য পলায়তি, স জীবতি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১৪/০১/২০১২ - ২:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এক.
অসিমুদ্দির কথা শুনে ভাটির দেশের কামলা লোকগুলো যারপরনাই রকমের অবাক হয়। দুহুলি গ্রামের বাকি সব কামলা, যারা কিনা অসিমুদ্দির এই স্বভাবের পরিচয় আগেই একাধিকবার পেয়ে তাঁকে অনেক বেশি চিনে ফেলেছে, তারা অবশ্য অতটা বিস্মিত হতে পারেনা। তবে তারা অসিমুদ্দিকে শুরুতেই থামিয়ে না দিয়ে বরং তাঁর কথায় ঘোর লাগা ভাটির দেশের কামলাগুলোর চোখের ভুরুর দিকে তাকিয়ে ওদের বিস্ময় পরিমাপের চেষ্টা করতে থাকে। এরফাঁকে আরও এক প্যাকেট আকিজ বিড়ি ফুরিয়ে এলে আইলের উপর বসে জিরোতে থাকা কামলাদের কেউ একজন আবার কাঁচি হাতে ধানক্ষেতে নেমে পড়ার তাগাদা দিলেও কেউ তেমন গা করে না।

পৌষের নরম কিন্তু তাতানো রোদে ধান কাটতে এসে ঘেমেনেয়ে যাওয়া লোকগুলোর কালো কালো গায়ে পাকুর গাছতলার একটু ঠাণ্ডা বাতাস খুব আরামদায়ক অনুভূত হতে থাকলে তারা আরও এক প্যাকেট আকিজ বিড়ি ধরানোর পাঁয়তারা করে এবং এরফাঁকে তাদের কাছে অসিমুদ্দির বিবাহের পরিকল্পনাটি অতীব উপাদেয় বোধ হয়। অসিমুদ্দি অবশ্য খুব খোলস করে কিছু বলার আগ্রহ দেখায় না। তাঁকে ঘিরে থাকা কামলার দল কেবল অনুমান করতে পারে ধান কাটা ফুড়োলেই অসিমুদ্দির ঘরে নতুন বউ আসছে। সেই নতুন বউটি পরিমন, সমিরন বা জরিনা, বিউটি হলে কোন অবাক হবার মতো কিছু ছিল না। এরকম নামের একেকটা বা একাধিক বউ তাদের সবার ঘরেই আছে। অসিমুদ্দির হবু বউটি প্রিন্সেস। যাত্রাপালার অতীব সুন্দরী অপ্সরীদের নামের সাথে প্রিন্সেস উপাধি থাকে, এই জ্ঞানটুকু দুহুলি, খাটামারা কিংবা ভাটির দেশ থেকে এগাঁয়ে কামলা দিতে আসা লোকগুলোর ডাকাতিয়া বা ভরাডোবা গ্রামের সবাই সম্যক জানে। পাশের কালিকাপুর গ্রামে যাত্রাপালা এসেছে তের রাত হল। দুহুলির অনেকেই পালা দেখে এলেও ভাটির কামলাদের কেউ এখনো যায়নি সে পালা দেখতে। কেবল আজ সকালে কুয়াশার ঘোর কাটার পরপর ধানক্ষেতের আইল ঘেঁষে কাঁচা সড়ক ধরে ধুলো উড়িয়ে একটা ভটভটিতে মাইক লাগিয়ে বিকট আওয়াজে ‘‘হই হই কাণ্ড, রৈ রৈ ব্যাপার!! সুপ্রিয় যাত্রামোদী ভাই বোন বন্ধুগণ! সুজলা সুফলা শস্যশ্যামলা গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যকে ধারণ করে আপনাদের মনোরঞ্জনের জন্য আসিয়াছে! আসিয়াছে! সুদূর নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী, সারা বাংলার লাখো কোটি দর্শকের ভালবাসার বিখ্যাত মৌসুমি অপেরা!’’ এরকম ঘোষণা শুনে সলিম ব্যাপারির ধান কাটতে আসা সবাই জানতে পারে পাশের কালিকাপুর গ্রামের বিদ্যাসুন্দর স্কুলমাঠে যাত্রার প্যান্ডেল বসেছে। আর ঘোষক একথাও পরিস্কার জানিয়ে যেতে ভোলে না যে পালার থেকেও অনেক বেশি আনন্দের উৎস হয়ে নুপুরের তালে আর কোমরের বাঁকে বাঁকে দর্শকচিত্তে দোলা জাগাতে তাদের সাথে আছে প্রিন্সেস টিনা, জলি আর মিলিসহ একঝাক ডানাকাটা দুরন্ত পরী। কাঁচা সড়কের ওপর বাঁধা একটা গাইগরু ভটভটি আর মাইকের তুমুল আওয়াজে ভীত হয়ে দড়ি ছিড়ে পালিয়ে যেতে থাকলে অসিমুদ্দি অথবা অন্য কেউ একজন দৌড়ে গিয়ে গরুটাকে আবার বেঁধেছেধে আসে এবং কিছুক্ষণ পর সবাই যাত্রাপালার কথাটি বেমালুম ভুলে গিয়ে নুয়ে পড়া ধান কেটে যেতে থাকে।

