| ‹ পুরোনো ব্লগ | সব ব্লগ | নতুন ব্লগ › |
ই-বাংলাদেশে যখন খবরটি আসে অনেকে এটিকে গুজব বলে হেসেই উড়িয়ে দিচ্ছিলেন।
বিটিআরসি বাংলাদেশের সব আইএসপির কাছে একটি চিঠি (BTRC/E&O/ISP-Gen.(302)/2007-1697) পাঠিয়েছে যেখানে তারা চেয়েছে:
* তারা কার কাছ থেকে কত ব্যান্ডউইদথ ব্যবহার করছে, চুক্তির কপি সহ সেসব তথ্য।
* কর্পোরেট/ডেডিকেটেড/শেয়ার্ড ক্লায়েন্টদের নাম, ঠিকানা ও আইপি
* পুরো ব্যন্ডউইদথ এবং প্রতিটি ক্লায়েন্টের অনলাইন এমআরটিজি ইউসেজ গ্রাফ (যার মাধ্যমে কে কোন সাইটে ব্রাউজ করেছে সব তথ্য জানা যাবে), ইউআরএল এড্রেস এবং প্রতিটি ইউজারের আইডি এবং পাসওয়ার্ড
* সব ইউজারের জন্যে পরিপূর্ণ সাবস্ক্রিপশন ফর্ম
* আইএসপিকে মানা করা হয়েছে এমন ইউজারদের কানেকশন না দিতে যারা ওই ব্যন্ডউইদ্থ অন্যান্য লোকেশনের ইউজারের কাছে অর্থের বিনিময়ে শেয়ার করে।
* আইএসপিকে বলা হয়েছে প্রতিটি ইউজারদের নাম ঠিকানা সংরক্ষন করতে (স্ক্রাচ কার্ডের ক্ষেত্র কি হবে বলেনি)।
উপরোক্ত বিষয়গুলো ১৫ দিনের মধ্যে না মানলে আইএসপির লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
আশা করি আপনারা বুঝতে পারছেন কি ঘটতে যাচ্ছে। তারা আইএসপির মাধ্যমে প্রতিটি উইজারদের তথ্য সংগ্রহ করবে, এমআরটিজি গ্রাফের ইআরএল, আইডি/পাসওয়ার্ড থাকলে যে কোন স্থান থেকে এইসব ইউজারদের ইন্টারনেট কার্যক্রম মনিটর করা যাবে। আপনার ঠিকানা থাকায় আপনি থাকবেন তাদের মনিটরিং এর মধ্যেই। আপনার ইমেইল পড়ে ব্যবসার গোপন তথ্য অন্যরা জেনে যাবে।
ই-বাংলাদেশে এক আইএসপি প্রভাইডার বলেছে এরকম ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ হলে এবং বাসায় সার্চ হলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ভয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার বন্ধ করে দেবে। আইএসপিদের ব্যবসা গুটাতে হবে। ইন্টারনেট ব্যবহার করাটাই যেন একটি অপরাধ হয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষের কাছে।
এটি একটি বড় ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন। বিটিআরসি আ্যাক্ট ২০০১ এর একটি সংশোধনী (৯৭ ধারা) অনুযায়ী আইন-শৃঙ্খলা বাহীনিকে সর্বময় ক্ষমতা দেয়া হয় আড়িপাতার জন্যে। এই সংশোধনীটি অবশ্য বিটিআরসির মুল উদ্দেশ্য টেলিযোগাযোগের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার নিশ্চয়তা প্রদানকে লঙ্ঘন করে (বিটিআরসি অ্যাক্ট ২০০১ প্যারা ৩০(১)(f) ।
গতকাল বিবিসির পরিক্রমা অনুষ্ঠানে এ খবরের সত্যতা স্বীকার করা হয়। আইএসপি অ্যাসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদকের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয় যে সরকার দেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ডাটাবেজ এবং আইএসপির মাধ্যমে তাদের ইন্টারনেট ব্যবহার মনিটরের উদ্যোগ নিয়েছে। শুনুন পরিক্রমার রিপোর্টটি।
বাংলাদেশের সাধারন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী হিসেবে এ ব্যাপারে আপনি কি অবস্থান নেবেন জানালে ভাল হয়।
২
আরে মিয়া আপনারা সরকারের ভালো দেখ্তারেন না।
হেঁরা আগামী বছর শান্তিতে নোবেল লওনের তাল করতাছে।
____________________________
লাল গানে নীল সুর হাসি হাসি গন্ধ......
