সাময়িক পোস্টঃ লোডশেডিং নিয়ে

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: মঙ্গল, ১৩/০৪/২০১০ - ৫:৫০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লোডশেডিং নিয়ে একটা বড়সড় লেখায় হাত দিয়েছি। একলা লিখছি না। সাথে আরো চারজন আছেন। তড়িৎকৌশলী একজন, যন্ত্রকৌশলী একজন, পুরকৌশলী একজন, স্থপতি একজন। লেখাটা সিরিজ বা ব-e আকারে সচলে পোস্ট করতে চাই।

আপনাদের সাহায্য একান্ত কাম্য। বেশ কিছু তথ্য প্রয়োজন আমার, যেগুলো আপনাদের কাছ থেকেই সংগ্রহ করতে হবে।

এখন আপাতত লাগবে ইলেকট্রিক বিলের তথ্য। কয়েক বছরের হলে ভালো হয়। যত বেশি দিতে পারবেন, আমার কাজে তত সুবিধা। "গবেষণা"র ভেতরে শাসন ও ব্যবস্থাপনার ব্যাপারটাও অন্তর্ভুক্ত, তাই খুব ভালো হয় যদি ২০০৫ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত তথ্য পাওয়া যায়।

আমি যেসব ব্যাপার নিয়ে কথা বলতে চাই, তার মধ্যে আছে বিদ্যুৎশক্তির মূল্য, লোড ব্যবস্থাপনা, সিস্টেমের দক্ষতা, কিছু স্বল্প-মধ্য-দীর্ঘমেয়াদী ব্যবস্থার প্রস্তাব, জলবায়ু ও কৃষি, ডিজাইন প্রবলেম এবং নবায়নযোগ্যশক্তির প্রয়োগ। আমার সহলেখকরা যথাসময়ে সিরিজে যোগ দেবেন।

আগ্রহী যাঁরা আছেন, প্লিজ যোগাযোগ করুন। মন্তব্যেই আমরা আলাপ করে পরিষ্কার করে নিতে পারবো, কীভাবে কী করা যায়।

অশেষ ধন্যবাদ।


মন্তব্য

দুর্দান্ত এর ছবি

মহত উদ্যোগ। যদিও এসব বিষয়ে আমার জানাশোনা সীমিত, তবুও যদি কোনভাবে কাজে আসতে পারি, জানিয়ো।

নৈষাদ এর ছবি

কাজে আসতে পারলে জানিয়েন।

হিমু এর ছবি
প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

কয়েকদিন থেকেই ভাবছিলাম বিদ্যুত নিয়ে একটা লেখা লিখব (ব্লগ)। বিশেষত ভারত থেকে উচ্চমুল্যে বিদ্যুত আমদানি, কিংবা জরুরী প্রয়োজন মেটাতে টেন্ডার ছাড়াই প্ল্যান্ট স্থাপন ইত্যাদি বিষয়ে।

আপনার চাওয়া তথ্যের কোনটা দিয়েই সহায়তা করতে পারছিনা। আশা করি আপানার উদ্যোগ সফল হবে।

হিমু এর ছবি

ভারত থেকে কঠোর শর্তে বিদ্যুৎ আমদানি নিয়ে আমিও লিখব, তবে এই সিরিজের স্কোপের মধ্যেই।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

আবু রেজা এর ছবি

দাবি একটাই
লোডশেডিং থেকে বাঁচতে চাই।
:::::::::::::::::::::::::::::::::::::::::
যে জন বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গ বাণী
সে জন কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।।

যে জন বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গ বাণী
সে জন কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।।

হিমু এর ছবি

কিছু ছোটো-মেজ-বড় ধরনের আচরণগত পরিবর্তন ছাড়া সেটা আপাতত আগামী আট বছরের মধ্যে সম্ভব নয়।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

হিমু এর ছবি

পোস্টটা ৫০ বার পঠিত, কিন্তু একজনও বিলের ব্যাপারে কোনো উচ্চবাচ্য করছেন না মন খারাপ



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

হিমু, বিলের ব্যাপারটা আরেকটু স্পষ্ট করলে মনে হয় রেসপন্স ভালো আসবে। যেমন, আপনি কি এটা জানতে চাইছেন যে মাসে মাসে কত টাকা করে বিদ্যুত বিল দিয়েছে? নাকি কত ইউনিট খরচ করেছে তার হিসাব?

