এই গল্পটি লুৎফর রহমান রিটনের

মৃদুল আহমেদ এর ছবি
লিখেছেন মৃদুল আহমেদ (তারিখ: মঙ্গল, ১৩/০৫/২০০৮ - ৪:৩৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গল্পটি ছাপা হয়েছিল ছোটদের কাগজ-এ। ২০০১-এর শেষের দিকে হয়ত! সদ্য তরুণ এক চিরকালের লেট লতিফ লেখক সেই গল্পটির মালিক।
লুৎফর রহমান রিটন নামের একজন বিখ্যাত ছড়াকারের (তাঁর অনেক গুণ, শুধু ছড়াকারটাই বলি... আর তিনি নিজেও বোধহয় এটাতেই সবচেয়ে আরাম পান) উৎসাহে সে সমানে লিখে চলছিল ছোটদের কাগজ-এ।
ছড়া, চিঠি, গল্প, কিশোর কবিতা। এমন কি, রিটনের পরম উৎসাহে ছোটদের কাগজের ঘাড়ে বন্দুক রেখে কয়েকজন সিনিয়র লেখকের দিকে গুলি ছুঁড়তেও দ্বিধা করে নি সে।
রিটন পরম স্নেহে তাকে চিঠিপত্র বিভাগে (যার নাম ছিল ভালো লাগা মন্দ লাগা) একটি নিয়মিত কলাম বরাদ্দ দিয়েছিলেন "মৃদু ভালো লাগা মৃদু মন্দ লাগা" নামে। গর্বে বুক আধহাত ফুলে গিয়েছিল সেই দায়িত্ব পেয়ে।
এরকম চর্চার ভেতর দিয়েই ক্রমশ কিশোর থেকে বড় মানুষ হয়ে উঠছিল সে। তখনও বোঝে নি, তার নামটা একটা ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে যাচ্ছে। সেই ইতিহাসের নাম "ছোটদের কাগজ"।
এখন পিছন ফিরে দাঁড়ালে সেই স্মৃতির দিকে তাকিয়ে সে আলোড়িত বোধ করে... যেরকম বোধ কাজ করেছিল নীল আর্মস্ট্রং-এর মনে, চাঁদের পিঠে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে... আশ্চর্য! ঐ জগতটায় আমরা থাকি!
সেই তরুণটিও এখন সেদিকে তাকিয়ে ভাবে, আশ্চর্য! আমিও সেই সময়ে ছিলাম!
ছোটদের কাগজ-এ তার এই গল্পটি ছাপা হবার পর সহকারী সম্পাদক খালেদুর রহমান জুয়েল তাকে জানিয়েছিল, রিটন ভাই তোর গল্পটা খুব পছন্দ করেছে!
শুনে খুশিতে ডগোমগো হয়ে গিয়েছিল সে।
এবং আশ্চর্য, এই সেদিন রিটন মা দিবসে তার যে লেখাটি লিখলেন, "তারে জমিন পর"কে নিয়ে, সেই ফিল্মটির কাহিনীর সঙ্গে এই গল্পটির আঙ্গিকগত একটি মিল আছে!
সাত বছর আগের একটি গল্প খুঁজে বের করা একটু কঠিন। তবে শেষপর্যন্ত তার খোঁজ পাওয়া গেল অনেকগুলো ওয়ার্ড ডকুমেন্ট ওপেন করতে করতে আঙ্গুল ব্যথা হয়ে যাবার পর।
লেট লতিফ এই লেখকটির নাম মৃদুল আহমেদ।
তবে এই গল্পটি লুৎফর রহমান রিটনের। তাঁর উৎসাহ এবং সেই বিশাল খেলার মাঠটি না পেলে এই লেখালেখিগুলো হত না!

