মন খারাপ করা লেখা

অনিকেত এর ছবি
লিখেছেন অনিকেত (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/০১/২০০৮ - ৮:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি জানিনা এইটে কি শুধু আমার রোগ? নাকি আপনাদের ও এমন হয়?

এই সচলায়তনে এত্ত এত্ত ভালো লেখক আর এত্ত এত্ত জ্ঞানী লোকের ভীড়, যে মাঝে মাঝে ভয় পেয়ে যেতে হয়।

কারো লেখা রসময়, তো কারো লেখা 'আদিরসময়', কারোর প্রচন্ড বিশ্লেষনী, তো কারোর যাদু-বাস্তবতাময়। কেউ আমার জ্ঞানচক্ষুর উন্মীলন ঘটান, তো কেউ শুনিয়ে যান অন্ধকারের গান।

কিন্তু আমার সব চাইতে পছন্দের লেখা গুলো সবই দুঃখী দুঃখী লেখা। গতবছরের 'হেলথ রিপোর্ট' (আইরিশ জুবায়ের এর)
যে কতবার পড়েছি, কে জানে। কিন্তু সেইটাকে আসলে ঠিক দুঃখী দুঃখী লেখা বলা যাবে না। কিন্তু সেটা সুখী সুখী লেখাও নয়। দুঃখী লেখার বলতে আমি ' এক বালতি কান্না উদ্রেক কারী' বা 'হৃদয় মোচড়ানো' কিংবা কোন কোন ক্ষেত্রে 'হৃদয় পেষনকারী' লেখা বুঝাচ্ছি না। কিছু কিছু লেখা, হঠাৎ করে আপনার আশে পাশের কোলাহল থামিয়ে দেয়, হঠাৎ করে থামিয়ে দেয় সারা দিনের দৌড়ে চলা। হঠাৎ করেই আপনার হাত টেনে ধরে, হঠাৎ করেই মেঘ এনে দেয় আপনার আকাশে।

এই লেখা গুলোই আমার সব চাইতে প্রিয়।

আজ এক 'অতিথি লেখক' এর লেখা বেরিয়েছে। শিরোনাম হল " নির্বাসনে যাবার আগে "। কিযে অসাধারন লাগল, বলে বুঝাতে পারব না। বিশেষত , শেষ লাইন।


সুনীল গাংগুলি, আপনি কি বলতে পারবেন কতখানি বিষ পান করলে আমরা আমাদের দুঃখ ভুলতে পারবো?

--- কি যে অসাধারন অভিব্যক্তি!

কেন যে আমার এই লেখাগুলো এত ভালো লাগে, কে জানে।
ভালো থাকুন সকলে।


মন্তব্য

হাসান মোরশেদ এর ছবি

'রোদ্দুর মহৎ করে মন, আমার চাই ক্লান্ত অন্ধকার'
----------------------------------------
শমন,শেকল,ডানা

-------------------------------------
জীবনযাপনে আজ যতো ক্লান্তি থাক,
বেঁচে থাকা শ্লাঘনীয় তবু ।।

সংসারে এক সন্ন্যাসী এর ছবি

আমি জানিনা এইটে কি শুধু আমার রোগ? নাকি আপনাদের ও এমন হয়?

স্মৃতি আমার সাথে প্রতারণা না করলে বলতে পারি, আপনার কোনও এক লেখায় বা মন্তব্যে পড়েছিলাম, আপনি চরিত্রগতভাবেই নৈরাশ্যবাদী/দুঃখবাদী। অতএব "দুঃখী দুঃখী লেখা" যে আপনার পছন্দ হবে, সেটাই কি স্বাভাবিক নয়? আপনার জন্যে সুখের কথা (দু:খবাদীর জন্যে সুখের কথা - কেমন যেন লাগছে শুনতে) এই যে, সচলায়তনে কিন্তু এই জাতীয় লেখারই আধিক্য। আমার তথাকথিত রসময় বা আদিরসময় পোস্টগুলো সেই পরিবেশ নষ্টই করে ফেলে হয়তো।

নিরাময়াতীত আশাবাদী এই আমিও কিন্তু আপনার প্রিয় ধরনের লেখা প্রায়ই পড়ি। কিন্তু এই লেখাগুলোই যে আমার সবচেয়ে প্রিয়, তা বলবো না।

সবশেষে একটা কৌতুক (আপনার মন খারাপের লেখার মন্তব্যে কৌতুক দিচ্ছি বলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি আগেভাগেই)।

নৈরাশ্যবাদী: অসম্ভব! এর চেয়ে খারাপ অবস্থা আর হবে না!
আশাবাদী: হবে না মানে? আলবাত হবে!

