অপেশাদার

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি
লিখেছেন অনিন্দ্য রহমান (তারিখ: শনি, ২৭/১১/২০১০ - ২:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তখন কন্টাক্টরি করতাম। কাজটাজ জিগায়ো না। অর্ধেক ঘুষ দিয়া ভালো কাজ হয়না। তবে আল্লায় দিলে অখোনো কিসু ভাইঙ্গা পড়ে নাই।

সরকারি অফিসে ছোটোমোটো কেরানির চাকরি করত রোটেনের মায়। রোটেনের বাপ নাই। এই নিয়া রহস্যও নাই। রোটেনরে আমি প্রথম দেখি তার মায়ের অফিসের উল্টা পাশের চায়ের দোকানে। কোনায় বইসা ছবি আঁকে। ভ্যান্দা মতন পোলা। সেই সময় আমারও অফিস ঐদিকে আসিল। আমি চা খাইতে আইসা পোলাটারে পাইলাম। কী চাচ্চু কী আঁকো? কুমির। ওহ, কুমির বেগুনি ক্যান? কুমির বেগুনি। বেগুনি তো বুঝলাম, বেগুনি ক্যান? আমার আর রং নাই। সত্যিই নাই। একটা ভাঙা টিফিন বক্সের মধ্যে কতগুলা গুড়াগাড়া প্যাস্টেল। একটা মাথা চাবানো পেন্সিল। আর একটা কালো রাবার। এইগুলাই সম্বল। আঁকো তাইলে। বন্ধ করলা ক্যান? তখন সে দেখি কান্দে। কান্দে, কিন্তু শব্দ করে না। চাচ্চুর নাম কী? মুসলিম মিয়া, এইটা তার দোকান, জবাব দেয় রোটেন। সেই থাইকা রোটেনরে রোটেনরূপে চিনি। সবাই তারে নিয়া হাসে। কেউ কেউ প্যান্ট খুইলা দেয়। কেবল মুসলিম মিয়া, একদিন দেখি তারে পিরিচে কইরা কন্ডেন্সড মিল্ক খাইতে দিসে । তাও কান্দে। রং শেষ।

চা খাইতে যতক্ষণ লাগে আর কি। সিগারেট খাই কম। তারপরও ঐদিন ধরাইসিলাম। মেজাজ খারাপ। গোল্লিফ। দেখি একটা মহিলা আসতেসে। লম্বা মতন শুকনা। চেহারা ভালো কিন্তু গ্লেজ নাই। রোটেন আম্মার কাছে আসো। রোটেন যায় না। যাও,আমি বলি। রোটেন আম্মা ডাকে, যাও। যাও না। তারপর পিরিচটা মেলা মারে আমার হাঁটু বরাবর। কান্দে। রোটেনের লম্বা মতন শুকনা আম্মা বলে সরি। সে সুন্দর আসে আসলে, বলে, আমার ছেলেটার বুঝে কম। মুসলিম মিয়ার কান খাড়া। সে যোগ দেয়। বলে, পাগলা। আউলা কাম করে। কাস্টমার ভাগায়া দিবো। আর সারাদিন সাপখোপের ডরিং করবো। তারপর রোটেনের আম্মা তার পাগলা পোলারে নিয়া বাইর হয়।

এরপর একদিন, কেম্নেকেম্নে ঐ অফিসেই যাইতে হইল আমারে। রোটনের মায়ের আরকি। আপা আমারে বদরুল সাহেব এই কাগজ দিয়া পাঠাইসে। খালি এইখানে একটা সই হইলেই চলবো। না এম্নে তো হবে না, রোটেনের আম্মা বলে। কয় কী। এইখানে আপনি ওয়ার্ক অর্ডারের ফটোকপি, পার্চেজের স্লিপটিপ যা আসে জমা দিবেন আগে। তারপর ক্লিয়ারেন্স নিয়া আসবেন। এখন ক্লিয়ারেন্স পাই কই। যেই ব্যাটা ক্লিয়ারেন্স দিবো সে পারলে আমারে জুতায়। তো এই করতে করতে নানা কথাবার্তা লতাপাতা বায়া একদিন সুলতানার বাড়ি পর্যন্ত গেলাম গা। রোটেন আর সে একা থাকে সেইখানে। মহিলারে পসন্দ হইসে। হইবো, বুঝতে পারি।

