মন পবনের নাও ১৩

নিবিড় এর ছবি
লিখেছেন নিবিড় (তারিখ: শনি, ২৭/০৮/২০১১ - ৫:৫৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

০।
এটা এই সিরিজের ১৩তম পর্ব। উপরের শিরোনামে ১৩ সংখাটা টাইপ করতে গিয়ে মনে পরল ছোটকালে এই সংখ্যাটা কে দারুণ ভয় পেতাম, অহেতুক। কারণ অবশ্য ছিল আশেপাশের সবার থেকে শোনা অদ্ভুত সব গল্প। স্কুলে একবার এক ছেলে দারুণ এক ভূতের গল্প বলে ঠিক ঠিক বিশ্বাস করিয়ে ফেলল যে ১৩ সংখ্যাটা ভূতড়ে সংখ্যা এবং অতি অবশ্যই শয়তানের প্রিয় সংখ্যা। কে কে আবার এরপর শুনে আসল কোন এক নামকরা হোটেলে নাকি ১৩ সংখ্যা দিয়ে কোন রুম নেই। সেটা আমরা সবাই সদলবলে বিশ্বাস করেছিলাম কারণ শয়তানের প্রিয় সংখ্যা দিয়ে রুম নাম্বার দেয়াতো আর বুদ্ধিমানের কাজ না।

যে ছেলের রোল নাম্বার ছিল ১৩ সে আমাদের কাছে এইসব গালগল্প শুনে নিজেই নিজেকে নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছিল।

তবে সেই সব পুরান কথা মনে পরলে একটা কথা বুঝতে পারি তখন আমাদের সেই সব ভয়ের মূল কারণ ছিল প্রশ্ন করতে না পারা। আমাদের মনে তখন প্রশ্ন জাগে নি ১৩ সংখ্যাটা কেন শয়তানের প্রিয় সংখ্যা হতে যাবে। আমরা শুধু শোনা একটা গল্প কে ভিত্তি করে আমাদের ভিতর একটা ভয় কে লালন পালন করছিলাম। অবশ্য সেইখানে আমাদেরো বা কী দোষ ছোটকাল থেকে আমাদের সংস্কৃতিতে শেখানো হয় বেশি বেশি প্রশ্ন করা বেয়াদবির লক্ষণ। এমনকী ক্লাসে আসলে যে স্যার/ম্যাডাম বলে পড়া না বুঝলে বারবার প্রশ্ন করবে তাকেই যদি কোন বিষয় নিয়ে তিন চারবার প্রশ্ন করি তবে অবধারিত ভাবে শুনতে হয়- বেয়াদব ছেলে ক্লাসে মন থাকে কোথায়। আর আমরা সবাই ভাল ছেলে হতে চাই তাই আস্তে আস্তে আমরা আমাদের ভিতরের প্রশ্ন করার ইচ্ছেটাকেই মেরে ফেলি, কিছু না বুঝলে তখন মুখস্ত করি। তাই ছোটকালে যা পঙ্গু করে আমাদের সাহস কে আর বড়কালে তা পঙ্গু করে পুরো একটা জাতির চিন্তাধারাকে।

০১।
আজকাল বন্ধু-বান্ধবেরা প্রায় চাকরির ইন্টারভিউ দিয়ে বেড়াচ্ছে এবং কেউ কেউ চাকরিও পেয়ে যাচ্ছে। সময়ের কাজ অসময়ে করা আমার ছোটকাল থেকেই অভ্যাস তাই আমি এখনো চাকরির লাইনে হাঁটা শুরু করিনি। একটা চাকরির পরীক্ষা অবশ্য দিয়েছিলাম এবং সেইখানে সাফল্যের সাথে ব্যর্থ হয়েছি। আসেন আজকে সেই পরীক্ষাটা নিয়ে কিছু বাতচিত করি। পরীক্ষাটার নাম ছিল বিসিএস।

