ভালোবাসার সংজ্ঞা: উদাহরণ সহ

উচ্ছলা এর ছবি
লিখেছেন উচ্ছলা [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২৪/০২/২০১২ - ২:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রেনু আর রতনের ব্রেকাপ শেষ পর্যন্ত হয়েই গেল। হবে না তো কি?! কট্টর মুসলিম খান্দানের মেয়ে আর রক্ষণশীল হিন্দু পরিবারের ছেলের মধ্যে যে এ প্রেম পাক্কা পাঁচ বছর ধরে মরে মরে হাঁচড়ে-পাচড়ে বেঁচে ছিল, এ-ই অনেক!

দু’পক্ষের বয়োজ্যেষ্ঠরাই তাঁদের সারাজীবনের অর্জিত অভিজ্ঞতা আর জ্ঞানের আলোকে ছেলে মেয়ে উভয়কেই অবিশ্রান্ত বুঝিয়ে যাচ্ছিলেন-“এ হয় না”। তাঁদের দেখান যুক্তিগুলোও ফ্যালনা নয়। ছেলেমেয়েদের সুখ, শান্তি চান বলেই না তাঁরা এভাবে কাঁঠালের আঠার মত লেগে থেকে কাঙ্ক্ষিত মিশন সফল করেই ছাড়লেন। অবশেষে ক্লান্ত, বিধ্বস্ত, নিরুপায় রতনের পক্ষ থেকেই সবকিছুর চূড়ান্ত সমাপ্তি টানার চূড়ান্ত প্রস্তাব এলো। রেনুর কাছে সে ক্ষমা চাইল করজোড়ে।

“ঠিকাছে” বলে রেনুও নিজ কাজে মন দিল। ভার্সিটি। ছাত্র পড়ান। বাসা। অসুস্থ মায়ের সুশ্রূষা, ঘর গোছান, দুই ভাতিজার দেখভাল, আমাদের সাথে আড্ডাবাজী, ফেইসবুকিং…কোন কিছুতেই কোন ছন্দপতন নেই। নিষ্ঠুর প্রেমিককে আকারে ইঙ্গিতে দুটো গালি দিয়ে স্ট্যাটাস দেয় না যে মেয়ে, গত পাঁচ বছরের স্মৃতির সম্মানে নাকের পানি চোখের পানি এক করে দুই ছত্র কবিতা লেখে না যে মেয়ে, সে যে কত্তবড় পাষাণী, কতটা দয়ামায়াহীন- এ ব্যাপারে আমাদের সখীকূলের একবিন্দুও সন্দেহ রইল না।

এক বছর কেটে গেল।

ভর সন্ধ্যায় রেনুর কল, “মগবাজার কাজী অফিসে আয়, বিয়ে করব। তোকে সাক্ষী দিতে হবে”। মাবুদে এলাহী! এ তুমি কী শোনালে?! অবেলায় বিনামেঘে এ কেমন বজ্রপাত! দুই কান দিয়ে প্রবলবেগে ধূম্র উদ্গীরণরত অবস্থায় পড়িমড়ি করে দৌড়ে গেলাম। রেনু আর রতনের বিয়েটা শেষ পর্যন্ত হয়েই গেল যে!

নতুন বউয়ের সংসার শুরু হল স্বামী, শাশুড়ি আর সাত বছর বয়সী দুটি জমজ শিশুকে নিয়ে।

ওরা রতনের একমাত্র বড় ভাইয়ের ছেলে। ছিনতাইকারীর ইচ্ছে হয়েছে, তাই কাঙ্ক্ষিত অঙ্কের টাকা না পেয়ে মাসদুয়েক আগে এক রাতে প্রকাশ্যে চাকু মেরে সদর্পে লাশের শরীর মাড়িয়ে চলে গেছে। স্ত্রী সেই থেকে সম্পূর্ণভাবে মানসিক ভারসাম্যহীন।বাচ্চাদের নানার পরিবারের সাথে অনেক লড়াই শেষে বাচ্চাদুটোর মৌখিক অভিভাবকত্ব আদায় করেছে রতন। এ পরিস্থিতিতে সামাজিক ও আইনী প্রয়োজনেই তার বিয়ে করাটা অপরিহার্য হয়ে দাঁড়ায়। রতন জানত কে তার সবচেয়ে বড় সমব্যথী। কালবিলম্ব না করে যে মেয়েটিকে সে ভালবেসেছিল, সেই মেয়েটির কাছেই সে দয়া ভিক্ষা চাইল। প্রাণভিক্ষা চাইল। শিশুদুটির ভবিষ্যত ভিক্ষা চাইল।

আমার বন্ধু রেনু তার নতুন জীবন হাসিমুখে দু'হাত বাড়িয়ে গ্রহণ করল।

রেনুর ‘ডিসফাংশনাল’ সংসারে আসন্ন দুর্যোগের ঘোরতর ঘনঘটা চিন্তা করে আমাদের সখীকূলের চর্মচক্ষের উপরে-নিচে ইয়া বড় কালির গোলাকার বৃত্ত পড়ে গেল!