শান্তিনগরের কোন চিপায় থাকে, সেইটা বাইর করতে জান খারাপ। তার উপরে শুক্রবার রাস্তা বন্ধ কইরা জুম্মার নামাজ পড়তেসে। আমি আবার আল্লাবিল্লা করার মানুষ না। মানে তখন আসিলাম না। অখোন তো ডায়বিটিস হইসে। অখোন একটু করি। যাই হোক, এইদিক ওইদিক কাইটা হাজির হইলাম ছয়তলা বাড়ির ছাদে। ছাদেই দুইঘরে তারা থাকে। এককাপ চা আর চাইরটা বিস্কিট। রোটেনের মা ভিতরে রান্না করে। ছ্যাত ছ্যাত শব্দ আসতেসে। কিসু একটা ভাজেটাজে। আমি বইসা বাসি পত্রিকা পড়ি। বিগ বি’র মন খারাপ এইসব। আপা এতো কিসু করতে গেলেন ক্যান। বাদ দিতেন। কিসু আবজাব কথা পারতে হয় এই সময়। রোটেন কই? সে স্কুলে গেসে। শুক্রবারে স্কুল? ওদের আলাদা স্কুল। সে হাসে। তার চেহারায় গ্লেজ নাই। কিসু মাখেটাখে না? আজকাল কতকিসু বাইর হইসে। সাতদিনে চিকচিক করে।

শুনেন ভাই, আমার ছেলেটারে নিয়া আমি একলা থাকি সে বলে। স্বামী নাই। একলা লাইফ কষ্টের লাইফ। ছেলের স্কুলে মাসে ৩ হাজার টাকা খরচ হয়। আমি আর কতো পাই। বাসা ভাড়া ইলেক্ট্রিক মিলায়া সাড়ে ৬। আমি আগে কখনো এইটা করি নাই। বড় স্যারেও বলসিলো দু্ইটা পয়সা কামাও। পয়সার দরকার আসে না? গুনার পয়সাও পয়সা। আহহা রে, এইসব কথা বাদ দাও না। তোমার যেমন প্রয়োজন, আমারো প্রয়োজন। গুনা আবার কি। কিসু আবজাব কথা পারতে হয় এই সময়। তুমি কইরা বললাম, কিসু মনে কইরো না। সেভেন্টি এইটে মেট্রিক।

এরপর সুলাতানারে ২ হাজার টাকা দিয়া বাইর হইয়া আসলাম। এই কাজ আরো কমে হয়। তারপরেও। বাইরে দেখি ছাদ ভর্তি রোদ্রো। আর রোদ্রোর মধ্যে কয়েকটা বেগুনি রঙ্গের কুমির খেলতেসে। আমার কী।

রোববারে সুন্দর মতন ক্লিয়ারেন্স হাতে আইসা পড়ল।
 


মন্তব্য

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি

হুমম
_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

লন হুক্কা খান হাসি


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

মানিক চন্দ্র দাস এর ছবি

অনিন্দ্য ভাই,
গল্পটা কি আসলেই অনুশীলন?? নাকি কোন কিছুর পুর্বাভাস? বেদম কিছু একটা আসছে নাকি সামনে? অপেক্ষায় থাকলাম ভাই। ভালো থাকবেন।

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

স্বাভাবিক কথ্যভাষায় লেখার অনুশীলন।


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

দিগন্ত বাহার [অতিথি] এর ছবি

ভালা হইসে। হাসি

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

থ্যাঙ্কস


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

সাইফ তাহসিন এর ছবি

লেখার ধরণটা দারুণ লাগল!

