বর্ষার বইমেলায় ৪

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি
লিখেছেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/০৮/২০১০ - ৪:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[সুজনদার আঁকা বর্ষার বইমেলা]

দেখতে দেখতে বর্ষার বইমেলার চারটি দিন শেষ হয়ে গেলো। প্রতিদিনই মেলায় উৎসব ভাব বাড়ছে। বাড়ছে দর্শক, বাড়ছে বিকিকিনি। আজকে একজনকে দেখলাম রীতিমতো দড়ি দিয়ে বেঁধে একগাদা বই কিনে নিয়ে গেলেন। দেখতেই ভালো লাগলো।

জ্যামের কারণে আমি প্রতিদিন হেঁটে হেঁটেই যাই, মিনিট বিশেক লাগে, মেদভুড়িটা যদি কিছু কমে। আজ মাতবরী করে গাড়িতে চড়লাম। সময় লাগলো পৌনে এক ঘন্টা!

রাস্তায় বসেই খবর পেলাম গতকালের পোস্ট পড়ে কোনো এক পাঠিকা আজকে মেলায় গিয়েছিলেন, এবং 'বইপত্র'র স্টল থেকে সচলায়তন সংকলন তৃতীয় খণ্ড কিনেছেন। শুধু সেটা কিনেই ক্ষান্ত হননি। অরুণদাকে ধরেছেন আগের দুটো খণ্ডও দেবার জন্য। অরুণদা এখন কোথায় পান? আমিই বা পাই কোথায়? 

শামসুর রাহমান মঞ্চে তখন চলছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ। যুদ্ধের সময় যাদের বয়স দশ বছরের আশেপাশে ছিলো, তাদের চোখে দেখা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণপর্ব ছিলো আজ। অনেকেই স্মৃতিচারণ করলেন। এরপর চললো স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি।

শাহেনশাহ্ আগে থেকেই ছিলো। অনার্য সঙ্গীতও এসেছে। এসেছে অতিথি সচল মনজুর এলাহীও। সে আবার থাকে কাটাবনেই। একেবারে কনকর্ড এম্পোরিয়ামের লাগোয়া ভবনে। ব্যস, চারজনে মিলে বই দেখা আর ঘুরিফিরি। চা পুরি সিঙ্গারা বিড়ি তো আছেই।

মেলার পরিসর ছোট। ঘন্টাখানেক ঘুরলেই দেখা শেষ। বই বাছাই করতেও বেশি সময় লাগে না। তবু প্রতিদিন ঘুরি। আড্ডা মারি। পাঠসূত্রর তনুজা আপার সঙ্গে কথা হলো। বিক্রিবাট্টা নিয়ে এখনো খুশি হতে পারেননি। তবে আশাবাদী, আরো তো ছয়দিন আছে।

কথা হলো বর্ষার বইমেলার মূল আয়োজক রানা আপার সঙ্গে। খুব পরিশ্রম করছেন তিনি মেলাটিকে আরো পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে। সর্বক্ষণ উপস্থিত থাকছেন মেলা প্রাঙ্গনে। 

মেলায় সচলদের অনেক বই আছে। 'বইপত্র' স্টলের বইগুলোর কথা তো আগেই বলেছি। শুদ্ধস্বরেও আছে অনেক বই। লীলেনদার বইগুলো, আকতার আহমেদ, মৃদুল আহমেদ, অনার্য্য সঙ্গীতসহ অনেক সচলের বই-ই আছে। গত বইমেলার অন্যতম আকর্ষণ 'রাজাকার ইস্যুতে, মানবতা মুছে ফেল টয়লেট টিস্যুতে'ও আছে। আগ্রহীরা সংগ্রহ করতে পারেন। মেলায় আরো পাওয়া যাচ্ছে সচল আনিস মাহমুদের অনুবাদ করা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বই 'সারেন্ডার অ্যাট ঢাকা, একটি জাতির জন্ম' [মূল লেখক লে: জে: জে এফ আর জেকব]। ইউপিএল-এর স্টলে পাবেন।

ভেবেছিলাম এই মেলায় লিটলম্যাগ কর্মীদের ভীড় থাকবে, কিন্তু তারা সব যেন কোথায় উধাও হয়ে গেছেন। টোকনদা প্রতিদিনই আসছেন। মুজিব মেহেদী ভাই আসছেন। আসছেন আরো অনেকেই। আজ এলেন জনপ্রিয় লেখক আহসান হাবীব। অটোগ্রাফও দিলেন।

দেশের সব বই একুশে বইমেলা উপলক্ষ্যেই প্রকাশ হয়। বছরে এই এক মাসই বইয়ের, বাকী এগারো মাস যেন ভাত কাপড়ের। সেই চক্র থেকে বের হতেই এই মেলা, মেলা নিয়ে তোড়জোড়।

