ধাঁধা: স্বর্গে যাবো কেমন করে?

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি
লিখেছেন এস এম মাহবুব মুর্শেদ (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৪/১০/২০০৭ - ১২:৫৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(অনেক আগে প্রোগ্রামিং কনটেস্টের জন্য কিছু সমস্যা বানিয়েছিলাম। এটা সেখানকার একটা সমস্যার পরিবর্তিত রূপ।)

প্রথম অংশ:
অরূপ নামের এক পাপীষ্ঠ শেষ বিচারের দিন খোদার সামনা সামনি হল। খোদা মুড়ি চানাচুর খেতে খেতে বললো, "কিরে তুই নাকি এক ব্লগ থেকে আরেক ব্লগে লাফ দিয়েছিলি? তুকে এখন কি করা যায় বল দিকিনি?" অরূপ বলল, "বস অনেক মানুষের উপকার করছি। ছাইড়া দেন।" খোদা বলল, "নাহ তুকে ছাড়া যাবে না। যা ঐ ছক্কার গুটি চেলে আয় একবার।"

অরূপ ছক্কার গুটি চেলে দেখল পাঞ্জা পেয়েছে। খোদা হাত তালি দিয়ে বলল, "যা উচিৎ শিক্ষা হবে তোর। ঐ গাছতলায় গিয়ে ফুল কুড়িয়ে নিয়ে আয়। যেহেতু পাঁচ উঠেছে তোর গুটিতে, তাই পাপমোচনের পুকুরে গিয়ে ফুল পাশে রেখে গুনেগুনে পাঁচ বার ডুব দিবি। প্রতিবার ডুব দেবার পর গুনে গুনে বত্রিশ টা ফুল দিয়ে আসবি পাশের মন্দিরে। যদি কমবেশী দিস বা একবার ডুবের পর ফুল দিতে ভুলে যাস তাহলে মন্দির রক্ষী পেঁদিয়ে তোর পাছা লাল করবে আর সাথে সাথে তোকে দোজখের আগুনে পুড়িয়ে খাবে। যদি পাঁচ ডুবেও সব ফুল শেষ করতে না পারিস তাহলে চীরতরে দোজখে পঁচবি। যাহ.."।

অরূপ তো খুশীতে লাফাতে লাফাতে বত্রিশটা ফুল নিয়ে পুকুরে গেছে। ফুল পাশে রেখে ডুব দিয়ে উঠে দেখে সেগুলো চৌশট্টিটা হয়ে গেছে। বত্রিশটা মন্দিরে দিয়ে এসে আবার ডুব দেয় আবার চৌশট্টিটা হয়ে যায়। শেষ আর হয় না। দুষ্ট খোদা কথার মাঝে ফাঁক রেখে দিয়েছিল, একবার ডুব দিলে ফুল যে দ্বিগুন হয়ে যাবে সেটা বলেনি কখনো।

এই না দেখে বিচারের লাইনে দাঁড়ানো হিমু আর আমার কান্না কাটি শুরু হয়ে গেল। এখন উপায়? কতগুলো ফুল নিলে বেঁচে যেত অরূপ যদি জানতে পারতাম তাহলে কিছু একটা করা যেত। আপনার সাহায্য না করলে তো হচ্ছে না সচলবাসী!

দ্বিতীয় অংশ:
অরূপের অবস্থা দেখে হিমু মনে মনে হিসাব কষে নিল। দেখল অরূপ কতটা ফুল নিলে বেঁচে যেত। তারজন্য হিমু হিসাব করে ফেলল ১ থেকে ৬ পর্যন্ত গুটি উঠলে কতটা ফুল খোদা বলতে পারে এবং কত ফুল নিয়ে পুকুরে যেতে লাগবে। ভেবে হাসতে হাসতে গেল সে খোদার কাছে।

তার হাসি দেখে খোদারও দাঁতে বেরিয়ে গেল। বলল, "ভাইবেছ তুমারে আমি ঠেকাতে পারবোনানে? তুমার জন্য ফুল হবিনে তিন গুন। যাও এবার ছক্কা চাল।" হিমু শুকনো মুখে ছক্কা চেলে দেখলো চার পেয়েছে। খোদা বলল, "তুমি কিন্তুক মন্দিরে একবারে একাশিটার বেশী ফুল দিতি পারবা না। কম বা বেশী হলি, সাথে সাথে দোজখ। যাও এখন ডুবোওগে।"

হিমু একটু দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে একাশিটাই ফুল নিল। এবং তারক্ষেত্রে শেষ মেষ এতফুল হল যে বলার মত না। কতগুলো ফুল নিলে হিমু বেঁচে যেত?

