ই-বই: শক্তি নিয়ে ভাবনা ও ভবিষ্যৎ, প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

ফারুক হাসান এর ছবি
লিখেছেন ফারুক হাসান (তারিখ: মঙ্গল, ০৭/০৭/২০০৯ - ১২:৩৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সচলায়তনে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও অন্যান্য শক্তির সমস্যা নিয়ে এবং এর সমাধানে জীবাশ্ম ও জৈবজ্বালানি, ভূ-গর্ভস্থ তাপশক্তি, বায়ুশক্তি ইত্যাদির উপরে বেশ ফলপ্রসু আলোচনা হচ্ছে (যেমন, ভূগর্ভস্থ তাপবিদ্যুত: আনকোরা ভাবনা, বাংলাদেশে বায়ুবিদ্যুতের সম্ভাবনাকে কি অঙ্কুরেই নষ্ট করা হচ্ছে?)। সমস্ত পৃথিবীই এখন জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প খুঁজতে বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশের মত দেশে যেখানে বিদ্যুৎসহ অন্যান্য শক্তির যোগানের চাইতে চাহিদাই অনেকগুণে বেশি এবং প্রায় সবক্ষেত্রেই অপ্রতুল, আমাদের তাই এখন সময় হয়েছে শক্তি নিয়ে আরো বেশি ভাববার, নবায়নযোগ্য কিংবা বিকল্পশক্তির উপযোগিতা এবং এর বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখবার।

আমাদের সচলায়তন হতে পারে বাংলাদেশের শক্তিসমস্যা নিয়ে আমাদের উদ্বেগ, জ্ঞান, ভাবনা, চিন্তা, গবেষণা এবং পরিকল্পনাগুলোকে শেয়ার করার এবং তার মাধ্যমে ক্ষুদ্র হলেও নতুন কোনো দিকনির্দেশনা পাবার একটা দারুণ প্লাটফর্ম। উদ্যোগ নিলে কি না হয়! পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সচল এবং অতিথি সচলেরা যদি উদ্যোগী হন, শক্তি নিয়ে যার যার ধারণা, অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞানকে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে হলেও একটা প্লাটফর্মে একীভূত করেন, তাহলে আমরা নিশ্চই আজ থেকে দশ/পনেরো/বিশ বছর পরে হলেও বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য বিকল্প শক্তিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি দেশে পরিণত করার যুদ্ধে সামিল হতে পারি।

এই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই আমরা এই ইবই করার প্রস্তাব করছি। সকল পূর্ণ এবং অতিথি সচলের কাছে আমরা প্রস্তাব রাখছি, আপনার শক্তি বিষয়ক যে কোনো পোষ্ট এই ইবইয়ে সংযোজন করবেন। এই ইবইয়ের লক্ষ্য তিনটি।

  • প্রাথমিক পর্যায়ে জ্বালানিএবং বিকল্পশক্তি সম্পর্কে ধারণা, বিকল্পশক্তি বাস্তবায়নের প্রায়োগিক দিক, সমস্যা এবং এদের সমাধান সম্পর্কিত পোষ্ট, মন্তব্য এবং আলোচনাগুলো e-বই আকারে একীভূত করা।

  • যেহেতু শক্তি এবং শক্তি অবকাঠামো একটি ব্যাপক এবং আন্ত:বৈষয়িক সমস্যা, সেহেতু শক্তি সম্পর্কিত বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, অর্থনীতি, প্রশাসনসহ বিভিন্ন খাতে যারা কাজ করছেন কিংবা চিন্তাভাবনা করছেন তাদের সেই চিন্তাগুলোকে একীভূত করা।

  • বাংলাদেশের শক্তি অবকাঠামোকে সামনে রেখে একটি বাস্তব, কার্যকরী, সমন্বিত এবং সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনার দ্বার উন্মোচন।

