গান

গান্ধর্বী এর ছবি
লিখেছেন গান্ধর্বী [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৫/০৮/২০১৪ - ৪:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মুখের উপর দড়াম করে দরজাটা লাগিয়ে দিল তনিমা। আমি আবার নক করতে লাগলাম। ওর সাথে কথা বলাটা ভয়ঙ্কর জরুরি। রাগ করে ফোন ধরছিল না ও, তাই ওর বাসায় আমায় আসতে হল। দরজা না খুললে আমি হয়ত ভেঙ্গে ফেলব দরজাটা।
মিনিট খানেক বাদেই তনিমা দরজা খুলে বাইরে এসে দাঁড়াল।

-তুই কি পাগল?

-আমি জানতে চাইছি গানটা তোর কাছে কীকরে এলো?

-গানটার কথা জানার জন্যে তুই চলে আসলি আমার বাসায়? এত গানপিপাসু তুই, জানতাম না তো!

-যেটা জানতে চাচ্ছি সেটা বল আগে

-আমি ঠিক বুঝতে পারছি না এই গানটা নিয়ে তোর এত মাথাব্যথা কেন?

আমার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙ্গে গেল, ওর হাতটা খপ করে ধরে ফেলে বললাম- তুই বলবি কিনা তাই বল।

রাগে আমার গলা কাঁপছে। তনিমা হাতটা ছাড়িয়ে নিল দ্রুত। ওর চোখে বিস্ময় আর অবিশ্বাস মেশা চাহনি। মৃদু গলায় বলল- ঘরে আয়, প্লিজ আর কোনো সিন ক্রিয়েট করিস না।

যন্ত্রচালিতের মত ওর পিছু নিলাম।

-এই গানটা আমার মায়ের কালেকশনে পেয়েছিলাম।

আমি মুখ তুলে তাকালাম তনিমার দিকে।

-ক্যাসেটটার কাভার নেই, তাই কে গেয়েছে তার নাম বলতে পারব না।

-কাভার নেই মানে?

-অনেক পুরোনো, হারিয়ে গিয়েছিল। বাসা বদলাবার সময় আবার খুঁজে পেয়েছিল মা।

আমি একগুঁয়ের মত প্রশ্ন করলাম

-কে গেয়েছে?

-বললাম তো নামটা মনে পড়ছে না । মা বলতে পারবে হয়ত।

আমি কিছু বলার আগেই তনিমা বলল- মা বাসায় নেই, ফিরলে জিজ্ঞেস করে জানাবো।

-গানটা আমি আর একবার শুনতে চাই, ক্যাসেটটা দেয়া যাবে?

তনিমা কিছু না বলে ওর ঘরে চলে গেল। ফিরে এল ক্যাসেটটা সাথে করে।

আমি বাসায় ফিরে এলাম। তনিমা প্রচণ্ড অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখছিল আমাকে। ওর কৌতুহল মেটাবার সময় আমার নেই এখন। উত্তেজনায় ছটফট করছি, সেদিন থেকে যেদিন প্রথম এই গান শুনেছি তনিমার গলায়। ভার্সিটির প্রোগ্রামে এই গানটা গেয়েছিল ও। সেদিন কথা বলার সুযোগ হয় নি, কখন চলে গিয়েছিল ও খেয়াল করি নি। তারপর অনেক ভেবে তনিমাকে ফোন করলাম, বললাম গানটা আরেকবার শুনতে চাই। তনিমা বুঝতে পারেনি, খুশি হয়ে আরেকবার গেয়েছিল আমার উদ্দেশ্যে। সেদিন হয়ত আরো কিছু বলার ছিল ওর, আমি সুযোগ দেই নি। বারবার গানটার কথা জানতে চাইছিলাম। ও খুব রাগ করে চলে গেল, এরপর ফোন করেও ওকে পাওয়া যাচ্ছিল না। তাই মরিয়া হয়ে ওর বাসার ঠিকানা যোগাড় করলাম, আর সেখানে গিয়ে হাজির হলাম।