১। যারা ভাড়া বাসায় থাকে তাদের অনেক সময় ফ্ল্যাট-ওয়ারি মিটার থাকেনা
২। বিদ্যুতের বিল ঠিকঠিক মাসে মাসেও আসেনা। মিটার রিডার অনেক সময় নিজের খেয়াল খুশী মতো আসে এবং বিল করে দেয়।
৩। ভাড়া বাসায় হাতে লেখা বিল আসে, সেটাই পরিশোধ করতে হয়।
৪। সবচেয়ে খারাপ যেটা সেটা হলো মিটারের রিডিং যা থাকে তার অনেক আগের রিডিং অনুযায়ী বিল করে দেয়। অর্থাৎ সব সময়ই বিল তৈরী ও পরিশোধের একটা ল্যাগ থেকে যায়। বোঝাতে পারলাম কিনা বুঝতে পারছিনা।

আমি চেষ্টা করবো আমাদেরটা যোগাড় করতে। আম্মাকে বললেই তৈরী করে দেবে। কিন্তু সমস্যা হলো সেটা আমার কাছে পাঠানো নিয়ে। ঠিকাছে, দরকার হলে ফোনেই জেনে নেব।

হিমু এর ছবি

আমি আসলে একটা এক্সেল ফাইল তৈরি করে রেখেছি, সেখানে দুটো এককালীন ইনপুট [বাসার সাইজ (বর্গফুটে) আর স্পেসিফায়েড লোড (কিলোওয়াটে, বিলে লেখা থাকে)] দিতে হবে। আর ছয় বছরের জন্যে মাসিক ইউনিটের পরিমাণ, ইলেকট্রিসিটি চার্জ আর টোটাল মাসিক বিল, তেষট্টি মাসের জন্যে তিন তেষট্টি ১৮৯টা তথ্য দিতে হবে।

একটু বোরিং আর খাটনির কাজ, কিন্তু এগুলো লাগবেই। কয়েক ধরনের কেস স্টাডি করে আমাকে কিছু দাগ টানতে হবে।

ট্যারিফ স্ট্রাকচারে আমি দুই ধরনের পরিবর্তন সাজেস্ট করতে চাই, বিলের তথ্য না পেলে সেটা করা সম্ভব না।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

নাশতারান এর ছবি

এক্সেল ফাইলের জিজ্ঞাস্য তথ্যগুলো এখানে উল্লেখ করে দিন।

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

দিগন্ত এর ছবি

গুগল ডকসে একটা স্প্রেডশিট বানিয়ে শেয়ার করে দিন, সবাই যে যার মত আপডেট করে দেবে।


পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।


পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।

হিমু এর ছবি

আগে এই পদ্ধতিতে কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, "যে যার মতো" করে বলেই কাজটা এগোয় না। পুরনো সেই এক্সেল ফাইল পাঠিয়ে আদায় করে নিলে অন্তত পুরো একটা সেট পাওয়া যায়।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

শরতশিশির এর ছবি

বিলের ব্যাপারে এই প্রথম জানলাম। দেখি, ঢাকায় কী বলে। আর, এসি'র ব্যাপারে এক্সপেরিমেন্টের খবর পৌঁছে গেছে, এখন লোডশেডিং-এর দয়ার উপর ডিপেন্ড করে কারণ ডিপ্লোম্যাটিক জোনও এখন মাফ পাচ্ছে না! আর, সেই সাথে এসি ব্যবহারের সময়সীমার উপর রেস্ট্রিকশান জারি করেছে সরকার ইদানিং।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমি দেখতে চাই না বন্ধু তুমি
কতখানি হিন্দু আর কতখানি মুসলমান
আমি দেখতে চাই তুমি কতখানি মানুষ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমি দেখতে চাই না বন্ধু তুমি
কতখানি হিন্দু আর কতখানি মুসলমান
আমি দেখতে চাই তুমি কতখানি মানুষ।

