সামনের অথবা পেছনের গল্পবৃত্তান্ত-২

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২১/০৫/২০১২ - ৮:০২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

৩.

ইতিহাসের খুব সুবিধে, একবার কোনরকম চলা শুরু করতে পারলেই হয় তারপর শুধু টাইম, প্লেস এবং আ্যাকশনের ঘষামাজায় ইউনিটি ধরে রেখে এগিয়ে যাওয়া। সময়ে এর উপর নূতন নূতন উত্তেজনার পলেস্তারা যোগ হবে, কখনো তাকে ঘিরে আবর্তিত হবে রহস্য, কখনো তার উপর যুক্ত হওয়া ঘটনা ধোঁয়াশা হয়েই রইবে, শুধু খোলনলচে পাল্টাবে কিন্তু সমীকরন মেনে স্থিরতায় কখনোই পৌঁছুবেনা।

দু:স্বপ্নে ইদানীং প্রায়ই প্রবালের ঘুম ভেঙ্গে যায়, ঘুম চটে যাওয়ার সাথে সাথে মনে হয় কে যেন তাকে ক্রমাগত পেছন থেকে তাড়া করে ফিরছে, মাঝে মাঝে ভয় পেয়ে যায় কিন্তু ধূর বলে সে নিজে নিজেই সাহসী হয়ে ওঠে। ছোটবেলা থেকেই প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসী ও বিনয়ী প্রবাল। ক্লাসের টিফিনে অন্যান্য ছেলেগুলো যখন দৌড়ঝাপ করতো তখন সে শুধুমাত্র চুপচাপ বসে থাকত। একা একা বসে থাকতে প্রবালের খুবই ভালো লাগে, ভালো লাগে নানান রকম উথাল পাতাল চিন্তা ভাবনা করতে। কোন কারন ছাড়াই মনে প্রচন্ড অভিমান জন্ম নেয় আবার মাঝে মাঝে একা একাই হেসে ওঠে।

প্রকৃতি তাকে বিশেষরকম ভাবে টানে।এ অদ্ভুত স্বভাবের কারনেই বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি বড়ো পরিসরে এসেও প্রবালের বন্ধু সংখ্যা নেই বললেই চলে। ক্লাসের খুব বেশী স্যারের পড়ানোর স্টাইল তার ভাল লাগেনা, হাতে গোনা অল্প কজনের। প্রত্যেকের মাঝেই কেবল একটি তাড়াহুড়োর ভাব দেখে সে। হয়তোবা তার বোঝার ভুল, হয়তোবা সে মনযোগ দিতে পারছেনা, একটি মিশ্র অনুভূতি সবসময় তার মনের মধ্যে খেলা করে।

ভিক্টোরিয়ান সাহিত্য পড়ানোর ক্লাসে শরৎ বাবু যখন এমিলি ব্রন্টির “ওয়াদারিং হাইটস” পূর্ন মনযোগে পড়ানো শুরু করেন তখন প্রবালের মন আর স্থির থাকেনা, মিশে যেতে থাকে উপন্যাসের প্রতিটি লাইনে। খুব তৎপর হয়ে ওঠে সে, মন উড়ে বেড়ায় ইয়র্কশায়ার মুরের আশেপাশে, খুঁজে ফেরে সে কাউকে কিন্তু কাকে সে ঠিকমতো ঠাহর করতে পারেনা। একই অবস্থা হয় মডার্ন পোয়েট্রির ক্লাসে। একা থাকলে ফ্রস্টের কবিতা প্রায়ই মনে মনে আবৃতি করে সে:

“The woods are lovely, dark and deep
But I have promises to keep
And Miles to go before I sleep
And miles to go before I sleep.”