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

ধন্যবাদ। ধরণটাই সব, ধারণা একটা ভ্রান্ত ধারমা হাসি


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

রাতঃস্মরণীয় এর ছবি

কথ্য ঢঙে চমৎকার লেখা; খুউব ভালো লাগলো অনিন্দ্য ভাই। জটিল বিশ্লেষনের কিছু নেই লেখায়। সুলতানাদের বেঁচে থাকতে হয়। আর কনট্রাকটরেরও বাঁচতে হয়। নির্ভরশীলতার চমৎকার একটা প্যারাডাইম। রোটেনদের জন্যেই সুলতানাদের যত জ্বালা। আসলেই, মা হওয়া বড় জ্বালা।

======================================
অন্ধকারের উৎস থেকে উৎসারিত আলো, সেইতো তোমার আলো।
সকল দ্বন্ধ বিভেদ মাঝে জাগ্রত যে ভালো, সেইতো তোমার ভালো।।

------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

ধন্যবাদ।


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

অতিথি লেখক এর ছবি

আমি সাধারণত প্রমিত রীতিতে বাংলা পড়তে পছন্দ করি। কিন্তু এই স্টাইলটা আমার পছন্দ হইছে। পড়তে কোথাও সমস্যা হয় নাই। আর গল্পটাও ভাল লাগছে।

অনন্ত

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

ধন্যবাদ। নানান রীতি তো আমরাই বানাই। বাংলাটা আসলে এতোভাবে লেখা যায় বইলাই বাংলা একটা সমৃদ্ধ ভাষা।


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

নুসায়ের এর ছবি

পড়তে পড়তে একখান কথা ইয়াদ আইলো। আমি তহন পল্টনে মাস্টারি করি। বিকালে যাই, সন্ধ্যায় হাইটা বাড়ি ফিরি। মেলা ঘুরাঘুরি। পল্টন, মতিঝিল, সেগুনবাগিচা, শান্তিনগর আরো কত। হাতে নয়া পয়সার বেন্সন, পেটে নান-শিক। ধোয়ায় চোক্ষের মইদ্দে জ্বালা। আর কেমুন জানি একটা গন্ধ। বহুতদিন পর সেই গন্ধটা নাকে ধাক্কা দিলো।

এই গর্ভস্রাবগো দ্যাশে বইসা আমি পাল্টায়া যামু, ঢাকা শহর পাল্টাইবো না!

ভালো হইসে, ভাল্লাগসে। খেমতা থাকলে ৫ তারা দিতাম।

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

ঢাকা ঢাকাতেই থাকবে। কোনো ডাউট নাই। অনেক ধন্যবাদ।


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

ভালোই তবে গভীরতা কম।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

যথার্থ বলসেন। অনেকদিন মাথায় কিসু আসে না। তাই একপ্রকার থিমাটিক কম্প্রমাইজ করতে হইসে। কিন্তু এইটা কোনো এক্সিউজ না। অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

অতিথি লেখক এর ছবি

লেখায় ব্লগীয় ভাষাটা প্রকট! এটা কাটানো খুব জরুরী মনে হয়!

--- থাবা বাবা!

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

ব্লগীয় ভাষা কী বস্তু স্যার? এইটা কাটানো কাদের জন্য জরুরি? ক্যান জরুরি? ভাষার ক্ষেত্রে কোনটা জরুরি কোনটা জরুরি না, এইটা ঠিক করার অথরিটি কার? নাকি এইটাতেও বিশ্বভারতীর কপিরাইট টাইপের কিসু থাকা উচিত? ব্লগীয় ভাষা (যদি আদৌ এইরকম কোনো 'স্ট্যান্ডার্ড' থাকে) বস্তুটা তো ব্লগেই থাকবে, যদি ভুল না বুঝি। একটু খুইলা বলতেন ...


