লাইসেন্সধারী খুনীদের নিয়ে ভাবার সময় হয়েছে কি?

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২১/০৭/২০১১ - ৯:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পোস্টের সম্পূর্ণ বক্তব্যই আমার একান্ত নিজস্ব ভাবনা। কোন বিশেষ গোষ্ঠীর প্রোপাগান্ডার কথা জানাতে এখানে আমার উপস্থিতি ভেবে থাকলে ভুল করবেন। সচলায়তনে এটাই আমার প্রথম পোস্ট। আশা করি অল্প কিছুদিনের মাঝেই পুরোপুরিভাবে সচল হতে পারব।

- - - - - - - - -
পাপী
- - - - - - - - -

১.

সময়কাল:২০০১-০৩

২০০১ সালের নির্বাচনে সন্ত্রাস নির্মূলের ইশতেহার নিয়ে বিপুলভাবে জয়ী বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট, সরকার গঠনের কিছুদিনের মধ্যেই আমলে ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীকে ধরিয়ে দেয়ার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেন। পুরস্কারঘোষিত এ সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় ভারত,পাকিস্তান, কানাডা সহ অন্যান্য দেশে। কয়েকজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হলেও বেশিরভাগই রয়ে যায় পর্দার অন্তরালে। যাকগে, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি মোটামুটি সহনশীল হয়ে আসে। অভাগা জাতি আমরা! কিছু দিনের মাঝেই তার আবার পতন হতে থাকে। ধর্মীয় জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাসে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সরকারি মদদ, আমলাতন্ত্রের ঢিলেমি সহ ভবনভিত্তিক রাজনীতিতে পর্যুদস্ত হতে থাকে দেশের অবস্থা। আইন-শৃঙ্খলারও ঘটে ব্যপক অবনমন।

সময়কাল:২০০৪-২০০৬

আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নের সংকল্পে পুলিশকে সহায়তা করার জন্য আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৯ এর উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ আর্মি, বাংলাদেশ নেভি, বাংলাদেশ এয়ার ফোর্স, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বাংলাদেশ আনসারে কর্মরত বিভিন্ন সদস্যদের নিয়ে ২৬ মার্চ, ২০০৪ তারিখে পুলিশের একটি স্পেশাল এলিট ফোর্স গঠিত হয়। নাম দেয়া হয় র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সংক্ষেপে RAB. গঠনের পর একই বছরের ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু করে আনুষ্ঠানিক কার্যকলাপ।

দেশের পরিস্থিতি আবারো আসে নিয়ন্ত্রণে। ধরা পড়তে থাকে সন্ত্রাসী, মাদক ব্যাবসায়ী, চোরাকারবারি সহ বিভিন্ন অপরাধী চক্র। শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি হান্নান, তার সহযোগী দেবাশীষ, হুজি'র প্রধান মুফতি হান্নান এরই মাঝে গ্রেফতার হয়। কিন্তু, গ্রেফতারের কয়েক দিন পরেই পিচ্চি হান্নান ও তার সহযোগী দেবাশীষ রাষ্ট্রীয় হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময় বিপক্ষ দলের সাথে গোলাগুলির কোন এক পর্যায়ে নিহত হয় উভয়েই। খবরে আসে "ক্রসফায়ারে নিহত পিচ্চি হান্নান"। দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে ঘটনাটি।

এরই মাঝে ঘটে যায় দেশব্যাপী জঙ্গীদের এক বিশাল ধ্বংসযজ্ঞের দৃষ্টান্ত। RAB সহ অন্যান্য বাহিনীর সমন্বিত বাহিনী মিলে গঠিত ফোর্স যথেষ্ট সফলতার সাথে ধরতে থাকে বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় জঙ্গীদের। সেই সাথে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করাতো চলছেই। মোটা দাগে রেখাপাত করলে বলা যায় RAB অনেকাংশেই সফল ছিল সে সময়টায়। জনমনেও RAB সম্পর্কে একটা পজিটিভ ধারণা সৃষ্টি হয়েছিল।

