কষ্টগুলো কষ্ট করে চেপে যাই

জিজ্ঞাসু এর ছবি
লিখেছেন জিজ্ঞাসু (তারিখ: মঙ্গল, ১৩/০১/২০০৯ - ৬:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজকাল কষ্টগুলো চেপে রাখা খুব কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। মুসলমানের ঘরে জন্মে, মুসলমান নাম নিয়েও আমরা কতটাইবা আর ধর্মকে চর্চা করি। আমার মত নামমাত্র মুসলমানই পৃথিবীতে আজ অনেক বেশি। তারপরও আমাদের পরিচয় মুসলমান হিসেবেই। গাজায় ফিলিস্তিনিদের অবরোধের ইতিহাস, জাতি হত্যার ইতিহাস, ইহুদিদের ইতিহাস, সবই আজ আমাদের সামনে ভয়ঙ্কর রূপ নিয়ে হাজির। মুসলমানরাই ধর্মের কথা বললে মৌলবাদ হয়ে যায়। কিন্তু ইসরাইল রাষ্ট্রের ধারণা, ইসরাইলের জন্মই ইহুদি মৌলবাদ বা জাইয়নিজম থেকে।

আজকাল পৃথিবীজুড়ে ক্ষমতাশালীদের হত্যা, ধ্বংসলীলাকে বলে যুদ্ধ, আর নিপিড়িত মানুষের নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয়ার শেষ চেষ্টাগুলোকে বলা হয় জঙ্গিবাদ। উলফা জঙ্গি, তামিল জঙ্গি, মুসলিম জঙ্গি, কাশ্মিরি জঙ্গি, ফিলিস্তিনি জঙ্গি, আইআরএ আরও কত কি। ক্ষমতাশালীদের আরোপিত বিশেষণগুলো সংবাদ মাধ্যমগুলোও যথেচ্ছা ব্যবহার করে। একাত্তরে সারা দেশের মানুষ যুদ্ধ করে দেশকে পাকিস্তানি হানাদারদের হাত থেকে মুক্ত করে, অথচ, বিশ্ব জানে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধের পরিণতি - বাঙলাদেশের জন্ম। দুঃখজনক। আমরা পাকিস্তানি বাহিনীকে কোনঠাঁসা করে ফেলেছিলাম। প্রয়োজন ছিল আরো কিছুদিন যুদ্ধের। রক্ত যখন দিয়েছিলাম আরও একটু দিতাম।

ফিলিস্তিনি জনগণের উপর পরিচালিত হত্যাযজ্ঞকে কীভাবে পৃথিবীর মানুষ স্থিরচিত্তে অবলোকন করে। আমেরিকার এক প্র্যাকটিসিং খ্রিষ্টানের সাথে আমার পরিচয় অনেক দিনের। আমার মুখে একটু হাল্কা জামাতি গোছের দাড়ি থাকার কারণেই হোক বা মুসলমান হওয়ার কারণেই হোক সে দেখা হলেই আমাকে বলে "কী খবর বিন লাদেন"। আচ্ছা - এ ধরনের সম্ভাষণে আমি বিন্দুমাত্রও বিচলিত হইনা। কারণ সে সিরিয়াসলি বা উদ্দেশ্যপ্রেণোদিত হয়ে বলুক, তার মুখে সবসময় হাসি থাকে এবং আমিও হেসে তার সাথে কুশল বিনিময় করি। বয়স্ক লোক। তার ছেলেমেয়েরা কে কোথায়, কী করে সবই সে আমাকে বলে।

গতকাল তার সাথে দেখা হওয়ার পর যথারীতি তার সেই সম্ভাষণ গ্রহণ করলাম। তারপর আমি বলতে শুরু করলাম ইসরাইল এসব কী করছে। আপনারা আমেরিকানরা এর সমর্থন দিচ্ছেন। তখন সে একজন ইহুদির মত বলতে শুরু করল যে, হামাসের সুইসাইড বম্বাররা ইসরাইলের লোকজন হত্যা করে এজন্য তারা যুদ্ধ করছে। আমি বললাম দেখুন আমি নিরপরাধ মানুষ হত্যার সেই প্রক্রিয়াকে সমর্থন করি না। এখন আপনি বলুন আপনি কীভাবে ইসরাইলের এ হত্যাযজ্ঞকে সমর্থন করেন। সে আবারও একই কথা বলতে শুরু করল যার মর্মার্থ, ফিলিস্তিনিরা ইহুদি মারে তাই ইহুদিদের এই হত্যাযজ্ঞ বৈধ। এটুকুই কথা হয় তার সাথে।