ফ্রুলিক্স এর ছবি

লোকজন মনেহয় ইলেকট্রিসিটি বিল পরিশোধ করে না। তাই কোন উচ্চবাচ্য করছে না ;)।

সাবস্টেশন অটোমেশন, প্রটেকশন, কন্ট্রোল (ট্রান্সফরমার প্রটেকশন, ডিফারেনশিয়েল লাইন প্রটেকশন থেখে শুরু করে বিভিন্ন রকমের কন্ট্রোল/প্রটেকশন ডিভাইস নিয়ে কামলা দেই)। যদি দরকার হয় তো লাইনে আছি।(অবশ্য গুগলের যুগে সবই নেটে)।

হিমু এর ছবি

ওকে বস! তবে মনে হয় ঠিক এগুলো লাগবে না। আমি যেসব ব্যাপার নিয়ে কথা বলবো, সেগুলো খুব সাধারণ। কিন্তু এতো সাধারণ যে আমরা আর মাথা ঘামাই না।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

ফ্রুলিক্স এর ছবি

বস (!!) বলে লজ্জা দিলেন। আমি যে আমড়া কাজ করি তাতে সাধারন কামলাই বলা যায়।

কয়েকদিন আগে ট্রান্সফরমার প্রটেকশনের উপর কাজ করতে গিয়ে দেশের ট্রান্সফরমার পুড়ে যাওয়া (গ্রীষ্মের সময় বেশী হয়ে থাকে)এবং বিভিন্ন এলাকায় ট্রান্সফরমার চুরি র ফলে কৃষকদের দুর্ভোগের কথাগুলো মাথায় ঘুরতেছিলো।
বিদ্যুতের সিকিউর প্রবাহ এবং সিস্টেমলস কমানোর জন্য এদের এতো সাবধানতা দেখে সত্যিই অবাক হই।
(হয়তো কোন একদিন আমরাও.....)

হিমু এর ছবি

আরেকটা এক্সপেরিমেন্ট করতে হবে। ঘরে সক্রিয় এসি আছে, এবং মিটার দেখতে জানেন, এমন কেউ যদি এসি-সংক্রান্ত একটি এক্সপেরিমেন্টে আগ্রহী হন, প্লিজ টোকা দিয়ে যাবেন।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

সুবিনয় মুস্তফী এর ছবি

এক্সেল ফাইলের প্রিন্ট স্ক্রিন দিলে পাবলিকের বুঝতে সুবিধা হবে।
-------------------------
হাজার বছর ব্লগর ব্লগর

হিমু এর ছবি
এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

১। গুগল ডক্সে তুলে পাবলিক করে দাও। তারপর এখানে লিংকটা প্রকাশ কর।

২। একটা স্ক্রিনশট হলে পাঠকদের বুঝতে সুবিধা হবে। তাই সেটা করলেও ভালো হয়।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

ফারুক হাসান এর ছবি

কেমিকৌশলী লাগবে না একজনও? লাগলে হাত তুললাম। হাসি

লোডশেডিং সমস্যা সমাধানের জন্য আশা করছি বেশ কিছু সমাধানের পথ নিয়ে আলোচনা হবে ই-বইতে। যদি কোন ধরণের অপটিমাইজেশন করা লাগে খালি আওয়াজ দিবেন।

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

কিংবা এনার্জি কনভার্শন কেমিস্ট্রি, গ্যাসোলিন পাতন পদ্ধতি ইত্যাদিও তো লাগতে পারে। হাসি

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

ফারুক হাসান এর ছবি

0.
দেঁতো হাসি

১.
কেমিকৌশলীরা লোডশেডিংয়ে কষ্ট পায় না বুঝি!

