| ‹ পুরোনো ব্লগ | সব ব্লগ | নতুন ব্লগ › |
১১ই মে ১৯৮১ ক্যান্সারে মৃত্যু হয়েছিলো বব মার্লের। মৃত এই শিল্পীর সম্মানে প্রথম আলোর শুক্রবারের অন্য আলোর পাতায় লিখেছেন উৎপল শুভ্র। বাংলাদেশের ক্রীড়া সাংবাদিকতায় তার অবদানের প্রসংশা শুনেছি। তবে তার ক্রীড়া বিষয়ক লেখার মুগ্ধ পাঠক হতে পারি নি। ইত্তেফাকে এক চিলতে সংক্ষিপ্ত স্কোর বোর্ডের তালিকার বাইরে এসে সম্পূর্ণ স্কোরবোর্ড তুলে দেওয়া কিংবা খেলার অনুপম বর্ণনা হয়তো উৎপল শুভ্রের কলমে আসে না। বাংলাদেশের সকল খেলার বিশেষজ্ঞ আব্দুল হামিদ কিংবা চৌধুরি জাফরুল্লাহ শারাফতের মতোই তার যোগ্যতা কিংবা অযোগ্যতা-
ক্রীড়া সাংবাদিকতার বাইরে এসে তার নতুন লেখার ক্ষেত্র ছিলো রস রচনা, সেখানে সফলকাম হতে পেরেছেন কি না আমি জানি না, তার রস আলোতে লেখা কৌতুকময় জীবনের গল্প আমার পছন্দ হয় নি তেমন। তবে আগুণ জ্বালানো লেখা হয়েছে এই বর্তমানের বব মার্লের স্মৃতিযাদুঘর ঘুরে এসে লেখা উৎপল শুভ্রের বব মার্লের মৃত্যু দিবস উপলক্ষে রচিত বব মার্লির বাড়ী।
বব মার্লের যাদুঘর ঘুরে এসে তার মুগ্ধ প্রতিক্রিয়া জাদুঘরে যারা ঘুরতে আসে তারা সবাই বব মার্লের জীবনের ঘটনাগুলো সম্পর্কে অবগত। তার কোন গান কি ঘটনার প্রেক্ষিতে লেখা, তার জীবনের কোথায় কখন কি ঘটেছে, বব মার্লে কখন কোথায় কনসার্ট করেছেন, কখন কোথায় গিয়েছেন।
আমি অবশ্য তার অবাক হওয়াকে দোষারোপ করতে পারি না। বব মার্লের স্মৃতিযাদুঘর দেখতে যাবে তার গানের মুগ্ধ শ্রোতারা, তার ভক্তেরা যেহেতু স্মৃতিযাদুঘর ভ্রমনে যায়, যায় একটু বব মার্লের সান্নিধ্য পেতে- তাদের ভেতরে বব মার্লের জন্য যে অনুভুতি- তাদের এই ভক্তিরসের প্রাবল্যেই তারা সবাই পড়েই জেনেছে বব মার্লের জীবনের ইতিহাস।
এদের অনেকের বব মার্লে শিরোনামের খাতাও আছ- সেখানে একটু খুঁজলেই পাওয়া যাবে বব মার্লেকে নিয়ে রচিত সকল সংবাদের ক্লিপিংস। গান গাওয়া কিংবা শিল্পচর্চার সাথে যুক্ত মানুষের অন্ধভক্ত- ফলোয়ার্স কিংবা গ্যাং পিপলদের এই আচরণ নতুন খলিফা খুঁজে ফেরা মানুষের জন্য দরকার।
