তাপস শর্মা এর ব্লগ

এইতো জীবন। পর্ব – ০৭

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২২/১১/২০১১ - ৭:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]সময় বদলে যায়। ইতিহাস বয়ে চলে তার আপন গতি এবং বিস্তার নিয়ে। হয়তো কোনো কিছু আমরা চাই, পেয়ে যাই। আবার কালের জন্য আঁকড়ে ধরে রাখতে চাই স্রোত।

জীবনে আমার চাওয়া পাওয়া বলতে বিশেষ কিছু নেই। হয়তো মহান কথা বলে ফেললাম। কিন্তু সত্যি করে বলছি আজ অবধি যত টুকু দরকার তার চেয়ে বেশী চাইনি, চাইনি জীবন থেকে। হয়তো তাই বারবার প্রতারণার শিকার হতে হয়।


এইতো জীবন। পর্ব – ০৬

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১৬/১১/২০১১ - ১০:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]ভালোবাসা পেয়ে কোনো কোন সময় আমরা হারিয়ে ফেলি। হারিয়ে যায় স্বপ্ন সুখ। মিশে থাকে বহুদিনের বিবর্ণতা। ডুম্বুরভ্যালীতে এসে আমি যেন দুটোই খোঁজে পেয়েছি। ভালোবাসা এবং বিবর্ণতা। বিবর্ণতা পেয়েছি মানুষের দুঃখে, হতাশায়। তাদের নিত্যদিনের দিন যাপনে। কি করে যে মানুষ গুলো বেঁচে আছে?


অভিসার

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১৪/১১/২০১১ - ১০:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

টিকটিকিটা টিকটিক করে উঠলো।

আজকাল কেমন যেন নির্লিপ্ত হয়ে গেছে অরুণ। চুপচাপ থাকে। আর ভাবে।

কে এই অরুণ ? আমি। অরুণ সেনগুপ্ত, আমার নাম। যদিও আজকাল লোকে পাগল বলেও ডাকে।

শব্দ কাঁধে নিয়ে চলে যাই হেঁটে হেঁটে। যতদূর সম্ভব সীমানা মেলেনা। আদি অন্ত দিগন্ত মিশে যায়।


এইতো জীবন। পর্ব – ০৫

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১২/১১/২০১১ - ২:৪৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]জল পথে ভেসে যাচ্ছি। আধ ঘণ্টা শুটিং সারলাম। ঝিরঝির বৃষ্টির মধ্যেই। বোটের ভেতর থেকে কিছু শট নিলাম। বৃষ্টির গতি ধীরে ধীরে কমে আসছিল। ডুম্বুর ভ্যালীর সব আজব কাণ্ডকারখানাই বটে। হঠাত সব কিছু বন্ধ। আকাশ উজ্জ্বল হয়ে উঠল, সাথে রৌদ্র। মনটা ভালো হয়ে গেলো। বৃষ্টি মনের আনন্দ দিলেও আমার শুটিং এবং কাজের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল। যাই হোক আমি শুটিং এর কাজে মন দিলাম। এর আগে দুটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ডকুমেন


এইতো জীবন। পর্ব – ৪

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/১১/২০১১ - ৪:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]ডুম্বুরভ্যালীতে দ্বিতীয় দিনের শুরুটা খুবই সুখকর হয়নি। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠেই দেখি চরম বৃষ্টি। এমনিতেই হাতে মাত্র একদিন সময় আছে। খুব ভয় করছিল, আসলে তিন দিনের সময় নিয়ে এসেছি এখানে। এর মধ্যে আমার যে প্রধান কাজ তাই করা হয়নি। মানে ডিপার্টমেন্ট থেকে আমাকে কাজ দেওয়া হয়েছে এখানকার জল বিদ্যুৎ প্রকল্পের উপর একটা রিপোর্ট করার জন্য। আর আমি ব্যস্ত আছি আমার ডকুমেন্ট্রি এবং অন্যান্য কাজ নিয়ে। সকালে কোন