প্রথম দুটি লক্ষ্য অর্জিত হলে তৃতীয়টির কাজ অনেকটাই সহজ হবে। তৃতীয় লক্ষ্যটি একটি ব্যাপক কার্যযজ্ঞ বলে মনে হলেও তার বাস্তবায়ন সম্ভব। আমরা যদি সচলের শক্তিকে একত্র করতে পারি আর স্বেচ্ছাশ্রম/গবেষণার মনোভাব নিয়ে আগাই তাহলেই সেটা সম্ভব। খুশির কথা, ইতিমধ্যেই অনেকে এতে ইতিবাচক সায় দিয়েছেন।

শুরুটা তাই শক্তি সম্পর্কিত পোষ্টগুলোকে একটা বইয়ের ফর্মেটে আনা দিয়েই হচ্ছে। এই ইবইয়ে যোগ করুন আপনার পোষ্টগুলো, নানান বিষয়ের উপর, যেমন-

  • বিদ্যুৎশক্তির সমস্যা ও সমাধান
  • বিদ্যুৎ তৈরিতে জীবাশ্ম জ্বালানি: তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, তরলিকৃত গ্যাস, হাইড্রোজেন, ইত্যাদি
  • বিকল্প কিংবা নবায়নযোগ্য শক্তি, যেমন পানি, স্রোত, বায়ু, তাপ, রাসায়নিক, পারমাণবিক, বর্জ্যতাপ, সৌরশক্তি ইত্যাদি
  • শক্তির সমন্বিত ব্যবহার
  • শক্তি অবকাঠামো
  • শক্তি অর্থনীতি
  • শক্তি অবকাঠামো প্রস্তাবনা ও পরিকল্পনা
  • বাংলাদেশের শক্তি ভাবনা ও ভবিষৎ
  • শক্তি এবং প্রাসঙ্গিক লেখার অনুবাদ
  • আন্তদেশীয় শক্তি প্রযুক্তি
  • শক্তি সচেতনতা ইত্যাদি।

বিভিন্ন বিকল্পশক্তির উপর সাধারণ পোষ্ট ছাড়াও আমরা নানানধর্মী পোষ্টের আশা করছি। যেমন,
যারা ব্যাংকিং নিয়ে কাজ করেন বা ধারণা রাখেন (যেমন, হাসিব, রিয়াজ, সুবিনয়, ....) তাদের কাছ থেকে শক্তিখাতে বিনিয়োগের উপযোগিতা, উৎসাহ, অর্থনৈতিক মডেল, এনালাইসিস, আয়-ব্যয়, প্রতিবন্ধকতা ইত্যাদি নিয়ে পোষ্ট,

যারা ব্যবসাপ্রশাসনে আছেন (যেমন, সুবিনয়, সিরাত, ....) তাদের কাছ থেকে তাদের দৃষ্টিকোণ থেকে কিভাবে শক্তিখাতে বিনিয়োগ করা নিয়ে ভাবেন সেই বিষয়ে পোস্ট,

যারা প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে শক্তি নিয়ে কাজ করছেন বা ধারণা রাখেন (যেমন, হিমু, জ্বিনের বাদশা, রেজওয়ান, শামীম, শিক্ষানবিস, রাগিব, দিগন্ত, ....) তাদের কাছ থেকে প্রায়োগিক ব্যাপারগুলো নিয়ে পোষ্ট,

যারা কাজ করছেন আবহাওয়া, ভূ-তত্ত্ব, জলবায়ু, পানি, বাতাস, ভূমি, সৌরতাপ এবং আঞ্চলিক যেসমস্ত ব্যাপারগুলো শক্তিখাতের সাথে জড়িত সে বিষয়ে (যেমন, দ্রোহী, হিমু, সচল জাহিদ, দিগন্ত, স্বাধীন, ....) তাদের কাছে তথ্যভিত্তিক পোষ্ট, বিশেষ করে বাংলাদেশের উপর প্রাসঙ্গিক তথ্যগুলো খুব কাজে দেবে,