আজ বর্ষার বইমেলায় একটি নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ছিলো। এই মেলায় প্রকাশ হওয়া প্রথম বই। চা-পান হেতু বাইরে থাকায় নাম ধাম খেয়াল করতে পারিনি ঠিকমতো। তবে বর্ষার বইমেলাকে কেন্দ্র করে নতুন বই প্রকাশ হচ্ছে, এতেই মনটা ভালো হয়ে গেলো। বইকে একমাসের মৌসুমী পণ্য থেকে বের করে নিত্যদিনের সঙ্গী করে তুলতে হবে।

আরো ভালো লাগলো এই দেখে যে, মূল মঞ্চেই মোড়ক উন্মোচনের ব্যবস্থা আছে। একুশে বইমেলায় কাজী নজরুল মঞ্চে বইয়ের মোড়ক উন্মোচনের দুঃসহ অভিজ্ঞতা যাদের আছে, তারা শুধু মোড়ক উন্মোচনের জন্যই অন্তত এই মেলাকে বেছে নিতে পারেন।

মেলার পঞ্চমদিন বৃহস্পতিবার। পরবর্তী দুদিন সরকারী ছুটি থাকায় আশা করা যাচ্ছে এই তিনদিন মেলায় ভীড় আর বিক্রি দুটোই বেশি হবে। আড্ডাও আশা করি এই তিনদিনেই হবে চুটিয়ে। চলে আসুন মেলায় এবং আড্ডায়। বই কেনা না কেনাটা বড় কথা না, আড্ডায় হাজির থাকাটাই বড়। জীবনে কী আছে আর?

আজকে সারাদিনই ভেবেছি ক্যামেরা নিয়ে যাবো। ব্যাটারিতে চার্জ দিয়েও রেডি, কিন্তু বের হবার সময় কাঁধে ঝুলাতে ভুলে গেলাম। আধেক রাস্তা গিয়ে মনে পড়লো ক্যামেরার কথা। তাই আজকেও সরসিজ আলীম ভাইয়ের তোলা ছবিই জুড়ে দিচ্ছি [অবশ্যই উনার অনুমতি সাপেক্ষে]। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা আলীম ভাইকে।

[মেলার তৃতীয়দিন অতিথি হিসেবে এসেছিলেন সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন]

[মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করছেন মিলা মাহফুজা]

[মেলায় আহসান হাবীব]

[চলছে বই বিকিকিনি]

[মেলায় দর্শনার্থী]

[মেলা প্রাঙ্গনের একাংশ]


মন্তব্য

হিমু এর ছবি

সচল সংকলন দ্বিতীয় খণ্ড তো শুনেছি অনেক কপি শুদ্ধস্বরে পড়ে আছে। মেলায় কি সেটা রাখা হয়নি?



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

সম্ভবত রাখা হয়নি। আমি অন্তত দেখিনি। গত একুশে মেলাতেও অনেকে কিনতে চেয়েছিলেন, পাননি।
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

দ্রোহী এর ছবি

পড়ছি।

ছবিগুলা এইরাম ঝাপসা ক্যান?


কি মাঝি, ডরাইলা?

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

খাড়ান, আজকে থেকে আমি ছবি তুলবো... তখন আরো ঝাপসা হবে চোখ টিপি
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

মেহবুবা জুবায়ের এর ছবি

বর্ষার বইমেলা তো! দেঁতো হাসি

--------------------------------------------------------------------------------

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

হো হো হো
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

তারাপ কোয়াস [অতিথি] এর ছবি

আহা বইমেলা! মেলার আরও কিছু ছবি দেন নজরুল ভাই।


সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

দিবো, আজকে ক্যামেরা নিয়েই যাবোই যাবো
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

এই মেলাটার পরিসর এতো ছোট যে এখানে বই দেখা, বই দেখে কেনা কঠিন ব্যাপার। মেলাটার দিকে তাকালে কে বিক্রেতা আর কে ক্রেতা বোঝা যায়না - অ্যারেঞ্জমেন্টটা এমনই। এমনকি কোন বইটা কোন বুথের তাও বোঝা কঠিন।

