আমরা শায়লার আরো কিছু গল্প খুঁজতেছি...

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি
লিখেছেন পান্থ রহমান রেজা (তারিখ: বুধ, ১১/০৩/২০০৯ - ৩:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার দিনকাল মনে হয় ভালোই যাচ্ছে। প্রতিদিনই কারো না কারো সাথে আলাপ পরিচয় হচ্ছে। এই যেমন গত পরশু পরিচয় হলো এক রিসার্চারের সাথে। সংখ্যা, উপাত্ত নিয়ে তার কাজ-কারবার। পরিচয়ে সংখ্যা নিয়ে বিরাট একখানা লেকচার দিলো।

সংখ্যা আমি ভয় পাই। গণিত কোনোদিনই আমার মাথায় খেলেনি। বাংলায় লেটারমার্ক পেয়েছিলাম মাধ্যমিকে। আর অংকে কানের কাছ দিয়ে পাশ। তো যাই হোক, আমার পরীক্ষায় পাশ ফেলে কারো কিচ্ছু যায় আসে না। আমরা শায়লা বিষয়ক গল্পের সুলুক সন্ধানে নেমেছি। সেটাই খোঁজা যাক বরং।

গল্প খুঁজতে গিয়েই আজ পরিচয় হলো এক গল্পকারের সাথে। নাম মারুফ হাসান। ভাবছেন, এসব পরিচয়ে কী এসে যায়! যায় আসে না হয়তো। তবে নতুন নতুন গল্প জানা যায়। এর কোনটি মজাদার। কোনোটি হৃদয়বিদারক। কোনোটি আবার অন্যরকম, আনকোড়া টাইপের গল্প। আমরা তো তেমনই একটি গল্প খুঁজে বেড়াচ্ছি।

মারুফ হাসান গল্প লিখিয়ে। মানে পত্রিকায় গল্প লেখেন, ম্যাগাজিনে লেখেন। আগে কখনো পড়া হয়নি তার গল্প। রণ’দা বললেন, তার গল্প বেশ উপাদেয়। আগ্রহী হয়ে তাই হাত মেলাই। গল্প মজাদার কিংবা মোলায়েম হোক, তবে হাতের পাঞ্জা মোটেই মোলায়েম নয়। একটা শক্ত পৌরুষালী হাত। এ গল্পে তার হাতের কাঠামোর ভূমিকা নাই। তবে গল্পের হাতের ভূমিকা আছে। এটা আমি আপনি জানি।

মারুফ হাসান গল্প লিখিয়ে হিসেবে কেমন, সেটা রণ’দার কাছ থেকে আমরা জেনেছি। তবে বক্তা হিসেবে সে মোটেই আকর্ষণীয় নয়। একজন লেখকের লিখতে পারাটাই বড় কথা। রণ’দার ভাষ্যমতে, মারুফ হাসানের এই গুণ আছে। মারুফ হাসান বলতে ছিলেন, পৃথিবীর সব গল্পই নাকি লেখা হয়ে গেছে। নতুন করে আর কিছু লেখার নাই। যা লেখা হচ্ছে, তা একই গল্পের ভিন্ন ভাষ্য মাত্র।

কে জানে!

আচ্ছা, আপনিই বলেন, আপনার জীবনের সব গল্প-ই কি লেখা হয়ে গেছে? বইয়ের পাতায় লিপিবদ্ধ আছে?

শাহরিয়ার রনি একটু নড়েচড়ে বসলেন। সকালে তার পেপার পড়তে ভালো লাগে না। পেপারে নানা দূর্ঘটনার খবর থাকে। এসব খবর পড়ে মন খারাপ হয়ে যায়। ছুটির দিনের সকাল বেলা মন খারাপ হোক সেটা চান না তিনি। সেজন্য সকালবেলা পেপার পড়া বাদ দিয়েছেন। এখন বই পড়েন। অথবা বিখ্যাতদের জীবনী পড়েন। আজকে বই পড়তে ছিলেন। সেখানে লেখকের ছুঁ’ড়ে দেয়া তীক্ষ্ন প্রশ্নে একটু কেঁপে গেলেন। কিছুটা উদাস হয়ে গেলেন।

হঠাৎ-ই তার শায়লার কথা মনে গেল। শায়লা মানে লালবাগের সেই শায়লা। শায়লার কথা মনে পড়তেই তার মেজাজ খারাপ হয়ে গেল। ছুটির দিনে কর্পোরেট চাকরির গ্যাঞ্জাম দূরে রেখে কোথায় না ছন্দা’র সাথে একটু খুনসুটি করবেন, তা না মেজাজটাই খানিকটা বিগড়ে গেল।

মেজাজ বিগড়ে গেলেও শাহরিয়ার রনি’র মনে হলো আচ্ছা, শায়লার গল্প কি কেউ লিখেছে?

শায়লার সাথে পরিচয় খুবই সাদামাটা ভাবে। হঠাৎ একদিন একটি আননোন নাম্বার থেকে মিসডকল। একবার না। অনেকবার। বিরক্ত হয়েই কলব্যাক করেন শাহরিয়ার। ওপাশ থেকে খিল খিল হাসির আওয়াজ পাওয়া যায়। যেন নদীর স্রোত বয়ে যাচ্ছে কল কল বাদ্য বাজিয়ে। শাহরিয়ার নিজের ভেতরেও শিহরণ অনুভব করেন। কিন্তু হাসি ছাড়া অন্য কোনো স্বর আর শুনতে পাননি সেদিন।

পরে অবশ্য শায়লা অনেক কথাই বলেছে। সেই কথার সূত্রে একটি স্বল্পকালীন সম্পর্কও তৈরি হয়েছিল। বুঝতেই পারছেন সে সম্পর্ক টেকেনি। টিকলে ছন্দা আজ শাহরিয়ারের বেটার হাফ হতো না। তবে বেটার হাফ হয়েছে বলে, ছন্দার সাথে শাহরিয়ারের খুনসুটি হবে; এমন আশা যদি করে থাকেন তাহলে বলি, ছন্দা এখনই বিদায় নেবে। বাই বাই।

শায়লার সাথে এই স্বল্পকালীন সম্পর্কটি কিভাবে হলো এটাই এখন শাহরিয়ার ভেবে পান না। তবে এই সময়টুকুতে সে জেনে নিয়েছিল, শায়লা কিভাবে তার নম্বরটি পেয়েছে। আর তা জেনে কিছুটা ভয়ও পেয়েছেন। কিছু একটা আশংকাও তৈরি হয়েছিল মনে মনে। পরে সে আশংকা সত্যিও হয়েছিল।

আপনারা যেটা ভাবছেন, শায়লার চেহারা তেমনই। ডানাকাটা পরীর বাঙালি সংস্করণ যেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে অথচ এখনও প্রেম করতে পারেনি এমন দুর্ভাগ্যবান যুবক শাহরিয়ার কেন, আপনিও তার প্রেমে যে মজে যাবেন, সেটা কাউকে না বলে দিলেও চলবে। শাহরিয়ারও শায়লার প্রেমে পড়েছিল। প্রেমে হাবুডুবুর সময়েই সে একদিন জেনে নিয়েছিল শায়লার তার নম্বর পাবার কাহিনী।

অনেক চাপাচাপিতে শায়লা একদিন বলেছিল নম্বর পাবার হদিস। শায়লা তার হাতের সামস্যাঙ ই২৫০ মডেলের মোবাইল ফোনসেট দেখিয়ে বলে, ‘ভাইয়া, এই ফোনটি তার এক বন্ধু কাছ থেকে পেয়েছে। পরে ভাইয়া ইউজড না করে আমাকে দেয়। সেখানে তোমার নম্বর পেয়েছি।’ শাহরিয়ার তখন শায়লা’র ভাইয়ের বন্ধুদের নানাভাবে মিলাতে চেষ্টা করে। কিন্তু কোনোভাবেই মিলাতে পারে না। তখন তার মনে পড়ে, শায়লার সাথে পরিচয়ের কয়েকদিন আগেই তার বন্ধু মাশফিকের সামস্যাঙ ই২৫০ মডেলের ফোনটি চাঁনখারপুলে ছিনতাই হয়েছে।

শাহরিয়ার ভেবে পেলেন না, এই সেটটি শায়লার ভাইয়ের হাতে গ্যালো কীভাবে? তার এও মনে হয়েছিল, শায়লার ভাই কি কোনো ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য? এই প্রশ্ন শাহরিয়ারকে বেশ কিছুদিন তাড়িয়ে বেড়ায়। বেশিদিন অবশ্য বেড়ায়নি। কারণ ততদিনে শায়লার সাথে তার সম্পর্ক চুকেবুকে গেছে। পরে আরেকটি ঘটনায় শায়লা যে সেই চক্রের কারো বোনই শুধু নয়, নিজেরও সেই চক্রের সক্রিয় সদস্য তা পরিস্কার হয়েছে শাহরিয়ারের কাছে।

শায়লার সাথে শাহরিয়ারের সম্পর্ক আর নেই। তাতে অবশ্য শায়লার কিছু যায় আসেনি। সে জুটিয়ে নিয়েছে রফিককে। রফিক আবার শাহরিয়ারের বন্ধু। রফিক যে শায়লার সাথে প্রেম করছে তা শাহরিয়ার জানতো না। একদিন শাহবাগের ছবির হাটের দিকে আড্ডা দিচ্ছে। দেখে, রিক্সা করে হুস করে চলে গ্যালো রফিক। পাশে একটি মেয়ে। মেয়েটিকে চিনতে অসুবিধা হয়নি শাহরিয়ারের। সে শায়লা। রাতে হলে ফিরে রফিককে সতর্ক করে দেয় শাহরিয়ার। সে সতর্কবাণীতে অবশ্য বন্ধুত্ব ভাঙ্গার উপক্রম হয়। রফিক আর শাহরিয়ারের ছায়া মাড়ায় না তারপর থেকে।

রফিক ছায়া না মাড়াক, তাতে আমাদের ঘটনা থেমে থাকে না। আমরা দেখি, একদিন আজিমপুরের বাসস্ট্যান্ডের দিকে রফিক ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে। এও শুনি, রফিক নাকি ওইদিকে যেতে চায়নি। শায়লাই তাকে জোর করে ওদিকে নিয়ে গেছে। আর ছিনতাইয়ের সময় শায়লা ও ছিনতাইকারীদের কিছু কিছু আচরণ দেখে রফিকের নাকি মনে হয়েছে শায়লা ও ছিনতাইকারীরা আগে থেকেই পরিচিত।

রফিক সেদিন রাতে এসে শাহরিয়ারের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে। বলে, ‘দোস্ত, তুই ঠিকই বলেছিলি, শায়লা মেয়েটা ভালো না।’

শায়লা মেয়েটা যেমনই হোক, আমাদের ধারণা, তার কাছে এ ধরনের আরো কিছু গল্প আছে। আমরা তাই শায়লাকে খুঁজতেছি। খুঁজে পেলে আমরা আরো কিছু গল্প জানতে পারবো। শায়লাকে না পেলে রাশেদকে পেলেও হয়। কেননা, একটা সময় রাশেদের সাথে শায়লা বিষয়ক কিছু কানাঘুষা আমাদের কানে এসেছিল।


মন্তব্য

আলমগীর এর ছবি

আপনের অংকে পাশ করার মতো হয়ে গেল, ধরতে পারলাম না। রণদা দেখে মনে করলাম দিনলিপি, ট্যাগ দেখে আর বাকীটা পড়ে মনে হচ্ছিল গল্প।

ভাষারীতি মিশাইছেন ক্যান, ইচ্ছা করে? 'খুঁজতেছি', 'বলতে ছিলেন'।

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

সজ্ঞানে না, অসাবধানতাতেই (বলতে পারেন অজ্ঞানেও) ভাষারীতি মিশে গেছে। দেঁতো হাসি
গল্পই লিখতে গেছিলাম। তবে যে লাইনে যাবো ভাবছিলাম, সেদিকে আর যেতে পারিনি। কি যে হয়েছে কে জানে!

আলমগীর এর ছবি

কি যে হয়েছে কে জানে!

চমৎকার লক্ষণ। দলে দলে যোগদিন বেহুঁশ পার্টিতে। দেঁতো হাসি

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

আমি হাত উঠাইলাম। দেঁতো হাসি
আর কে কে যোগ দিতে চান তাড়াতাড়ি নাম নিবন্ধন করুন। জলদি।

কীর্তিনাশা এর ছবি

আমিও আছি দেঁতো হাসি

লেখা ভালৈছে চলুক

-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

মুশফিকা মুমু এর ছবি

আসলেই ভাল লিখেছেন, আপনি তো দিন দিন এক্সপার্ট লেখক হয়ে যাচ্ছেন। এমন মেয়েও আছে!?! তবে একটা কথা, "রনদা" ছারাও আরো কয়েকটা নাম যে একটু চেনা চেনা লাগে চোখ টিপি আসলেই জীবন থেকে নেয়া নাকি খাইছে

------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

পান্থ দিন দিন এক্সপার্ট লেখক হচ্ছে। চিন্তিত
মুমুয়িত অ্যান্টেনায় তো মুমুয়িত মেয়েই চোখে পড়বে, নাকি। দেঁতো হাসি ম্যালাদিন আগে পেপারে প্রেমিকা সেজে প্রেমিকপ্রবরের মোটরবাইক ছিনতাই করার কাহিনী নিয়ে একটা নিউজ পড়েছিলাম। তবে এ গল্প সেটা নিয়ে নয়। এটা পান্থ'র অতি নিম্নমানের একটি কল্পনা।
কিছু নাম চেনা লাগলো বুঝি! রণ'দা ছাড়াও শাহরিয়ার রনিকে কি শাহরিয়ার মামুন বলে ভ্রম হলো! তবে শায়লা কিন্তু মোটেই মুমু'র কাজিনা মুনা নয়। চোখ টিপি মুনাকে নিয়া একটা কাহিনী আছে অবশ্য, তবে সেটা যথাসময়ে বলা হবে। টেনশন নিয়েন না।

মুশফিকা মুমু এর ছবি

তাই নাকি, এই প্রেমিকা বিসনেস দেখা যায় বেশ লাভবান, চোখ টিপি
কিন্তু মুনা ক্যাডা? আমার কাজিনা হইল কবে? চিন্তিত

------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

মিস মুনা কে, এইডা বিডিআর ভাইকে জিগান। সেই ভালো বলতে পারবো। দেঁতো হাসি

তানবীরা এর ছবি

ভাগ্যিস ছেলে হয়ে জন্মাই নাই, তাইলেতো মগা হইতাম। তবে এটা যদি গল্প না হয়ে সত্যি হয় তাহলেতো ঢাকা শহরের মগা গুলোরে নিয়ে চিন্তার বিষয়।

তানবীরা
---------------------------------------------------------
চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে

*******************************************
পদে পদে ভুলভ্রান্তি অথচ জীবন তারচেয়ে বড় ঢের ঢের বড়

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

দেঁতো হাসি দেঁতো হাসি

দেবোত্তম দাশ এর ছবি

আমিও শায়লাকে খুঁজছি, আছে কারো কাছে ঠিকানা ?
পান্থ ভাই খুব ভালো হয়েছে
------------------------------------------------------
স্বপ্নকে জিইয়ে রেখেছি বলেই আজো বেঁচে আছি

------------------------------------------------------
হারিয়ে যাওয়া স্বপ্ন’রা কি কখনো ফিরে আসে !

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

দেবুদা, শায়লারে তো আমিও খুঁজে বেড়াচ্ছি। তার আরো কিছু গল্প আমার জানা যে দরকার। নইলে গল্পের স্টকে তো টান পড়বে! দেঁতো হাসি

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

মুমুর মতো আমারও তো কিছু নাম চেনা চেনা লাগে। চোখ টিপি

যাই হোক, গল্প দারুণ হয়েছে। আপনার গল্প বলার ঢং দিন দিন আরো অনেক আকর্ষণীয় হচ্ছে। আগামী বইমেলায় আপনার বইয়ের রিভিউ আমি লিখব, মনে থাকে যেন দেঁতো হাসি

নিবিড় এর ছবি

লাগবেই তো দেঁতো হাসি আগেই মানা করছিলাম ভাই চারুকলায় যাইয়েন না চোখ টিপি


মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় ।

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

মিছা কথা কও ক্যা! কখন মানা করলা? চিন্তিত

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

বিডিআর ভাই, মুমুর মতো আমারও তো কিছু নাম চেনা চেনা লাগে। দেঁতো হাসি
ধুরো মিয়া, আপনে খালি আমারে লজ্জা দেন। আমি আগে সাবালক হই, তারপর বই বের করি, এরপর আপনে নিঃসঙ্গ শেরপা'র মতো আস্ত একখানা রিভিউ লিখেন। খাইছে

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

আপনি এখনও সাবালক হননি? বলেন কী! আর এদিকে আমি আপনার জন্য একটা সুন্দরী মেয়ের নাম্বার যোগাড় করলাম..

যাই হোক, কী আর করা, অন্য কাউকে দিয়ে দেই, যে এরমধ্যেই সাবালক হয়ে গেছে। চোখ টিপি

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

বিডিআর ভাই কোনো নাবালিকার ফোন নম্বর নাই! এট্টু পাস করেন না। দেঁতো হাসি

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

খই ভাজা ভালো হইছে। হাসি

...........................

সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

তাহলে বিসমিল্লাহ বলে খাওয়া শুরু করেন।

দময়ন্তী এর ছবি

বেশ গল্প তো৷
-------------------------------------------------
"নিভন্ত এই চুল্লিতে মা
একটু আগুন দে
আরেকটু কাল বেঁচেই থাকি
বাঁচার আনন্দে৷'

-----------------------------------------------------
"চিলেকোঠার দরজা ভাঙা, পাল্লা উধাও
রোদ ঢুকেছে চোরের মত, গঞ্জনা দাও'

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

বেশ মন্তব্য তো।

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

পান্থ কি শায়লা ভাবীরে নিয়া গল্প লেখলেন নাকি? গোলাম ফারুকরে কমু? নাকি শায়লা ভাবীরেই এইটা ফরোয়ার্ড করুম? চাকরি কিন্তু ছুটে যাবে রে পান্থ... চোখ টিপি
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

এইটা শায়লা ভাবীরে দেখতে মঞ্চায়। নজু ভাই, তাড়াতাড়ি ফটুক পোস্টান। দেঁতো হাসি

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

শায়লা ভাবীরে চিনেন না? মিডিয়াকমে চাকরি করেন? মাছরাঙায় ছিলো, এখন সিসিমপুরে।
ফারুক ভাইয়ের বউ, ফারুক ভাইরেও চিনেন না? সমকালের ফিচার এডিটর ছিলো, এখন এবিসি রেডিওর বড়কর্তা... তারআগে ভোরের কাগজের ফিচার এডিটর...

নাহ্... এই পোলারে মিডিয়া লাইনে ঢুকতে দিছে কে?
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

গোলাম ফারুক ভাইরে তো চিনি। লাক্স ফটো সুন্দরী শায়লা'কেও (গ্রামীনের নীল দরিয়া অ্যাড করছে যে) চিনি। উনি আমাদের ডাঃ হাসান শাহরিয়ার কল্লোল ভাইয়ের বউ। কিন্তু সিসিমপুরের শায়লা ভাবীরে চিনি না। কবে পরিচিত করাইয়া দিবেন।

ফারুক হাসান এর ছবি

ভালো গল্পের যে বৈশিষ্ট্যটা আমার বেশ লাগে সেটা হলো, পড়ার সমসয় মনেই হয় না যে গল্প পড়ছি! আপনার গল্পটা সেরকমই হয়েছে।
রণ'দা নাম দেখে আমি তো ধরেই নিছিলাম যে এইটা বাস্তব ঘটনা।
*********************************
বলে এক আর করে আর এক যারা
তারাই প্রচণ্ড বাঁচা বেঁচে আছে দাপটে হরষে
এই প্রতারক কালে (মুজিব মেহদী)

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

থ্যাঙ্কু ফারুক ভাই।
আমি আসলে আমার চারপাশ, প্রতিদিনের যাপন, আশেপাশের চরিত্র এসব নিয়েই লিখতে চাই। তাই কখন কার কাছে যে ঋণ করি, তার ঠিক নেই।

রণদীপম বসু এর ছবি

হুমমম...! পান্থটা দিনে দিনে অসাধারণ এবং বিপজ্জনক হয়ে ওঠছে...!! গল্প কইলো, না গল্প মারলো, বুঝবার পারলাম না..!!!

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

পান্থ থেকে সাবধান রণ'দা। দেঁতো হাসি

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

পান্থ থেকে সাবধান

কামড়ায় নাকি? তাহলে "I bite" লেখা একটা টি-শার্ট যোগাড় করতে হয়। অবশ্য, মেয়েদের সেকশনে শপিং করে অভ্যাস নেই। তবুও দেখবো। চোখ টিপি

(লেখাটা টাইম নিয়ে পড়বো, আপাতত পাল্টা কমেন্টায় ভাগি। একটু দৌঁড়ের উপর...)

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

যাক! গল্প লিখে ইশতি ভাইয়ের কাছ থেকে একখানা টি-শার্ট পাওয়া যাচ্ছে। হাসি

এনকিদু এর ছবি

আর কোনদিন মোবাইলে পরিচয়ে প্রেম করবেন ? এইবার শিক্ষা হইছে ?


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...


অনেক দূরে যাব
যেখানে আকাশ লাল, মাটিটা ধূসর নীল ...

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

হ। ন্যাড়া একবারই বেলতলায় যায়! তাই এখন মিসডকল আসলে আর ব্যাক করি না। দেঁতো হাসি

মাল্যবান এর ছবি

গল্পটি বলবার ভঙ্গিমা সত্যিই দারুণ ! আপনার লেখার ফ্যান হলাম ।
দু'একটি বানান একটু অন্যরকম লাগলো । এছাড়া চমৎকার ।

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

দাদা যে কী কন! শরম পাইছি। লইজ্জা লাগে

নিবিড় এর ছবি

পান্থ ভাই আপনার লেখার ভঙ্গিটা মনে হয় চেঞ্জ হয়েছে, তবে আমার ভাল লাগছে এই ধরন টা। গল্প ভালৈছে চলুক


মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড় ।

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

চেঞ্জ হইছে বুঝি! কী জানি, লেখা শিখতেছি তো, যখন যারটা ভালো লাগে, মনে হয় তখন তার মতো করেই লেখি। হাসি

মাহবুব লীলেন এর ছবি

এতদিনে বুঝলাম
চাকরি বাকরি করার পরেও আমাদের ছোট পান্থ কেন ভার্সিটির হলে থাকে

তা
কম সমের মধ্যে ভালো মোবাইল সেট আছে?
আমি একটা কিন্তাম চাই

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

লীলেন্দা, পান্থের সাকিন এখন মিরপুর।
কম দামের সেটের জন্য টিভির অ্যাড দেখেন। সিটিসেলের। জেডটিই নামে একটা সেট আছে। মাত্র ১৩০০ টাকা। হো হো হো

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

পান্থ, বরাবরের মতোই...।

আমার গল্পের এক শায়লা বিজ্ঞাপনী সংস্থায় কাজ করে, আরেক শায়লা, আলতাফ ভাইয়ের ওয়াইফ, তাও কর্পোরেট চক্করে বন্দী।
তবে শায়লা নিয়ে এক উত্তরাধুনিক শিক্ষাগুরু ভালো একটা গল্প লিখছিলেন। কিছু বললে এখানে এসে শিং দিয়ে গুরুটি গুতোগুতি করতে পারেন, তাই কিছু বললাম না।

ধুসর গোধূলি এর ছবি
পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

উত্তরাধুনিক শিক্ষাগুরু'র গল্পটি পড়তে মঞ্চায়। তালাশ দেন।

হাসান মোরশেদ এর ছবি

পড়লাম পান্থ । আমি আলোচনা-সমালোচনা করতে পারিনা মন খারাপ
ভালো লাগলো- জানিয়ে গেলাম ।
-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

হাসান মোরশেদ ভাই, আপনার এই ভালো লাগাটুকুই আমার পাথেয়।

রানা মেহের এর ছবি

বেশ সুন্দর।
পান্থর গল্প করার ধরনে গল্প লেখে। ভালো লাগে
-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

এই ধরনটাই আমার কাছে কমিউনেটিভ মনে হয়। তাই এভাবে লেখার চেষ্টা করি।

সাইফুল আকবর খান এর ছবি

আর, রাশেদকে না পাইলে, পান্থ-ও নিজেই কিছু বলতে পারবে শেষে। কারণ, গতকাল সন্ধ্যায় আমি মিরপুরে পান্থকে দেখলাম শায়লা'র সাথে! চোখ টিপি

স্টাইল মজা হৈছে, যথারীতি।
তবে, হ্যাঁ, শায়লার সাথে মাখামাখি বন্ধ করো, মেয়ে ভালো না। খাইছে

০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০
"আমার চতুর্পাশে সবকিছু যায় আসে-
আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা!"

___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

চিন্তিত

সাইফুল আকবর খান এর ছবি

কী? কথা কও না ক্যান্?
এই কথা শুইন্যা দাড়িতে খুশকি হৈয়া গ্যালো? খাইছে

০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০
"আমার চতুর্পাশে সবকিছু যায় আসে-
আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা!"

___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

নাহ, দাঁড়ি চুলকাই না। একটু চিন্তায় পড়লাম। মিরপুরে যেখানে আপনি আমারে দেখছেন, ওখানে তো যুগল'রা ছাড়া আর কেউ যেতে পারে না। আপনি কারে নিয়া গেছিলেন, শায়লা'র চাপে পড়ে তা দেখাও হয় নাই। তাই এখন চোখ বন্ধ কইরা কল্পনা করছি, আপনার বাহুসংলগ্ন হয়ে কে ছিল! দেঁতো হাসি

সাইফুল আকবর খান এর ছবি

সেইটা জাইন্যা আর দরকার নাই তোমার। এইটা তো স্বীকার গ্যালা যে পড়ছিলা শায়লার চাপে চোখ টিপি খাইছে

০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০-০
"আমার চতুর্পাশে সবকিছু যায় আসে-
আমি শুধু তুষারিত গতিহীন ধারা!"

___________
সবকিছু নিয়ে এখন সত্যিই বেশ ত্রিধা'য় আছি

স্বপ্নাহত এর ছবি

হেব্বি হইসে পান্থ ভাই চলুক

ভাবতেসি শায়লা নামের কারোর সাথে পরিচয় হইলে আগে জিগায়া নিমু যে পান্থ নামের কাউরে চিনে কীনা চোখ টিপি

---------------------------------

বিষণ্ণতা, তোমার হাতটা একটু ধরি?

---------------------------------

বাঁইচ্যা আছি

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

হো হো হো হো হো হো

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

খুবই ভাল লাগলো। এত এত মন্তব্য দেখে ভেবেছিলাম পরে পড়বো সময় নিয়ে, কিন্তু থাকতে পারলাম না। এমন বৈঠকী ঢঙের লেখা আমার খুবই পছন্দ। দারুণ লাগলো। সব গল্প বলা হয়ে গেলে সমস্যা নেই। ভাল গল্পকার চেনা গল্পকেও নতুন করে চেনাতে পারেন।

খুবই ভাল লাগলো।

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

আপনার ভালো লাগছে জেনে আমারো ভালো লাগলো ইশতি।

জেবতিক রাজিব হক এর ছবি

গল্প বলার ষ্টাইলটা দারুন। =D>
ইয়ে, মানে শায়লার নাম্বারটা একটু দেয়া যাবে?

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

দিতে পারি। তবে একটা ফান্টা খাওয়াতে হবে। চোখ টিপি

সংসারে এক সন্ন্যাসী এর ছবি

আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে খাওয়া ছ্যাঁকের গল্প লিখে হাত পাকাচ্ছেন পান্থ চোখ টিপি
একবার লিখলেন খোমাখাতায় ছ্যাঁক খাওয়া গল্প। এবারে পেলাম মোবাইলে ছ্যাঁক হাসি

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
যৌনদুর্বলতায় ভুগছি দীর্ঘকাল। দুর্বল হয়ে পড়ি রূপময়ী নারী দেখলেই...

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
টাকা দিয়ে যা কেনা যায় না, তার পেছনেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয় কেনু, কেনু, কেনু? চিন্তিত

মুশফিকা মুমু এর ছবি

গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি বুলস আই খাইছে

------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍

পান্থ রহমান রেজা এর ছবি

মুমু খালি আমারে বিপদে ফালায় দেখছি। চোখ টিপি ইয়ে মানে বুলস আই কী মুমু'পা।

নাজনীন খলিল এর ছবি

শায়লাকে খুঁজে পাওয়া গেলে আমার সাথে একটু দেখা করিয়ে দিওতো পান্থ।

গল্প ভাল লেগেছে।অনেক শুভেচ্ছা।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।