অতঃপর বেলা একটু বেড়ে গেলে পাকুর গাছতলায় গোল হয়ে বসে সবাই বিড়ি টানতে থাকলে এবং কারুর তেমন বলার মতন কিছু না থাকলে হঠাৎ অসিমুদ্দি বলে ফেলে যে মৌসুমি অপেরার প্রিন্সেস টিনা, যে কিনা কালিকাপুর, সেবকদাস আর দুহুলি সমেত অন্যান্য দশ গাঁয়ের তামাম পুরুষদের রাতের ঘুম হারাম করে দিচ্ছে, তাকে বউ করে ঘরে আনতে যাচ্ছে। এমনতর কথা শুনে সমবেত মজুরের দল প্রথমে তর্ক করতে থাকে এই বলে যে যাত্রাপালার প্রিন্সেসরা বিয়ে করে না কেননা তারা কেউ ওদের বিয়ে করতে দেখেনি। তবে তারা একমত হয় যে প্রিন্সেসদের কারু কারু সন্তান হয় এবং তাদের কারু কারু সন্তান তারা দেখেছে। এবং যেহেতু সন্তান হয়ে থাকে, কাজেই তারা বিয়েও করে, অসিমুদ্দি এমন যুক্তি দিলে ওরা কেমন অসহায় বোধ করতে থাকে। ওদের অসহায়ত্ব আরও বাড়িয়ে দিতে অসিমুদ্দি জানায় এ বিয়ের বিষয়ে মৌসুমি অপেরার অধিকারী নুরুল হকের সাথেও তাঁর পাকা কথা হয়েছে। এমনকি আজ বা কাল অথবা যে কোন রাতে টিনার সাথে তাঁর সরাসরি কথাবার্তাও হয়ে যাবে। এসব শুনে সবাই কেমন অসহায় বোধ করে, নিজেদের ভাগ্যহীনতাকে অভিসম্পাত করতে থাকে। তারা যাত্রাপালার ডানাকাটা পরী প্রিন্সেস টিনার সৌন্দর্যের একেকটা মূর্তি ভেবে কেমন অস্থির হতে থাকে ভেতর ভেতর এবং অসিমুদ্দি এমন এক রূপসী নারীর সাথে রাতযাপন করছে অনুমান করে প্রবল ঈর্ষায় কাতর হতে থাকে। তারা এও ভাবে যে অসিমুদ্দির গায়ের রঙ এমন কিছু উন্নত নয় তাদের থেকে অথবা সেও তাদের মতই এক ভূমিহীন কেবল। তবুও কি আলাদা গুণের মাজেজায় অসিমুদ্দি এমন একটা বউ পেতে যাচ্ছে, তা ভেবে ভেবে কাজের খোঁজে বিদেশ বিভূঁইয়ে আসা ভাটির দেশের কামলার দলের হাতে জ্বলতে থাকা ধোঁয়াময় বিড়িতে টান দিতে ভুলে গিয়ে চোখ ছোট ছোট হয়ে আসতে থাকে।

