হিমু এর ব্লগ

রোদন হইয়া আসিবো তখন

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: সোম, ২৪/০৯/২০১২ - ৫:৪৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ব্যস্ততা আমার অবসর কেড়ে নিয়ে হাতে ধরিয়ে গেছে অবসাদের তোড়া।

একটা ফিল্ড রেকর্ডার কেনার ইচ্ছা ছিলো অনেকদিনের, ব্যাটেবলে পেরে উঠছিলাম না। জিনিসটা হাতে আসার পরও একটু ঘেঁটে দেখার সুযোগ মিলছিলো না ব্যস্ততার জন্যে। আজ দুত্তোরি বলে কাজ থামিয়ে ঠিক করলাম, পরখ করে দেখি জিনিসটা কেমন কাজে দেয়।


আবাহন

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: মঙ্গল, ২১/০৮/২০১২ - ১:৫৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.

"উনি একজন বুজরুক ছিলেন।" শামীমের কণ্ঠস্বরে তাচ্ছিল্যের কোনো কমতি রইলো না।

সোমা একটু শাসন করার চেষ্টা করলো স্বামীকে, "নিজের দাদাকে কেউ বুজরুক বলে এভাবে?"


গোয়েন্দা ঝাকানাকা (অনুপস্থিত) ও মিউজিক ভিডিও রহস্য

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: শনি, ০৪/০৮/২০১২ - ৯:৩৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আটক লোকটা উদাস হাসে।

আর দারোগা কিংকর্তব্যবিমূঢ় চৌধারির মেজাজটা কেবল গরম হয়।


বিদায়, হুমায়ূন

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: শুক্র, ২০/০৭/২০১২ - ৬:৩০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সিলেটে আমরা যে বাসায় থাকতাম, তার বারান্দায় টবে একটা বেলি গাছ ছিলো। সেই বাসা ছেড়ে আমরা যখন চলে আসি, আমরা পেছনে ফেলে আসি চারপাশের সুপারি গাছে সারি, বারান্দার আকাশ দখল করে রাখা কৃষ্ণচূড়া, রান্নাঘরের উল্টোদিকের পেয়ারা গাছ, স-মিলের জন্যে আনা কাঁচা কাঠের ঘ্রাণ, আমাদের তেরো বছরের জীবন, শুধু বোকার মতো সঙ্গে করে নিয়ে আসতে চেয়েছিলাম টববন্দী গাছগুলোকে। আমরা জানতাম না, ট্রাকে করে ফুলের টব দূরের শহরে আন


বাজারের টাকায় পদ্মাসেতু?

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: মঙ্গল, ১০/০৭/২০১২ - ১০:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ইউনূসের সামাজিক ব্যবসা ও আনিসুলের মা উপন্যাসের দামামাবাদক দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত এক খবরে [১] দেখতে পাই,

জাতীয় সংসদের উপনেতা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বলেছেন, ‘বিশ্বব্যাংক টাকা দেয় নাই, তাতে কী হয়েছে? আমরা আমাদের নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু করব। দরকার হলে এক বেলা বাজার করব না।’


প্যান্ট পরা কি খারাপ?

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: সোম, ০৯/০৭/২০১২ - ৬:৫৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভোরবেলা প্রায়ই দেখা হয় আঙ্কেলটার সঙ্গে। আমি তল্লাবাগ থেকে ইন্দিরা রোড হয়ে বেরিয়ে সংসদভবনকে ঘিরে দুটো চক্কর দিয়ে বাসায় চলে আসি। আঙ্কেলকে দেখি হাতে একটা ছড়ি নিয়ে উদাস বদনে হাঁটাহাঁটি করেন। ভোরের বাতাসে মাঝেমধ্যে পতাকার মতো পতপত করে ওড়ে তাঁর ধুতি। তিনি নির্বিকার। নিষ্কম্পচিত্ত।


গোয়েন্দা ঝাকানাকা ও মিস্টার অ্যান্ড মিসেস হাফমজুর হত্যা রহস্য

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: রবি, ২৪/০৬/২০১২ - ১০:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১.

