সিলেটে তিনদিন, চা বাগানে কয়েক চক্কোর এবং চা শিল্প

নৈষাদ এর ছবি
লিখেছেন নৈষাদ (তারিখ: মঙ্গল, ০৪/০৮/২০০৯ - ৭:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায় যাবার কথা একদিনের জন্য। গত বৃহস্পতিবার বিকালে সিদ্ধান্ত নিলাম শুক্রবার সকালেই রওয়ানা দিব। তিনদিনের অখন্ড অবসর কাটাব, সারাদিন শুয়ে বসে বই পড়া আর কিছুক্ষন পর পর চা খাওয়া, টিনের চালে বৃষ্টির শব্দ উপভোগ করা আর পছন্দের খাওয়া দাওয়া। ঢাকায় জীবন থেকে অল্প সময়ের জন্য পালিয়ে যাওয়ার একটা ব্যার্থ চেষ্টাও বলা যেতে পারে।

শুক্রবার সকাল কাঁটায় কাঁটায় সাতটায় ঢাকা থেকে রওয়ানা দিলাম। সায়েদাবাদ থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত সকালের সম্ভাব্য যানজট এড়াতে টংগী-কালীগঞ্জ রাস্তা বেছে নিলাম। যানজট এড়াতে পারলেও টংগী থেকে কিলোমিটার তিনেক ভয়াবহ রকমের খারাপ রাস্তার যন্ত্রণা এড়ানো গেল না।

মেঘেঢাকা আকাশ, মাঝে মাঝে ঝম ঝম করে বৃষ্টি নামছে, কখনো মেঘের আড়াল থেকে সুর্য্য উঁকি দিচ্ছে, চকচকে মসৃন রাস্তা - সুন্দর একটা দিন। রাস্তায় আধ ঘন্টার একটা যাত্রা বিরতির পরও সকাল সারে দশটার মধ্যে শ্রীমঙ্গল পৌছে গেলাম। আকাশে ঘন কালো মেঘ জমছে, যেকোন সময় মুষলধারে বৃষ্টি নামবে। ঠিক করলাম খুব কম ব্যবহৃত শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ রাস্থা ধরে লাওয়াছড়া বনের ভিতরদিয়ে যাব। মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে লাওয়াছড়া বন এক কথার অপূর্ব। (বেড়ানোর জন্য যাদের শ্রীমঙ্গল যাবার পরিকল্পনা আছে এবং এর মধ্যে মাধবকুন্ড ঘুরে আসার পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত, তারা শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জের সল্প ব্যাবহৃত রাস্তাটা ব্যাবহার করে দেখতে পারেন। শ্রীমঙ্গলে থাকতে পারেন লাওয়াছড়া বন থেকে 'হাঁটার দুরত্বে' টি-রিসোর্টের বাংলোতে [যোগাযোগ, রফিকুল হক, ০১৭১১ ৩০৩ ৭৭৭])। শ্রীমঙ্গল ছাড়ার সাথে সাথেই শুরু হল প্রত্যাশিত মুষলধারে বৃষ্টি। অঝোর ধারায় বৃষ্টির মধ্যে লাওয়াছড়ার সৌন্দর্য্য শুধু সেখানে গেলেই উপভোগ করা সম্ভব।

শুক্রবার সারাদিনই মুষলধারে বৃষ্টি চলল। এবং আমি আমার পরিকল্পনা অনুযায়ীই দিন কাটালাম।

শনিবারে সকালে আবার ঝকঝকে রোদ। 'কোথাও যাব না' এরকম পরিকল্পনা থাকলেও এক চা বাগানে 'এক কাপ চা' খাওয়ার আমন্ত্রন গ্রহন করলাম। রাস্তাতেই আবার সিলেটের বিখ্যাত মুষলধারে বৃষ্টি। চা-কারখানা থেকে সদ্য আনা চা পাতার তৈরী চায়ের বর্ণ, গন্ধ এবং স্বাদ এক কথার অপুর্ব, যা কখনো ঢাকায় বসে পাওয়া সম্ভব না। মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে বাগানের বাংলো্র বারান্দায় বসে সেই চা পানের মজাই কিন্তু আলাদা।

আমার জন্ম এবং বেড়ে উঠা চা বাগানে, তাই সেখানে গেলে আমার একধরনের মিশ্র অনুভুতি হয়। একই সাথে বাড়ী ফেরার আনন্দ এবং প্রকৃতির কাছাকাছি এই নিঃশব্দতার কাছ থেকে বিচ্ছেদের হতাশা।

