‘পৌরুষ’ : একটি উপন্যাস ও তা নিয়ে সব কেচ্ছাকাহিনী

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি
লিখেছেন মুহম্মদ জুবায়ের (তারিখ: রবি, ১৫/০৬/২০০৮ - ১১:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঢাকা থেকে এক লেখক বন্ধু ফোনে বললো, দোস্ত, এবারে ঈদ সংখ্যার জন্যে গোটাচারেক উপন্যাস লিখে পাঠা, ছাপার দায়িত্ব আমার।

আমি বলি, পাগল নাকি? বড়োজোর একটা লেখার চেষ্টা করতে পারি।

আমার এই বন্ধু লেখার জন্যে চার হাত-পায়ের সবগুলিই ব্যবহার করে, নাহলে এতো বিস্তর লেখা তার পক্ষে সম্ভব কী করে বুঝে পাই না। চাইলেই মাসখানেকেরর মধ্যে চার-পাঁচটা উপন্যাস আমার পক্ষে লেখা সম্ভব, এই আস্থার জবাবে তাকে আস্তে করে বলি, দোস্ত, আমি তো তুই না!

এই ঘটনা ২০০৪ সালের। কষ্টেশিষ্টে একটা লেখা দাঁড় করানো গেলো। প্রতি মুহূর্তে সতর্ক থাকতে হচ্ছিলো, লেখার আকার যেন খুব বড়ো না হয়ে যায়। জানিয়ে দেওয়া হয়েছিলো, বেশি বড়ো হয়ে গেলে পত্রিকাওয়ালারা ছাপতে চায় না। বিজয়ের ১৪ পয়েন্ট সুতন্বী ফন্টে লেখাটা শেষ হলো ৬৭ পাতায়। যথাসময়ে পাঠানো হলো। ছাপা হলো সাপ্তাহিক ২০০০-এ। না, যেহেতু বড়ো লেখক নই, লেখাটি মূল ঈদ সংখ্যায় জায়গা পায়নি। ঐ পত্রিকা যে বাচ্চা ঈদোত্তর সংখ্যা বের করে ‘ঈদ সংখ্যা ২’ নামে, সেখানে ছাপা হয়েছে। তবু তো হলো!

মুদ্রিত পত্রিকার কপি হাতে এলে উল্টেপাল্টে দেখলাম। ধ্রুব এষ-এর ইলাস্ট্রেশন ভালো লাগলো। নিজের লেখা ছাপা হওয়ার পর পড়ার উৎসাহ এমনিতেই হয় না, তখন অন্য ব্যস্ততাও ছিলো বলে খুব একটা মনোযোগ দেওয়া হয়নি। একদিন পত্রিকার ঐ সংখ্যাটির পাতা ওল্টাতে গিয়ে চোখ আটকে গেলো এক জায়গায় – একটি পরিচ্ছেদ দেখছি মোট আট-দশ লাইনের। এতো ছোটো কোনো পরিচ্ছেদ লিখেছি বলে মনে পড়ে না তো! এখন আর না পড়ে উপায় নেই।

সংক্ষেপে বলি সেই হতভাগ্য লেখার পরিণতি। কোনোরকম যুক্তি-টুক্তির বালাই নেই, যত্রতত্র লাইনের পর লাইন নেই হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও বাক্য বা ঘটনার পরম্পরা খোঁজার চেষ্টা বৃথা। পুরো লেখাটি মিলিয়ে দেখা গেলো, ৬৭ পাতার মধ্যে ১৮ পাতা স্রেফ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এক-চতুর্থাংশই নেই। যে উপন্যাসের নাম ‘পৌরুষ’ তার এক-চতুর্থাংশ ছেঁটে দিলে আর কী থাকে – এই ধরনের রসিকতা করে সান্ত্বনা পাওয়া ছাড়া আর কিছু করার নেই তখন।

বন্ধু খোঁজ করে সাপ্তাহিক ২০০০-এর একটা কৈফিয়ত আদায় করে আনলো যার সারকথা হলো, প্রুফ রীডাররা নাকি এইসব কাটাকুটি করেছে।

বটে! পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব এখন তাহলে প্রুফ রীডারদের হাতে চলে গেছে! প্রুফ রীডাররা সম্পাদক হতে পারবেন না এমন কোনো কথা নেই। বাংলাদেশেই প্রুফ রীডার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক হওয়া এবং প্রেস ইনসটিটিউটের মহাপরিচালক হওয়ার দুটি ঘটনা আমাদের জানা আছে। কিন্তু সম্পাদকের বর্তমানে প্রুফ রীডাররা সম্পাদনার কাজ করছেন, ভাবা যায়!