২.
সময় অতিবাহিত হতে লাগল। একই সাথে যোগ হল আরো দু'টি শব্দ - 'বন্দুকযুদ্ধ', 'এনকাউন্টার'। এ দু'টোতে নিহতদের মৃত্যুর ঘটনা, বিভিন্ন ক্রসফায়ারের সাথে মিলে যায় অনেকাংশেই। জনমনে প্রশ্ন জাগে 'ক্রসফায়ার', 'বন্দুকযুদ্ধের' আসলেই কোন অস্তিত্ব আছে কিনা? রাষ্ট্রীয় হেফাজতে কিভাবে একজন মানুষের এরকম দূর্ঘটনায় মৃত্যু হয়। এর দায় কি রাষ্ট্রের উপরও বর্তায় না? প্রথমদিকে জনমনে হয়ত কিছুটা প্রশান্তি ছিল এই ভেবে যে, ক্রসফায়ারে অপরাধী চক্রের সদস্যরাই মৃত্যুবরণ করছে। কিন্তু, যখন দেখা গেল, মিরপুরে সন্ত্রাসী 'ক্রসফায়ারের' নামে হত্যা করা দু'জন পলিটেকনিক কলেজের ছাত্র তখন দেখা গেল RAB নামটি সাধারণ মানুষের মনে কিছুটা আতংকের নাম হয়ে দাঁড়ালো।

আবার, এ বছরের ১৫ জানুয়ারি রামপুরায় পুলিশের সাথে 'বন্দুকযুদ্ধে' ফোন-ফ্যাক্স দোকানের কর্মী অনিক ও তাঁর সঙ্গে সাভারের একটি জুতার কারখানার শ্রমিক শ্যামল নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়। পরে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ১৫ ফেব্রুয়ারির ওই ‘বন্দুকযুদ্ধের’ বিষয়ে রামপুরা থানার ওসি সায়েদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, “উলন রোডে রাবিয়া খাতুন নামে এক মহিলা ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। ওই সময় তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এসে হাসান নামের এক ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলে।”
হাসানের দেওয়া তথ্যে ১৪ ফেব্র”য়ারি সন্ধ্যায় পূর্ব রামপুরা থেকে শ্যামল ও অনিককে গ্রেপ্তার করা হয় বলে দাবি করেন তিনি।
অনিক বলেন, শ্যামলকে তিনি আগে কখনো দেখেননি।
ওসি বলেন, অন্য ছিনতাইকারীদের ধরার জন্য তারা রাত ২টার দিকে ওই দুইজনকে পশ্চিম রামপুরায় বালুর মাঠে নিয়ে যান।
“মাঠে যাওয়া মাত্র সেখানে অবস্থানরত অন্য ছিনতাইকারীরা পুলিশের দিকে গুলি ছোড়ে। শ্যামল ও অনিক দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তখন পুলিশ গুলি ছুড়লে তারা দুজন গুলিবিদ্ধ হয়”- ক্রসফায়ারের অন্য ঘটনাগুলোর নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বক্তব্যেরই পুনরাবৃত্তিই করলেন ওসি সায়েদুর। [লিংক]

আর মাসখানেক আগে ঘটে যাওয়া লিমন ট্র্যাজেডি তো সবার মনে এখনো দগদগে ক্ষতের মতই বয়ে বেড়াচ্ছে। এ প্রসঙ্গে আর কথা না বাড়ালাম। [লিংক] Time Magazine

যদি ধরেই নেই যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর‍ বক্তব্য সঠিক, এরপরও তো তাদের‍ কোন অধিকার নেই একজন মানুষকে মেরে ফেলার। যেখানে আমরা যুদ্ধাপরাধদের বিচারে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিচ্ছি, দূর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদদের আপিলের সুযোগ দিচ্ছি সেখানে এসব 'ক্রসফায়ার', 'বন্দুকযুদ্ধ' - এর ভিক্টিমদের নামে অভিযোগ আনার কিছু পরেই তাদের হত্যা করা কিংবা পঙ্গুত্ব বরণে বাধ্য করা নিতান্তই পৈশাচিক। এরকম পাশবিক নির্যাতন শুধু পেশাদার সন্ত্রাসীদের দ্বারাই সম্ভব।

আচ্ছা ধরে নিই, আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যার্থ সরকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ক্ষমতা দিয়ে দিয়েছে আদালত সমান। ওরা নিজেরাই শাস্তি নির্ধারণ করে দিতে পারে। সাভারের জুতা শ্রমিক শ্যামল পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী ছিনতাইকারীতে লিপ্ত ছিল। আর পুলিশের সাথে অন্যান্য ছিনতাইকারীদের বন্দুকযুদ্ধে শ্যামল গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। নিশ্চয়ই ছিনতাই করার শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে না। এটা তো লঘুপাপে গুরুদণ্ড হয়ে গেল!