যারা বাংলাদেশের পানি, বায়ু, যোগাযোগ, অবকাঠামো, পরিবেশ ইত্যাদি নিয়ে কাজ করছেন বা করেছেন (যেমন, সচল জাহিদ, ষষ্ঠ পাণ্ডব, গৌতম, কিংকং, সবজান্তা, .... এবং সকল পূর্ণ ও অতিথি সচল ), তাদের কাছ থেকে বাংলাদেশের শক্তিসমস্যা এবং সমাধানের উপর পোষ্ট,

প্রবাসী সচলদের কাছ থেকে প্রবাসের শক্তি অবকাঠামো সম্পর্কে পোষ্ট,
এবং সবার কাছ থেকে আরো অনেক অনেক অনেক পোষ্ট। দয়া করে সবাই পোষ্টগুলোকে এই ইবইয়ে সংযোজন করে নেবেন, সেটাই মূলত লক্ষ্য। কোনো পোষ্টকে ইবইতে যোগ করতে হলে ইবইয়ের পাতা হিসেবে সেটিকে লিখুন এবং প্যারেন্ট হিসেবে ইবইটাকে সিলেক্ট করে দিন।

আশা করা যায়, ভবিষ্যতে যারা শক্তি বিষয়ে জানতে আগ্রহী হবেন কিংবা গবেষণা করতে উৎসাহী হবেন তাদের জন্য এবং শক্তি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরিতে সচলায়তনের এই ইবই কিছুটা হলেও সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এই ইবই সম্পর্কিত যে কোনো সাজেশন দয়া করে মন্তব্যের ঘরে জানাবেন।


মন্তব্য

হিমু এর ছবি
ফারুক হাসান এর ছবি

ইবুকের আইডিয়া তো আপ্নেরই!

আগে প্রকাশিত প্রাসঙ্গিক পোষ্টগুলো কীভাবে এখানে জুড়ে দেয়া যায়?

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

আগের লেখকদের অনুমতি সাপেক্ষে ব্লগ থেকে বইতে কনভার্ট করে জুড়ে দেয়া যায়।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

ফারুক হাসান এর ছবি

সেক্ষেত্রে সব সচলকে অনুরোধ জানাবো, আপনার শক্তি বিষয়ক পোষ্টগুলো এই ইবইয়ে জুড়ে দিন। তাহলে কাজটা সহজ হবে।

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

চমৎকার উদ্যোগ! হিমুর সাথে অনেক আগে একবার এরকম একটা আইডিয়া নিয়ে আলোচনা করেছিলাম। বলা বাহুল্য সময়াভাবে আর আগানো হয় নাই।

সমস্যা হচ্ছে আমার ঢাকার বাসায় গোটা পাঁচেকের বেশী বই পড়ে আছে এসব বিষয়ে। হাতের কাছে নেই। স্মৃতি আর অনলাইন রিসোর্স ঘেঁটে হয়ত কিছু লেখা যায়। দেখা যাক সময় করতে পারি কিনা।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে নীচের বিকল্প সোর্সগুলো গুরুত্বপূর্ণ:

১। সোলার
২। উইন্ড
৩। জিওথার্মাল
৪। টাইডাল ওয়েইভ
৫। বায়োগ্যাস

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

সুমন চৌধুরী এর ছবি

অসাধারণ উদ্যোগ। আমি নন্টেকি লোক। আমার কাজ শুধু এগুলা পইড়া পইড়া জানা।



অজ্ঞাতবাস

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

বদ্দার মন্তব্যে দিলাম
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

হিমু এর ছবি

পুরনো পোস্টগুলি সব গুছিয়ে লেখা না। ব-e এর পাতায় বরং গুছিয়ে লেখার চেষ্টা করা যায়। পুরনো লেখাগুলির লিঙ্ক প্রসঙ্গ এলে দিয়ে রাখা যাবে।