প্রবাল ভাবতে থাকে তাকেও আসলে অনেক দূর পাড়ি দিতে হবে কবিতার বর্ননার মতো, সে নিজেও অচেনা পথে হারিয়ে যেতে চায় যেন কেউ তাকে খুঁজে না পায়, সে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে চায় যাবতীয় কোলাহল থেকে, সে চায় অন্যরকম একটি পৃথিবী ও তার চারপাশ। কিন্তু তার মনোভাবের ইক্যুইভ্যালেন্ট কাউকে খুঁজে পায়না সে। কথা প্রসঙ্গে একদিন রুমের সিনিয়র ফিজিক্সের সামি ভাইকে বলতেই তিনি হো হো করে হেসে ওঠেছিলেন, চশমাটি উঁচু করে প্রত্যুত্তরে বলেছিলেন:

“সাহিত্যের স্টুডেন্টদেরকে আমি এজন্য দুচোখে দেখতে পারিনা, থাকে সবসময় একগাদা ভাবের মধ্যে, বাস্তবভিত্তিক কোন চিন্তা ভাবনা নেই, বলি পৃথিবী এখন অনেক আপগ্রেডে হয়েছে, ঘূর্ণনের গতি আরো জোড়ালো হয়েছে তাই চিন্তা ভাবনা চেঞ্জ করে নিজেকে বদলাও, সাহিত্য পড়ো ভাল কথা কিন্তু সবসময় এরকম জমাটবদ্ধ হয়ে থাকা মানসিক রোগের লক্ষন”

শেষ কথাটি শোনার পর প্রবালের রাগ হয়েছিল এটা ভেবে যে আসলে কেউ তাকে বুঝতে পারেনা কিংবা সে কাউকে নিজের কথা বিশদভাবে বোঝাতে ব্যর্থ হয়। আসলে তার নিজ ভুবনের পরিধিটা খুব ছোট। ক্রমেই ছোট হয়ে যাচ্ছে, সে নিজেই ক্রমাগত ডুবে যাচ্ছে বা কোন অচেনা শক্তি তাকে ডুবিয়ে দিচ্ছে। তার এ চিন্তামগ্নতা অবলোকন করে একদিন পড়ানোর সময় শ্রাবনী বলেছিল-

: স্যার আমার আম্মু না কোয়ান্টাম মেথডে ভর্তি হয়েছে।

:কেন? কোয়ান্টাম মেথডে ভর্তি হয়েছেন কেন?

: স্যার, নিজের মনকে কন্ট্রোল করার জন্য, আম্মুর ইদানীং সমস্যা দেখা দিচ্ছে, তাই মানসিকভাবে চাঙ্গা
থাকার জন্য আম্মু তিন মাসের কোর্সটি করবে।

: তো কোর্স করলেই কি সমস্যা শেষ?

: হ্যাঁ স্যার, কোর্সের আংকেল বলেছেন কোর্স শেষ হলেই মানসিক সমস্যা পুরোটা কেটে যাবে, তাই আম্মু
বলেছে আমাকেও ভর্তি হতে, আমি ঠিক করেছি পরীক্ষা শেষ হলে আমি ও ভর্তি হবো।

: স্যার?

:হুম, বলো

: স্যার, আপনিও ভর্তি হয়ে যান। আপনি মনকে কন্ট্রোল করতে পারবেন।

: আর সহ্য করতে না পেরে প্রবাল কঠিনভাবে বলে ওঠে “আই ক্যান কন্ট্রোল মাই মাইন্ড বেটার দ্যান
এনিওয়ান ক্যান, ইউ আন্ডারস্ট্যান্ড?, সো ডোন্ট সাজেষ্ট মি”

