| ‹ পুরোনো ব-e | সব ব-e | নতুন ব-e › |
টেম্পোরারি নান্দীপাঠ
আপাতত একটা শিরোনাম খাড়া করা হল, পরে প্রয়োজনে নিশ্চয়ই বদল করা যাবে। এই শিরোনাম থেকে বইয়ের একটা চরিত্র স্পষ্ট হয়, সেটা হল, "আদারনেস" এর একটা অনুভবকে এই বই ধরতে চায়। বিশ্বময় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাঙালি-রা তাদের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে কিভাবে সেটা অনুধাবন করছেন, এইটা খুঁজে পাওয়া এই সম্পাদনা কাজের মূল টেনশন। যারা বাংলাদেশ থেকে লিখবেন তারাও কেউ ঢাকা কেউ চট্টগ্রামে বসে ঐ একই "আদারনেস" এর অনুভব করতেই পারেন। কিংবা ধরা যাক যে সেটা পারা যাচ্ছে না। সেক্ষেত্রে যেটা পারা যাচ্ছে সেটাই লেখার উপজীব্য হোক। ভাল লেখা হলে সেটাকে প্রাসঙ্গিকভাবে ঠাঁই দিবার টেনশন তো সম্পাদকের। সম্পাদক নানান ফরমায়েশ/অনুরোধ রেখেছে, কিন্তু এটাও চাইছে যে তিনি সব ফরমায়েশ ভুলে গিয়ে নিজের সেরা লেখাটাই লিখুন। প্রিয় ব্লগাররা, এই শিরোনামের নিচে যুক্ত করতে থাকুন নিজেদের সুন্দর সব লেখা।
সুমন রহমান
২৭ জুলাই ০৭
..................
সংযুক্তি ১:
বইটা কারা লিখছেন?
যতদূর বুঝছি, এই বইয়ের লেখক হচ্ছেন সেসব সচলবৃন্দ যারা জীবিকা, শিক্ষা ইত্যাদি উপলক্ষে পৃথিবীর নানান শহরে (বাংলাদেশসহ) ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। তারা হতে পারেন সাহিত্যিক, হতে পারেন প্রধানত সাহিত্যের পাঠক, কিন্তু এতে কোনো সমস্যা নাই।
কী লিখবেন ব্লগাররা?
সরল অর্থে, আপনার নিজের অভিজ্ঞতা। যে যেখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন বিশ্বময়, তারা তাদের চারপাশ নিয়ে লিখুন। ব্যাপক কোনো ক্যানভাসে লিখতে পারেন, তবে ছোট কোন বিষয়কে ধরে নিজের রিফ্লেকশনস-সমেত হাজির করাটা এই বইয়ের জন্য কাজের হবে। এরকম নজির সচলায়তনে ভুরি ভুরি দেখছি। নতুন কোন ভাবনা না এটা।
লেখায় নিজে চরিত্র হিসেবে আসলে খুব ভাল। এসব লেখা ভ্রমণকাহিনীর চেয়ে গভীরে যাবে, কিন্তু ইনডেপথ ফিল্ডস্টাডিও হয়ে উঠবে না। এরকম। এই দুইয়ের মাঝখানে থেকে ব্লগার আসলে বাংলাগদ্য চর্চা করবেন। তিনি নিছক বিবরণ লিখতে পারেন, সাহিত্য হাজির করতে পারেন লেখার এখানে সেখানে, নানারকম তুলনা করতে পারেন, নস্টালজিক হতে পারেন। তার ওপর।
বইয়ের লক্ষ্য কি?
