মিঁয়াও - পর্ব ২

মর্ম এর ছবি
লিখেছেন মর্ম [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২১/০৩/২০১০ - ৫:৪৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাঝে মাঝে বিপদে পড়লে খাটের তলাটা খুব কাজে দেয় এটা ঠিক। কিন্তু এমনিতে খাটের উপরটাই মিঁয়াওয়ের পছন্দ।

শুধু খাটের উপর বললে খানিকটা মিথ্যা বলা হয় অবশ্য- নিতুনের আম্মুর গোছানোর বাতিক আছে, কোথাও কোন কিছু অগোছালো দেখলেই তাঁর শান্তি মাথায় ওঠে- তো তাঁরি সৌজন্যে বিছানার এক কোনায় সবকটা বালিশ আর কাঁথা থাক খাক করে গোছানো থাকে, নিতুন না থাকলে ঐ জায়গাটাতে বসতেই মিঁয়াও ভালোবাসে। নিতুন যদি তার ...মাঝে মাঝে বিপদে পড়লে খাটের তলাটা খুব কাজে দেয় এটা ঠিক। কিন্তু এমনিতে খাটের উপরটাই মিঁয়াওয়ের পছন্দ।

শুধু খাটের উপর বললে খানিকটা মিথ্যা বলা হয় অবশ্য- নিতুনের আম্মুর গোছানোর বাতিক আছে, কোথাও কোন কিছু অগোছালো দেখলেই তাঁর শান্তি মাথায় ওঠে- তো তাঁরি সৌজন্যে বিছানার এক কোনায় সবকটা বালিশ আর কাঁথা থাক খাক করে গোছানো থাকে, নিতুন না থাকলে ঐ জায়গাটাতে বসতেই মিঁয়াও ভালোবাসে। নিতুন যদি তার খেলনাগুলো (একটা বেড়ালও আছে ওর, আজব বেড়াল- ডাকাডাকি করে, মিঁয়াও আলাপ করার চেষ্টা করেছে,
সাড়াই দেয়না; সুযোগ পেলে ওকে বলে দিতে হবে- অত দেমাগ ভালো না! ) নিয়ে বিছানায় ওঠে তখন জায়গাটা না ছেড়ে উপায় থাকেনা - এ জায়গাটাই ওরও পছন্দ!

নিতুনের জন্য জায়গা ছাড়তে হলে মিঁয়াও চলে আসে জানালার কোণটায়, ফ্রেমটা একটু বাড়ানো- এখানে বসলে বাইরেটা দেখা যায়, আবার বাতাসও আসে। এখানে বসেছে আর না ঘুমিয়ে উঠে গেছে এমন ঘটনা মিঁয়াও-এর জীবনে বেশী হয়নি।

জানালায় এলেই একবারের ঘটনা মনে না করে উপায় নেই, আর মনে পড়লে লজ্জায় গুটিয়ে যেতে হয়। মিঁয়াও এতদিনে ভুলেই যেতো হয়তো, কিন্তু নিতুনের আম্মু তা হতে দিলে তো!

দিন নাই রাত নাই, ঘরের পরের বোঝা নাই, যার তার সামনে ঐ ঘটনা তুলে উপদেশ দেয়া শুরু করে। আর মিঁয়াও মরমে মরে।

ও ভেবেই পায়না এতো বুদ্ধি ধরে যে মানুষটা, এক মাছকেই কতরকম করে রান্না করতে পারে, সে এতো বেকুব কিভাবে হয়?! কিভাবে ঘরের একজনের গোপন কথা অন্যদের বলে দেয়? মাঝে মাঝে মনে হয় চলেই যায় সব ছেড়ে, ঘুম চলে এসে সব গুবলেট করে দেয়!

সেদিন মিঁয়াও একটু বেরিয়েছিলো বাসা থেকে। কাছেই। ছোট্ট একটা ডোবা আছে - ছোট ছোট মাছ ওতে দিব্যি লাফঝাঁপ করে। ওদের এমনিতে ধরা যায়না - তবে কপাল ভালো থাকলে কোন কোনটা একদম মাটির কাছে চলে আসে, তৈরী থাকলে থাবা বলতে গেলে না ভিজিয়েই খপ করে ধরে ফেলা যায়।

বড় একটা চকচকে মাছ সেদিন মিঁয়াও-কে উতলা করে দিয়েছিলো, কিভাবে কিভাবে যেনো ওটা পানি ছেড়ে মাটিতে চলে এলো! ছটফট করছিলো। মিঁয়াও তো তৈরীই- এ সুযোগ ছাড়বে কেনো, লেজ উঁচিয়ে এক লাফে পৌঁছে গেলো ওটার কাছে, ওমা ওখানে মাটি অত নরম তা কে জানতো?!