৪
- হাইড আইপি প্লাটিন্যাম ব্যাটারা বানাইছে ক্যান?
আর ব্যাবসার গোপন কথা ফাঁসের ভয় পাইলে ডাইরেক্ট গুগোল একাউন্ট ইউজ করেন। এনএসএ ছাড়া আর কারো পরদাদারো ক্ষমতা নাই আপনের ইমেইল ইন্টারসেপ্ট করার।
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>
৫
সুশীল সরকারের জান্তায় রুপান্তর কি তাহলে সময়ের ব্যাপার?
তীব্র প্রতিবাদ জানাই এই অপপ্রচেষ্টার।
ইন্টারনেট পুলিশকে ফাঁকি দেওয়া কোন ব্যাপার নয়।
মাঝখান থেকে ভোগান্তি হবে সাধারণ য়্যুজারদের।
আমি ও আমার স্বপ্নেরা লুকোচুরি খেলি
৬
'সুশীল' শব্দটির আগে 'তথাকথিত' বসানো আবশ্যক।
এই সরকার যে জান্তায় পরিণত হবে, তা কি 'তুমি জানতা' না?
ইন্টারনেট পুলিশকে ফাঁকি দেয়া প্রসঙ্গে সহমত।
৭
অনাকাঙ্খিত ভুলের জন্যে জাতির কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।
আসলে আমি এইরকম অর্থ করতে চেয়েছিলাম।
সুশীল -> সু শীল -> সুন্দর নাপিত?
ওনারা আমাদের ফোঁড়া কাটতে এসে ইন্দ্রিয়গুলোতেও তালাচাবি মেরে দিচ্ছেন কি না।
আমি ও আমার স্বপ্নেরা লুকোচুরি খেলি
৮
তীব্র ঘৃণা! তীব্র প্রতিবাদ!!
৯
আর ভাল লাগে না, ইচ্ছা হয় নিজের বাড়িটারে স্বাধীন, সার্বভৌম ঘোষনা করি।
১০
সম্পুর্ন একমত
যদিও আমি বাংলাদেশের বাইরে থেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করছি,তবু মতামত দিচ্ছিঃ
ইদানিং অনেক দেশের স্বৈরশাসকরাই ইন্টারনেটের অবাধ তথ্য প্রবাহকে নিজেদের জন্য হুমকীস্বরুপ মনে করছে । সিরিয়া,ইরান,চীন,মিশর,বার্মায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ইতিমধ্যেই । আর,কোথাও ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনাই এখন আর বিচ্ছিন্ন কিছু নয় । বাংলাদেশের মধুপুরে চলেস রিচিলকে পিটিয়ে হত্যা করলে সে খবর চলে আসতে পারে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে,খবর ও প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়তে পারে দ্রুত । এ জন্য প্রফেশনাল রিপোর্টারের ও দরকার নেই । যে কোনো সচেতন নাগরিকই ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিপীড়ন নির্যাতনের তথ্য প্রচার করে দিতে পারছেন বিশ্বজুড়ে ।
সুতরাং স্বৈরশাসকরা অবাধ তথ্যপ্রবাহের এই ধারাকে যে কোনো কৌশলে সংকুচিত ও নিয়ন্ত্রিত করতে চাইবেই । বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ও তা ব্যতিক্রম নয় ।
বাঘা বাঘা সাংবাদিক সম্পাদককে ভেজাবেড়াল বানিয়ে ফেলা গেছে,খালি ইন্টারনেটটা বড় বেশী বাড়াবাড়ি করছে,কে যে কোন ফাঁক দিয়ে কোন খবর,কোন ছবি কোনদিকে প্রচার করে দেয় ।আমার কেবলই মনে হচ্ছে- 'ওরা ভয় পেয়েছে' । দেখা যাক,ভয় পেয়ে বীরপুরুষেরা অর্গল আর কতোটা বন্ধ করতে পারে ।
