ব্র্যাড অ্যাডামস, এইবার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে একটা চিঠি লিখুন

হিমু এর ছবি
লিখেছেন হিমু (তারিখ: সোম, ২১/০৭/২০১৪ - ২:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্যে গঠিত 'এলিট ফোর্স' র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন ওরফে র‍্যাব ভেঙে দেওয়ার জন্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিঠি লিখেছেন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ নামের একটি মৌসুমী মানবাধিকারবারি সংগঠনের এশিয়া অঞ্চলের প্রধান, ব্র্যাড অ্যাডামস [সূত্র]।

র‍্যাব নিয়ে ব্র্যাড অ্যাডামসের উদ্বেগের অন্ত নেই। সে উদ্বেগের পেছনে উপস্থাপনীয় কারণেরও অভাব নেই। র‍্যাবের হাতে নিরপরাধ ব্যক্তির আহত ও নিহত হওয়ার খবর নতুন কিছু নয়। অপরাধীও যদি উপযুক্ত বিচার প্রক্রিয়া থেকে বঞ্চিত হয়ে নিরস্ত্র অবস্থায় র‍্যাবের হাতে নিহত হয়ে থাকে, তা আইনের চোখে হত্যা হিসেবেই পরিগণিত হওয়ার কথা।

ব্র্যাড অ্যাডামস লিখেছেন,

স্বাধীন আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর হিসাব অনুযায়ী, গত ১০ বছরে প্রায় ৮০০ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় র‌্যাব দায়ী।

তারপর তিনি আরো লিখেছেন,

র‌্যাবকে এখন আর সংস্কার করে চালানো সম্ভব বলে আমরা বিশ্বাস করি না। আইনের ঊর্ধ্বে থেকে কোনো ধরনের জবাবদিহিতার তোয়াক্কা না করে র‌্যাব পরিচালনার একটি সংস্কৃতি তৈরি হয়ে গেছে। এই অবস্থায় এ বাহিনীকে অবশ্যই বিলুপ্ত করতে হবে, যাতে হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা হয়।

মানবাধিকারবারি ব্র্যাড অ্যাডামসের উদ্বেগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবার একটা ছোটো আবদার করি। প্যাড থেকে আরেকটা কাগজ ছিঁড়ুন। কলমদানি থেকে কলমটা বের করে খাপ খুলুন। তারপর লিখুন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে। তাকে বলুন, ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস প্রতিষ্ঠানটিকেও বিলুপ্ত করে দিতে। ২০০০ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেসের হাতে নিহত ফিলিস্তিনিদের একটি পরিসংখ্যান পাবেন এখানে। এদের মাঝে একটি বড় অংশ নিরীহ বেসামরিক মানুষ, তাদের একটা বড় অংশ শিশু, এবং সংখ্যাটাও ৮০০ থেকে বেশি।

আমি নিশ্চিত, আপনি বিশ্বাস করেন না যে ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেসকে সংস্কার করে চালানো সম্ভব। কাজেই ফিলিস্তিনে নির্বিচার হত্যাকাণ্ড বন্ধ করার জন্য যে এই বাহিনীকে বিলুপ্ত করার অনুরোধ আপনি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে করবেন, সেরকম তো আমরা ধরে নিতেই পারি। নাকি?

কবে আপনি ঐ চিঠিটি লিখবেন, দেখার জন্যে সাগ্রহে অপেক্ষা করছি। আপনার মানবাধিকার ব্যবসার দৌড় কতদূর পর্যন্ত, সেটাও দ্রষ্টব্য।


মন্তব্য

নীড় সন্ধানী এর ছবি

ব্র্যাড অ্যাডামসদের মানবাধিকার চেতের সাথে আমরা অনেক আগ থেকে পরিচিত। ওই চেত সূর্যের মতো শুধু পূর্বদিকের ঘটনায় জেগে ওঠে। পশ্চিমের ঘটনায় ওই চেত শুধু অস্ত যায়। ইজরাইল তো পশ্চিম এবং পশ্চিমা পদশ্চুম আশীর্বাদপ্রাপ্ত।

