| ‹ পুরোনো ব্লগ | সব ব্লগ | নতুন ব্লগ › |
ভাবছিলাম আজকে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাব। ঝিমোচ্ছিলাম। বাধ সাধল আমার ভাগ্নে। যথারীতি ঘরে প্রবেশ। হাতে খবরের কাগজ। চোখ দুটো টিউব লাইটের মতো জ্বলছে। মুখ ভরা হাসি। তৃপ্তি। আমি ঘুম তাড়িয়ে অতি আগ্রহে তাকিয়ে রইলাম। আমার ভাগ্নে বলে, "মামা সুখবর, ২০০৮ এর নোবেল প্রাইজ পাচ্ছে বাংলাদেশ"। আমি আনন্দে আটখানা হয়ে গেলাম। আমাদের এখন দরকার চমক। বিজলী বাতির চমক। দরকার ক্রিকেটের ওয়ার্ল্ড কাপ ঘরে আনা, নোবেল প্রাইজ ঘরে আনা, সেলেব্রিটি হওয়া।
আমরা ব্যতিক্রমটা বেশী পছন্দ করি। অর্থনীতিতে নোবেল না পেয়ে শান্তিতে পেয়ে আমরা খুশীতে ডগমগ। এখন শান্তির দরকার বেশী। শান্তি আসলেই অর্থনীতি তড়তড় করে লাইয়ের ডগার মতো বাইবে। তবে ভাগ্নের এই আশাবাদের হেতু দেখে আমিও টাসকি খেলাম। ভাগ্নে বলে, মামা দু:খ কেন? এবার আমরা নোবেল পাব অর্থনীতিতে। খাটে বসা অবস্থা থেকে ভূপাতিত হবার জো। দু'চোখে এক লক্ষ ওয়াটের প্রশ্ন: তো, এবার কে পাচ্ছে নোবেল? নালায়েক ভাগ্নের উত্তর শুনে আমি আর হাসি আটকে রাখতে পারলাম না। বলে, "মামা, এবার নোবেল পাবে বাংলাদেশ আর্মী। তাও পাবে অর্থনীতিতে"। অর্থনীতির থিওরী চটকে যে সব খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদরা নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন তারা এবার পাবে তাত্বিক চপেটাঘাত। সাপ্লাই ডিমান্ডের সকল সূত্র ভেংগে দিতে যাচ্ছে যৌথ বাহিনী। তারা দোকানে দোকানে হানা দিচ্ছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে উদ্যত বন্দুকের নল দিয়ে তদারকি করছে। যারা এতোকাল অর্থনীতির সূত্রে যোগান, উতপাদন, বাণিজ্য, বিশ্বমূল্য, ভারসাম্য- বলে ধাঁধিয়ে রাখতো তারা এবার দেখবে অর্থনীতির সূত্রগুলো কি দূর্বল আর ভংগুর। কাজেই বিশ্বব্যাপী দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশে যৌথ বাহিনীর ডান্ডা মডেল পেতে যাচ্ছে ২০০৮ সালের অর্থনীতিতে নোবেল প্রাইজ। এক বুক আশা বুকে বেঁধে আমি বালিশ টেনে ঘুমোতে যাই। লাইট অফ।
২
ইউনুসের চেয়ে এইটার গ্রহণযোগ্যতা বেশী থাকবো। কিছূদিন পর হয়তো আম্রিকাও এই পদ্ধতি প্রয়োগ করবো।
৩
এবার নোবেল পাবে বাংলাদেশ আর্মী। তাও পাবে অর্থনীতিতে...
![]()
৪
ঠিকাছে?
৬
কঠ্ঠিন!
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
৭
ডান্ডু ভাই জিন্দাবাদ
১
"ডান্ডা মডেল" জিন্দাবাদ।