সমান্তরাল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/০৩/২০১১ - ১২:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিকাল প্রায় পৌনে পাঁচটা। স্কুল আরও পনের মিনিট আগে ছুটি হয়ে গেছে। অর্ঘ্য আজ মহাখুশি। মহানন্দে পা নাচাতে নাচাতে এগুচ্ছে স্কুলের গেটের প্রাচীর ঘেঁষে অসাড় পড়ে থাকা ফুটপাথ ধরে। আজ আম্মু কিংবা আব্বু আসেননি গাড়ী নিয়ে তাকে নিয়ে যেতে। যদিও বাসা স্কুল থেকে বেশি দূরে নয়, হেঁটে মাত্র পনের থেকে বিশ মিনিটের পথ। আব্বু সাধারণত আসেননা,অফিসে থাকেন বলে। আম্মুই আসেন। আর আম্মু ব্যস্ত থাকলে কাদের চাচা, অর্ঘ্যদের গাড়ির ড্রাইভার।

তবে আজকের ব্যাপারটা ভিন্ন। কাদের চাচা ছুটিতে বাড়ী গেছেন। নানু হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় আম্মু দেখতে গিয়েছিলেন নানুর বাসা উত্তরায়, নিজেই গাড়ী ড্রাইভ করে। সেখান থেকে অর্ঘ্যকে নেবার জন্যে রওনা দিয়েছেন বেলা তিনটায় মোহাম্মদপুর কলেজগেটের উদ্দেশ্যে। কিন্তু এখনও আটকে আছেন কাকলীর জ্যামে। এদিকে আব্বুও অফিস থেকে বের হতে পারেননি। আম্মু হেডম্যাডামকে ফোন করেছিলেন স্কুল ছুটির আগমুহূর্তে। অর্ঘ্য আম্মুকে একেবারে টেনশন করতে মানা করে দিলো। কোনো সমস্যা হবেনা। সে তো এর আগেও একা একা হেঁটে হেঁটে স্কুল থেকে দুইদিন বাসায় গিয়েছে। ম্যাডাম অবশ্য সাথে স্কুলের এক গার্ডকে সাথে দিতে চাইলেন। কিন্তু অর্ঘ্য রাজী হলোনা।রাস্তায় একা একা যাওয়ার মজাটাই নষ্ট হয়ে যাবে তাহলে। ম্যাডামকে অবশ্য সেকথা বললোনা। বললো যে, দরকার নেই। সে পারবে। আম্মুকে ফোনে বোঝালো সে কি আর আগের মতো সেই ছোট্ট আছে নাকি? সে এখন ক্লাস টু-তে পড়ে। এই বয়সেও এতটুকু না পারাটাই বরং চিন্তার বিষয়।

কলেজ গেটের পাশ দিয়ে যে রাস্তা চলে গেছে তা দিনের অন্যান্য সময় প্রায় ফাঁকা থাকলেও সকালে আর বিকালের এই সময়টাতে একটু ব্যস্ত থাকে রিকশা-গাড়ীর ভিড়ে। কেননা কাছাকাছি আরও প্রায় চার-পাঁচটা স্কুল আছে। ডে-শিফটের ছুটি সবগুলোরই প্রায় একসাথে হয়। অর্ঘ্যের বন্ধুদের এবং অন্যান্য স্কুলের তার বয়সী প্রায় সবারই বাবা অথবা মা-রা গাড়ী নিয়ে আসেন ছুটির সময়। যাদের গাড়ী নেই, তারা আসেন রিকশায়। এর জন্যেই এই সময় জ্যাম লেগে যায় রাস্তাটিতে। অর্ঘ্য সেটা দেখতে দেখতে সামনে হাঁটতে থাকে। রাস্তার পাশে এইদিকে তেমন দোকান কিংবা হকারের আধিক্য নেই। কিছুদূরে একটা নার্সারীর দোকান। সেখানে অনেকগুলো নাম না জানা ফুলের গাছের চারা থরে থরে টবে সাজানো। অর্ঘ্য প্রতিদিনই স্কুলে আসা-যাওয়ার পথে দেখে। আম্মুকে একদিন জিজ্ঞাসাও করেছে ওগুলো কী ফুলের গাছ? আম্মুও সবগুলোকে চিনতে পারেননা। বলেন কী জানি? অর্ঘ্য অবাক হয়ে আম্মুর দিকে তাকায়। একি! আম্মু, তুমিও জানোনা? তার ঠিক বিশ্বাস হয়না। তার অনেকদিনের দৃঢ় ধারনা, আব্বু-আম্মু জানেন না এমন কিছু বোধহয় এই পৃথিবীতে নেই। এবং সেদিনই তার এই ধারনা প্রথম ভেঙ্গে যায়। এবং পরে আস্তে আস্তে সে আরও আবিষ্কার করে আম্মু আসলে অনেক কিছুই জানেন না। যেমন, ক্রিকেট কিংবা ফুটবল খেলা, কম্পিউটারে গেম খেলা, টিভিতে রিমোর্টের ফাংশন, সৌরজগতের নতুন গ্রহের নাম কী কী , নষ্ট ফিউজের সুইচ কীভাবে ঠিক করতে হয় ইত্যাদি ইত্যাদি।