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

মর্ম এর ছবি

এই লেখাটার অনুবাদ থাকা উচিত।

~~~~~~~~~~~~~~~~
আমার লেখা কইবে কথা যখন আমি থাকবোনা...

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

চলুক

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

হাসিব এর ছবি

বাংলাদেশের মানবাধিকারবারিরা বাংলাদেশের বিভিন্ন ইস্যুতে দেশ বিদেশ ঘুরে বেড়ান। প্যালেস্টাইন ইস্যুতে তারা ইংরেজিতে ব্যানার ফেস্টুন লিখে শাহবাগের মোড়ে পর্যন্ত দাঁড়ান না। কেন?

হিমু এর ছবি

আমাদের শান্তির পারাবত নোবেলপতি বাবুকাকাও দেখি গুঙ্গাবাবা হয়ে আছেন। দেশের ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহীতা দরিদ্র নারীদের তিনি উসকান সরকারের হাত ভেঙে দিতে, কিন্তু ফিলিস্তিন ইস্যুতে বাবুকাকা একেবারে চুপ, ইসরাইলের লোমটাও ছিঁড়তে বলেন না কাউকে। অথচ শান্তিতে ছয় নোবেলজয়ী ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ঘোষণা দিয়ে অবস্থান নিয়েছেন [সূত্র]।

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

ব্যারন পিয়ারে দ্য কুবার্তিন না কে জানি বলেছিলেনঃ
নুবেল মহান, কিন্তু নুবেল টিকাইয়া রাখা মহত্তর! চাল্লু

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

নির্ঝর অলয় এর ছবি

চলুক

নির্ঝর অলয় এর ছবি

হিমু ভাই, আপনার এই অপেক্ষা শেষ হবার কোন সম্ভাবনা নেই।

আব্দুল্লাহ এ.এম. এর ছবি

কবে আপনি ঐ চিঠিটি লিখবেন, দেখার জন্যে সাগ্রহে অপেক্ষা করছি।

এটা মোটামুটি নিশ্চিত যে আপনার অপেক্ষার অবসান হওয়ার কোনই সম্ভাবনা নেই।

অতিথি লেখক এর ছবি

চলুক

মানবধিকারের সংজ্ঞা বোধহয় অঞ্চল ভেদে ভিন্ন হয় চোখ টিপি । নির্বিচারে অসংখ্য নিরাপরাধ মানুষ যেখানে মারছে ইজরাইল তখন এইসব ভূইঁফোড় মানবিধকার সংগঠনগুলো ঘুমায় আর আমাদের দেশে অসংখ্য খুন-হত্যার দায়ে অভিযুক্ত এবং প্রমাণিত কাসাই কাদেরকে সর্বোচ্চ আদালতে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় ফাঁসি রায়ে এদের ঘুম ভাঙ্গে, মানবধিকার তখন জা্রগত হয়। এইসমস্ত কুলাঙ্গার সংস্থা ইজরাইলের চেয়ে কোন অংশে কম খারাপ না।

মাসুদ সজীব

প্রোফেসর হিজিবিজবিজ এর ছবি

হাহ!! এরা সবাই "সামনে দিয়ে ইঁদূরও যেতে দেবে না, কিন্তু পিছনদিয়ে হাতি চলে গেলেও দেখে না"!! শুধু মানবাধিকারবারি বলে এদের বোঝানো যাবে না, এদের জন্য আরো শক্ত শব্দ দরকার।

____________________________

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

বাংলাদেশকে নিয়ে লোকজনের এত মাথাব্যথা কেন? আচ্ছা, না হয় বুঝলাম আপনারা মানবাধিকার নিয়ে টনটনানি একটু বেশি। তো সেই টনটনানিটা অন্যদের ক্ষেত্রে কাজ করে না কেন?

অবশ্য মানবাধিকারবারীদের ব্যাপার-স্যাপারই আলাদা। গুঁতা খাবার সম্ভাবনা আছে এমন মাঠে তারা খেলেন না।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

কল্যাণ এর ছবি

অন্য মাঠে গেলে পুটুর চামড়া মাঠেই রেখে আসতে হবে পাণ্ডবদা ইয়ে, মানে...

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

কল্যাণ এর ছবি

ওইখানে চিঠি চালাইতে গেলে সেই চিঠি গোল করে পিছন দিয়ে প্রবেশ করিয়ে দিতে পারে। অথবা ওই চিঠির উপর মূত্রত্যাগ করে সাহেবের হাতে ধরায়ে দিয়ে জনসমক্ষে গিলিয়ে দিতে পারে। ওদিকে আবার মাঝে সাঝে দুইএকখান চিঠি প্রধানমন্ত্রী টন্ত্রীদের না পাঠালে তাওয়াটা ঠিক গরম থাকে না। সুতরাং হাতের পাচ বাঙালই ভরসা।

______________
আমার নামের মধ্যে ১৩

অতিথি লেখক এর ছবি

এইসব মানবাধিকারবারীরা সিজনাল, তাদের মানবতা সময় সময় উথলে উঠে

ইসরাত

ফাইয়াজ জামাল এর ছবি

