দোষ কারো নয় গো মা

সুমন চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন সুমন চৌধুরী (তারিখ: রবি, ২৬/০৮/২০০৭ - ৯:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিষয়টা গোড়া থেকে বুঝতে চেষ্টা করি। রাষ্ট্রপতি ইয়াজুদ্দিন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টার পদে থেকে ত্রুটিপূর্ণ ভোটার তালিকা দিয়ে গায়ের জোরে নির্বাচন অনুষ্ঠানের চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন, সমর্থনে ছিল সর্বশেষ ক্ষমতায় থাকা বিএনপি-জামাতের নেতৃত্বাধীন ৪ দলীয় জোট। ২০০১-২০০৬ এ জোট সরকারের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভের প্রতিফলন দেখা যায় দলীয় রাজনীতিতে। বিএনপি-জামাত শেষ সময়ে এসে মিত্রহীন হয়ে পড়ে হার্ডলাইনকে আঁকড়ে ধরে। বিরোধীদলগুলোর আন্দোলনেও জঙ্গী প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে ১১ জানুয়ারী রাষ্ট্রপতি ইয়াজুদ্দিন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন, ফখরুদ্দিন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেন । দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।

সংবিধান অনুসারে জরুরি অবস্থার বৈধতা সর্বোচ্চ ৯০ দিন। সেই মেয়াদ ফুরিয়েছে এই বছরের ১১ মে। কিন্তু জরুরি অবস্থা বলবৎ রয়েছে আবার সংবিধান স্খগিতের ঘোষনাও দেওয়া হয়নি। সংবিধান যদি বলবৎ থেকে থাকে তাহলে কিসের ভিত্তিতে বর্তমান সরকার বৈধতা পাচ্ছেন? বলা হচ্ছে এই সরকার “সামরিক বাহিনি সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকার”। সামরিক বাহিনি তো রাষ্ট্রের কর্মচারী। জনগণের করের টাকায় তাদেরকে পোষা হয় বহি:শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য। তাদের কাজ গণপ্রতিনিধিদের নির্দেশ পালন করা। ২০০৭ সালের জানুয়ারী মাসে সৃষ্ট সঙ্কট রাজনৈতিক। সমাধানের পথও রাজনৈতিক। পুরো বিষয়টা দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দল এবং আইন বিভাগের আওতাভুক্ত। সেখানে সেনাবাহিনির ফাংশান কি? “সেনা সমর্থিত” শব্দটা কি কারণে ব্যবহার করা হচ্ছে? যেহেতু সংবিধান আজ ২৬ আগস্ট রবিবার ২০০৭, গ্রীনিচ মান সময় বেলা ৩টা ৩১ পর্যন্ত স্থগিত ঘোষনা করা হয়নি, প্রশ্নটা সংবিধানের ভিত্তিতেই করছি। তত্বাবধায়ক সরকার নিজেকে বৈধতা দেন সংবিধানের ধারা-উপধারার সমর্থনে। জরুরি পরিস্থিতির জন্য রয়েছে জরুরি অবস্থার বিধান। তার সীমা ৯০ দিন। ৯০ দিন পরে নির্বাচিত সংসদে তার বৈধতা যাচাই করতে হয়। নির্বাচিত সংসদ দূরে থাক জরুরি অবস্থার মেয়াদ বৃদ্ধি সংক্রান্ত কোন স্পষ্ট ঘোষনাও সরকারের তরফ থেকে আসেনি। অন্যদিকে “সেনা সমর্থিত” শব্দটি এখন কথায় কথায় ব্যবহার করা হচ্ছে। আবার সংবিধানও বলবৎ রয়েছে, যেহেতু স্থগিতের ঘোষনা আসে নি। অন্যদিকে এমন সব বিষয়ে সরকার হস্তক্ষেপ করছেন যেগুলো নির্বাচিত সরকারের এক্তিয়ারে পড়ে। সেগুলো গুরুত্বপুর্ণ কিনা সেই প্রশ্ন এখানে অবান্তর। কারণ সবার আগে জনগনকে জানতে হবে যিনি সর্বব্যধিনাশকবটিকার সন্ধান দিচ্ছেন তিনি কে? তিনি কি বিপ্লবী না প্রতিবিপ্লবী? তার উদ্দেশ্য কি? বিপ্লবী নিজেকে বৈধ করেন বিপ্লবী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। সেখানে স্পষ্ট ঘোষনা থাকে। প্রতিবিপ্লবীকে চেনা যায় “প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক” ডেজিগনেশান এবং সাম্রাজ্যবাদী রোডম্যাপ অনুসরণ দিয়ে। বর্তমান সরকার এই পর্যন্ত যে সকল মৌলিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবার প্রক্রিয়ায় আছেন তার প্রতিটাই প্রতিবিপ্লবীদের সাথে সাজুজ্যপূর্ণ। দূর্নীতিবাজ রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতারের ঘটনাকে সলেই স্বাগত জানিয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এই গ্রেফতার অভিযান কি আইনের স্বাভাবিক গতিতে হচ্ছে? না কি সরকারী সিদ্ধান্তের চাপে ঘটছে। দুটি ঘটনার পার্থক্য মৌলিক। সরকারী প্রভাবে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিচার এমন কি শাস্তির সিদ্ধান্তও সেই সুনির্দিষ্ট সরকারের “প্রভাব” গত হলে বাতিল হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে গ্রেফতারকৃত দূবৃত্তরা পরে রাজনীতিতে আরো শক্তিশালী হয়ে প্রত্যাবর্তন করবেন। যেখানে সরকার তার নিজের বৈধতার ভিত্তি স্পষ্ট করছেন না সেখানে দেশের মৌলিক অবকাঠামোগত সংস্কারের দায় তারা কোত্থেকে পান? তারা যদি নিজেদের বিপ্লবী সরকার বলে দাবী করতে চান তবে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করুন, কর্মসূচী স্পষ্ট করুন। কোনটাই করছেন না আপনারা। যা করছেন তার সাথে মিল পাওয়া যাচ্ছে আইয়ুব-জিয়া-এরশাদের।