তৃতীয় অংশ
আমি কি করি ভাবছি মাটিতে হাত পা ছড়িয়ে বসে। পিছন থেকে গুঁতো দিল সুমন চৌধুরী। বলল, "ভাবার দর্কার কি? যাও গিয়া সোজা দোযখে। সেখানে সব নেংটুরা ভিড় করছে।"

আমি তখন বিড়বিড় করতেছি, ছক্কায় যদি N পাই, প্রতি ডুবের পর ফুল যদি T গুন হয়, আর খোদায় যদি K টা ফুল মন্দিরে দিতে কয় তাহলে কতটা ফুল কুড়াইলে আমি বেহেশতে যাবো? এদের মধ্যে সর্ম্পকই বা কি?


মন্তব্য

অয়ন এর ছবি

৩১ টা ফুল নিলে বেচে যেত অরুপদা।

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

তাহলে এইবার আমারে বাঁচান। আমার গুঁটি যদি ১-৬ এর মধ্যে একটা হয়। তাহলে খোদা মন্দিরে কয়টা ফুল দেয়ার পারিমিশন দিলে এবং আমি কয়টা ফুল কুড়াইলে বেঁচে যাবো।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

দ্বিতীয় অংশ:
অরূপের অবস্থা দেখে হিমু মনে মনে হিসাব কষে নিল। দেখল অরূপ কতটা ফুল নিলে বেঁচে যেত। তারজন্য হিমু হিসাব করে ফেলল ১ থেকে ৬ পর্যন্ত গুটি উঠলে কতটা ফুল খোদা বলতে পারে এবং কত ফুল নিয়ে পুকুরে যেতে লাগবে। ভেবে হাসতে হাসতে গেল সে খোদার কাছে।

তার হাসি দেখে খোদারও দাঁতে বেরিয়ে গেল। বলল, "ভাইবেছ তুমারে আমি ঠেকাতে পারবোনানে? তুমার জন্য ফুল হবিনে তিন গুন। যাও এবার ছক্কা চাল।" হিমু শুকনো মুখে ছক্কা চেলে দেখলো চার পেয়েছে। খোদা বলল, "তুমি কিন্তুক মন্দিরে একবারে চৌষট্টীটার বেশী ফুল দিতি পারবা না। যাও এখন ডুবোওগে।"

হিমু একটু দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে চোষট্টিটাই ফুল নিল। এবং তারক্ষেত্রে শেষ মেষ এতফুল হল যে বলার মত না।

আমি কি করি ভাবছি মাটিতে হাত পা ছড়িয়ে বসে। পিছন থেকে গুঁতো দিল সুমন চৌধুরী। বলল, "ভাবার দর্কার কি? যাও গিয়া সোজা দোযখে। সেখানে সব নেংটুরা ভিড় করছে।"

আমি তখন বিড়বিড় করতেছি, ছক্কায় যদি N পাই, ফুল যদি T গুন হয়, আর খোদায় যদি K টা ফুল দিতে কয় তাহলে কতটা ফুল কুড়াইলে আমি বেহেশতে যাবো?

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

জ্বিনের বাদশা এর ছবি

একডুবে কয়গুন হয়ে যাবে সেইটাও পয়েন্ট হাসি
ছক্কার গুটিতে xআর খোদা প্রতিবারে মন্দিরে Yটা ফুল দিতে বললে, যদি প্রতিডুবে log(x)Y গুন করে ফুলবাড়ে তাইলে ঝামেলা নাই হাসি

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

আরিফ জেবতিক এর ছবি

ধরি ,
প্রথমবার ফুল নিল =ক
মোট ফুল নিতে হবে ৩২ গুন ৫ =১৬০

..........

ধু---র।
মিথ্যেবাদী খোদার জন্য বেহুদা কষ্ট করে লাভ কী?
তবে অরূপ ছেলেটা ভালো ছিল, আহারে...।

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

হবেনা। ১৬০ টা নিলে একডুব দিলে হবে ৩২০। মন্দিরে দিবে ৩২০-৩২ = ২৮৮। আরেকডুবে ৫৭৬। কখনোই শেষ হবে না।

অরূপ ছেলেটার জন্য কষ্টই হচ্ছে। হাসি

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

আরিফ জেবতিক এর ছবি

অবশ্যই হবে।আমি ঠিক মতোই হিসাব করছি।
মোট ফুল বলেছি ১৬০ টা।প্রথমবার ১৬০টা নিয়ে যেতে বলি নি তো।
তারমানে শেষবারের আগেরবার ১৬টা ফুল রেখে ডুব দিতে যাবে।যাতে করে ৪র্থবার ডুব দিয়ে উঠে দেখে ৩২টা ফুল বাকী আছে।

........
যাক,আপনি তো খোদা না,আপনাকে বুঝানো বেহুদা।

জ্বিনের বাদশা এর ছবি

(x)টা বেস
========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

জ্বিনের বাদশা,
আপনার জন্য তিন নম্বরটা।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

জ্বিনের বাদশা এর ছবি

N,T,Kএর মধ্যে রিলেশন নাই?