আর একজন আছে মেক্সিকান বংশোদ্ভুত আমেরিকান। যাদেরকে এখানে চিকানো (chicano) বলে। অর্থাৎ পূর্বপুরুষ মেক্সিকান হলেও এরা বড় হয়েছে আমেরিকাতে। সে যুবক। তার সাথেও আমার কথা বলার সম্পর্ক। সেও একই অনুভূতি প্রকাশ করল। তারমতে মুসলমানরা সন্ত্রাসি। দু'জনের সাথে কথা বলে অন্তত এটুকু আভাষ পাওয়া যায় যে আমেরিকার জনগণের কিছু অংশ এটা বিশ্বাস করে যে ইসরাইলিরা ঠিকই করছে। তারা কিন্তু ইহুদি না। তারা বেশিরভাগ খ্রিষ্টান। এর সাথে আরও একটু যোগ করি যে, তারা মূলত সমাজের স্বল্পশিক্ষিত লোকের প্রতিনিধিত্ব করে, এবং তাদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি আমেরিকাতে। যারা ভোট দিয়ে ক্ষমতার রদবদল ঘটায়। তাদের অপিনিয়ন শেইপ করে প্রধানত গণমাধ্যম - মূলত রেডিও, টিভি। এসব মাধ্যমে কেউ বলে না গাজায় অপ্রচলিত বিষাক্ত অস্ত্র প্রয়োগ করা হচ্ছে সম্পূর্ণ জাতিকে বিকল করে দেয়ার উদ্দেশ্যে। ফিলিস্তিনিরা হামাসের মত পার্টিকে কেন ভোট দিল এই প্রতিশোধ নেয়ার উদ্দেশ্যে তাদের সবার উপর বিদ্বেষপ্রসূত এই হামলা। এসব মিডিয়ায় এ কথা কেউ বলে না।

ফিলিস্তিনিরাই জানে তারা কেন হামাসকে ভোট দিয়েছে। "কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে, কভু অশিবিষে দংশেনি যারে।" আমেরিকার জনগণ কি করে বুঝবে। ইহুদিরাও জানে গণহত্যার ভয়াবহতা কতটা। অন্তত যাদের সে স্মৃতিচারণ করার সুযোগ আছে।

এবার যাই ফ্লরিডার লেজিসলেচার কি বলে। অন্যসব স্টেটের খবর জানি না। গত ৫ জানুয়ারী ফ্লরিডার হাউজ অব রিপ্রেসেন্টেটিভ ইসরাইলের গণহত্যাকে সমর্থন করে একটি রেজলুশন পাশ করে। তাদের রেজলুশন টি ছিল এমন -

"WHEREAS, Israel's military operations are an effort to defend its citizens as a moral duty against the unspeakable horrors of ongoing, indiscriminate terrorism and are aimed only at dismantling the terrorist infrastructure,
NOW, THEREFORE, Be It Resolved by the House of Representatives of the State of Florida: That the House of Representatives: (1) Stands in solidarity with Israel as it takes necessary steps to provide security to its people; (2) Remains committed to Israel's right to self-defense and supports additional United States' assistance to help Israel defend herself"

তারা বর্তমান অর্থনৈতিক (বাজেট) সঙ্কট নিয়ে একটি জরুরি সেশন ডাকার পর ফ্লরিডা হাউজ অব রিপ্রেসেন্টেটিভ সর্বসম্মতিক্রমে এই রেজলুশন পাশ করে। একশত (১০০) সাংসদ এর পক্ষে ভোট দেন বিপক্ষে (না) কোন ভোট পড়েনি। কুড়িজন (২০) সাংসদ ভোট দানে বিরত থাকেন।

এই হল বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশের একটি স্টেটের আইন সভার সদস্যদের মতামত।

বিশ্বজুড়ের সকল ক্ষমতাধররা কেমন যেন এই গণহত্যাকে নৈতিক সমর্থন জানিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি এবং এর সমর্থনের জন্য ইসরাইল বেশ পরিকল্পিতভাবে কাজ করে গেছে নাইন ইলেভেনের আগে থেকেই। এর একটু বিবরণ এখানে বা এখানে পাওয়া যাবে। পোপ বেনিডিক্টও বলেছেন, গাজা এখন এক কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পরিণত হয়েছে।

