বাংলাদেশে ব্যাঙ্কিং সেবা

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: শনি, ০৪/০৭/২০০৯ - ৮:০৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


১.
ব্যাঙ্কের কথা শুনলেই শরীর শিহরিত হয়। ব্যাঙ্ক শব্দটা শুনলেই প্রথমে চোখের সামনে ভেসে ওঠে যে শব্দটা, সেটা হচ্ছে বিল। বিল দিতে ব্যাঙ্কে যাওয়া, বিশাল কিউ ধরা, এক মিনিটের একটা কাজ সারার জন্যে কয়েক ঘন্টা সময় অপচয় করা, এসবই নিকট অতীতের কথা।

এদেশে এসে অ্যাকাউন্ট খোলার পর ব্যাঙ্কে সশরীরে গিয়েছি একবার। বাদবাকি সময় এটিএম থেকে টাকা তুলেছি, অনলাইনে টাকা ট্র্যান্সফার করেছি কোন কিছু কিনতে। বাড়িভাড়া, ফোনবিল, ইনস্যুরেন্সের প্রিমিয়াম, সবই আপনাআপনি ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট থেকে কাটা পড়ে। মনে হয় না, দেশে এই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি চালু করতে রকেট সায়েন্টিস্টের দরকার পড়বে। ব্যাপারটা খুব সহজ, যখন কোন পরিষেবা গ্রহণ করবো, তখন আমার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নাম্বার সরবরাহ করবো, বিলের এক কপি আসবে আমার কাছে, আরেক কপি যাবে সেই ব্যাঙ্কে। টাকা আমার অ্যাকাউন্ট থেকে চলে যাবে সেই পরিষেবার অ্যাকাউন্টে। ব্যাঙ্ক একটা ফি রাখবে সেই পরিষেবার কাছ থেকে। ঝামেলা শেষ।

আমি ঠিক নিশ্চিত নই, কেন এই পদ্ধতিটি এখনও কেউ অনুসরণ করছে না। মুখে শুধু "ডিজিটাল", "তথ্য প্রযুক্তি", "একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ" ইত্যাদি বড় বড় শব্দের বোল ফুটিয়ে শব্দ দূষণ, কাজের বেলায় কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না। ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকেও উদ্যোগ নেই, পরিষেবাগুলি থেকেও কোন সাড়াশব্দ নেই। আমি আমরণ মনে রাখবো, টেলিফোন বিল দেয়ার জন্যে পুরো একটা বেলা খরচ করতে হয়েছে এক বৃহস্পতিবারে, আর তার পরের বৃহস্পতিবারে টিঅ্যান্ডটির অফিসে গিয়ে সেই বিল এন্ট্রি করিয়ে দিয়ে আসতে হয়েছে আমাকে বছরের পর বছর। বিল দিয়েও শান্তি নেই, শুয়োরের বাচ্চাদের কাছে গিয়ে সেই বিল পরিশোধের ইতিহাস তাদের খাতায় তুলিয়ে দিয়ে আসতে হয়, নাহলে ঠুশ করে একদিন লাইন কেটে দেয়। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকারী ব্যাঙ্কে রেজিস্ট্রেশনের সময় এক মর্মান্তিক দৃশ্যের অবতারণা ঘটতো, কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে একটা অপরিসর হলের দমবন্ধকরা ভিড়ে দাঁড়িয়ে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত, অথচ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে খুবই সহজ ছিলো, ঐ টাকা তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে রেখে হল অফিসে একটা রিসিট স্লিপ পাঠানোর ব্যবস্থা করা। কয়েক হাজার রিসিট স্লিপ প্রিন্টআউট নিতে হয়তো ব্যাঙ্কের কর্মীদের বড়জোর কয়েক ঘন্টা সময় লাগতো, এবং কোন শারীরিক হাঙ্গামাও তাদের পোহাতে হতো না। এই অটোমেশনের জন্যে অতিরিক্ত কুড়ি টাকা করে চার্জ করলেও সব ছাত্রছাত্রী এক বাক্যে রাজি হতো। কিন্তু আমরা মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে রেখে অর্গাজমের কাছাকাছি তৃপ্তি পাই হয়তো, তাই এই কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রীর কয়েক ঘন্টা নষ্ট না করে কাজটি সম্পন্ন করার শুভবুদ্ধির উদয় বিশ্ববিদ্যালয় বা ব্যাঙ্কের হয়নি।

আমি জানি না, দেশে এই ছয়খানা মোবাইল কোম্পানির বিল এখন সশরীরে গিয়ে পরিশোধ করতে হয় কি না। এদের পক্ষে খুব সহজেই গ্রাহকের কাছ থেকে ব্যাঙ্কের মাধ্যমে বিল নেয়া সম্ভব, প্রয়োজন শুধু কয়েকটি ব্যাঙ্কের মধ্যে চুক্তি। কাজটা একটু উদ্যোগ নিলেই করা সম্ভব, কিন্তু এর ইমপ্যাক্ট হবে ব্যাপক। ঢাকা শহরে কম করে হলেও কয়েক লক্ষ লোক পোস্টপেইড পরিষেবা ব্যবহার করে, এদের যদি যাতায়াত আর কিউ ধরার পেছনে এক ঘন্টাও ব্যয় হয় (ধরে নিচ্ছি সবাই আলাদাভাবে নিজে গিয়ে বিল দেয়), তাহলে মানুষের কয়েক ঘন্টা সময় বাঁচে, বাঁচে ব্যাঙ্কে যাতায়াতের কারণে রাস্তায় জ্যামটুকু। আমাদের সমাজ সময়ের মূল্য নিয়ে কত বালের রচনা লিখতে দেয় স্কুলের বাচ্চাদের, কিন্তু সময়ের মূল্য সে নিজেই বোঝে না।

২.
রেজওয়ান ভাইয়ের একটা নোটে পড়লাম, সৌদি আরবের শ্রমিকরা দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে গিয়ে বিপদে পড়ছেন। সৌদি গুপ্তপুলিশ তাদের অজ্ঞতার সুযোগে সমানে তাদের হয়রানি করে, টঙ্কাধোলাই আইনে মামলা ঠুকে দেয়। বাধ্য হয়ে তারা আশ্রয় নেয় হুন্ডির। ফলে দেশ বঞ্চিত হয় বৈদেশিক মুদ্রা থেকে।