নিজ চোখে দেখেছি রেনুর সংগ্রামী জীবন। নিজের লেখাপড়া, পার্ট-টাইম চাকরী, বাচ্চাদের স্কুল, বাচ্চাদের লেখাপড়া, বৃদ্ধা শাশুড়ীর সেবা, ঘর দোর সামাল দেয়া, রান্না । সাথে আছে দারিদ্র্য। ওর ধৈর্য্য, অটল সাহস, শত ঝড়েও ভেঙ্গে না পড়া মনোবল, সমাজের কাছে থেকে মুহুর্মুহু অপ্রিয় প্রশ্নের সম্ভারের মুখেও ওর প্রচণ্ড ইতিবাচক মানসিকতা দেখে আমি/আমরা বাকরুদ্ধ হয়ে যাই।

দিন যায়, একের পর এক বছর গড়ায়। রেনুর কষ্টের প্রহর আর শেষ হয় না। ওদের মা- ছেলের হুটোপুটি দেখলে অবশ্য কিছুতেই কিছু বুঝার উপায় নেই। চমৎকার বন্ধু ওরা। শিশু দুটিও সাঙ্ঘাতিক মা-ন্যাওটা! (তাজ্জব ব্যাপার তো!)

………………………………………………

মাঝখানে অনেক বছর দেখা হয়নি আমাদের। যখন আবার দেখা হলো তখন রেনু অনেক নামকরা আর্কিটেক্ট। ওর বড় ছেলেরা ১৫। আর ছোটটা ৩। এখন প্রায় প্রতিদিন দেখা হয়। জানিনা কোনটা ‘পেটের ছেলে’ আর কোনটা ‘পরের ছেলে’।

সেদিন সন্ধ্যায় দেখলাম, বড় দুটোর একটা ওর স্কুলে কী এক টেস্টে অঙ্কে ভাল নাম্বার পায়নি। “হাত পাত্” বলে হুকুম করতেই রেনু ছেলের বাড়িয়ে দেয়া হাতের চেটোয় ঠুশ্ করে একটা স্কেলের বাড়ি দিল। অমনি মা-ছেলে মিলে সে কী গড়াগড়ি জড়াজড়ি করে দেয়াল কাঁপিয়ে হাসি! এদিকে ছোটটা মুখভর্তি ভাত নিয়ে সারা বাড়ি দৌড়ুচ্ছে। “বাবা সোনা মোনা” বলেও কিছুতেই ভাত গেলানো যাচ্ছে না। হুমকি ধামকিতেও কাজ হয় না। শেষে বড় দুটো “কাল ছাদে ঘুড়ি উড়াতে তোমাকে নেব না” বলতেই আসন্ন রিজেকশনের ভয়ে শিশু এক ঢোকে ‘কোঁৎ’ করে ভাত গিলে ফেলল। দু’ভাই এসে ছোটটাকে কাঁধে নিয়ে কী এক অজানা ফূর্তীতে এক চক্কর দিল, মায়ের কাছে আধাঘন্টার “কার্টুন ব্রেক” চাইল।

………………………………………………

রেনু, তোর বাসায় গিয়ে প্রতি উইকেন্ডে বেহায়ার মত হাত-পা ছড়িয়ে 'ল্যাটকায়া' বসে থাকা যে আমার hobby হয়ে গিয়েছে, এটা খেয়াল করেছিস? তোর ঘরের আনাচে কানাচে 'শান্তি' থৈথৈ করে, এটা চোখ ভরে হাপুস হুপুস করে দেখতে বড় ভাল লাগে রে। আর শোন্, আমি খেয়াল করে দেখলাম- তুই একটা আস্ত নিখাঁদ ‘অমানুষ’। আত্মত্যাগ, তিতীক্ষা, মায়া, স্নেহ, মহানুভবতা, স্বার্থহীনতা…সব কিছুই আমি তোর ভেতর অঢেল পরিমাণে দেখি। কোনো ‘মানুষের’ একাধারে এত গুণ থাকার কথা নয়। “পরের ছেলে কোনোদিন আপন হয় না। আফটার অল, blood is blood”…কিছু কিছু মানুষের দুধ-কলা দিয়ে পোষা এই চিরায়ত ধারণার মুখে তুই যে প্রতিদিন, প্রতি মুহূর্তে সজোড়ে চপেটাঘাত করে যাচ্ছিস, এজন্য তোকে “খান্ডারনী অফ দ্য ইয়ার” ট্রফী দেয়া উচিত প্রতি বছর!