২.
মুর্শেদ ভাই, আপনার কাছে কেমিকৌশল১০১ কোর্সটা এবার করতেই হবে।

হিমু এর ছবি

খুব লাগবে! গুরুত্বপূর্ণ একটা হিসাবই তো বাকি।

এই যে কাতার থেকে এলএনজি এনে গ্রিডে ঢোকানোর কথা হচ্ছে, হুইলিং চার্জ যোগ করে শেষমেশ গ্রাহকের কাছে এটাকে ন্যূনতম কত দামে দেয়া যাবে?



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

ফারুক হাসান এর ছবি

ওক্কে। হিসাবটা কবের মধ্যে লাগবে বইলেন।

হিমু এর ছবি

খুব তাড়াহুড়া নাই। তবে দেরিও কোরো না। আমি কীভাবে চ্যাপ্টার ব্রেক দিবো সেটা ভাবছি এখন।

বাংলাদেশে গ্যাসের মজুদ আর ডিপ্লিশন রেটের সাম্প্রতিক হিসাব নিয়েও আমার ধারণা আবছা। এ কারণে সিনারিও দাঁড় করাতেও সমস্যা হচ্ছে।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

ফারুক হাসান এর ছবি

বাংলাদেশের বর্তমান গ্যাস সিনারিও সম্পর্কে এখান থেকে কিছু ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

গ্যাসের মোট মজুদ একটা ভ্রান্ত ধারমা, যে যেভাবে প্রয়োজন সেভাবে একটা ডাটা বলে। BP স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ অফ ওয়ার্ল্ড এনার্জি ২০০৯ কে যদি বিশ্বাস করেন তাহলে ২০০৮ এর শেষে বাংলাদেশে প্রমাণিত গ্যাস মজুদ মাত্র ১৩.১ টিসিএফ। সাম্প্রতিক আবিষ্কৃত ক্ষেত্রগুলো ধরলে ‍‍২০ এর মত ধরে এগুতে পারেন।

*
হয়তো মনে আছে আপনার, গত বছর একটা ব-e খোলা হৈছিল 'শক্তি নিয়ে ভাবনা' নিয়া। সেইটাকে কি কোনভাবে জুড়ে দেয়া যায় এখনকার সাথে?

হিমু এর ছবি
দিগন্ত এর ছবি

কাতার থেকে ভারত (৭.৭ ডলার প্রতি মিলিয়ন বিটিইউ), চিন (৮.৮ ডলার প্রতি মিলিয়ন বিটিইউ) ও আমেরিকা (৪.৫ ডলার প্রতি মিলিয়ন বিটিইউ) বড় খদ্দের হিসাবে দীর্ঘমেয়াদী হিসাবে এল-এন-জি কেনে, তবে ভিন্ন-ভিন্ন শর্তে। ভারতের আমদানীকৃত গ্যাস গ্রাহকের কাছে যায় ১০ ডলার প্রতি মিলিয়ন বিটিইউ দামে, যা দেশী গ্যাসের দামের (৬.৬৭ ডলার প্রতি মিলিয়ন বিটিইউ) দ্বিগুণেরও বেশী। উল্লেখ্য, ইরান থেকে গ্যাস আমদানী হবার কথা প্রায় ৫ ডলার প্রতি মিলিয়ন বিটিইউ দামে। মায়ানমার থেকে আমদানীকৃত গ্যাসের দামও একইরকম ধরা হয়েছিল। কাতার থেকে আরো গ্যাস আনলে নতুন চুক্তিতে এর দাম গ্রাহকের কাছে ১৩ ডলার প্রতি মিলিয়ন বিটিইউ পড়বে। বলে রাখা ভাল, এল-এন-জি এর সাথে পাইপলাইনের গ্যাস মেলানো উচিত নয়, কারণ এল-এন-জি আমদানীতে প্রাথমিক বিনিয়োগ তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ। (সূত্র)