-----------------------------------
মানুষ এখনো বালক,এখনো কেবলি সম্ভাবনা
ফুরোয়নি তার আয়ু
১১
করুক যা খুশি। এরা সব ভাল করে ফেললে বাকিরা করতো কী? উগাবুগার ভাষায়, ঠাডা পড়বো, ঠাডা।
১২
বটম আপ অ্যাপ্রোচে গড়ে ওঠা একটা ব্যবস্থার ওপর এখন টপ ডাউন অ্যাপ্রোচের শাসন চাপানো হচ্ছে। এটা অনেকটা মাথার ওপর দিয়ে গলিয়ে মোজা পড়ানোর মতো ব্যাপার।
দশ ট্রাক অস্ত্র এই দেশে নির্বিঘ্নে কর্ণফুলির তীরে এসে ভেড়ে, সীমান্ত এলাকায় ধরা পড়ে হাজার হাজার গুলি, মানুষের সমাবেশে বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়া হয় লোকজনকে, কারা এর পেছনে দায়ী তা খুঁজে বার করে শায়েস্তা করা হয় না, কিন্তু ইন্টারনেটে কে কী করলো তা গলা বাড়িয়ে দেখার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হয়। হাতি যেতে দেখে চোখ বুঁজে থাকে আর মশা যেতে দেখলে মেরে ফেলে।
১৩
হিমু, অনেকে দশ পাতায় যা বলতে পারেনি আপনি তা এক প্যারায় চমৎকার বলেছেন। অসংখ্য ধন্যবাদ!
তবে এটা কি আসলে পদধতিগত সমস্যা, নাকি ইচ্ছার অভাব?
১৪
আমার কাছে এটাকে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস মনে হয়েছে।
১৫
বটম আপ অ্যাপ্রোচে গড়ে ওঠা একটা ব্যবস্থার ওপর এখন টপ ডাউন অ্যাপ্রোচের শাসন চাপানো হচ্ছে। এটা অনেকটা মাথার ওপর দিয়ে গলিয়ে মোজা পড়ানোর মতো ব্যাপার।দশ ট্রাক অস্ত্র এই দেশে নির্বিঘ্নে কর্ণফুলির তীরে এসে ভেড়ে, সীমান্ত এলাকায় ধরা পড়ে হাজার হাজার গুলি, মানুষের সমাবেশে বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়া হয় লোকজনকে, কারা এর পেছনে দায়ী তা খুঁজে বার করে শায়েস্তা করা হয় না, কিন্তু ইন্টারনেটে কে কী করলো তা গলা বাড়িয়ে দেখার জন্য ব্যবস্থা নেয়া হয়। হাতি যেতে দেখে চোখ বুঁজে থাকে আর মশা যেতে দেখলে মেরে ফেলে।
হাঁটুপানির জলদস্যু
ঠিক কথা হক কথা । এগুলো আসলে বোকাপাঁঠা ছাড়া কিছু নয় ।
১৬
It's our personal right to use internet. It does not matter for what we are using it. So i want to say hardly that it is unfair to monitor internet brousing.
১৭
আমার মনে হয় না এতে কোন সত ও সাধারন মানুষ বিপদে পড়বে। দুই নম্বর গুলিরই বেশি problem হবে। এই government এর দোষ দিয়া কি লাভ।
১৮
Beerbol দুই নম্বরী বলতে কাকে বোঝাতে চাচ্ছেন? কে কত নম্বর তা নির্ধারন করবে আদালত না সাধারন কোন মানুষ?
