছবি
অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

ক্রেডিট কার্ডে পে করা যাবে না বলে মন খারাপ এরকম ভাব করে আমিও চুপচাপ বসে ছিলাম এবং সেইসাথে দুই অমিত, অরূপ, হযুদের বিল দেয়ার জন্য দৌড় প্রতিযোগিতা উপভোগ করছিলাম। মজার কাহিনী হইলো, বিল (বখশিশসহ) দেওয়া শেষে দেখা গেলো ৫০০ টাকার নোট একটা বাড়তি এবং সেটা কেউ ফেরত নিতে রাজি নয়। জাতির এ মহাসঙ্কটের সময়ে এগিয়ে আসতে চাইছিলাম চোখ টিপি বউয়ের চোখ রাঙানির ভয়ে সেটা আর হয়ে ওঠে নি। মন খারাপ

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

মাহবুব লীলেন এর ছবি

ইস আমি কেন থাকলাম না
আমার যেহেতু বৌ নেই সেহেতু পরের বৌয়ের চোখের দিকে না তাকিয়েই ৫০০ টাকার নোটটা তুলে নিতাম

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি

বিপ্লব রহমান লিখেছেন:
এর মধ্যে অরূপ দা ধূমপায়ী সবার হাতে এক প্যাকেট করে ডানহিল সিগারেট আর সুন্দর করে ‘সচলায়তন’ লেখা টি - শার্ট ধরিয়ে দেন।

সমাবেশে না গেলেও কি টিশার্ট পাওয়ার কোন চান্স আছে? হাসি

অয়ন এর ছবি

আমারটা কয়েকদিন পড়ার জন্য ধার দিতে পারি।

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি

লাভ নাই ... তুমারটা আমার ভুড়িতে আটকায়া যাইবো মন খারাপ

মাহবুব লীলেন এর ছবি

আমার টিশার্ট কে নিলো?

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

একই জিনিস নানারকম দৃষ্টি ভঙ্গীতে দেখা! মজাই লাগল।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

ঝরাপাতা এর ছবি

কপালটা এমন, আসল আড্ডাটাই মিস করলাম। আপনার লেখা থেকে জানতে পারলাম খাওয়া আর টি-শার্ট ও মিস হলো। কি আর করা!


রোদ্দুরেই শুধু জন্মাবে বিদ্রোহ, যুক্তিতে নির্মিত হবে সমকাল।


বিকিয়ে যাওয়া মানুষ তুমি, আসল মানুষ চিনে নাও
আসল মানুষ ধরবে সে হাত, যদি হাত বাড়িয়ে দাও।

মৃন্ময় আহমেদ এর ছবি

উরেব্বাস্‌.. জব্বর মজা হইছেস তাইরে.. হাসি
আমার ডানহিল....
আমার বেনসন.........................
আহা!! আমার টি-শার্ট....
মন খারাপ

আর নয় অকারণ দুঃখ দুঃখ খেলা
এবার হাসিমুখ নিশিদিন সারাবেলা

'

=========================================
নিজেকেই নিজে চিনি না, পরকে চেনার মিছে বাহানা

নিঝুম এর ছবি

বিপ্লব'দা,পোস্টটা খুব ভাল্লাগসে...আরো ভাল্লাগতো ,আমি "নিঝুম দিলদার" যদি থাকতে পারতাম!!!টি সার্ট,সিগারেট,খাওয়া...ভাই আর কিছু???

হায় আল্লাহ !!মোর লনসো গেলো...পনসো গেলো...কি অইবে এহন...

---------------------------------------------------------
জায়গায় খাইয়া, জায়গায় ব্রেক...

---------------------------------------------------------------------------
কারও শেষ হয় নির্বাসনের জীবন । কারও হয় না । আমি কিন্তু পুষে রাখি দুঃসহ দেশহীনতা । মাঝে মাঝে শুধু কষ্টের কথা গুলো জড়ো করে কাউকে শোনাই, ভূমিকা ছাড়াই -- তসলিমা নাসরিন

হিমু এর ছবি

মোর লনসো গেলো...পনসো গেলো...কি অইবে এহন...

এইটা সেইরকম হইসে। নিঝুম্ভাই কি বেশ্ব বেখ্যাত বরিশালের লোক নাকি?


হাঁটুপানির জলদস্যু

নিঝুম এর ছবি

ও হিমু বাই,
মোরে কি হেইয়া মনে অয়??আপনে কি কইতে আসেন!!আঁ!!!
ও মোর আল্লা,বাত খাইসে কাউয়া...
---------------------------------------------------------
জায়গায় খাইয়া, জায়গায় ব্রেক...