এগুলো থেকে বাংলাদেশে আমদানীকৃত গ্যাসের দাম সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। আমার ধারণা গ্রাহকের কাছে খরচা ১৩-১৫ ডলারের কাছাকাছি পড়বে।


পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।


পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।

দুর্দান্ত এর ছবি

হ! এই যন্ত্র আকাশ থেকেও পড়বে না, আর ভাড়ায়ও আনা যাবে না। যদি এমনই হয় যে এই যন্ত্র বসানোর টাকা আমাদের রাজকোশে পড়ে গড়াগাড়ি খাচ্ছে, তাহলে সেটা দিয়ে নগদে দেশী কয়লায়চালিত বিজলীকল করা হোক।

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

মেকানিক্যাল ক্যাড জাতীয় কিছু লাগলে আওয়াজ দিয়া গেলাম। খাইছে

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

হিমু এর ছবি

ভাবতেসি ...

আসলে বাংলাদেশের ম্যাপে যদি বিভিন্ন জেলা ইচ্ছামতো কালার কোড করা যেতো ... তাহলে কিছু জিনিস সহজে প্রেজেন্ট করা যেতো।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

কার্টোগ্রাফি? জিওগ্রাফিক্যাল ডাটা আছে?

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

দ্রোহী এর ছবি

কোন জেলায় কী রং মারতে হবে কন?

আপনে আপ্নার ডেটা ফাইলটা পাঠান, আমি পছন্দমতো ক্যাটক্যাটা সব রং মাইরে দিমুনে। হাসি

হিমু এর ছবি
দ্রোহী এর ছবি

মাইচ্চে.......... হাসি

কানা বাবা এর ছবি

সব রকম প্রকৌশলীই দেখি আপনার টিমে আছে। দয়া করে একজন অর্থনীতিবিদও নেবেন। কেবল তাহলেই টিমটা সম্পূর্ন হবে। বিদ্যুতায়নের জন্য পলিসি একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। আর সেখাই একজন অর্থনীতিবিদ লাগবে।

/----------------------------------------------------
ওইখানে আমিও আছি, যেইখানে সূর্য উদয়
প্রিয়দেশ, পাল্টে দেবো, তুমি আর আমি বোধহয়
কমরেড, তৈরি থেকো,গায়ে মাখো আলতা বরণ
আমি তুমি, আমি তুমি, এভাবেই লক্ষ চরণ।।

হিমু এর ছবি

আমাদের সিরিজটা বরং একজন অর্থনীতিবিদকে পলিসির ব্যাপারে কিছু কারিগরি অপশনস যোগাবে।

এনার্জি ইকোনমিস্ট চিনি না কাউকে মন খারাপ । এমন কেউ থাকলে ভালো হতো।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- খবরদার, আমারে কোনো কাজে ডাকাডাকি করবি না কৈলাম!

তোগো এইসব কারেন্ট-কুরেন্ট সব ইহুদী নাছারার আইডিয়া। আমি এইত্তানের মধ্যে নাই।

আমার হারিকেনই ভালো। হারিকেন জালামু আর আন্ধার ঘরে আল্লা আল্লা করুম। পরকালে বেহেশতে গিয়া সত্তুর বিবির কোলে উইঠা এসির বাতাস খামু লগে বিরিয়ানীও।

ইয়া হাবিবি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

হিমু এর ছবি
ধুসর গোধূলি এর ছবি

- বিশ ইউরো চাইস না দোস্ত। তারচেয়ে বেহেশতে আমার ফ্ল্যাটে আহিস। চোখ টিপি
মনেকর আমরা দুই দোস্ত মিল্যা বিরানী খামু শীতল পাটিতে বইসা আর আমার বিবিরা কোমর দুলাইয়া এসির বাতাস দিবো আমগোরে।

টেকা পয়সা দিয়া কী করবি? সব দুনিয়াবি জিনিস!!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সাফি এর ছবি

আর সাথে থাকবে ইউরো কোলা

স্পর্শ এর ছবি

এই উদ্যোগ কে সাধুবাদ। চলুক
দেশে না থাকায় বিল দিতে পারছি না। কিন্তু, যে কোনো ধরণের অংশগ্রহনে জন্য প্রস্তুত আছি।