চা শিল্পের ব্যাপারে আমার একধরনের পক্ষপাতিত্ব আছে বলা যায়। তার পেছনে কিন্তু আমার কিছু যুক্তি আছে। প্রথমত এটা একটা কৃষিভিত্তিক এবং শ্রমঘন শিল্প (যা আমাদের দেশের তুলনামুলক শক্তির দুটি ক্ষেত্র)। দ্বিতীয়ত, আমার ধারনা কৃষিভিত্তিক এই শিল্পের সাথে শিক্ষা এবং টেকনলজির একটা অপুর্ব সমন্বয় করা হয়েছে এবং এই শিল্প পৃথিবীর সাথে তাল মিলিয়ে নিজের উন্নয়ন করছে। তৃতীয়ত এই শিল্প অনেক প্রতিকুলতার মধ্যেও বড় কোন আঘটন ছাড়াই অনেক বছর ধরে ভালভাবেই টিকে আছে। (ছোট পরিসরে এর কাছাকাছি সফিস্টিকেশনে সম্ভবত আরেকটাই কৃষিভিত্তিক শিল্প আছে - সিগারেট শিল্প, কিন্তু এর ফাইনাল প্রোডাক্টের জন্যই আমার কোন পক্ষপাতিত্ত নেই।)

বাংলাদেশে আমি অবশ্য এই শিল্পের উত্কর্ষের দিকটা নিয়ে খুব কমই লেখা দেখেছি বা পড়েছি, শুধুমাত্র শ্রমিকদের দুর্দশার খবর ছাড়া। ফিরে আসছি চা-শ্রমিকদের ব্যাপারটায় পরে। বলছিলাম কৃষিভিত্তিক শিল্পের সাথে শিক্ষার সমন্বয়ের ব্যপারটাতে। 'ম্যানেজমেন্টের' লোকদের বাইরেও অল্পশিক্ষিত শ্রমিকদের মধ্যেও এই জ্ঞান বিস্তৃত ছিল। একটা উদাহরন দেয়া যাক।

ছোট বেলায় আমার পড়া প্রথমদিকের ইংরেজী ভাষাতে 'টেকনিক্যাল' বই ছিল চায়ের উপর।(এবং আশ্চর্যজনক ভাবে অন্যটা ছিল 'শ্যুটার্স বাইবেল' নামে ৬০ দশকের লেখা আগ্নেয় অস্ত্রের উপর একটা বই, যেটার প্রতি আমার আকর্ষন ছিল আনেক গুন বেশী।)। আমার তখনকার এই সদ্য আরোহন করা জ্ঞান গুলি বাবা এবং চাচার কাছ থেকে আরও ঝালিয়ে নিতাম। একদিন চা গাছ ছাটাই করছে এমন এক বৃদ্ধ শ্রমিকের সাথে কথা বলায় সে আমাকে 'প্রুনিং' এবং 'স্কিপিং' (চা গাছ ছাটাই করার বিভিন্ন টেকনিক্যাল নাম) এর বিভিন্ন ধাপের পার্থক্য, কখন কোনটা প্রযোজ্য এবং কেন তার বিশদ বিবরন দিয়ে আশর্য্য করে দিয়েছিল, যা কিনা একজন ইংরেজের লেখা বইয়ের পাতার সাথে হুবহু মিলে গেছল। আমার স্মৃতিতে গভীর ভাবে গেথে আছে সেই ঘটনা।

ফিরে আসি আমার চা বাগানের 'কুইক ভিজিট' পর্বে। এবারে আমি দু'টি বাগানের 'এক কাপ চায়ের আমন্ত্রন' রক্ষা করেছি - প্রথমটা একটা ঐতিহ্যবাহী শিল্পগোষ্ঠি, চা-শিল্প যাদের প্রধান শিল্প পন্য এবং যারা চা এর সাথে বহু বছর থেকে জড়িত। অন্যটি চা-শিল্পে অনেকটা নতুন, কিন্তু ভাল করছে। চা-শিল্পে এক সময়ে নিজস্ব স্বকীয়তা বজায় রাখার একটা চেষ্টা আছে সবসময়েই দেখতাম। এখনও বজায় আছে দেখলাম। সাপ্তাহিক ছুটির দিনটি কিন্তু এখনো ঐ বাগান বা তার পারিপার্শ্বিক ব্যাপারের উপর নির্ভরশীল। আমি যে বাগানে গেছলাম তারা এমনকি সরকার ঘোষিত 'ডিএসটি' সময় অনুসরন করছে না। (খবর নিয়ে জেনেছি অনেক বাগান অনুসরন করছে, এবং লোকজন দেখলাম এটাকে 'ডিজিটাল টাইম' বলছে।)। পওয়ারের ব্যাপারটাতে দেখলাম, ক্যাপটিভ পাওয়ারের দিকে ঝুকছে (তার মানে গ্যাস জেনারেটরের সাহায্যে নিজেই প্রয়োজনীয় বিদ্যুত উত্পাদন করছে বা করার চেষ্টা করছে)। দেখলাম অনেক আধুনিকায়ন করা হচ্ছে কারখানা গুলিতে। ঐতিহ্যবাহী চা-উদ্যোক্তারা দশকের পার দশক ধরে যেভাবে ভাল করে আসছে, এখনো সেরকমই করছে। কিন্তু এক দল নতুন এবং পুরানো চা-উদ্যোক্তা আছে যারা ঠিক চা-শিল্পের জন্য বিনিয়োগ করেনি বা অন্য এজেন্ডা আছে, এবং অবধারিত ভাবে পুরো এই শিল্পের ক্ষতি করছে।

