নীড়পাতা | সন্দেশ | গ্যালারী | আড্ডাঘর

Primary Links:

‹ পুরোনো ব্লগসব ব্লগনতুন ব্লগ ›

অবসন্ন কথা


লিখেছেন গৌতম (তারিখ: বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ০৯:২৫)
ক্যাটেগরী: |

সকালে অফিসের বাসে যেতে যেতে মিতা হকের কণ্ঠ পূষণের চোখে পানি এনে দেয়- শুধু যাওয়া আসা, শুধু স্রোতে ভাসা...। পাশের সহকর্মী কিছু জিজ্ঞাসা করার সুযোগ পায় না, তার আগেই পূষণ বলে ওঠে- মাথাব্যাথায় আমি একদম ঠিক থাকতে পারি না। বেশ ভোগাচ্ছে ক’দিন ধরে!

আজকাল পূষণের প্রায়ই এমন হচ্ছে। অরিত্রির সাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হওয়ার পর থেকেই পূষণ নিজেকে সময় সময় ধরে রাখতে পারছে না। একদিন তো কাজ করতে করতে সবার সামনে হঠাৎ করে হু হু করে কেঁদে উঠলো। পরক্ষণেই সহকর্মীদের ত্রস্ত আনাগোনায় সেটিকে ডাইভার্ট করে নিতে হলো মাথাব্যাথায়। সবার সামনে ওষুধও গিলো ফেললো একটি। এটাই তো স্বাভাবিক! কলিগরা চলে গেলো নিজ নিজ ডেস্কে। অরিত্রি অবশ্য তার ডেস্ক থেকে উঠে এসেছিলো কিছুক্ষণের জন্য। কিন্তু সে কি বুঝতে পারলো কিছু? বুঝতে কি চেষ্টা করেছিলো?

অরিত্রি-পূষণ সহকর্মী। ফলে সম্পর্কের এই টানাপোড়েনে কিছুটা জমাট তরল ক্ষণে ক্ষণে কঠিন হয়ে যায়; আবার মাঝে মাঝে সম্পর্কের বরফ কিছুটা তরল হতেও চেষ্টা করে। কিন্তু হিসেবের শেষ ঘরটিতে কেবল ডেবিটই হতে থাকে বারবার। এই যে পূষণ এখন প্রায় রাতেই না খেয়ে শুয়ে পড়ে, তাতে কি অরিত্রির ক্ষুধা বাড়ে? রাত তো অনেক দূর, তার আগে সূর্যকে ডুবতে হয়; দিনের বেলাতেই কতোদিন পূষণ দিনের পর দিন না খেয়ে সময় কাটিয়ে দিচ্ছে, সে খবর একসময় অরিত্রির নিজস্ব সংবাদপত্রে হেডলাইন হলেও এখন সেটি নিউজ ভ্যালু হারিয়েছে। পূষণ জানে, কোনোকিছুতেই কোনো লাভ নেই, অরিত্রির চোখে যে আরেক আগ্রহ দেখেছে সে- তাতে পূষণের নিজেকে সরিয়ে নেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

সুন্দর একটি ড্রেস পরেছিল সেদিন অরিত্রি। এমন সৌন্দর্যকে প্রশংসা না করা অন্যায়- ভেবে পূষণ অরিত্রির ডেস্কে যাওয়ামাত্রই বেজে উঠে অরিত্রির ফোন। নামটা আবছাভাবে দেখতে পায় সে, তার চাইতে পূষণের চোখে অবাক হয়ে দেখা দেয় স্ক্রিনে নাম দেখে অরিত্রির কথা বলার ব্যাকুল আগ্রহ। পূষণ এ আগ্রহের মানে জানে। খুব ভালো করেই জানে অরিত্রির চোখের এ আগ্রহ কীসের আশায় ব্যাকুল! পূষণ শুনে 'হ্যালো' শব্দেই কী অসম্ভব মুগ্ধতা ছড়িয়ে দেওয়া যায় অপরপ্রান্তে। অসম্ভব ব্যথিত হতে হতে আস্তে করে সরে আসে পূষণ। আসতে আসতে টের পায়- পূষণ নয়, পূষণ নয়, আর পূষণ নয়...