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

অতিথি লেখক এর ছবি

বিল দিতে হয়না, তাই বিলের কাগজ ও নেই। মন খারাপ

তবে মিটার রিডিং দিতে পারব বোধহয়, প্রতিমাসে এসে লিখে দিয়ে যায়....চিন্তিত

নহক

সাফি এর ছবি

আমাদের বাসায় আলাদা মিটার রুম ছিল। তাই রিডার এলে আমাকে নিয়ে যেতে হতো সেই রুমে। সুতরাং আমাদের বা বিশেষ করে আমাকে না জানিয়ে রিডিং নেওয়া সম্ভব ছিলনা। হঠাৎ করে একদিন থেকে রিডার আসা বন্ধ করে দিলো। এর পর থেকে ডাক বাক্সেই দিয়ে যেত বিল। একবার আকাশচুম্বি বিল আসার পরে বিচার দিলাম আমরা। তদন্তে দেখা গেলো ভাই সাহেব নিজের মনের মাধুরী মিশিয়ে রিডিং তৈরী করতেন।

এ প্রসঙ্গে আরেকটা কথা বলি। আমি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ বিল অটোমেটেড করা নিয়ে একটা প্রজেক্ট করেছিলাম। তখন বিদ্যুৎ বিভাগের সেট আপ দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল। এটা ২০০৫ এর দিকের ঘটনা, তখন পর্যন্ত আমার জানামতে সরকারের সব বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে হাইটেক ছিল বিদ্যুৎ বিভাগ ই। অন্তত যন্ত্রপাতির দিক থেকে। লালমাটিয়াতে বিদ্যুৎ কতৃপক্ষের একটা অফিস ছিলো আর বিলিং এর হেড অফিস ছিল গুলশান-১ এ, ২০০৫ এই দুই অফিস ওয়ারলেসলি কানেক্টেড ছিলো। কিন্তু মজার ব্যপার হতো তারা সেই লিংকই ব্যবহার করতোনা, বা এর যে কোন ব্যবহার হতে পারে তা নিয়ে কোন ধারণাও কারো ছিল বলে মনে হয়নি। যাই হোক, আমাদের প্রজেক্টে মিটার রিডার সেলফোন বা ওয়ার্কস্টেশন থেকে সরাসরি ইনপুট দিতে পারত এবং সেই ইনপুট একবারে ডেটাবেজ-এ এন্ট্রি হয়ে যেত। বর্তমানে যেটা হয়, মিটার রিডাররা রিডিং লিখে নিয়ে যান, আর ডেটা এন্ট্রি অপারেটররা সেই ডেটাকে এন্ট্রি করেন। আমরা এর ইম্পলিমেন্টেশনের খরচ এর ধারণাসহ একটা রিপোর্ট করেছিলাম, যার এক কপি বিদ্যুৎ মন্ত্রনালয়ে জমা দিয়েছিলাম- কর্তাব্যক্তি এর পরে হয়ত তা দিয়ে কয়েকদিন বাতাস খেয়ে ফেলেই দিয়েছেন

হিমু এর ছবি

রিপোর্টটা পারলে কয়েক ভাগে ভাগ করে পোস্ট কর সচলে।

সরকারের কর্তারা মনে হয় না কোনো ইনোভেশন নিজ থেকে প্রয়োগ করেন। সরকারী সিস্টেমের ইনারশিয়া খুব বেশি, একদম ওপর থেকে তুঘলকি গুতা না দিলে কোনো কিছুই নড়ে না।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

সাফি এর ছবি

রিপোর্টটাতো সাথে নেই, দেশের কম্পিউটারেও আছে কিনা সন্দেহ আছে। তবে সফটওয়্যারটার ধাপগুলো মনে আছে। সেগুলো নিয়ে একসময় আলোচনা করবো বিস্তারিত।