ঝাকানাকা থমথমে মুখে গম্ভীর গলায় বললেন, "ক্রাইম সিনের এই দশা কেন?"

কিংকু চৌধারি কাঁচুমাচু মুখে বললেন, "আমার কিছু করার ছিলো না স্যার। ফোন পেয়ে আমরা অকুস্থলে এসে দেখি এই অবস্থা।"

ঝাকানাকা ঘরের চারপাশটা চোখ বুলিয়ে দেখে বললেন, "আপনাদের কে ফোন করলো?"

কিংকু চৌধারি বললেন, "সাংবাদিক শা ভা মোমেন স্যার।"

ঝাকানাকা বললেন, "সে এ খবর কার কাছ থেকে পেলো?"


গোয়েন্দা ঝাকানাকা ও আহত সুশীল সমাজ রহস্য

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: শনি, ১৬/০৬/২০১২ - ১২:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঝাকানাকা বিরসবদনে বললেন, "কার্টুন ছবি চলার সময় আপনি কেন আসেন বলেন তো? আরেকটু পরে বা আরেকটু আগে আসেন না কেন?"

কিংকু চৌধারি গোমড়া মুখে বললেন, "স্যার আপনি সারাদিনই হয় ছায়াছন্দ নয় থাণ্ডার ক্যাটস আর না হলে খবর দেখতে থাকেন। যখনই আসি তখনই তো ধমক দেন। তাহলে ক্যাম্নেকী?"

ঝাকানাকা বললেন, "হুঁহ, বললেই হলো! যাকগে, আবার কী গণ্ডগোল বাঁধিয়েছেন আপনারা?"


জেনেসিস

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: সোম, ১১/০৬/২০১২ - ১:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছিলাম কত আয়েশ করে আরামসে
এক ঘায়ে সব ঘুচিয়ে দিলো আরাম সে
ফাঁসতে হলো তার জিলিপির চক্করে
নইলে বিভুঁই জঙ্গলে এই পাথর দিয়ে কুড়াল গড়ে মস্ত বড় শক্ত এমন বৃক্ষ কাটি, ভাবছো সে কি শখ করে?

স্বর্গে ছিলাম ঝুটঝামেলা বাদ দিয়ে
ফলটা শুধু পাড়তে হতো হাত দিয়ে
মূলটা শুধু খুঁড়তে হতো ভুঁই ফেঁড়ে


নতুন কিসিমের চাষবাস

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: শুক্র, ০৮/০৬/২০১২ - ১:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের দেশে নতুন ব্যবসার ধারা শুরু হলে চিনির পাহাড়ের পিঁপড়ার সারির মতো সবাই একযোগে সেই ব্যবসার পেছনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। তৈরি পোশাক শিল্প, চিংড়ি চাষ আর আদমব্যবসা লাভজনক বলে এগুলোর স্ফীতি অন্য সব বিবেচনাকে মলিন করে দিয়েছে। শহরাঞ্চলে তৈরি পোশাকের কারখানা গজিয়ে উঠেছে শয়ে শয়ে, কৃষিজমিতে লোনাপানি ঢুকিয়ে চিংড়ির ঘের বানানো হয়েছে, আর শ্রমবাজার বিশ্লেষণের তোয়াক্কা না করে দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে চড়া টাকা আদায় করে তাদের পাঠানো হচ্ছে এমন সব দেশে, যেখানে তাদের জীবিকানির্বাহই এক বিষম দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে, দেশে টাকা পাঠানো তো দূরের কথা। এতে করে কিছু লোক প্রচণ্ড লাভবান হচ্ছে, কিছু লোক খেয়ে পরে বাঁচতে পারছে, আবার এই ব্যবসার চাপে নাগরিক পরিবেশ, প্রাকৃতিক পরিবেশ, কৃষিজমি, শক্তি ও জ্বালানি পরিস্থিতি, এসবের সাম্যাবস্থার ছকও আমূল পাল্টে গেছে।