গল্পটা খুব সত্যির মতন হয়ে উঠছে দেখে এমন সময় দুহুলি গ্রামের হাশেম বা অন্যকেউ একজন অসিমুদ্দিকে স্মরণ করিয়ে দেয় যে তাঁর মাটির বেড়ার শনের ঘরে পিয়ারি নামের একটা বউ আছে। ঘরের বউয়ের কথা শুনে অসিমুদ্দি প্রাথমিকভাবে একটু দমে যায়। তবে দ্রুতই সে সামলে নিয়ে জানায় যে এই বাঁজা বউকে সে শীঘ্রই তালাক দিতে যাচ্ছে। অতঃপর সমবেত আলোচনা প্রিন্সেস টিনা থেকে অসিমুদ্দির কলমা পড়া বউ পিয়ারি বেগমে নিপতিত হয় এবং ধানকাটার মজুর দলের ভেতর থেকে জলিল বা খাদেম অথবা অন্য কেউ, যে কিনা অসিমুদ্দি আর পিয়ারির বিয়ের সময়কার বরযাত্রী দলের সাথে জোরদহ গ্রাম থেকে পিয়ারিকে উঠিয়ে নিয়ে এসেছিল, সে জানায় পিয়ারির এক চাচাত ভাইয়ের বউয়ের খালু পুলিশে চাকরি করে বলে বিয়ের আসরে জেনেছিল। পিয়ারিকে তালাক দিতে গেলে ওরা ঝামেলা করতে পারে, এমন কথায় অসিমুদ্দি ক্ষেপে যায় ভীষণ এবং তেড়েফুঁড়ে বলে অমন পুলিশ তাঁর ঢের দেখা আছে। সে পিয়ারিকে তালাক দেবেই অথবা তালাক না দিলেও টিনাকে বিয়ে করবেই, কেননা এই বিয়ের জন্য সে ইতোমধ্যে পূব পাড়ার গফুর মেম্বারের সাথে বেশ কথাটথা বলে এগিয়েও গেছে। গফুর মেম্বার আবার যাত্রাপালা পরিচালনা কমিটির মেম্বার বা এমনই গুরুত্বপূর্ণ কোন একটা পদে আছে। পালার লোকজনের সাথে তাঁর হরদম ওঠাবসা চলে। গফুর মেম্বার চাইলে এমন কিছু ঘটা খুব আশ্চর্যের কিছু না।

অসিমুদ্দি এও বলে যে গফুর মেম্বার তাঁকে পরশু রাতে কালিকাপুর নিয়ে গিয়েছিল। সে বসেছিল মঞ্চের ঠিক সামনে, যেখানটায় বরাবর এসে পালা শুরুর আগে আগে নর্তকীরা ঘুঙ্গুরের তুমুল আলোড়ন তুলে শরীরের বাঁকে বাঁকে ঢেউ জাগায়। বাদকদলের কাড়ানাকাড়া ড্রাম, করতাল, খোলের উচ্চাঙ্গ শব্দের ঢেউ ছাপিয়ে একেকজন নর্তকী এসে যেন সমুদ্দুরের ঢেউ জাগিয়ে যাচ্ছিল দর্শকদের মাঝে। যাত্রা প্যান্ডেলের উপর টাঙ্গানো সামিয়ানা চুইয়ে পড়া কুয়াশায় ভিজে যাচ্ছিল মঞ্চ। কিন্তু দর্শকদের ভেতর তখনো টগবগে উষ্ণতা। রাত বাড়ার সাথে ছোট হচ্ছিল নর্তকীদের পোশাক। একেবারে শেষে মঞ্চে এসে দাড়িয়েছিল টিনা। সবগুলো বাদ্যযন্ত্র থেমে গিয়ে হঠাৎ বিরান পাথারের উপর শ্মশানের শূন্যতার মতন এক আবহে সবগুলো রঙিন আর সাদাকালো আলো নিবে গিয়েছিল। যখন আলো জ্বলে উঠল একেএকে , তখন ঘোরলাগা চোখে মঞ্চে চেয়ে সবাই দেখল অপরুপ ভঙ্গিতে দুহাত ছড়িয়ে ঊর্ধ্বপানে চেয়ে আছে এক উর্বশী। মাইকে ভেসে এলো ঘোষণা, ‘‘সুপ্রিয় দর্শক, আমাদের এবারের আকর্ষণ, যাকে এক ঝলক দেখার জন্য অপলক চেয়ে থাকে হাজারো জনতা, যার পায়ের নুপুরে সাড়া দেয় ঝরনার জল, যার কণ্ঠে ফোটে কোকিলের সুমধুর সুর, যার শরীরের ঢেউয়ে জেগে উঠে সমুদ্র, ডুবে যায় পাহাড়, সেই লাস্যময়ী প্রিন্সেস টিনা...।’’ সেই অপার্থিব সুন্দরের দিকে অপলক চেয়েছিল অসিমুদ্দিসহ হাজারো দর্শক। নাচের এক ফাঁকে মঞ্চের সামনে এসে প্রিন্সেস টিনা এক উড়ন্ত চুম্বন ছুড়ে দিয়েছিল। অসিমুদ্দি নিশ্চিত জানে এবং আজ সকলকে খুব ভরসা নিয়ে বলে, ঐ চুম্বন আর ইঙ্গিতময় ভ্রুভঙ্গী কেবল তাঁর উদ্দেশ্যেই ছিল! ঘটনা এতদূর গড়িয়েছে জেনে দুহুলি গ্রামের অনেকেই এবার একটু আশ্চর্য হতে থাকে এবং তারা সত্যি সত্যি ভাবতে থাকে যে অসিমুদ্দি এমন একটা বিয়ে করতেই যাচ্ছে। খুব হতাশ হয়েই বুঝিবা একে একে সবাই আবার কাঁচি হাতে ধান ক্ষেতে নেমে পড়ে।