মেজাজ খারাপ করে বেরিয়ে আসার পথে সে ভাবতে থাকে এ পৃথিবীতে মানুষের হাজারো সমস্যা, সমস্যার শেষ নেই তার উপর প্রতিনিয়ত নানরকম উদ্ভট ঘটনার মুখোমুখি হতে হচ্ছে সকলকে আর এ মৌলিক সমস্যাগুলোর সমাধান না করেই কিছু লোক নানা রকম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের ফিকিড় করে চলেছে আর তাদের নিয়মিত মাসোহারা দিচ্ছে এ পরিবারগুলোর মতোন আহ্লাদে কিছু পরিবার যাদের মৌলিক সমস্যার কোন ধরনের চিন্তা ভাবনা নেই। ফেরার পথে প্রবাল ভাবল একবার রিপন ভাইয়ের অফিসে ঢুঁ মারবে কিনা। এই একটিমাত্র লোক যাকে দেখলেই প্রবালের মন সবসময় ভাল হয়ে যায়, মনে হতে থাকে আরো কিছুক্ষণ কথা বলি। হলে থাকার সময় প্রায়ই সে রিপন ভাইয়ের রূমে গিয়ে বসে থাকত। আড্ডা ছলে সে বসে থাকতো রিপন ভাইয়ের কথা শোনার জন্য। উনার চাকুরিতে জয়েন করার পর হল ছেড়ে দিয়ে অফিসের কাছাকাছি একটি ভাসা নিয়েছেন। প্রায়ই প্রবালকে বলেন দেখা করার জন্য। কিন্তু প্রবালেরই সময় হয়না। আজ ভাবল একবার দেখা করে যাওয়া যাক।

৪.

মধ্যপাড়ার রহিম মুন্সীর বাড়িতে দরবার বসেছে। বিষয়বস্তু হলো: তেমাথার বিলের মাছ ধরা নিয়ে দুগ্রামের মধ্যে বিরাজমান হ্রেষাহ্রেষি। বিলের এধারে মোহনপুর আর বিলের কিছুদূরে ওধারে অবস্থিত কামালডাঙ্গা গ্রাম। শক্তিমত্তায় মোহনপুর ও কামালডাঙ্গার বেশ কিছু ব্যবধান রয়েছে, ব্যবধান রয়েছে আনুপাতিক জনসংখ্যার বিচারেও। প্রায় মোহনপুরের কোল ঘেঁষে অবস্থিত বলে কৈজানি বিলটির উপর মোহনপুরের দাবী বেশী, তারা সবাই এমনটিই যুগ যুগ ধরে ভেবে আসছে। তারপরেও দীর্ঘদিনব্যপী মিলিতভাবেই এ মাছ ধরা উৎসব হয়ে আসছে।

সমস্যা হয়েছে ইদানীং মোহনপুরের ছেলে-ছোকড়াদের একটি দল কোনভাবেই কামালডাঙ্গাকে তাদের অংশীদার মানতে পারছেনা। ফলাফল যা হওয়ার তাই হল মোহনপুরের কয়েকজন সামান্য কথা কাটাকাটির পর্যায়ে কামালডাঙ্গার কয়েকজনকে বেদম প্রহার করলো। প্রতিশোধ নিতে রাতের অন্ধকারে মোহনপুরের জলিল মিয়াকে বেদম প্রহার করে পালাল কামালডাঙ্গার কয়েকজন। রাতের অন্ধকারে ঠিক ঠাহর করতে না পারলেও সবাই বুঝতে পারলো কাদের কাজ এটি। জলিল সহ অন্যান্যরা ফুঁসে উঠলো তারা ভাবলো এর বদলা তারা যেভাবেই হোক নেবেই নেবে।

জ্বলে উঠলো দুগ্রামের মাঝে দীর্ঘদিনের বিবদমান ঝগড়া। তারই ফলশ্রূতিতে রহিম মুন্সীর বাড়িতে জরুরী সভা। সভায় গ্রামের প্রায় সকলেই উপস্থিত। বেশ কয়েক ঘরের নারীরা পর্যন্ত ভিড় করেছে। সভায় মুন্সীর ঘোষনায় ও পাড়ার সকল মাতব্বরদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছর বিলের মাছে কোনভাবেই কামালডাঙ্গার লোকদের অংশগ্রহন করতে দেয়া হবেনা, প্রয়োজনে নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে শুক্রবার বিকেলের বদলে শুক্রবার খুব ভোরে মাছ ধরে ফেলা হবে। বিকেলের বদলে সকালের মাছ ধরার সিদ্ধান্তকে অনেকেই স্বাগতম জানানোয় তা শেষপর্যন্ত সকালেই এসে ঠেকল। এ ঘোষনায় পেছন থেকে ছেলের দল খুব সোৎসাহে হাততালি দিয়ে উঠল।