বন জভির একটা গান আছে- দিজ ডেস এলব্যামের- দিন ডেস শিরোনামের এই গানটিতে মানুষের নায়ক খুঁজে বেড়ানো শেষ হয়ে যাওয়ার বেদনার কথা কিছুটা বর্ণিত আছে- কিংবা বন জভির সর্বশেষ শোনা গানের এলব্যামের একটা গানের কথা মনে পড়ছে- লাস্ট ম্যান স্ট্যান্ডিং-
পশ্চিমে গানের ভক্তরা এমন পাগলামি করে তার সামান্য কিছু চিত্রায়িত হয়েছে অলমোস্ট ফেমাস সিনেমায়- হিপ্পি মুভমেন্ট কিংবা এন্টি ভিয়েতমান এরা নিয়ে অনেক কিছুই বলা যায়- উডস্টক ফেস্টিভল না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন , মানুষ সঙ্গীতকে ভালোবেসে কতটা পাগলামি করতে পারে।
বব মার্লের তেমন ভক্ত আমি না। সর্বসাকুল্যে একটা এলবাম শুনে তেমন ভক্তের দাবিদার আমি হতেও পারবো না। পশ্চিমে সঙ্গীত ব্যক্তিত্বদের জীবন নিয়ে ছবি হয়, তাদের ভক্তরা সেসব ছবি দেখে আনন্দিত হয়, বিষন্ন হয়, হিরো ওরশিপের নতুন ধারণা কিংবা নতুন ধরণের ভক্তিবাদের সূচনা ঘটে যায় হয়তো। বব মার্লেকে নিয়ে এমন ঘটলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই-
তার সঙ্গীতের মূল বিষয় ছিলো মানুষ। মানুষের অধিকার নিয়ে গান রচনা করা, মানুষের আবেগ আর মানুষের একান্ত চাওয়া নিয়ে রচিত গানগুলো সবসময়ই মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
তার গানের বাক্য বিন্যাস অনুবাদ যতটুকু আমার হৃদয়ে প্রবেশ করে ঠিক ততটুকুই বব মার্লের অবদান আমার জীবনে।
তাই জ্যামাইকার কুখ্যাত শহরতলীর বস্তি থেকে উঠে আসা বব মার্লের অবদান বুঝতে চাইলে উৎপল শুভ্রকে বুঝতে হতো জ্যামাইকার রাজনীতিতে সংঘাত নিসরনে বব মার্লের প্রচেষ্টার কথা। জ্যামাইকার মানুষের আবেগ উচ্ছাস এবং বিদ্বেষ নিয়েই বব মার্লের বেড়ে উঠা। শেতাঙ্গ বাবা এবং কৃষ্ণাঙ্গ মাতার সন্তান বব মার্লের জীবনে বর্ণবাদের প্রভাবটাও অস্বীকার করা যায় না। না ঘর কা না ঘাট কা অবস্থানে ছিটকে পড়া বব মার্লে শেতাঙ্গের বর্ণবাদের শিকার এবং কৃষ্ণাঙ্গের বর্ণবাদের শিকার- তাই তাকে ইশ্বরের শরণ নিতে হয়। সেই ইশ্বরই তার অনুপ্রেরণা হয়ে যায়- সেই ইশ্বরের অনুপ্রেরণায় তার মানবিকতার বোধ আরও শাণিত হয়।
উৎপল শুভ্র বব মার্লের গান শুনেন না, তার ভক্ত না এটাতে দোষের কিছু নেই, তবে তার বর্ণনার নিরাসক্ত অবহেলায় শিউরে উঠি। মানুষের প্রতি সম্মানবোধের ঘাটতি এমন ভাবে প্রকাশ করতে হবে?
