সারাদিন গেছে কুকুর খুঁজে খুঁজে। বাসায় ফিরতে দেরী হল অনেক। ভাগ্যিস "কুকুরকুকুর" সামনে পড়ে নাই। বেচারা এমনিতেই বিড়াল দেখে ভয় পায়, সামনে পড়লে লাথি খেত!
মেজাজ ঠান্ডা হয়ে গিয়েছিল প্রায়। এখন আবার খিঁচে গেল। চীনা দুধ কেলেংকারীর হপ্তা খানেক পরও আলজারিরাতে দেখছিলাম, দোকানীদের বিন্দুমাত্র লজ্জাবোধ নেই বিষাক্ত দুধ বেচাবিক্রিতে...
আজকে একটা খবর দেখলাম, ৮টি ব্র্যান্ডের দুধ সরকার নিষিদ্ধ করেছে মেলামাইনের দোষে। পুরো খবরটা পড়ে আবার গা রি রি করা শুরু করলো!!
চীনারা না হয় চশমখোরের জাত...
কিন্তু অস্ট্রেলিয়ান আর ডেনিশের বাচ্চাগুলোর কি ভেজাল না দিলে চলতো না?
দুটো পয়সার জন্য "মিসকিন"-এর মাংস খেতেও বাঁধে না কারো আজ!! মাঝে মাঝে মনে হয় একটা এব্রামস ট্যাংক কিনে রাস্তা নেমে পড়ি...
শালার **********
মন্তব্য
সবই বানিজ্য বাহে !
ব্যপ্সা।
- বিকিকিনির নির্লজ্জ দুনিয়া
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
হু, কিন্তু প্রথম আলোর আরেকটা রিপোর্ট পড়ে দ্বন্দ্ব বেড়েছে। সেখানে বলছে ভিন্ন কথা। পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে নাকি কনসিস্টেন্সি নাই। পাবলিক তাহলে কোথায় যাবে!
ল্যাবে চাকুরী আর গবেষণা দুই সময়েই দেখেছি যে যত ভাল যন্ত্রই হউক না কেন .... একই স্যাম্পল দুইবার টেস্ট করলে একই ফলাফল পাওয়া যায় না। তবে দুইটা ফলাফলের পার্থক্য শতকরা ১০ ভাগের মধ্যে হলে ও দুটোর গড় মানটা ফলাফল হিসেবে নেয়া হয়।
কনসিস্টেন্সি বলে কী বুঝিয়েছে সেটা জানা দরকার। পেপারটা পড়তে হবে।
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
রিপোর্টটা পড়লাম। যথেষ্ট যুক্তিসংগত মনে হল।
পরীক্ষার ফলাফল ভিন্নতার অনেকগুলো কারণ হতে পারে ....
১. কোন পদ্ধতিতে কোন যন্ত্রে পরীক্ষা করা হয়েছে।
২. স্যাম্পলের ভিন্নতা।
৩. পরীক্ষকের/যন্ত্রের ভুল।
৪. ব্যাকগ্রাউন্ড এবসর্পশন। কারণ ভিন্ন ভিন্ন যন্ত্রতে এক পদার্থের প্রভাবে অন্য পদার্থের ফলাফল পরিবর্তন হয়। এটাকে এড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি আছে; সব ধরণের যন্ত্র তাই সব ধরণের উৎস থেকে নমুনা নির্ভূল ভাবে পরীক্ষা করা যায় না।
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
অস্ট্রেলিয়ান মার্কেটে ডিপ্লোমার মন্দা বাজার সবসময়। এই ব্যাটারাও ভেজাল দেয় জানা ছিলনা। স্বার্থপরতার নিষ্ঠুর দুনিয়া।
--------------------------------------------------------

সত্যটা আরও নিষ্ঠুর হতে পারে যদি পরে দেখেন একই কোম্পানীর অস্ট্রেলিয়ায় বাজারজাত দুধে কোনো সমস্যা না থাকে।
যাহোক এ প্রসঙ্গে ভেবে দেখলাম এই দুধগুলোর মধ্যে একটা ভারতীয় কোম্পানী থাকলে সেটা তো ভোটের ইস্যু হয়ে যেত ...
হাতি ঘোড়া গেল তল, মশা বলে কত জল।
পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
Life is what happens to you
While you're busy making other plans...
- JOHN LENNON
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
টাকা দিয়ে যা কেনা যায় না, তার পেছনেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয় কেনু, কেনু, কেনু?
সত্যটা আরো নিষ্ঠুরই বটে ।
ক্যাডবেরি তো বৃটিশ কোম্পানী । তাদের বাংলাদেশ প্রোডাক্টে
বিষাক্ত উপাদান কারন তৃতীয় বিশ্বের জন্য ক্যাডবেরী প্রোডাক্ট করে চায়নায়, সে প্রোডাক্ট কিন্তু বৃটেনের বাজারে নেই ।
একই অবস্থা নেসলে'র ও ।
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।
ট্যাংক কিনবেন ক্যান?
একটা মুগুর কিনেন, যেমন কুকুর ঠিক তেমন মাপমতো।
লোভী কর্পোরেটদের শিক্ষা দেয়ার জন্য আরো লোভী আছে। তাদের ভাড়া করেন পারলে। ক্লাস একশন মামলা ঠুকে দিন কেউ। জিততে পারলে আর পেছন ফিরে তাকাতে হবে না।
আর্সেনিকে একটা বড় সুযোগ ছিল।
- খালি কোর্ট-কাচারী করতে ডর করে দেইখা। নাইলে দিতাম শালার একটা মকদ্দমা ঠুঁকে।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
যদি লাগে, ট্যাংক কেনায় আমি কন্ট্রিবিউট করতে চাই! তারপর আপনার সাথে আমিও বেরিয়ে পড়ব!
