নির্লিপ্ততায় ভালবাসা

ধুসর জলছবি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর জলছবি [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ১৪/০২/২০১২ - ৪:০৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১. একমনে বসে ছবি আঁকছিল মৌমিতা, আজ ওর কোন কিছু করতেই ভাল লাগবে না। ওর মাঝে মাঝে এমন হয়, কিছুই করতে ইচ্ছে হয় না, বই পড়তে না, মুভি দেখতে না, টম ক্রুজের মুভিও না। এই সময়গুলোতে ও বসে বসে ছবি আঁকে।আজ ওর অবশ্য মনটাও খারাপ একটু। রাদিফ, ওদের ক্লাসের সবচেয়ে পপুলার ছেলে, মৌমিতা ওকে মনে মনে একটু পছন্দ করত, আজ ওকে নিয়ে হাসাহাসি করছিল খুব। মৌমিতা আতেল, চুপচাপ, দুষ্টামি করতে পারে না, কেউ পড়ে গিয়ে ব্যথা পেলে হাসে না উলটো তার কথা ভেবে কষ্ট পায়, স্যারদের কথা মেনে চলে, এসব কিছুই ওদের কাছে বোরিং মনে হয়। মৌমিতা কিছু বলতে পারেনি, ও পারে না, ও সারাক্ষণ মনে মনে কথা বলে, মুখে বলতে গেলেই কথারা সব কোথায় যেন হারিয়ে যায়। ওর কান্নাও পাচ্ছিল খুব। কিন্তু ও কখনই কারো সামনে কাঁদে না, শুধু বাবা ছাড়া। ওর তেমন কোন বন্ধুও নেই। ও জানে ও খুব ভাল মেয়ে কিন্তু কেন যেন স্কুলের কেউই ওর সাথে তেমন একটা মিশে না। ও নিজেও মিশতে পারেনা। এজন্য মাঝে মাঝে রাদিফকে হিংসেও হয়। ওর সবার সাথে বন্ধুত্ব। রাদিফের জন্মদিনে সবাই ওকে গিফট দেয়, মৌমিতার জন্মদিন কারো মনেই থাকে না।
মৌমি, খেতে আস, তাড়াতাড়ি। আম্মু ডাকে ।
আচ্ছা, তুমি বাবার সাথে কথা বলনা কেন? -খেতে বসে ও প্রশ্ন করে আম্মুকে।
কি আবোল তাবোল বলছ, কথা বলব না কেন?
ভাল করে বল না, আমি জানি।
বাচ্চাদের বড়দের ব্যপারে এভাবে কথা বলতে হয় না।
আমার বয়স ১৩ , আমি এখন আর বাচ্চা না।- রেগে উত্তর দেয় মৌমিতা।

২.
টিভি দেখতে দেখতে ঝিমুনি এসে যাচ্ছে নীলার। প্রায় ১২ টা বাজে, ফয়সালের ফেরার নাম নেই। ওর চেম্বারে কি এত রাতেও রোগী আসে? আজ মৌমির একটা প্রশ্নে খুব অবাক হয়েছে নীলা। ওর আর ফয়সালের সম্পর্কটা এখন প্রয়োজনে সীমাবদ্ধ। কিন্তু এ ব্যপারটা মৌমি টের পেল কি করে। মেয়েটা বড় হয়ে যাচ্ছে দেখতে দেখতে। এসব ফয়সাল কে বলে লাভ নেই। সে নিজের ক্যারিয়ার ছাড়া কিছুই বুঝে না। অথচ নীলা মৌমির কথা ভেবেই টিচিং প্রফেশনটা বেছে নিয়েছে। মেয়েটাকে ও প্রায় একাই মানুষ করছে। আগে খুব অভিমান হত, ঝগড়াও হত প্রায়ই। ইদানীং ও কিছুই বলে না। যে বুঝতে চায় না তাকে আর জোর করে কত বুঝান যায়?
তোমার মেয়ে আজ জানতে চেয়েছে আমি তোমার সাথে কথা বলি না কেন? - ঘরে ঢুকতেই নীলা প্রশ্ন করে ফয়সাল কে।
ঠিকই তো, বলনা কেন?
তুমি সত্যি বুঝ না, তাই না?
নীলা, প্লিজ, আমি টায়ার্ড।
জানি, আমিও।
মৌমিতা ওর ঘরে বসে সব শুনে। ও টের পায় আম্মু গিয়ে শুয়ে পড়েছে। বাবা একা একা খাচ্ছে, এরপর টিভি দেখবে কিছুক্ষণ, তারপর বারান্দায় গিয়ে সিগারেট খাবে, তারপর শুয়ে পরবে। এভাবেই ঘটে প্রতিদিন। ওর মুখস্থ হয়ে গেছে।

