আব্দুর রহমান এর ব্লগ

নিজের কথা

আব্দুর রহমান এর ছবি
লিখেছেন আব্দুর রহমান [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২৫/০৩/২০১৬ - ২:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দেখুন আমার শিরদাঁড়া নেই,
ঢুকিয়ে রেখেছি খাপে।


ঘরের ছড়া

আব্দুর রহমান এর ছবি
লিখেছেন আব্দুর রহমান [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২১/০৭/২০১৪ - ১:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিবাহিত জীবনে কোবতে প্রসব করা কঠিন কাজ। বিবাহিত পুরুষ মাত্রেই সেকথা জানেন। প্রেম আর বিয়ে এক নয়। কবিতায় প্রেমিকারা খানিক আহা উহু করতে পারেন, গিন্নিরা ঝামটা ছাড়া কিছু দেন না। অচলাবস্থা নিরসনের হেতু অন্দরমহলে প্রবেশ করা মাত্রই গিন্নি জলদগম্ভীর কণ্ঠে শুধালেন, কী চাও? যেটা গিন্নিকে শোনাতে পারি নি, আপনাদের শোনাতে এলুম।


জীবনের সিলেবাস

আব্দুর রহমান এর ছবি
লিখেছেন আব্দুর রহমান [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৭/১০/২০১৩ - ৫:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]বছরের শুরুতেই হাতে একটা সিলেবাস বই ধরিয়ে দেয়া হতো আমাদের ইশকুলে। কোন পরীক্ষায় কোন বইয়ের কতটুকু থাকবে, কোন অধ্যায় থেকে ক’খানা প্রশ্ন আসবে, অথবা ক’টা প্রশ্ন থেকে ক’টা লিখতে হবে তার সুলুক-সন্ধান। বছর শুরুর হইহই মিলিয়ে এলে মাস্টারমশাইরাও কেমন যেন মিইয়ে যেতেন। ক্লাসের শুরুতে নাম রোল নাম্বার ডেকে কিছু মিছু একটা কিছু লিখতে দিয়ে চেয়ারে বসে ঝিমোতেন। ঝিমোতে ঝিমোতে আমরাও হারিয়ে ফেলতাম সিলেবাসের সেই


মিরাক্কেল

আব্দুর রহমান এর ছবি
লিখেছেন আব্দুর রহমান [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৬/০৮/২০১৩ - ৭:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কুষ্টিয়া জেলায় মানুষজন এর কথ্য ভাষা বেশ নরম। পাশাপাশি চলতে থাকা দুই রিকশায় খানিক ঠোকাঠুকির পর এক রিকশার চালক অন্যজনকে বলছে, ওগো, বেল দিচ্ছি শুনছো না যে?

একই ঘটনা বরিশালে ঘটলে আলাপচারিতার ধরন পালটে গিয়ে হত অনেকটা এরকম, হালার পো হালা, লেওড়াডা কি চোহে দিয়া রিশকা চালাও?


বিচার চাই

আব্দুর রহমান এর ছবি
লিখেছেন আব্দুর রহমান [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৪/০২/২০১৩ - ১২:৫৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাপ মরেছে, ভাই মরেছে
বোনের খবর পাইনি আর
চুদুর বুদুর দেখসি বহুত
অহন খালি চাই বিচার।


অনেক টাকা হলে

আব্দুর রহমান এর ছবি
লিখেছেন আব্দুর রহমান [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১৭/১০/২০১২ - ৬:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অনেক টাকা হলে কি কি করব সেই বিষয়ে আমার সবসময়েই অনেক চিন্তাভাবনা ছিলো। টানাটানির সংসার ছিলো। একখানা ডিম ভেজে, চার ভাগ করে তারপরে আলু দিয়ে ঝোল রান্না। অথবা ডিম সেদ্ধ করে সেটাকে আদ্ধেক করে আলু-ঝোল। যদি কোনোদিন একখানা ডিম পুরো পাওয়া যায় তবে বুঝতে হবে বিশেষ কিছু সেদিন।তখন বুঝতাম না, এখন কেনো যেনো মনে হয় পাতলা আলু-ঝোলের ব্যাপারটাই বেশ গরীবী, বড়লোকে নিশ্চিত ভুনা খায়। অনেক টাকা হলে অনেকগুলো ডিম খাব, এই চিন্তায় মশগুল ছিলাম অনেকদিন।


