ভোরে এখনো খুঁজতে বের হই তোমাকে

ধ্রুব হাসান এর ছবি
লিখেছেন ধ্রুব হাসান (তারিখ: বুধ, ২৬/০৯/২০০৭ - ৬:৩৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(ধন্যবাদ তোমাকে পিপলু ভাই,বানিয়েছো জব্বর এইটা)

আমার বলা বা না বলার মাঝে অনেক অনেক শব্দ বেরিয়ে যায় কিংবা উড়ে চলে যায়। ভাবছি, মাছ ধরার একটা পোলো জাল বসানো যায় কিনা মুখ এবং মগজের ধারে কাছে; তবুও যদি পাওয়া যায় অনুরাগ!

অনুরাগকে আমি বহুকাল আগে, একদিন নগরীর কোন এক পার্কের রৌদ আর জলে ভেজা কাঠের বেঞ্চীতে বসে থাকতে দেখেছিলাম। এতোদিনে হয়তো গণিকার স্রাবে বা নর-নারীর কামরসে সে মৃত প্রায়!......আমি ঠিক জানি না।

কোরবানির সকালে পশুর রক্তের সাথে ওকে আমি ভেসে যেতে দেখেছিলাম শেষবার; যদিও এখনো লেগে আছে আঁশটে গন্ধ। নগরীর সুইপারেরা আধুনিক জলকামান দিয়েও কেন যে গন্ধটা দূর করতে পারলো না, তা আমার বোধগম্য নয়!

থাক সেসব কথা। আমি এখনো কোন কোন ভোরে হেঁটে যাই নগরীর কোন এক নির্জনতর আঁশটেমাখা ফুটপাথ ধরে......কোথাই যাই আমি?

অনুরাগ,এখনো কেন জানি খুব ভোরে উঠে তোমাকে খুঁজি!......হেসোনা তুমি; মাতলামি কেঁটে গেলেও তোমার কথা মনে থাকে আমার।

(রোজালিনের জন্য)
ভোর ৬টা, রেডব্রীজ, লন্ডন
সেপ্টেম্বর,২০০৭


মন্তব্য

জিফরান খালেদ এর ছবি

জটিল হইলো।

৪নং প্যারাটাই খুব ভালো লাগলো। বাকিগুলো রিলেইট করতে পারলাম না তেমন। ইমেজটাও।

কবে যে পারা যাবে....

ভালো হইসে কিন্তু বস্ .....

ধ্রুব হাসান এর ছবি

"বাকিগুলো রিলেইট করতে পারলাম না তেমন। ইমেজটাও।
কবে যে পারা যাবে...."...ঢং করো, না?

জিফরান খালেদ এর ছবি

হা হা হা।

আরে, কি যে বলেন? ঢং কেন করবো? বেওকুফ লোকজন সহজ জিনিস সহসা বুঝে সহজেই ভেগে যায়। আমিও তাই...

অন্য আরও কিছু অংশের সাথে ইমেজ-এর ব্যাপারটাও আসলে মাথায় ঢুকল না। অবশ্য ঢুকবে না এইটা জানতাম। আপনি বলবেন - না ঢুকলে বালের কি করার আসে...

আমি আগে থেকেই বলি সেজন্যে - সহমত। হা হা হা।

দ্রোহী এর ছবি
তারেক এর ছবি

ভাল লাগল
_________________________________
ভরসা থাকুক টেলিগ্রাফের তারে বসা ফিঙের ল্যাজে

_________________________________
ভরসা থাকুক টেলিগ্রাফের তারে বসা ফিঙের ল্যাজে

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

ইমেজটা কারুকাজপূর্ণ কিন্তু ভয়াবহ। কবিতাটা সুন্দর। রোজালিন কেমন তা জানি না। গার্ল ফ্রেন্ড নাকি আপনার?

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

ধ্রুব হাসান এর ছবি

ধন্যবাদ আপনাদের লেখাটা পড়ার জন্য। আমার সবসময় কবিতা-সাহিত্য-পেইন্টিং-চলচ্চিত্র এই জিনিষগুলি পাঠে খুব বেশী আনন্দ হয়,কেননা এইসব আমাকে মানুষের চিন্তার বৈচিত্রময়তার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়, আমি বিস্মিত হয়ে ভাবি-ঠিক এইভাবেতো আমিও ভাবতে পারতাম!আরেকটু বলতে চাই, ধরুন আমি আমার চিন্তাটাকে সবসময় কিউবিষ্ট আঙ্গিকে প্রকাশে স্বাচ্ছন্ধবোধ করি; কিন্তু হঠাত কারো ভাবনাটাকে যখন দেখি অন্যকোন আঙ্গিকে প্রকাশ (হতে পারে সুররিয়ালিষ্ট বা ফিউচারিষ্ট বা যে কোনভাবে!),আর তা যখন আমার জানা জগতকে তাড়িত বা আন্দলিত করে নতুন করে,আমি বিস্মিত হই-মজা লাগে ভীষন। এখানে অনেকের লেখাতেই তা পাই কিন্তু প্রকাশ করা হয়না সবসময়।

আর @ এস এম মাহবুব মুর্শেদ ভাই, আপনিতো একবারে ব্যক্তিগত প্রশ্ন করে ফেললেন,যাইহোক ভাই ওর জামাই যেনো আবার আমারে মারতে না আসে!
না ভাই ওসব কিছুনা, আমরা কৈশোরের বন্ধু ছিলাম,আমি ছিলাম ওর খোলা জানালা,ঐ জানালা দিয়ে সমস্ত বর্জ এনে ফেলতাম ঘরের ভেতর,ও কখনো ভালবেসে,কখনোবা বিরক্ত হয়ে ওসব সাফ করতো,কোন একদিন জানালাটা বন্ধ করে দিল(ফাজলামোরতো একটা লিমিট আছে তাই না?...কিন্তু আমার ছিলোনা,এখনো নাই...)। ভাবলাম আজ অনেকদিন পর পুরোনো বন্ধুটাকে স্বরণ করি, কারন এখন পর্যন্ত ওকেই আমার লেখার সবচেয়ে ভালো পাঠক মনে হয়। কি আশ্বর্য ক্ষমতা ছিল ওর, প্রতিটা শব্দের ঠিক মানেটাকে কেটেকূটে এনে আমার সামনে ফেলতো! আমার যেন কিছুই লুকানোর ছিলোনা বা পারতামনা ওর সামনে! মাফ করবেন দীর্ঘ ব্যাখ্যার জন্য।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।