_______________
বোকা মানুষ
রাজার হস্ত সব সময় কাঙ্গালের ধন চুরি করেই নিজের পকেট চালায়
তানবীরা
---------------------------------------------------------
চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে
*******************************************
পদে পদে ভুলভ্রান্তি অথচ জীবন তারচেয়ে বড় ঢের ঢের বড়
আরে বহুজাতিক কোম্পানির অনেকগুলোই চীনে প্ল্যান্ট করেছে কাঁচামাল ও অন্যান্য কিছুর জন্যে। গুঁড়ো দুধের বাণিজ্য তো এমনই পাউডার সংগ্রহ করে খালি প্যাকেজিং। সানলুর বড় অংশের শেয়ার নিউজিল্যান্ড ডেইরি বোর্ডের। কাজেই তারা কাঁচা মাল ঐখান থেকে আনবে এটাই তো স্বাভাবিক।
পৃথিবী কথা বলছে আপনি কি শুনছেন?
পৃথিবী কথা বলছে আপনি কি শুনছেন?
মাত্র গতকাল সন্ধ্যায়ই আমি ৪০০ গ্রাম ডিপ্লোমা কিনেছি। আজকে সকালে খবরটা দেখে চমকে গেলাম। কারণ বছরকয় ধরে আমরা নিয়মিতই এটা ব্যবহার করে আসছি। এটা সত্য হলে তো নিশ্চিত যে আমাদের তিনজনের শারীরিক অনেক সমস্যার জন্য এটাই দায়ী। অন্তত দায়ী ভাবব হয়ত। যেহেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বিএসটিআইয়ের হিসেবনিকেশে গড়মিল আছে, ভাবছি হয়ত পরে জানা যাবে যে ডিপ্লোমা ঠিক আছে, এই ভেবে নতুন প্যাকেটটা ফেলে না দিয়ে রেখেই দিয়েছি। সেটাই যেন হয়!
দুধের অন্য একটা ঘটনা বলি, ঘণ্টাখানেক আগে বউ আমাকে রান্নাঘরে ডেকে পাঠায়। গিয়ে দেখি সে তরল দুধ গরম করছে। বললাম, কী ব্যাপার? বলে, 'দেখ, দুধটা নষ্ট। ফেলে দিতে হবে। কেমন চাকা চাকা হয়ে গেছে। দুর্গন্ধও বেরোচ্ছে।' কাছে গিয়ে দেখি ঠিক তাই। প্যাকেটের মেয়াদকাল দেখলাম, ঠিকই আছে। তবু শেষে ফেলেই দিতে হলো। মাত্র চারদিন আগেই দুই লিটার মিল্কভিটা কিনেছিলাম। গতপরশু একটা খাওয়া হয়েছে। আজ দ্বিতীয়টার প্রস্তুতি চলছিল।
ভাবলে কেমন আতঙ্কিত বোধ হয়, বাণিজ্য কোন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে আমাদের! সবকিছুতেই এরকম চলতে থাকলে মানুষ বাঁচবে কী খেয়ে?
................................................................
তোমার হাতে রয়েছি যেটুকু আমি, আমার পকেটে আমি আছি যতটা, একদিন মনে হবে এটুকুই আমি, বাকি কিছু আমি নই আমার করুণ ছায়া
... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ... ...
কচুরিপানার নিচে জেগে থাকে ক্রন্দনশীলা সব নদী
কবির একটা বইয়ের নাম ছিলো এইরকম : নীরবতাই অস্ত্র আমার।
ওই অস্ত্র দিয়ে কি আমরা পারবো? সরব অস্ত্র দরকার বড়ো।
আজ। আজ। আজই।।
==========================
পৃথিবীর তাবৎ গ্রাম আজ বসন্তের মতো ক্ষীণায়ু
মেলামাইনের বিষাক্ততা শিশুদেরকে যেভাবে আক্রান্ত করে বড়দেরকে কি সেই একই ভাবে আক্রমণ করে? .... কেউ যদি এটার বিষক্রিয়ার উপরে কিছু জানেন তাহলে একটু জানাতে পারেন (গুগল ঘাটতে ইচ্ছা করছে না এই মুহুর্তে)।
আর্সেনিকের বিষাক্ততার উপরে পড়েছিলাম যে, অপুষ্টিতে ভোগা লোকদের উপরে এটা বিষাক্ততা মারাত্নক। অথচ পুষ্টিকর খাবার যেখানে সমস্যা না সেখানে আর্সেনিকের বিষাক্ততা ততটা ক্ষতিকর নয়। এছাড়া অ্যামোনিয়ার বিষাক্ততা সম্পর্কে জানি যে এটা ৬ মাসের কম বয়সী বাচ্চাদের মৃত্যূ ঘটাতে পারে কিন্তু এর চেয়ে বেশি বয়সে মানুষের শরীরের অভ্যন্তরীন অঙ্গের গঠন পরিবর্তনের ফলে বিষাক্ত হলেও সেভাবে আক্রান্ত করতে পারে না।
বিষাক্ততার বিষয়টা নির্ভর করে দুটো প্যারামিটারের উপরে। একটা হল দূষণের মাত্রা আরেকটা হল এক্সপোজারের সময়কাল। অর্থাৎ বেশি মাত্রার দূষণে কম সময়েই বেশি ক্ষতি করে। এছাড়া কিছু বস্তু আছে যেগুলোর নিরাপদ মাত্রা আছে অর্থাৎ, ক্ষতিকর মাত্রার কম থাকলে কোন সমস্যা হবে না। আবার কোন কোন বস্তুর যে কোন মাত্রাই ক্ষতিকর।
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।
নতুন মন্তব্য করুন