পড়াশোনা করেছি পাবলিক ভার্সিটিতে। এইখানে প্রচুর ছেলেমেয়ের আজন্ম শখ থাকে সরকারি চাকরি করার এবং আমার বন্ধু বান্ধবেরা এর ব্যতিক্রম না। পরীক্ষার আগে একটা ফর্ম পূরণ করতে হয় যেখানে ক্যাডার চয়েস বলে একটা বিষয় থাকে। পরিচিত অনেককেই দেখলাম ক্যাডার চয়েসে পুলিশ, কাস্টমস এবং ট্যাক্স ক্যাডার কে পছন্দের তালিকায় উপরে রাখছে। কেন এই ক্যাডারগুলো বেশি পছন্দ প্রশ্ন করলে অল্প কয়েকজন সরাসরি উত্তর দেয়, বাকিরা ঘুরিয়ে প্যাঁচিয়ে যা উত্তর দেয় তার সারমর্ম এক। এই তিন ক্যাডারের কেউ এই লেখাটা পড়লে হয়ত রাগ করতে পারেন, বলতে পারেন বাড়িয়ে বলছি কিন্তু সত্যি সত্যি সবার উত্তরের ধারাটা ছিল- আরে এখানে উপরি ইনকামের সুযোগ বেশি। অল্প দিনেই বড়লোক হওয়া যাবে এখান থেকে।

দ্বিতীয়ত যে জিনিসটা চোখে পরল সেটা হচ্ছে অধিকাংশ ভাল ছাত্রছাত্রী বিসিএস দিতে আগ্রহী না, আবার যারা দিবে তাদের অনেকেই সিরিয়াস না। কারণ কী বুঝার জন্য পরিচিত এক ভাল ছাত্র কে ধরলাম।

-দোস্ত বিসিএস এর প্রস্তুতি কেমন?

- ফর্ম কিনছি কিন্তু সিরিয়াস না

-কেন? ক্লাসের অনেকেই তো সিরিয়াসলি দিচ্ছে

-এত কম বেতনের জন্য এত খাটাখাটনি করে পরীক্ষা দেওয়ার মানে হয় না।

উপরে যে দুইটা ঘটনা বললাম তা থেকে আমাদের প্রশাসন যন্ত্রে প্রেষণার (motivation) অভাবের একটা অন্যতম বড় কারণ কিন্তু চোখে পরে। প্রথম ঘটনা থেকে দেখা যায় প্রশাসনে যোগদানে ইচ্ছুক অনেকেই যোগদানের আগে থেকেই তাদের নৈতিকতা হারিয়ে বসছে। আবার দ্বিতীয় ঘটনা থেকে দেখা যায় মেধাবীরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আর প্রশাসনে যোগদানে ইচ্ছুক না। অর্থাৎ ধীরে ধীরে সরকারের প্রশাসন যন্ত্রে ভবিষ্যতে মেধার সংকট দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই দুই ঘটনাই কিন্তু ভবিষ্যতের জন্য অশনি সংকেত দেয়। কারণ আমরা উন্নয়ন উন্নয়ন বলে যতই গলা ফাটাই না কেন উন্নয়নের সঠিক গতি আমরা ততদিন পর্যন্ত অর্জন করতে পারব না যতদিন পর্যন্ত না আমরা রাজনৈতিক স্বদিচ্ছা এবং দক্ষ ও নৈতিকতা সম্পন্ন প্রশাসন নিশ্চিত করতে পারব।

০২।
গত তেইশ তারিখ ডিপার্টমেন্টে একটা কাজ ছিল। কাজ শেষ করে নিচে নামার সময় দেখি টিপটিপ বৃষ্টির মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র নির্যাতন বিরোধী কাল দিবসের জন্য অনুষ্ঠান হচ্ছে। সিড়ির কোণায় দাঁড়িয়ে থাকার সময় বসে থাকা কয়েকজন ছেলের সাথে এক পুলিশ কথা বলছে। কথাবার্তায় বুঝা গেল অনুষ্ঠানে আসা কোন ভিআইপির গার্ড হিসেবে আসছে এই পুলিশ। কথায় কথায় ছেলেগুলোর সাথে পুলিশের সেই ২০০৭ এর ২৩ অগাস্ট নিয়ে কথা উঠল। এর মাঝে আমি আবার কান খাড়া করে পুলিশ আর ছেলেগুলোর কথা ভাল ভাবে শোনার চেষ্টা করি। ছাত্র নির্যাতনের কথা উঠতেই পুলিশটা বারবার বলে- না ভাই, আমি কখনো স্টুডেন্ট পিটাই নাই।