থার্ড আই এর ছবি

শুভ উদ্যোগ। ক্যালকুলেশন করেন। কিন্তু আমার মনে হয় অপচয়টা রোধ করতে পারলে আমরা অনেকটাই সাশ্রয় করতে পারবো।

প্রথমত: গ্যাসের চুলায় বা ইলেকট্রিক হিটারে আমরা যারা কাপড় শুকাই তাদের এই বদ অভ্যাস দূর করতে হবে।

দ্বিতীয়ত : পুনরায় গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গেলে দিশলাইয়ের কাঠি খরচ হবে এই তালে মিট মিট করে গ্যাস জ্বালিয়ে রাখা বন্ধ করতে হবে।

তৃতীয়ত : টপ আপ/ পে এজ ইউ গো সিস্টেমের প্রচলনা জরুরী। যিনি যে পরিমান বিদ্যুত খরচ করবেন সেই পরিমান পে করবেন।

চুতর্থত : আমাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যে পরিমান বিদ্যুত ব্যবহার করা হচ্ছে সে পরিমান অর্থ সরকারের খাতে যাচ্ছে না। কেউ কেউ মিটার রিডিং উল্টো করে ঘুরিয়ে দিয়ে বিল চুরি করছে, কেউবা বিদ্যুত সরবরাহকারীদের সাথে সমোঝোতা করে বিল কমাচ্ছেন। কারোবা মিটার সয়ন্ক্রিয় হয়ে গেছে বিলই আসে না। আশা করি গবেষনায় এই বিষয়গুলো অন্তভূক্ত করবেন।

পঞ্চম : আরেকটি বিষয় জোর দেয়া প্রয়োজন, সরকারী অফিস আদালতে প্রচুর বিদ্যুত অপচয় হচ্ছে, অফিস কক্ষের বাতিটি অকারনে দিনের বেলায় জ্বালিয়ে রাখা। অফিসের নিরাপত্তার জন্য রাতের বেলা যে বাতিটি জ্বালিয়ে রাখা হচ্ছে সেই বাতিটি নিভানো হচ্ছে সকাল ৯/১০ টায় যখন অফিস কর্মচারী আসেন , কিন্তু সূর্যের আলো উঠবার পর বাকী যে ৪/৫ ঘন্টার বিদ্যুত অপচয় হচ্ছে সেই হিসাব আমরা করছি না। এই সমস্ত ক্ষেত্রে সয়ন্ক্রিয় কোন ব্যবস্থার কথা ভাবা যেতে পারে।

সবশেষে- রাজধানীতে শপিং মল গুলোতে অহেতুক আলোক সজ্জ্বা ও প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাতি ব্যবহারেও বিদ্যুত অপচয় হচ্ছে। এক্ষেত্রে একটা নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা থাকা দরকার অথবা এধরনের বিদ্যুত অপচয়কারীদের নিজস্ব বিদ্যুত প্লান্ট ব্যবহার করে নেয়ার প্রস্তাব দেয়া অথবা বানিজ্যিক ভাবে ব্যবহারের জন্য বিদ্যুতের দাম আলাদা ভাবে নির্ধারণ করে দিতে হবে।

আশাকরি এই বিয়ষগুলো নিয়ে মাথায় রাখলে বিদ্যুত অপচয় অনেক কমে যাবে।

-------------------------------
স্বপ্নকে ছুঁতে চাই সৃষ্টির উল্লাসে

-------------------------------
স্বপ্নকে ছুঁতে চাই সৃষ্টির উল্লাসে

একলব্য [অতিথি] এর ছবি

ভাবতেসি ...