---------------------------------------------------------------------------
কারও শেষ হয় নির্বাসনের জীবন । কারও হয় না । আমি কিন্তু পুষে রাখি দুঃসহ দেশহীনতা । মাঝে মাঝে শুধু কষ্টের কথা গুলো জড়ো করে কাউকে শোনাই, ভূমিকা ছাড়াই -- তসলিমা নাসরিন

আড্ডাবাজ এর ছবি

খুব ভাল লাগল। টি শার্ট না পেলে সচলে অবরোধ আন্দোলনের ডাক দেব। চলুক আড্ডা...। ধন্যবাদ বিপ্লব।

অরূপ এর ছবি
প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

তবে বিবিসির সাক্ষাতকারে বিপ্লব ভাইয়ের গলা শুনে হোঁচট খেয়েছিলাম। আমার ধারণা ছিল বিপ্লব ভাইয়ের গলা আরো ভারী হবে।

আর ঝরাপাতা যে মেয়ে নয় তা আমিও জানতামনা।

হিমু এর ছবি

শেষ পর্যন্ত আপনিও!! যদি শাদিশুদা লোক হয়ে "মেয়েব্লগারের" অভাব নিয়ে দুঃখ করেন তাহলে ক্যাম্নেকী? আমাদের কান্নাকাটির জন্য কিছু রাখেন হো হো হো!


হাঁটুপানির জলদস্যু

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

হিমু যে কী বলে না... আমি ভেবেছিলাম ঝরাপাতা একজন মেয়ে, যেমন সুবিনয় মুস্তফিকে ভেবেছিলাম অনেক বয়স্ক গুরুগম্ভীর একজন মানুষ। আপনি দ্বিতীয় লাইনটা মুছে দেন। পোলাপান পড়ে ভুল বুঝতে পারে। হা হা হা .... হাসি

হিমু এর ছবি

আমার একটা সচলায়তনের লোগোমারা টি-কম্বল লাগবে। ঠান্ডায় ব্যারেল,বুলেট সব জইমা যাইতাসেরে!


হাঁটুপানির জলদস্যু

সংসারে এক সন্ন্যাসী এর ছবি

টি-কম্বলে আপনার কাজ হবে না। লাগবে ইয়ে-কম্বল। মানে জীবন্ত আর কি! তাহলে আপনার ব্যারেল, বুলেট, ট্রিগার - সবকিছুরই গতি হয়ে যাবে দেঁতো হাসি

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
টাকা দিয়ে যা কেনা যায় না, তার পেছনেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয় কেনু, কেনু, কেনু? চিন্তিত

অমিত আহমেদ এর ছবি

আমার মুখটা অবশ্য blur করার দরকার ছিল না।


ওয়েবসাইট | ফেসবুক | ইমেইল

থার্ড আই এর ছবি

জনৈক মেয়ে ব্লগারের হাতে দেখলাম দুধের বোতল!! শিশু সচলও ছিলেন নাকি?? কেউ বিস্তারিত জানাবেন ??
সচলদের চেহারা এমনভাবে ব্লার করা হয়েছে যেন অপরাধ জগতের ন্যুড ছবির মতো লজ্জা ঢেকে দেয়া হয়েছে !! তবুও দুধের স্বাদ ঘোলে মিটেছে।
--------------------------------
জল ভরো সুন্দরী কইন্যা, জলে দিছ ঢেউ।
হাসি মুখে কওনা কথা সঙ্গে নাই মোর কেউ।

-------------------------------
স্বপ্নকে ছুঁতে চাই সৃষ্টির উল্লাসে

মাহবুব লীলেন এর ছবি

জ্বি আমার সাথে কথা বলার সময় আপনার তাড়াহুড়ো দেখেই নারী জাতির প্রতি আপনার বিশেষ আগ্রহ অনুভব করেছি
(আপনার অতি আগ্রহের একজনের কোলে বাচ্চা ছিল তো? তাই ওই বোতল-টোতল)

দুঃখ করেন না। হবে। সামনে হবে

থার্ড আই এর ছবি

আসলে টেলি সংলাপের উদ্দেশ্যই ছিলো নারী কন্ঠ শোনা,নেহায়েৎভদ্রতা করে আপনাদের সাথে টাইম পাস করা।
হে হে হে.....
--------------------------------
জল ভরো সুন্দরী কইন্যা, জলে দিছ ঢেউ।
হাসি মুখে কওনা কথা সঙ্গে নাই মোর কেউ।

-------------------------------
স্বপ্নকে ছুঁতে চাই সৃষ্টির উল্লাসে

সুমন চৌধুরী এর ছবি

তো এই হইলো ঘটনা...টিশার্ট মন খারাপ



ঋণম্ কৃত্বাহ ঘৃতম্ পীবেৎ যাবৎ জীবেৎ সুখম্ জীবেৎ

কেমিকেল আলী এর ছবি

বিস্তারিত লেখার জন্য বিপ্লব দা কে বিপ্লব জাঝা। আর টি শার্ট কেমনে কোন পাশ দিয়ে গেল বুঝলাম না, টি-শার্টের কথা আগে কেন বলা হল না?
তাহলে না হয় একবার যাবার কথা বিশেষ ভাবে ভাবতাম!!