আসলে বাজে অজুহাত, দোষ প্রুফ রীডারদের নয়। মন খারাপ করা ছাড়া আর কী করা যায়!

গত বছর এপ্রিলে, ব্লগিং-এ তখন আমি নতুন, সামহোয়্যারে লেখালেখি করি, হঠাৎ মনে হলো ব্লগে উপন্যাসটা ধারাবাহিক পোস্ট করলে কেমন হয়? দুয়েকজনকে দেখেছি ধারাবাহিক উপন্যাস শুরু করেছেন, দু’তিন পর্বের পর তা আর এগোয়নি। আমার সে ভয় নেই, পুরোটাই তৈরি আছে। ব্লগে বেশি বড়ো লেখা পড়ার ধৈর্য কারো নেই, সুতরাং ৮০০ থেকে ৯০০ শব্দের ছোটো ছোটো কিস্তিতে ভাগ করা গেলো। প্রতি ২৪ ঘণ্টায় দুটি করে কিস্তি পোস্ট দিয়ে মোট ৩৮ কিস্তিতে শেষ হয়েছিলো।

লেখাটিতে সম্প্রসারণের প্রয়োজন এবং জায়গা দুই-ই ছিলো, এখনো আছে। ব্লগে পোস্ট করার উদ্দেশ্য ছিলো, পাঠক-প্রতিক্রিয়া যাচাই করা। মুদ্রিত পত্রিকার লেখা সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানার আশা করা মরুভূমিতে তুষারপাতের আশা করার মতোই অলীক কল্পনা। মনে হলো, পাঠক-প্রতিক্রিয়া কিছু পেলে লেখার সংশোধনের সময় কাজে লাগবে। সে উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়নি। যদিও সংশোধন-পরিবর্ধনের কাজ এখনো বকেয়া।

লেখাটি সম্পর্কে একটি মন্তব্য (হয়তো অভিযোগও) এসেছে যে, উপন্যাসের নারী চরিত্রটির ওপরে খানিকটা অবিচার করা হয়েছে, তাকে সবকিছুর জন্যে দোষী করে পুরুষ চরিত্রটিকে সাধূপুরুষ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই অভিযোগ আংশিক সত্যি। তার কারণও অবশ্য লেখার নামকরণেই পাওয়া যাচ্ছে – লেখাটি পুরুষের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা, যদিও পুরুষ-চরিত্রের ভালোমন্দ, যুক্তি ও যুক্তিহীনতা, পৌরুষের অহং-এর ভঙ্গুরতা – এইসবই তুলে আনার চেষ্টা করেছি। অন্তত সেটাই উদ্দেশ্য ছিলো।

ব্লগে প্রকাশের সময় যাঁরা পাঠ করেছিলেন (অর্থাৎ মন্তব্য করে জানিয়েছিলেন, যেহেতু মন্তব্য ছাড়া জানার আর কোনো উপায় নেই) তাঁদের অনেকেই সচলে উপস্থিত। সেইসব পাঠকের কাছে ক্ষমাপ্রর্থনা করে লেখাটি সচলায়তনে নিয়ে আসা হলো। তবে কিস্তির জ্বালাতন নেই, একটি পিডিএফ ফাইল হিসেবে নিজের পাতায় দিয়ে রেখেছি। আগ্রহীদের জন্যে নিচে লিংক থাকলো।

পৌরুষ


মন্তব্য

স্পর্শ(কোটা শেষ) এর ছবি

প্রুফ রিডার দের কান্ড শুনে আমি হতবাক !! ভাগ্যিস ছাপানোর জন্য এখনো কোন লেখা কোথাও দেইনি।

আপনার দেওয়া লিঙ্কএ গিয়ে পিডি এফ টা পাইনি! ইয়ে, মানে... একটু দেখবেন কি?
নাকি আমিই কিছু একটা গুবলেট করলাম।

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

লিংকে ক্লিক করলে যে পোস্টে যাচ্ছেন, সেখানে সংযুক্তি হিসেবে আছে। আমি দেখতে পাচ্ছি।

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

সচলে অতিথিরা সংযুক্ত ফাইল দেখতে পান না, এই তথ্য জানা ছিলো না। একটি বিকল্প লিংক ঐ পোস্টে যোগ করে দিয়েছি। আশা করি এখন আর সমস্যা হবে না। দুঃখিত।

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

স্পর্শ এর ছবি

হুম মন খারাপ
....................................................................................
অতঃপর ফুটে যাবার ঠিক আগে হীরক খন্ডটা বুঝলো, সে আসলে ছিল একটা মামুলি বুদবুদ!


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

হুম মানে কি? হাসি

কাজ হলো? নাকি এখনো সমস্যা হচ্ছে?