চা-শ্রমিকদের ব্যাপারটায় ফিরে আসি। যদিও আমি চা-শিল্পে সরাসরি কখনো কাজ করেনি, আমি সবসময়ে শ্রমিকদের ব্যাপারটা দেখে এসেছি 'ম্যানেজমেন্টের' দৃষ্টিকোন থেকে। আমার দেখাতে পক্ষপাতিত্ব থাকতেই পারে - স্বীকার করে নিচ্ছি।

একটা উদাহরন দিচ্ছি, চা শিল্পে [সম্ভবত শুধু চা-শিল্পেই] শ্রমিকদের জন্য সরকার অনুমোদিত 'মদের' দোকান আছে (যা স্থানীয় ভাষায় 'পাট্টা' নামে পরিচিত)। আমি সবসময়েই এটাকে শ্রমিকদের জন্য একটা প্রিভিলেজ হিসাবে দেখে এসেছি। অনেক পরে, যখন চা বাগান ছেড়ে চলে এসেছি, আমাকে অনেক বার কঠিনভাবে 'চোখে আঙ্গুল দিয়ে' দেখিয়ে দেয়া হয়েছে এটা শ্রমিক শ্রেণীর বিরুদ্ধে মালিক শ্রেণীর একধরনের 'ষড়যন্ত্র'। যাতে করে শ্রমিকরা কখনো টাকা জমাতে না পারে, চিন্তা ভাবনায় উন্নতি করতে না পারে, ইত্যাদি, ইত্যাদি। [আমি সুরারসিকদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে আমার প্রথম তীব্র প্রতিবাদ ছিল মদ্যপানের সাথে চিন্তা ভাবনা উন্নতির ঋনাত্বক সম্পর্ক স্থাপনের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে।] আমি এই 'ষড়যন্ত্র থিওরী' ফেলে দিচ্ছি না। আবার এও জানি যে এসকল শ্রমিকদের ভারতের যে সব স্থান থেকে আনা হয়েছে, মদ সেখানে তাদের সংস্কৃতির অংশ। এবং ম্যানেজমেন্ট, যাদের মালিক শ্রেনীর প্রতিভু বলে ধরা হত, ক্লাবে তাদের জন্যও মদ ছিল স্বীকৃত। অস্বীকার করার উপায় নাই যেখানে আমাদের দেশে কখনোই শ্রমিকের অভাব ছিল না তার পরও বৃটিশরা দু'শ বছর আগে ভারত থেকে চা-শিল্পের জন্য পরিশ্রম করে শ্রমিক নিয়ে আসার পিছনে তাদের কোন রকমের পরিকল্পনা নিশ্চই ছিল।

চা-শ্রমিকদের মজুরী প্রায় ৩৬% বাড়ার ব্যাপারে শ্রমিক ইউনিয়ন, মালিক পক্ষ এবং সরকার একমত হয়েছে। অচিরেই বাস্তবায়ন হবার কথা, দেখা যাক। আমার জানা মতে সফল চা-উদ্যোক্তারা মজুরী বাড়ার পক্ষে সবসময়ই আছে, কিন্তু তথাকথিত 'সিক চা বাগান উদ্যোক্তাদের' জন্য এটা বার বার পিছিয়ে যায়।

চা-শ্রমিকদের বিভিন্ন ইস্যু ছোটবেলার থেকেই দেখে আসছি, এক ধরনের দৃষ্টিকোন থেকে। শুদ্ধস্বর থেকে এই চা-শ্রমিকদের জীবনের নানা দিক নিয়ে একটা বই নাকি অচিরেই প্রকাশিত হবে। অপেক্ষায় আছি লেখকের দৃষ্টিকোন দেখার।

শুরু করেছিলাম অখন্ড অবসর কাটানোর পরিকল্পনার কথা বলে। কতটা বাস্তবায়ন করা গেল? বলা যায় মোটামোটি।