বিকেল

আব্দুর রহমান এর ছবি
লিখেছেন আব্দুর রহমান [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১৫/০৮/২০১২ - ২:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সাঝ বিকেলের আড্ডা তুমুল
আমি, তুমি, সজীব, শিমুল।
হারিয়ে যাবার বিকেল বেলা
বাড়ির ছাদের ক্রিকেট খেলা।

কে ভালো আর কে ভালোনা
মুন্না, জিদান, মারাদোনা
মোহামেডান, আবাহনী
ফুলের বাগান, ইয়ের পানি।

পাড়ার দোকান, চা-ডালপুড়ি
ঝাল চানাচুর মশলা মুড়ি
পাশের ছাদে কে আসে যায়?
চাইনা তবু চোখ চলে যায়।
বড় হবার সেইতো শুরু
বুক ধুকপুক, উড়ু উড়ু
দিনে কাটেতো রাত কাটেনা
বইয়ের ভাঁজে, মাসুদ রানা।


ওনেক ওনেক সোমোশশা

আব্দুর রহমান এর ছবি
লিখেছেন আব্দুর রহমান [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৬/০৬/২০১২ - ২:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


শৈশবে পড়া একটা গল্পের কথা মনে পড়ছে গত কয়েকদিন ধরে। গল্পের নাম ‘ফটোজ্যন্তপ্রপঞ্চ’। এক পাগলাটে বৈজ্ঞানিক একটি আশ্চর্্যথ আরক তৈরি করেন, যার দুয়েকফোঁটা যে কোনো ছবির উপর দিলে ছবিটি জ্যান্ত হয়ে ওঠে। চকলেটের বিজ্ঞাপনের ওপরে দু’ফোঁটা, এসে গেলো চকলেট ।ডিজাইনার ড্রেস, প্রসাধনী যা কিছু চাই, কেবল আরক ঢালার অপেক্ষা।


হামিন অস্ত

আব্দুর রহমান এর ছবি
লিখেছেন আব্দুর রহমান [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১০/০৪/২০১২ - ৪:৫৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[center][justify]টলটলে পানির একটা পুকুর। ওরকম এখন আর পাওয়া যায় না আমি জানি কিন্তু আমাকে পেতেই হবে। কীভাবে হবে সেই মাথাব্যাথা আমার না। তারপরে তাতে দাপাদাপি করতে হবে। অনেকটা সময়। যতক্ষণ না চোখ লাল হচ্ছে, নাক সুড়সুড় করছে বা মা যতক্ষণ পুকুর পাড়ে এসে হুমকি না দিচ্ছে।এই ঝাপাঝাপি করার পরে ভীষণ একটা ক্ষুধা, দুনিয়ার সব খেয়ে ফেলতে ইচ্ছা করবে।


অল্প বিদ্যা

আব্দুর রহমান এর ছবি
লিখেছেন আব্দুর রহমান [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০২/০৪/২০১২ - ১:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সবকিছু ভুলে যাবার পরে যেটুকু মনে থাকে তাই শিক্ষা। বসে বসে ভাবছিলাম কি কি মনে আছে। সেই ১৯** সাল থেকে শুরু। মনে পড়লো প্রতিক্লাসে খান কতক কবিতা পড়তে হত। ছোটক্লাস গুলোতে সেই কবিতার প্রথম ১০ বা ১২ লাইন মুখস্ত লিখতে হত। আমাদের স্কুলটা ভালো ছিলো, প্রথম ১০-১২ লাইন পারলেই কাজ চলত। আমার ভাইয়ের স্কুলটা তেমন সুবিধার না, ওদেরকে মাঝে মাঝে কবিতার শেষ ১২ লাইন লিখতে দিত।