পানসে ছবিগুলো দেওয়া না দেওয়া সমান মনে হল।

পিয়াল ভাই, সাব্বিরা, বিপ্লব দা, লীলেন ভাই আর অরূপ কে মনে হয়শুধু চিনতে পেরেছি।

আতিথি এর ছবি

বিপ্লবদা লেখার জন্য ৫ >>>>>>>> হা হা হা

এস্কিমো এর ছবি

আড্ডাবাজ লিখেছেন:
খুব ভাল লাগল। টি শার্ট না পেলে সচলে অবরোধ আন্দোলনের ডাক দেব। চলুক আড্ডা...। ধন্যবাদ বিপ্লব।

আছি।

টি শার্টটা একটু মোটা মানে কম্বল মতো হলো ভাল হয়...যেভাবে তুষার পড়ছে।
পাতলা হলেও চলবে।

বিপ্লবের জন্যে বিপ্লব।

লেখতে চাই ..কিন্তু কি লিখবো?

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- টিশার্টারামকে অবিলম্বে আমাদের টিশার্ট সাপ্লাই দেবার আবেদন জানাই।
নিদেনপক্ষে ডিজাইনটাই দে ব্যাটা!
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

"আপনাকে ৫ দিলাম" কিংবা "বিপ্লব" জানানোর জন্য আলাদা ইমোটিকন সুবিধা দেয়ার দাবী করছি ।

তবে ছবি ঝাপসা করার তরজমা বোঝলাম না মন খারাপ

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- হ, এইরকম চেহারার উপরে ছাপ্পা মাইরা দেওয়ার শানে নুযুল কি?
আমারটায় মারছেন ঠিকাছে, তাই বইলা সবারটায় মারবেন এইঠে কেমুন কথা!
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>

মাহবুব লীলেন এর ছবি

বিপ্লবের চোখে সমস্যা আছে চশমা দেখেই অনুমান করা যায়
কিন্তু অনুমানেও যে সমস্যা আছে তা বুঝব কী করে

যে সাথে ছিল সে বালিকা নয় ভাইজান...
(অবশ্য সে শুনলে খুব খুশি হবে আর আপনি হয়ে উঠবেন তার সবচেয়ে প্রিয় মানুষ)

সুজন চৌধুরী এর ছবি

বিপ্লব দাকে বিপ্লবী সেলাম।
এইসব রিপোর্ট পড়ার পর থেকে যারপর নাই মন খারাপ হয়ে আছে।
একে তো গেঞ্জির শোক তার উপর কোপ্তা-কালিয়া !!!!
তয় চারুকলা থেইকা ক্ষ্যাদাইয়া দিছে শুইনা জবর খুশী হৈছি--
আমারে না নিয়া চারুকলায় আড্ডা!!!
এ্যাহ্ !!!
____________________________
লাল গানে নীল সুর হাসি হাসি গন্ধ......

সুজন চৌধুরী এর ছবি

আচ্ছা খোমাগুলার ঐ দশা কি আমার ভয়ে?
ফুটোস্কোপ দিয়ে তো কিছুই দেখিনা !!!!
____________________________
লাল গানে নীল সুর হাসি হাসি গন্ধ......

দ্রোহী এর ছবি

আঁই কিচ্ছি??


কি মাঝি? ডরাইলা?

সবজান্তা এর ছবি

ধুর, ঢাকায় থেকেও , বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাতে থেকেও মিস করলাম।

প্রথমে প্ল্যান ছিলো, একজন অপেক্ষমান সচল কে নিয়ে আড্ডায় যাবো। বেচারা হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পরায়, তার চিন্তা বাদ দিয়েছিলাম। এর পর আরেকজন নারী সচল, যাকে বেশ কম দেখা যাচ্ছে সচলায়তনে, তাকে ফোন দিলাম। তারও আসার কথা। কিন্তু ব্ল্যাক আউটের কারনে সেও আসতে সাহস করেনি।

অতঃপর কি আর করা ? বিকাল ৫ টা ৩০ পর্যন্ত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়েই আড্ডা মেরে, বাসায় চলে এলাম।

আচ্ছা, এমন আড্ডা বই মেলার মধ্যে আয়োজন করলে কেমন হয় ? আমার ধারণা আরো বেশি লোক হবে।

আর আমার টি শার্ট কই ?
---------------------------------------------------
অলমিতি বিস্তারেণ

বিপ্লব রহমান এর ছবি

ওরে... দেঁতো হাসি


আমাদের চিন্তাই আমাদের আগামী: গৌতম বুদ্ধ


একটা ঘাড় ভাঙা ঘোড়া, উঠে দাঁড়ালো
একটা পাখ ভাঙা পাখি, উড়াল দিলো...

আরণ্যক এর ছবি

এই ছবিতে এরা কারা?
ফেরারী আসামী?

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।