অর্ঘ্য ভাবলো আজ জিজ্ঞাসা করে জেনে নিবে নাকি গাছগুলোর নাম, দোকানীর কাছে থেকে। কিন্তু সাহস হলোনা। আম্মুর একেবারে কঠোর মানা, রাস্তায় অপরিচিত কোনো লোকের সাথে কথা বলা যাবেনা। তাই সে থামলোনা। সামনে একটা নতুন বিল্ডিং উঠছে। রাস্তার পাশে এইখানে সেজন্যে একটা বালি আর একটা ইটের ঢিবি বানিয়ে রেখেছে। সে বরাবর ঠিক উল্টোপাশে একটা বিচ্ছিরি ডাস্টবিন, নোংরা আবর্জনায় ভরা। ময়লা জিনিসপত্র যে কেন এভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখে মানুষ তাই ভেবে পায়না অর্ঘ্য। অদূরেই কিছু দোকান আছে। মানুষগুলো প্রতিদিন এটা সহ্য করে থাকে কীভাবে? একটা আবার ছোটখাটো খাবার হোটেলও আছে সেখানে। আস্তে আস্তে গড়ে ওঠা সেই নতুন বিল্ডিং এর দিকে কোনোমতে নাক চেপে দ্রুত এগিয়ে গেলো অর্ঘ্য। উপরেরদিকে তাকালো। নাহ্‌, প্রথম দিনের মতো সেই সাদা আতশবাজি নেই। তার প্রথমদিনের কথা মনে পড়ে গেলো, যেদিন সে প্রথম একা একা হেঁটে বাসায় গিয়েছিলো স্কুল থেকে। বেশিদিন আগের নয়, এইতো মাত্র দুই কি তিন সপ্তাহ আগের ঘটনা।

সেটা ছিলো আম্মুর সামনে তার সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। তাকে প্রমাণ করতে হবে যে একা একা সে স্কুল থেকে বাসায় ফিরতে পারে। কেউ ছিলোনা সাথে ঐদিন স্কুল থেকে বের হওয়ার সময়। প্রথম প্রথম একটু ভয়ভয় করছিলো। সবকিছু চিরচেনা হলেও সেদিনই কেমন যেন অপরিচিত ঠেকছিলো। আশপাশের দোকানপাট এবং রাস্তাজুড়ে এত গাড়ী একসাথে সরাসরি দেখে ধাঁধায় পড়ে গিয়েছিলো প্রায়। অচেনা মানুষের সাথে পাশাপাশি কীভাবে হাঁটবে আর কীভাবে রাস্তা পার হবে এই ভাবনায় শরীরের সব ঘাম দরদর করে ছুটছিলো। এর আগে তো এভাবে দেখার সু্যোগ হয়নি তার, সবসময়ই গাড়ীর কাঁচের ভেতরে থেকে দেখেছে। খুব সাবধানে পা ফেলতে ফেলতে ভাবছিলো, এই আলগা ফাঁপর না নিলেও চলত আম্মুর সাথে। মাঝখান থেকে গাড়ীর চাকা অথবা ছেলেধরার হাতে জান না খোয়ালেই হয়। নতুন বিল্ডিং এর জায়গায় এসে ক্ষুধাও পেয়ে গেলো হঠাৎ সেই চিন্তায়। ব্যাগ থেকে টিফিন বক্সে রাখা স্যান্ডুইচের অবশিষ্টাংশ আর ফ্রুটোর বোতল বের করলো।