বব মার্লের যাদুঘরে তেমন কিছু নেই- তার বাসস্থানকে জাদুঘরে রুপান্তরিত করা হয়েছে- সেখানে বব মার্লে বসবাস করতেন- তার ব্যবহৃত বিভিন্ন স্মারক সেখানে রাখা- এর বেশী আসলে কি আশা করা যায়? সেখানে স্ট্রিপ টিজারেরা নাচবে? বব মার্লের উদ্দেশ্যে অন্তর্বাস ছুঁড়ে দেওয়া মেয়েদের অন্তর্বাসবিহীন ছবি থাকবে? ডাইনোসরের কঙ্কাল থাকবে? আসলে বব মার্লের বাসায় তার ব্যবহৃত জিনিষপত্র ছাড়া উৎপল শুভ্র আর কি আশা করেছিলেন। আমি জানি না। আমার জানা হয়ে উঠবে না আসলে।
তিনি কথার ছলে বলে ফেললেন তিনি ৩ বার জ্যামাইকা গিয়েছেন। ২০০৭ এর বিশ্বকাপ কভার করতে উৎপল শুভ্র জ্যামাইকায় গিয়েছিলেন, সেখানে গিয়ে তিনি আউট সাইড স্পোর্টস কিছু রচনাও করেছিলেন, সেসব অখাদ্য দীর্ঘ সময় পড়ি নি, ভ্রমনকাহিনী ভ্রমনপিপাসুর কাছে উপভোগ্য এবং উৎপল শুভ্রের লেখার মান এতটা ভালো নয় যে নিখাদ সাহিত্যের খোঁজে সেখানে ঢু মারবো।
নিউজিলয়ান্ডে গিয়ে তার লিখিত রিপোর্ট পড়ে মনে হলো আসলে তেমন কিছুই হারাই নি আমি।
জ্যামাইকায় গিয়ে ঘটনাচক্রে তার বব মার্লের জাদুঘরে যাওয়ার দুর্ভাগ্য অবশ্য দীর্ঘায়িত হয় নি, উৎপল শুভ্র নেপথ্যে পেয়ে গেলেন বব মার্লের বাসার সামনের রেস্টুরেন্ট, সেখানের সামুদ্রিক মাছের ফ্রাই চমৎকার স্বাদু। তাই বব মার্লের যাদুঘরের সামনের ফিস ফ্রাইয়ের বর্ননা এবং গুনাগুন বর্ণনা করলেন তিনি।
বব মার্লের অবদান উৎপল শুভ্রের জীবনে তেমন নয়, তবে জ্যামাইকার মানুষ তাদের এই হিরো ওরশিপের ধারা বজায় রেখেছিলো , রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে তার শেষকৃত্য করা হয়।
নিহত বন্ধু এবং তাদের পরিচিত জনের বেদনা নিয়ে লিখিত নো ওমেন নো ক্রাই গানটির বিষয়ে তার সর্বশেষ অনুমাণ- নারী নেই ক্রন্দন নেই-
এটাই নাকি বাংলাদেশের সবাই জানেন। তবে আমার সাথে তার সরাসরি যোগাযোগ নেই- যাদের সাথে উৎপল শুভ্রের জানাশোনা তাদের প্রতি অনুরোধ তারা যেনো উৎপল শুভ্রকে প্রশ্ন করে আমাকে জানান- উৎপল শুভ্র এই জরপিটা কবে করেছেন, কতজনের উপরে করেছেন।
খোলস দেখেই ভুলে গেলে চলবে বন্ধু, খোলসের ভেতরে অনেকের চামড়ায় অতীতের দাসখত চাবুকের দাগ আঁকা আছে।
উৎপল শুভ্র বোধ হয় এই গানের খোলস দেখেই অনুমাণ করেছেন, নো ওমেন নো ক্রাই, মাইয়া মানুষ ঝামেলার জিনিষ, না থাকলে জীবন সুখের, কিংবা মাইয়া মানুষ মানেই প্যানপ্যানানি- থাকলেই শালীরা খালি কান্দন চোদায়-
ঠিক কোন অর্থে নারী নেই ক্রন্দন নেই শব্দের উৎপত্তি এটা তার জবানিতে জানলে অশেষ উপকৃত হতাম।
৩
হ্যায় কি আসলেই no woman no cry গানের মানে ঐটা বানাইছে না কি ? ঐটা কি রম্য রচনা ছিল ?
৪
লেখা তো নয় যেন উৎপল শুভ্রকে চিৎ করে ইয়ে মারা !!!!!!!!!!
৫
পুরা শোয়াইয়া ফালাইসে!