কিন্তু কেউ এর সুরাহা করতে পারছে না। অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একটা জাতিকে ধ্বংস, ভীত ও বিকল করার যজ্ঞের বিরুদ্ধে নিরস্ত্র মানুষের আর্তনাদ কি কেউ শোনে না! তাই আজ দুঃখভারাক্রান্ত মনে কষ্টকে চেপে রাখার নিরন্তর চেষ্টা করছি। আমরা একজন জাইদির জুতা নিক্ষেপের কারণে তার সাংবাদিকতার নীতিমালার ব্যত্যয় নিয়ে সমালোচনা করি। আমাদের আপামর জনগণ যদি একাত্তরে হাতে অস্ত্র তুলে না নিত তাহলে আজ স্বাধীন দেশের নাগরিক হতে পারতাম না। সাধারণ জনগণের অস্ত্র হাতে নেওয়াও অনৈতিক নয় কি? একজন সহজ সরল যুবকের জঙ্গি বনে যাওয়াকে আমরা ঘৃণা করি। কিন্তু সমাধানের কোন পথ পাইনা। কারণ আমাদের হাতপা বাঁধা। আমরা সাহসি নই; জাইদির মত প্রতিবাদ করার সাহস আমাদের নেই। তাই বলে যাই কষ্টের কথা।


মন্তব্য

নিঝুম এর ছবি

আমরা সাহসি নই; জাইদির মত প্রতিবাদ করার সাহস আমাদের নেই। তাই বলে যাই কষ্টের কথা।

--------------------------------------------------------
কারও শেষ হয় নির্বাসনের জীবন । কারও হয় না । আমি কিন্তু পুষে রাখি দুঃসহ দেশহীনতা । মাঝে মাঝে শুধু কষ্টের কথা গুলো জড়ো করে কাউকে শোনাই, ভূমিকা ছাড়াই -- তসলিমা নাসরিন

---------------------------------------------------------------------------
কারও শেষ হয় নির্বাসনের জীবন । কারও হয় না । আমি কিন্তু পুষে রাখি দুঃসহ দেশহীনতা । মাঝে মাঝে শুধু কষ্টের কথা গুলো জড়ো করে কাউকে শোনাই, ভূমিকা ছাড়াই -- তসলিমা নাসরিন

রানা মেহের এর ছবি

আপনার লেখা পড়ে ভালো লাগলো
আসলে আমরা কিছুই করতে পারিনা
-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

স্নিগ্ধা এর ছবি

এটা পড়লে হয়তো একটু ভালো লাগতে পারে -

http://www.nkusa.org/activities/Speeches/20081227.cfm

http://news.yahoo.com/s/afp/20090107/wl_mideast_afp/mideastconflictgazaisraeldemo_newsmlmmd

জিজ্ঞাসু এর ছবি

অর্থোডক্স ইহুদিদের সংগঠনের প্রতিবাদটা ভাল লেগেছে। ইসরাইলি আর্মির সদস্যরা যারা যুদ্ধ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তাদের এমন একটা ওয়েবসাইটও দেখেছি। এসব বিচ্ছিন্ন প্রতিবাদিদের কথা কেউ কানে নেয় না। তবে তাদের মানবতাবাদী উদ্যোগগুলো অবশ্যই প্রশংসনীয়।

___________________
সহজ কথা যায়না বলা সহজে

কীর্তিনাশা এর ছবি

আমাদের নিয়তিই বোধহয় এটা -

কষ্ট বুকে চেপে, হাজার অক্ষমতায় কুঁকড়ে থেকে পথ চলতে হবে।

তারপরও সর্বান্তকরনে ঘৃনা করি এই হত্যা যজ্ঞ। এসব পাপিষ্ঠরা ধ্বংস হোক সমুলে।

-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

sumy এর ছবি

ভালো লাগেনা জানতে মানুষের া চেহারা

yokel এর ছবি

"আজকাল কষ্টগুলো চেপে রাখা খুব কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। "
ধন্যবাদ অসাধারণ পোস্টের জন্য

তানভীর এর ছবি

পোস্টে খালি তারাই দিলাম মন খারাপ

দিগন্ত এর ছবি

আপনার সমস্যাটা আমি পুরো বুঝতে পারি। আমি দেশে থাকাকালে ইজরায়েল-হিজবুল্লা সংঘাতের সময় লোকজনের সাথে কথা বলে বুঝেছিলাম একই ব্যাপার। কিছু লোকজনের ধারণা, যে হিজবুল্লা হামাস ইজরায়েলে লড়ছে, তারা সুযোগ পেলে আমাদের বিরুদ্ধেও লড়বে, তাই তাদের সমর্থন করার প্রশ্নই ওঠেনা। এদের হাতে উদাহরণ আফগানিস্তানের মুজাহিদরা, যারা এককালে আফগানিস্তানকে রাশিয়ার হাত থেকে মুক্ত করার জন্য লড়েছিল কিন্তু লড়াই শেষ বন্দুক হাতেই আফগানিস্তানে শাসন চালিয়েছে - কান্দাহারে বিমান ছিনতাই করে নিয়ে গেছে।