RAB নিয়ে বিদেশী মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে শুরু করে যাবতীয় অপরাধের বর্ণনা নিয়ে ৫৩ পৃষ্ঠার একটি রিপোর্ট তৈরি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রায় ২০০ মানুষ র‍্যাবের হাতে নিহত হয়েছে। [লিংক]

আরেকটি প্রতিবেদনে HRW বলেছে,

Although the government has made many commitments to end the killings and to punish perpetrators, no RAB officer or official has ever been prosecuted for a "crossfire" killing or other human rights abuse. "Crossfire" is a blanket term used to justify most of the unit's killings. [লিংক]

যদি RAB এভাবে অপরাধীদের অপরাধ প্রমাণের আগেই নিজেই আদালত, কারাগার, ফাঁসির মঞ্চ হয়ে ওঠে তাহলে আইন-আদালতের কি দরকার! মনে হয় কিছু একটা করার সময় এসেছে। সকল ক্ষমতা আদালতের বদলে র‍্যাব-পুলিশের হাতে ন্যাস্ত করার কিংবা রাষ্ট্রীয় এসব সন্ত্রাসী বাহিনীর লাগাম টেনে ধরার। শুভ দিনের প্রত্যাশায় ...

তথ্যসূত্র:
১. bdnews24.com
২. উইকিপিডিয়া
৩. Has Bangladesh's Elite Police Force Gone Too Far? - Christopher Shay : TIME
৪. Bangladesh: Broken Promises From Government to Halt RAB Killing- HRW

ছবি: 
24/08/2007 - 2:03am

মন্তব্য

abrar ahsan এর ছবি

এনকাউন্টার/বন্দুকযুদ্ধ কিন্তু আজকে থেকে চলছে না। পশ্চিম বাংলায় নকশালবাড়ি আন্দোলনের পরবর্তী সময়ে অনেক কম্যুনিস্ট পার্টির নেতা কর্মীকেই তৎকালীন ইন্ডিয়ান পুলিশ খোলা মাঠে ছেড়ে দিয়ে পেছন থেকে গুলি করে বন্দুকযুদ্ধ নাম দিয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশেও মুজিব সরকারে আমলে রক্ষী বাহিনীর হত্যাকান্ডগুলো প্রশ্নবিদ্ধ।
যারা আইন শৃংখলা বাহিনীর এই ধরণের বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড সমর্থন করে, তাদের সাথে কথা বার্তা বললে একটা যুক্তিই শোনা যায়- "আদালত আর কি করবে, এইসব সন্ত্রাসীদের তো গডফাদাররা ঠিকই ছাড়িয়ে নেবে"। আমার প্রশ্ন হল, এই হত্যাকান্ডগুলো ঘটানোর সময় গডফাদাররা কোথায় থাকে ? যে রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে সন্ত্রাসী নাম দিয়ে হত্যা করা হয়, সেই রাষ্ট্রের তো অবশ্যই ক্ষমতা থাকার কথা অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার। আইনের ফাঁক ফোঁকর গলে যদি অপরাধী বের হয়ে যায়, তবে সেইসব ফাঁক ফোঁকর কেন বন্ধ করতে রাষ্ট্র ইচ্ছুক নয় ?
কোনও ধরণের বিচার বহির্ভূ্ত হত্যাকান্ডই সমর্থনযোগ্য নয়।

guest_writerপাপী এর ছবি

স্বাধীন বাংলাদেশেও মুজিব সরকারে আমলে রক্ষী বাহিনীর হত্যাকান্ডগুলো প্রশ্নবিদ্ধ।

হুম, কোথায় যেন দেখেছিলাম, সিরাজ শিকদার দেশের প্রথম বিচারবহির্ভূত হত্যা। যাকগে, পুরান কাসুন্দি যার উপর আমার অস্তিত্ব দাঁড়িয়ে নেই, তা ঘেঁটে সত্যিই কোন লাভ নেই।

যে রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে সন্ত্রাসী নাম দিয়ে হত্যা করা হয়, সেই রাষ্ট্রের তো অবশ্যই ক্ষমতা থাকার কথা অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার। আইনের ফাঁক ফোঁকর গলে যদি অপরাধী বের হয়ে যায়, তবে সেইসব ফাঁক ফোঁকর কেন বন্ধ করতে রাষ্ট্র ইচ্ছুক নয় ?