এই তথ্য গোপন কিছু নয়, কিন্তু আমাদের ব্যাঙ্কগুলি তাহলে কেন সৌদি আরবে যাচ্ছে না? কেন তারা ওখানে একটা ছোট ব্রাঞ্চ অফিস খুলে পরামর্শ-সেবা দিচ্ছে না রেমিটারদের? পত্রিকায় দেখলাম প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলছেন, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাঙ্ক খোলা হবে, বিদেশে যাওয়ার জন্যে ঋণ দেয়া হবে সেখান থেকে। এই ব্যাঙ্কের শাখা বিদেশেও খোলা হোক, প্রবাসীরা যাতে তাঁদের কষ্টার্জিত আয় বিনা হয়রানিতে দেশে পাঠাতে পারেন, সেই পথ সুগম করা হোক।


মন্তব্য

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

চলুক

আমার অবজারভেশন এরকম:
বাংলাদেশের ব্যাংকের কর্মচারীরা ব্যাংকের সবকিছুকে মনে করে তাদের সম্পত্তি।
এসব দেশের কর্মচারীরা মনে করে সেবা দেয়াই তাদের কাজ, সেজন্যই তাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

অনলাইনে না হলেও, একটু সেবা, একটু ভালো ব্যবহার যদি পাই, তাতেই খুশী হবো।

লীন এর ছবি

দেশে আমার জানামতে কিছু কিছু মোবাইল টেলিফোন এর পোস্ট-পেইড বিল দেওয়ার জন্য তাদেরই কার্ড (প্রি-পেইড এর মতই) আছে, পার্থক্য থাকলো খালি নাম আর কল-রেট এ।

বুয়েটে রেজিস্ট্রি এখনও পুলসিরাতের মতন। কিন্তু পরীক্ষার ফিস এবং অন্যান্য হাবিজাবি দিতে গেলে কমপক্ষে দশজন ছাত্র একই রসিদে দিতে পারে (এবং সেটা বাধ্যতামূলক), ফলে ৯ জনের সময় বাঁচে।

আর ডিজিটাল বাংলাদেশ এর টালমাটাল অবস্থা নিয়ে নিশ্চুপ থাকি।

______________________________________
চোখ যে মনের কথা বলে, চোখ মেরেছি তাই
তোমার চোখের শূল হয়েছি, এখন ক্ষমা চাই

ফারুক হাসান এর ছবি

এবার গিয়ে শুনলাম, বুয়েটে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। নিঃসন্দেহে ভালো উদ্যোগ, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় এবং হলের ফি, ডাইনিং চার্জ ইত্যাদির টাকা জমা সেই আদি ও অকৃত্রিম সোনালী ব্যাংকের লাইনে দাড়িয়েই পরিশোধ করতে হয়। এইটা একটা বিরাট পেইন। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বোধহয় ঐতিহ্যে বিশ্বাসী, সামনে এগিয়ে যাওয়ায় নয়। ডিজিটালায়নের টেষ্ট কেস হিসেবে সরকার কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেই প্রথমে বেছে নিতে পারে।

দেশে কিন্তু ব্যাংকগুলোর অনেক শাখাতেই (বিশেষ করে ঢাকাতে) অন্তত একজন আইটি কর্মকর্তা (আমি পদটির সঠিক নাম জানি না) আছে, যার কাজই হচ্ছে গ্রাহকের হিসাবের আপডেট করা। বিদেশ থেকে কেউ কোনো হিসাবে টাকা পাঠালে এই কর্মকর্তাই তা'র দেখভাল করেন। হাতিঘোড়া প্রয়োগ না করে কেবল এই অবকাঠামো ব্যবহার করেই কিন্তু সকল প্রকার অনলাইন লেনদেন সারা যায়, শুধু প্রয়োজন একটা সেটআপ দাড় করানো। কারো বাসায় ইন্টারনেটের সংযোগ না থাকলেও পার্শ্ববর্তী সাইবার ক্যাফেতে গিয়েও মানুষ অনলাইন ব্যাংকিং করতে পারে, তাতেও সময়ের ও অর্থের যথেষ্ঠ সাশ্রয় ঘটবে।

সিঙ্গাপুরে অগ্রণী ব্যাংকের একটা শাখা আছে যার মাধ্যমে দেশে সহজেই টাকা পাঠানো যায়। অনেকে হয়ত একটু বেশি রেট পাবার জন্য হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠায়, কিন্তু ব্যাংকের মাধ্যমে পাঠানোর হারও কম নয়, রবিবারে ব্যাংকে ঢোকাই যায় না ভিড়ের চোটে। এই ধরণের সুযোগ সৌদিআরবের মত দুধেল গাভীর দেশে সরকার এখনও চালু করেনি জেনে হতাশ লাগলো। বিদেশে ব্যাংক পরিচালনার খরচ যে পরিমাণ তার চেয়ে লক্ষগুণ বেশি রেমিট্যান্স পাওয়া সম্ভব, দরকার খালি উদ্যোগ।

লীন এর ছবি

বুয়েটের অনলাইন রেজিস্ট্রেশন মানে শুধুই পেপার ওয়ার্কটা অনলাইন। বাকি টাকা পয়সা সব ব্যাংকেই দেয়, তবে এখন ১০ থেকে ২০ জন এর টাকা একই রসিদে দেওয়া যায়।

______________________________________
চোখ যে মনের কথা বলে, চোখ মেরেছি তাই
তোমার চোখের শূল হয়েছি, এখন ক্ষমা চাই

হিমু এর ছবি

একদিন সব হবে। কারণ আমরা পাস করে বেরিয়ে গেছি।



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

মামুন হক এর ছবি

খুব দরকারী একটা বিষয়ে আলোকপাত করছেন হিমু ভাই।
আমাদের ব্যাংকাররা যে এগুলা জানেনা বার বোঝেনা তা কিন্তু না, কিন্তু ভালো কোন উদ্যোগের বাস্তবায়ন আমাদের দেশে এত জটিল যে তারা পিছিয়ে যায়।
এখন ইয়া নফসি এত জনপ্রিয় স্লোগান যে দেশের কথা নীতি নির্ধারকেরা প্রায় ভুলেই যায়।
ক্যারট অ্যান্ড স্টিক ফর্মুলা দিয়ে আমাদের দেশ বাইরের লোকেরা খেয়ে যাচ্ছে, স্টিক খেতে খেতে হীনমন্য সরকারের এই অবস্থা যে আমাদের হাতেও যে একটা লাঠি আছে সেটা তাদের মনে থাকেনা। সরকার বা কর্পোরেটদের তাড়া দিয়ে লাভ হবে বলে মনে হচ্ছেনা, ধৈর্য ধরে আমাদেরই গণসচেতনতা তৈরী করতে হবে। এটা বেশ সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।

হিমু এর ছবি

গণসচেতনতা তৈরি করে লাভটা কী, যদি তার ফল না পাওয়া যায়? বিল দেয়ার ভোগান্তি নিয়ে সচেতন না, এমন আবুল কি দেশে পাওয়া যাবে? কোন লাভ হইসে এই সচেতনতা দিয়া?