প্রতিবছরই বর্ষার শেষ দিকে পূর্বঘোষনা অনুযায়ী চলে পলো দিয়ে মাছমারা উৎসব। দেখার মতো ও দুর্দমে অংশগ্রহন করবার মতো আকর্ষনীয় একটি উৎসব এটি। অনেক দূরদূরান্ত থেকে এ দুগ্রামের বসবাসকারী লোকদের আত্বীয় স্বজনরা এ মাছ ধরা উপলক্ষে তাদের প্রিয়জনদের বাড়িতে ভিড় করে। কিন্তু এ বছরের দুগ্রামের মধ্যকার চরম শত্রুতা ও গোপন মিটিং এর কারনে এবং পাশের কামালডাঙ্গা গ্রামের লোকজনদের না জানানোর কারনে তা অনেকটা একমুখী হয়ে রইলো।

কিন্তু বাতাস সবসময় একমুখী প্রবাহিত হয়না, সেও দিক পরিবর্তন করে, দিক পরিবর্তন করে গিয়ে আঁছড়ে পরে কামালডাঙ্গার কর্ণকূহরে। তারাও প্রস্তুতি নিয়ে নেয় মাছ ধরা উৎসবে যেকোন মূল্যে অংশগ্রহন করার জন্য।

পূর্ব ঘোষনা অনুযায়ী খুব ভোরে মোহনপুরের লোকজন শত শত পলো, জাল নিয়ে বিলে মাছ ধরা শুরু করার মুহূর্তে দেখল পাশের গ্রাম থেকে আরো অনেক অনেক লোক ছুটে আসছে। হঠাৎ করেই যেন সময় থমকে যায়, সবাই কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে যায়। বুঝতে না বুঝতেই তারাও এসে যোগ দেয়। শুরু হয়ে যায় প্রাথমিক ঝামেলা। মাছ ধরা বাদ দিয়ে প্রথমে তর্কাতর্কি, হাতাহাতি এবং সুযোগমতোন পেয়ে মোহনপুরের মধ্যপাড়ার রহিম বক্স তার মাছধরা জালের লাঠি দিয়ে মাথা ফাঁটিয়ে দেয় কামালডাঙ্গার এক ব্যাপারীর। কামালডাঙ্গার লোকজন খুব দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। ভয়ে পালিয়েছে ভেবে মোহনপুরের লোকজন আবারো মাছ ধরা চালাতে শুরু করে। অবশ্য কিছুক্ষণ পরেই ঘটনার পরিবেশ চেঞ্জ হয়ে যায়, পন্ড হয়ে যায় প্রতিটি ধাপে, প্রতিটি ডুবে পলো থেকে বের করে আনা এক একেকটি বিশাল হাঁ করা মাছের মুখ।

চলে যাওয়া লোকজন লাঠিসোটা, বল্লম, রামদা ও অন্যান্য যন্ত্রপাতিতে পূর্ন প্রস্তুতি নিয়ে আবারো চলে আসল বিলের পারে। কেউ একজন দ্রুত চিৎকার করে গ্রামের সকলকে সতর্ক করার জন্য দৌড়ে গেল। সাহসী কয়েকজন রয়ে গেল আগুয়ান যুদ্ধংরহী লোকজনকে কিছুটা বাঁধা প্রদান করার জন্য আর এ সুযোগে বাকীরা পেছাতে শুরু করলো অস্ত্র নিয়ে আবারো মোকাবেলা করার জন্য।