৩.
আজ স্কুলে একাটা হুলস্থূল কাণ্ড হয়েছে। ওদের ক্লাসের সবচেয়ে কিউট মেয়ে, আনিকা, ক্লাসে এসেই কান্না শুরু করেছে। আনিকার বাবার নাকি আর একটা গার্লফ্রেন্ড আছে। তাই ওর আম্মু ওকে নিয়ে ওর নানার বাসায় চলে এসেছে। বেচারি সারাদিন ধরে কেঁদেই যাচ্ছে। ওর খুব ইচ্ছে করে গিয়ে একটা সান্ত্বনা দিতে। কিন্তু কি বলবে ও , তোমার বাবার গার্লফ্রেন্ড কয়েকদিন পর চলে যাবে, অথবা তোমার আম্মুরও আর একটা বয়ফ্রেন্ড হবে, অথবা তোমার বাবার গার্লফ্রেন্ডও তোমাকে অনেক আদর করবে, ঠিক কি বললে ওর কষ্টটা কমান যাবে? মৌমিতা হটাত বুঝতে পারে কিছু কিছু দুঃখ আছে যেটার সান্ত্বনা হয় না, কেউ এসে ভুলিয়ে দিতে পারেনা, যেটা বয়ে বেড়াতে হয়, নিজের ভিতর লুকিয়ে, হয়ত একসময় এভাবেই অভ্যাস হয়ে যায় সবার। ওর মনে মনে ভয় হচ্ছে খুব, ওর আব্বুরও আর একটা গার্ল ফ্রেন্ড নেই তো! আব্বুও কি এখন আর ওদেরকে ভালবাসে না?
বাসায় ফিরে ও কি ভেবে আম্মুর ঘরে যায়। বেড সাইড টেবিলের উপর একটা বই ফেলে রাখা। শীর্ষেন্দু নামে কোন এক লেখকের, পার্থিব নাম। বইয়ের প্রথম পাতাটা উলটেই ও খুব অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে। একটা অদ্ভুত কবিতা লেখা,সাথে আরও একটা লাইন-
ঝগড়াঝাঁটি যুদ্ধ হয়
মন কখনও ক্ষুব্ধ হয়
অভিমানে ভালবাসা বাড়ে
অতলে মন শুদ্ধ হয়।
আর কতক্ষণ রাগ করে থাকবে নিলাঞ্জনা?
হাতের লেখাটা ওর বাবার। মৌমিতা ধাক্কার মত খেয়েছে। এভাবে আম্মুর রাগ ভাঙ্গাত বাবা! তাহলে এখন? আম্মুর রুমে ওর বাবা মায়ের পুড়ান একটা ছবি। দুজনেই হাসছে, সুখী সুখী চেহারা। ওর মনে হয় হয়ত ওরা আগে অনেক ভাল ছিল, মৌমি আসার পরই সব এলোমেলো হয়ে গেছে। ওর খুব রাগ হতে থাকে, নিজের উপর,সবার উপর, পুরো পৃথিবীর উপর।