মন্তব্য

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

বেসিক প্রশ্ন। এই প্রশ্ন করলেই হাজি সা'ব হয় লীগ, নয় দল। অবৈধ ডান্ডাবাজেরা মাথার ওপরে ছড়ি ঘুরাইলে ভালা।

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

এই মৌলিক প্রশ্নগুলিও মনে হয় বিনা ঘোষণায় স্থগিত করা হয়েছে। সামরিক মইন বা সিভিলিয়ান মইন (পরিচয়ে আইনজীবীও বটে)কেউ এই প্রশ্নগুলি শুনতে প্রস্তুত নন।

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

শোহেইল মতাহির চৌধুরী এর ছবি

সরকারী প্রভাবে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিচার এমন কি শাস্তির সিদ্ধান্তও সেই সুনির্দিষ্ট সরকারের “প্রভাব” গত হলে বাতিল হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে গ্রেফতারকৃত দূবৃত্তরা পরে রাজনীতিতে আরো শক্তিশালী হয়ে প্রত্যাবর্তন করবেন।

উপরের উদ্ধৃতিটি সুমন চৌধুরীর লেখা থেকে নেয়া।
এই অংশে উল্লেখ করা আশংকাটা দেশের জন্য কি মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে তা এখন অনুমান করা সম্ভব নয়।
এ পর্যন্ত এই সরকারের কার্যক্রম সেই সুযোগ তৈরি করেছে যে পরবর্তী রাজনৈতিক সরকার এদের কর্মকান্ডকে অনুমোদন না করতেও পারে। তাতে সব মামলা অবৈধ হয়ে যাবে। দুর্নীতি উড়ে যাবে, দুর্নীতিবাজরা ফিরে আসবে আরো পরাক্রমশালী হয়ে।
-----------------------------------------------
সচল থাকুন ---- সচল রাখুন

-----------------------------------------------
মানুষ যদি উভলিঙ্গ প্রাণী হতো, তবে তার কবিতা লেখবার দরকার হতো না

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

শুধু তাই নয়, এর সাথে জেলের তালা ভাঙা হবে আর যারা সেখানে বসবাস করছেন তাদের গলাতেই বরমাল্য পড়বে। কী ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছি, তা অনুমান করতেই শিউরে উঠি।

আছহাবুল ইয়ামিন এর ছবি

এখানে সম্ভবত একটু ভুল আছে। সংবিধানের জরুরী অবস্হা সংক্রান্ত বিধি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জরুরী অবস্হা জারী করে এই সরকার গঠন করেছেন। এবং এখনও জরুরী অবস্হার বিধির মধ্যে থেকেই সংবিধান অনুযায়ী (বর্তমান সরকারের দাবী অনুযায়ী) সরকার চলছে। তবে সমস্ত ব্যবস্হাকেই পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের বৈধতা দিতে হবে।

