ইদানিং কী যেন হয়েছে! ঘর থেকে বাইরে এলে মনে হয় ঘরে ফিরে যাই; বাইরে থেকে ঘরে এলে মনে হয় বাইরে চলে যাই আবার। অবশ্য মানুষের জন্যে স্বল্প কথায় ঘর আর বাহির-বাহির আর ঘর ছাড়া তো লুকোবার তেমন কোনো জায়গা নেই! সম্ভবতঃ ঘর এবং বাহির কোনোটাই আমার ভালোলাগছেনা। এই সমস্যা নিয়ে অনেক ভেবেছি।সমস্যা নিয়ে ভাবার আগে যেটা করতে হয়, নিজেকে নিজে বিচার বিবেচনা করে নিতে হয়-সমস্যার একমাত্র বা প্রধান কারণ আমি নিজে নই তো? কারণ অন্য কেউ হলে -তাকে এড়িয়ে গেলেই ল্যাঠা চুকে যায়, কিন্তু যে সমস্যার কারণ আমি নিজে তার সমাধান মনে হয় খুব বেশি কঠিন।বুঝে গেছি এ সমস্ত কিছুর জন্যে দায়ী আমি নিজেই। আর কেউ না! সেই জন্যেই আমার ভেতরকার অস্থিরতার কোনো সুরাহা আপততঃ হচ্ছেনা!
আমার এক বন্ধু আছে-'এক বন্ধু' এমন করে বলা ঠিক হলোনা বোধকরি। বরং এইভাবে বলি-আমার খুব ভালো একজন বন্ধু আছে। খুব ভালো বন্ধু- আমি ভাবতাম একটা বয়সের পরে আর হয়না। এমন একটা বয়েস মানে হলো-জীবনযন্ত্রণার ভারি চাকার তলায় পড়ার পর থেকে, যাবতীয় জিনিসের প্রতি বিশ্বাস হারাতে শুরু করার পর থেকে, বেঁচে থাকা যে কৈশরের ন্যাকা ন্যাকা স্বপ্নদেখা নয় এবং প্রেম ভালোবাসার মতন অখাদ্য যে আর কিছু নেই এসব বুঝে পরিপক্ক হবার পর থেকে যে বয়সটা আর জীবিত থাকেনা সেই বয়স।একসময় ক্লাস ফাঁকি দিয়ে পাহাড়ে বেড়াতে যেতাম। দলের বাকী লোকজনের মতে সেটা ট্রেকিং।আমার কাছে বেড়ানোই লাগত। পুরো দলের একমাত্র মেয়ে হবার কারণে যে বাড়তি আতিথেয়তা পাচ্ছিলাম প্রতিবার তা বর্ণনা করার মতন আসলেই নয়। একবারও নিজের ব্যাকপ্যাক টানতে হয়নি, যে যা খেয়েছে সবাই ভাগ দিতে চেয়েছে, পথ হারাবার পথে কেউ না কেউ হাত বাড়িয়ে ওপরে তুলে নিয়েছে! এই সময়টায় দাঁড়িয়ে ভাবতে খুব ভালোলাগে যে সেসব হাত ছিলো একজন মানুষের জন্যে অন্য একজন মানুষের হাত-বন্ধুর জন্যে বাড়িয়ে দেয়া অন্য বন্ধুর নির্ভরতা। হয়তো কোনো হ্রদের পাশে তাবু টাঙিয়ে খিঁচুড়ি রান্না হচ্ছে, একই থালায় ভাগ করে খাচ্ছি-একই গ্লাসে জল। বয়স কম ছিল বলেই তখন ভাবতাম 'আমি খুব সাহসী', 'ছেলে মেয়েতে কিসের তফাৎ' ইত্যাদি! সায়নদা একবার এসব শুনে খুব হেসে বল্লে 'ছেলেরা যা পারে, তুই ও তা পারিস? পারবি একসাথে পিপি করতে?' বয়স কম তাই খুব জেদ ধরলাম--কেন নয়! সেই নিষ্পাপ সময়কে মিস করি খুব---যখন আমি শুধুই 'মানুষ' ছিলাম!
এ সবই হয়তো ঘটেছিলো আর এক জীবনে। এইখানে এসে আমি বুঝতে পারি কি ভয়ানক শেকড়ছেঁড়া একা হয়ে গেছি। এক-পা বাড়াবার আগে ভাবতে হচ্ছে-নারীদের এই কাজ মানায় কিনা--দিস এন্ড দ্যাট। আশেপাশের গল্পসল্পে অংশ নিতে পারছিনা, আশেপাশের মানুষের কাছাকাছি যেতে পারছিনা। অবশ্যই অন্য সবার সাথে তাল মিলিয়ে চলা একটা মহৎ গুণ। এই গুণ থাকা সত্ত্বেও এর প্রয়োগ ঘটাতে পারছিনা উপযুক্ত সিচ্যুশানের অভাবে। আমার এই বন্ধুটি একদিন বললে--' কে কি ভাবছে তাতে গুল্লি মারো, চল দুজন মিলে পাগলা ঘোরা ঘুরি শহরটায়, জ্ঞাতি গুষ্টি ধরে যা যা ভালো লাগেনা তা নিয়ে মকিং করি। একদম কপি এন্ড পেস্ট!' বলাবাহুল্য এই মকিং করতে পারায় স্বপ্নের মতন নিভৃত শান্তি লাভ করা সম্ভব। কিছুটা সময়ের জন্যে হলেও-শান্তি তো শান্তিই।
দাদা একটা কথা বলে মাঝে মাঝে ( খুবই স্বার্থপরের মতন প্রবল মন খারাপ না হলে ওকে ডাকিনা)-ঃ'সবকিছু দেখতে হবে কৌতূহলীর দৃষ্টিতে, যেন আমি ওর মধ্যে নেই, যেন আমি বিমানযাত্রীর চোখে নিচের পৃথিবী দেখছি।' তাতে নাকি দুটো লাভ হয়; পুরো পাহাড়-নদী-বন একসাথে দেখা যায়, আর মায়া জন্মেনা! তা, ওর মায়া জন্মাতে না-ই পারে। আমি ওর মতন ঘর সংসারে মায়াহীন ছন্নছাড়ার অপার্থিব জীবন বেছে নেইনি। আমায় কিছু পরিচয় সঙ্গে নিয়ে ঘর-বাহির করতে হয়।একটা অমলিন হাসিমুখ সারাক্ষণ কি এক আদরের দড়ি দিয়ে আমায় বেঁধে রেখেছে। ওর হাসিতে মগ্ন হওয়া সত্ত্বেও আমার কিছু জন্মান্তরের কষ্ট, অপূর্ণতা, কান্না সঙ্গে নিয়ে দিনরাত পার করতে হয়। যদিও মাঝেমাঝেই ক্লান্ত লাগে। ক্লান্ত লাগে ফিরে না যেতে পারায়, ক্লান্ত লাগে সামনে এগুতে না পারায় আর ক্লান্ত লাগে যাবতীয় জীবনটাকে দূর থেকে বিমানযাত্রীর চোখে দেখতে সমর্থ না হওয়ায়! ক্লান্ত লাগে, ভয়ও লাগে। মনে হয়-কতনা অবহেলায় যা পেয়েছিলাম জন্মের অধিকারে তার সমস্তটাই নষ্ট করে ফেললাম!
খাঁচা ভাললাগেনা ওর প্রতিটি কাঠ-পেরেক চিনি বলে, আবার ওড়ার জন্যে একটা পুরা আকাশ পেলেও ভালোলাগেনা তার কোনো পথ-গলি চিনিনা বলে! এসমস্ত ভাবতে গেলেই ঘাসপোড়া গরমে বাইরে গিয়ে পুড়তে ইচ্ছে করেনা, আবার ঘরে ফিরে কৃত্রিম বাতাসের সাথেও পোষায়না! বেঁচে থাকাটা মনে হয় প্রবল একটা ধাঁধাঁ!
মন্তব্য
'বেঁচে থাকো বাপু, দেখো জীবন কী রহস্যময়.. কী অবিশ্বাস্য রকমের আনন্দের!'
#শয়নযান : ভাস্কর চক্রবর্তী।
আমার কাছে জীবন আর বেঁচে থাকাটাকে মনে হয় ভারি একটা বোঝার মতো। যেচে নামিয়ে রাখার মতো সাহস নেই বলে হুদাই বয়ে বেড়াচ্ছি...
________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"
বেঁচে থাকা এতকিছুর পরেও আসলেই সুন্দর! ধন্যবাদ রিফাত।
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
যাক, তাহলে আমি যেমন ভেবেছি তেমনই ঠিক।
ছন্নছাড়ার জীবনই আমার জীবন, নাহলে টেকা যাবে না দেখছি!
আমি কক্ষনো বুড়িয়ে যেতে চাই না, কক্ষনো আটকা পড়তে চাই না, কক্ষনো ভুলে যেতে চাই না কী আশ্চর্য একটা পৃথিবীতে আমি বুদ্ধিমান একটা প্রাণী হয়ে জন্মেছি। আমি সব দেখতে সব শুনতে সব জানতে সব করতে চাই। সব না হলেও অনেক কিছু তো করবোই।
এখন বড় হয়েছি, নিজের পথ বেছে নেবার সময় হয়েছে, বাবা-মায়েরা, আত্মীয় পরিজনেরা একটা সাধারণ সীমাবদ্ধতার জীবন আমাকে দিতে চান, যেমন রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন বাণী গল্পে -
যত সুন্দর শুনতেই হোক না কেন, এই স্বর্গ, অন্য সব অলীক স্বর্গের মতোই। অলীক।
ধন্যবাদ, নিজের বোধের ওপর বিশ্বাস বাড়লো।

............................................................................................
পথ বেঁধে দিল বন্ধনহীন গ্রন্থি,
আমরা দুজন চলতি হাওয়ার পন্থী।
আমি কক্ষনো বুড়িয়ে যেতে চাই না, কক্ষনো আটকা পড়তে চাই না, কক্ষনো ভুলে যেতে চাই না কী আশ্চর্য একটা পৃথিবীতে আমি বুদ্ধিমান একটা প্রাণী হয়ে জন্মেছি। আমি সব দেখতে সব শুনতে সব জানতে সব করতে চাই। সব না হলেও অনেক কিছু তো করবোই
facebook
সুরঞ্জনা, এ বোধকরি আমার বোঝানোর ব্যর্থতা! কোনো মানুষই মানুষ হিসেবে তার প্রাপ্ত অধিকারকে অবহেলা করতে চায় না! সবটুকু উপভোগ করতেই চায়।কিন্তু বাস্তবতা হলো কিছু কিছু ক্ষেত্রে বাস্তবিক সীমারেখার বাইরে যাবার সাধ্য তার নেই! আর মেয়ে হিসিবে এই পথটা আরো কাঁটা বিছানো; এবং তা জানা যায় দীর্ঘ সময় পার হয়ে যাবার পরে।আর তাছাড়া এই লেখাটুকু জীবনের একটা বিশেষ মুহূর্তের অনুভূতির কথা-।-পুরো জীবনের কথাগুলো আরো দীর্ঘ, আরো গভীর এবং বিস্তৃত হবারই কথা। ধন্যবাদ আপনাকে।
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
# অনেক সুন্দর ফ্ল্যাশব্যাক। শুভেচ্ছা আপনাকে, ভাল থাকুন।
ধন্যবাদ আপনাকে।
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
খুবই ভালো লাগলো। এমন লেখা পড়বার আশাতেই সকালে ঘুম থেকে উঠে সচলায়তনে বসতে ইচ্ছে হয়।
সৌরভ কবীর
শুভেচ্ছা, সৌরভ!
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
আরে নাহ্, কিসের ধাঁধাঁ? বেঁচে থাকার নাম হলো হুদাই...
জয়জগানন্দ জীবনানন্দ...
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
সেইতাই তো কহিতে চাহি, বুঝাইতে পারিনা রে, পারিনা!
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে, বনের পাখি ছিল বনে ...
স্যাড হইলাম।
রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক
স্যাড হবার কিছু নাই। আর বুড়ার কথা নিয়ে পড়ে থাকলেও চলবেনা! এ পিঠ থাকলে মুদ্রার ওই পিঠও থাকবে!
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
"বেঁচে থাকাটা মনে হয় প্রবল একট ধাধা" ,
ভাই/বোন, আপনার নাম জানলে জবাব দিতে সুবিধে হতো! পরেরবার নাম দিতে ভুলে যাবেননা, কেমন?ধন্যবাদ!
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
বেঁচে আছি- আছি... ঘরে নাই- নাই...
সেই--বেঁচে থাকাটাই বেশি সত্য।
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
ঘুরে আসুন দূরে কোথাও, ছুটি নিয়ে নিন কয়েকটা দিনের জন্য, সাথে নিয়ে নিন এক গাদা নন্টে-ফন্টে আর শিবরাম সমগ্র।
আকাশভরা সূর্য-তারা বিশ্বভরা প্রাণ
তাহারি মাঝখানে আমি পেয়েছি মোর স্থান।।
ঃ) শিবরাম পড়তে পড়তে ফাতা ফাতা হয়ে গেছে-নন্টে-ফন্টে এখন আমার মেয়ে পড়ে।তবে ঘুরে আসার আইডিয়া মন্দনা! ঠ্যাঙ্ক ইউ!
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
------------
'আমার হবে না, আমি বুঝে গেছি, আমি সত্যি মূর্খ, আকাঠ !
সচ্চরিত্র ফুল আমি যত বাগানের মোড়ে লিখতে যাই, দেখি
আমার কলম খুলে পড়ে যায় বিষ পিঁপড়ে, বিষের পুতুল !'
ধন্যবাদ!
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
ভাল লাগল লেখাটা । কোথায় যেন নিজের সাথে মিল পেলাম, আবার মিল নেইও । যেমন আমি এখনও প্রবল ভাবে বাঁচতে চাই । জীবনের অনেক কিছু দেখার বাকি এখনো, করার বাকী অনেক কিছু, পারি আর না পারি আশা একদিন হবে, একদিন পারবই ভাবতে খারাপ লাগেনা ।
ভাল থাকবেন ।
ধন্যবাদ, সাবেকা। প্রবলভাবে বাঁচার আকুতি থেকেই বর্তমানের হতাশার শুরু!
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
মাথার মধ্যে তারা ঘর-বাহির কর্তেছে, কি মাজেজা?
বুঝতে হইলে বড় হইতে হবে---
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
আগের যা কিছু সুন্দর, আনন্দময়, নিষ্পাপ বলে মনে হয় সেগুলোকে খুব ভালো করে নিরীখ করলে সেগুলোতে থাকা ফাঁকিগুলো এখন খুব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। যে সম্পর্কগুলোকে বিশ্বাস, ভালোবাসা ইত্যাদি মহৎ সব বিষয়ে পূর্ণ বলে মনে হত সেসবের পেছনে যে প্রতারণা, এক্সপ্লয়েট করার প্রবণতা ছিল সেগুলোও আর অপ্রকাশিত থাকে না। ঘরের বাইরে বলে যাকে জানি সেটাও আসলে একটা গণ্ডীর মধ্যেই। তাই সেটা ঘরের এক্সটেন্ডেড অংশ। যতটা পথ গেলে মানুষ পালাতে পারে বা হারিয়ে যেতে পারে ততটা পথ তো মানুষ আর যেতে পারে না। তাই কোন আনন্দভ্রমণ, কোন ভ্যাকেশন, কোন সাবাটিক্যাল লিভ এই নীরব ধ্বংসের চক্র থেকে রক্ষা করতে পারবে না।
তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।
পাণ্ডবদা, মানুষ আসলে পালাতে পারেনা! নিজের কাছ থেকে পালানো যায়না বলেই কোথাও মুক্তি মেলেনা।স্মৃতি আর বর্তমানের বোঝা বয়ে চলতে হয় মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত। স্মৃতির বিষয়টা আমি একটু ভিন্নভাবে দেখি--পেছনে ফেলে আসা যে মুহূর্তগুলো খুব সুন্দর স্মৃতি হিসেবে রয়েছে তাকে খুঁড়ে বেদনার বিষ আমি পেতে চাইনা! যেমন আছে তেমন থাকুক-
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
লেখাটা নাড়া দিয়ে গেল খুব...
পড়েছ জেনে আনন্দিত অপ্র!
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
লেখাটা পড়ে খুব ভেতরে কেমন যেন ভীষন উথালপাথাল অনুভূতি হলো। কোন কোন অংশ যেন বলতে চাইছে, আমিও তো অনেকটাই এমন, আবার মনে হচ্ছে না, আমি এরকম না।
আমি অনেকটাই বিবাগী একজন মানুষ। কোনোকিছুই তেমন করে টানে না আমাকে।
ভালো থাকবেন, মণিকা'দি।
...........................
একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা
শিমুল--বক্তব্যটা কিছুটা এরকম-,ডানাওয়ালা পাখি সাধ করে খাঁচার মধ্যে ঢুকে পড়েছে; তারপর খাঁচার কাঠ পেরেকে অভ্যস্ত হ'তে হ'তে বুঝতে পেরেছে উড়তেই তার ভালোলাগে; কিন্তু মুশকিল হল ততদিনে ডানামেলে ওড়া সে ভুলে গেছে, আর আকাশ ছেয়ে গেছে অবাঞ্ছিত ধোঁয়ায়! সম্ভবতঃ এটা খুব ব্যক্তিগত কোনো কথা না যা আমি বলতে চেয়েছি। ব্যক্তিগত সুখ-দুঃখ অন্যরকমের আর ছোট মাপের হয়!
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
অনেক ভালো লাগলো কেমন জানি অজানা এক দরদ মেশানো লেখা।
শুভেচ্ছা, বন্যা!
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
অনেকটাই আমার মনের অবস্থা এমন হয় মাঝে মাঝে। কই যে যাই আর কী করলে যে শান্তি পাবো নিজেই বুঝি না। বেঁচে থাকবো আর কিছুদিন ভেবে বেশি বেশি রাগ করি না আর অস্থিরও হই না। এইতো কিছুদিন তারপর সব শেষ।
লেখা খুব ভালো লেগেছে আপু।
--------------------------------------------------------
আমি আকাশ থেকে টুপটাপ ঝরে পরা
আলোর আধুলি কুড়াচ্ছি,
নুড়ি-পাথরের স্বপ্নে বিভোর নদীতে
পা-ডোবানো কিশোরের বিকেলকে সাক্ষী রেখে
একগুচ্ছ লাল কলাবতী ফুল নিয়ে দৌড়ে যাচ্ছি
ধন্যবাদ, মেঘা!
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
ভীষণ ভাল লাগলো লেখাটা।
নিজেকে খুঁজ়ে পেলাম প্রতি অক্ষরে অক্ষরে। আর কিছু বলবো না আপু। কিছু বলার নেই। যদি অচিনপুরে যেতে পারতাম! কে জানে হয়ত সেখানে যারা আছে তারাও আর এক অচিনপুরের খোজঁ করে চলে, সেখাঙ্কার লোকারা আর এক অচিনপুরের - - - - - - -
ঠিক তাই মনে হয় মাঝে মাঝে- এ যেন আমার জীবন নয়। আমরা সবাই, যারা বেঁচে থাকি, মনে হয় অন্য কোন নিখিলেশের জীবনের শব্দ অনুভূতি ধার করে বাঁচি---
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
”সেই নিষ্পাপ সময়কে মিস করি খুব---যখন আমি শুধুই 'মানুষ' ছিলাম” -- সত্যি। লেখাটা পড়ে কেন যেন খুব ভালো লাগতে শুরু করলো মণিকা’দি!
শুভেচ্ছা রইল তানিম। ভালো থাকেন।
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
খুব চেনা একটা উপলব্ধি। মাঝে মাঝে ঘরে বাইরে কোথাও নিজেকে দেখতে ইচ্ছে করে না।
সেই---!
Don't teach me what to wear,
- teach your sons not to rape !
এই দোটানায়
যদি বেঁচে থাকা পায় নতুন মাত্রা !
যা দেখি
তাকাই তারও গভীরে,
যা থাকে অদেখা
তার আড়ালে যদি স্বপ্ন বাঁধে ঘর !
যা ভুলে যেতে চাই
বাকশে বেঁধে ফেলি তা হয়তো।।।
___________
অনুচ্ছেদ
নতুন মন্তব্য করুন