৪.
মৌমিতা চুপ করে বসে আছে, টেবিলের অপরপ্রান্তে বসে ফারহানা ম্যাম ওর খাতা উলটচ্ছে গম্ভীর মুখে। এমনিতে ম্যাম ওদের সবার খুব প্রিয়, কিন্তু আজ ওর ভয় হচ্ছে। সেদিন আব্বু আম্মুর উপর রাগ করে ও কিচ্ছু পড়েনি, এক্সামে যা ইচ্ছে লিখেছে। এখন মনে হচ্ছে কাজটা ঠিক হয়নি।
মৌমিতা, কোন সমস্যা?
না।
অসুস্থ ছিলে ?
না।
তোমার মন খারাপ কোন কারণে?
ওর খুব বলতে ইচ্ছে করে, কিন্তু না, নিজের কষ্টের কথা অন্যকে বলতে হয়না। সবাই দূর থেকে দেখে মজা পায়, এরচেয়ে বেশি কিছু না। সেদিন আনিকাকে দেখেই ও বুঝেছে। ও চুপ করে থাকে।
তোমার বাসায় কোন সমস্যা?
ওর চোখে পানি চলে আসছে। ও নিচের দিকেই তাকিয়ে থাকে।
তোমার যে কোন সমস্যা আমার সাথে শেয়ার করতে পার।
আমার আব্বু আম্মুর রিলেশন ভাল না।– একটু ভেবে ও অবশেষে মুখ খুলে।
তুমি খুব ইনটেলিজেন্ট একটা মেয়ে, বুঝবে আশা করি, স্বামী স্ত্রী ঝগড়া করবে এটা স্বাভাবিক, ছোট খাট অনেক ঝামেলাও হতে পারে। এটা নিয়ে তুমি কেন অহেতুক কষ্ট পাবে?
তারাতো ঝগড়া করে না, আগে করত। ঝগড়া করতে করতে আম্মু একসময় কেঁদে দিত তারপর সব ঠিক হয়ে যেত। এখন আর হয় না। - কথাগুলো বলতে বলতে কেঁদে দেয় মৌমিতা।
সব মানুষের জীবনেই কিছু খারাপ সময় আসে। কিন্তু তুমি রেজাল্ট খারাপ করলেই তো আর সব ঠিক হয়ে যাবে না। বরং তোমার চেষ্টা করা উচিৎ এমন কিছু করা যাতে সমস্যাটা কমে।
আমি কি করতে পারি?
তুমিই তো পার। পৃথিবীতে প্রতিটা সন্তান তার বাবা মায়ের আপগ্রেডেট ভার্সন। প্রতিটা সন্তান পৃথিবীতে জন্ম নেয়ার সময় প্রকৃতি চেষ্টা করে তার জিনগত ত্রুটিগুলো শুধরে দেয়ার। অর্থাৎ তুমি তোমার বাবা মায়ের শুধরানো রূপ। তাই তাদের ব্যর্থতা, ভুলগুলোকে তুমিই শুধরাতে পার, আর কেউ না।

৫ .
হ্যালো, আব্বু, আমার খুব খারাপ লাগছে, বাসায় আস প্লিজ।
কি হয়েছে মামনি, স্কুলে যাওনি?
না, তুমি আসবে?
আমারতো কাজ আছে অনেক।
আসবে না?- প্রায় কেঁদে দেয় মৌমিতা। ওর গলাতে হতাশা ফুটে উঠে।
আচ্ছা, আমি দেখছি কি করা যায়।
ফোন রেখে খুব অবাক হয়ে কিছুক্ষণ বসে থাকে ফয়সাল। মেয়েটার হল কি? ওর মেয়েটা খুব ঠাণ্ডা, মায়ের মত অবুঝ না, বরং এই বয়সেই অনেক বেশি সহনশীল। আজ এই অদ্ভুত আচরণের মানে কি? ফয়সাল ফোন দেয় নীলাকে।
হ্যালো।
নীলা, মৌমির কি হয়েছে, ওর কি শরীর খারাপ?
তুমি ডাক্তার, মেয়ের অসুস্থতার কথা আমাকে জিজ্ঞেস করছ?
আহ, কথা ঘুরচ্ছ কেন? তুমি ওর মা, তোমাকেই তো জিজ্ঞেস করব।
তুমিও ওর বাবা। মেয়ে আমার একার না।
কথাটা বলেই ফোন কেটে দেয় নীলা। ওর খুব অসহ্য লাগছে সবকিছু। কয়েকদিন দিন আগে মৌমির এক ম্যাম ফোন দিয়েছিল। মৌমি নাকি কিছুটা অমনোযোগী হয়ে পড়ছে, আর ওদের সম্পর্ক নিয়ে নাকি ও খুব ডিস্টার্ব। সব কথা কেন নীলাকেই শুনতে হবে। ওর ইচ্ছে হচ্ছে যেদিকে দুচোখ যায় চলে যেতে। মাঝে মাঝেই হয় ইচ্ছেটা। মেয়েটার কথা ভেবে পারে না। ফয়সালের ক্যারিয়ার, ওর নিজের ক্যারিয়ার, সংসার, মৌমিতা, ইগো, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যতা সব কিছু ধরে রাখতে গিয়ে ওরা নিজেরা নিজেদের আর ধরে রাখতে পারেনি। প্রথম দিকে নীলা অভিযোগ করত, একসময় সে জায়গাটাতে অভিমান এসে ভিড় জমিয়েছে, তারপর ভুল বুঝাবুঝি, এখন সেখানে যোগ হয়েছে নির্লিপ্ততা। নীলা ধরে নিয়েছে এটাই ভবিতব্য। নিজেকে অভ্যস্ত করে নিয়েছিল বাস্তবতার সাথে। কিন্তু ওদের সম্পর্কহীনতা শেষ পর্যন্ত মেয়েটাকেই কষ্ট দিচ্ছে, অথচ মেয়েটার জন্যই তো মেনে নিতে চেয়েছে সবকিছু। নাহ, এভাবে আর না। আজ বাসায় গিয়ে ফয়সালের সাথে বোঝাপড়া করতে হবে।