এখন জরুরী অবস্হার মেয়াদ নিয়ে কিছুটা অস্পস্টতা আছে। সংবিধানে বলা আছে জরুরী অবস্হা ঘোষনার ১২০ দিনের মধ্যে সংসদে সেটি অনুমোদন করাতে হবে। কিন্তু কোন কারনে সেই সময় সংসদ না থাকলে, কিংবা ওই সময়ের মধ্যে সংসদ ভেঙে গেলে পরবর্তী সংসদ গঠনের ৩০ দিনের মধ্যে সেটির অনুমোদন করতে হবে। কাজেই মেয়াদ নিয়ে সুস্পস্ট কিছু নেই এখানে। আসলে মেয়াদ থাকাটা প্র্যাকটিকালও নয়। ধরুন দেশের যুদ্ধাবস্হায় জরুরী অবস্হা বছরের পর বছর থাকতে পারে।

এখন কথা হচ্ছে পরবর্তী নির্বাচিত সরকার যদি এই কর্মকান্ডগুলোর অনুমোদন না দেয়? তাহলে এই সরকারের নেয়া সমস্ত পদক্ষেপই অবৈধ হয়ে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে সুমন চৌধুরী ও শোমচৌ'র আশংকা সত্যি হতে পারে। তবে কে জানে পরবর্তী সরকার কে হতে যাচ্ছে... চোখ টিপি

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

এই সমীকরণের ফলাফল তো সহজ। পরবর্তী সরকার হবে তারাই যারা এদের কর্মকান্ড বৈধ করে নিবে। হাসিনা একসময় বলেছিলেন তারা এই সরকারের কাজের বৈধতা দেবে। এখন মনে হয়না তিনি ক্ষমতায় গেলে তা করবেন।

আছহাবুল ইয়ামিন এর ছবি

আমার মনে হয়, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক, সেই বৈধতা দিতে বাধ্য। নাহলে তাদের ক্ষমতায় আসাটাই অবৈধ হয়ে যায়। ঠিক আছে, এই ব্যপারটা আমি নিশ্চিত না। সংবিধান/আইনের আরও কোন মারপ্যাচ থাকতে পারে।

ভালো কথা, আমার কাছে ১৯৯৮ সালের সংবিধানের কপি আছে। সেটির ভিত্তিতে আগের মন্তব্যটি করেছি। এর মধ্যে সংবিধানের পরিবর্তন হয়ে থাকতে পারে (যদিও সম্ভাবনা কম)।

সুমন চৌধুরী এর ছবি

ঐ একই কপি আমার কাছেও।

দেশে যুদ্ধ চলছে না। উদ্ভুত সংকট অভ্যন্তরীন রাজনৈতিক সংকট। ভোটার তালিকা এবং নির্বাচন কমিশন নিয়ে মতবিরোধ। এই দুটি ক্ষেত্রে সরকার কতটা সক্রিয় সেটা জানতে মিডিয়ার স্বাধীনতা জরুরি, যেটা জরুরি অবস্থার বিধি মোতাবেক সম্ভব নয়। আমার মূল প্রশ্ন ছিল সামরিক বাহিনি সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকার কি বস্তু? সেটার কোন বিধান কি সংবিধানে আছে? জানুয়ারীতে জারিকৃত জরুরি অবস্থাকে অনেকেই স্বাগত জানিয়েছিলেন নির্বাচনকে সামনে রেখে। নির্বাচনের প্রসঙ্গটাই এখন গায়েব। তারা হাত দিয়েছেন বা দিতে চাইছেন মৌলিক কাঠামোগত সংস্কারে। তারা যদি তত্বাবধায়ক সরকার (ত্রয়োদশ সংশোধনী অনুসারে) হয়ে থাকেন তাহলে নির্বাচন অনুষ্ঠান সংক্রান্ত বিষয়াদি ছাড়া আর কিছুই তাদের এখতিয়ারে পড়ে না।
.......................................
ঋণম্ কৃত্বাহ ঘৃতম্ পীবেৎ যাবৎ জীবেৎ সুখম্ জীবেৎ

শেখ জলিল এর ছবি

আইয়াই পইড়া ফেললাম, বদ্দার লেখা।

যতবার তাকে পাই মৃত্যুর শীতল ঢেউ এসে থামে বুকে
আমার জীবন নিয়ে সে থাকে আনন্দ ও স্পর্শের সুখে!