ওঠতে ওঠতে পড়ে, ম্যাও ম্যাও করে আবার ওঠে, এই করতে করতে যখন শেষ পর্যন্ত ঐ আযাবখানা থেকে ওঠে এলো তখন আর নিজের দিকে তাকানোর সাহস পর্যন্ত করেনি সে।

বিরাট সময় জুড়ে শরীর পরিস্কার করেছে, জিহ্বা ব্যথা হয়ে গেছে একদম। একলাফে জানালা দিয়ে আবার যখন বাসায় ঢুকছে তখন তার চিন্তা গেছে- সাদা শরীর তখন একটু কালচে; তাতে কি আর আসে যায়? মিঁয়াও অন্ততঃ তেমনি ভেবেছিলো।

ভেতরে এসে বিছানায় বালিশগুলোর উপরে শুয়েছে কি শোয়নি অমনি নিতুনের আম্মুর চিল চিত্‍কার শোনা গেলো- "আয় হায় হায় সব্বনাশ করে দিলো! কালই ধুয়েছি মাত্র! ধর্ ওটাকে ধর্!"

মিঁয়াও তখনো বোঝেনি কার কথা বলা হচ্ছে, ও ঘাড় কাত করে কানটা খাড়া করে মনে মনে খুঁজছিলো যার কথা বলা হচ্ছিলো তাকে। ততক্ষণে নিতুনের মা কাছে চলে এসেছে একদম।

বাম হাতে ঝট করে ঘাড়ের কাছের চামড়া ধরে ঝুলিয়ে বাথরুমের দিকে রওয়ানা করার আগে ও বুঝতেই পারেনি ওর কথাই তখন বলা হচ্ছিলো ওভাবে।

পরে অবশ্য বুঝেছে, অনেক মূল্য দিয়ে। সেদিন ডেটল দিয়ে, সাবান দিয়ে, আরো একটা পিচ্ছিল জিনিস- হ্যাঁ, শ্যাম্পু দিয়ে বাথটাবের পানিতে চুবিয়ে, পুরো শরীর আচ্ছামতো রগড়ে ওকে নাজেহাল করে ছেড়েছে নিতুনের আম্মু; ভাবলে শরীরের রোমগুলো কাঁটা কাঁটা হয়ে যায় এখনো!

সেই থেকে মিঁয়াওকে জানালায় বসতে দেখলেই নিতুনের আম্মু বলবে, আবার যদি বাইরে গেছিস তোর আর ঘরে জায়গা নাই! এরপর যে-ই থাক সামনে বলতে শুরু করবে, "আরে জানোনা তো, আমাদের বেড়ালটা না, ড্রেইনে পড়ে ..আরে যা তা অবস্থা !"

এত কথা বলে মানুষ, তাও কোন কারণ ছাড়া, মিঁয়াও অবাক না হয়ে পারে না !


মন্তব্য

নাশতারান এর ছবি

(একটা বেড়ালও আছে ওর, আজব বেড়াল- ডাকাডাকি করে, মিঁয়াও আলাপ করার চেষ্টা করেছে,
সাড়াই দেয়না; সুযোগ পেলে ওকে বলে দিতে হবে- অত দেমাগ ভালো না! )

হো হো হো

অনেক মজার হয়েছে। আহারে বেড়ালটা !

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

অতিথি লেখক এর ছবি

বেচারা মিঁয়াও!
ও কেমন করে জানবে আজকাল বাজারে বানানো বেড়ালও পাওয়া যায়?!
মহারথী কি সাধে বলেছিলেন,
"জানার কোন শেষ নাই,
জানার চেষ্টা বৃথা তাই?!"