গল্পের নাম : মেয়েটা

আয় একটা গল্প বলি!
কিসের গল্প--হাসির?
হাসির গল্প হতে পারে, আবার কান্নার গল্পও হতে পারে!
সে আবার কী?
মজার গল্পও হতে পারে, আবার নীরস গল্পও হতে পারে, যেভাবে তুই নিস!
কেমন যেন সন্দেহজনক মনে হচ্ছে!
তবে থাক, শুনে কাজ নেই!
আচ্ছা বাবা, অত রাগ করার দরকার কী? বলেই ফেল গল্পটা, তবে দেখো, শেষের দিকে আবার কোনো কান্নার ফ্যাচফ্যাচানি শুনতে হবে না তো?
কে বলতে পারে?
যা বাবা, আচ্ছা, কান্না না হয় খানিক থাকলই, কিন্তু খানিকটা মজাও যেন থাকে!
কে জানে!
আরে, কোনো শর্তেই দেখি রাজি হবে না! বেশ তো, গল্পের ভেতরে একটু হাসতে-টাসতে যেন পারি!
সে তুই জানিস!
হাঃ হাঃ হাঃ আজকে তোমার কী হয়েছে বল তো! কিসের গল্প বলবে তুমি?
একটা মেয়ের।
কোন মেয়ে? কোথায় থাকে সে?
বাংলাদেশের যে কোনো জায়গাতেই সে থাকতে পারে, আর যে কোনো মেয়েই হতে পারে।
ধুত্তোরি! এরকম ধোঁয়া ধোঁয়া কথা ভাল্লাগে না! যা বলবে স্পষ্ট করে বল!
খুবই স্পষ্ট করে বলছি--একেবারে স্পষ্ট! আগে থেকে জানতে না চেয়ে বরং চুপ করে শুনে যা!
বেশ, চুপ করলাম, বলে যাও।
মেয়েটার নাম দিনা। ওর নাম অবশ্য রূপাও হতে পারত, কিংবা মণিও হতে পারত, কিন্তু সে এক কথাই। তাই মেয়েটার নাম দিনা।
দিনা যখন ক্লাস ফাইভে পড়ে, তখন একটা মজার ঘটনা ঘটে গেল। দিনারা যে এলাকায় থাকে, সে এলাকার বেশ কয়েকটি স্কুল মিলে আন্তঃস্কুল চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। দিনাদের স্কুলও সে স্কুলগুলোর মধ্যে একটা, তাই ওদের স্কুলের দেয়ালেও পোস্টার পড়ল ।
বার্ষিক পরীক্ষার সময় ছাড়া আর কখনো ছবি আঁকে নি দিনা, তাও কাঁঠাল, পেঁপে, আম, নৌকা, জাতীয় পতাকা এসব। ওর প্রিয় বান্ধবী অনু ছবি আঁকতে ভালোবাসে। ছবি আঁকার হরেক সরঞ্জামও আছে তার কাছে। ওরই উৎসাহ বেশি--আমি তো আঁকবই, তুইও আঁকবি আমার সঙ্গে!
অনুর উৎসাহেই দিনা ছবি আঁকার প্রতিযোগিতায় নাম লেখাল। অসুবিধা তো কিছু নেই, কোনো টাকাপয়সা দিতে হবে না, বাবা-মার স্বাক্ষর নিতে হবে না, অন্য কোনো জায়গায় গিয়েও ছবি আঁকতে হবে না।
দিনার বাবা গোঁড়া টাইপের মানুষ। ছবি আঁকা, নাচ শেখা, গান গাওয়া ইত্যাদি না-জায়েজ বিষয় থেকে সবসময় নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখেন। দিনা সেজন্য বাসায় এ ব্যাপারে একেবারে নীরব রইল। মাকে জানাবে ভেবেছিল, শেষে জানাল না। এমন কিছু গুরুতর ব্যাপার তো নয়!