খেতে যাবে এমন সময় আচমকা উপর থেকে কেমনজানি ঝাঁঝালো শব্দে চমকে উঠলো সে। উপরে তাকিয়ে দেখে চার তলায় এক শ্রমিক বাঁশে ঝুলতে ঝুলতে আতশবাজি করছে কেনোজানি। এরকম আতশবাজি সে আগে দেখেনি নিজচোখে। যা দেখেছে টিভিতে এর আগে সেগুলো ছিলো বিভিন্ন উৎসবে যেমন নিউ ইয়ারে। কিন্তু এরকম চোখ ধাঁধানো নীলচে সাদা রঙ এর আতশবাজি দেখেনি। এটা কীসের ঠিক বুঝতে পারলোনা। কাজে ফাঁকি দিয়ে লুকিয়ে এমনটি করছে কিনা তাও সে ধরতে পারলোনা। তবে সেদিকে বেশিক্ষণ তাকানো যায়না। চোখে অন্ধকার লাগে চারিদিক সেই আলোর ছটায়। সেই অবস্থায় হাঁটতে গিয়েই কীসের সাথে পায়ে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলো হঠাৎ অর্ঘ্য। চোখে তখনও আলোর ধাঁধা লেগে আছে। পড়ার সময় মাটিতে একটা ভাঙ্গা ইটের টুকরায় লেগে নাক ফুলে গেলো সাথেসাথে। তাছাড়া গায়ে ধূলাবালি লেগে গেছে। আর হাতের স্যান্ডুইচ ও ফ্রুটোর বোতল সামনে ছিটকে পড়েছে মাটিতে। অর্ঘ্য তাড়াতাড়ি উঠে গা-ঝাড়তে লাগলো কেউ দেখেনি এমন ভাব করে। আশপাশে তাকালো উদ্বিগ্ন দৃষ্টিতে কেউ দেখে ফেললো কিনা এই শংকায়। চোখের সামনে তখনও কালো কালো কীজানি ছুটে বেড়াচ্ছে অস্পষ্ট।

তবে সেদিন সে সবচেয়ে বড় হোঁচট খেয়েছিলো বাসায় ফিরে। যখন শুনলো তার পুরো রাস্তায় আম্মু তাকে ফলো করেছিলেন শুরু থেকে। গাড়ী সাথে থাকলে দেখা হয়ে যেতে পারে এইজন্যে তিনি গাড়ী নেননি। রিকশায় করে পিছুপিছু এসেছেন। শুনে প্রথমে খুব রাগান্বিত হলেও পরে অর্ঘ্য খুশিই হয়েছিলো। এইজন্যেই আম্মুকে সে খুব ভালোবাসে, মনে হয় আব্বুর চাইতেও একটু বেশি। এর পরের যেদিন সে আবার একা আসে সেদিন আর ভয় লাগেনি, আম্মু ফলো না করলেও। বরং রাস্তায় একা হাঁটার ব্যাপারটা তার কাছে এখন এডভেঞ্চার আর ইন্টারেস্টিং লাগে। সেদিনের ঐ আতশবাজির ব্যাখাও সে জেনেছে পরে আম্মুর কাছে। এসব ভাবতে ভাবতে আজও সেই জায়গা পার হয়ে ঠিকঠাক মতোই বাসায় পৌঁছে গেলো অর্ঘ্য।