তোর মত অন্য জগত থেকে আসা উদ্ভট এক প্রাণীকে নিয়ে ভাবতে গেলেই, তোর কথা একে ওকে বলতে গেলেই, কেন জানি গর্বে, আনন্দে আমার মাথা আকাশে গিয়ে ঠেকে। এই মুঠো সমান ছোট্ট হৃদয়ে সাত সমুদ্র, তের নদীর সব ভালবাসা কি করে ধারণ করিস- এটা বৈজ্ঞানিকভাবে এ্যানালাইজ করতে গেলেই আমার চোখ ছাপিয়ে পানি চলে আসে। চোখে ধুলোবালি ঢোকার আর টাইম পায় না, ড্যামিট!


মন্তব্য

মৃত্যুময় ঈষৎ(অফলাইন) এর ছবি

রেনুরা ভালো থাকুক.......... চলুক

(কিছু টাইপো রয়ে গেছে, আরেকবার রিভিউ দিয়েন)

উচ্ছলা এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ হাসি
টাইপোগুলো কোথায় লুকায় আমি যখন রিভিউ দেই? আমি বানানে এত্ত কাঁচা কেন? মন খারাপ
কিছু মনে না করলে, আপনাকে অনুরোধ করতে পারি কি ভুল বানানগুলো উল্লেখ করতে?

মৃত্যুময় ঈষৎ(অফলাইন) এর ছবি

যেগুলো চোখে পড়লোঃ ভালোবাসা, রেণু(?), রক্ষণশীল, হাঁচড়ে(?), আঠা, কাঙ্ক্ষিত, চূড়ান্ত, সুশ্রূষা, পাষাণী, অভিভাবকত্ব, গ্রহণ, শাশুড়ি, ধৈর্য, মনোবল, মুহুর্মুহু, প্রচণ্ড, পরিমাণ, গুণ, চিরায়ত, মুহূর্ত, সজোড়ে।

চমৎকার লিখেন আপনি, লেখালেখি বলবৎ থাকুক। হাসি

উচ্ছলা এর ছবি

আমার মত 'বানানপাপী'কে উদ্ধার করার জন্য আপনাকে অজস্র অজস্র অজস্র ধন্যবাদ।
উৎসাহটুকু মাথা পেতে নিলাম কোলাকুলি

মৃত্যুময় ঈষৎ(অফলাইন) এর ছবি

আরে না, আমি নিজেই কত ভুলে করে বসি। নিজের ভুল নিজের চোখে কমই ধরা পড়ে। হাসি

সবুজ পাহাড়ের রাজা এর ছবি

রেনু আর তার পরিবারের প্রতি শুভ কামনা রইল।
আপনার পোস্ট আর পড়বো না। এমন করে লিখেন! ইমোশনাল হয়ে যায়। উফফ! চোখে জানি আবার কি পড়ল। চোখে ধুলোবালি ঢোকার আর টাইম পায় না, ড্যামিট!

উচ্ছলা এর ছবি
অন্যকেউ এর ছবি

এইসব বানানো কাহিনি মানি না মানবো না। আমরা অনেকেই তো চারপাশে খুনোখুনি অবিচার অনাচার নিষ্ঠুরতা ইত্যাদি ইত্যাদি ছাড়া আর কিছু দেখি না। আপনি খুঁজে পেতে এসব মন ভালো করে দেওয়া মানুষদের কথা শোনালেই হবে নাকি! মানিই না, মানবোই না!

লেখায় একবস্তা খেজুরে (গুড়) ।

(অট- দৌড়ের উপর আছি। দৌড় শেষ হলে জ্বালাতন শুরু করব। ভাববেন না যে ভুলে গেছি! খাইছে )

_____________________________________________________________________

বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখো দ্বিতীয় বিদ্যায়।

উচ্ছলা এর ছবি

কোলাকুলি হাসি আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

দৌড় শেষ হলে জানিও, প্লীজ। আড্ডা হবে। মজা হবে।

গ্র্যান্ডমাস্টার এর ছবি

প্রেম বিষয়ক জটিলতায় বিষণ্ণ সময় যাচ্ছে । আপনার বর্ণিত রেণু কিংবা রতন এর সাথে আমার কাহিনীর কোন মিল বা কাকতাল নেই । তবুও আপনার ব্লগ পড়ে কেন জানি আদ্র হয়ে গেলাম । বিষণ্ণ সময় কাটানোর অন্যতম উপায় হিসেবে সচলায়তন বেছে নিয়েছি । আপনাকে ধন্যবাদ এই জন্য, আপনার লেখা আমাকে পজিটিভলি ভাবতে বাধ্য করল ।