দুই.
বেলা পশ্চিমে দুই ঘড়ি হেলে গেলে পরে ধান কাটতে থাকা হাশেম আর জলিলদের সাত/আট বছরের ছেলেরা বড় গামলার উপর টিনের থালা দিয়ে খাবার ঢেকে গামছায় মুড়ে বড় পাকুর গাছটার তলায় হাজির হয়। ভাটির দেশের কামলাদের খাবার অবশ্য সলিম ব্যাপারির বাড়ি থেকে এসেছে। এজন্য ওদের দিন মজুরি অসিমুদ্দিদের থেকে কম হবে বেশ। পাশের পানাপুকুরে হাত মুখ ধুয়ে খাবারের গামলা উদাম করে নিয়ে বসে খাদেমরা দেখে অসিমুদ্দি দূরে আইলের উপর বসে একা একা কাঁচি দিয়ে কি যেন খুঁটে চলেছে। ওরা অসিমুদ্দিকে খাবার তাগাদা দিলে ব্যাপারটা ধরা পড়ে। হাশেমের ছেলেটি, যে কিনা বরাবর অসিমুদ্দির বাড়ি হয়ে ওর খাবার নিয়ে মাঠে আসে, সে বলে যে আজ অসিমুদ্দি কাগুর বাড়ি গিয়ে কাকিকে পায়নি। ঘরের দোর খোলাই ছিল। কিন্তু কোথাও নেই কেউ। সে পাশের জমিলাদের বাড়ি গিয়েও কাকিকে খুঁজে দেখেছে। এমনকি বাড়ির রসুইঘরেও কোন খাবার দাবার চোখে পড়েনি তার। তাই অসিমুদ্দি কাগুর খাবার আনেনি। অসিমুদ্দি যেন আগেই জানত যে আজ দুপুরে ভাত আসবে না তার। তাই সে তেমন গা করেনা। ফলে অন্য সবাই ডেকে এনে তাকে চারটে ভাত আর ঝোল খাইয়ে দেয়। সন্ধ্যা নাগাদ গাঁয়ের এঘর ওঘর জেনে যায় অসিমুদ্দির বউ পিয়ারি নিখোঁজ হয়ে আছে আজ সারাদিন। অসিমুদ্দি বাড়ি ফিরে ধান কাটার কাঁচি হাতে ঘরের চৌকাঠে পা ছড়িয়ে বসে থাকে কেবল। কেউ কেউ তাকে এদিক ওদিক খোঁজ খবর করতে তাগাদা দেয়, জলজ্যান্ত বউটা কোথায় গেলো হঠাৎ। কেউ আবার বলে তার শ্বশুর বাড়ি জোরদহ গ্রামে একটু খোঁজ নিতে। অসিমুদ্দির অবশ্য এতে খুব আগ্রহ দেখা যায় না। সে যথারীতি রাত বাড়লে পড়ে কালিকাপুর বিদ্যাসুন্দর স্কুলের মাঠে চলে যায়। সারারাত জেগে চোখ খুব লাল লাল করে পরদিন আগের নিয়মে সলিম ব্যাপারির ধানক্ষেতে গেলে কামলার দল ভীষণ অবাক হয়।