শুক্রবার ছিল প্রতিযোগিতার দিন। অনুর বাসায় যাবার নাম করে বেরিয়ে পড়ল দিনা। স্কুলের মাঠে অনুর পাশে বসেই অবশ্য ছবি আঁকলÑঅনুর রঙপেন্সিল দিয়ে, অনুরই কাগজে। আঁকল, তারপর জমা দিল। কী যে আঁকল, সে নিজেও ঠিকমতো বলতে পারবে না। খুব মনপ্রাণ ঢেলেই আঁকল, যদিও আগে কখনো এরকমভাবে আঁকে নি, এতটুকু চর্চাও করে নি, তারপরও তার মনটা কেমন যেন ভরে উঠল। আর সবার মতোই ছিল ওর ছবির বিষয়বস্তু, কিন্তু ওর মনে হতে লাগল, আর দশজনের থেকে ওর ছবিটা যেন একটু আলাদরকমের হয়েছে।
তারপর কী হল? দিনা কি ফার্স্ট প্রাইজ পেয়ে গেল প্রতিযোগিতায়?
না, দিনা ফার্স্ট প্রাইজ পেল না, সেকেন্ড প্রাইজ পেল না, থার্ড প্রাইজও পেল না। পাবে কী করে, এটা তো রূপকথা নয়, কোনোদিন ছবি এঁকেছে নাকি এর আগে? ওর বান্ধবী অনু, সে তো কতদিন ধরে ছবি আঁকছে, সেই কি পেল?
ওদের ছবি আঁকা যে শুক্রবারে হল, তার পরের শুক্রবারেই ছিল বিজয়ীদের নাম ঘোষণার দিন। আর সৌভাগ্যক্রমে সে অনুষ্ঠান দিনাদের স্কুলেই পড়ল। যে শিল্পীকে আনা হয়েছিল বিচারক হিসেবে, তাঁকে বাংলাদেশের সবাই চেনে।
কে?রফিকুন নবী, না হাশেম খান, নাকি মোস্তফা মনোয়ার, না আর কেউ?
যাকে তুই ভাবিস! কিন্তু সেকথা এখানে নয়। ফার্স্ট, সেকেন্ড, থার্ড যারা হল, তারা এক একে পুরস্কার নিয়ে নেমে গেল। শিল্পী মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়িয়ে নাম ঘোষণা করছিলেন, হঠাত্ একটু থেমে গুরুগম্ভীর স্বরে সবাইকে বললেন, এবার আমি আপনাদের সবাইকে একটি ছবি দেখাব...
বলেই তুলে ধরলেন একটা ছবি। কার ছবি--বুঝতে পারছিস?
নিশ্চয় দিনার ছবি?
ঠিক তাই। ছবিটা তুলে ধরে তিনি বলে চললেন, এ ছবিটা কখনো ফার্স্ট হবে না, সেকেন্ডও হবে না, কিন্তু এই ছবিটা ভারী সাঙ্ঘাতিক ছবি। যে মেয়েটা এই ছবিটা এঁকেছে, সে আনাড়ি, কিন্তু রঙ আর রেখার ব্যবহার সে যেন জন্ম থেকে শিখে এসেছে। এই ব্যবহার জানতে অনেক শিল্পীকেই তার জীবনের অনেক সময় পার করে ফেলতে হয়। আমি এই মেয়েটিকে আপনাদের সবার সামনে ডাকব...
এই বলে তিনি ছবির নিচে লেখা দিনার নাম আর স্কুলের নাম ঘোষণা করলেন।
তারপর--তারপর কী হল ?
দিনা অভিভুত, স্তব্ধ, রাজ্যের লজ্জা আর জড়তা এসে যেন ভর করেছে তার ওপর, পা যেন আর সরছে না। অনু ধাক্কা দিয়ে তাক এগিয়ে নিয়ে চলল মঞ্চের দিকে, ঠেলে উঠিয়ে দিল সিঁড়ি দিয়ে। মঞ্চের সামনে সারাটা মাঠ ভরে উঠল পাগলের মতো হাততালি আর চিৎকারে। দিনা ঠিক বুঝে উঠছিল না কী করবে।