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

সুজন চৌধুরী এর ছবি
মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

চোখ টিপি

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

যে ঔপন্যাসের নাম ‘পৌরুষ’ তার এক-চতুর্থাংশ ছেঁটে দিলে আর কী থাকে –এই ধরনের রসিকতা করে সান্ত্বনা পাওয়া ছাড়া আর কিছু করার নেই তখন।

দুর্দান্ত বলেছেন।

তবে উপন্যাস লেখা এত 'সহজ' জেনে খুব অবাক হলাম। সুতন্বী, ১৪ পয়েন্ট, ৫০ পৃষ্ঠা। এটা যদি উপন্যাস হয়, তাহলে বড় গল্প কোনটা? আমার কাছে তো উপন্যাস মানে সংশপ্তক বা প্রথম আলোর-এর মত বই, যেগুলো তুলতে দম যায়, যেগুলোতে একেকটা চরিত্রের একদম গভীরতম চিন্তা/অনুভূতিগুলোও মুন্সিয়ানার সাথে লিখিত থাকবে। সাহিত্যের ডাইল্যুশন যে এই পর্যায়ে নেমে গেছে, তা ভাবলেও কেমন লাগে।

আরো দুটি কথা। এক, বিভিন্ন ধরনের লেখার (মূলত আকার, গভীরতা, ও সংজ্ঞা-বিষয়ক) পার্থক্য নিয়ে একটা ছোটখাটো পোস্ট হলে ভাল হয়। দুই, কাজী আনোয়ার হোসেনের মত কাজী মুহম্মদ জুবায়ের হয়ে যান। দুই হাতে লিখুন, ইন্টার্ন দিয়ে লেখান। চোখ টিপি

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

ঈদ সংখ্যার 'উপন্যাস' নিয়ে একটা পোস্ট দেওয়ার ইচ্ছে আছে অচিরেই।

আর প্রস্তাব দুটি সম্পর্কে: আমি দুটোর কোনোটারই উপযুক্ত না। চোখ টিপি

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

আমি দুটোর কোনোটারই উপযুক্ত না

হ, কইলেন একখান কথা!

অমিত আহমেদ এর ছবি

উপন্যাস "পৌরুষ" এর হাত ধরেই জুবায়ের ভাইয়ের লেখার সাথে পরিচয়। সামহোয়্যার ইনে উপন্যাসটি নিয়ে আড্ডা জমিয়েছিলাম আমরা।


ওয়েবসাইট | ফেসবুক | ইমেইল

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

মনে আছে। এখনকার সচলদের মধ্যে আরো যাঁদের নাম মনে পড়ছে : আনোয়ার সাদাত শিমুল, মাহবুব মুর্শেদ, অরূপ, হাসান মোরশেদ, আরিফ জেবতিক ('নিজের খেয়ে বিজ্ঞাপন' নামে একটি আলাদা পোস্টই দিয়েছিলেন, কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করি), সৌরভ (তখন অন্য নাম ছিলো চোখ টিপি ), ধূসর গোধুলি, নিঘাত তিথি (তখন অন্য নাম ছিলো চোখ টিপি ), জ্বিনের বাদশা। তবে সবাই শেষ পর্যন্ত ধৈর্য রাখতে পেরেছিলেন কি না জানি না।

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

অতিথি লেখক এর ছবি

খুবই বিরক্ত লাগে যখন কোন লেখা সম্পাদনা করতে গিয়ে বাড়াবাড়ি করা হয়।
আমি ব্যাক্তিগতভাবে গল্প উপন্যাসের ক্ষেত্রে কোন ধরনের সম্পাদনার পক্ষপাতী নই। একবার একটা গল্প সংকলন এর বই এ আমার একটা গল্প, যেটার প্রধান বৈশিষ্টটাই ছিল বুননে আর ভাষায়, সম্পাদক সাহেব সে বুনন আর ভাষা আমুল পরিবর্তন করে দিলেন। গল্পটি দেখে আমার মেজাজ প্রায় দশদিন খারাপ ছিল। পুরো গল্পটি পড়ে পরে মনে হবে সম্পাদক সাহেব নিজেই লিখেছেন, পুরো তার ভাষারীতি।

আপনার ক্ষেত্রে যা হল তাতে করে একমাস মেজাজ গরম হয়ে থাকার কথা। লেখার ক্ষেত্রে এমন সম্পাদনায় লেখকের লেখার বৈশিষ্টের ছাপটাই তো আর থাকে না লেখায়, এটা ঠিক না।

(রন্টি চৌধুরী)