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

মামুন হক এর ছবি

বস কাজটা হলো সরকারের কিন্তু তারা তো তা করবেনা, তারা পশ্চাদ্দেশ চুলকানোতে ভীষণ ব্যস্ত। ব্যাংকওয়ালারাও নিজ দায়িত্বে করবেনা, উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে বসিয়ে দিয়ে বসে থাকবে। দেশের সরকারী ব্যাংকগুলোতে ট্রেড ইউনিয়নের প্রভাব অনেক বেশী, তারা অন লাইন ব্যাংকিংকে হুমকি মনে করে। আপনার মনে আছে কিনা জানিনা দেশের ব্যাংকগুলোতে কম্পিউটারের ব্যবহারকে ট্রেড ইউনিয়ন গুলো চরমভাবে নিরুৎসাহিত করেছিল। বেসরকারী ব্যাংকগুলো এখনও দ্বিধা দ্বন্দে আছে, তারা চায় বহির্বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে, কিন্তু তাদের মাথায় বসে আছে সব ৫০+ লোকজন , সর্বস্তরে অনলাইন ব্যাংকিং শুরু করার গরজ তাদের মধ্যে খুব কম। আর মানসিকতাও আমাদের মতোই, মানে সরকারের উপর কোন আস্থা নাই। শিল্প বা সেবা উভয় ক্ষেত্রেই গোড়ায় গলদ নিয়ে সামনে বাড়া কঠিন।
গণসচেতনতার কথাটা এই জন্য বল্লাম যে, আমাদের দেশের মানুষ খুব হুজুগে চলে। কিন্তু কোন শক্তিশালী কনজ্যুমারস সোসাইটি নাই, যারা সেবা দান কারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাপ দিয়ে নিজেদের সুবিধা আদায় করে নেবে। সত্যিকার সচেতনতা তৈরী হলে মেনে নেয়া মানসিকতার বদলে অধিকারবোধ জেগে উঠবে, মানুষ হয়তো একদিন ভোক্তা সমিতি গঠন করে নিজেদের সূযোগ সুবিধা বাড়াবে। যেই দেশে শেয়ার হোল্ডাররাও এক গ্লাস কোকের বিনিময়ে চুপ থাকতে শিখে যান, সেখানে হুট করে কিছু বদলানো দুঃসাধ্য ব্যাপার।

ফারুক হাসান এর ছবি

মামুন ভাইয়ের পয়েন্টগুলো মারাত্মক। ব্যাংকের তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের ইউনিয়নগুলো খুবই শক্তিশালি, তাদের হাতে বলা যায় এই সেক্টরের উন্নয়ন বন্দী। অথচ সরকার কিন্তু এই শক্তিকেই কাজে লাগাতে পারে। আমার একটা দুঃখজনক অবজার্ভেশন আছে, সবসময় সরকারপক্ষীয় শক্তি বিরোধী দলকে দমিয়া রাখার জন্য ভালো-মন্দ বিচার না করেই শুভঅশুভ সব আন্দোলন/উদ্যোগকে নিরুৎসাহিত করে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে কোনো প্রগতিশীল আন্দোলনের দিকে তাকালেই সেটা দেখা যাবে। অথচ তারা যদি সেটা না করে বরং ভালো ভালো উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করত তাহলে অনেক ভালো কাজই এগিয়ে যেত। এখন সময় হয়েছে সরকারদলীয় দলের সহযোগি এই অঙ্গসংগঠনগুলোর পজিটিভ চিন্তাভাবনা করার। সরকার শুধু এটুকু নিশ্চয়তা দিক যে ডিজিটালায়নে কারো চাকরি যাবে না, কিন্তু কোনো ইউনিয়নও যেনো এতে বাধা না দেয়, তাহলে অনেকাংশেই দ্রুত সফল হওয়া সম্ভব। এর মাধ্যমে যে বিরোধীদলীয় ইউনিয়নের কাছে তারা ধরাশয়ী হয়ে যাবে তারা তা কিন্তু নয়। বরং ভালো কাজে থাকলে তাদের সমর্থনই বাড়বে। দরকার কেবল ইউনিয়ন নেতাদের দুর্নীতি ঠেকানো। সরকারকেই সেই দায়িত্ব নিতে হবে।

হিমু এর ছবি

সরকারী ব্যাঙ্ক জাহান্নামে এক ঠ্যাং দিয়ে বসে আছে। বেসরকারী ব্যাঙ্কগুলি এগিয়ে আসতে পারে। কারণ এটা তাদের জন্যে লাভজনক ব্যবসা হবে। যে কাজটা করতে হবে, তা হচ্ছে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে বিলের সমপরিমাণ টাকা কেটে রাখা, গ্রাহকের শারীরিক উপস্থিতির শর্তটাকে মুছে দিয়ে। কিংবা গ্রাহককে এই কাজটা অনলাইনে করার সুযোগ করে দেয়া।



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

ফারুক হাসান এর ছবি

হয়ত বেসরকারি ব্যাংকগুলো এই কাজ আগে শুরু করতে পারে, ফুল স্কেলে দ্রুত করা তাদের পক্ষেই সম্ভব। কিন্তু সরকারি ব্যাংকগুলোও তো সারাজীবন এভাবে চলতে পারে না, তাদের সেবার মানোন্নয়নও জরুরী।

তানভীর এর ছবি

কোথায় যেন পড়েছিলাম বাংলাদেশ ব্যাংক বা সরকারই মূলত অনলাইন ব্যাংকিং-এর প্রধান বাধা। বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো সব কেন্দ্রীয়ভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন। এদের মধ্যে ইন্টার-ব্যাংকিং লেনদেন হতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কী যেন পারমিশনের দরকার, যা না থাকার কারণে এই বিল দেয়ার সুবিধা ইত্যাদি চালু করা যাচ্ছে না। তার বদলে কিছু বেসরকারী ব্যাংক শুধু নিজেদের গ্রাহকদের মধ্যে অনলাইনে ইন্ট্রা-ব্যাংকিং সুবিধা চালু করেছে। অর্থাৎ ব্যাংকের গ্রাহক শুধু সেই ব্যাংকে (বা ব্যাংকের মালিকানাধীন অন্য ব্যাংকে) অনলাইনে বা এটিএমে টাকা জমা/তোলা ইত্যাদি করতে পারবে। ঠিকঠাক সম্পূর্ণ বিষয়টা এখন মনে পড়ছে না, তবে কাহিনী মনে হয় এরকমই।