৬
উৎপল শুভ্ররে নিয়া আমার কোনও প্রশ্ন নাই... আমার প্রশ্ন আপনের কাছে... আপনে যেমন বলছেন যে যাদুঘরে গিয়া উৎপল শুভ্র কি আশা করছে? স্ট্রিপ টিজারদের নাচ কি না?
তেমনি আপনের কাছেও আমার প্রশ্ন- আপনে উৎপল শুভ্রর কান্ধেই বা এত প্রত্যাশা রাখলেন কি উপায়ে? তার লেখাতেই বা আপনে আসলে কি আশা করছিলেন? আশা করছিলেন যে তিনি বব মার্লের উপরে বিরাট একটা জ্ঞানগর্ভ কিছু লেইখালাইবো?
এখনকার আগে একবার যখন ঢাকায় এফএম কালচার শুরু হইছিলো ৭/৮ বছর আগে... তখন রেডিও মেট্রোর এক প্রডিউসাররে বলছিলাম সামনে তো বব মার্লের জন্মদিন... ঐদিন তার উপরে বিশেষ কিছু করেন, তার গান বেশি কইরা বাজান। তখন তিনি জানাইছিলেন তাদের ভাণ্ডারে বব মার্লের কোনও গান নাই... আমার কাছে থাকলে য্যান তারে দেই।
তো এই দেশে উৎপল শুভ্র, যিনি বস্তুতই শুধু একজন খেলা সাংবাদিক, তার কাছে আপনে কেন এত আশা করেন? আমি তো লেখাটা পড়িই নাই...
নো ওমেন নো ক্রাই নিয়া তিনি কোনও জরীপ চালান নাই বোধকরি। এই কর্ম যত্দুর মনে পরে সারয়ার ফারুকীর... তার ব্যাচেলর সিনেমায় হাসান মাসুদের ডায়লগে নো ওমেন নো ক্রাই নিয়া সম্ভবত এইরকম কোনও ডায়লগ ছিলো। তিনি ঐটারেই বোধহয় জাতির বিবেক ভাবছেন...
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
৭
হাসান মাসুদ নাকি মারজুক রাসেল মনে করতে পারতেছি না... যে কারো একজনের ডায়লগেই হইবো... যাউগ্গা... আপনের লেখাটাতে মজা পাইছি বইলা ৫ দিলাম... কিন্তু এরপর থিকা প্রত্যাশা জিনিসটা বুইজ্যা শুইনা কইরেন...
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
৯
হ নজরুল ইসলামরে
ব্যাচেলর নইলে ৬৯-এ হাসান মাসুদরে ডায়লগখানা কইতে দেখছিলাম মনে হয়।
উৎপল শুভ্রের লেখা আগেই দেখছি। পড়ি নাই তখন। এই পোস্ট দেখে পড়ে আসলাম। ঘৃণা উদগীরণের মত কিছু পাই নাই!
= = = = = = = = = = =
তখন কি শুধু পৃথিবীতে ছিল রং,
নাকি ছিল তারা আমাদেরও চেতনায়;
সে হৃদয় আজ রিক্ত হয়েছে যেই,
পৃথিবীতে দেখ কোনখানে রং নেই।
১০
তাও ঠিক হেইট শব্দটার আলাদা কোনো বঙ্গানুবাদ পাওয়া গেলো না যা ঘৃণার প্রচণ্ডতা কমাতে পারে-
------------------------------------
আমি তো গণে নেই বিচ্ছিন্ন একা
সঙ্ঘে সমুহে নেই সঙ্ঘমিতা।
১১
ব্যাচেলর সিনেমার একটা দৃশ্যে সামান্য কয়টা নির্বিষ ও নির্দোষ বিয়ার খেয়ে মনে হয় মারজুক রাসেল ডায়লগটা দিছিল।
১২
এইটা আমি আগামীকাল অবশ্যই প্রথম আলো'তে ফ্যাক্স করে পাঠাব । এই জিনিষ উৎপল শুভ্র না দেখলে আসল "টেস" পামু না ।
১৩
পুরা দেশটাই শালার রম্য । শুভ্র,অশুভ্র সকলে মিলে
----x----
...অথবা সময় ছিলো;আমারই অস্তিত্ব ছিলোনা
১৪
আমিও পড়ি নাই। এখন মনে হয় পড়ে দেখতে হবে।
১৬
লেখা ভাল্লাগছে...
