অনিন্দ্য রহমান এর ব্লগ

ছত্ববিধান

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি
লিখেছেন অনিন্দ্য রহমান (তারিখ: সোম, ১৪/০৩/২০১১ - ১:৫৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]

(১)

লেখার বাংলা ভাষা ও বাংলা লেখার ভাষা দুইটা এক বিষয় না। লেখার যেই বাংলা ভাষা সেইটা একটা সিস্টেম, ভাষা, ফরাসিতে লাংগ্। বাংলারে লেখার ভাষা আদৌ ভাষা কিনা, এই নিয়া সন্দেহ থাকে, এবং সেই সন্দেহ মোতাবেক বাংলা লেখার ভাষা কোনো ভাষা না, একটা তরিকা।


নিজের সঙ্গে

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি
লিখেছেন অনিন্দ্য রহমান (তারিখ: শনি, ০৫/০৩/২০১১ - ২:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

উত্তরের এই শহর যখন ছাড়ি তখন অনেককিছু বাকি। সুলতানি আমলের সুবিখ্যাত মসজিদ। এখানকার কুখ্যাত সীমান্ত। সুমিষ্ট ফলের বাগান। ছয়মাসে দেখা হয় নাই অনেক কিছুই। হবেও না আর। খালি ভোরবেলা ছাদে উঠে দেখলাম একটা বিরাট পুকুর এই বাড়িটার ঠিক পিছনেই। কখনো জানি নাই। কয়েকটা হাঁস ভাসে সেইখানে। শেষদিন ভোরবেলায়।


আজাইরা দেরিদা

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি
লিখেছেন অনিন্দ্য রহমান (তারিখ: মঙ্গল, ০৮/০২/২০১১ - ১:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]

There is no outside-the-text.

টেক্সটের ল্যাটিন গোড়ায় টেক্সট্র, মানে বয়ন। জিনিস বোনা । দেরিদা বলছে টেক্সটের বাইরে কিছু নাই। আসলে বলে নাই।


‘মেহেরজান’: পাকিসঙ্গমের ফোকফ্যান্টাসি

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি
লিখেছেন অনিন্দ্য রহমান (তারিখ: শনি, ২২/০১/২০১১ - ২:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]

সিনামাঠাকুর

লালনরে নিয়া গৌতম ঘোষ সিনামা করল। সেইটার নাম রাখল ‘মনের মানুষ’। সেই সিনামায় জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর বলে - যেহেতু সে জানতই না দেশে লালনের মত রত্ন আছে সেহেতু লালনকে এই প্রশ্ন - আপনার জন্য কী করতে পারি বলুন? লালনের উত্তর সিনামাখান দেখলেই জানবেন। যা জানবেন না সেইটা হইল লালন আসলে কী বলছে।


দিরুর জীবনের স্ন্যাপশট, গল্প নাই

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি
লিখেছেন অনিন্দ্য রহমান (তারিখ: মঙ্গল, ১৮/০১/২০১১ - ৮:২৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পাখি কখন জানি উড়ে যায়
একটা বদ হাওয়া লেগে খাঁচায় ...

একদিন যখন তুমি আশ্বস্ত হবে, জানবে, এই মৃত্যু চোখের পলকে তোমাকে ভ্রমণ করে যায়, তখন তুমি, প্রতিবার চোখ খুলে দেখবে, এই পৃথিবীতে বস্তুতপক্ষে নির্লিপ্ততাই মানুষের স্বভাবধর্ম।

সুতরাং ছেলের নাম নির্লিপ্ত নিরহংকার। মা বলছিল আরবি নাম রাখতে। সেই মা বাঙালির ইতিহাস কমবেশি ঠিকঠাক জানে। জানলেও, তার ছেলে ভাষানিরপেক্ষ হয়। ভাষা ইতিহাসনিরপেক্ষ না হউক।


পাইপাই হিসাব হবে

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি
লিখেছেন অনিন্দ্য রহমান (তারিখ: রবি, ০২/০১/২০১১ - ১:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[১]