পূষণের হিসেব ভুল হয় না। উপলব্ধিজাত ক্ষমতা তার জন্মগত, রইসউদ্দিন স্যারের বেতের আঘাতে ছোটবেলা থেকেই শাণিত হয়েছে পর্যবেক্ষণ ক্ষমতাও। নিজ জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়েও পূষণ বুঝতে পারে, কখন মানুষ এমন উজ্জ্বল হয়...

দিন যেতে থাকে, পূষণ দেখতে থাকে অরিত্রিকে। দেখতে থাকে অরিত্রির ব্যাকুলতার বেড়ে ওঠা। পূষণ কাছে যাওয়ামাত্রই অরিত্রির ব্রাউজারের স্ক্রিন বন্ধ হয়ে যায়, ভাঁজ পড়ে কপালে- অপরাধীমুখে পূষণ আস্তে করে সরে আসে প্রায় প্রতিটা দিন। অফিসিয়াল কাজের মেইলও এখন আরেক ডেস্কের কম্পিউটার ঘুরে আসতে হয়। ফেসবুকে পূষণ দেখে অরিত্রির বেড়ে ওঠা। অনেক নতুন বন্ধু হয়; পুরনো একজন ঝরতে থাকে আস্তে আস্তে। নতুন একটি ইলেকট্রনিক পোস্ট-অফিস বরাদ্দ হয় হয়তো শুধু বিশেষ কারো জন্য। সম্পর্কের আপনি দূরত্ব আস্তে আস্তে থিতু হয় তুমি-কাছের উষ্ণতায়। পূষণের জন্য বরাদ্দ টকটাইম হয়তো ঘুরতে যায় আরেক এফএনএফে। হ্যাঁ হয়তো, কারণ নিশ্চিত হওয়া পূষণের জন্য পাপ। কিন্তু পূষণ জানে আকাশে মেঘ থাকলে কোথাও না কোথাও, কখনো না কখনো বৃষ্টি ঝরবেই। নিজের পর্যবেক্ষণকে তাই প্রবলভাবে বিশ্বাস করে সে। হয়তো এখনই ঝরছে, অন্য কোথাও, পূষণ কেবল জানে না জায়গাটার আসল নাম। শুধু জানে, যে উন্মুক্ততা ছিলো একদিন তাদের সম্পর্কের বীজ, আস্তে আস্তে লুকোচুরি হয়ে যায় তাদের দূরত্বের বন্ধন। অরিত্রি অবশ্য টের পায় না পূষণের চৌচিরফাঁটা হাহাকার। যে চোখ যায় আকাশের পানে, সমুদ্রের নীল তাকে টানতে পারে কখনো? যে মন ডুব দেয় সাগর মাঝে, আকাশ তাকে বৃষ্টি দিয়ে ভেজাতে পারে না।

পূষণ একটি এপিটাফ তৈরি করে রাখে। না, সেখানে সে কাউকেই দায়ী করে না তার মৃত্যুর জন্য; কিংবা দায়ী করে একমাত্র নিজেকেই; কিংবা দায়ী করতে চায় এই পৃথিবীর প্রতিটি মানুষকেই। যে দুটো হাত একসময় পূষণের গালে সুখ খুঁজতো, সেগুলোর স্মৃতি নষ্ট করতে এছাড়া আর কোনো উপায় খুঁজে পায় না পূষণ। ফার্মেসির দোকানে তাই ফ্রিজিয়াম আর সিডাকসিনের স্টক কমতে থাকে প্রতিনিয়ত। একমাত্র দর্শক পূষণের সামনে সেগুলোর প্রদর্শনী হয় প্রতিনিয়ত, প্রতিরাতে। দেখতে দেখতে পূষণ ভাবে- কী হয় তার ওপর দিয়ে একটা যান্ত্রিক বাহন হঠাৎ করে চলে গেলে, কোনো এক গভীর রাতে? হার্ট অ্যাটাকই বা কেন শুধু বয়স্কদের ভালোবাসে? রাসায়নিক ভালোবাসা খেয়ে চিরজীবনের মতো ঘুমাতে চায় না পূষণ; কাপুরুষতার তীক্ষ্ণতা তাতে ছলকে ওঠে। তার চাইতে যন্ত্রের একলহমার লণ্ডভণ্ড পূষণের শরীরটাকে চরম আদরে ভরিয়ে দিলে জীবন নিয়ে কৈফিয়ত দিতে হয় না কারো কাছে!