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
টাকা দিয়ে যা কেনা যায় না, তার পেছনেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয় কেনু, কেনু, কেনু? চিন্তিত

অনিকেত এর ছবি

সন্ন্যাসী দাদা,

প্রথমেই বলে নিই, আপনার মন্তব্যের জন্য 'বিশেষ' রকমের ধন্যবাদ।
আরো বিশেষ ধন্যবাদ, কৌতুকটির জন্য।

এই অধমের এক মন্তব্য আপনি মনে রেখে দিয়েছেন, সে জন্য রীতিমত কৃতার্থ বোধ করছি।

আপনি যেমন 'নিরাময়-অযোগ্য' আশাবাদী, আমিও সেই রকমের নিরাশাবাদী। কিন্তু আপনার আর আমার মাঝে সব চেয়ে বড় তফাৎ বোধ করি এই জায়গাটায়------ আপনি কখনোই নিরাশ হতে পছন্দ করবেন না এবং আমি নিশ্চিত আপনার এই 'ধনাত্মক' জীবন বোধ আপনাকে জীবন-বিমুখি করবে না। আপনি নিশ্চিত ভাবেই আমার জগতে আসতে চাইবেন না, আর বিশ্বাস করুন, আমিও এই খানে থাকতে চাইনা। আমিও দেখতে চাই কোনো কোনো ভোরে অবাক সুর্যোদয়।

"দীর্ঘ জীবন পথ, কত দুঃখ তাপ, কত দৈন্য দহন
গেয়ে চলি তবু তাঁর করুণার গান।"

সংসারে এক সন্ন্যাসী এর ছবি

বিশদ প্রতিমন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।

আমার ব্যক্তিগত একটি ধারণার কথা বলি। আমার বিশ্বাস, মন প্রফুল্ল রাখবার বা মন খারাপ করবার কাঁড়িকাঁড়ি উপকরণ আমাদের চারপাশেই বিরাজমান।

আমি কেবল always look on the bright side of lifeনীতি মেনে চলি।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
টাকা দিয়ে যা কেনা যায় না, তার পেছনেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয় কেনু, কেনু, কেনু? চিন্তিত

স্নিগ্ধা এর ছবি

আমি কেবল always look on the bright side of lifeনীতি মেনে চলি।

ইয়ে সন্ন্যাসী মহাশয়, আমিও আসলে আশাবাদীদের দলেই বোধহয় পড়ি, কিন্তু শত চেষ্টাতেও Always টা আর কিছুতেই হয়ে উঠছে না। আপনি কোন ব্র্যান্ডের চাল/ওয়াইন/ এন্টিডিপ্রেসেন্ট খান একটু যদি জানাতেন হাসি

সংসারে এক সন্ন্যাসী এর ছবি

এন্টিডিপ্রেসেন্ট জীবনে খাইনি। আমি তো নিজেই আমার চারপাশের লোকজনের জন্য এন্টিডিপ্রেসেন্ট দেঁতো হাসি

তবে আমার মন খারাপ যে কখনওই হয় না, এমনটা বলা ভণ্ডামি হবে। শুধু অন্যদের তুলনায় মন-খারাপ আমার অতিশয় ক্ষণস্থায়ী। খারাপ কিছু ঘটে গেলে বিষণ্ণতাবোধ আমাকেও আক্রান্ত করে বৈকি! তবে পর মুহূর্তেই ভাবতে চেষ্টা করি: It could have been much worse! আর আমি তো বেশ আছি! চালের ভাত খাচ্ছি নিয়মিত, ওয়াইন গিলছি (যে ব্র্যান্ডেরই হোক না কেন ওসব, কিচ্ছু এসে যায় না তাতে!)! জানেন, অনেক দৈনন্দিন, মামুলি বা তুচ্ছাতিতুচ্ছ ব্যাপারেও আমার গলা ছেড়ে গাইতে ইচ্ছে করে, "আহা, কী আনন্দ আকাশে-বাতাসে..."

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
টাকা দিয়ে যা কেনা যায় না, তার পেছনেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয় কেনু, কেনু, কেনু? চিন্তিত

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

মধুরতম সঙ্গীত তো তাই যা আমাদের দুঃখের ও বিষাদের কথা বলে।

ওপরের কথাটি উদ্ধৃত। হুবহু মনে নেই বলে বঙ্গানুবাদ করতে হলো।

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

s-s এর ছবি

We look before and after,
And pine for what is not;
Our sincerest laughter
With some pain is fraught;
Our sweetest songs are those that tell of saddest thought.
--Percy Bysshe Shelley, from The Cloud, 1820

চিরন্তন শেলী!