পুরোনো ক্যাসেট প্লেয়ারটাকে ঝেড়ে মুছে নিয়েছি। এখন গানটা শোনার পালা। সুর আমার জানা আছে, যেমন করে কথা বলতে শিখেছি তেমন করে এই সুরও শিখেছি। কিন্তু গানের কথাগুলো জানা হয় নি কখনো। শুধু কানে বাজে কোনো এক বিষণ্ণ মেয়ের মিষ্টি গুনগুন। আমার সব প্রশ্নের উত্তর জানা ছিল আমার দিদার, তিনিও গত হয়েছেন আমার স্কুল পেরুবার পরপরই। একবার গরমের ছুটিতে বেড়াতে গিয়েছি দিদার কাছে। ঝিমিয়ে পড়া দুপুরবেলায় গুনগুন করে গাইছিলেন দিদা, আমি ফ্লোরে বসে খাতায় আঁকাআঁকি করছিলাম। তারপর তার সাথে গাইতে লাগলাম অন্যমনস্কভাবে। দিদা হঠাৎ আমাকে কাছে টেনে নিলেন। জানতে চাইলেন এই গান আমি কোথায় শুনেছি। আমি কোনোভাবেই মনে করতে পারলাম না। দিদার মুখে শুনলাম-এই গান আমার মায়ের লেখা আর সুর করা। মায়ের গান করাটা বাবা মোটেও পছন্দ করতেন না, তাকে গান ছেড়ে দিতে বলেছিলেন। মায়ের একটা ক্যাসেট বেড়িয়েছিল, সেটা জানতে পেরে বাবা খুব রাগারাগি করেছিলেন। তারপর প্রভাব খাটিয়ে ক্যাসেটটার বিক্রি বন্ধ করে দিলেন। একটা ক্যাসেটও বাসায় রইল না, সব নষ্ট করে ফেলা হল। আমি যখন মায়ের পেটে একটু একটু করে বেড়ে উঠছিলাম, বাবা অনেকদিন যোগাযোগ রাখেন নি। প্রচণ্ড একা ছিলেন মা তখন। গুনগুন করে এই গানটাই গেয়ে যেতেন একটানা। দিদাকে বলতেন –‘বাবুকে শোনাচ্ছি। আমার গান আর কেউ তো শুনবে না।’

বলতে বলতে দিদা কেঁদে ফেললেন। আমিও কাঁদলাম। আমার জন্মের দুমাসের মধ্যে মা মারা গিয়েছিলেন। মায়ের কথা আমি তেমন কিছুই জানি না। বাবাও কখনো বলেনি নি। দিদার কাছে যাবার অনুমতিও পেতাম না সহজে। মায়ের কোনো ছবি রাখা হয় নি ঘরে, মায়ের কথা জানতে চাওয়া বারণ- ছোটবেলা থেকেই এমন হয়ে এসেছে। খুব রুক্ষ ছেলেবেলা কাটিয়েছি আমি। আজ অবধি নিজের চারপাশের শক্ত প্রাচীর তুলে রেখেছেন বাবা। তার নাগাল আর পাওয়া হল না।

পৃথিবীর আলো হাওয়া শরীরটাকে ছোঁবার আগে মায়ের সুর আমাকে ছুঁয়েছিল। মাকে ছুঁতে কেমন লাগে বুঝি নি কখনো। এই কষ্ট নিয়ে বেড়ে উঠছিলাম। তারপর নিজেকে ভুলিয়ে রেখেছি কিছুদিন। কিন্তু স্মৃতিকোষে আবার ঢিল ছুড়ে গেল তনিমা। আমি অস্থির হয়ে পড়লাম- মায়ের গলা হয়ত আরেকবার শুনতে পাব এই ভেবে।

হাত কাঁপছে আমার। ক্যাসেটপ্লেয়ারটা অন করলাম। শরীরের রোমগুলো দাঁড়িয়ে গেল। আমার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে এলো, ভলিউম আরো বাড়িয়ে দিলাম। ঘরময় বিষণ্ণ এক সুর খেলা করছে। যেন ঘর জুড়ে আমার মা হেঁটে বেড়াচ্ছেন । আমি তাকে ছুঁয়ে দেখব বলে হাতটা বাড়িয়ে দিলাম।

-----------------------------


মন্তব্য

অতিথি লেখক এর ছবি

সুন্দর গল্প লেখা -গুড়- হয়েছে

রাজর্ষি

গান্ধর্বী এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

------------------------------------------

'আমি এখন উদয় এবং অস্তের মাঝামাঝি এক দিগন্তে।
হাতে রুপোলী ডট পেন
বুকে লেবুপাতার বাগান।' (পূর্ণেন্দু পত্রী)

মেঘলা মানুষ এর ছবি

মন খারাপ করিয়ে দেয়া গল্প মন খারাপ

গান্ধর্বী এর ছবি

ইয়ে, মানে...