কাকতালীয়ভাবে আজও দুইজনের নজরে পড়ে যায় সে। দুইজনেরই চোখ ধ্বক করে জ্বলে ওঠে তাকে দেখে। হয়ত অপেক্ষা করতে থাকে তার সরে যাবার। এবং পিঠ সটান করে উঠে দৌড়ের জন্যে প্রস্তুত হয়ে যায় তৎক্ষণাৎ। ঠিক প্রথম দিনের মতো। কিন্তু একটু পরেই জহির আবার তাঁবুর ধারে ঠেস দিয়ে বসে পড়ে। সে বুঝতে পারে আজ কিছু মিলবেনা। কিন্তু নেড়ি কুকুরটা ঠিকই দৌড় দেয়, অর্ঘ্য সেখান থেকে সরে যেতে না যেতে। সেই বালির ঢিবির কাছে। সে আজ হারতে রাজি নয় জহিরের কাছে। প্রথমদিন ঠিকমত দৌড় দিলেও খাবার বাগাতে পারেনি। শুধু বালিতে শুষে যাওয়া হলদে তরলের স্বাদ নিয়েই ক্ষান্ত থাকতে হয়েছিলো। কিন্তু যেয়ে দেখে আজও কিছু নেই। কিছুক্ষণ মাটি শুঁকে শুঁকে দেখে ইতস্তত। কিছুই না পেয়ে ফেরত আসে তারপর রাস্তার এপাশে জহিরের ছেঁড়া চটের তাঁবুর পাশে। ভিতরে জহিরের পঙ্গু অথর্ব ভিখারী মা পরম শান্তিতে ঘুমাচ্ছে এই বিকালবেলায়। জহিরের দিকে তাকিয়ে কিছুক্ষণ লেজ নাড়িয়ে চলে যায় পাশের সেই ডাস্টবিনের ময়লার ধারে আবার। অর্ঘ্য খেয়াল করেনা কুকুর কিংবা জহির কাউকেই, যথারীতি প্রথম দিনের মতো।

-অতীত


মন্তব্য

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

বাহ! চলুক চলুক

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

অতিথি লেখক এর ছবি

এরপরে আবার অর্ঘ্যের একা যাওয়ার সুযোগ কবে হবে কে জানে দেঁতো হাসি

-অতীত

অতিথি লেখক এর ছবি

এর পরে আবার অর্ঘ্যের একা যাওয়ার সুযোগ কবে হয় কেজানে? দেঁতো হাসি

-অতীত

অতিথি লেখক এর ছবি

চলুক 'সমান্তরাল গল্প' কিছু লেখার প্ল্যান আমারও ছিল, আগেই আপনি লেইখা ফেললেন মিঞা মন খারাপ
ঘরের বড় ছেলে বলে ছোটবেলায় আমাকেও অনেক গার্ড দিয়ে রাখা হতো। আমি স্কুল থেকে প্রথম একা একা বাসায় আসি ক্লাস সেভেনে থাকতে দেঁতো হাসি

ধৈবত

অতিথি লেখক এর ছবি

আপনি লিখলে তো আর আমারটার আর কোনো চান্স থাকবনা মন খারাপ তাই আগেই মাইরা দিছি দেঁতো হাসি

আপনার ক্লাস সেভেনে বয়স কত ছিলো আর গার্ড কে কে ছিলো চিন্তা করিতেছি চিন্তিত

তা আপনি সচলে এবং সচল ছাড়া প্রায়ই নিরুদ্দেশ ক্যান? বদনবহি তে অনেকদিন ধরে দেখা যাচ্ছেনা।কোনো জ্ঞানগর্ভ গবেষণা নিয়ে মত্ত আছেন নাকি?

