শিশু যিশুর গল্প

তানভীর এর ছবি
লিখেছেন তানভীর (তারিখ: শুক্র, ৩১/০১/২০১৪ - ১:৪৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অনেক বছর আগে বিজ্ঞান যখন ‘হাঁটি হাঁটি পা পা’ করছিলো সেই মধ্যযুগে বা তারও আগে কোন এক সময়ে পেরুর জেলেরা লক্ষ্য করেছিলো কোন কোন বছর তাদের জালে বেশি মাছ ধরা পড়ছে, আবার কোন কোন বছর মাছ একেবারেই কম। তারা আরো খেয়াল করলো- যে বছরগুলোতে জালে মাছ কম আসছে সে সময় প্রশান্ত মহাসাগরের পানিও থাকে খুব উষ্ণ, বৃষ্টিপাত হয় বেশি আর এই ব্যাপারটা শুরু হয় ঠিক যখন তারা ‘ক্রিসমাস’ বা যিশু খ্রিস্টের জন্মোৎসব পালনে মেতে ওঠে তার কাছাকাছি সময়ে। যিশুর আবির্ভাবকে স্মরণ করে পেরুর জেলেরা প্রশান্ত মহাসাগরের এই অদ্ভুত ঘটনার নাম দিয়েছিলো ‘এল নিনো’ বা ‘দ্য চাইল্ড’। স্প্যানিশ ভাষায় ছেলে শিশুদের বলা হয় ‘নিনো’ আর মেয়েদের ‘নিনা’। ‘এল নিনো’র বিপরীত ঘটনার নাম তাই হয়ে গেলো ‘লা নিনা’- যে সময় পেরুর জেলেদের জালে বেশি মাছ ধরা পড়ে আর সাগরের পানি থাকে বেশ ঠাণ্ডা।


চিত্র-কঃ স্বাভাবিক ও এল নিনো পরিস্থিতিতে প্রশান্ত মহাসাগরে তাপমাত্রার তুলনামূলক চিত্র। এখানে দেখা যাচ্ছে ১৯৯৭ সালের ডিসেম্বরে এল নিনো পরিস্থিতিতে পেরুর কাছে প্রশান্ত মহাসাগরের কিছু অংশের তাপমাত্রা অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে

এল নিনো আর এনসোঃ তাহিতি থেকে ডারউইন

এল নিনো আর লা নিনা (সাধারণভাবে ‘এল নিনো’ হিসেবে পরিচিত) সম্পর্কে পেরুর জেলেরা বহু বছর আগে থেকে জানলেও বিজ্ঞানীরা নিছক স্থানীয় কোন প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য মনে করে অনেকদিন একে মোটেও পাত্তা দেন নি। ১৯২৩ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্যার গিলবার্ট ওয়াকার প্রথম এল নিনোর সাথে বায়ুর চাপের সম্পর্ক আবিষ্কার করেন। তিনি লক্ষ্য করেন যখন এল নিনো হয়, তখন প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব প্রান্তে যেখানে তাহিতি দ্বীপ রয়েছে এবং পশ্চিম প্রান্তে অস্ট্রেলিয়ার ডারউইন শহরের নিকটে বায়ুর চাপের ব্যাপক তারতম্য ঘটে।

স্যার ওয়াকার আরো দেখান, প্রশান্ত মহাসাগরে মাঝে মাঝে বায়ুর চাপ গড় চাপের চেয়ে বেশি বেড়ে যায়, এবং তখন ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অর্থাৎ আফ্রিকা থেকে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত বিস্তীর্ন এলাকায় বায়ুর চাপ কমে যায়। আবার কোন কোন সময় এর বিপরীত ঘটনাও ঘটে। সাধারণত এল নিনোর সময় প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্তে বায়ুচাপ গড় চাপের চেয়ে বেশি ও পূর্ব প্রান্তে গড় চাপের চেয়ে কম থাকে এবং পেরুর কাছে উষ্ণ তাপমাত্রার পানি জমা হতে থাকে। তেমনিভাবে লা নিনার সময় পশ্চিম প্রান্তে বায়ুচাপ কম এবং পূর্ব প্রান্তে বেশি থাকে এবং একই স্থানে শীতল তাপমাত্রার পানি জমা হতে থাকে। ওয়াকার এই প্রবাহের নাম দেন ‘সাউদার্ন ওসিলেশন’ বা দখিনা ঘূর্ণন।