আসলে বাংলাদেশের ম্যাপে যদি বিভিন্ন জেলা ইচ্ছামতো কালার কোড করা যেতো ... তাহলে কিছু জিনিস সহজে প্রেজেন্ট করা যেতো।

করা যাবে। Mapinfo softwareব্যবহার করে।
সাহায্য লাগলে আওয়াজ দিয়েন। আমার ই-মেলঃ

হিমু এর ছবি
সচল জাহিদ এর ছবি

আমার পদচারণা পানিসম্পদ, সেই দিক থেকে কোন সাহায্য প্রয়োজন হলে জানিও। পুরো উদ্যোগের সাথে আছি।

----------------------------------------------------------------------------
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি
নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

পউট্টাখালি [অতিথি] এর ছবি

এই লিঙ্ক http://www.desco.org.bd/index.php?pageid=5 মহা অঙ্ক! Current rate.

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- শুনেছিলাম বোধ'য়, কিন্তু মনে নেই ডেসা কবে থেকে ডেসকো'র কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করে দিলো! ডেসা কি এখন বিলুপ্ত?
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

হিমু এর ছবি

ডেসকো ঢাকার একটা প্রান্তিক জোন কাভার করে। ডেসার নাম এখন ডিপিডিসি।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

হিমু এর ছবি

পোস্টটা ৫৮৮ বার পঠিত হলেও ডেটা পাঠিয়েছেন মাত্র দু'জন, নৈষাদ আর লীন।

যাঁরা আগ্রহী, আমি তাঁদের ইমেইল করে একটা এক্সেল ফাইল পাঠাতে চেয়েছিলাম [কয়েকজনকে পাঠিয়েছি এরমধ্যেই]। মনে হচ্ছে খুব বেশি লোকে এতে আগ্রহী নন।



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

পোস্টটাকে একটু ঠেলা দিলাম। আর এই তথ্যটা জুড়ে দিলাম। কাজে লাগতেও পারে।

সৌরপ্যানেল তৈরি হচ্ছে দেশেই

ঢাকা, এপ্রিল ৩০ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য দেশের প্রথম সোলারপ্যানেল উৎপাদন কারখানা কাজ শুরু করেছে, যা দেশে বিদ্যুৎ সঙ্কট কাটিয়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উদ্যোক্তারা বলছেন।

শুক্রবার ঢাকার কাছে সাভারের আশুলিয়ার বড় রাঙ্গামাটি এলাকায় ১২০০ বর্গ মিটার আয়তন জুড়ে স্থাপিত এ কারখানা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী।

তিনি বলেন, "বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। এখন থেকে সরকারি যত ভবন নির্মাণ হবে; তাতে দুটো জিনিস অবশ্যই থাকবে। এর একটা হলো সৌর প্যানেল এবং অপরটি হচ্ছে বৃষ্টির পানি জমা করে রাখার জন্য ওয়াটার হারবেস্টিং।"

ইলেক্ট্রো সোলার পাওয়ার লিমিটেড নামে ইলেক্ট্রো গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠানটি এ কারখানাটি চালু করেছে।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনছার উদ্দিন বলেন, ২০০৯ সালের অক্টোবরে এ কারখানা স্থাপিত হয় এবং এ বছরের মার্চ মাস থেকে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়। গবেষণার সুযোগ সমৃদ্ধ এ কারখানায় ১০ জন ইঞ্জিনিয়ার ও ৭৫জন কর্মী রয়েছে।

সর্বনিু ৫ ওয়াট থেকে সর্বোচ্চ ২২০ ওয়াট পর্যন্ত ক্ষমতাসম্পন্ন এ সোলার প্যানেল ঘরবাড়ি, বাণিজ্যিক এবং শিল্প কারখানায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম।

আনছার বলেন, "সৌর প্যানেল ব্যবহার বিদ্যুৎ সঙ্কট কিছুটা হলেও কমানো যাবে।"

এ ধরনের আরো প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য তিনি শিল্পোদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ কারখানায় উৎপাদিত সৌর প্যানেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ওয়াটে। সে হিসেবে প্রতি ওয়াট এর দাম পড়বে ১৭৫ টাকা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দ মঞ্জুর ইলাহী, সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু, ইনফ্রাসটেকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লি. (ইডকল) এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইসলাম শরীফ, ইলেক্ট্রো গ্রুপের চেয়ারপারসন উম্মে বুশরা।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।