মর্ম

অতিথি লেখক এর ছবি

আমার মিয়াঁও - এরও এই অভ্যাস ছিল, কাদা মাখামাখি, এদিকে সোফার উপর উঠে বসে আছে, দেখলেই এক বালতি পানি ঢেলে দিতাম দেঁতো হাসি (আগে সোফা থেকে নামিয়ে নিতাম অবশ্যই)

------------------------
শান্ত নদী

অতিথি লেখক এর ছবি

শান্ত নদীর মিঁয়াও যে কাদা মাখামাখি করবে এ আর আশ্চর্য কি!

ও যে কাদা মেখে নদীতে সাঁতরাতে ছোটেনি সেই ভাগ্যি!

আপনার মিঁয়াওয়ের গল্প বললে শুনতে ভালোই লাগবে, বলবেন নাকি আমাদের?

মর্ম

অতিথি লেখক এর ছবি

অনেক গল্প আছে, আজ একটা বলি।

একটা মিঁয়াও (হুলো) আকারে অনেক বড়ো, রঙ ছিল পুরোটাই হলুদ, শুধু গলায় কলারের মতো একটা সাদা দাগ। একদিন মিঁয়াও গেটের কাছে শুয়ে আছে, মিটার-রিডার মিটার চেক করতে এসে বলে, আপনাদের কুকুরটাকে একটু সরান না, প্লিজ দেঁতো হাসি

------------------------------------
শান্ত নদী

অতিথি লেখক এর ছবি

উনি তাহলে ম্যাও গোত্রীয় ছিলেন!

বড় করে জমিয়ে লেখেন,
এটুক খেলে তৃপ্তি আসে?!

বাতাস বোধ করি মিঁয়াও সম্প্রদায়ের দিকেই!

মর্ম

ফারাবী [অতিথি] এর ছবি

মিয়াও- এর ভক্ত বানিয়ে ছাড়লেন দেখছি! জবর হয়েছে, আগেরটার থেকেও দ্বিগুন মজার। সিরিজ চলবেই চলবে! তবে হ্যাঁ, মিয়াও এর স্বকীয়তাটা বজায় রাখা চাই, নইলে কুচুটে বলতে পারে মিয়াও গারফিল্ড এর বাংলা সংস্করণ। এবং সেটা আমাদের মোটেই ভাল লাগবে না। হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

যাই বলেন, গারফিল্ডের ন্যাজ আর ঢুলুঢুলু চোখ দেখলে ফিদা (মকবুল ফিদা না, দিওয়ানা ফিদা) হয়ে যেতে হয়!

না, আমাদের মিঁয়াও অমন কুমড়াপটাশ হবেনা হবেনা হবেনা।

না জয়যুক্ত হোক।
না জয়যুক্ত হোক।
না জয়যুক্ত হোক।

মর্ম

তিথীডোর এর ছবি

একটি (বেড়াল) ভক্তগোষ্ঠি তৈরী হইতেছে দেখিতেছি... হো হো হো

মিঁয়াও এবং মর্মের মজারু কীর্তি চলতে থাকুক!!

--------------------------------------------------
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

অতিথি লেখক এর ছবি

ভক্তগোষ্ঠী শুনিলেই বিনা কারণেই জাহাঙ্গির গেটের সম্মুখ দিয়া হন্টনরত ময়লাবাবা আর তাহার শীষ্যগণের শোভাযাত্রার দৃশ্য আখিঁসম্মুখে দৃশ্যমান হয়! বড়ই মনোহর এবং চিত্তাকর্ষক!

যাহা হউক, লেখা পাঠকের পছন্দ হইলেই উহা সার্থক। আপনাদিগকে ধণ্যবাদ।

কোণমন্তব্য: কৃষ্ণবর্ণীয় মার্জারচিত্র ব্যবহারের অর্থখানা কি জানিতে পারিয়াছেন? আমি এ অবধি পারিয়া উঠি নাই।

মর্ম

তিথীডোর এর ছবি

আম্মো না... মন খারাপ

ইয়ে ভায়া,
>জাহাঙ্গীর
>শিষ্য
এট্টু খেয়াল করে....
ঠিকাছে? হাসি

--------------------------------------------------
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

অতিথি লেখক এর ছবি

চোখের মাথা খেয়েছি।
বানান ভুল চোখে না লাগাটা চরম হতাশার এবং লজ্জার।
মেজাজও খারাপ হচ্ছে।
ভুল ধরিয়ে দেয়ায় কৃতজ্ঞতা।