চিত্র-খঃ স্যাটেলাইট থেকে তোলা নাসার এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে এল নিনোর সময় পেরুর কাছাকাছি এলাকায় উষ্ণ তাপমাত্রার পানি জমা হয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে গেছে এবং লা নিনার সময় শীতল তাপমাত্রার পানি জমা হয়ে উচ্চতা হ্রাস পেয়েছে

সাউদার্ন ওসিলেশনকে একটি সূচকের (index) মাধ্যমে প্রকাশ করা হয় যার মাধ্যমে এল নিনো ও লা নিনার অবস্থা বোঝা যায়। ঋণাত্মক সূচক এল নিনো এবং ধনাত্মক সূচক লা নিনা অবস্থা প্রকাশ করে। সূচকটি পরিমাপের জন্য তাহিতি এবং ডারউইন শহরের বায়ুচাপের তারতম্য বিবেচনা করা হয়। এল নিনো/লা নিনা এবং সাউদার্ন ওসিলেশনকে একত্রে ডাকা হয় ‘এল নিনো সাউদার্ন ওসিলেশন’ (El Nino Southern Oscillation) বা সংক্ষেপে ‘এনসো’ (ENSO) নামে।

এল নিনো বা এনসো কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

পেরুর জেলেদের আবিষ্কার করা যে ঘটনাটিকে বিজ্ঞানীরা স্থানীয় বৈশিষ্ট্য ভেবে অনেকদিন দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন, বায়ুর চাপের সাথে এর সম্পর্ক জানার পর বিজ্ঞানীরা অনেকটা নড়েচড়ে বসলেন। এরপর আরো অনেক কিছু বিশেষ করে আবহাওয়াজনিত নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে এল নিনোর যোগসূত্র পাওয়া গেলো। স্যাটেলাইট আবিষ্কারের ফলে এ সম্পর্কগুলো আরো পরিস্কারভাবে বোঝা গেলো। নিচের ছবিতে এল নিনোর সময় পৃথিবীব্যাপি কী ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে তার একটা ধারণা দেয়া হয়েছে।


চিত্র-গঃ এল নিনোর সময় পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকায় যেধরনের আবহাওয়াজনিত অবস্থা বিরাজ করতে পারে তার একটি সম্ভাব্য চিত্র

প্রশান্ত মহাসাগরের একটি স্থানীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য যে পৃথিবীব্যাপি এত প্রভাব বিস্তার করতে পারে তা কিছুদিন আগেও সবার ধারণার বাইরে ছিলো। কিন্তু এখন আমরা জানি, এল নিনোর সময় পেরুতে যখন ব্যাপক বৃষ্টিপাত ও বন্যা হয় তখন ভারতে বা আফ্রিকায় অনাবৃষ্টির ফলে খরার আশংকা থাকে, ইন্দোনেশিয়া বা অস্ট্রেলিয়ায় শুষ্কতার কারণে আগুন লেগে দাবানল ছড়িয়ে পড়তে পারে, প্রশান্ত মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের প্রকোপ বেড়ে যায়। আবার লা নিনার সময় দেখা যেতে পারে এর বিপরীত চিত্র। গবেষণায় দেখা গেছে লা নিনা বছরগুলিতে উত্তর আমেরিকায় ঘূর্ণিঝড়ের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। তাই আমরা দেখি- যে সময় লা নিনা বিদ্যমান থাকে, যুক্তরাষ্ট্রে সে সময় ঘূর্ণিঝড় বেশি হবার পূর্বাভাস থাকে। ঝড়, বৃষ্টি, খরা, দাবানল- এগুলো তাই কোন স্রষ্টার অভিশাপ বা আশীর্বাদ নয়; বরং প্রকৃতির স্বাভাবিক ঘটনা যার একটা নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে এবং যার গতিপ্রকৃতি বোঝার চেষ্টা মানুষ করে চলেছে।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এল নিনো পূর্বাভাস ও প্রস্তুতির গুরুত্ব