ভাল বলেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য।

-----------------
পাপী
-----------------

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

আমি মৃত‌্যুদণ্ডেরই বিপক্ষ। সেখানে ড়্যাবের ক্রসফায়ারের কথা আর কী বলব! এরা তো নোংরা পশু! যারা এদেরকে পোষে তারাও!
সভ্যতার থেকে প্রিয় স্বদেশ যোজন যোজন দূরে...

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

অতৎপর এর ছবি

বাংলাদেশের বাস্তবতা বিবেচনায় RAB এর গুরুত্ব অস্বীকার করা যায় না। বিচার ব্যবস্থা যখন অক্ষম ও স্থবির হয়ে পড়ে, তখন RAB এর মত ডার্ক জাস্টিস অটোমেটিক চয়েসে পরিণত হয়। কিন্তু এখন অবস্থা এমন হয়েছে যেন, 'সর্ষের মধ্যেই ভূত'। ক্রসফায়ারের লাগামহীন প্রশ্রয়ের সুযোগে খুনের যে মচ্ছব RAB শুরু করেছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে আশু এর সংস্কার প্রয়োজন।

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

বিচার ব্যবস্থা যখন অক্ষম ও স্থবির হয়ে পড়ে, তখন RAB এর মত ডার্ক জাস্টিস অটোমেটিক চয়েসে পরিণত হয়।

ক্রসফায়ার সমর্থন করছেন?

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

guest_writerপাপী এর ছবি

@abrar ahsan :

স্বাধীন বাংলাদেশেও মুজিব সরকারে আমলে রক্ষী বাহিনীর হত্যাকান্ডগুলো প্রশ্নবিদ্ধ।

হুম, বলা হয় সিরাজ শিকদার দেশের ইতিহাসের প্রথম বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড।

যে রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে সন্ত্রাসী নাম দিয়ে হত্যা করা হয়, সেই রাষ্ট্রের তো অবশ্যই ক্ষমতা থাকার কথা অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার। আইনের ফাঁক ফোঁকর গলে যদি অপরাধী বের হয়ে যায়, তবে সেইসব ফাঁক ফোঁকর কেন বন্ধ করতে রাষ্ট্র ইচ্ছুক নয় ?

ভাল বলেছেন। ধন্যবাদ, পড়ার জন্য।

@অনার্য সঙ্গীত :

আমি মৃত‌্যুদণ্ডেরই বিপক্ষ। সেখানে ড়্যাবের ক্রসফায়ারের কথা আর কী বলব! এরা তো নোংরা পশু! যারা এদেরকে পোষে তারাও!

ভাই, এতোটা মানবদরদী হওয়াও কিন্তু বিপজ্জনক। অবশ্য মৃত্যুদণ্ড আর বৃদ্ধ বয়সে জেল থেকে বের হওয়া প্রায় সমার্থক মনে হয়।

guest_writer পাপী এর ছবি

@abrar ahsan :

স্বাধীন বাংলাদেশেও মুজিব সরকারে আমলে রক্ষী বাহিনীর হত্যাকান্ডগুলো প্রশ্নবিদ্ধ।

হুম, বলা হয় সিরাজ শিকদার দেশের ইতিহাসের প্রথম বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড।

যে রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদে সন্ত্রাসী নাম দিয়ে হত্যা করা হয়, সেই রাষ্ট্রের তো অবশ্যই ক্ষমতা থাকার কথা অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার। আইনের ফাঁক ফোঁকর গলে যদি অপরাধী বের হয়ে যায়, তবে সেইসব ফাঁক ফোঁকর কেন বন্ধ করতে রাষ্ট্র ইচ্ছুক নয় ?

ভাল বলেছেন। ধন্যবাদ, পড়ার জন্য।

@অনার্য সঙ্গীত :

আমি মৃত‌্যুদণ্ডেরই বিপক্ষ। সেখানে ড়্যাবের ক্রসফায়ারের কথা আর কী বলব! এরা তো নোংরা পশু! যারা এদেরকে পোষে তারাও!

ভাই, এতোটা মানবদরদী হওয়াও কিন্তু বিপজ্জনক। অবশ্য মৃত্যুদণ্ড আর বৃদ্ধ বয়সে জেল থেকে বের হওয়া প্রায় সমার্থক মনে হয়।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।