ধন্যবাদ লেখক ।

উচ্ছলা এর ছবি

একমাত্র পজিটিভ চিন্তাভাবনাই আপনাকে শান্তিতে বেঁচে থাকতে সাহায্য করবে। ইতিবাচক হওয়া ছাড়া জীবনের জটিল সব প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করার আর তো কোনো রাস্তা খোলা দেখি না।

নিজের উপর ভরসা রাখুন। আপনার জন্য সুসময় অপেক্ষা করছে দরজার বাইরে। আর একটুখানি অপেক্ষা করুন।

অনেক ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্য।

সাফি এর ছবি

লেখায় পাঁচ তারা দিয়ে রতনের বক্তব্যের অপেক্ষায় বইলাম।

উচ্ছলা এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ, সাফি হাসি

রতনের বক্তব্য আবার কি? তার সাত জন্মের সৌভাগ্য যে সে আমার বন্ধু রেনুকে জীবন-সাথী হিসেবে পেয়েছে। দেঁতো হাসি
অবশ্য রতন নিজেও চমৎকার ব্যক্তিত্বের একজন স্বামী, বন্ধু এবং বাবা। ওরা দুজন দুজন'কে ডিজার্ভ করে।

সাফি এর ছবি

আমার ও কথা সেইটাই, এত কিছু আমাদের কাছে গোপন করে রতন কেন, সচল থেকে ফেসবুকে লুল ফেলে যাচ্ছে? অপেক্ষা করেন, তারে এই লেখাটা পড়তে দেন একবার।

চরম উদাস এর ছবি

হো হো হো

নিটোল এর ছবি

গড়াগড়ি দিয়া হাসি

_________________
[খোমাখাতা]

সত্যপীর এর ছবি

সাব্বাস। পাঁচতারা লিখা।

এইরকম ডিসফাংশনাল সংসারে দুনিয়া ভরে যাক।

..................................................................
#Banshibir.

উচ্ছলা এর ছবি
রিসালাত বারী এর ছবি

তাইতো বলি, আমাদের অন্যায্য রতন মডু এত সময় পায় কোথায় চিন্তিত

উচ্ছলা এর ছবি
মৃত্যুময় ঈষৎ(অফলাইন) এর ছবি

হো হো হো

দিগন্ত বাহার* এর ছবি

গুরু গুরু

উচ্ছলা এর ছবি
উদ্ভট রাকিব এর ছবি

রেণুর জন্য শুভ কামনা।

উচ্ছলা এর ছবি

ধন্যবাদ হাসি
রতনও কম যায় বলুন? কত্তবড় বুকের পাটা হলে দুইটা বাচ্চাকে ছাত্রাবস্থায় দত্তক নিতে পারে আর সমাজের মুখে ইয়ে দিয়ে মুস্লিম মেয়েকে বিয়ে করতে পারে!

উদ্ভট রাকিব এর ছবি

ঠিক বলেছেন, রতনও কম কিসে? আমি হয়তো ভাবছিলাম, রেণুকে পাশে পেয়ে রতনের প্রাপ্তির ঝোলা খানিক্টা বেশী রেণুর চেয়ে।
কিন্তু দুজনেই অসামান্য। দুজনের জন্যই শুভ কামনা।

নীল রোদ্দুর এর ছবি

খুব ভালো লেগেছে গল্প অথবা সত্য। না জানিয়ে গেলে অন্যায় হত। হাসি

-----------------------------------------------------------------------------
বুকের ভেতর কিছু পাথর থাকা ভালো- ধ্বনি দিলে প্রতিধ্বনি পাওয়া যায়

উচ্ছলা এর ছবি

সময় নিয়ে পড়ার ও সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ হাসি

চরম উদাস এর ছবি

বলতে ভুলে গেছিলাম, লেখা চমতকার হইছে চলুক

উচ্ছলা এর ছবি

সবই আপনার দোআ, গুরু।
অনেক অনেক ধন্যবাদ দু'কলম উৎসাহ দেবার জন্য হাসি

অনিন্দ্য সৈকত এর ছবি

রেণুর মত চমৎকার হীরের টুকরো একটি মেয়েকে আমিও চিনতাম। আপনার রেণু ধর্মের বাধা ডিঙোতে পেরেছে, আমার পরিচিতাটি ধর্মের কাছে হেরে গিয়ে নিজেই আড়ালে সরে গেছে। বোঝাই যাচ্ছে, সবাই রেণু হতে পারে না। তবে যারা হতে পারে এবং হয়ে দেখিয়েছে তারা আসলেই মানুষ হিসেবে অনেক বড় মাপের। আপনার এই লেখাটার অকুন্ঠ প্রশংসা করে গেলাম।