মর্ম

তিথীডোর এর ছবি

খেপচুরিয়াস হবার কিস্যু নেই তো,
ভুল হতেই পারে... "ম্যান ইজ মরটাল" চোখ টিপি

হ্যাপি ব্লগিং.. হাসি

--------------------------------------------------
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

শরতশিশির এর ছবি

এত্ত কিউট মিয়াওটা! হাসি

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমি দেখতে চাই না বন্ধু তুমি
কতখানি হিন্দু আর কতখানি মুসলমান
আমি দেখতে চাই তুমি কতখানি মানুষ।

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
আমি দেখতে চাই না বন্ধু তুমি
কতখানি হিন্দু আর কতখানি মুসলমান
আমি দেখতে চাই তুমি কতখানি মানুষ।

অতিথি লেখক এর ছবি

অতি আদরের কিনা!

মর্ম

টিউলিপ এর ছবি

এমনিতে আমি বিড়ালভক্ত না, কিন্তু মিঁয়াওকে ভালো লাগছে। চলুক।
___________________

রাতের বাসা হয় নি বাঁধা দিনের কাজে ত্রুটি
বিনা কাজের সেবার মাঝে পাই নে আমি ছুটি

___________________

রাতের বাসা হয় নি বাঁধা দিনের কাজে ত্রুটি
বিনা কাজের সেবার মাঝে পাই নে আমি ছুটি

অতিথি লেখক এর ছবি

বেড়াল যদি হয় বেড়ালের মত তাকে পছন্দ না করে উপায় আছে?!

আমাদের বাসার সবকটা বেড়াল ছিলো প্রথম দেখায় প্রেমে পড়ার মতো!

মর্ম

নাশতারান এর ছবি

মর্ম, আগের পর্বের লিঙ্ক দিয়ে দেবেন মনে করে। নতুন পাঠকদের সুবিধে হবে মিঁয়াওয়ের লেজ ধরতে।

প্রথম পর্ব

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

অতিথি লেখক এর ছবি

লেজ ধরিয়ে দেয়ায় আপনার চেষ্টাটুকু মিঁয়াও নিশ্চয়ই মনে রাখবে। জানেন নিশ্চয় এ কাজটি মিঁয়াওদের অতি পছন্দের খেলা।

এবার আসল কথা বলি।

আপনারা এগুলো কিভাবে কি করেন তা এখনো জানিনা।
এতো সময়ও পাই না যে ওগুলো খুঁজে বের করি।

আমার কি আর সাধ হয়না হাততালি দিতে কি গড়াগড়ি দিয়ে হাসতে কি চোখ টিপি দিতে?!

কি করি? সাধ্য নাই। তাই শব্দই সম্বল!

মর্ম

নাশতারান এর ছবি

এদিক ওদিক চোখ মেলে দেখলেই খুঁজে পাবেন। এখানে দেখুন।

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

অতিথি লেখক এর ছবি

বুনো (নাকি বুনু বলবো? খুব সম্ভবত ময়মনসিংহের কোথাও বোনদের তাই বলে ),

ধইন্যাপাতা দেয়ার ইচ্ছা ছিলো-
পারলাম না।
আম্মু বাজারে যেতে বলেছিলো, যাই নাই, তাই আনাও হয় নাই!

লিংক দেয়াটা শিখে নিলাম।
হাসাহাসি শিখতে একটু সময় লাগবে মনে হচ্ছে! মুঠোফোনে লেখালেখির অনেক ঝকমারি! এ সম্পর্কিত লিংক পেলে মন্দ হতোনা।

মর্ম

নাশতারান এর ছবি

ভাইরে, যেই লিঙ্ক দিলাম সেখানে হাসাহাসির লিস্টিও কিন্তু আছে। একটু ঘুরে ফিরে না দেখলে চলবে?

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

অতিথি লেখক এর ছবি

লিস্টির বহর দেইখা ডরাইছি! এই জন্যেই তো বললাম সময় লাগবে।

কম্পু ছাড়া অমন হাসাহাসি করতে চাইলে আঙগুল কান্নাকাটি শুরু করবে!