এল নিনো ও লা নিনা প্রতি বছর সংঘটিত হয় না। সাধারণত পাঁচ বছর পরপর বা এর কম সময়ের মধ্যেও এটি হতে দেখা যায় এবং যখন হয় তখন কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত তা গড়াতে পারে। এল নিনোর প্রভাব অনেকটা ‘ডোমিনো এফেক্ট’ এর মতো। প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় এর উৎস হলেও পুরো পৃথিবীর আবহাওয়া এবং জলবায়ুর ওপর তা প্রভাব ফেলে। যার ফলে খাদ্য, কৃষি, চিকিৎসা, বাণিজ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি অনেক সেক্টরে এর সরাসরি প্রভাব রয়েছে। এল নিনোর সঠিক পূর্বাভাসের মাধ্যমে আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে এসব সেক্টরে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব। যেমন এল নিনোর সময় যেসব অঞ্চলে অনাবৃষ্টি হয়, সেখানে বৃষ্টিপাতের অভাবে কৃষি ক্ষতিগ্রস্থ হয়, কৃষকদের তা আগে থেকে জানিয়ে পূর্ব প্রস্তুতি নিলে এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠা যায়। বাংলাদেশে সাধারণত এল নিনো বছরগুলিতে বৃষ্টিপাত কম হয়। এখন সেচ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে দুর্ভিক্ষের আশংকা অনেক কমে এসেছে, কিন্তু অতীতে ১৭৭০, ১৯৪৩, ১৯৭৪ সালের কুখ্যাত দুর্ভিক্ষগুলো হয়েছিলো এল নিনোর সময়ে। আবার লা নিনার বছরগুলিতে এদেশের ভয়ংকর বন্যাগুলো হয়েছে। এনসোর সাথে এ অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়েরও যোগসূত্র রয়েছে। এল নিনো বা এনসোর সঠিক পূর্বাভাস এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতির মাধ্যমে আবহাওয়াজনিত এসব বিভিন্ন দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা যায়। বাংলাদেশের মতো দুর্যোগপীড়িত দেশে যে এনসো পূর্বাভাস ও প্রস্তুতির গুরুত্ব অপরিসীম তা বলার অপেক্ষা রাখে না।


মন্তব্য

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

চলুক

আবার কবে আসতে পারে?

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

তানভীর এর ছবি

আমরা এখন নিউট্রাল অবস্থায় আছি যেটা আরো কিছুদিন চলার পর এল নিনো কন্ডিশন সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে (সূত্র)। সাধারণত এনসো কন্ডিশন সৃষ্টি হবার মাস ছয় আগে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস এলার্ট দেয়। এলার্ট সিস্টেম সম্পর্কে এখান থেকে জেনে নিতে পারেন।

এক লহমা এর ছবি

চলুক
লেখায় ঢোকার আগে বুঝতে পারিনি শিরোনামের সাথে ট্যাগগুলি কি ভাবে সংযুক্ত হতে পারে! হাসি

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

তানভীর এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

আয়নামতি এর ছবি

সচলের লুক্গুলো খুবই খ্রাপ! গল্পের কথা বলে বিজ্ঞান গুলিয়ে খাওয়ায় রেগে টং

সাধারণত পাঁচ বছর পরপর বা এর কম সময়ের মধ্যেও এটি হতে দেখা যায় এবং যখন হয় তখন কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত তা গড়াতে পারে।

প্রতি বছর না হলেও এদিকে তো বছর দুইয়ের মাথাতেই বদের হাড্ডি নিনোর তাণ্ডবে ত্রাহিমধুসূদন অবস্হা হয়। এখন আবার দেখেন তুষারপাত/ঝড়ে আমাদের জান কাবাব অন্যদিকে ক্যালিফোর্নিয়াতে ড্রাই অবস্হা চলছে। গ্লোবালওয়ার্মিংয়ের কারনে 'এল নিনো' 'লা নিনো'র প্যার্টানে কতটা প্রভাব পড়ছে?

তানভীর এর ছবি

দেঁতো হাসি

গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে সাগরের তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে ইদানিং 'এল নিনো' এপিসোড বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সামনে আরো বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে গ্লোবাল ওয়ার্মিং বা ক্লাইমেট চেইঞ্জ একটা জলবায়ুগত বিষয় যার ব্যাপ্তিকাল অনেক বেশি। নিনো/এনসো যে ক্ষুদ্র টাইমস্প্যানে অপারেট করে তা এখনকার ক্লাইমেট মডেলগুলো সে রেইঞ্জে এখনো চেইঞ্জ প্রেডিক্ট করতে পারে না। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো পারবে।