একজন স্পোর্টস রিপোর্টারের কাছ থেকে এর চেয়ে বেশি কিছু আশা করাটাও ভূল। লেখা সম্পর্কে সমালোচনা করলেই হতো। ঘৃণা প্রকাশ করার প্রয়োজন ছিল বলে মনে হয় না।
[সম্পাদিত মন্তব্য]
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বিপ্রতীপ ব্লগ | ফেসবুক | আমাদের প্রযুক্তি
১৭
ব্যাচেলরের অরিজিনিলাল ডায়লগ গুলা হইতেসে গিয়া এইরকম-
মারজুক রাসেলঃ দ্যাহেন ওস্তাদে কি কয়,হোনেন
হাসান মাসুদঃ হোন ,তোমাগো ওস্তাদে মুখে কয় এক,আর কামে ত কয় আরেক টা।
মারজুক রাসেলঃ হেইডা কি?
হাসান মাসুদঃ গান গাইতাসে -নো ওমেন নো ক্রাই আবার স্টেজে চাইরজন মহিলারে লইয়া ঊঠসে কোরাস গাওয়াইবার লাইগা।
---------------------------------------------------------
পৃথিবীর সব সীমান্ত আমায় বিরক্ত করে। আমার বিশ্রী লাগে যে, আমি কিছুই জানিনা...
১৮
ঠিকাছে।
যদ্দুর জানি, এই ছবির script আনিসুল হকের লেখা। আমার ধারনা, প্রথম আলোর সবাই এই গানের এই অর্থই জানে।
শুভ্র ভাই জরিপটা ওইখানেই চালাইছে।
১৯
আমিই দিতাছি তাকে।
২০
ঠিকাছে।
তবে বস, ঘৃনা শব্দটায় আমার একটু আপত্তি আছে। হয়ত নিজের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতায়, হয়ত নিজের সীমার বাইরে যেয়ে রিপোর্টিং করতে যেয়েই এই দুর্দশা, কিন্তু এর জন্য ঘৃনা শব্দটা বরাদ্দ করাটা কি ঠিক হবে ? একটু বেশিই তীব্র হয়ে গেল না ?
২১
![]()
জয় 'jah'
-----------------------------------------
রাজামশাই বলে উঠলেন, 'পক্ষীরাজ যদি হবে, তা হলে ন্যাজ নেই কেন?'
২২
কোন লেখকের লেখার কোন অংশ যে কারোর দ্বিমত থাকতেই পারে, আর কারো লেখার প্রকাশ ভঙ্গি ভালো না লাগলে সমালোচনার ভাষাও যে এমনটা ব্যক্তিগত আক্রোশের পর্যায়ে চলে যেতে হবে সেটা আমি মনে করিনা।
জনাব রাসেল, বব মার্লেকে নিয়ে যদি উৎপল শুভ্র কোন ভুল তথ্য বা ব্যখ্যা দিয়েই থাকেন বলে আপনার মনে হয়। নো ওমেন নো ক্রাই সম্পর্কিত গানটির মূল ইতিহাসের ব্যখ্যাটি দিয়েই লেখকের সমালোচনা করা যেত, সেটি না করে আপনি ব্যক্তিগত আক্রমনের পথ বেছে নিয়েছেন। উৎপল শুভ্রের লেখাটি না পড়েই আপনার লেখা পড়ে আমার মনে হয়েছে আপনার ক্ষোভের কারন এই লেখাটি নয়, অন্যকোথাও .....