------------------------------------------

'আমি এখন উদয় এবং অস্তের মাঝামাঝি এক দিগন্তে।
হাতে রুপোলী ডট পেন
বুকে লেবুপাতার বাগান।' (পূর্ণেন্দু পত্রী)

অতিথি লেখক এর ছবি

টাচি। চলুক

অফটপিকঃ আপনার বাসায় ক্যাসেট প্লেয়ার আছে এখনও অ্যাঁ

---------------------------
আশফাক(অধম)

গান্ধর্বী এর ছবি

ধন্যবাদ।

আমার বাসায় এখন আর নেই। দেঁতো হাসি

------------------------------------------

'আমি এখন উদয় এবং অস্তের মাঝামাঝি এক দিগন্তে।
হাতে রুপোলী ডট পেন
বুকে লেবুপাতার বাগান।' (পূর্ণেন্দু পত্রী)

নীড় সন্ধানী এর ছবি

সুন্দর গল্প। কিন্তু একটু অসম্পূর্ণতা যেন থেকে গেল। তনিমা কোথা থেকে ক্যাসেটটা পেল? ভেবেছিলাম তনিমার সাথে কোন একটা সম্পর্ক আছে গানটার। শুরুতে সেরকমই মনে হয়েছিল হাসি

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

গান্ধর্বী এর ছবি

তনিমার মা জানে! হাসি

ধন্যবাদ নীড়দা।

------------------------------------------

'আমি এখন উদয় এবং অস্তের মাঝামাঝি এক দিগন্তে।
হাতে রুপোলী ডট পেন
বুকে লেবুপাতার বাগান।' (পূর্ণেন্দু পত্রী)

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি

যখন বাজারে বেরিয়েছিল, তখন তনিমার মা ক্যাসেটটা কিনতে পারে। কিন্তু ঠিকই বলেছেন একটু অসম্পূর্ণ লাগছে, মনে হচ্ছে আরও কিছু বাকি আছে।

_ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _ _
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই

তারেক অণু এর ছবি

ভালো লাগল

গান্ধর্বী এর ছবি

থ্যাঙ্কু অণুদা! হাসি

------------------------------------------

'আমি এখন উদয় এবং অস্তের মাঝামাঝি এক দিগন্তে।
হাতে রুপোলী ডট পেন
বুকে লেবুপাতার বাগান।' (পূর্ণেন্দু পত্রী)

অতিথি লেখক এর ছবি

জন্মের দুইমাস পর্যন্ত মায়ের গলায় গান শুনে সেটা পরে আবার স্কুল জীবনে দাদীর গুনগুন শুনে মনে করতে পারাটাকে কেমন যেন মনে হয়েছে। এছাড়া গল্পটা ভাল লেগেছে।

গোঁসাইবাবু

গান্ধর্বী এর ছবি

জন্মের আগে, মায়ের জরায়ুর সময়কার স্মৃতির কথা বলেছি আমি গল্পে। দাদীর গুনগুনে মনে পড়ে নি, মনেই ছিল তার।
ধন্যবাদ গোঁসাইবাবু সময় দিয়ে পড়ার জন্য। হাসি

------------------------------------------

'আমি এখন উদয় এবং অস্তের মাঝামাঝি এক দিগন্তে।
হাতে রুপোলী ডট পেন
বুকে লেবুপাতার বাগান।' (পূর্ণেন্দু পত্রী)

মরুদ্যান এর ছবি

শেষ হইয়াই হইল না শেষ, লিটারেলি হাসি

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চল রে

গান্ধর্বী এর ছবি

চিন্তিত আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

------------------------------------------

'আমি এখন উদয় এবং অস্তের মাঝামাঝি এক দিগন্তে।
হাতে রুপোলী ডট পেন
বুকে লেবুপাতার বাগান।' (পূর্ণেন্দু পত্রী)