উচ্ছলা এর ছবি

আপনার অকুন্ঠ প্রশংসা পেয়ে আপ্লুত হলাম, ধন্য হলাম। (নো কিডিং!)
আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- কোলাকুলি

প্রদীপ্তময় সাহা এর ছবি

খুব ভাল লাগল ।

এরকম আরও অনেক 'অমানুষ' দের খবর পেশ করুন ।

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

উচ্ছলা এর ছবি

ধন্যবাদ, প্রদীপ্ত হাসি
সুন্দর, আলোকিত, ভালো মানুষগুলোর কাছে আমার অনেক ঋণ। এদের সম্পর্কে লিখে লিখেই ঋণশোধের এই যৎসামান্য বিনিত প্রচেষ্টা।
শুভেচ্ছা।

কুমার. এর ছবি

আপ্নের লেখা এত্ত ভালা কেন, কেন, কেন?

উচ্ছলা এর ছবি

কারণ, আপনি আমাকে উৎসাহ দিচ্ছন। তাই হাসি
আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

অরফিয়াস এর ছবি

রতনে রতন চেনে দেঁতো হাসি

----------------------------------------------------------------------------------------------

"একদিন ভোর হবেই"

উচ্ছলা এর ছবি
সমীর এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

উচ্ছলা এর ছবি
ভ্যাগাবন্ড ১ এর ছবি

আমার মানুষটা রেনু হতে পারেনি। যাই হোক, ওকে কখনও দোষ দেই না। ইনফেক্ট ওরকম একজন মানুষের সাথে যেটুকু সময় কাটিয়েছি তাও অনেক কিছু।

রেনু আর রতনের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল।

আর আপনার হাত পেতে দিন প্লিজ। একটা প্রনাম করি।

উচ্ছলা এর ছবি

লজ্জা দিয়েন না, ভ্যাগাবন্ড।
সময় নিয়ে কষ্ট করে পড়েছেন, সুন্দর একটা মন্তব্য ছেড়েছেন। প্রণাম আপনার পাওনা; আমার নয় হাসি

আজহার এর ছবি

হাততালি হাততালি হাততালি

চমৎকার, অনেক অনেক ভালোবাসা রইল।

উচ্ছলা এর ছবি

আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ। ভালোবাসাময় হোক আপনার প্রতিদিন হাসি

তারেক অণু এর ছবি

চলুক (গুড়)

উচ্ছলা এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-
তুমি আম্রিকায় ঢুইকা দ্যাখ ! তুমার লাশ পড়ব !!

নিটোল এর ছবি

উত্তম জাঝা!

_________________
[খোমাখাতা]

উচ্ছলা এর ছবি
guesr_writer rajkonya এর ছবি

ভালো লাগলো, বিশেষ একদম শেষ লাইনটা।

উচ্ছলা এর ছবি

ধন্যবাদ।
আপনার লেখাও আমি খুবই আগ্রহ নিয়ে পড়ি। ভালো লাগে বলেই পড়ি। শুভেচ্ছা।

সুমিমা ইয়াসমিন এর ছবি

রেনু-রতন আর তাদের সোনামণিরা আজীবন ভালো থাকুক। চলুক

উচ্ছলা এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ।
আপনিও সুখে থাকুন, আনন্দে থাকুন আজীবন।

তাপস শর্মা এর ছবি

চলুক

এইটা কি লিখলে? হুম। বুঝলাম। লেখার কারণটাও আমি জানি মনে হয়। হাসি

সমাজ এর শ্বাপদ মনে হয় একই গোত্রের! ভালো থাকুক রেনু আর রতনেরা।

বানানগুলি ঠিক করে নাও। অনেক টাইপো হয়ে আছে।
রেনু > রেণু, রক্ষনশীল > রক্ষণশীল, বয়োজেষ্ঠ্যরাই > বয়োজ্যেষ্ঠরাই, আঁঠার > আঠার , কাঙ্খিত > কাঙ্ক্ষিত, বিদ্ধস্ত > বিধ্বস্ত, চুড়ান্ত > চূড়ান্ত, এল > এলো, ---- ওরে আরও অনেক আছে। এখন আর পারবো না।