ফয়সাল ও নীলা প্রায় একই সময়ে বাসায় ফিরে, ফয়সাল একটু আগে। নীলা ঢুকেই ফয়সাল কে দেখে অবাক হয়, আর ওদের দুজনকে দেখে, যেন কিছুই হয়নি এমন ভাব করে ঘরে ঢুকে যায় মৌমি।
আমিতো কিছুই বুঝলাম না, কি হল মেয়েটার?
ফয়সাল, তোমার সাথে আমার কথা আছে?- নীলা না শুনার ভান করে বলে।
বল।
আমার মনে হয় আমাদের আর একসাথে থাকাটা ঠিক হবে না।
কি বলছ আবোল তাবোল?
আমার সব কথাই তোমার আবোল তাবোল মনে হয়, এটাই সমস্যা। অথচ একটা সময় আমার আবোল তাবোল কথাগুলকেও গুরুত্ব দিতে।
এখনও দেই। কিন্তু বয়স বেড়েছে, চাইলেই তো আর আগের মত হবে না সব কিছু,তাই না?
কোথায় কথা বাড়বে, আমি তা চাই না। আমি মৌমিকে নিয়ে চলে যাব আজ।
বলেই নীলা ঘরে চলে যায়। এক মুহূর্ত পরেই একটা চিৎকার দেয়।ফয়সাল দৌড়ে ঘরে গিয়ে দেখে ওদের বিছানার উপর দুটো প্যাকেট, কিছু ফুল, একটা কাগজ রাখা তার উপর। কিছুই না বুঝে ওরা এক জন আর একজনের দিকে তাকায়।
মৌমিতা রুমে বসে সব শুনছে। আজ ১৪ই ফেব্রুয়ারি। ওদের ক্লাসে কয়েকটা কাপল আছে। তারা নানা রকম প্লান করছিল গত কয়েকদিন। সুপ্তি এসে ওকেও জিজ্ঞেস করেছে ওর কোন প্লান আছে কিনা। তখনই প্লানটা মাথায় এসেছে। আব্বুর কাছ থেকে টাকা চেয়ে নিয়েছিল তাই।

৭.
ফয়সাল গিয়ে কাগজটা তুলে নেয়। তাতে মৌমির হাতে লেখা-
আম্মু/বাবা,
তোমরা ভ্যালেন্টিনে একজন আর একজনকে গিফট দাও না কেন? এখন থেকে আমি তোমাদের কিনে দিব দেয়ার জন্য।
মৌমিতা
কাগজটা হাতে নিয়ে থম ধরে বসে থাকে ফয়সাল। নীলা কিছুক্ষণ চুপ করে থাকে, তারপর হটাতই চিৎকার শুরু করে।
তোমার জন্য আজ আমার মেয়েটাও কষ্ট পাচ্ছে।
ফয়সালের মুখটা কুচকে যায়, আমার জন্য? বলে ও, গলাটা খুব ভারী শুনায়।
হ্যাঁ, তুমি তোমার ক্যারিয়ার ছাড়া কিছু বুঝ?
নীলা, তুমি কখনও বুঝার চেষ্টা করেছ আমাকে?
না করিনি, সব আমারই দোষ, আমার কথা বাদ দাও,সত্যি করে বলত তোমার জীবনে তোমার মেয়েটার অস্তিত্ব কতোটুকু ?
আমার মেয়েটার অস্তিত্ব কতোটুকু? এই ফ্লাট, গাড়ি, আমার মেয়েটাকে সবচেয়ে দামি স্কুলে পড়ান, এসব কিভাবে করতাম আমি? তুমি জান, কতদিন ঠিকমতো ঘুমাই না আমি? ছুটির দিনেও ছুটে বেড়াই। কতদিন বই পড়ে অলস দুপুর কাটাই না, তোমার হাত ধরে বৃষ্টিতে ভিজি না, আমার মেয়েটাকে বুকের উপর শুইয়ে গল্প শুনাই না। তুমি ঠিকই বলেছ, আমার উচিৎ ছিল আমার পছন্দের কাজগুলোই করা। তা না করে আমি আমার মেয়েটার জন্য ভবিষ্যৎ জমাচ্ছি। নিজের সব ভাল লাগা বিসর্জন দিয়েছি আমার মেয়েটার কোন ভাল লাগা যাতে অপূর্ণ না থাকে সেজন্য।
মৌমিতা ওর পড়ার টেবিলে বসে সব শুনছিল। । ওর সব ভয় আর অভিমানগুলো কেটে যায়। আব্বু ওকেই সবচেয়ে বেশি ভালবাসে। ওর ইচ্ছে করে ছুটে গিয়ে আব্বুকে জড়িয়ে ধরতে। কিন্তু যায় না। ও বসে বসে ওদের ঝগড়া শুনে, আম্মুর কান্না শুনে। আর মনে মনে আবার সব কিছু ঠিক হয়ে যাওয়ার স্বপ্ন বুনে।
মৌমিতার এখন সপ্ন দেখার সময়, এখন দেখা সপ্নগুলোই ওকে সারাটা জীবন টিকিয়ে রাখবে, সব দুঃস্বপ্নের মাঝে, সকল নির্লিপ্ততায় ।