তুলিরেখা এর ছবি

মর্মস্পর্শী গল্প, পড়তে পড়তে মনে হয় আহা আরো বিস্তারিত যদি থাকতো। আমার কেমন যেন মনে হলো এই কাহিনি উপন্যাস হবার মতন, সব কটা চরিত্র আরো বিস্তার ও ব্যপ্তি দাবী করে, মূল চরিত্র, মা, দিদা,বাবা, তনিমা, তনিমার মা ইত্যাদি যাদের দেখা যাচ্ছে বা শোনা যাচ্ছে তারা তো বটেই আর আরো সম্ভাব্য সব পরিচিত ও বন্ধুরাও।
ভেবে দেখবেন গান্ধর্বী, কখনো এই আখ্যানভাগ নিয়ে উপন্যাস লিখবেন কিনা।
শুভেচ্ছা রইলো। হাসি

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

গান্ধর্বী এর ছবি

তুলিদিদি, চরিত্রগুলো নিয়ে আরো ভেবে দেখা যায়। কিন্তু উপন্যাস লেখার মতন ধৈর্য আদৌ হবে কি না জানি না, যে তাড়াহুড়ো আমার! গল্প লেখাই যে শেখা হল না দিদি। তবু ইচ্ছে রইল। আর আপনাদের মতামত, পরামর্শ আর প্রেরণা হাসি

শুভকামনা আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

------------------------------------------

'আমি এখন উদয় এবং অস্তের মাঝামাঝি এক দিগন্তে।
হাতে রুপোলী ডট পেন
বুকে লেবুপাতার বাগান।' (পূর্ণেন্দু পত্রী)

এক লহমা এর ছবি

আপনার লেখার বাঁধুনি, লেখার সহজ গতি, সংলাপের স্বাচ্ছ্যন্দ এসব আমার ভাল লাগে। কোন গল্পেই সেটার কোন অভাব রাখেন না আপনি। কিন্তু (এই কিন্তুটা বাদ দিতে পারলে যে কি ভাল লাগত!) এর সাথে গল্পটা মানানসই না হ'লে খারাপ লাগে এই ভেবে যে আপনি ত চেষ্টার ত্রুটি রাখেননি, অথচ আমার মন ভরল না! এই পোস্টের গল্পটি যেন একটি সূচনা, যা একটি 'এর পর আগামী পর্বে'-র অস্তিত্ব ছাড়া উড়তে না উড়তেই ছিঁড়ে যাওয়া ঘুড়ির মত হয়ে রয়েছে।

লেখালেখি চলুক, পরের গল্পে, কিংবা তার পরের কোন গল্পে, মন ভরার অপেক্ষায় থাকলাম। অনেক শুভেচ্ছা নেবেন।

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

গান্ধর্বী এর ছবি

দাদা, আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই আপনাকে। 'হয়ত পরের বা তার আরো পরের কোন গল্পে হবে'- এমন কিছু বলতে পারছি না। তবে চেষ্টা আর ইচ্ছেতো থাকবে।

ভাল থাকুন। আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

------------------------------------------

'আমি এখন উদয় এবং অস্তের মাঝামাঝি এক দিগন্তে।
হাতে রুপোলী ডট পেন
বুকে লেবুপাতার বাগান।' (পূর্ণেন্দু পত্রী)

প্রোফেসর হিজিবিজবিজ এর ছবি

"পৃথিবীর আলো হাওয়া শরীরটাকে ছোঁবার আগে মায়ের সুর আমাকে ছুঁয়েছিল। মাকে ছুঁতে কেমন লাগে বুঝি নি কখনো। "
-চোখ ভিজিয়ে দিয়ে গেলো।

কিন্তু গল্পদিদি, এই গল্পের আরো অ-নে-ক ডালপালা মেলার অবকাশ ছিল যে! সুযোগ ছিল চরিত্রগুলোকে আরো বিকশিত করার! তা না হওয়াতে কেমন যেন একটু খটকা লাগছে - বারবার দেখছি নিচে কোন "চলবে" লেখা আছে কিনা।

যাই হোক, স্বভাবগত ভাবে এই গল্পেও ঠাসবুনোট আর তরতরিয়ে চলা ভাষা আছে, সেটাই এই গল্পের প্রাণ, আর তারসাথে মর্মস্পর্শী একটা অব্যক্ত ব্যথার ছোঁয়া! সবমিলিয়ে দারুণ।

____________________________

গান্ধর্বী এর ছবি

অশেষ ধন্যবাদ দাদা! আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

------------------------------------------

'আমি এখন উদয় এবং অস্তের মাঝামাঝি এক দিগন্তে।
হাতে রুপোলী ডট পেন
বুকে লেবুপাতার বাগান।' (পূর্ণেন্দু পত্রী)

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।