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

সঠিক উদ্ধৃতিটি তুলে আনার জন্যে ধন্যবাদ।

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

অনিকেত এর ছবি

আহা, আহা.........
অনেক ধন্যবাদ!

অমিত আহমেদ এর ছবি

এ জন্যই জুবায়ের ভাইকে ভাল্লাগে!


ওয়েবসাইট | ফেসবুক | ইমেইল

স্নিগ্ধা এর ছবি

@ সংসারে এক সন্ন্যাসী - কৌতুক টা ভীষণ ভীষণ মজার হাসি

সংসারে এক সন্ন্যাসী এর ছবি

একটা রুশ কৌতুক অনুবাদ করে মেরে দিয়েছি হাসি

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
টাকা দিয়ে যা কেনা যায় না, তার পেছনেই সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয় কেনু, কেনু, কেনু? চিন্তিত

অনিকেত এর ছবি

সন্ন্যাসী ভাই,

তোমার তুলনা নাই...............

গৌতম এর ছবি

প্রতিদিন সকালে উঠে জীবনানন্দ দাশের কথা বিশ্বাস করতে চেষ্টা করি-
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল
কোনোদিন বিশ্বাস হয়, কোনোদিন হয় না।

..................................................
ছিদ্র খুঁজে বেড়াই, বন্ধ করার আশায়

.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

নিঝুম এর ছবি

আমি সবসময় ই ভাবতাম অনিকেত সাহেবের কোথাও কোন একটা গভীর দুঃখ বোধ আছে।বিশেষ করে সঞ্জীব'দাকে নিয়ে একটা লেখা দেখার পর।

আমার দুঃখ টুঃখ তেমন একটা ভাল্লাগেনা।

আরে ভাই ...নো মন খারাপ-টারাপ।চাইলে জোক্স শুনাইতে পারি।আর ভাবতাসি, আমার ছাগলীয় এবং জোকারীয় লেখার পরিমান বাড়াইতে হইব...

--------------------------------------------------------
যাগায় খাইয়া যাগায় ব্রেক...

---------------------------------------------------------------------------
কারও শেষ হয় নির্বাসনের জীবন । কারও হয় না । আমি কিন্তু পুষে রাখি দুঃসহ দেশহীনতা । মাঝে মাঝে শুধু কষ্টের কথা গুলো জড়ো করে কাউকে শোনাই, ভূমিকা ছাড়াই -- তসলিমা নাসরিন

অতিথি লেখক এর ছবি

এটি বোধকরি বাংগালীদের জন্মস্বভাব। কি জানি হয়তো বা এটি সবমানুষেরই স্বভাব। আমরা সবাই সাহিত্যের করুণরসে আসক্ত। যদি প্রশ্ন করা হয়, যে বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে পরিচিত চরিত্রটি কে, তাহলে নি:সন্দেহে উত্তর আসবে, দেবদাস। রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, তারাশংকর, মানিক, সুনীল, শীর্ষেন্দু, হুমায়ূন ইত্যাদি লেখকদের সবাইকে হারিয়ে দেবে ঐ মাতাল, চরিত্রহীন চরিত্রটি। কেন? আমরা কা‍দঁতে ভালবাসি তাই।
অনিকেত-আপনার লেখাটি ভাল লাগলো এবং চিন্তার খোরাক যোগালো। সত্যিই বলছি। আপনার লেখাতে আমার সাম্প্রতিক একটি লেখার উদ্ধৃতি আছে, এই কারণে নয়।
ধন্যবাদ।

-নির্বাসিত
----------------------------------------------------------
"যতদুর গেলে পলায়ন হয় ততদুর কেউ আর পারেনা যেতে"।

অমিত আহমেদ এর ছবি

আমিও প্রচন্ড ভাবে আশাবাদী... তবে মন খারাপ করা লেখা গুলো আমারো খুব মন ছুঁয়ে যায়।


ওয়েবসাইট | ফেসবুক | ইমেইল

অনিকেত এর ছবি

ইসস......
আপনাদের কথাগুলো শুনে কি যে হিংসে হচ্ছে, কি বলব।
এই পোড়া জীবনে আপনারা কি করে যে ধনাত্মক থাকেন, কে জানে।
কিন্তু জানেন, আমারো মাঝে মাঝে খুব ইচ্ছে হয়, শ্বাস নেই কোন মুক্ত অনাবিল হাওয়ায়। গুনগুন করি আমার প্রিয় কোনো গানের লাইন।
ইচ্ছে করে বিনা কারনেই হাসি। বিনা কারনেই হেটে যাই মাইলের পর মাইল। ইচ্ছে করে সারা আদুল গায়ে রোদ মাখি।