ধূসর জলছবি


মন্তব্য

ইস্কান্দর বরকন্দাজ এর ছবি

চলুক

..................................................................
আমি ছুঁয়ে দিতে চাই সেই বৃষ্টিভেজা সুর...

ধূসর জলছবি এর ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ । হাসি

guest_writther এর ছবি

খুব খুব ভালো লাগলো ।

নাওয়ারিদ

ধূসর জলছবি এর ছবি

ধন্যবাদ। হাসি

শাব্দিক এর ছবি

চলুক

ধূসর জলছবি এর ছবি

হাসি

স্বপ্নাদিষ্ট এর ছবি

ভাল লাগল চলুক

-স্বপ্নাদিষ্ট
=======================
যে জাতি নিজের ভাগ্য নিজে পরিবর্তন করে না, আল্লাহ তার ভাগ্য পরিবর্তন করেন না।

ধূসর জলছবি এর ছবি

ধন্যবাদ হাসি

মর্ম এর ছবি

আগের লেখাগুলোর চেয়ে একটু কম ভাল লাগল- তবে একটানা পড়ে গেছি, এটার জন্য আপনার লেখার প্রশংসা না করব কেন?

~~~~~~~~~~~~~~~~
আমার লেখা কইবে কথা যখন আমি থাকবোনা...

ধূসর জলছবি এর ছবি

আপনি আগের লেখাগুলো মনে রেখেছেন এবং একটানা পড়েছেন এটাতেই আমার অনেক ভাল লাগছে। ধন্যবাদ । এটা আসলে আমার অনেক আগে লেখা। আগের লেখাগুলোই পরে লিখেছি।

অন্ত আফ্রাদ এর ছবি

আমার মনে হয়েছে শেষে মৌমিতা আরও দুর্দান্ত কিছু একটা করবে। পড়ে মেনে নিয়েছি, পিচ্চি মেয়েটা আর কিই বা করতে পারতো। শেষে আরেকটু ট্র্যাজেডি থাকলে.................

লেখার বক্তব্যের গভীরতা সুস্পষ্ট। ইহা নিয়ে কোন কথা হবে না।
সর্বোপরি ভালো লেগেছে।
চলুক

ধূসর জলছবি এর ছবি

দু্দান্ত কিছু করালে সেটা বিশ্বাসযোগ্য হত না। আসলে আর ট্র্যাজেডি দেই নি কারন শেষটা এমন রাখতে চেয়েছি যাতে এরপর যা হওয়ার হবে, ভাল বা খারাপ দুটোই হতে পারে। আমি গল্প থামিয়ে দিতে চাই নি , জীবন তো থেমে থাকে না কখনও । আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। অনেক শুভকামনা রইল। হাসি

অন্ত আফ্রাদ এর ছবি

আমি গল্প থামিয়ে দিতে চাই নি , জীবন তো থেমে থাকে না কখনও ।

ভালো বলেছেন।

এবিএম এর ছবি

অনেক ভালো লাগল।

ধূসর জলছবি এর ছবি

ধন্যবাদ ।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।