সুমন চৌধুরী এর ছবি

ধন্যবাদ জলিল ভাই।
.......................................
ঋণম্ কৃত্বাহ ঘৃতম্ পীবেৎ যাবৎ জীবেৎ সুখম্ জীবেৎ

অতিথি লেখক এর ছবি

যা করছেন তার সাথে মিল পাওয়া যাচ্ছে আইয়ুব-জিয়া-এরশাদের।
তার কি আর বাকি আছে? তেনারা আমাদের পংকিলতা দূর করে বরাবরের মতোই আমাদের সিদ্ধ করতে এসেছেন; এসেছেন গনতন্ত্র শেখাতে ।!।

জ্বিনের বাদশা এর ছবি

"এই মৌলিক প্রশ্নগুলি" আমরা অনেক দেরীতে তুলছি ,,, সেটা প্রশ্নগুলোর প্রিন্সিপালিটি/অক্সিলারিটি নিয়ে ভাবার কারণ হচ্ছে

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

সুমন চৌধুরী এর ছবি

বুঝলাম।
কিন্তু প্রশ্নগুলা আছে।
.......................................
ঋণম্ কৃত্বাহ ঘৃতম্ পীবেৎ যাবৎ জীবেৎ সুখম্ জীবেৎ

অতিথি(এহেছান লেনিন) এর ছবি

[তারা যদি নিজেদের বিপ্লবী সরকার বলে দাবী করতে চান তবে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করুন, কর্মসূচী স্পষ্ট করুন। কোনটাই করছেন না আপনারা। যা করছেন তার সাথে মিল পাওয়া যাচ্ছে আইয়ুব-জিয়া-এরশাদের।]

মনের কথা মানুষ বলে, গণমানুষের কথা কে বলবে? আমরা কেউ বলি না। যারা বলতে চাই তাদেরকেও বেদম পিটুনি দিয়ে কণ্ঠ চেপে ধরা হয়। ধন্যবাদ সুমন চৌধুরী। আপনার গঠনমূলক একটি লেখা সবার গোচরে আনার জন্য।
এবার আমার প্রশ্ন: ২০০৭, ২৪ আগস্ট আর ১৯৭১, ১৪ ডিসেম্বর এর মধ্যে সময় ছাড়া আর কোনো পার্থক্য আছে কি না।

সুমন চৌধুরী এর ছবি

ধন্যবাদ এহেছান লেনিন।
আঘাতের যে বর্ননা শুনলাম তাতে আতংকিত হই। আশা করি সামলে উঠেছেন।
শুভ কামনা রইলো।
.......................................
ঋণম্ কৃত্বাহ ঘৃতম্ পীবেৎ যাবৎ জীবেৎ সুখম্ জীবেৎ

অতিথি এর ছবি

kotha ekdom thik ache. Jader nijer jater thik nai, tara kemne onnoder jat thik kore!

অপালা এর ছবি

হমমম

আড্ডাবাজ এর ছবি

কথা তো খাঁটি। তবে মা গো দোষ কপালের, না হয় জলপাই মামারা চিরকাল ডান্ডা ঘুরাইয়া গেল, আর সেই ঘুরানিতে আমরাও ঘুরি। দুষব কপালকে, না নিজেকে? ধন্যবাদ।

কারুবাসনা এর ছবি

পড়া হচ্ছে না। তারা বাজিয়ে গেলাম।


----------------------
বিড়ালে ইঁদুরে হলে মিল, মুদির কিন্তু মুশকিল ।


----------------------
বিড়ালে ইঁদুরে হলে মিল, মুদির কিন্তু মুশকিল ।

সুমন চৌধুরী এর ছবি

ধিন তাক্
.......................................
ঋণম্ কৃত্বাহ ঘৃতম্ পীবেৎ যাবৎ জীবেৎ সুখম্ জীবেৎ

হাসান মোরশেদ এর ছবি

'যে গুনে বন্ধুরে পাবো,সে গুন আমার নাই' হাসি

-----------------------------------
'আমি ও অনন্তকাল এইখানে পরস্পর বিস্ময়ে বিঁধে আছি'

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

সুমন চৌধুরী এর ছবি

"যে গুনে শত্তুর খাবো সে গুন কোথা পাই?"
.......................................
ঋণম্ কৃত্বাহ ঘৃতম্ পীবেৎ যাবৎ জীবেৎ সুখম্ জীবেৎ

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।