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

সাইফ তাহসিন এর ছবি

আপনার প্রশ্নগুলান আমারো, উপরের মন্তব্যকারীর কাছে আপনার রাখা প্রশ্নগুলোর জবাব শুনার জন্যে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। কয়দিন আগে দেখলাম করছি খাইছি কে একজন ফারুকী গং এর ভাষা বললেন, আজকে আরেকজন আপনার ব্যবহৃত ভাষাকে ব্লগীয় ভাষা বলতেছেন, এটা পরিষ্কার ভাবেই বিরক্তিকর

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

শুভাশীষ দাশ এর ছবি

যেকোনো আরোপিত ভাষা খারাপ। বাংলাদেশের লোকজন কলকাতায় ভাষায় কথা বলে না, ব্লগ লেখার সময় কলকাতার লেখকদের ভাষারীতি অনুসরণ করলে সেটা আরোপ করা।

ব্লগীয় ভাষা বলে বিশেষ কোনো ভাষা এখনো হয়ে উঠে নাই। যদি কখনো হয়ে ওঠে আর লোকজন খায় তাহলে সেই ভাষার জোর মানতেই হবে। অসুবিধা কী!

একটা সহজ কথা- ভাষাকে নীতিমালা দিয়ে আটকে রাখা যায় না। আমি আমার ভাষায় লিখব। আমার মতো করে। কপি করা ভাষায় নয়। আমারটা টিকলে টিকবে। না টিকলে না। কোনো ক্ষতি আছে? এখানে অন্যের গায়ের জোরে মাতব্বরি মানার প্রশ্নই নেই।

--

অনিন্দ্য, পেরেক্‌টিস চালায়া যান।


-----------------------------------------------------------
অভ্র আমার ওংকার

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

একটা সহজ কথা- ভাষাকে নীতিমালা দিয়ে আটকে রাখা যায় না।

ধন্যবাদ।

সবাই গুরুর কলকেতে টান দিতে চায় হাসি


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

নীলকান্ত এর ছবি

সব কি তাহলে এক জায়গায় গিয়ে শেষ হয়?
আবার শেষও ঠিক বলা যায় না। এ গল্পের কোন শেষ নেই।

আমি মেঘের দলে আছি, আমি ঘাসের দলে আছি


অলস সময়

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

গ্রামার অনুযায়ী নাকি শেষ করা যায় না ...


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

চলুক

_________________________________________

সেরিওজা

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

ওই মিয়া কথা কও না ক্যান??


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

সুরঞ্জনা এর ছবি

এরপর সুলাতানারে ২ হাজার টাকা দিয়া বাইর হইয়া আসলাম। এই কাজ আরো কমে হয়। তারপরেও। বাইরে দেখি ছাদ ভর্তি রোদ্রো। আর রোদ্রোর মধ্যে কয়েকটা বেগুনি রঙ্গের কুমির খেলতেসে। আমার কী।

এটুক সবচে ভাল। হাসি
............................................................................................
স্বপ্ন আমার জোনাকি
দীপ্ত প্রাণের মণিকা,
স্তব্ধ আঁধার নিশীথে
উড়িছে আলোর কণিকা।।

............................................................................................
এক পথে যারা চলিবে তাহারা
সকলেরে নিক্‌ চিনে।

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

যাক ... তোমাদের অর্ডারেই তো বানাইলাম গল্পটা হাসি


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

সবজান্তা এর ছবি

ভালোই তো লাগলো। আসুক আরো এমন কিছু।


অলমিতি বিস্তারেণ

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

হুম ... তাইলে আরেকটু প্র্যাকটিস কইরা নেই। ধন্যবাদ।


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

আপনার লেখা এজীবনে যা পড়ছি তার লগে এটা আসমান পাতাল তফাত...

গল্প বলার ভঙ্গিটা পছন্দ হইছে। আর পছন্দ হইছে রোইদের মইদ্যে বেগুনী রঙের কুমীরগুলারে... গল্পর কাহিনীটা বেশি সাদামাটা লাগলো...
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

কাহিনী কই ... মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

জি.এম.তানিম এর ছবি

চলুক
-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

ধন্যবাদ।


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

অতিথি লেখক এর ছবি

শেষ?