হাসিব এর ছবি

কিন্তু অতীতে ১৭৭০, ১৯৪৩, ১৯৭৪ সালের কুখ্যাত দুর্ভিক্ষগুলো হয়েছিলো এল নিনোর সময়ে।

দূর্ভিক্ষগুলো ভিন্ন ব্যাখ্যা আছে। জলবায়ুর থেকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ঘটনাগুলো এইসবের জন্য দায়ি বেশি।

চিত্রঃ খ মনে হয় স্যাটেলাইট থেকে তোলা না। কম্পিউটার জেনারেটেড ইমেজ ওটা।

তানভীর এর ছবি

অনেকগুলো ফ্যাক্টর মিলেই দুর্ভিক্ষ হয়; প্রকৃতি তার মধ্যে একটা। এল নিনোর সময়ে এ অঞ্চলে অনাবৃষ্টি, খরা হয়ে থাকে। তার ফলে এ সময় বাইরে থেকে বা সরকারীভাবে কোন সাহায্য না পেলে কৃষকেরও কিছু করার থাকে না।

চিত্র-খ নাসার আর্থ অবজারভেটরি থেকে নেয়া ছবি। TOPEX/Poseidon satellite এর ছবি/ডেটাকে সিউডো বা ফলস কালার দিয়ে ভিজিবল করা হয়েছে এখানে। ফলস কালার দিয়ে স্যাটেলাইট ছবি ভিজিবল করা রিমোট সেনসিংয়ের একটা পপুলার টেকনিক। ফলস কালার দেয়া এল নিনোর আরো অনেক স্যাটেলাইট ছবি পাওয়া যাবে এখানে

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

যতদূর জানি, niño = নিনিও, niña = নিনিয়া। কারণ, দ্বিতীয় n-এর উপরের বটিটা বাংলা হ্রষ-ই কারের মতো উচ্চারিত হবার কথা। যাকগে, ১৯৯৭ সালে এটা নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু খুব উল্লেখযোগ্য কোন মন্দ প্রতিক্রিয়ার কথা শুনিনি।

সেই আমলে এক ব্রাজিলিয়ান বালিকার সাথে কিঞ্চিত খাতির ছিল। সে যদিও আটলান্টিকের পাড়ে থাকতো, তবু তার সাথে প্রশান্ত মহাসাগরীয় স্রোত নিয়ে নিনিয়াত্বক আলোচনা চলতো। এখন এল নিনিও নেই, সেই বালিকারও কোন খবর নেই।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

তানভীর এর ছবি

হুম, n এর উপরে বটি আছে। উচ্চারণ আপনার উল্লিখিত 'ny' টাইপের কিছু হওয়ার কথা- "neenyo" (নিনইয়ো) "neenya" (নিনইয়া)। তবে সংক্ষেপে উচ্চারণ বা লেখার জন্য নিনো/নিনা লেখাই সুবিধাজনক হাসি

চায়না থেকে ব্রাজিল- অনেক কিছু বাইরায় আস্তেছে খাইছে
আটলান্টিকের পাড়ে বসে বালিকা এখনো প্রশান্ত মহাসাগরীয় স্রোত নিয়ে গবেষণা করলে খুঁজে বের করা অসম্ভব কিছু না। চোখ টিপি

ধুসর গোধূলি এর ছবি
প্রোফেসর হিজিবিজবিজ এর ছবি

নাম পড়ে ভেবেছিলাম অন্যকিছু, ভেতরে ঢুকে তো হতবাক! এ আবার কীরে!! তবে দারুন লাগলো কিন্তু। আরো পর্ব আসছে নাকি?

____________________________

তানভীর এর ছবি

না, এল নিনো কাহিনি শেষ। পরের কাহিনি আসতে পারে 'পোলার ভরটেক্স' নিয়ে হাসি

সাফিনাজ আরজু এর ছবি

দারুন একটা লেখা। এল নিনো' 'লা নিনো'র কথা জানা ছিলনা। অনেক কিছু জানলাম।:)
আয়নামতির মত আমারও প্রশ্ন--

গ্লোবালওয়ার্মিংয়ের কারনে 'এল নিনো' 'লা নিনো'র প্যার্টানে কতটা প্রভাব পড়ছে?

__________________________________
----আমার মুক্তি আলোয় আলোয় এই আকাশে---

তানভীর এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

প্রশ্নের উত্তর ওপরে দিয়েছি। আবারো ধন্যবাদ।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
Image CAPTCHA