হিমু এর ছবি

এক ব্যাঙ্ক থেকে আরেক ব্যাঙ্কে টাকা ট্র্যানজ্যাক্ট তো হরহামেশাই হচ্ছে, অনলাইনে সেটা করলে বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের আপত্তিটা কোথায়? বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের তো দিনের শেষে ট্র্যানজ্যাকশন রিপোর্ট পেলেই চলে।



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

তানভীর এর ছবি

বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সরকারের কর্তাব্যক্তিরা মনে হয় এটাকে সেই সাবমেরিন কেবল-এর মতো করে ভাবছে। তখন বিদেশে তথ্য পাচারের ভয়ে কেবল চালু করে নি, এখন মনে হয় বিদেশে টাকা পাচার হয়ে যাওয়ার ভয়ে অনলাইন ব্যাংকিং চালু করতে দিচ্ছে না। যখন শেষমেষ চালু হবে তখন দেশ আরো ৫০ বছর পিছিয়ে যাবে, এই যা।

ফারুক হাসান এর ছবি

অনলাইন ট্রানজেকশন ঠেকিয়ে কী বিদেশে টাকা পাচার থামানো গেছে? কি হাস্যকর যুক্তি!

হিমু এর ছবি

আসলে এই কাজটা তো ডে লাইট সেভিঙের মতো সহজ না। একটু ঘাম ঝরাতে হবে। ঐটা না করেও তো তারা বেতন-ভাতা পাবেন। কে হায় আপডেট করে বেদনা জাগাতে ভালোবাসে?



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

প্রকৃতিপ্রেমিক এর ছবি

হিমুর ফেসবুকের স্ট্যাটাস স্মর্তব্য।

সাবাশ বাংলাদেশ! এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়! ____খেয়ে ছারখার, তবু মাথা খাটাবার নয়!

মামুন হক এর ছবি

এই প্রসঙ্গে একটা কথা বলি, ১৯৯৮ সালে রিজার্ভ ব্যাংক অভ ইন্ডিয়ার এক পদস্থ কর্মকর্তা বাংলাদেশে আসেন, ব্যক্তিগত পরিচয় থাকায় উনি আমাকে জানান যে , বাংলাদেশে ইন্টার ব্যাংক ফরেক্স ট্রেড চালু করার ব্যাপারে তারা আমাদের সরকারের সাথে আলোচনা করছেন। এতে ব্যাংক টু ব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন হবে, ভারতে যা দীর্ঘদিন ধরেই প্রচলিত। যার মাধ্যমে অর্থনৈতিক কার্যকলাপ বাড়বে আর শক্তিশালী মুদ্রার বিপরীতে টাকার ঘনঘন মুর্ছা যাওয়ার প্রবণতা ধীরে ধীরে কমে আসবে। কন্সেপ্টটা এতই সহজবোধ্য যে ছাত্র অবস্থায়ও আমি এর কার্যকারীতা বুঝতে পেরেছিলাম। বুঝলেন না শুধু আমাদের দেশের নীতি নির্ধারকেরা। তারা ইন্টার ব্যাংক ফরেক্সের অনুমতি দিলেন না, তার বদলে মানি এক্সচেঞ্জ নামে কিছু পঙ্গপালে দেশে ছেয়ে গেল। হুন্ডিবাজিকে দেশের অর্থনীতির সক্রিয় অংশীদার হিসাবে পরোক্ষভাবে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়া হলো।
জানিনা দেশে এখনও ফরেক্স চালু হয়েছে কিনা। একটা সাধারণ সফটওয়্যার দিয়েই এই কাজটা করা সম্ভব। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিশ্চয়ই খুব ধার্মিক কারণ তারা আসমানী মুদ্রাকে ধর্মগ্রন্থের মর্যাদা দিয়ে মাথার উপরে তুলে রাখে, আর সাধারণ মানুষকে এর গুঢ় রহস্য জানতে পাঠায় বক ধার্মিক হুন্ডি ওয়ালাদের কাছে।
কে জানি বলল, আপনারা শুধু বড় বড় কথা বলেন, বিদেশে বসে কিছু করেন না। তাদের প্রতি শুধু এইটাই বলতে চাই, ভাই আমরা সুযোগ পাইনা বলে করতে পারিনা, আমাদের কোর্টে কোনদিন বল আসেনা, দেশের জন্য আমাদের পেট কারো চেয়ে কম পোড়েনা। এই ফরেক্সের কথাটাই বলি, বেশি হলে তিন মাস সময় সিস্টেম ডেভেলপ করতে। একবার সুযোগ দিয়ে দেখেন আমরা নিজেরাই করে দেখাব।

...অসমাপ্ত [অতিথি] এর ছবি

মুনরি হাসানের একটা লেখা পড়েছিলাম প্রথম আলোতে...
http://www.prothom-alo.com/archive/news_details_mcat.php?dt=2009-03-21&issue_id=1225&cat_id=3&nid=MTQ2OTA1&mid=Mw==

...

হিমু লিখেছেন:
আসলে এই কাজটা তো ডে লাইট সেভিঙের মতো সহজ না। একটু ঘাম ঝরাতে হবে। ঐটা না করেও তো তারা বেতন-ভাতা পাবেন। কে হায় আপডেট করে বেদনা জাগাতে ভালোবাসে?

এটাই হল আসল কারন।

Masud এর ছবি

Do we realy need to replicate all westren development techniques? Do you know the economic and human cost of automotion of financial sectors in western countries? Do we really sustain these cost? Sometime I fell very bad when you expatriates always try to find out limitations of Bangladesh? You people want to good life and escape from Bangladesh. Do not advise us. Please let me solve our problem in our way. I know you will not going to show my comments because in this site you just want to patronise each other.