তাদের আরও অবাক করে দিয়ে দুপুর নাগাদ হাশেম অথবা জলিলের ছেলেটি দৌড়ে হাঁপাতে হাঁপাতে এসে জানায় অসিমুদ্দির বাড়িতে একটা মোটর গাড়ি নিয়ে একদল পুলিশ এসেছে। ধানক্ষেতের মাঝ বরাবর পূবের দিকে ত্রস্তে পালাবার পথে অসিমুদ্দি তার ধান কাটার কাঁচিটা অবশ্য নিতে ভুলে যায়।

তিন.
দৈনিক সকাল বিকালের বার্তা অথবা এরকম কাছাকাছি নামের কোন মফস্বল পত্রিকায় কালিকাপুর বিদ্যাসুন্দর স্কুল মাঠে খুব বেশি অশ্লীলতার অভিযোগে খবর ছাপা হওয়ায় কর্তৃপক্ষ যাত্রাপালা বন্ধ করে দিলে মৌসুমি অপেরার দলের সাথে প্রিন্সেস টিনারাও পরদিন কোথায় যেন চলে যায়। দুহুলি গ্রামের হাশেম, খলিল অথবা থানার সাথে ভালো যোগাযোগ থাকা গফুর মেম্বাররাসহ এমনকি থানার বাবুরা আরও কিছুদিন পিয়ারি অথবা অসিমুদ্দির যেকোনো একজন অথবা দুইজনের ফিরে আসার অপেক্ষা করে। অবশ্য ভাটির দেশের কামলাদের কেউ কেউ তখনো বিশ্বাস করতে থাকে যে অসিমুদ্দি সত্যিই প্রিন্সেস টিনার দেবী মূর্তির মতন সাজানো পেলব হাত ধরে এক নতুন অর্থ নিয়ে এসেছে জীবনে। তার আর দুহুলি গ্রামে ফিরে আসবার প্রয়োজন নেই।

---------------
পথিক পরাণ
pavel352 এট yahoo.com


মন্তব্য

এলোমেলো মেঘ এর ছবি

লেখাটি ভালো হয়েছে. তবে মনে হলো যেন একটু দ্রুতই শেষ করে দেয়া হলো.... আরো কিছু পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম

পথিক পরাণ এর ছবি

লেখাটি ভালো লেগেছে জেনে আনন্দিত।
ঠিক ধরেছেন। শেষটাসহ পুরো গল্পটাই খুব তাড়াহুড়োয় লেখা। অনেকদিন কিছু লিখতে পারছিলাম না কেন যেন! মনে হচ্ছে কিছুদিনপর লেখাটি নিয়ে আবার মনোযোগ দিয়ে বসতে হবে...

অনেক শুভকামনা রইল...

------------------------
পথেই আমার পথ হারিয়ে
চালচুলোহীন ছন্নছাড়া ঘুরছি ভীষণ...

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

কোন প্রকার বিনয় নয়, আন্তরিকভাবেই বলছি - এই গল্পটা পড়ে আমার মনে হয়েছে আপনার গল্প লেখার ক্ষমতা চমৎকার। দয়া করে নিয়মিত গল্প লিখে যান। জোর করে কোন সিনেমাটিক কিছু বা কোন অবাস্তব ট্যুইস্ট যে আনেননি তাতে আরো ভালো হয়েছে।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

পথিক পরাণ এর ছবি

পাণ্ডব দা
আপনার গল্প প্রচেষ্টার অসাধারণ গল্পগুলো আমাকে বারবার পড়তে হয়। মন্তব্য করার সাহস হয়ে উঠে না তবুও।

আপনার মন্তব্য অনেক বেশি উৎসাহ দিল আমায়। আর আপনার নতুন গল্প কবে আসছে? অপেক্ষায় আছি কিন্তু...

অনেক ভালো থাকুন।

--------------------
পথেই আমার পথ হারিয়ে
চালচুলোহীন ছন্নছাড়া ঘুরছি ভীষণ...

তাপস শর্মা এর ছবি

চলুক চলুক চলুক চমৎকার... খুবই ভালো লাগল।

পথিক পরাণ এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ তাপস দা... আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

কিছু শব্দ - বাক্যাংশ ঘুরে ঘুরে আসায় একধরণের আবহ সৃষ্টি হয়। উদ্দেশ্যমূলক? ভাল লাগল। চলুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

পথিক পরাণ এর ছবি

এইমাত্র আবার 'আমাদের রেলগাড়ির ইতিহাস'' পড়লাম।
আপনার ভালোলাগা জানতে পারার মূল্য আমার কাছে অনেক। আপনার মন্তব্য জেনে দেখলাম, কিছু বাক্যাংশ সত্যিই ঘুরে ঘুরে এসেছে, তবে খুব অসচেতনভাবেই এমন হয়ে গেছে।

অনেক অনেক ধন্যবাদ।

-----------------
পথেই আমার পথ হারিয়ে
চালচুলোহীন ছন্নছাড়া ঘুরছি ভীষণ...