২০০৭ এর অগাস্টে তখন আমরা ছিলাম সেকেন্ড ইয়ার। ২১ অগাস্ট আমাদের ডিপার্টমেন্টের সাথে ছিল জার্নালিজমের খেলা এবং সেই খেলা থেকে প্রথম আগুনের সূত্রপাত। খেলার সময় গ্যালারিতে ছাতা খোলা নিয়ে মেহেদি ভাইয়ের সাথে আর্মির এক জোয়ানের কথা কাটাকাটি থেকে ধাক্কাধাক্কির শুরু, সেই সমস্যা মিটাতে গেলে যখন মোবাশ্বের স্যার কে জোয়ানটা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল তখনই বাকি ছেলেপেলে ক্ষেপে গেল। তবে প্রাথমিক ভাবে সেই গন্ডোগোলের মিটমাট হল প্রক্টর স্যারের হস্তক্ষেপে। তবে সন্ধ্যা হতে গুজব শুরু হল যে যারা ঐখানে উপস্থিত ছিল তাদের গ্রেফতার করা হবে। মাগরিবের পরপর লাইব্রেরির সামনে একটা মিছিল এর প্রতিবাদে। হঠাত তখন পুলিশ এসে শুরু করল লাঠি চার্জ। লাঠিচার্জ ঐখান পর্যন্তই সীমাবদ্ধ রাখলে আর ঘটনা হয়ত এতদূর গড়াত না। কিন্তু তার একটু পর পুলিশ অলৌ্কিক নির্দেশে (পরে পেপারে পড়ছিলাম উপরের নির্দেশে!!!) সূর্যসেন আর মহসিন হলে টিয়ার শেল মারলে ঘটনা ছড়ায়ে পরে। কারণ ততক্ষণ পর্যন্ত ঘটনা ছিল দুই ডিপার্টমেন্টের খেলায় একটা গন্ডগোল পর্যন্ত। আর তখন অনেক ইয়ারের পরীক্ষা চলার কারণে অনেকেই পড়াশুনা নিয়ে ব্যস্ত। এর পুলিশের এই হঠকারি লাঠিচার্য আর টিয়ারশেল নিক্ষেপের পর থেকেই ঘটনা সাধারণ ছাত্রদের মধ্যে ছড়িয়ে পরেছিল। তারপর কী ঘটল তারপুরোটুকুই ইতিহাস এবং সেই ইতিহাস কমবেশি আপনাদের সবার জানা। আমি শুধু স্মৃতি অক্ষত থাকতে থাকতে ঘটনার শুরুটা লিখে রাখলাম।

০৩।
আমি সিনেমা দেখেছি খুব কম, যা দেখেছি তার বেশির ভাগ প্রচলিত অর্থে জনপ্রিয় সিনেমা। বিভিন্ন জনের কাছ থেকে শুনে ইচ্ছে হলে দেখা। তাই জিম ক্যারির পরিচয় আমার কাছে মূলত কমেডি অভিনেতা হিসেবেই। কয়েকদিন আগে রাতে বেলা কিছু করার নাই দেখে সিনেমা দেখতে বসলাম। রায়হান থেকে মাঝখানে একদিন প্রায় সত্তর গিগার মত সিনেমা নিয়ে আসছিলাম এর প্রায় বেশির ভাগ এখনো দেখা হয় নায়। ফোল্ডারে ঢুকে বিভিন্ন সিনেমা আগেপিছে টান দিয়ে দেখি কে কে আছে। এইরকম দেখতে Eternal sunshine of spotless mind এ ঢুকলাম। টানতে গিয়ে দেখি জিম ক্যারি আর আর কেট উইন্সলেট। দুই জনকেই ভালু পাই তাই আর বেশি চেক না করে দেখতে বসে গেলাম। ভাবলাম জিম ক্যারি আছে যেহেতু নিশ্চয় কমেডি সিনেমা হবে। সিনেমা শুরু হয়, ভাবি কমেডি সিনেমা হিসেবে অনেক স্লো স্টার্ট। তাও দেখতে থাকি, দেখতে দেখতে একটু পরেই বুঝি এটা আর যাই হোক কমেডি সিনেমা না। কমেডি হোক কিংবা না হোক আটকে যাই পর্দায়।