হিমু এর ছবি

মাসুদ সাহেব, আপনে নিজেই তো এক্সপ্যাট্রিয়েট মনে হচ্ছে। এক্সপ্যাট্রিয়েট হওয়া দোষের হইলে জানাবেন। দেশে আপনার বাপচাচারা কয়েক মিলিয়ন এক্সপ্যাট্রিয়টের জোরেই করে খাচ্ছে। আর আপনি পরে কিছু লিখতে চাইলে কন্ট্রোল + অল্ট + ইউ বা কন্ট্রোল + অল্ট + পি চেপে বাংলায় লিখবেন। রোমান হরফে মন্তব্য লিখলে মডুরা অনেক সময় ছাড়ে না।

হ্যাঁ, "ওয়েস্টার্ন ডেভলপমেন্ট টেকনিক" আমাদের রেপ্লিকেট করার দরকার আছে। কারণ ওতে করে মানুষের জীবন সহজ হয়। আপনি ইকোনমিক আর হিউম্যান কস্টের হিসাব দেন নিজে জানলে। তারপর ব্যাখ্যা করেন কেন আমরা এই কস্ট সাসটেইন করতে পারি না, আমরা শুনি। আর আপনি কিছু নমুনা দেন, যেখানে আপনি "আমাদের প্রবলেম" "আমাদের ওয়ে"-তে সল্ভ করসেন। তারপর বাকি কথা হবে।

আর একটা কথা। আপনাদের মতো লোকরে অ্যাডভাইজ দেওয়া উচিত না, স্রেফ কানে ধরে বাইর কইরা দেওয়া উচিত পলিসি মেকিং থেকে, যদি আদৌ কোন পলিসি মেকিঙে জড়িত থাকার যোগ্যতা আপনার হয়ে থাকে। দেশটার এই অবস্থা আপনার মতো লোকদের জন্যে।

পিস।



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

সিরাত এর ছবি

মন্তব্যকারী দুটো জিনিস মিলিয়ে ফেলেছেন - ১। 'পশ্চিমা' টেকনিক ২। এক্সপ্যাটদের লেকচার। না মেলালে কিছু যুক্তি থাকতো, দু'ক্ষেত্রেই। না করায় দুই সাইডের দূর্বলতম আর্গুমেন্টগুলো চলে এসেছে। মন খারাপ

আপনি (মাসুদ সাহেব) বাংলায় একটু বিস্তারিত এ নিয়ে লেখেন, যুক্তি সহকারে। আমারও এ নিয়ে লেখার ইচ্ছা থাকলো।

সচলায়তনে অনেক ক্ষেত্রে পিঠ চুলকানো হয় এটা ঘাগুরাও স্বীকার করবেন, তবে 'চুলকানি'-র বদলে এটাকে বৈঠকী পরিবেশ বলাই আমার বেশি পছন্দ। এটা এখানে লেখার আমার অন্যতম কারণও - দারুন রুচিশীল, ভদ্র এক কমিউনিটি।

তার পরেও কিন্তু যুক্তিপূর্নভাবে অনেক তর্ক হয়! আমার পোস্টগুলাই দেখেন। আপনার 'মারামারি' দেখার শখ হলে এরকম আরো অনেক পোস্ট পাবেন, কিন্তু অকারণে না। হাসি

এনকিদু এর ছবি

সিরাত, "চুলকানো হয় কিনা" - এসব প্রসঙ্গ মনে হয় বার বার নিয়ে আসা ঠিক না । আমি বলছিনা, যে আপনি এই কথা বার বার বলেন । গত কয়েক সপ্তাহ ধরে যাকে তাকে যখন তখন এই "চুলকানো" প্রসঙ্গ টা উল্লেখ করতে দেখছি । ব্যাপারটা খুবই বিরক্তিকর ।

আশা করি ভুল বুঝবেন না ।


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...

শাহেনশাহ সিমন [অতিথি] এর ছবি

এটাকে চুলকানি না বলে 'School of Thought' বল্লে যেমন শ্রুতিমধুর শোনায়, তেমনিভাবে আমাদের বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই সহমত পোষনের কারনটাও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাখ্যা হয়ে যায়।

সাইফ তাহসিন এর ছবি

মাসুদ ভাই, প্রথমত বাংলা ব্লগে ইংরেজি লেখা দিয়েছেন, তারপর অনেক ভুলভাল ইংরেজি লিখেছেন আপনে, এর চেয়ে বাংলা ভাষায় ফোনেটিক লেখাি কি ভালো না?

You people want to good life and escape from Bangladesh.

কি বোঝাতে চাইলেন? যে ভাষাটা ভালো পারেন, সে ভাষায় লেখাই কি ভালো নয়?

Do not advise us.

আপনাকে পরামর্শ দিল কে? নিজেরা এতই যদি বুঝেন, তাহলে দেশটাকে বেচে খাচ্ছেন কেন? আমাদের পরামর্শ নিবেন না, তাহলে পরামর্শ দিতে আসছেন কেন ভাইজান?

this site you just want to patronise each other.

বাহ!! কি সুন্দর কথা, বেটা তোরা ২ জন তো একমত হতে পারিস না, দেশের উন্নতি করবি কী? হিমুদার মত আমিও বলি, কানে ধরে বের করে দেয়ার সময় পাছায় ২টা লাথিও দেয়া দরকার

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

শাহেনশাহ সিমন [অতিথি] এর ছবি

ভাই সেইফ, উনি একজন জ্ঞানের বাটখারা। উনাকে লাত্থিমারাটা ঠিক সেইফ হবেনা।

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

এই পোস্ট আর অন্যদের মন্তব্য পড়ে খুব মন খারাপ ছিলো, আপনার মন্তব্য পড়ে মন ভালো হয়ে গেলো। ইকোনোমিক আর হিউম্যান কস্ট নিয়ে একটা বাঘা মন্তব্য দেন, সবাই চুপ হয়ে যাবে।

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

শামীম এর ছবি

Do we realy need to replicate all westren development techniques?

কোথায় কে পশ্চিমা সবকিছুকে অনুসরণ করতে বললো সেটাই বোধগম্য হইলো না।

ভালোগুলো অনুসরণ করা যাবে ... আর বাকীগুলো অনুসরণ করা যাবে না ...
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।

________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।

রেজওয়ান এর ছবি

You people want to good life and escape from Bangladesh. Do not advise us.

এখানে কে You এবং কে us সেটা বোধগম্য হলো না। মাসুদ সাহেব বোধহয় ভুলে গেছেন বিদেশে সবাই শখ করে থেকে যেতে যায় না, অনেকেই দরকারে যায় এবং দেশে ফিরে আসে।

মত প্রকাশের স্বাধীনতা সবারই আছে। আপনার পছন্দ না হলে যুক্তি দিয়ে জানাবেন। কিন্তু অপরের কণ্ঠ রোধ করা কেন রে বাবা?

Please let me solve our problem in our way.

আপনার কথায় মনে হচ্ছে দেশকে উদ্ধারের ভার আপনি নিজ কাধে তুলে নিয়েছেন। আপনার উপায়টি জানতে বড়ই কৌতুহল হচ্ছে।

পৃথিবী কথা বলছে আপনি কি শুনছেন?

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- জিনিষটা নিয়ে আমার আসলে পর্যাপ্ত জ্ঞানের অভাব, বিদেশি কোনো ব্যাংকের সাথে আমাদের দেশের সরকারী ব্যাংকগুলোর কি সরাসরি লেনদেন আছে?