মন্তব্য

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

ভালো লাগল লেখাটা। ভ্রমনকাহিনী হলেও বেশ অনেক কিছুই উঠে এসেছে আপনার লেখায়।

আশা করি কিছু মনে করবেন না, বানানের ব্যাপারে আরেকটু সতর্ক হওয়ার অনুরোধ করছি।

ভালো থাকুন। লিখুন নিয়মিত।

নৈষাদ এর ছবি

ধন্য়বাদ। বানানের ব্যাপারটার জন্য় দুঃখিত। সতর্ক থাকব।

ভালো থাকুন।

শাহেনশাহ সিমন [অতিথি] এর ছবি

অনেকদিন পর ফিরে গিয়ে পেছনে ফিরে তাকানোটা লেখায় বোঝা যাচ্ছে। বেশ ইনফরমেটিভ লেখা। চলুক

এক দল নতুন এবং পুরানো চা-উদ্যোক্তা আছে যারা ঠিক চা-শিল্পের জন্য বিনিয়োগ করেনি বা অন্য এজেন্ডা আছে, এবং অবধারিত ভাবে পুরো এই শিল্পের ক্ষতি করছে।

এ ব্যাপারে আরেকটু আলোকপাত করবেন পরের লেখায়, সেই প্রত্যাশা রইলো।

নৈষাদ এর ছবি

ধন্য়বাদ। আলোকপাতের আশা রইল।

ভালো থাকুন।

দুর্দান্ত এর ছবি

শেভরন?

নৈষাদ এর ছবি

প্রশ্নটা? সম্ভব্য উত্তরঃ
১। লাওয়াছড়া ব্লক ১৩ তে - যার অপারেটর শেভরন। সিসমিক শেষ, ড্রিলিং এর সম্ভাবনা দেখি না।
২। আমি শেভরনে চাকরী করি না। আমার 'গ্যাস কানেকশন' অন্যখানে।

দুর্দান্ত এর ছবি

আমার প্রশ্নটির উত্তর আপনার ১ নম্বর জবাবে পেয়ে গেছি। ধন্যবাদ।

বন্যরানা এর ছবি

হটাৎ শেষ করে দিলেন মনে হলো, আর একটু লিখুন না।

নৈষাদ এর ছবি

ধন্যবাদ। লেখব হয়ত।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

শ্রীমঙ্গল, লাউয়াছড়া বিষয়ে যে ইনফর্মেশনগুলা দিলেন, আর টি রিসোর্টের যোগাযোগের তথ্য দিলেন... ইশ্... যদি একটা মাস আগে দিতেন তাইলে বহুত কাজে লাগতো। আমি গত মাসেই ঘুরে আসলাম। হয়তো ৮ তারিখ আবার যেতে পারি। কিন্তু সেটা ঘুরঘুরি না, একদিনের সফর, কাজের...

চা বাগানে আমি বেশ কয়েকবার গেছি, থাকছি। অবশ্যই আপনার তুলনায় আমার অভিজ্ঞতা শিশুতোষ পরিমান, তবু বলি... আমি যতোবার চা বাগানে গেছি, দেখছি একটা ব্রিটিশ সাম্রাজ্য। এই দেশে শতভাগ ব্রিটিশ আধিপত্য বোধকরি এখনো চা বাগানগুলিতে আছে।

আমি এবার গিয়ে চা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলেছি। তা নিয়ে একটা লেখার ইচ্ছে ছিলো। কিন্তু সময়াভাবে শেষ করতে পারিনি সিরিজটা। আর হয়তো লেখা হবে না।
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

নৈষাদ এর ছবি

ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের তুলনার সাথে একমত। আমি বলতাম, 'দ্যা লাস্ট রেমিনিসেন্ট অভ ব্রিটিশ রাজ'। কোথাও কোথাও দেখেছি 'মোর ব্রিটিশ দ্যান দ্যা ব্রিটিশ'। তবে শেষ বৃটিশ চাকুরে কিন্তু চলে গেছে আশির দশকে। এখন ব্রিটিশ মালিকানাও কিন্তু অনেক কম।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

তা জানি যে এখন আর ব্রিটিশরা চাকরি করে না। কিন্তু আমাদের জাতভাইরাই তো আগাপাস্তালা ব্রিটিশ হয়ে গেছে... সেটাই দুঃখ... সিস্টেম করে থুয়ে গেছে, সেখানে গেলে ব্রিটিশ কায়দাতেই অভ্যস্ত হতে হবে আপনারে
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

মামুন হক এর ছবি

আপনারে কী নামে ডাকা যায় ভেবে পাচ্ছিনা, সুমন ভাই না সবুজ ভাই? না অন্য কিছু?
লেখা ভালো হয়েছে, আরও লিখুন।

নৈষাদ এর ছবি

অশেষ ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। সুমন বা সুমন ভাই ডাকতে পারেন।
ভাল থাকুন।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।