-------------------------------
স্বপ্নকে ছুঁতে চাই সৃষ্টির উল্লাসে
২৩
থার্ড আই কি রাসেল ভাইর লেখা আজকে হঠাৎ পড়লেন?
লেখার এই ধারা রাসেল ভাইর নিজস্ব। আর এইজন্যেই তিনি অপূর্ব।
আমি মনে করি না এখানে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়েছে।
২৪
লেখার মধ্যে বালছাল. ধন, চ্যাট থাকলে তাকে যে অপূর্ব বলে সেইটা বাংলাদেশের অনেকেরই জানা ছিলো না।
সৌরভ ভাই, থার্ড আই রাসেল ভাই এর লেখা এই প্রথম পড়লো.... কত বড় অন্যায় করেছে থার্ড আই.... থাক থার্ড আইকে বকা দিয়ে দিবো...
২৫
জনাব থার্ড আই, আপনার কি মনে হয়েছে লেখাটায় ব্যক্তিগত আক্রোশ রয়েছে? শিরোণাম বাদ দিয়ে একবার নতুন করে পড়ে বলনে, বলে বুঝান ঠিক কোন জায়গাটাতে ব্যক্তিআক্রোশ প্রকাশ পেয়েছে।
আমার যদি কারো সাহিত্য ভালো না লাগে সেটাও কি সুশীলতা মেনে বলতে হবে- না ভালোই হয়েছে, তবে ঠিক আনন্দ পেলুম না, এক কাপ চা দিন, চিনি ৩ চামচ?
ব্যক্তিআক্রমনের তুলনায় আমার বিবেচ্য ছিলো বাংলাদেশের সবাই এই গানের যে অর্থ জানে এই বিশেষণটুকু- সেখানেই আমার প্রশ্ন মূলত- বাংলাদেশের সবাই যেহেতু জানে নো ওমেন নো ক্রাই গানের অর্থ এটা- সেটাও তো কোনো না কোনো ভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। আমি গানটা শুনে কিংবা গানের অনুবাদের কোথাও পেলাম না এটার এই অর্থ করা যায়।
কেউ যদি এই অর্থ নির্মাণ করে তবে তার মেধা এবং বিবেচনার প্রতি আমার সংশয়টা যাবে না।
পুনরায় জনাব থার্ড আই- এই অনুপম শব্দযুগল যা নিয়মিত কোনো কারণ এবং উদ্দেশ্য ছাড়াই ব্যবহৃত হয় সেই শব্দ যুগল ব্যক্তি আক্রমন এটার একটা সীমা পরিসীমা এবং সংজ্ঞা জানিয়ে যাবেন, এবং নির্দিষ্ট করে বলে যাবেন এখানে সমালোচনা হয় নি বরং নিখাদ ব্যক্তি আক্রমন হয়েছে।
------------------------------------
আমি তো গণে নেই বিচ্ছিন্ন একা
সঙ্ঘে সমুহে নেই সঙ্ঘমিতা।
২৬
রাসেল ভাই,
আমি আপনাদের সচলায়তনে নয়া। ভাইজান, এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশে উৎপল শুভ্রের চেয়ে ভালো খেলার সংবাদ লিখতে পারে কেউ আছে বলে আমার মনে হয় না। বাংলাদেশের আর কোন ক্রিয়া সাংবাদিক কি আছে যিনি খেলার বাইরে আপনার সমালচনা পাওয়ার যোগ্যতা রাখে এমন একটি লেখা লিখতে? ভাইজান একজন নিজের এরিয়ার বাইরে একটা কিছু লিখলে তাকে ঘৃনা জানাবেন? চেষ্টা করবেন নাকি একবার- রহমতগজ্ঞ বনাম ফ কিরাপুল এর একটা ফুটবল খেলার রিপোর্ট লেখার?