ভিওআইপি যে হাজার ছোট অপারেটররা ছিল তারা গড়ে উঠেছে সরকারী কোন নীতির অভাবে। কলিং কার্ডে ভোক্তাদের কম রেটে ফোন করতে দেয়া এবং ব্যবসা করা কি তাদের অপরাধ? এখন এদের ব্যবসায় সর্বশান্ত করে চারজন পছন্দের অপারেটর নিয়োগ দেয়া হবে। ভোক্তাদের স্বার্থ কতটুকু সংরক্ষিত হবে?
ব্যারিস্টার সুলতানা কামালের সাক্ষাৎকারটি শুনেছেন? আপনার মতামত জানাবেন।
×××××××××××××××××××××××××××××××××××××××××××
পৃথিবী কথা বলছে আপনি কি শুনছেন?
১৯
সকালে ঘুম থেকে উঠেই খবর দেখলাম যে, মায়ানমারে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
http://www.prothom-alo.com/mcat.news.details.php?nid=NjMyNzM=&mid=MTE=
আপনার লেখা পড়লাম এবং সুলতানা কামাল এর সাক্ষাতকারটাও শুনলাম। এইখানে কে বিপদে পড়লো বা না পড়লো এইটা বড় ব্যাপার না, বরং মনিটরিং এর চিন্তাটাই ভয়াবহ। এই মুহূর্তে আমি যা করছি, তা সবসময় একজন অনুসরণ করছে, দেখছে, যাচাই করছে; এই যে উপলদ্ধিটা, এইটা সেন্সরশীপের চাইতেও মারাত্মক একটা ব্যাপার।
. . . . . . . . .
ভ্রমণ বিলাসী হও, কাতর হয়ো না
১
যদিও আমি বাংলাদেশের বাইরে থেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করছি,তবু মতামত দিচ্ছিঃ
ইদানিং অনেক দেশের স্বৈরশাসকরাই ইন্টারনেটের অবাধ তথ্য প্রবাহকে নিজেদের জন্য হুমকীস্বরুপ মনে করছে । সিরিয়া,ইরান,চীন,মিশর,বার্মায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন ইতিমধ্যেই । আর,কোথাও ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনাই এখন আর বিচ্ছিন্ন কিছু নয় । বাংলাদেশের মধুপুরে চলেস রিচিলকে পিটিয়ে হত্যা করলে সে খবর চলে আসতে পারে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর কাছে,খবর ও প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়তে পারে দ্রুত । এ জন্য প্রফেশনাল রিপোর্টারের ও দরকার নেই । যে কোনো সচেতন নাগরিকই ইন্টারনেট ব্যবহার করে নিপীড়ন নির্যাতনের তথ্য প্রচার করে দিতে পারছেন বিশ্বজুড়ে ।
সুতরাং স্বৈরশাসকরা অবাধ তথ্যপ্রবাহের এই ধারাকে যে কোনো কৌশলে সংকুচিত ও নিয়ন্ত্রিত করতে চাইবেই । বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ও তা ব্যতিক্রম নয় ।
বাঘা বাঘা সাংবাদিক সম্পাদককে ভেজাবেড়াল বানিয়ে ফেলা গেছে,খালি ইন্টারনেটটা বড় বেশী বাড়াবাড়ি করছে,কে যে কোন ফাঁক দিয়ে কোন খবর,কোন ছবি কোনদিকে প্রচার করে দেয় ।
আমার কেবলই মনে হচ্ছে- 'ওরা ভয় পেয়েছে' । দেখা যাক,ভয় পেয়ে বীরপুরুষেরা অর্গল আর কতোটা বন্ধ করতে পারে ।
-----------------------------------
মানুষ এখনো বালক,এখনো কেবলি সম্ভাবনা
ফুরোয়নি তার আয়ু