শিল্পী আরো বললেন, আপনাদের এই অনুষ্ঠানে ফার্স্ট, সেকেন্ড আর থার্ড ছাড়া আর কারো জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয় নি। কিন্তু মঞ্চে যখন ডেকেছি, তখন পুরস্কারের ব্যবস্থা তো করতেই হয়। আমি ঠিক করেছি এই মেয়েটিকে আমার সাধ্যমতো ছবি আঁকা শেখাব, আর এ ব্যাপারে ওর কোনো খরচ বহন করতে হবে না।
আরেকবার তুমুল করতালিতে ফেটে পড়ল চারদিক।
এইভাবে দিনা তার জীবনের প্রথম যে পুরস্কার পেল, সেটা প্রথম, দ্বিতীয়, বা তৃতীয় পুরস্কার নয়। অথচ সেটা এমন পুরস্কার যে, প্রথম পুরস্কার পাওয়া প্রতিযোগীও সেটার জন্য ঈর্ষা বোধ করে। বুঝে দেখছিস ব্যাপারটা?
তারপর কী হল? দিনা মস্ত বড় শিল্পী হয়ে গেল একসময়?
মোটেই নয়। অনু ছিল দিনার সত্যিকার বান্ধবী, নিজেদের গাড়িতে করে দিনাকে প্রতি শুক্রবার সেই শিল্পীর কাছে ছবি আঁকা শেখাতে নিয়ে যেত। কিন্তু একসময় দিনার বাবা জেনে ফেললেন। একদিন রাস্তায় পেয়ে অনুর বাবাকে খুব অপমানও করলেন। সেই থেকে অনুর সঙ্গে দিনার ভুল বোঝাবুঝি হয়ে সম্পর্ক নষ্ট। শিল্পীর কাছে আর যাওয়া হল না।
পরে সে মাকে বলে লুকিয়ে লুকিয়ে একটা ছবি আঁকার স্কুলেও ভর্তি হয়েছিল। কিন্তু সেখানে যাওয়া-আসার পথে বখাটে ছেলেদের এমন বিশ্রি উৎপাত যে দিনার আস্তে আস্তে ঘেন্না ধরে গেল।
এরই মধ্যে দিনা টের পেল সে বড় হয়ে উঠেছে, বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালে আশপাশের বিল্ডিংগুলো থেকে পাঁচ-সাত জোড়া চকচকে চোখ তার দিকে চেয়ে থাকে। বারান্দায় দাঁড়িয়ে আকাশ দেখা, পাখি দেখা, ফুল দেখা বন্ধ হয়ে গেল। যে ওরকম মুক্তভাবে আকাশ দেখতে পারে না, সে কি আর ছবি আঁকতে পারে?
এখানেই শেষ নয়। দিনার বাবা বিধান দিয়েছেন, মেয়ের রকম ভালো না, কী সব হাবিজাবি আঁকাঝোঁকার দিকে মনোযোগ। সুতরাং মেট্রিক পরীক্ষা দেয়ার পরেই মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেবেন।
এমনি করেই দিনার চারপাশের পথগুলো একটা একটা করে বন্ধ হয়ে এল। ওর ভেতরের শিল্পীমনটা আস্তে আস্তে মরে গেল।
দিনা এখন আর ছবি আঁকে না, দিনা আর এখন ততটা হাসে না, দিনার জীবনের আকাশ এখন পিঙ্গল।
আরে, দাঁড়াও দাঁড়াও, তোমার এই গল্পের ভেতর কী যেন একটা ব্যাপার আছে, কেমন যেন অনুভূতি হচ্ছে আমার, কেমন যেন কষ্ট লাগছে!
ঠিক এরকমই আরো একটা দিনা এখন আর গান গায় না, আরো একটা দিনা আর নাচে না, আরো একটা দিনা লেখে না...
আরে, তোমার এটা তো নিছক গল্প নয়, এ যে সত্য ঘটনা মনে হচ্ছে--প্রতিদিনকার নির্মম সত্য!
তুই যেরকম ভাবিস!