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

আছে। বাইর করেন।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

জ্বিনের বাদশা এর ছবি

দাঁড়ান, আরেকটু ভাবি মন খারাপ
========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

জ্বিনের বাদশা এর ছবি

সুমন চৌধুরীর পথই ভাল চোখ টিপি

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

অপেক্ষায় থাকি দেখি গাণিতিকরা কে কি বলেন হাসি

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

ততক্ষনে আমি তো মরে যাবো। বাঁচান জলদি। হাসি

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

অতিথি লেখক এর ছবি

অরূপদার জন্য দুঃখ করলো যেন কে। হিংসা লাগে বুঝি? পৃথিবীর (প্রায়) তাবৎ ক্ষমতাশীল ব্যক্তি ইনক্লুডিং বুশ ক্লিন্টন, আহারে, কত সুন্দর সুন্দর নায়ক নায়িকা, শাকিরার কি সুন্দর কোমর দুলানো নাচ। অরূপ কিন্তু সবই পাচ্ছে। তাই আরিফভাইর হিংসে হচ্ছে। অরূপ ইচ্ছে করেই ঐ ভূল করেছে। আমি ১০০ ভাগ শিওর। ৩১ টি ফুল লাগতো। এ হিসাব না জানার কোন কারন নেই।

আর, ভাই মাহবুব, দরকার নেই বেহেস্তে যাবার। সবাই ওখানে যেতে চায় বড্ড গ্যাদারিং ও খানে। ধরেন আপনি না হয় ৩১.৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬৬ (৩১+১টা ফুলের ৩ ভাগের ১ ভাগ) ফুল নিলেন। তাতেও কিন্তু রক্ষা নাও হতে পারে। দুষ্ট খোদা প্যাচ লাগাইলে রক্ষা নাই।

কি ভাই ভুল কইলাম নি কিছু? আওয়াজ দিয়েন।

-রেনেসা

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

ভাল কইছেন। হো হো হো

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

বিপ্লব রহমান এর ছবি

ধ্যাত্তেরিকা! আমি এই সব ধাঁধাঁ - টাধায় নেই। ...

রেনেসাঁ,

আমি ভাই দোজখেই যাবো। সেখানে মেরিলিন মনরো, শাকিরা প্রমুখ আছেন। ... চোখ টিপি


একটা ঘাড় ভাঙা ঘোড়া, উঠে দাঁড়ালো
একটা পাখ ভাঙা পাখি, উড়াল দিলো...

অতিথি লেখক এর ছবি

বিপ্লবভাই, পাশের সীট খালি রাইখেন সময়মত হাজির হবো।

- রেনেসা

হিমু এর ছবি
অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

ইনটারেস্টিং জিনিস। একটা টেরাই দেওয়া যায়। জ্বিনের বাদশার ধাঁধায় সমস্যা হলো, তাতে আবার ধাঁধার মধ্যেও প্যাচ থাকে, আমি সহজ-সরল মানুষ, প্যাচই ধরতে পারি না।

তবে তার আগে পোস্টটা একবার রিভিশন দেয়া দরকার। কয়েকটা জিনিস ক্লিয়ার হওয়া দরকার:

১. পাঁচ ডুবের প্রতিবারই যদি 'ঠিক' ৩২টা করে ফুল রাখা হয়, তাহলে প্রথমে ৩২টা নিবে কেন, ১৬০টা নেয়ার কথা।

২. হিমুর ক্ষেত্রে ৪ বার ডুব, ফুলের সংখ্যা ৩ গুণ -এটা হবে, নাকি ৩ বার ডুব ফুলের সংখ্যা ৪ গুণ - এটা হবে? (2^5=32, 4^3=64, নাকি অন্য প্যাচ?)

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

প্রতিবার দ্বিগুন হবে তো।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

পেজগি লাইগা গেল।
ওখানে ২টা সিনারিও। ১ম টায় প্রতিবার ডুব শেষে ৩২ টা করে ফুল রেখে আসতে হবে। বাকি যা থাকবে তা দ্বিগুণ হবে। টোটাল ডুব দিতে হবে ৫ বার = ছক্কায় ওঠা সংখ্যা। যেমন, ৩১ টা নিয়ে শুরু করলে, ১ম ডুব শেষে ৬২ টা হবে, মাইনাস ৩২, থাকবে ৩০, ২য় ডুব শেষে ৬০ হবে, মাইনাস ৩২, থাকবে ২৮, তয় ডুব শেষে ৫৬ হবে, মাইনাস ৩২, থাকবে ২৪, ৪র্থ ডুব শেষে ৪৮ হবে, মাইনাস ৩২, থাকবে ১৬, ৫ম ডুব শেষে হবে ৩২, মাইনাস ৩২; হাত খালি।

২য় সিনারিও: ছক্কায় ওঠা সংখ্যা ৪। সো, ডুবাতে হবে ৪ বার। প্রতিবার ফুল রাখতে হবে ৬৪টা। এবং অবশিষ্ট ফুল হবে ৩ গুণ। যেমন, ৩১টা নিয়ে শুরু করলে ১ম ডুব শেষে ৯৩, মাইনাস ৬৪, থাকে ২৯, ২য় ডুব শেষে ৮৭ মাইনাস ৬৩ = ২৪, ৩য় ডুব শেষে ৭২ মাইনাস ৬৪= ৮; ৪র্থ ডুব শেষে ২৪; যেহেতু ৬৪ টা নাই, সো ধরা - এরকমই তো?

প্রতিবারে ফেলে দেওয়া ফুলসংখ্যা এক্সাক্টলি ৩২/৬৪, না কি তা থেকে কমও হওয়া সম্ভব?

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

অয়ন এর ছবি

"তুমি কিন্তুক মন্দিরে একবারে চৌষট্টীটার বেশী ফুল দিতি পারবা না। যাও এখন ডুবোওগে।"

তার মানে কম হওয়া সম্ভব।

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

না। ভাষাগত সমস্যা ছিল। ঠিক করে দিয়েছি।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

প্রথমটা ঠিক আছে। দ্বিতীয়টা ঠিকই ধরেছেন। একজাক্টলী ৩২ বা যা চেয়েছে সেটা হতে হবে। সংখ্যা বদলে দিলাম। খোদা হিমুকে ৮১টা ফুল দিতে বলেছে মন্দিরে। এবার মেলার কথা।

উল্টোটা করতে পারেন। তৃতীয় সমাধান নিয়ে শুরু করতে পারেন। বীজগানিতিক নিয়মে তিনডুব পর্যন্ত গেলেই প্যাটার্ন দেখতে পাবেন। তারপর N ডুবে কি হবে বের করে সেটার মান শূণ্য ধরে দেখেন।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

জ্বিনের বাদশা এর ছবি

বলাই খালি জ্বিনের বাদশারে প্যাঁচে ফালায় চোখ টিপি
========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

দ্রোহী এর ছবি

ফাইজলামী পাইছ ব্যাটারা? ফুল দিলে যদি পাপই মোচন হয় তাইলে হিমুরে পাপের হাত থেকে থামাবে কে?


কি মাঝি? ডরাইলা?

অছ্যুৎ বলাই এর ছবি

N = ছক্কার মার!
T = কতগুণের কেরামতি
K = প্রতিবার খাজাবাবারপ্রাপ্ত ফুলসংখ্যা
X= হিমু/অরূপের চয়েস

তাই যদি হয়, দেন নিচের কথাগুলো অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতে হবে:
K = T^N
N+T=7
X = (T^N -1)/(T-1); T!=1
= 1+T+T^2+......+T^(N-1)
অতএব, ছক্কায় ১ পড়লে, চোখ বন্ধ করে ১টা ফুল
২ পড়লে, ৬টা
৩ পড়লে ২১ টা
৪ পড়লে ৪০
৫ পড়লে ৩১
৬ পড়লে ৬টা।

পুলসিরাত পার।

---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো

হাসান মোরশেদ এর ছবি

শেষ পর্যন্ত কে কোথায় গেলো?
-----------------------------------
মানুষ এখনো বালক,এখনো কেবলি সম্ভাবনা
ফুরোয়নি তার আয়ু

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

ধাঁধা পারুক বা না পারুক সব কয়টাই দোযখেই গেল। খাইছে

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

হাসান মোরশেদ এর ছবি

যাক,তাইলে ঘুরে ফিরে দেখা হয়ে যাবে ।
-----------------------------------
মানুষ এখনো বালক,এখনো কেবলি সম্ভাবনা
ফুরোয়নি তার আয়ু

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

জ্বিনের বাদশা এর ছবি

হুমমম ...সেলিব্রিটিরাও অংকে কাঁচা চোখ টিপি
========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

অতিথি লেখক এর ছবি

মাহবুব ভাই,

খেলুম না। একবার কন ৬৪, একবার কন ৮১।

হিতার ফরে অরূপের ৫ এর কারনে দ্বিগুন, আর হিমুর ৪ এর কারনে ৩ গুন ফুল হবে প্রতিবার ডুবের পর। কিন্তু কন নি যে, ৫ পরলে ৫ ডুব ৪ পরলে ৪ ডুব।

দোযখে পাঠাবার জন্য এই ষড়যন্ত্র!

ষড়যন্ত্রবাদ দেন, মিছিলে এমনি থাকবাম।

অতিথি লেখক এর ছবি

-রেনেসা

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।