-সমুদ্র সন্তান

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

প্রায়


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

অতিথি লেখক এর ছবি

তাইলে ঠিক আছে।

-সমুদ্র সন্তান

বইখাতা এর ছবি

ভালোই লাগলো। চলুক

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

ধন্যবাদ


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

সৈয়দ আখতারুজ্জামান এর ছবি

ফাটাফাটি লাগলো।

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

আপনার ঔদার্য হাসি


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

অতিথি লেখক এর ছবি

যার যেমন-ই লাগুক, আমার কিন্তু ভালো লেগেছে। প্রাণবন্ত লেখা।

শাহেদ সেলিম

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

ধন্যবাদ


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

অতিথি লেখক এর ছবি

অনুশীলন জারি থাকুক। চলুক

-কুটুমবাড়ি

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

ধন্যবাদ


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

তারাপ কোয়াস এর ছবি



আমার বিলুপ্ত হৃদয়, আমার মৃত চোখ, আমার বিলীন স্বপ্ন আকাঙ্ক্ষা


love the life you live. live the life you love.

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

ধন্যবাদ


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

তুলিরেখা এর ছবি

কেমুন লাগলো বুঝবার পারি না, কাহিনি পুরানা এমনকি চরিত্রগুলাও পুরানা। গল্প শুনানির কায়দাটা কি নূতন নাকি এও পুরানা, বুঝবার পারতেসি না।
আরো শুনান, বুঝবার চেষ্টা দেই একটা। ক্লিশেগুলারে কিছু টুইস্ট দ্যান।

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

-----------------------------------------------
কোন্‌ দূর নক্ষত্রের চোখের বিস্ময়
তাহার মানুষ-চোখে ছবি দেখে
একা জেগে রয় -

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

না, নতুন কিসু নাই তো। এমনকি আমার জন্যও পুরান। আর কাহিনী থাকলেই না টুইস্ট দেয়ার জায়গা থাকে হাসি এইটাকে আমি বলি সেকেন্ড পার্সন ন্যারেটিভ। পাঠ ও মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ তুলিরেখা।


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

অতিথি লেখক এর ছবি

ভালু পাইলাম... হাসি

"চৈত্রী"

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

ধন্যবাদ


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

রোমেল চৌধুরী এর ছবি

আমার কী।

চাবুকের আঘাত যেন!
-----------------------------------
যে মাঠে ফসল নাই তাহার শিয়রে
চুপে দাঁড়ায়েছে চাঁদ — কোনো সাধ নাই তার ফসলের তরে;

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি এক গভীরভাবে অচল মানুষ
হয়তো এই নবীন শতাব্দীতে
নক্ষত্রের নিচে।

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

ধন্যবাদ


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

রাহাত এর ছবি

আপনে কোন প্রতিষ্ঠানে কন্টেক্টারি করতেন ?

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

আরে না, আমি কেন করতে যাবো? গল্পটা যে চরিত্রের ন্যারেশনে, সে করত। উত্তম পুরুষে যেকোনো বর্ণনায় এই সমস্যাটা হইতে পারে। পাঠের জন্য ধন্যবাদ।


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

আনন্দী কল্যাণ এর ছবি

গল্পের নামটা নিখুঁত। বেগুনি কুমীরের ব্যাপারটা খুবই ইন্টারেস্টিং।

আর বড় হয়ে অনিন্দ্য রহমানের মত লিখতে চাই মন খারাপ । আর কিছু বলার নাই।

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

বেগুনি কুমির আঁকতে একটা ছেলেকে আমি দেখসিলাম। তাকে আমি চিনতাম। অবস্থাপন্ন ঘরের না। প্রচলিত মানদণ্ডে 'বুদ্ধি প্রতিবন্ধী' হিসাবেই চিহ্নিত করা হবে এইরকম। কিন্তু আমি জানি তার কল্পনাশক্তি অনেক বুদ্ধিমান শিশুর চেয়েও ভালো কিংবা শক্তিশালী। যাই হোক, বিষয় না। আসলে এইরকম নরমাল মানুষদের জীবনে কোনো মোচড় থাকে না। তারা নির্মোচড়(!) প্রবহমান। গল্পলেখক প্রায়শই বিপত্তিতে পড়ে, তাদের মানডেইন গল্প লিখতে গিয়া। অতি-উদার কমেন্টের জন্য বিশেষ ধন্যবাদ।


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।