শেখার আছে অনেক কিছু, তা মানছি।

হাসি

মর্ম

লাবণ্য [অতিথি] এর ছবি

আহ্‌! বড়ই সুন্দর মিঁয়াও-ময় আপনার লিখা। আমাদের একটা আদরের বিড়াল ছিল। জন্ম থেকে শেষ দিন অবধি, ১৪ বছর বেচে ছিল। আপনার প্রতিটি বর্ণনায় আমি সেটাকেই দেখতে পাচ্ছি।

অতিথি লেখক এর ছবি

কষ্টের কথা মনে করিয়ে দিলেন।

বাসার বেড়ালের চার প্রজন্ম খুব কাছ থেকে দেখা। মাত্র জন্ম নেয়া ছানাকে যেমন মা এসে দেখিয়ে নিয়ে গেছে, তেমনি হুলোর মুখ থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা বেড়ালছানার মৃত্যুকষ্ট দেখে বাসাশুদ্ধ সবাই কেঁদেছি।

এখনো কোথাও লাল-সাদা ছোপলাগা ফুলকো ল্যাজের বেড়াল দেখলে উদাস না হয়ে পারিনা।

মর্ম

স্নিগ্ধা এর ছবি

এ পর্বটাও ভালো লাগলো! মিঁয়াও কাহিনী আরও চলবে মনে হচ্ছে?

অতিথি লেখক এর ছবি

যদি বলেন তো চলবে..।
যদি চান তো থামবে..।

মর্ম

বাউলিয়ানা এর ছবি

আমারতো ভাল লাগছে।

চালিয়ে যান।

অতিথি লেখক এর ছবি

কর্তার ইচ্ছায় কর্ম!

মর্ম

রাহিন হায়দার এর ছবি

ভালো লেগেছে। আরো আসুক।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

অতিথি লেখক এর ছবি

ভেলো লেগেছে শুনলে আনন্দটা দুই মাত্রার হয়।

১তৃপ্তি আসে
২ স্বস্তি পাওয়া যায়

আরো লেখায় অনুপ্রাণিত হচ্ছি!
ধণ্যবাদ।

মর্ম

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

চো চুইট! চলুক... দেঁতো হাসি

-----------------------------------------------------------------------------------
আমি সব দেবতারে ছেড়ে আমার প্রাণের কাছে চলে আসি, বলি আমি এই হৃদয়েরে; সে কেন জলের মতন ঘুরে ঘুরে একা কথা কয়!

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

অতিথি লেখক এর ছবি

যে আজ্ঞে!

হাসি

মর্ম

অতিথি লেখক এর ছবি

বাদ্ !

বইখাতা এর ছবি

মিঁয়াও এর কাজ-কারবার, চিন্তা-ভাবনা (!) নিয়ে আরো অনেক পর্ব আসুক। সাগ্রহে অপেক্ষা করছি। হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

দ.নী.টা.

অতিথি লেখক এর ছবি

মিঁয়াও আবারও আসুক এ আমারো চাওয়া, দেখা যাক কি হয়!

চিন্তা ভাবনা- হ্যাঁ, তা নিয়ে আসতে পারলে ভালো লাগবে।

শুভেচ্ছা।

মর্ম

জি.এম.তানিম এর ছবি

আমি প্রথমে ভেবেছিলাম এ বুঝি আপনার বেড়ালছানা ছড়ার সিকুয়েল। বুনোর লিংক থেকে ভুল বুঝতে পারলাম নিজের, তখন প্রথম লেখাটা পড়ে আসলাম। বেশ ভালো লাগছে মিঁয়াও এর কাহিনী। আরও আসুক চলুক

ম্যাঁও ম্যাঁও
( অফ টপিক: এই ইমোটিকনের উৎসের কাহিনী আমারও জানা নেই, পোস্টের সাথে যায় বলে মনে হয় আমার, তাই দেই...)
-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

অতিথি লেখক এর ছবি

পিটপিটে চোখা কৃষ্ণ-মার্জারটিকে পছন্দই হয়েছে। মানে জানি আর না জানি থাকুক না সাথেই, ক্ষতি কি?!

বেড়ালছানা আসলে এখানে এসেছিলো 'ফিলার' হিসাবে, মিঁয়াও-কে মনে করিয়ে দেয়ার জন্য!

আর ও জন্মের পর এমনিতে আমার মুঠোফোন থেকে বার্তার বেশ ধরে এখানে সেখানে গেছে গেলো পাঁচ বছরের ধারাবাহিকতা রক্ষার মাধ্যম হয়ে, তবে জনসম্মুখে এখানেই প্রথম।

মর্ম

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।