মন্তব্য

স্নিগ্ধা এর ছবি

চমৎকার!! আপনার লেখার ভঙ্গির সবচাইতে ভালো দিক এর ঋজুতা!

লুৎফুল আরেফীন এর ছবি

সেরাদের সেরা!
অনন্য একটি গল্প!। খুব অল্প সময় নিয়ে সচলে এসে পড়লাম। মন্তব্য ছাড়া যেতেই পারলাম না!

___________________________
বুড়োরা সবাই সমস্বরে বললো, "নবজন্ম", আমি চাইলাম "একটা রিওয়াইন্ড বাটন"

রায়হান আবীর এর ছবি

দারুন...

---------------------------------
জ্ঞানীরা ভাবলেন খুব নাস্তানাবুদ করে ছাড়া গেছে...আআআহ...কি আরাম। বিশাল মাঠের একটি তৃণের সাথে লড়াই করে জিতে গেলেন।

ছোট্ট তৃণের জন্য অপরিসীম ঘৃণা।

মৃদুল আহমেদ এর ছবি

এই লুৎফুল ভাই, আপনার কী হল বলেন তো? বহুদিন প্রাণ খুলে হাসি না... লেখা চাই! আপনার লেখা চাই!
---------------------------------------------
বুদ্ধিমানেরা তর্ক করে, প্রতিভাবানেরা এগিয়ে যায়!

--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

অতি অসাধারণ! হাসি

আরিফ জেবতিক এর ছবি

।ভালো লেগেছে ।

-----------------------------
কালের ইতিহাসের পাতা
সবাইকে কি দেন বিধাতা?
আমি লিখি সত্য যা তা,
রাজার ভয়ে গীত ভনি না।

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

চলুক চলুক চলুক

সংসারে এক সন্ন্যাসী এর ছবি

‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍"মৃদু ভালো লাগা মৃদু মন্দ লাগা" কলামের দায়িত্বে মৃদুল হাসি

চমত্কার লাগলো।

আপনার গল্পের শুরুটি পড়ে মনে এলো এক রুশ শিশুসঙ্গীতের কথা।

একটি মামুলি রূপকথা
(হয়তো রূপকথা নয়, হয়তো মামুলিও নয়)
তোমাদের শোনাতে চাই।
রূপকথাটি জানি আমরা ছোটবেলা থেকে
(হয়তো ছোটবেলা থেকে নয়, হয়তো জানিও না)...

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমি তুষ্ট আত্মপ্রেমেই। এর সুবিধে হলো, প্রতিদ্বন্দ্বী কেউ নেই চোখ টিপি

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
টাকা দিয়ে যা কেনা যায় না, তার পেছনেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয় কেনু, কেনু, কেনু? চিন্তিত

লুৎফর রহমান রিটন এর ছবি

সচলায়তন তো দেখছি আমার ছোটদের কাগজের লেখক-পাঠক-বন্ধুদের বিশাল সমাবেশ!
আর তুমি তো মিয়া হিট যাইতাছো। প্রতিদিন আসা হয়না এখানে। তবে ‘কাযা’পড়ি নিয়মিত।
তুমি, আকতার, সন্যাসীরা তো দেখতাছি আমারে ভাতে মারণের প্ল্যান প্রোগ্রাম লইয়া মাঠে নামছো। এতো ভালো ভালো ছড়া তোমরা লেইখা ফালাইলে আমি হালায় যামু কই?

হাবু বেশ বড়সড়,গাবুটা তো পিচ্চি
হেরে গিয়ে হাবু বলে--উৎসাহ দিচ্ছি!

খুব কি জরুরী? এর ছবি

i earnestly beg your perdon for writing in english font. I don't have time to type it in bangla font as i shamefully admit that my bangla typing skills are far inferior to my english typing.. anyways.. on the topic

prochondo shotti kotha.. ottonto dukkhojonok holeo shotti emon ki ajker jugeo onek baba mai jeno meye ke biye diye ghar theke fele dite parlei haaf chere bachen.. meye to noy jeno honumaner bojha... meyer shukher theke paribarik chahida hoye othe onek onek beshi guruttopurno... porinoti dina der shopnobhongo, hoyto ba jibonaboshan ...

oshadharon ekta lekha.. lutfor rahman riton der moton muktochintar odhirari ra achen bolei amra bodhoy asha korte pari je dinader proti ei paribarik ottachar er nagpash theke amra ekdin mukto hobo.. amader meyera porashuna korbe mukto bhabe.. biye korbe shadhin bhabe.. shadhin icchay.. paribarik chap e noy

ar kono meyeke jeno high school er gondi per hote na hotei poribarer agrohe biye korte na hoy..

eto tukui asha ...

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

কষ্ট করে এই লিংক থেকে অভ্র নামিয়ে নিতে পারেন। আপনি যেভাবে লিখলেন, সেটাই বাংলায় রূপান্তরিত করে দেবে। বাড়তি কোন ঝামেলা নেই, বিজয় বা অন্য কোন কিবোর্ড মুখস্ত করারও প্রয়োজন নেই।


রাজাকার রাজা কার?
এক ভাগ তুমি আর তিন ভাগ আমার!

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।