অটঃ তুমি আজকাল নারীবাদী হয়ে জাচ্চ। দাঁড়াও, তোমার খপর আচে। খাইছে

উচ্ছলা এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-
বানান শুধরে নিয়েছি। এজন্য লাড্ডু পাওনা তোমার।

ভালো থেক তুমি/তোমরা হাসি

অটঃ গড়াগড়ি দিয়া হাসি

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি

অদ্ভুত ভালো লাগলো পড়ে। চলুক

উচ্ছলা এর ছবি

অশেষ ধন্যবাদ পড়ার জন্য এবং ভালো লাগা জানিয়ে যাবার জন্য হাসি

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

মন ভালো হয়ে গেলো রেনু আর তার বাচ্চাদের কথা পড়ে।
আপনাকে ধন্যবাদ, উচ্ছলা, এইরকম পজিটিভ একটা ঘটনা শেয়ার করার জন্য। আশেপাশে তো নেগেটিভ ঘটনাই বেশি চোখে পড়ে।

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

উচ্ছলা এর ছবি

ধন্যবাদ, শিমুল, মন-ভালো-করা মন্তব্যের জন্য। শুভেচ্ছা।

পদ্মজা এর ছবি

লেখা চমৎকার। রেণু মারাত্মক। রতন আসলেই রতন।
সবাই রতন হয়না। শয়তান'ই বেশি। রেণু ভাগ্যবান।

উচ্ছলা এর ছবি
guest_writter এর ছবি

রেনুর সাহস এবং সততাকে সালাম। আর আপনার লেখায় চলুক

দীপাবলি।

উচ্ছলা এর ছবি

দীপাবলিকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর কমেন্টের জন্য হাসি আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

তিতি বিরক্ত  এর ছবি

যদিও আমার সিক্কাজনিত সমস্যা আছে তবুও চওক্ষে পানি আইসা গেল।
অসাধারণ...জানি দেখা হবেই।
হাসি

উচ্ছলা এর ছবি

অজস্র ধন্যবাদ। চোখ মোছেন। প্রাণভরে হাসেন। দুই দিনের দুনিয়া হাসি

সৈকত এর ছবি

অজস্র ধন্যবাদ। চোখ মোছেন। প্রাণভরে হাসেন। দুই দিনের দুনিয়া

এই কথাটা অসাধারণ লাগলো।
পুরো গল্পটাই অসাধারণ। রেণু আর রতনরা বেঁচে থাক আজীবন।
আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা- গুরু গুরু

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি

আপনি নিজে একজন অত্যন্ত ইতিবাচক মানসিকতার লোক। তাই আপনার লেখাতেও সেই ভাবটিই ফুটে ওঠে।
লেখা পড়ে অত্যন্ত আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছি। ভাল থাকবেন।

উচ্ছলা এর ছবি

আপনিও তো আমার মতই (ইতিবাচক না কি যেন বললেন) হাসি
আদেখলার মতো প্রশংসা করতে আপনি ওস্তাদ দেঁতো হাসি এ বিষয়ে আপনার কাছে আমার দীক্ষা নিতে হবে হাসি

সুস্থ থাকুন। সব সময় ভালো থাকুন। দোআ ও শুভেচ্ছা।

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি

আদেখলার মতো! উহু, আমি সদা সত্য কথা বলি।

সুদীপ  এর ছবি

এই ধরনের পরিবারে বিভিন্ন রকমের সমস্যা থাকে যা বাইরে থেকে বুঝা যাই না।
কে ধর্ম পরিবর্তন করল? সন্তানরা কন ধর্মের অনুসারী?

উচ্ছলা এর ছবি

কে ধর্ম পরিবর্তন করল, সন্তানরা কোন্ ধর্মের অনুসারী - এগুলো মানুষের চূড়ান্ত ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি এ প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে বিন্দুমাত্র চেষ্টা করিনি কোনোদিনও। আমার বন্ধুর 'প্রাইভেসী'কে শ্রদ্ধা করতেই আমার ভালো লাগে, খোঁচাখুঁচি করতে নয় হাসি

লেখা পড়েছেন বলে ধন্যবাদ নিন, সুদীপ হাসি

ঘুম কুমার এর ছবি

এইরকম ডিসফাংশনাল সংসারে দুনিয়া ভরে যাক।

চলুক

আমারও চোখে কি যেন পড়ল!!