কিন্তু হায় রে আমার জীবন! বন বন করিয়া ঘুরিতে ঘুরিতে জীব বার হইয়া গিয়াছে, এক কথায় প্রকাশ করলে এই রকমই দাঁড়ায়। ইংরাজীতে দেখুন----L- if- e। মাঝখানে বিরাট একটা IF।

কে জানে। হয়ত নিরাশাবাদী বলেই এই ব্যাপার গুলো চোখে পড়ে বেশি। কে জানে, দুঃখই হয়ত জীবনের সার কথা। আমরা হয়ত দুঃখের সাগরে ডুবে থাকার জন্যই জন্মেছি। মাঝে মধ্যে জলরাশির ওপরে মাথা তুলে ইতিউতি চাই। সেই ক্ষন গুলোই হয়ত সুখের ক্ষন। ডি এল রায়ের একটি গানে যেমন আছেঃ

" সুখের কথা বল না আর
বুঝেছি সুখ কেবল ফাকি
দুখে আছি, আছি ভাল
দুখেই আমি ভাল থাকি।"

মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি

আনন্দ ও নিরাশা দুটোই জীবনের উপাদান, দুটোই সমান দরকারি। আনন্দ আমাদের বেশিক্ষণ মনে থাকে না, বিষাদটা থাকে, মানে থাকতে চায়। তবে তাই বলে বিষাদের পয়গম্বর (prophet of gloom) হওয়ার কোনো দরকার তো নেই।

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!

অনিন্দিতা এর ছবি

সত্যিই তো জীবনে দুঃখ থাকবে বলে কী সুখের কথা ভুলে যেতে হবে? তা যতই ক্ষণস্থায়ী হোক না কেন?

সবজান্তা এর ছবি

আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, আমরা সকলেই দুঃখবিলাসী। দুঃখ আমাদের জীবনের খুব প্রিয় একটা অংশ। দুঃখকে লালন করেই আমাদের নিরন্তর বেঁচে থাকা।

লেখক হিসেবে আমি তুচ্ছ, ক্ষুদ্র, অতি নগন্য,গুনতির বাইরে। তবুও আমার একটা অবজারভেশন আছে। কষ্ট কিংবা বেদনার লেখাতে মানুষের মনকে খুব সহজেই ছুঁয়ে ফেলা যায়। অপরদিকে মানুষকে হাসানো ততোটাই কঠিণ। তাই একজন হিমু যখন গোয়েন্দা ঝাকানাকা কিংবা ফুটোস্কপিক গল্প লিখে অথবা একজন সন্ন্যাসী যখন কামরাঙ্গা ছড়া বা শব্দার্থ লিখে মানুষকে হাসান, সেটি নিঃসন্দেহে অনেক কঠিণ একটি কাজ করেন, অন্তত দেখে যা মনে হয় তার চেয়ে কঠিণ।

ব্যক্তিগত জীবনে আমি নিজেও কিঞ্চিত নৈরাশ্যবাদী। কিন্তু যখন লাইফ ইজ বিউটিফুল এর মত চলচ্চিত্র দেখি কিংবা কিশোর কুমারের জিন্দেগী কা সাফার হ্যায় সুহানা শুনি , তখন অন্তত মনে হয় এই পৃথিবী অনেক সুন্দর।

আর কারো জন্য না হোক, অন্তত নিজের জন্য একটু পজিটিভ ভাবে বাঁচি।

-------------------------------------------------------------
অলমিতি বিস্তারেণ

পরিবর্তনশীল এর ছবি

শুধুমাত্র আপনার এই লেখায় কমেণ্ট করার জন্য লগইন করলাম। ভীষণভাবে মিলে গেল আপনার কথাগুলো আমার সাথে। আর কিছু বলতে পারছিনা

---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল

---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল

অনিকেত এর ছবি

আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, পরিবর্তনশীল।

তিথীডোর এর ছবি

সুখী মানুষ দুই চোখে দেখতে পারি না।
বিষাদময় ঘ্যানঘ্যানানি ছাড়া কিছু লিখতে পারি না। ব্যালেন্সড লাইফ ফিলোসফি। হাসি

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
Image CAPTCHA