পূষণের শরীরে তিল জমতে থাকে, কষ্টের তিল। পূষণকে চিকিৎসাবিদ্যা জানিয়ে দিয়েছে, ক্যান্সারের যে বীর্য তার শরীরে বেড়ে উঠছে আস্তে আস্তে, নিজেকে ছুরির তলায় না ফেললে কষ্টকর জীবন শুরু হবে আর কিছুদিন পর থেকেই। ঘুমজাগানিয়া গোলক হাতে নিয়ে উন্মত্ত হয় পূষণ; দেখতে চায় যে কষ্টদাহ বইছে এখন তার পুরো শরীরে- ক্যান্সার কষ্ট তার চাইতে বড় কিছু কিনা!

দুটো নাম মুখস্থ করতে থাকে পূষণ-অরিত্রি আর পূষণের পরস্পরের নিজস্ব নাম- যেন মুখবন্ধ হওয়ার সময় সর্বশেষ সেই শব্দটিই বের হয়।

(অনুমতি থাকলেও আমার একজন বন্ধুর জীবনের এই ঘটনাটিকে গল্প নামে চালিয়ে দেওয়ায় আমি সেই জীবনের প্রতি ক্ষমাপ্রার্থী)


গড় রেটিং
( ভোট)
লিখেছেন গৌতম (তারিখ: বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ০৯:২৫)
উদ্ধৃতি | গৌতম এর ব্লগ | ২০টি মন্তব্য | ১৭৭বার পঠিত

Views or opinions expressed in this post solely belong to the writer, গৌতম. Sachalayatan.com can not be held responsible.

মুশফিকা মুমু এর ছবি
১ | মুশফিকা মুমু | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১০:০৯

প্রচন্ড ভালো লেগেছে, আর খুব কষ্ট লাগলো পূষনের জন্য মন খারাপ
খুব ভালো লিখেছেন।


তারেক এর ছবি
১.১ | তারেক | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১০:১২

আরে আপনি আমার আগে কোত্থেকে আইলেন? সরেন সরেন... রেটিং কইলাম আমিই আগে দিছি।
_________________________________
ভরসা থাকুক টেলিগ্রাফের তারে বসা ফিঙের ল্যাজে


মুশফিকা মুমু এর ছবি
১.১.১ | মুশফিকা মুমু | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১২:২০

হাহাহা আমরা মনে হয় একি সময়ে পড়ছিলাম, আমার ক্লিকটা মনে হয় আগে হয়েগেলো খাইছে


গৌতম এর ছবি
১.২ | গৌতম | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১২:২৪

আমি ওর ঘনিষ্ট বন্ধু। ওর জন্য আমার কী যে খারাপ লাগছে! আজকে ছুটির দিনেও অফিস করছি, কাজে ডুবে থাকলে কিছুটা শান্তি পাওয়া যাবে ভেবে। অনেক বুঝাচ্ছি ওকে। লাভ হচ্ছে না। সে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডাক্তার দেখাবে না।

আমার বন্ধুর জন্য সমব্যাথী হয়েছেন আপনি। ধন্যবাদ, অনেক ধন্যবাদ।
.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

ব্লগস্পট ব্লগ...ফেসবুক


মুশফিকা মুমু এর ছবি
১.২.১ | মুশফিকা মুমু | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১৫:৪৭

হুম, আপনার বন্ধুকে বোঝান, যে ওর চোখের পানির মুল্য দিবেনা তার জন্য চোখের পানি ফেলা অর্থহীন। এসময় আপনার সাপর্ট অনেক সাহায্য করবে। Time heals EVERYTHING.


অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি
১.২.১.১ | অতন্দ্র প্রহরী | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১৬:১৩

একটা কথায় একমত হতে পারলাম না। আমার ব্যক্তিগত অভিমত হলো, টাইম ক্যান সাবসাইড বাট ক্যান্ট হীল এভরিথিং! হাসি


গৌতম এর ছবি
১.২.১.১.১ | গৌতম | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১৭:১৫

কি জানি! কোনো কোনো বিষয়ের রেশ থেকে যায় সারাটা জীবন @ অতন্দ্র প্রহরী
.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

ব্লগস্পট ব্লগ...ফেসবুক


গৌতম এর ছবি
১.২.১.২ | গৌতম | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১৭:১৩