ব্যাংক না হোক, আইনত সিদ্ধ যে নামকরা হুণ্ডি প্রতিষ্ঠানগুলো আছে (ওয়েস্টার্ণ ইউনিয়ন, মানিগ্রাম প্রভৃতি) তাদের সাথেই কি কোনো প্রকার লেনদেন চলে সরকারী ব্যাংকগুলোর?

দুইটার কোনোটাই যদি না চলে তাইলে সরকারী ব্যাংকগুলো ঠিক কী পরিমান গোয়ামারা খাচ্ছে তা হিসাব করার জন্য বোধকরি আলাদা মন্ত্রনালয় খোলার প্রয়োজন আছে। আর যদি থেকেই থাকে তাহলে, শালার্পুতেরা আভ্যন্তরীন ক্ষেত্রে সেটা চালু করতে বাধাটা কোথায়?

সদাজাগ্রত, দেশপ্রেমিক গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কথাই আর কী বলবো। আছে সবেধন নীলমনি একটা পোস্টাল সার্ভিস। সেইটাও মাসখানেক আগে খেলাপীর দায়ে বিদেশের অনেক দেশের সঙ্গে (উদাহরণঃ জার্মানী) ডাক যোগাযোগের যোগ্যতা হারায়। চুদির্ভাইদের নাকের ডগায় বসে বসে একেক পুঙ্গির পোলা নিজের পশ্চাৎদেশ ফুলায়ে বাঙ্গীক্ষেত বানায়, আর সরকার সংসদে, মিটিং, সিম্পোজিয়ামে বসে বসে বিরোধীদলের বাল গোণে।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

নীড় সন্ধানী এর ছবি

প্রযুক্তি ও সরকার। এই দুটো একেবারে বিপরীত মেরুর শব্দ। এরা কখনো একে অপরের সাথে চলে না। কখনো সখনো দেখা হলে হাই হ্যালো করে বটে, তারপর হাঁটা দেয় বিপরীত দিকে।

বারো তেরো বছর আগে অগ্রনী ব্যাংকের সাথে আমার ব্যাংকিং লেনদেন ছিল। আমি ব্যাংকে গেলেই ম্যানেজারের পাশের রুমে কাঁচঘেরা ঘরে দুটো কম্পিউটার দেখতাম। পলিথিনে সযত্নে ঢাকা। কিন্তু ওই রুমে কেউ কাজ করতো না। মাসের পর মাস একা একা কম্পিউটার দুটো দেখতে দেখতে একদিন ম্যানেজারকে জিজ্ঞেস করলাম ঘটনা কি। ম্যানেজার বললেন কম্পিউটারায়নের অংশ হিসেবে হেড অফিস বছর দেড়েক আগে ওগুলো বরাদ্দ করে। কিন্তু অপারেটার নিয়োগ দিয়েছে মাত্র গত মাসে, এর মধ্যে ওই সফটওয়ারের নতুন ভার্সন চলে এসেছে যেটা এই দুটো কম্পিউটারে চলবে না। আপগ্রেড করাতে হবে র‌্যাম ইত্যাদি। তাই বসে আছে আপগ্রেডের বরাদ্দের আশায়।

মোটামুটি এরকম চিত্র মিলবে প্রায় সবগুলো সরকারী দপ্তরে। প্রযুক্তি চলে খরগোশের গতিতে, সরকার চলে কচ্ছপের গতিতে। কারো সাথে কারো দেখা হয় না।

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-
সেই সুদুরের সীমানাটা যদি উল্টে দেখা যেত!

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

মামুন হক এর ছবি

রেজওয়ান ভাইয়ের একটা নোটে পড়লাম, সৌদি আরবের শ্রমিকরা দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠাতে গিয়ে বিপদে পড়ছেন। সৌদি গুপ্তপুলিশ তাদের অজ্ঞতার সুযোগে সমানে তাদের হয়রানি করে, টঙ্কাধোলাই আইনে মামলা ঠুকে দেয়। বাধ্য হয়ে তারা আশ্রয় নেয় হুন্ডির। ফলে দেশ বঞ্চিত হয় বৈদেশিক মুদ্রা থেকে।

-এই হুন্ডি কালচার আর দেশের অর্থনীতিতে তার বিরূপ প্রভাব নিয়েও বিস্তর আলোচনা হওয়া দরকার।

সিরাত এর ছবি

লেখাটা পড়ে খুব রাগ উঠছিল! আপনার উপর না, কর্তৃপক্ষের উপর! মন খারাপ

এখন কিছু ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে বলেই বিশ্বাস। এটিএমের ব্যবহার দেখছি বেশ বেড়েছে। বিল পে'র ব্যবহারও।

চলুক

সোয়াদ [অতিথি] এর ছবি

মাসুদ সাহেবের কথা শুনে মনে হচ্ছে নিজের দেশকে ভালোবাসতে হলে দেশের বাইরের প্রতিটা বস্তুকে ঘৃণা করতে হবে। এই অদ্ভুত ধারণা বাঙালীর মাথায় কে দিলো রাব্বুলআলামিন জানেন।

দেশের ভিতরে বসে বসে খেলার সময় পাকিস্তান, টিভি দেখার সময় ভারতের পতাকা পোঁদে ভরে নাড়ানোর সময় বিশ্বনাগরিক, আর জীবিকা বা উন্নততর জীবনের জন্য বিদেশে যাওয়া বা বিদেশের ভালো জিনিষ গুলো নিজের দেশে আসুক বা যাক তা চাওযাটা "you expatriates always try to find out limitations of Bangladesh"

বাঙালীর দেশপ্রেম মানে ও আমার দেশের মাটিতে একগাদা হেগে তার মধ্যে মাথা গুঁজে বসে থাকা।

স্বপ্নহারা এর ছবি

কেউ কেউ ইংরেজি জ্ঞান দেখাইতে ভালবাসে...কিন্তু ইংরেজি ও পারেনা...বাংলাতো না-ই!!
এরা দেশে বসে অন্যের পুটকির বাল গণা ছাড়া কিছু করতে পারেনা...কেউ কিছু করতে গেলে বাধা দিতে ওস্তাদ...
হিমু ভাই ... বুয়েটে থাকতে প্রতি টার্মে ডিফল্টার হইতাম ওই ভিড়ের ভয়ে...

আসলে আমরা বিশাল এক মাইনকা চিপায় পড়ছি।। উপরের লোকগুলা সব প্রযুক্তিমূর্খ...আর নিচের লোকদের ওদের সাথে লড়াই করার চিকন বুদ্ধির অভাব!