আর একটা দিকে পোস্টে আলোকপাত করা হয়নি তেমন ... পানি! সচলে কয়েকজন জলজ্যান্ত জলসম্পদকৌশলী আছেন, তাঁরা পানির গতি আর স্থিতিশক্তিকে কাজে লাগানোর ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়ে পাতা যোগ করতে পারবেন।

এই মুহূর্তে যা জরুরি মনে পড়ছে, সুবিনয় আর হাসিব বাংলাদেশে শক্তিখাতে বিনিয়োগে ব্যাঙ্কগুলির করণীয় সম্পর্কে লিখতে পারেন। বিশেষ করে ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করে একজন শক্তিব্যবসায়ী কীভাবে কী হারে কবে নাগাদ লাভের মুখ দেখতে পারবেন, ফিন্যান্সের সেই জটিল ব্যাপারে আলোকপাত জরুরি।



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

ফারুক হাসান এর ছবি

জলযোগ করে দিচ্ছি এখনই!

এনকিদু এর ছবি

দারুন উদ্যোগ । চলুক


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...

সচল জাহিদ এর ছবি

ফারুক এবং হিমু

চমৎকার উদ্যোগ। আমি জলবিদ্যুৎ বিশেষ করে নদী ব্যারেজ, জোয়ার ভাটা ও সামুদ্রিক ঢেউ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উপর একটা পোষ্ট দিব।

-----------------------------------------------------------------------------
আমি বৃষ্টি চাই অবিরত মেঘ, তবুও সমূদ্র ছোবনা
মরুর আকাশে রোদ হব শুধু ছায়া হবনা ।।


এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।
বিশ্ব পানি দিবসব্যক্তিগত ব্লগ। কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অভ্র।

ফারুক হাসান এর ছবি

চলুক
বিস্তারিত লিখবেন আশা করি।

মোঘল [অতিথি] এর ছবি

ভালো আইডিয়া দিছোস মামা।

স্বাধীন এর ছবি

চমৎকার এই উদ্যোগের সাথে আছি। জাহিদ যদি জলবিদ্যুতের উপর লিখে তবে আমার সেখানে যুক্ত করার বিষয় সামান্যই থাকবে বলে মনে হয়। তারপরও আমি ওকে সহযোগিতা করবো। আমি আপাতত যেটা করছি সেটাই করে যাই। এটা শক্তির সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, তবে দশ/পনের বছরের পর যে বাংলাদেশ এর স্বপ্ন দেখি আর তাতে সচলের যে অবদান তার সাথে সম্পর্কিত থাকবে কোন সন্দেহ নেই। আমি বাংলাদেশের মত রাষ্ট্রের জন্য একটি সামাজিক বা অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জন্য কাজ করছি। একটি নুতন রাজনৈতিক মতাদর্শ দাঁড় করানো যায় কিনা তা দেঁখছি। দেখা যাক কতটুকু কি করা যায়। সকলের সহযোগিতা এবং মূল্যবান মন্তব্য আশা করছি আমার লেখা গুলোতে।

ভুতুম এর ছবি

চমৎকার উদ্যোগ।

-----------------------------------------------------------------------------
সোনা কাঠির পাশে রুপো কাঠি
পকেটে নিয়ে আমি পথ হাঁটি

যুধিষ্ঠির এর ছবি

দারুণ উদ্যোগ!

রঙ্গিন মডুগণ, এই পোস্টটা কয়েকদিন নীড়পাতায় স্টিকি করলে ভালো হত না?

দিগন্ত এর ছবি

যুক্ত করে দিলাম। আগেরবারে মিস করে গেছি বলে দুঃখিত।


পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।


পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

গ্রেট!
____________
অল্পকথা গল্পকথা

সিরাত এর ছবি

লিখার ইচ্ছা রাখলাম! হাসি ভাল উদ্যোগ!