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

খুব সুন্দর। নিয়মিত লিখুন আপনি। চলুক

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

পথিক পরাণ এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

অনেক শুভকামনা রইল।

মৃত্যুময় ঈষৎ এর ছবি

বেশ ভালো লেগেছে। চলুক আশা করি নিয়মিত লিখবেন।


_____________________
Give Her Freedom!

পথিক পরাণ এর ছবি

ভালোলাগা রেখে যাবার জন্য আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

অনেক ভালো থাকুন।

অন্যকেউ এর ছবি

আপনার গল্প বলে যাওয়ার ভঙ্গিটা খুবই আকর্ষক। নিয়মিত লিখুন। চলুক

_____________________________________________________________________

বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখো দ্বিতীয় বিদ্যায়।

পথিক পরাণ এর ছবি

যারপরনাই রকমের অনুপ্রাণিত হলাম।

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

---------------
পথেই আমার পথ হারিয়ে
চালচুলোহীন ছন্নছাড়া ঘুরছি ভীষণ...

তানিম এহসান এর ছবি

চলুক

পথিক পরাণ এর ছবি

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

তিথীডোর এর ছবি

গল্প বলার ভঙ্গিটা এত চমৎকার! চলুক চলুক
পাঁচ তারা। হাসি

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

পথিক পরাণ এর ছবি

উফফ তিথী আপু... দেঁতো হাসি
এতোগুলো তারা!! আপনাকে যে কি বলে কৃতজ্ঞতা জানাব! ইয়ে, মানে...

''ঋতুর দু ধারে থাকে দুজনে, মেলে না যে কাকলি ও কূজনে,
আকাশের প্রাণ করে হূহু হায়॥''

------------------------
পথেই আমার পথ হারিয়ে
চালচুলোহীন ছন্নছাড়া ঘুরছি ভীষণ...

পথিক পরাণ এর ছবি

অনেকক্ষণ সময় ধরে পড়েছেন জেনে ভালো লাগছে ভীষণ। আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-
ওয়ালীউল্লাহ! নাহ ভাই। উনার মতন লেখা কেবল স্বপ্নেই লিখতে পারব মনে হয়...

সচলে এটি মনে হয় আট নম্বর লেখা।

অনেক ভালো থাকুন।

---------------
পথেই আমার পথ হারিয়ে
চালচুলোহীন ছন্নছাড়া ঘুরছি ভীষণ...

সাত্যকি. এর ছবি

অনেকক্ষণ ল্যাপটপে ওপেন করে রাখার পর শেষে পড়েই ফেললাম।
সুন্দর গল্প।
আপনার গল্প বলার ভঙ্গি কেন যেন ওয়ালীউল্লাহর কথা মনে করিয়ে দিল।
সচলে এই প্রথম?

পথিক পরাণ এর ছবি

অনেকক্ষণ সময় ধরে পড়েছেন জেনে ভালো লাগছে ভীষণ। আপনারে অসংখ্য আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-
ওয়ালীউল্লাহ! নাহ ভাই। উনার মতন লেখা কেবল স্বপ্নেই লিখতে পারব মনে হয়...

সচলে এটি মনে হয় আট নম্বর লেখা।

অনেক ভালো থাকুন।

---------------
পথেই আমার পথ হারিয়ে
চালচুলোহীন ছন্নছাড়া ঘুরছি ভীষণ...

দুর্দান্ত এর ছবি

অসাধারণ। খুব ভাল লেগেছে।

পথিক পরাণ এর ছবি

হাসি

আপনার জন্য আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

অ ট। ''আমাদের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা কৌশলের ইতিহাস'' এর পরের পর্বের অপেক্ষায় আছি কিন্তু...

-----------------------------
পথেই আমার পথ হারিয়ে
চালচুলোহীন ছন্নছাড়া ঘুরছি ভীষণ...

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।