অনেক সময় মনে হয় নিজের অপ্রিয় স্মৃতিগুলি যদি বাদ দিয়ে দেওয়া যেত মাথার ভিতর থেকে। আমি না পারলেও সিনেমায় জোয়েল চেষ্টা করে, ক্লেমেন্টাইন চেষ্টা করে। কিন্তু অপ্রিয় হলেই কী আর স্মৃতিকে বাদ দিয়ে দেওয়া যায়? আবার বাদ দিয়ে দেওয়ার পর যদি সে স্মৃতি আমি আবার ফেরত চাই, তাহলে কী হবে? হয়ত তাই জোয়েল আর ক্লেমেন্টাইন স্মৃতি মুছে ফেলতে চেয়েও পারে না কারণ স্মৃতি বারবার ফিরে ফিরে আসে। সেই রাতে ঘুমানোর সময় আমারো মনে হয় থাক কিছু স্মৃতি, কী লাভ তাদের বাদ দিয়ে।

০৪।
ধুপধাপ করে পাঁচটা বছর চলে গেল। গায়ে গতরে বাড়িনি এক রত্তিও কিন্তু সময় চলে গেল অনেক। আর মাত্র দুই মাস। সব ঠিকঠাক থাকলে এরপর শেষ হয়ে যাবে ভার্সিটি জীবন। একটু আগেই বলেছি অনেকে চাকরি ক্ষেত্রে ঢুকে গেছে, অনেকেই ঢুকবে সামনে। লাইব্রেরির সামনের জমজমাট আড্ডায় আজকাল লোক হয় না। তাও নিয়মিত কয়েকজন আসে, ফোনে ফোনে বাকিদের ডাকাডাকি করে কিন্তু আগের মত সেই জমজমাট আড্ডা আর হয় না। এর আগে যখন কলেজ ছেড়ে আসলাম তখন খারাপ লেগেছিল খুব। থাকতাম হোস্টেলে তাই কলেজ ছেড়ে আসা মানে ক্লাস ছেড়ে আসা নয় বরং ছেড়ে আসা চব্বিশ ঘন্টার বন্ধুদের। সেই সময় মনে হয়েছিল ভার্সিটি যদি ভর্তি হই সামনে হয়ত ছেড়ে যাবার সময় সেরকম খারাপ আর লাগবে না। কিন্তু সময় বড় খারাপ জিনিস। সে সব কিছুতেই মায়া লাগিয়ে দেয়।