নির্বাক ছবির সাথে সবাক ছবির দেখা হইলে এই-ই ঘটে। গদার বলছে। তখন তার মুখ বরাবর মাত্র একটা ক্রিম-পাই ছুঁড়ে মারছে নোয়েল গডিন (ইংরেজি ধারায় উচ্চারণ করলে)। ৮৫ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবে।


উইকিলিক্সে আরো একটু বাংলাদেশ : প্রসঙ্গ ভারতের সীমান্তনীতি

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি
লিখেছেন অনিন্দ্য রহমান (তারিখ: সোম, ২০/১২/২০১০ - ৩:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

উইকিলিক্সে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ, গত কয়েকদিন ধরে আমাদের গণমাধ্যমে খুব আলোচিত। বার্তা সংস্থা বিডিনিউজ২৪.কমে, এবং তারপর কয়েকটা পত্রিকায়, বাংলাদেশের উল্লেখ আছে এমন বেশ কিছু ফাঁস হয়ে যাওয়া তারবার্তা প্রকাশিত হয়। এগুলোতে বাংলাদেশের একটা সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার সাথে জঙ্গী সংশ্লিষ্টতার কথা আসে - যেটা, আগে থেকেই আন্দাজে ছিল বলে, আমাদের বেশি অবাক করে নাই। কিন্তু, মার্কিন রাষ্ট্রীয় গোপন ...


একটি আবেদন

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি
লিখেছেন অনিন্দ্য রহমান (তারিখ: শুক্র, ১৭/১২/২০১০ - ১:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সিয়েরা লিয়নের সেকেন্ড ল্যাঙ্গোয়েজ এখন আমার বাংলা ভাষা। আই অ্যাম প্রাউড অফ মাই ল্যাঙ্গোয়েজ। কয়েক সপ্তাহ ধরে, গ্রামীণ ফোনের এই বক্তব্যসমৃদ্ধ টিভি বিজ্ঞাপন আমাদের চোখে পড়েছে। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ১৬ ডিসেম্বর জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার উৎসবের আয়োজন করে এই কোম্পানিটি। গতকাল দেশের বিশিষ্ট গায়েনবৃন্দের অংশগ্রহণে এই উৎসবটি প্রায় সবগুলো বেসরকারি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারিত হ ...


আমাদের গাড়ির ইতিহাস ও আরেকটা

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি
লিখেছেন অনিন্দ্য রহমান (তারিখ: শনি, ০৪/১২/২০১০ - ১:৪৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের গাড়ির ইতিহাস
হওয়ার কথা ছিল গ্যারেজ। দুর্দিনে ভাড়া দেয়া হল। দুইঘর। গাড়ি কেনা হল না। আমাদের পৈত্রিক বা পিতামৈহিক ব্যবসা ভাল যাচ্ছিল না। চাচাদের ভাগাভাগি, চাচিদের রাগারাগি, আমরা ছোটরা নীরব দর্শক। এর মধ্যে একদিন একজন বলল বড় হয়ে সে কোক কম্পানিতে চাকরি নিবে। সে ভাবত কোক ভাল। আব্বা ভাবল চাকরি ভাল। সহ্য হল না। অনেক পিটানি খেল সে। তারপর আর চাকরির নাম করেনি। আজও। আব্বা অবশ্য জানত ...


২টা

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি
লিখেছেন অনিন্দ্য রহমান (তারিখ: বুধ, ০১/১২/২০১০ - ৩:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

র এর কাছে একদিন আমি মিশেল ফুকোর বই ধার চাই। র আমাকে দেয়না। সে বলে অর্জিনাল বই টাকা জমায়া কিনা। তোমারে দিব না। তাই আমার ফুকোপাঠে বছরতিনেক দেরি হয়ে যায়। এটা ভালো ঘটনা। ইতোমধ্যে আমারও অর্জিনাল বই কেনার সক্ষমতা গড়ে উঠে। র এর সাথে অনেকদিন দেখা সাক্ষাৎ নাই। এটাও ভালো ঘটনা। তবে, এই কবিতাদ্বয় তার প্রতি উৎসর্গীকৃত। কবিতদ্বয়ের নাম ডিসকোর্স ও ইন্টারকোর্স। আজকাল প্রতি ৩টা শব্দের একটা ডিস ...