উচ্ছলা এর ছবি

ড্যামিট! দেঁতো হাসি

( কৃতজ্ঞতা জানবেন লেখাটি সময় নিয়ে পড়েছেন বলে)

অমিত এর ছবি

আমি কি লিখবো চিন্তা করতেসি, মনে হল রূপকথা পরলাম। অনেক শুভ কামনা রতন ভাই এবং রেনু আপুকে। আর আপনার লেখা, বরাবরের মত আছাআআআআআআআআআআআআআআম (গুড়) ।

উচ্ছলা এর ছবি

ঈশ্, কত্ত মিষ্টি একটা কমপ্লিমেন্ট কোলাকুলি

দীপ্ত এর ছবি

আপনাকে হিংসা করি কারণ কত সুন্দর মনের মানুষই না আছে আপনার চারপাশে। আর হিংসা করি কারণ তাদের নিয়ে কি চমৎকার করেই না লেখেন আপনি।

উচ্ছলা এর ছবি

ইতিবাচক মানুষগুলোর পাশে ঘুরঘুর করতেই আমার শান্তি লাগে।

চোখ মেলে তাকান, দেখবেন আপনার আশেপাশেও এমন চমৎকার অনেক মানুষ আছে। হয়তো তাদের বিত্ত নেই, কিছুই নেই। কিন্তু বেঁচে থাকার সবচেয়ে জরুরী মন্ত্রটি তারা জেনে গেছেন- "শান্তি"।

আপনাকে ধন্যবাদ অনেক সুন্দর একটি মন্তব্যের জন্য কোলাকুলি

থার্ড আই এর ছবি

জীবন বোধের এমন নান্দনিক উপস্থাপনা মুগ্ধ করেছে। তাই তারকায় খোঁচা দিতে কার্পণ্য করতে পারছিনা।

-------------------------------
স্বপ্নকে ছুঁতে চাই সৃষ্টির উল্লাসে

উচ্ছলা এর ছবি

ধন্যবাদ এত সুন্দর করে উৎসাহ দেবার জন্য। অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।

কৌস্তুভ এর ছবি

চিন্তিত হুমম, বিয়ে করার অনেক উপকারিতা খাইছে

উচ্ছলা এর ছবি
এবিএম এর ছবি

আপনার লেখার ধরনটা সহজ সরল অনেক.....
পড়ে ভালো লাগল, আরো লিখবেন।

-এবিএম

উচ্ছলা এর ছবি

ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা নিন। কৃতজ্ঞতা নিন।

পরী  এর ছবি

আপু, আপনার লেখাগুলা পরলে হাঁসতে হাঁসতে গড়াগড়ি যাই। এটাও ঐ রকমের হবে ভেবে পড়তে পড়তে চোখের কোনা জ্বালা করে উঠলো। কান্না করতে ভালো লাগছে না, মন ভালো করে দিন তো মন খারাপ
লেখা অনেক অনেক ভালো হয়েছে। চলুক

উচ্ছলা এর ছবি

অনেক অনেক ধন্যবাদ, পরী।
মন খারাপ করে দেয়ার জন্য দুঃখিত। আমি মন খারাপ করলে আউলা-ঝাউলা হেভি মেটাল শুনি। ঐ জিনিস তোমার ভাল লাগে? পাঠিয়ে দেব একটা?
কোলাকুলি

পরী  এর ছবি

আমিও শুনি। তারপরেও তোমার সংগ্রহশালা থেকে একটা দেও। কিন্তু মনটা বেশী ভালো করার জন্য এইবার ১টা অসভ্য মার্কা লেখা পোষ্টাও তাড়াতাড়ি। দেঁতো হাসি

Suman Kumar Kundu এর ছবি

অসাধারণ গল্প নিঃসন্দেহে। কিন্তু লেখকের কাছে আমার কয়েকটি প্রশ্ন আছে। পৃথিবীতে শতকরা কত ভাগ মানুষের কপালে রতন\রেণু জোটে বলুন তো? আমরা আম-জনতা তো ভাই স্রেফ মানুষ, অনেক অনেক imperfection দিয়ে গড়া মানুষ। আপনাদের মত কিছু অসম্ভব গল্পকার যে কেন এই সব 'angel' দের গল্প এত রঙ মিশিয়ে আঁকেন, ঠিক বুঝি না। ভাই, এই গল্পগুলার দুই রকম ভয়ংকর প্রভাব আছে। এক. আমরা মানুষ, আমাদের চারপাশেও মানুষ, Superman/woman খুব খুব কম। এই গল্প গুলা আমাদের প্রত্যাশা বাড়িয়ে দেয়। দুই. আমাদের বেশির ভাগের জীবনই সাদাকালো, আপনাদের গল্পে এত রঙ যে তা আমাদের রোজকেরে সাদা মাটা জীবনকে আরও বেশি ফ্যাকাসে করে মনে করায়। লেখার হাত ভাল আপনার। এমন গল্প লিখুন যেখানে জীবন থাকে পরিপূর্ণভাবে ...লোভ নিয়ে, ক্ষোভ নিয়ে, আর মাঝে মাঝে একটু 'সম্ভব ভালবাসা' নিয়ে। Please, Don't make people into Heros...they never exist.