এমনিতে হলে সমস্যা ছিলো না। ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। ডাক্তার দেখাতে চাচ্ছে না। বলে, যখন ইচ্ছে হবে দেখাবো। কেমন যেন ড্যাম কেয়ার হয়ে যাচ্ছে দিন দিন। চিন্তা হচ্ছে।
.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

ব্লগস্পট ব্লগ...ফেসবুক


তারেক এর ছবি
২ | তারেক | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১০:০৯

পাঁচ তারকার শুভ মহরত আমিই করে গেলাম চোখ টিপি
_________________________________
ভরসা থাকুক টেলিগ্রাফের তারে বসা ফিঙের ল্যাজে


১০

গৌতম এর ছবি
২.১ | গৌতম | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১২:৩১

ধন্যবাদ তারেক।
.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

ব্লগস্পট ব্লগ...ফেসবুক


১১

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি
৩ | আনোয়ার সাদাত শিমুল | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১১:৫৬

হায়!


১২

গৌতম এর ছবি
৩.১ | গৌতম | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১২:৩৫

হায়! কেন শিমুল?
.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

ব্লগস্পট ব্লগ...ফেসবুক


১৩

অতিথি লেখক এর ছবি
৪ | অতিথি লেখক | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১৩:৪৬

সংসার সমরাঙ্গণে এসে কতো সাধ কতো কামনায়
লভিবে বিদায় পষূণ, কী পেলো সে যে হায়!

আপনার লেখা অসাধারণ লেগেছে। আরও লিখুন ভাই ।

সৈয়দ আখতারুজ্জামান


১৪

গৌতম এর ছবি
৪.১ | গৌতম | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১৭:১৭

আপনাকে ধন্যবাদ, আখতার ভাই।
.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

ব্লগস্পট ব্লগ...ফেসবুক


১৫

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি
৫ | অতন্দ্র প্রহরী | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১৬:১৭

অসাধারণ লেখা! প্রচন্ড কষ্ট অনুভব করছিলাম কিছু কিছু জায়গা পড়তে গিয়ে। আপনার বন্ধুর জন্য সমবেদনা রইল। আপনার মতো বন্ধু পাশে পেয়েছেন তিনি, আশা করি কষ্টের পথ তিনি অনেক সাহসিকতার সাথে পাড়ি দিতে পারবেন।


১৬

গৌতম এর ছবি
৫.১ | গৌতম | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ১৭:১৮

আমি চেষ্টা করছি। পারছি না। দোয়া চাওয়ার মতো বিশ্বাস থাকলে চাইতাম। এখন আপনাদের কাছে দোয়ার পরিবর্তে কী চাইতে পারি, তাই ভাবছি।
.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

ব্লগস্পট ব্লগ...ফেসবুক


১৭

পরিবর্তনশীল এর ছবি
৬ | পরিবর্তনশীল | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ২২:৪১

উদ্ধৃতি
যে মন ডুব দেয় সাগর মাঝে, আকাশ তাকে বৃষ্টি দিয়ে ভেজাতে পারে না।

ভালো করে বুঝান। বলেন... এগুলা কোন ব্যপার না।
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল


১৮

গৌতম এর ছবি
৬.১ | গৌতম | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ১৬:২২

সমস্যা তো সেখানেই। এ সময় কি এরকম কথা কেউ শুনতে চায়? লজিক কাজ করে? কিন্তু চেষ্টা করছি। আপনাকে ধন্যবাদ।
.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

ব্লগস্পট ব্লগ...ফেসবুক


১৯

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি
৭ | সুলতানা পারভীন শিমুল | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৫-০১ ২৩:১১

পুষনের জন্য খুব খারাপ লাগছে।
যার কাছে আমার কোন মূল্য নেই, কেন যে তার জন্যই জীবনটা অর্থহীন মনে হয় !
পুষনকে বুঝতে হবে, অরিত্রি ছাড়াও এই সুন্দর পৃথিবীতে তার বেঁচে থাকার অনেক অনেক কারণ আছে।

...........................

সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন


২০

গৌতম এর ছবি
৭.১ | গৌতম | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ১৬:২৫

উদ্ধৃতি
যার কাছে আমার কোন মূল্য নেই, কেন যে তার জন্যই জীবনটা অর্থহীন মনে হয় !

মানুষের মন বড় অদ্ভুত! অসম্ভব অদ্ভুত!
.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

ব্লগস্পট ব্লগ...ফেসবুক


নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
ফায়ারফক্সান » কেন?

লগইন করুন