আবার আরেকদলের ধারণা, হামাসের লড়াই প্যালেস্টাইন ইস্যুতে, তাই প্যালেস্টাইন ইস্যু সংক্রান্ত জ্ঞান ও ঘটনা অনুসারে এদের পক্ষ নেওয়া উচিত। এদের হাতে উদাহরণ কসোভো (লিবারেশন আর্মি), যুদ্ধশেষে বন্দুক নামিয়ে রেখে দেশগঠনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে।

কে ঠিক বা ভুল, সেটা আমার জানার উপায় নেই কারণ আমি ইস্যু শেষ হবার কোনো উপায় দেখছি না। তবে নির্বিচারে মানুষ মারাটা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয় এটা সবারই মেনে নেওয়া উচিত।


হাতি ঘোড়া গেল তল, মশা বলে কত জল।


পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।

অভ্রনীল এর ছবি

ভালো লাগ্লোনা সাধারন আম্রিকানদের দৃষ্টিভঙ্গি... অবশ্য এদের দৃষ্টিভঙ্গি সবসময়ই এরকম... নিজের স্বার্থ না থাকলে কোন কিছু নিয়ে মাথা ঘামায়না... এই হামলা নিয়ে এখনো ওবামা কি কিছু বলেছে?
_______________

এক ছাগলের দুই কান,
তুই আমার জানের জান।

জিজ্ঞাসু এর ছবি

ওবামা চরম পিছলা লোক। ওবামার অভিষেক এখনও হয়নি বলে সে এ ব্যাপারে কথা বলতে নারাজ। সে বলেছে তার শাসনামলে নতুন কমিটি করে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির বন্যা বইয়ে দেবে। বর্তমান হত্যাযজ্ঞ নিয়ে তার মন্তব্য করতে অস্বীকৃতির কারণ হিসেবে সে একটা খোঁড়া যুক্তি দেখিয়েছে তা হল, একই সাথে একজন রাষ্ট্রপতি যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে কথা বলুক, তাই সে চায়। কিন্তু অর্থনীতি ইস্যুতে সে ইতিমধ্যে অনেক কথাই বলেছে।

==============
সহজ করে বলতে মোরে কহ যে, সহজ কথা যায়না বলা সহজে।

___________________
সহজ কথা যায়না বলা সহজে

pakhi এর ছবি

soria motabak choly tar porao sosur barir manusar chahida aktuo komana samio amak sopport korana.saririk o manusik ottachar kora.ay amdar somaj

অতিথি লেখক এর ছবি

অনেক পুরনো হলেও এখনো এত প্রাসঙ্গিক যে কিছু না লিখে পারলাম না।

সে আবারও একই কথা বলতে শুরু করল যার মর্মার্থ, ফিলিস্তিনিরা ইহুদি মারে তাই ইহুদিদের এই হত্যাযজ্ঞ বৈধ।

ঠিক এইভাবেই আমাদের দেশের অনেকে আইএসের নির্মমতাকে বৈধতা দিতে এতটুকু কুন্ঠিত হচ্ছে না, মানে, আমেরিকা বা ইউরোপীয়দের প্রাপ্য এমন অকল্পনীয় নিষ্ঠুরতা!
এভাবেই যত দিন যাচ্ছে, মানুষ আরও নিষ্ঠুর হচ্ছে, ভুলে যাচ্ছে মানবিকতার মৌলিক শিক্ষাগুলি!
মৌলবাদ সব ধর্মে আছে, কিন্তু তবু বিশ্বজুড়ে মুসলিম মৌলবাদের জয় জয়কার, কারণ বিশ্বমোড়লদের ক্ষমতাবলয়ে এরাই সব থেকে সহজলভ্য ও সহজে নিয়ন্ত্রনযোগ্য অস্ত্র! আন্তর্জাতিক ইতিহাসের পাতায় পাতায় এই অস্ত্রের সুনিপুন ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়! রাশিয়ার সর্বশেষ হামলা আরও একটা ক্ল্যাসিক উদাহরণ!
।।।।।।।।।।।
অনিত্র

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।