অতিথি লেখক এর ছবি

আমার মনে হয় কিছু কিছু ব্যাংক বাইরে তাদের ব্রাঞ্চ বা তাদের সহযোগী প্রতিস্টহানের সাথে মিলে রেমিটেন্স দেশে পাঠানোর ব্যাবস্থা করছে যেমন অগ্রনী ব্যাংকhttp://www.agranibank.org/html/overseas_corres.html

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

অনলাইন সিস্টেম করলে দেশে বেকারত্ব বাড়বে। যেমন, এক বিল দেয়ার জন্য কেউ যদি ৩ অফিসে দৌঁড়াতে বাধ্য হয়, তাহলে মাঝখানে রিক্সা সিএনজি ওয়ালা মিলে অনেকগুলো লোকের কর্মসংস্থান হয়ে যাচ্ছে। বুয়েটের বিল দেয়াটাকে সিনারিও হিসেবে নেয়া যাক। কাগজে বিল দিতে গেলে ফর্ম ছাপাতে হয় (ছাপারুদের কর্মসংস্থান), কলমে লিখতে হয় (ইকোনোকর্মীদের রুটিরুজি), বুয়েটের হল থেকে রিক্সায় পলাশীর মোড়ে যেতে হয় (শ্রমজীবি মানুষের পেটে ভাত), ব্যাঙ্কের গেটে সিকুরিটি বাড়াতে হয় (খাকি পোশাকী ভাইদের আয়), ধুম ধুম করে সিল মেরে ঘচঘচ করে সাইন করে টাকা জমার ফর্মের তিন পার্ট তিন কুঠুরীতে চালান করতে ব্যাঙ্কে জনবল বেশি লাগে, সাথে তাদের হাতেরও ব্যায়াম হয়।

উন্নত বিশ্বে অটোমেশনের একটা প্রধান কারণ তাদের জনশক্তির অভাব। আমাদের তো সেই সমস্যা নেই। তবে পোস্টে প্রস্তাবিত বিষয়টি ফিজিবল কিনা, তা যাচাই-বাচাই করতে 'অনলাইন বিল প্রদান মন্ত্রণালয়' নামে আরেকটি মন্ত্রণালয় খুলতে সরকারের কাছে আবেদন জানাই। তাতে আরো কিছু লোকের মন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সহমন্ত্রী, পাতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, চামচা ইত্যাদি পদে কর্মসংস্থান হবে।

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

শামীম এর ছবি

মূল সমস্যা হল দেশটা জাহান্নামে গেলেও কিছু আসে যাবে না - এমন মনোভাব।

যদি কোন প্রতিষ্ঠান নিজে উদ্যোগি হয়ে কোন গঠনমূলক / উন্নয়নমূলক কাজের বিস্তারিত প্রস্তাব নিয়ে কোন সরকারী অফিসে অনুমোদন বা এই সংক্রান্ত কাজে যায় .... তখন দায়িত্বশীল (!) কর্মকর্তার একটাই প্রশ্ন থাকে ... এটা করলে আমার কী লাভ! --- খেয়াল কইরেন ... দেশের কী লাভ? - সেটা প্রশ্ন হয় না ... নিজের পকেটের স্বাস্থ্য উন্নত হবে কি না এরা এটাই শুধু চিন্তা করে।

কর্মকর্তার নিজের পকেটের উন্নয়ন হলে আপনি দেশের **মারা কোনো পরিকল্পনাও সহজে পাশ করিয়ে আনতে পারবেন।

সুতরাং ভুলটা দেশপ্রেমিকদেরই। সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রতিটি স্তরে কর্মকর্তার কী লাভ হবে সেটাকে হাইলাইট করতে হবে ....
________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।

________________________________
সমস্যা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ; পালিয়ে লাভ নাই।

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

আমি একটা বুদ্ধি দেই। মাসুদ সাহেবের মন্তব্যের প্রবাসী-স্ববাসী অংশটুকুকে ইগনোর মারেন, নাইলে এই পোস্টের আলোচনা অন্যদিকে ঘুরে যাবে। বুঝাই যাচ্ছে, উনার মন্তব্য রিভার্স কেস।

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

শাওন [অতিথি] এর ছবি

খুব ই দরকারি বিষয়। এবং মাসুদ শাহেব এর চিনতা ধারা শুনে বাক-শুনন হই নাই। এরকম মানুষ আছে বলেই দেশ এটো সুনদোর চোলছে হাসি বাংলাদেশে ওনেক কিছুই কোরা যায় কিনতু সবার আগে দরকার মানসিকটা পরিবরতন করার। বিড়ালের গলায় ঘনটা বাধবে কে???

এনকিদু এর ছবি


"মূল" পদ্ধতি যখন ঝামেলা বাড়ায়, প্রাকৃতিক ভাবেই কম ঝামেলার "বিকল্প" পদ্ধতি দাঁড়িয়ে যায় ।

বুয়েটে লেভেল ১ এর দুই টার্মের ফি শুধু নিজে দিয়েছিলাম । এরপর থেকে সমস্ত টার্মের ফি, হলের ডাইনিং এর ফি, পাস করে বেরিয়ে আসার সময় চৌদ্দটা ল্যাব লাইব্রেরীর ক্লিয়ারেন্স - ইত্যাদি আমি বিকল্প পদ্ধতিতে দিয়েছি । বিকল্প পদ্ধতি কয়েকটি আছে, তার মধ্যে যখন যেটা হাতের কাছে পেয়েছি সেটাতেই কাজ সেরে নিয়েছি ।

মাসে মাসে ডাইনিং এর টাকা দিয়ে দিতাম ক্যান্টিন বয় অথবা দারোয়ান মামা কে, যখন যাকে হাতের কাছে । সাথে দশটা টাকা ওনার পারিশ্রমিক । ক্লিয়ারেন্সের সমস্ত কাগজ পত্র উদ্ধারের কাজ করিয়েছি আমি আমার হলের দারোয়ান মামাকে দিয়ে । পারিশ্রমিক দিয়েছিলাম ২৫০ টাকা ।

এই জিনিস গুলো বেআইনি কিনা জানিনা, তবে খুব ভাল বিকল্প পদ্ধতি ।


দেশে বেসরকারী ব্যাংক গুলো আজকাল ATM দিচ্ছে । আমি নিজেও কিছুদিন আগে ATM কার্ড করিয়েছি একটা । আস্তে আস্তে এই জিনিসে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি । অনেকে আরো আগে থেকেই অভ্যস্ত ।


বেসরকারী ব্যংক গুলোর কম্পিউটারাইজেশন / অটোমেশন ধীরে ধীরে চলছে । বুয়েটে দেখতাম সোনালী ব্যাঙ্কের কম্পিউটারে প্রাগৈতিহাসিক আমলের সফটওয়্যার ব্যবহার করে । বেসরকারী ব্যাংকগুলোর অবস্থা খুব একটা ভালভাবে জানিনা । দুই একটা ব্যাংক দেশে তৈরী সফটওয়্যার ব্যবহার করে, জানি । সবগুলো ব্যাঙ্ক এই কাজ করলে আরো ভাল হত, সবাই সম্ভবত তা করে না। এবং যেই ব্যাংকে দেশী সফটওয়্যার ইত্যাদি ব্যবহার হয়, এদেরকে সবরকম অটোমেশন সহায়তা দিচ্ছে এরকম কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও দাঁড়িয়েছে । আমাদের ব্যাচে বেশ কয়েকজন কম্পিউটার এবং ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার সেখানে কাজ করছেন, সেই সুবাদে আমি জানি ।


মাসুদ, মত প্রকাশ আপনার অধিকার । আর নিজেকে গাধা প্রমানিত করা থেকে বিরত থাকা আপনার দায়িত্ব । দায়িত্বের অবহেলা করবেন না ।


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...

সবজান্তা এর ছবি

আর নিজেকে গাধা প্রমানিত করা থেকে বিরত থাকা আপনার দায়িত্ব । দায়িত্বের অবহেলা করবেন না ।

হো হো হো


অলমিতি বিস্তারেণ

শাহেনশাহ সিমন [অতিথি] এর ছবি

মাসুদ, মত প্রকাশ আপনার অধিকার । আর নিজেকে গাধা প্রমানিত করা থেকে বিরত থাকা আপনার দায়িত্ব । দায়িত্বের অবহেলা করবেন না ।

উত্তম জাঝা!

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

মত প্রকাশ আপনার অধিকার । আর নিজেকে গাধা প্রমানিত করা থেকে বিরত থাকা আপনার দায়িত্ব । দায়িত্বের অবহেলা করবেন না ।

এনকিদুদা, অতিথি মাসুদ সাহেব এমনিতেই একটা ভুল ধারণা নিয়ে বসে আছেন যে এখানে বিরুদ্ধ মতের মন্তব্য প্রকাশিত হয় না। এ ধরনের মন্তব্য উনার ভুল ভাঙ্গাতে খুব একটা সাহায্য করবে কিনা ভেবে দেখবেন।

আর মাসুদ সাহেব স্বতন্ত্র কোনো কেস নয়, বাংলাদেশের নীতিনির্ধারকদের চিন্তাভাবনাও কিন্তু একইরকম। এই স্টেরিওটাইপ থেকে মুক্ত হওয়ার প্রথম কথা ঠান্ডা মাথায় বুঝানো। অনেক জ্ঞানী জ্ঞানী কথা বললাম। হাসি

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

অতিথি লেখক এর ছবি

হি..হি..হি..
লেখার সময় হিমু ভাই যে রেগে ভুত হয়েছিলেন তা আপনার লেখায় কিছু বিশেষ বিশেষ শব্দ থেকে বোঝা যাচ্ছে....
মোবাইল দিয়ে আজকাল জায়গায় বসে বিল দেওয়া গেলেও মজার ঘটনা ঘটে যখন অফিস থেকে লোক এসে পান চাবাতে চাবাতে খুব ভাব নিয়ে বলে- এত থেকে এত মাসের বিলের কোন রেকর্ড নাই আপনার...!!!(জানতে পেরেছি তারা এটা ইচ্ছা করেই করে)
অলস জাতী হিসেবে সাধারন থেকে বিশেষ সব পুরষ্কারই আমাদের প্রাপ্য...
ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাড় করিয়ে রাখবে যেন আল্লাহতালা সময় আমাদের জন্য অন্যদের থেকে বেশী দিয়েছেন...
অথচ কর্তৃপক্ষের একটু সচেতনতা এবং কিছু নিয়ম নীতি প্রনয়ন করতে কিছু সময় ব্যয় করলে অনেক গুলো মানুষের সময় বেঁচে যেত...সেই সময় দিয়ে মানুষ কুলুর বলদের মত বেঁচে না থেকে অন্তত মানুষের মত বেঁচে থাকত..

(জয়িতা)

দ্রোহী এর ছবি

কাঠখোট্টা পোস্ট হবে বিধায় চোখ এড়িয়ে গিয়েছিলো। মাসুদ ভাই আপনাকে ধন্যবাদ এইরকম কাঠখোট্টা একটা পোস্টকে রসময় করে তোলার জন্য।

আলমগীর এর ছবি

শুধুমাত্র দেশের ভেতরে।

হিমু এর ছবি

শুধুমাত্র দেশের ভেতরেই হোক না আপাতত।

চিন্তা করে দেখুন, কতরকমের ওয়েব-বেইজড সার্ভিস এখন চালু করা সম্ভব হবে? আমার মাথায়ই তো চার-পাঁচ রকমের ব্যবসার আইডিয়া গিজগিজ করছে। পয়সাঅলা কোনো পার্টনার পাইলে নাইমা পড়ুম ভাবতেসি।



হাঁটুপানির জলদস্যু আলো দিয়ে লিখি

আলমগীর এর ছবি

- আজ থেকে সাত বচ্ছর আগে মোবাইলের রিঙটোন নিয়া চিন্তা করছিলাম।
- প্রায় একই সময় আগে, মোবাইল-বেসড অনলাইন ব্যাংকিংএর কথা চিন্তা করছিলাম (যেহেতু ল্যান্ড লাইন ছেড়াবেড়া)।

জ্যাক ছাড়া কিছু হয় না মামু।

-----
দেশের ভেতরের কথা কেন বললাম। অনেকে দেখলাম এটাকে সব সমস্যার সমাধান ভেবে পোস্ট দিচ্ছেন। পেপল হয়ে যাবে, যে কোন দেশ থেকে যে কোন কিছু কেনা যাবে।

নৈষাদ এর ছবি

দেশের ভেতর দিয়ে শুরু। আমি ব্যাক্তিগতভাবে খুবই আশাবাদী। আন্তর্জাতিক লেনদেনের ব্যাপারে বাংলাদেশের এখনও অনেক লিমিটেশন আছে, কিন্তু পরিবর্তন তো হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের ব্যাপারটাই ধরুন। ৩/৪ বছর আগে কল্পনাই করা যেত না। এখন তো ব্যাক্তিগত ৪০০০ ডলার লিমিটে খুব ভাল ভাবেই ব্যাবহার করা যাচ্ছে। ইন্টারনেট-ভিত্তিক লেনদেনের ব্যাপারটাও ধীরে ধীর চলে আসছে (যেমন এয়ারলাইন্সের পেমেন্ট ইত্যাদি)।

তারপর আছে ব্যবসায়ীদের চাপ... আমি বলব শুভ সূচনা।

সিরাত এর ছবি

হাসি

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।