"Palestinian rocket attacks on Israel appear to be indiscriminate or targeted at civilian population centers, which are war crimes, while Israeli attacks targeting homes may amount to prohibited collective punishment."

http://www.hrw.org/news/2014/07/09/palestineisrael-indiscriminate-palestinian-rocket-attacks

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

"may amount to prohibited collective punishment" - এই কথার মানে কী? আর এই ব্যাখ্যা কি HRW'র বানানো?


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

নৈষাদ এর ছবি

ভাষাও খেয়াল করুন ঃ appear to be… may amount to…

দীনহিন এর ছবি

বাংলাদেশের এক যুদ্ধাপরাধীর দীর্ঘ প্রায় পাঁচ বছর ধরে বিচার চলার পর যখন সাজা কার্যকর হয়, তখন কাতর হয়ে পড়েছিলেন জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউএস সেক্রেটারি অব স্টেট, এবং তাবত মানবাধিকার সংগঠনগুলো! অথচ আজ ফিলিস্তিনে সবার চোখের সামনে মেরে ফেলা হচ্ছে শিশু, ইসরায়েলি মন্ত্রী ফিলিস্তিনি মায়েদের হত্যার লাইসেন্স ইস্যু করেছেন, তবু তিনারা কেউ-ই কাতর হচ্ছেন না!!! সুতরাং, এগুলি সবাই যে মানবাধিকার ব্যবসায়ী, তা নিয়ে সন্দেহ আছে?

সময়ের পোস্ট করার জন্য ধন্যবাদ, হিমু ভাই!

.............................
তুমি কষে ধর হাল
আমি তুলে বাঁধি পাল

অতিথি লেখক এর ছবি

আসলে যেখানে কথা বলা নিরাপদ মানে তাঁদের আব্বারা চায় সেখানে এদের বিবেক জাগ্রত হয় আর দরদ উথলে উঠে, এছাড়া দুনিয়ার কোথাও মানবাধিকার আছে নাকি?

অভিমন্যু .
________________________
সেই চক্রবুহ্যে আজও বন্দী হয়ে আছি

রাতঃস্মরণীয় এর ছবি

মৌসুমী মানবাধিকারবারি

চলুক

একটা ইংরেজি ভার্সন দেন না ভাই লেখাটার!

------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।

অতিথি লেখক এর ছবি

গুরু গুরু

-আরাফ করিম

অতিথি লেখক এর ছবি

আবদারটা অনেক কঠিন হয়ে গেলো। এই এডামস সাহেবরা যার নুন খায়, তাদের কথামতোই চলে। এদের অনেক চিন্তা আমাদের দেশের সমস্যা নিয়ে, তারা আমাদের দেশকে অনেক উন্নত দেশ হিসাবে দেখতে চাই। আহারে! আমাদের মঙ্গলের জন্য তাদের দরদ দেখলে চোখ ফেটে পানি বেরোতে চাই, কিন্ত চোখে পানি না থাকার কারনে পুরো চোখটাই বের হয়ে আসতে চাই। ইসরাইলের বিরুদ্ধে এই সাহেব কিছু বললে সেই দিনই শুধু চাকরী যাবে তাই নয়, সাথে পেনশনের সুযোগ সুবিধা হারাতে হবে। তাইতো এই সব ব্রাড অ্যাডামস এর মতো মানুষেরা ইসরাইলের কাছে কড়া ভাষাতে কিছু না লিখে একেকজন ব্রায়ান অ্যাডামস হয়ে মিষ্টি ভাষায় গান লিখে আর সেই গান ইসরাইলকে শোনায়। তারাতো সব শক্তের ভক্ত

desh_bondhu

Ebad এর ছবি

I fully concur with the spirit of this write up. It is simply intolerable that the Human Right Watch for Asia is completely silent on Bangladesh’s some of the contemporary issues that they should have something to say about while they are vocal on some of the issues that they don’t need to worry about. Audacity to address a letter to the Prime Minister advising to reform one of the country’s vital organizations is one of such issues that should not fall into their agenda and jurisdiction.

Having said all above, may I very humbly point out some of the technical aspects of this write up that does not seem right to me:

Brad Adams is the Director for Human Rights Watch for Asia. To talk about Bangladesh falls into his jurisdiction while to talk about Israel and Palestine does not fall into his area of responsibility. He is the guy who can be blamed for what he said but not for something what he is not supposed to say.

Now the Organization has a Director for Middle East also who is supposed to talk about what’s going on in Israel and Palestine. Is He/ She doing or saying what he/ she is supposed to do given the situation in those countries? I took the time to go through the recent reports that they have released on Israel and Palestine. Well, I would not say that in their reports they have been able to explicitly reflect the situation on the ground. But I would definitely credit them for trying to bring all the facts and figures in their reports. Could have been better..

Probably the whole point should have been whether the reports for Human Rights Watch Bangladesh is following the same guidelines that is followed for the Human Rights Watch Israel/ Palestine or for that matter any other country. In other words, is the guy posted in Asia is being disproportionate on us assuming Bangladesh a toothless country while the guy in Middle East is taking a safe position while talking about Israel?
This is something the organization needs to standardize.

হিমু এর ছবি

সমস্যাটা আসলে ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের প্রতিবাদে না। সার্বভৌম দেশের একটি বাহিনীকে ডিসব্যান্ড করতে বলার মধ্যে। ঐটা করতে বলা কারো "জুরিসডিকশন"-এর আওতায়ই পড়ে না, হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তো না-ই।

কমেন্ট বক্সের ওপরে "অ" লেখা বাটনে ক্লিক করলে বাংলা লেখার অনেকগুলো অপশন পাবেন, ফোনেটিক বেছে নিতে পারেন। সচলায়তনে বাংলা পোস্টে ইংরেজি মন্তব্য সাধারণত প্রকাশ করা হয় না।

Ebad এর ছবি

Agreed.

I have to work real hard on myself before it can make sense to you what I write in Bangla. It’s a shame that I have to seek help of the technology to interpret something into my own language. Thank you for bearing with me and doing me the favor of publishing my comments.

May I use this opportunity to clarify one of the terminologies that one of the guests wanted to know?

“Collective Punishment”.

From whatever I know, when one or several members of a household are assumed to be involved with any armed attack, a retaliated attack on that household to punish all the family members of the perpetrator constitute a Collective Punishment which is in direct confrontation and violation with the Laws of War and the Geneva Convention.

Please bear in mind that even in a war situation the attacks can only be directed towards a well-defined military target. Any strike on a target basing on assumption or suspicion to punish the family members of the perpetrators will be considered an unlawful attack on a civilian structure. Unfortunately Israel Armed forces enjoys the impunity against the bombings that they carry out on Gaza on the ground of Collective Punishment.

Hope that helps to understand the terminology.

এক লহমা এর ছবি

"কবে আপনি ঐ চিঠিটি লিখবেন" ...

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।