বলতে পারেন মেলাটা নতুন, আয়োজক-প্রকাশকরা দুর্বল, তার ওপর তাদের মধ্যে দলাদলি আছে ইত্যাদি ইত্যাদি। সেসব মেনে নিলেও আমার কাছে মনে হয়েছে মেলাটা আয়োজন আর সাজানোর ক্ষেত্রে মন-মাথা কোনটাই ঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি। যেহেতু মার্কেটটার বেশির ভাগ দোকান ফাঁকা তাই সেই ফাঁকা দোকানগুলোতে (বেসমেন্ট আর ফার্স্ট ফ্লোরে) বাইরের প্রকাশকদের বুথ করা যেত। এক একটা দোকান, এক একটা প্রকাশনী। আর মার্কেটে যাঁদের দোকান আছে তাদেরতো কথাই নেই। মাঝখানে মাঝখানে যেসব অন্যকিছুর দোকান আছে সেগুলোকেও মেলার অংশ হিসাবে দেখানো যেত। এতে মেলার পরিসর বাড়তো, দর্শক-পাঠকরাও আরাম করে, আনন্দের সাথে মেলাটা দেখতে পারতেন।

এই মেলাটাকে টিকিয়ে রাখতে হলে আগামী বার থেকে অবশ্যই অন্য জায়গা দেখতে হবে - সুপরিসর। যেহেতু বর্ষার মেলা, তাই খোলা মাঠে করা যাবেনা।

আর এই মেলাটার মার্কেটিং বলতে কিছু হয়নি। এই বৈশ্যযুগে কৌশলগত বিপণন করতে না পারলে দর্শক-পাঠকরা মেলা দেখতে, বই কিনতে আসবেন না আর লেখকও এই মেলায় তাঁর বই প্রকাশ করতে আগ্রহী হবেন না।



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

না পাণ্ডবদা, মেলার এই চেহারাটা অনেক চিন্তা ভাবনা করেই দেওয়া। গতবছর এই মেলাটা শুরু করা হইছিলো ছোট আকারেই। মার্কেটের ভিতরে যে বইয়ের দোকান আছে, তা মানুষকে জানানো। মেলার একটা সাজ সাজ রব দরকার ছিলো। খোলা চত্বরে মেলা হওয়ায় যে পরিমাণ দর্শক আকর্ষণ করা গেছে, ভিতরে হলে তার অর্ধেকও হতো না। এই মেলাটা প্রথমত বইয়ের এই মার্কেটের পরিচিতির জন্যই দরকার। এবছর পর্যন্ত এটাই উদ্দেশ্য। পরবর্তী বছরের মধ্যে হয়তো মার্কেট পরিচিতি পেয়ে যাবে, বর্ষার বইমেলাও তখন নিজস্ব রূপলাভ করবে। আসবে নতুন প্রকাশক বিক্রেতা। তখন অবশ্যই বড় পরিসর খুঁজে নিতে হবে। তবে এ বছর পর্যন্ত এখানেই ঠিক আছে বলে আমি মনে করি।

আর আরো বড় জায়গায় গিয়ে আরো বড় মেলা করার যে খরচ, তা সামলানোর মতো অবস্থাও এখনো আসেনি। এখানে মেলা করার জন্য কনকর্ড কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিয়েছে, তাই কম ভাড়া নিয়ে স্টল বরাদ্দ দেওয়া গেছে। এই মেলায় দুই সাইজের স্টল আছে। ছোট স্টলের ভাড়া ১৬০০ টাকা, বড় স্টলের ভাড়া ৩২০০ টাকা।

দশদিনে বেচাবিক্রি করে এটুকু খরচ উঠিয়ে কিছু লাভ করাটাই অনেকের কাছে কাফি। আরো বড় মেলা করলে সেখানে খরচ বাড়তো, স্টল ভাড়া বাড়তো, কিন্তু সেটুকু বিক্রির নিশ্চয়তা এখনো নাই। আর সবগুলো প্রকাশক একযোগে লস করলে পরের বছর মেলাই হতো কী না সন্দেহ।

তারচেয়ে ধীরে ধীরে পরিসর বাড়ুক। গতবারের চেয়ে এবার মেলার রূপ খুলেছে, আগামীবার আরো খুলুক।

এটা ঠিক এবার মেলায় অনেক কিছুই অসংগঠিত। কিছু কোন্দলের কারণে মেলার মূল আয়োজক রবিন আহসানকে সরে যেতে হয়েছে। বর্তমান নেতৃত্ব মাত্র দুদিনে এই মেলা আয়োজন করেছেন। তাই কিছু অসংগতি রয়ে গেছে। আশাকরি ঠিক হয়ে যাবে।

মেলায় অবশ্যই এখনো অনেক অসংগতি আছে, সেগুলো নিয়েও আলোচনা করা দরকার। করবো অবশ্যই, মেলা শেষে সেগুলো নিয়ে লিখবো, এবং কর্তৃপক্ষের গোচরেও তা জানাবো। হয়তো ভবিষ্যতের ভালোর জন্যই।
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

স্পর্শ এর ছবি

মার্কেটটা কি পুরোটাই বইয়ের? তাইলেতো দারুণ!!


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

না, পুরাটা না। তবে বেসমেন্ট ফ্লোর আর ফার্স্ট ফ্লোর বইয়ের
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

বাউলিয়ানা এর ছবি

দশদিনে বেচাবিক্রি করে এটুকু খরচ উঠিয়ে কিছু লাভ করাটাই অনেকের কাছে কাফি

মাত্র দশদিন! কঠিন অবস্থা। আমরাতো ঘুরে ফিরে দেখতেই দশ লাগায়া দেই। দেখা যাচ্ছে বর্ষার বইমেলায় "ধর তক্তা, মার পেরাক" ষ্টাইলে বই কিনতে হবে হাসি

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

ছোট মেলা তো... দশ দিন অনেক...
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

ফারুক হাসান এর ছবি

পড়তেছি।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

ধন্যবাদ
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

আরিফ জেবতিক এর ছবি

সবই তো বুঝলাম, কিন্তু বই উপহার দিবসের কী হইলো?

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

বই উপহার দিবসের ঘোষণা আসিতেছে অচিরেই। ঢাকায় বইমেলার মেলা বসায়া দিবো... বইমেলায় বসে বই উপহার দিবেন খালি... আসিতেছে ঘোষণা
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

জুনেব [অতিথি] এর ছবি

নজরুল ভাইয়ের লেখা পড়েই মোটামুটি ঠিক করেছিলাম যে ভার্সিটি বন্ধের দিন বৃহস্পতিবার মেলায় যাব। আজ একাই গেলাম। স্বল্প পরিসরে আমার চমৎকার লাগলো। যারা এখানে আসে সবাই মোটামুটি বই ভালবেসেই আসে। পরী-দর্শনের সু্যোগ ও আগ্রহ দুইই কম মনে হল। আজকে পকেট বেশী ভারী ছিল না তাই বেশি স্টলে যাই নাই কারন আমার সব বইই কিনতে ইচ্ছা করে । তবে মেলার সবচেয়ে চমৎকার দিক মনে হল পাঠক, প্রকাশক আর বিক্রেতার মধ্যে আন্তরিকতাকে। আজকে শুধু বইপত্র থেকে অল্প কিছু বই কিনলাম। কিন্তু অরুণদার ব্যবহারে আমি মুগ্ধ। বাইরে নিয়ে চা খাওয়ালেন নজরুল ভাইরা যে সন্ধের পর আসেন তাও জানালেন। তবে আমি অধম বিদায় নিলাম, তবে এই মনে করেই যে এরপর বন্ধু-বান্ধব নিয়ে সময় করে আসব।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

থাকতেন সন্ধ্যা পর্যন্ত... আজকে অনেকেই এসেছিলো, দারুণ আড্ডা হলো। আড্ডার চোটে আজকে মেলাটাই ঘোরা হলো না।
তবে দারুণ দিন গেলো আজকে।

আর আমার নাম কয়ে চা খেয়ে এসেছেন! আপনি তো কামেল আছেন।

অরুণদা আসলেই চমৎকার একজন মানুষ। এমনটা সচরাচর পাওয়া যায় না।
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

থাকতেন সন্ধ্যা পর্যন্ত... আজকে অনেকেই এসেছিলো, দারুণ আড্ডা হলো। আড্ডার চোটে আজকে মেলাটাই ঘোরা হলো না।
তবে দারুণ দিন গেলো আজকে।

আর আমার নাম কয়ে চা খেয়ে এসেছেন! আপনি তো কামেল আছেন!

অরুণদা আসলেই চমৎকার একজন মানুষ। এমনটা সচরাচর পাওয়া যায় না। আমাদের কম্যুনিটিটাকে অরুণদা পছন্দ করে ফেলেছেন। সচলায়তনের নাম শুনলেই বাড়তি খাতির
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

মূর্তালা রামাত এর ছবি

আপনার বর্ণনা এতোই জীবন্ত যেন আপনার সাথে মেলায়ই ঘুরতেছি.....শুধু সিঙ্গারা, পুরি, বিড়ি এইসব মিস করতেছি!

মূর্তালা রামাত

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

আহারে...
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

রীতি এর ছবি

দর্শনার্থী মেয়েটি আমার চেনা।ঢাবিতে পড়বার সময়কার।আশাকরি আপনারো চেনা কেউ কিংবা অনুমতি নিয়ে ছবি তোলা হয়েছে

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

ছবিগুলো আমার তোলা না, সেকথা পোস্টে উল্লেখ করেছি। যার তোলা, তাঁর অনুমতি নিয়েই এগুলো পোস্ট করেছি। আমার জানা নেই তিনি ছবি তোলার আগে অনুমতি নিয়েছিলেন কী না।
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।