প্রধান লক্ষ্য ব্লগ রাইটিং এর একটা নমুনা কাগজে হাজির করা। যেহেতু ব্লগারদের অনেকেই বিদেশে, কাজেই তাদের রচনার মাধ্যমে প্রবাসী/ডায়াসপোরা অভিজ্ঞতার একটা ডকুমেন্টেশন করাও অন্যতম লক্ষ্য। আবার দেশী বিদেশী প্রায়-সব ব্লগার শহরবাসী। ফলে এই সংকলনের মাধ্যমে প্রতিদিনের বিশ্বে শাহরিক জীবনের নানান বৈচিত্র্য সম্পর্কেও একটা ধারণা নির্মাণ করা সম্ভব।
আমি কেডা
আমার নাম সুমন রহমান (এইটা একটা সমস্যা, সুমনের অতিবৃষ্টি সর্বত্র, ফলে সব জায়গাতেই পুরা নাম লিখতে হয়। সবসময় ফুল প্যান্ট পরে থাকার মত ব্যাপার!) আমি সম্পাদক হিসাবে এই সংকলনে হাজির থাকতে চাইছি। খুব খারাপ সম্পাদনা করার রেকর্ড আমার নাই, যদি সেরম দেখা যায় তবে মডুরা তো আছেনই।
সম্পাদক হিসাবে আমার উদ্দেশ্য এই ধরনের সংকলনের জন্য একটা লম্বা ভূমিকা লেখা। ব্লগরাইটিং, বাংলাদেশী ডায়াসপোরা আর প্রতিদিনের নগরাভিজ্ঞান মিলিয়ে।
আপাতত এই। নিচের লেখার সংযুক্তি হিসাবে এটা পাঠ করার অনুরোধ জানাচ্ছি। কোয়েরিজ, কারেকশনস, কমেন্টস ওয়েলকাম।
সংযুক্তি ২:
প্রিয় ব্লগারবৃন্দ, একটা প্রস্তাব রাখছি সবার জন্য। আমি একটা পুস্তকের সম্পাদনা শুরু করতে চাই যেটা বই এবং ব-eদুইই হবে। যদ্দূর দেখেছি, ই-বুক পরিকল্পনার সাথে কোনো সংঘাতও হবে না মনে হয় (হলে জানাইয়েন)।
প্রস্তাবটা হল: আমরা দেশে কিংবা দেশের বাইরে যেসব শহরে বাস করছি তার ছোটবড় এথনোগ্রাফি এবং/অথবা প্রতিদিনের জীবনকড়চা। অনেক চমৎকার লেখা পড়েছি আমি এ বিষয়ে সচলায়তনে, সামহোয়ারেও হয়ত এমন অনেক লেখা আপনাদের কেউ কেউ আগে পোস্ট করে থাকবেন। সেগুলোর একটা সংকলন। টার্গেট করছি আগামি ফেব্রুয়ারিতে বই আকারে বের করার।
কয়েকটি লেখা আমি স্মৃতি থেকে এই সংকলনের জন্য প্রস্তাব করছি:
১. ডালাস নিয়ে মুহাম্মদ জুবায়ের (তাজা স্মৃতি, মাত্র পড়লাম)
২. ইশতিয়াক রউফের প্রবাসের কথোপকথন থেকে একটা অংশ
৩. শোহেইল মতাহির চৌ-এর দিনের শ্লেট থেকে
৪. ফারুক হাসান এর কাতার-নামা (যদিও ভ্রমণকড়চা)
ইত্যাদি। আরেকটু ঘেঁটে একটা পূর্ণ তালিকা পরে প্রণয়ন করছি। যারা সামহোয়ারে এ ধরনের লেখা লিখেছেন তাদের লেখাগুলো সচলায়তনে পুনরায় পোস্ট করতে অনুরোধ করি।
লেখা নির্বাচনে আমি আমার নিজের রূচি দিয়ে চালিত হতে চাই, কারো সমস্যা না-থাকলে। এক শহর নিয়ে একাধিক লেখা হতে পারে। কেউ যদি ইতোমধ্যে এ ধরনের লেখায় হাত না-দিয়ে থাকেন, অনুরোধ করব তাকে এই কাজে ব্রতী হতে।
আপাতত এই। কারো কোন মন্তব্য/আপত্তি থাকলে জানান। সংকলনে কেউ যদি অন্তর্ভূক্ত হতে না চান সেটাও আগেভাগে জানিয়ে রাখতে পারেন।
২
প্রথম পেইজে লিংক তো আছেই। আর ফর্ম্যাটটা ব্লগারদের মাথা চেপে বসুক সেটা চাইছি না। ![]()
..............................
শুশুকের ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে সাঁতরে এসেছি কুমীরে-ভরা নদী!
৩
আজ্ঞে আমার www.boi-mela.com অগ্রীম আমন্ত্রণ রইল আপ্নের ই-কেতাবের। বনেদীরা তো তাদের লেখা মুফতে অনলাইনে দেবেন না, তাই আমরাই একে অন্যের ভরসা
৪
মডু মামা, সাহায্য চাই। নিজের লেখা জমা দিতে চাইছিলাম। দেখায় না, এদিক-ওদিক নিয়ে যায়, ...
৬
হ্যাঁ, ওখানে দেবার মত কিছু একটা আছে। খসড়া করেই পাঠিয়ে দেবো। নাম ওঠার আগেই নাম কাটাতে। পরে নাহয় ঘষামাজা করা যাবে।
৮
আমি বইয়ের পৃষ্ঠা হিসেবে যোগ করতে গেলাম। প্রথম পাতায় চলে গেল, আবার ওদিকে বইয়ে দেখায় মডারেশনের জন্য অপেক্ষমান। পরে প্রথম পাতা থেকে মুছে দিয়ে নতুন করে জমা দিলাম। এবারও মডারেশনের জন্য বসে থাকতে দেখালো। বইয়ে সংযোজনের বেলায় মডারেশনের ব্যাপারটা জানতাম না। এখানেই খটকা লাগছিলো।
১
যাক শুরু হইছে তাহলে।
প্রথম পেইজে দেন না কেন?
====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির