পায়ের ড্রেসিং করা হয়েছে। ডাক্তার এখন পা সম্পূর্ণ রাখতে পারার ব্যাপারে আশাবাদী।
আজকে পিঠের সাপোর্ট ছাড়া খাটে পা ঝুলিয়ে বসতে পেরেছে।
সিমন ভাই, দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন।
পত্রিকায় কাজ করেছি কয়েক বছর। প্রদায়ক হিসেবে। কখনো ফিচার রিপোর্টার হিসেবে। সেটা ভার্সিটি পড়ার সময়ে। পত্রিকায় লিখে যে কয়টাকা পেয়েছি, তাই দিয়ে পড়ার খরচ চালিয়েছি। ভার্সিটি থেকে বেরুবার আগেই অন্য পেশায় এসেছি। তাতে অবশ্য পত্রিকার সাথে সম্পৃক্ততা বাদ পড়েনি। এখনো কালেভদ্রে লিখি। তাই পত্রিকাওয়ালাদের বদনাম নিজের গায়ে একটু হলেও লাগে!
সপ্তাহখানেক আগের কথা। একটি ইমেইল এসেছে। মার্কিন দুতাবাস থেকে। ঢাকায় আসছেন ওয়েন্ডি আর শারম্যান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডার সেক্রেটারি। তিনি বাংলাদেশ-মার্কিন সম্পর্কের ওপর একটি বক্তৃতা দিবেন। ২৭ মে সোমবার রূপসী বাংলা হোটেলের উইন্টার গার্ডেনে সেই বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হবে। বক্তৃতার শিরোনাম: এক সীমাহীন অংশীদারিত্ব: যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক। সেই অনুষ্ঠানে আমার দাওয়াত। তাও আবার ব্
জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘মাল্যবান’। উপন্যাসের নায়িকা উৎপলা। আর নায়ক মাল্যবান। উপন্যাসে মাল্যবান উৎপলা সম্পর্কে কিছু মন্তব্য করেছে। সেই মন্তব্যে একটু নজর বুলিয়ে নিই-
‘মরা নদীর বালির চেয়েও বেশি বিরসতায়’
‘একটা অদ্ভুত নিরেট নিগ্রহময়তায়’
উৎপলা ‘জলভারানত নীল মেঘ নয়-সাদা কড়কড়ে মেঘ-দূরতম আকাশের’
‘ভাল বংশের সুন্দর শরীরের নিচু কাণ্ডজ্ঞানের নিরেস মেয়েমানুষ’
বাংলাদেশে দশক ভিত্তিক গল্প নিয়ে আলোচনা হয়। এখন মনে হয় আন্তর্জাল গল্প আমাদের গল্প আলোচনার আরেকটা প্লাটফর্ম খুলে দিলো। এখানকার লেখকরা ভালো লিখছেন, তাদের বই পুরস্কার পাচ্ছে। এদিকে আন্তর্জালের লেখালেখির সুবাদে তাদের একটা নির্দিষ্ট পাঠকশ্রেণী গড়ে উঠেছে। এই পাঠকরা বইমেলায় গিয়ে লেখকের নাম ধরে, বইয়ের নাম ধরে বই খুঁজছেন, কিনছেন। প্রকাশকরা তাদের বইয়ের ব্যাপারে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। মুহম্মদ জাফর ইকবাল নবীন লেখকদে
ম্যালাদিন আগের কথা। সেটা সম্ভবত ১৯৯৮ সাল। কলেজে পড়ি। আমাদের বাড়ির পাশে একটা পাঠাগার ছিল। সেখানে ভোরের কাগজ পত্রিকা রাখতো। বিকেলে সেটা পড়তাম। সেই পত্রিকায়, শুক্রবারের সাহিত্য সাময়িকীতে একটা লেখা এলো একদিন। লেখার শিরোনাম: পোয়েমিক্স_ কী, কেন, কীভাবে: একটি অসম্পূর্ণ খশড়া। লেখক তুষার দাশ। লেখাটি আমাকে অভিভূত করে। আমার মাথার ভিতরে গেঁথে যায়। এই এতকাল পরেও, প্রায় তের বছর পর আমি সেই প্রথম পড়ার কথা, মুগ্ধ
বাংলাদেশে এখন স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের সংখ্যা অনেক। প্রায় ১৩-১৪টি। স্কয়ার গ্রুপের মাছরাঙা, বেক্সিমকো গ্রুপের ইন্ডিপেনডেন্ট, সময়, মোহনা-সহ আরো কয়েকটি চ্যানেল অচিরেই অনএয়ারে আসছে। তখন সবমিলিয়ে স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলের সংখ্যা দাঁড়াবে ২২/২৩টিতে। বাংলাদেশের মতো ছোট্ট দেশে সংখ্যা হিসেবে এটা অনেক। যদিও টিভি দর্শক সংখ্যা কম নয়। ন্যাশনাল মিডিয়া সার্ভে অনুযায়ী আমাদের দেশে টিভি দর্শকদের সংখ্যা প্রায় ৯ কোটি
সুন্দরবন গ্যাছো কখনো
না
আবদুল ওয়াহাবকে চেনো?
কিছুটা চিনি। ফটোগ্রাফার মুস্তাফিজ ভাইয়ের ছবিব্লগে আর লীলেন্দার সাকিন সুন্দরবনে তার কথা শুনেছি। অসম্ভব সাহসী সে। বাঘের সাথে লড়েছে। ডাকাতদলকে বন্দুক যুদ্ধে হারিয়ে দিয়েছে। পচাব্দি গাজীর পাশের গ্রামের বাড়ি।
সালাউদ্দিন বাপ্পীকে চেনো?
জেমস জয়েসের প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ডাবলিনার্স’। ১৯০৬ সালে বইটি প্রকাশকের কাছে পাঠালে প্রকাশক তা ফেরত পাঠিয়ে দেন। প্রকাশকের অভিযোগ, বইটি একই সঙ্গে অশ্লীল ও অশোভন ভাষা ব্যবহারে দুষ্ট। এর মাঝে আরো তিনবছর যায়। এ সময়ে প্রকাশক থেকে প্রকাশকের দপ্তরে ঘুরে বেড়ায় ‘ডাবলিনার্স’-এর পাণ্ডুলিপি। একদিন এক প্রকাশক উদ্যোগী হন। বইটি ছাপিয়ে ফেলেন। কিন্তু পরেই আবার তা নষ্ট করেন। কারণ, ওই একই অভিযোগ। পরে অবশ্য, এই প্রকাশকই
চাঁদনি পসর রাইত
গতকালের ঘটনা। সোবহানবাগে প্লাজা এ আরে সময় প্রকাশনীর একটা শো-রুম আছে। সেখানে বসে আছি। গেছিলাম বিজ্ঞান বক্তা ও লেখক আসিফ ভাইয়ের সাথে। উনি একটা পাণ্ডুলিপি দিবেন। সময়ের মালিক ফরিদ ভাই সেদিন আবার ল্যাপটপ নিয়ে যাননি। এদিকে শো-রুমে কোনো কম্পিউটারও নেই। অগত্যা ফরিদ ভাই আসিফ ভাইকে নিয়ে চললেন পাশের প্রিন্স প্লাজায়। ওইখানে সময়ের ডিজাইন-প্রিন্টিং অফিস। বাইরে শীত রাত্রির ভয়ে আমি শো রুমে থেকেই যাই। তাছাড়া এত্তো এত্তো বই একটু নেড়ে চেড়ে দেখার সুযোগও আমাকে আটকে রাখে। পাক্কা দেড় ঘণ্টা বইয়ের দোকানে বসেছিলাম। একজন পাঠকও ঢুঁ মারেন নি সেখানে (বের হওয়ার সময় একজোড়া যুগল ঢুকবো ঢুকবো করছিল)। মার্কেটে কিন্তু লোকের অভাব