এইতো জীবন। ০৩

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৮/১১/২০১১ - ১২:৫৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]হাতে টাকা ছিলনা। ডুম্বুরভ্যালীতে গিয়ে থাকা এবং শুটিং এর কাজ সারতে যে পরিমাণে টাকা দরকার তার চার ভাগের একভাগও আমার কাছে ছিলনা। কি করা যায় তাই ভাবছিলাম। যদিও শুটিং এর ক্যামেরাম্যান থেকে শুরু করে স্পটবয় সব আমি নিজে, তবুও অনেক খরচ আছে। আর আমার পকেটে টাকা নেই। বাড়িতে টাকা চাইতে লজ্জা করে। কয়েকজন বন্ধুর কাছে চাইলাম। একেবারেই যে নিরাশ হলাম তা নয়। কিন্তু..., আচ্ছা একটা ঘটনা বলি তাহলেই বোঝা যাবে।


১৯৫০ এর বরিশাল থেকে ২০০২ গুজরাট। জীবন্ত চোখের উপাখ্যান। ৪

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৪/১১/২০১১ - ৯:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]আজকাল কোন কাজকর্ম নেই। তাই এন আইডল ব্রেন ইজ একটা শয়তানের কারখানা - এর নিয়ম অনুযায়ী নানা উৎকট ভাবনা মাথায় জন্ম নেয়। তাই হয়তোবা জয়গুণের কিশোর ছেলের বলা একটি কথা গত কিছুদিন ধরে মাথায় কিলবিল করছে- “মা, দ্যাশ স্বাধীন অইছে, এইবার চাউলের দাম হস্তা অইব।”[‘সূর্য দীঘল বাড়ি’, - আবু ইসহাক।] সেদিন ছিল স্বাধীনতার জন্ম দিন। দুটি ভাগে ফালাফালা হল আমার দেশ। এবং রাতের চাঁদটাও সাক্ষী রইলো কি করে আমরা ভিকি


কাঁটাতার

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/১০/২০১১ - ৬:১২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]হেমন্তের আকাশে রঙ লেগেছে। সে রঙ গায়ে মেখে হরিপদ দাপিয়ে বেড়ায় সামন্তপুরের বাতাসে। মা ডাকে। দুপুর গড়িয়ে গেল হরি ভাত খেয়ে যা। হরি শুনেও শুনেনা।

বিকেলে আবারও খেলতে চলে যায় হরিপদ। সন্ধ্যা হয়, প্রত্যেক দিনের রুটিন মতো মা আবারও ডাকে, হরি। হরিপদ শুনেও শুনেনা। সে বসে থাকে। বাবা আসবে। কাঁটাতারের ওপারে হরিদের ধানের জমি। বাবার হাত ধরে বাসায় ফিরবে হরিপদ। রোজ যেভাবে ফিরে।


শ্রাবণ

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২১/১০/২০১১ - ১:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিশেষ বিজ্ঞপ্তি : এটা একটা মৃত স্ট্যাটাস

অপ্রতিমের ডেস্ক

ফোনটা তৃতীয়বার রিং করে কেটে গেলো। আরেকবার। দ্যা ডায়াল্ড নাম্বার ডাস’নট অ্যাকজিস্ট প্লিজ চেক দ্যা নাম্বার এন্ড ডায়াল এগেন। তিন মিনিট কেটে গেলে।

হ্যালো। সালাম ওয়ালেকুম।
কেমন আছো।
জি। কে ? চিনতে পারলাম না?
ও, আচ্ছা। ঠিক আছে। ভালো থেকো।

আগরতলার রাজপথে দাঁড়িয়ে ব্যস্ত নগরে কান্নায় ভেঙে পড়ল ছেলেটি।

***********
[b]


এইতো জীবন – ০২

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১১/১০/২০১১ - ৯:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত পরশুদিন (রবিবার) চাকরিটা ছেড়ে দিলাম। আবারও। এই নিয়ে চারবার, চাকরি জীবনে। তবে আগের চাকরি গুলো ছাড়বার পেছনে কারণ গুলি ভিন্ন রকম ছিল। এইবার চাকরি ছাড়ার কারণটা টোটাল আলাদা। আজ এই লেখাটা আমি আমার হোম সিটিতে বসে লিখছি। আজ আমি আগরতলা ছেড়ে বাসায় চলে এলাম। কারণ আমার পরিবার। এই মুহূর্তে আর বাইরে জীবন কাটানো আমার পক্ষে অসম্ভব। মা এবং বাবা আর ছোট ভাইকে নিয়ে আমার পরিবার। বাবা ও মা অসুস্থতার এমন একটা জায়গায়