-অতীত

অতিথি লেখক এর ছবি

ভাই, খোমাকিতাব এবং এই সমস্ত সামাজিক মুলাকাত একটি গলদ ধারণা, তাই এইসব মাকরুহ আমল হইতে বহু আগেই ইস্তফা দিয়াছি।

ভাই বড়ই পেরেশানীর মধ্য দিয়া দিন গুজরান করিতেছি। থিসিস লইয়া বেশখ হুজ্জতির মধ্যে রহিয়াছি। আল্লাহর কি খুশ-খায়াল, আমার থিসিস পার্টনার পড়িয়াছেন একজন ভীষন আমলদার এবং মুমিন হুজুর। এনজেনিয়ারিং এলেমের ব্যাপারে উনার দেদার তাগিদ। উনার ঢাগেপাশে উপস্থিত হইলেই সকল নফস এর কায়কারবার হইতে ইস্তফা দিয়া ইলমের বিষয়াদিতে মনোযোগ দিতে হয়, হেকমতের বিষয়বস্তু লইয়া গুফতাগু করিতে হয়। তাই একটু মেহনতির মধ্য দিয়া দিনাতিপাত হইতেছে।

ধৈবত

আনন্দী কল্যাণ এর ছবি

ভাবনাটা চমৎকার।

অতিথি লেখক এর ছবি

(গুড়)

-অতীত

নীড় সন্ধানী এর ছবি

দ্বিতীয় পর্বে এসে বড়সড় একটা ধাক্কাই খেলাম। ভালো লিখেছেন। হাসি

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

অতিথি লেখক এর ছবি

খাইছে!!! কার লগে? মুখোমুখি না পাশাপাশি? দেঁতো হাসি

যাইহোক, (গুড়)

-অতীত

অতিথি লেখক এর ছবি

(গুড়)

-অতীত

কৌস্তুভ এর ছবি

বেশ হয়েছে গল্পটা। আপনার বর্ণনা বেশ সুন্দর।

অতিথি লেখক এর ছবি

(গুড়)

-অতীত

অতিথি লেখক এর ছবি

মন্তব্য করতে গেলে উইন্ডো কেমনজানি চরকি খাইতেছে। বুঝতে পারতেছিনা। হয়নাই মনে করে দুইবার দেয়াতে কিছু মন্তব্য একাধিকবার চলে আসছে।

-অতীত

অতিথি লেখক এর ছবি

বাহ! বেশ জমে উঠেছে। আরো লেখা আসুক।
সমান্তরালে সমান্তরাল চলুক

______________________________
হামিদা রহমান

মুস্তাফিজ এর ছবি

গল্পটা ভালো লেগেছে

...........................
Every Picture Tells a Story

অতিথি লেখক এর ছবি

(গুড়)

-অতীত

রোমেল চৌধুরী এর ছবি

লেখক অসাধারণ মুনশিয়ানায় গল্পটার শুরুতেই অর্ঘ্যকে ঘিরে পাঠকের মনে যে টানটান উত্তেজনার সৃষ্টি করলেন তা বিচারে মুগ্ধ হই। পুরোটা পর্ব জুড়ে এই উত্তেজনা। দ্বিতীয় পর্বে এসে ভাবনার ব্রেক কষে এমন একটা জায়গায় এসে থামতে হবে যেখানে লেখক নির্মোহভাবে আমাদের বিবেকের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন, ভাবতেই পারিনি। দ্বিতীয় পর্বটি আরেক্টু সুবিন্যস্ত হতে পারতো হয়তো। এ নেহাত অর্বাচীন মন্তব্য, গল্প লিখার কায়দা-কানুন তেমন জানি না আমি।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি এক গভীরভাবে অচল মানুষ
হয়তো এই নবীন শতাব্দীতে
নক্ষত্রের নিচে।

অতিথি লেখক এর ছবি

রোমেল ভাই, অসংখ্য ধন্যবাদ এমন চমৎকার মন্তব্যের জন্যে। আপনার মত অসাধারণ লেখকদের কথায় অনেক প্রেরণা পাই।

-অতীত

অতিথি লেখক এর ছবি

বেশ ভালো লাগলো... চলুক

-- নুশান

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।