উচ্ছলা এর ছবি

Too bad you haven’t seen 'real life Heroes' around. But that doesn’t mean they don’t exist হাসি
আপনার নিজের ভেতরেই তো একজন 'Hero' সব সময় বাস করে। চেনার চেষ্টা করেছিলেন? ঝড়-ঝাপ্টায়, বিপদে আপনার সেই অসীম সাহসী স্বাত্তাটিই তো আপনাকে বাঁচিয়ে দেয় সবসময়। নাকি হাঁটুমুড়ে জীবনের কাছে পরাজয় বরণ করাই আপনার কাছে Convenient?

আমি আশাবাদী মানুষ। আশা, ভালবাসা নিয়ে লেখতে আমার ভাল লাগে। আমার 'ইতিবাচক' লেখা আপনার প্রত্যাশা অনুযায়ী না হলে নিজগুনে ক্ষমা করবেন, কেমন?

মন্তব্যের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ হাসি

জাদুকর এর ছবি

গানের লিঙ্কগুলো যথার্থ হয়েছে ঃ)
আর লেখাটা অসাধারন।

উচ্ছলা এর ছবি

অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে হাসি

মরুদ্যান এর ছবি

এরকম কাহিনী পড়লে গায়ে কাঁটা দিয়া উঠে! রেণুকে গুরু গুরু

উচ্ছলা এর ছবি

শুভেচ্ছা নিন। সেই সাথে কৃতজ্ঞতা জানবেন হাসি

সৈকত এর ছবি

হাততালি উত্তম জাঝা!

উচ্ছলা এর ছবি
তানিম এহসান এর ছবি

হাসি হাততালি হাসি

উচ্ছলা এর ছবি

ধন্যবাদ। ভালো আছেন আপনি? হাসি

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

পেসিমিজমের গাট্টিটাকে স্টোররুমে রেখে আসলাম! হাসি

ধন্যবাদ আপনাকে! দেঁতো হাসি

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

উচ্ছলা এর ছবি
আমি শিপলু এর ছবি

ইয়ে, মানে... আমিও ভালু মানুষ হইতে চাই। চমৎকার লেখার জন্য তোমার জন্য এক আকাশ তারা

উচ্ছলা এর ছবি

তুমিও শুভেচছা জেনো হাসি

কল্যাণ এর ছবি

হিন্দু-মুসল্মানের মধ্যে বিয়ে দিয়ে জাত নষ্ট করার এ এক সুচতুর প্রচেষ্টা যেটা শত চেষ্টা স্বত্বেও লেখিকা কিছুতেই লুকিয়ে রাখতে পারে নাই। পারস্পরিক সম্প্রীতি নষ্ট করার সূক্ষ প্রয়াসে ধিক্কার এইরাম খান কয়েক কমেন্ট আশা করছিলাম খিক খিক খিক। যাকগা আসল কথা হইল মানুষ চাইলে ভাল থাকতে পারে, চায় না কেনু এইটাই বুঝি না, আর ভাল থাকতে মানুষের এত কিছু লাগে কেনু তাও বুঝি না। খুবি উচ্চমার্গের মন্তব্য হয়া গেল সিটা বুঝতেছি, কিন্তু লিখা পইড়া এউগুলাই মনে হইছে, এইটা কি আমার দুষ কন? লিখা সেইরাম হইছে। চলুক পপকর্ন লইয়া গ্যালারীতে বইলাম

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

উচ্ছলা এর ছবি
রাতঃস্মরণীয় এর ছবি

অসাধারন!

চলুক উচ্ছলা।

------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।

উচ্ছলা এর ছবি

ধন্যবাদ হাসি
আছেন কেমন? এলাকায় খুব একটা দেখা যায়না আপনাকে যে!

রাতঃস্মরণীয় এর ছবি

এলাকার আশপাশ দিয়ে ঘুরছি, ঢোকা হয়ে উঠছে না নিয়মিত। সম্প্রতি একটা বিশাল প্রজেক্ট নিয়ে একটু ব্যাস্ত হয়ে পড়েছি। দু'একটা লেখা দিয়েছিলাম মাঝে কিন্তু সেগুলো মডারেশন পেরোতে পারেনি।

------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।