নীড় সন্ধানী এর ছবি

‍‌বাংলাদেশের যতগুলো সমস্যা নিয়ে আমাদের দুশ্চিন্তা করার আছে জ্বালানী শক্তি সমস্যা হলো তার মধ্যে এক নম্বর। নবায়নযোগ্য শক্তি ছাড়া বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশের জ্বালানী সমস্যার সমাধান কখনোই সম্ভব নয়। ভিক্ষা করে হলেও যদি তেমন প্রযুক্তি আমদানী করতে হয় আমি তার পক্ষে।

কিছুদিন আগে VIVACE(Vortex Induced Vibrations Aquatic Clean Energy) নামের প্রযুক্তির কথা পত্রিকায় পড়ার পর আমি একজন নন-টেকি হয়েও ব্যাপারটা মাথার ভেতর থেকে ফেলতে পারছিলাম না।

পরিবেশবান্ধব এই যুগান্তকারী প্রযুক্তির উদ্ভাবক যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যাভাল আর্কিটেকচার ও ম্যারিন ইন্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর Dr. Michael M. Bernitsas। নদী বা সমুদ্রের বহমান স্বল্পগতির জলরাশির গতিকে কাজে লাগিয়ে ঘুর্নায়মান টারবাইনের সাহায্যে বিদ্যুত উৎপাদন সম্ভব। মিশিগান ইউনিভার্সিটির ল্যাবরেটরীতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সফল হবার পর বর্তমানে ডেট্রয়েট নদীতে একটা প্রোটোটাইপ পরীক্ষার প্রস্তুতি চলছে।

বৈপ্লবিক এই প্রযুক্তির বাস্তবায়ন সম্ভব হলে সারা বিশ্বের জ্বালানী সমস্যার বিরাট অগ্রগতি হবে। আর বাংলাদেশের মতো নদী নির্ভর দেশের জন্য এটা পোয়াবারো। প্রযুক্তির প্রোটোটাইপ পরীক্ষা শেষ হবে এবছরের শেষ দিকে।

বাংলাদেশের ভাগ্য বদলের সম্ভাব্য এই প্রযুক্তি আমার নজর কেড়েছিল বলে ব্যক্তিগত আগ্রহে যোগাযোগ করেছিলাম প্রযুক্তির আবিষ্কারক Dr. Bernitsas সাথে। বাংলাদেশে এই প্রযুক্তির প্রয়োগের প্রাসঙ্গিকতা উল্লেখ করে আমার কিছু প্রশ্ন নিয়ে আমি ওনাকে একটা মেইল পাঠিয়েছিলাম। উনি বলেছেন বাংলাদেশের জন্যও এটি কাজে লাগতে পারে এবং বললেন ওনার পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশ এটা নিয়ে একটা দুরতম স্বপ্ন দেখতে পারে।

প্রযুক্তিটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য http://www.vortexhydroenergy.com

-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-
সেই সুদুরের সীমানাটা যদি উল্টে দেখা যেত!

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

রায়হান আবীর এর ছবি

মনের মতো একটা বিষয়। অনেক ধন্যবাদ উদ্যোগ গ্রহণের জন্য। মাঝখানে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়ে একটা লেখা রেডি করে বাংলা অনুবাদ শুরু করেছিলাম। কিন্তু আগানো হয়নি। সময় করে ছেড়ে দিবো আশা করি।

অম্লান অভি এর ছবি

জীবনের গতি বুঝি ঐ শক্তির কাছে পরাজিত হয়। সেই শক্তির মত্ততা এবার ধরা দেবে চিন্তাশীল সচল/অতিথি সচল এর হাত ধরে সচলায়তনের পাতায়। পাঠকের সারিতে নিজেকে রাখব অবশ্যই।
আর যদি কোন স্ফুলিঙ্গ আগুন জ্বালতে সাহায্য করে তবে কীবোর্ডে রাখব হাত। (আশাহীনতায় এক কামলার আশা)

মরণ রে তুহু মম শ্যাম সমান.....

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।