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

আমার এই লেখাটি নিয়ে যা ঘটেছে তার সঙ্গে সম্পাদনার কোনো সম্পর্ক নেই। আমার লেখার একটি শব্দ বা বাক্যও পরিবর্তন করা হয়নি। বিষয়টি স্থান সংকুলানের। যখন একটি ঈদ সংখ্যায় ১৫/১৬টি 'সম্পূর্ণ উপন্যাস'-এর জায়গা করতে হয়, তখন সব লেখাগুলিকে দরকারমতো 'সাইজ' না করে উপায় থাকে না। আমার লেখাটিকে 'বরাদ্দ' করা নির্দিষ্টসংখ্যক পাতায় আঁটাতে গিয়ে কেটেছেঁটে দেওয়া হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জেনেছি, আমিই একমাত্র নই, আরো অনেকের বেলায় একই ঘটনা ঘটেছে।

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

স্নিগ্ধা এর ছবি

এইসব interesting, in retrospect জাতীয় ঘটনাগুলো নিয়েও কিন্তু ভালো একটা সংকলন হতে পারে।

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

একটা সংকলনে কুলাবে না। শুধু আমার কাহিনী দিয়েই একটা আস্ত মহাভারত হতে পারে। অন্যদের জায়গা কোথায় হবে?

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

ধুসর গোধূলি (এনটয়েশ্ট) এর ছবি

মজার ব্যাপার হলো, আপনার উপন্যাস অথচ আপনার আগেই সেটা পিডিএফ হিসেবে আমার (আগের) পিসিতে রক্ষিত ছিলো। হাসি

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

এই রহস্যের কিনারা করা কঠিন নয়। ঐ বাড়িতেও পিডিএফ কপির জন্যে ইন্সিপস-এর লিংক দেওয়া ছিলো। চোখ টিপি

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

কোনটা হয় নাই? চিন্তিত

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

কনফুসিয়াস এর ছবি

একসাথে পাইনি বলে আগে পড়া হয়নি।
কিন্তু এবারে পড়ে ফেলবো ইনশাল্লাহ! হাসি
-----------------------------------
... করি বাংলায় চিৎকার ...

-----------------------------------
বই,আর্ট, নানা কিছু এবং বইদ্বীপ

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

এরকম একটা প্রতিশ্রুতি আগেও পেয়েছিলাম বলে আবছা মনে পড়ে। চোখ টিপি

না পড়লেও ক্ষতি কিছু নেই। আগ্রহ দেখিয়েছেন, এই তো অনেক। হাসি

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

যত্ন করে তুল রাখলাম... পড়বো... ধন্যবাদ জুবায়ের ভাই...
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

আমার বউ কিন্তু কোনোকিছু বেশি যত্ন করে তুলে রাখলে পরে সেই জিনিস আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আপনি সে দলের না হলেই হয়। চোখ টিপি

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

নিঘাত তিথি এর ছবি

হায় হায় কয় কি, ১৮ পৃষ্ঠায় গায়েব? মেজাজটা এমন খারাপ হচ্ছে না শুনে!
হুম, এই লেখা থেকেই আসলে জুবায়ের ভাইয়ের লেখার সাথে পরিচয়। তখন অন্য নামে(প্রজাপতি) নিঘাত তিথিই মনে হয় এই মন্তব্য করেছিলো যে, উপন্যাসের নারী চরিত্রটির ওপরে খানিকটা অবিচার করা হয়েছে, তাকে সবকিছুর জন্যে দোষী করে পুরুষ চরিত্রটিকে সাধূপুরুষ হিসেবে দেখানো হয়েছে। এবং আপনার যুক্তি অকাট্য, "পৌরুষ" যে উপন্যাসের নাম, সেখানে এই রকম ব্যাপার হতেই পারে।

খুব ভালো করেছেন উপন্যাসটা সচলে দিয়ে।
----------------------------------------------------
আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ

----------------------------------------------------
আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

মেজাজ খারাপ করে লাভ কি? তার চেয়ে সেটাকে রসিকতায় রূপান্তরিত করে নিলে নিজে হাস্যমুখে থাকা যায়, অন্যদেরও তার ভাগ দেওয়া যায়। দেঁতো হাসি

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

কল্যাণ এর ছবি

লিঙ্ক থেকে পৌরুষ ডাউনলোড করতে পারলাম না। আপনাদের কারো কাছে থাকলে দয়া করে শেয়ার করলে উপকৃত হতাম। অন্য ব্লগে খুঁজে দেখি এই ফাঁকে।

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

অতিথি লেখক এর ছবি

আমার ড্রপবক্সে শেয়ার করা ছিল। জানি না লিংক কাজ করবে কিনা।
লিংক

-সায়ন

কল্যাণ এর ছবি

ধন্যবাদ সায়ন। জুবায়ের ভাই এর এই পোস্টে আমিত আহমেদের মন্তব্যে পৌরুষ পেয়ে গেছি। তখন আপডেট দিতে পারি নাই, দুঃখিত।

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।