০০।
এক পরিচিত বড় ভাই ছিল যে কীনা নিজে প্রেম বা বিয়ে দুইটার কোনটা না করেই অন্যদের সে ব্যাপারে পরামর্শ দিত। তার পরামর্শে আমরা জানতে পারলাম প্রেমের শুরুতে ঘন্টায় ঘন্টায় কথা না বললে নাকি হাসফাঁস লাগে আর বিয়ের পর দিনে গুটি কয়েক বাক্যালাপ নাকি অনেক সময় যথেষ্ট। তা প্রেমে পড়তে উদগ্রীব এক বন্ধুর তখন প্রশ্ন ছিল- তা ভাই, প্রেমই তাইলে যথেষ্ট, বিয়ের দরকার নাই। বড় ভাই আবার সজ্জন ব্যক্তি, উপদেশ দিতে ভালবাসেন। এইবার তাই তার উপদেশ হল- আরে ব্যাটা দুইটা হল সম্পর্কের ভিন্ন ভিন্ন রূপান্তর। একটা ছাড়া অন্যটা অচল। তা একদিন দুইদিন করে সচলে লেখালেখির তিন বছর হয়ে গেল। প্রথম প্রথম লেখা নীড়পাতায় আসলে সে লেখা নীড়পাতা ছাড়তে না ছাড়তেই আবার লেখার জন্য হাত নিশপিশ করত। তখন বুঝি না বুঝি সব লেখায় মন্তব্য করতে ইচ্ছে করত। তবে কালে কালে বেলা হল। এখন আর এক বছরেই একটা লেখা বের হতেই কষ্ট হয়। লেখা খুব পছন্দ হলেও মন্তব্য না করে চুপচাপ তারা দিয়ে চলে আসি। আজকে সকালে লেখা পড়তে পড়তে মনে হল নিয়মিত আবজাব কিছু লেখার চেষ্টা করা উচিত। ঠিক তখনি বুঝতে পারলাম সচলের সাথে আমার প্রেমিক জীবন শেষ, এখন চলছে বৈবাহিক জীবন দেঁতো হাসি


মন্তব্য

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

মনপবনের নাও চলতে থাকুক। হাসি

সচলের সঙ্গে সম্পর্ক বুঝলাম, বালিকাদের সঙ্গে সম্পর্কের কী অবস্থা? একটা রসালো পোস্ট ছাড়ো চোখ টিপি

অনেকগুলো "তা" ব্যাবহার করেছ। পড়তে ভালো লাগছে না। আরেকবার পড়ে দেখবা?

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

নিবিড় এর ছবি

বালিকা বিষয়ক খবর জানতে নজর রাখুন সচলের পাতায় চোখ টিপি
আর যতগুলো সম্ভব "তা" সরিয়ে দিলাম। এইবার দেখেনতো খারাপ লাগে নাকি চিন্তিত

রু (অতিথি) এর ছবি

ভালো লাগলো। আমেরিকার বেশিরভাগ সুউচ্চ দালানে ১৩ নম্বর তলা থাকেনা, বিশেষ করে এপার্টমেন্টে। কর্পোরেট বিল্ডিঙের কথা জানি না।

নিবিড় এর ছবি

তাহলে চোদ্দতালা ভবনের তের তালায় কী থাকে অ্যাঁ

নিবিড় এর ছবি

তাহলে চোদ্দতলা ভবনের তের তালায় কী থাকে অ্যাঁ

দ্বিতীয় সুবর্ণরেখা এর ছবি

সচলে নতুন...তাই আগের ১২ টা পড়া হয়নাই.........লেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগল, ভাবছি কন এক অলস সকালে আগের পোস্টগুলোও পড়ে ফেলব দেঁতো হাসি

নিবিড় এর ছবি

আজকের কাজ কালকের জন্য ফেলে রাখতে নেই দেঁতো হাসি

সুমন তুরহান এর ছবি

ভালো লাগলো। লেখা নিয়মিত চাই। হাসি

-----------------------------------------------------------
স্নান স্নান চিৎকার শুনে থাকো যদি
নেমে এসো পূর্ণবেগে ভরাস্রোতে হে লৌকিক অলৌকিক নদী

নিবিড় এর ছবি

পড়ার জন্য ধন্যবাদ। নিয়মিত লিখতে হলে আবার প্রেমে পড়তে হবে চোখ টিপি

নীরব পাঠক এর ছবি

চলুক

নিবিড় এর ছবি
সুহান রিজওয়ান এর ছবি

নতুন সচল নাকি আপনে ?? যাক, সচলত্বের অভিনন্দন ক্যল ড্যুড দেঁতো হাসি

আড্ডায় আর আসা হবে না হপ্তাখানেক, দ্যাশে যাই। এসে ফোন্দিবোনে। আড্ডায় সচল থাকুন, আড্ডা সচল রাখুন।

_________________________________________

সেরিওজার গল্প

নিবিড় এর ছবি

হ, নতুন সচল খাইছে
এইবার আর আমার বাড়ি যাওয়া হচ্ছে না মন খারাপ

তানিম এহসান এর ছবি

শেষটায় মুখ ভর্তিহাসি চলে আসলো দেঁতো হাসি

নিবিড় এর ছবি
নীলকান্ত এর ছবি

নিবিড় ভাই, ছ'মাস পর লিখলেন।

আমাগো টাইমও হইয়া আইতেছে। আর ৬ মাস। তারপর গলাধাক্কা।


অলস সময়

নিবিড় এর ছবি

হুম, অনেকদিন পর লিখলাম। তোমাকে অনেকদিন দেখিনা, আস একদিন মিয়া আড্ডায় হাসি

নিটোল.  এর ছবি

ভালো লাগল। চলুক।

নিবিড় এর ছবি
নজরুল ইসলাম এর ছবি

আপনে কি ১৩ নম্বরের ডরে এতোদিন পোস্ট দেন নাই?
১৪ নম্বরটা কবে?
ভালো লাগলো পোস্টটা

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

নিবিড় এর ছবি

হেহে, আপনি একমাত্র এতদিন না লেখার আসল কারণ ধরতে পারছেন দেঁতো হাসি

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

চলুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

নিবিড় এর ছবি
তিথীডোর এর ছবি

আজ সক্কালেই এক চাকভুম আপিশে ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে জোর ছ্যাঁচা খেয়েছি। পোস্ট পড়ে দুঃখ আরো মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। ওঁয়া ওঁয়া

আমার সচলপেম নিখাদ এবং অমর, তাই বছর ঘুরে যায় তবু মন্তব্য আর আবজাব পোস্টানোর ঝোঁক ফুরায় না.. খাইছে

নিয়মিত লেখা চাই। হাসি

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

নিবিড় এর ছবি
শুভাশীষ দাশ এর ছবি

ভালো লাগছে।

নিবিড় এর ছবি

ধন্যবাদ শুভাশীষ'দা হাসি

ওসিরিস এর ছবি

নিবিড় ভাই, লেখা ভাল্লাগলো।
দেঁতো হাসি

নিবিড় এর ছবি

আরে মিয়া তুমি হঠাৎ হঠাৎ কোথা থেকে উদয় হও হাসি

আহমেদ এর ছবি

অনেকদিন পরে তোর একটা লেখা পড়লাম, জীবন যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছে... নেটে বসে পড়া আর হয় না, তারপরেও তোরটা মন দিয়ে পড়লাম... অনেক ভাল লাগলো হাসি

নিবিড় এর ছবি

আরে অনেকদিন পর লেখার কারণে অন্তত তোর দেখাতো পাওয়া গেল হাসি

ওডিন এর ছবি

আরিহ! এদ্দিন পরে ক্যুল ড্যুড নিবির্ভায়ের লেখা! দেঁতো হাসি

পরামর্শ দিতে বাস্তব অভিজ্ঞতা লাগে নাকি? আমিতো সেইদিন জুপিটারের চাঁদ ইউরোপার সাবটেরেনিয়ান সাগরে রোবটিক সাবমেরিন দিয়া জীবনের সন্ধান করার ওপরে একজনরে লেকচার দিলাম কতক্ষন। চিন্তিত

নিবিড় এর ছবি

উপ্রে যে বড়ভাইরূপী আপনার কথা লিখি নাই এইটা কেমনে বুঝলেন দেঁতো হাসি

মৃত্যুময় ঈষৎ এর ছবি

দৈনন্দিন জীবনলিপি আমাদের আকাঙ্ক্ষার, হতাশার, অনিশ্চয়তার, শুভাশুভত্বের!!! চমৎকার লিখেছেন নিবিড় দা!!!

বৈবাহিক সম্পর্কও মাঝে মাঝে নতুন করে ঝালাই করতে হয়, আই মিন নিয়মিত লেখা চাই!!! হাসি


_____________________
Give Her Freedom!

নজমুল আলবাব এর ছবি

নিবিড় মিয়া, গায়ে গতরে বড় হও তাইলে এইবার। চাল্লু

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
Image CAPTCHA