২৭
তার লেখার মাণ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছি এটা আমার নিজের পঠনের অভিজ্ঞতা। আর কে এর চেয়ে ভালো রিপোর্ট লেখে? তবে ফকিরাপুল আরামবাগ ম্যাচের ম্যাচ রিপোর্ট লিখলেও যে খুব একটা খারাপ করবো এমনটা আমার মনে হয় না।
উৎপল শুভ্র ছাড়া আরও একজন ক্রীড়া সাংবাদিককে আমি চিনি তাক ক্রীড়া সাংবাদিকতা ব্যতিত অন্য রচনাগুলোর আমি মুগ্ধ পাঠক।
তার নিজের কর্মক্ষেত্রের বাইরে সে রস রচনা লিখেছে সেটা নিয়ে একটা শব্দও আমি উচ্চারণ করি নি- শুধু মতামত জানিয়েছি তার এই রস রচনাগুলো তেমন সুবিধার হয় নি। তবে বব মার্লের বাড়ী শীর্ষক লেখায় একটাই বিষয় আহত করেছে তা হলো তার উপেক্ষা করবার ভঙ্গিটা- একজন মানুষ ক্রিকেটার হবেন না, ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের সেরা খেলোয়ার হবেন না, সেটা নিয়ে উৎপল শুভ্রের একটা পক্ষপাতিত্ব থাকতে পারে- কিন্তু লেখার ভঙ্গিতে যে অবজ্ঞা ছিলো সেটাই ঘৃণার কারণ। এই অবজ্ঞাটুকু অবহলা করবার মতো উদারতা দেখাতে পারলাম না।
ক্রীড়া জগতের মানুষ না হলেই সে বালছাল এইটা মেনে নিতে আমার আপত্তি আছে- তার বাসভবনে কিছুই দেখবার নেই- তার বাসভবনের তউলনায় তার বাসার সামনের রেস্তোরার মাছ ভাজা ভালো এই অনুভবটুকুকে সম্মান জানিয়েই বলছি আই ফিলড ফাকড আপ। এমন একটা লেখা প্রধান প্রতিবেদন হিসেবে ছাপানোর ধৃষ্টতা করেছে যে সম্পাদক তার রুচির উপরেও ঘৃণা।
------------------------------------
আমি তো গণে নেই বিচ্ছিন্ন একা
সঙ্ঘে সমুহে নেই সঙ্ঘমিতা।
২৮
সে সম্পাদক প্রধান প্রতিবেদন হিসাবে ঐ লেখা প্রকাশ করেছে তাকেও ঘৃনা?
সম্পাদক বুঝতে পারে নাই, সহজসরল, বোকা, অবুঝ, অশিক্ষিত তো তাই মাফ করে দেন।
২৯
সম্পাদকের দায়িত্ব আছে - আলপিনের আরিফের কারণে সুমন সুপান্থ বেচারা দৌড়ের উপরে থাকলো, যদিও এইটাতে তার তেমন কোনো দায় ছিলো না।
এই দায়টা চাপিয়ে দিয়েছিলো প্রথম আলো সংস্থা নিজেই।
উৎপল শুভ্রের উৎকট ভুল কিংবা অশোভনতার দায় কেনো সম্পাদকের ঘাড়ে বর্তাবে না জনাব?
------------------------------------
আমি তো গণে নেই বিচ্ছিন্ন একা
সঙ্ঘে সমুহে নেই সঙ্ঘমিতা।
৩২
মার্লে কি বুঝে গান করলেন আর আপামার জনসাধারন কি বুঝল এটা একটা প্রশ্নের ব্যাপার । তবে গানের একটা সামগ্রিকায়ন থাকে । সেটা নির্ভর করে অধিকাংশ লোক যা বলবে সেটার উপর । সেই ভিত্তিতে শুভ্রর কথাকে একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না ।
eru
-------------------------------------------------
pause 4 Exam
১
অরূপ ভাইজান, একটু কষ্ট করে একটা বব মার্লের ছবি যদি সাটায়া দিতে পারতা ভালো হইতো। আমি আবার এই কাম পারি না,
------------------------------------
হুমম , হচ্ছে তো ঠিকই হচ্ছে, এইবার তুমি হাম্বা করে ডাকো।