পেছানোর জন্য তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে কোমরজলের মধ্যে হাটু অবধি আটকে যায় উত্তর পাড়ার সুরুজ মিয়ার। চেষ্টা করেও সময়মতো উঠতে না পেরে একটু পেছন ফিরে তাকায়। কামালডাঙ্গার সদ্য জোঁয়ান হয়ে ওঠা ছেলেগুলোর মধ্য থেকে একটি ছেলে প্রচন্ড আক্রোশে বর্শা ছুড়ে দিয়ে এফোঁড় ওফোঁড় করে দেয় সুরুজ মিয়াকে। বাদলের বাপ তখন খুবই ছোট শুধু ঝাঁপসাভাবে তার মনে পরে উপর থেকে সে একটানা চিৎকার করেই যাচ্ছে:

“ও বাজান, ও বাজান, তাড়াতাড়ি আহগো বাজান, তাড়াতাড়ি........ওরা আইয়া পড়ছেগো......... বাজান, ওরা আইয়া পড়ছে....ওরা আইয়া পড়তাছে..............”

সুরুজ মিয়া খুব অবাক চোখে তাকিয়ে রয় রক্তে লাল হয়ে যাওয়া বিলের পানির দিকে, চিৎকার করতে থাকা তার ছেলের দিকে ফের তাকাতে তাকাতেই সে মুখ থুবড়ে পড়ে বিলের পানিতে। সুরুজ মিয়ার আর মাছ ধরে বাড়ি ফেরা হয়না, হয়না কুড়ি, একুশ, বাইশ গুনতে গুনতে ফলার মাছ অন্যদেরকে দেখিয়ে যাত্রার কলি ফোটানোর।

ঘটনাটি ষাটের দশকের হলেও বাদলের বাপের নিকট মনে হতে থাকে এইতো সেদিনের ঘটনা। রাতে পুলিশ জেরা করতে আসলো, এক এক করে সবাইকে জেরা করলো সাথে আরো দুয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লাশ নিয়ে থানায় চলে গেল। ঘটনার ফলাফলে মামলা মোকদ্দমায় কামালডাঙ্গার বেশ কয়েকজন সর্বশান্ত হলেও তৃষ্ণা মেটেনি বাদলের বাপ বা আরো কয়েকজনের। তারা সুযোগ খুঁজতে থাকে সময়মতো ধসিয়ে দেয়ার কিন্তু কিসের সুযোগ তা তারা কখনোই ভেবে দেখার ফুরসৎ পায়নি। মাঝে মাঝে গলা পর্যন্ত আক্ষেপে বমি উঠে আসতে চায় কিন্তু তারা জানে এ আক্ষেপ বা তৃষ্ণা বদলা নেয়ার তৃষ্ণা এবং আবারো কোন সম্মুখ যুদ্ধে কামালডাঙ্গার কারুর রক্তে বিলের পানি রঞ্জিত করার তৃষ্ণা।

(সচলদের ভাল লাগলে আগামী পর্বেই সমাপ্ত)

http://www.sachalayatan.com/guest_writer/44621সামনের অথবা পেছনের গল্পবৃত্তান্ত-১

সচলে প্রকাশিত পূর্ববর্তী লেখাগুলোর লিংক:

১)http://www.sachalayatan.com/guest_writer/41956 কাঠবিড়ালীর আমন্ত্রন
২)http://www.sachalayatan.com/guest_writer/42529 কাঠঠোকরার ঠোকর ও অন্যান্য
৩)http://www.sachalayatan.com/guest_writer/42282 "ঝোলায় রাখা কথামালা-১"
৪)http://www.sachalayatan.com/guest_writer/4231ঝোলায় রাখা কথামালা-২

আশরাফুল কবীর


মন্তব্য

তাপস শর্মা এর ছবি

ভালো লাগল। চলুক

অতিথি লেখক এর ছবি

প্রিয় তাপস দা, ভালবাসা নিন। লেখা পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। প্রিয় সচলায়তন ব্লগে প্রকাশিত আমার প্রথম কবিতায় প্রথম মন্তব্যটি আপনার ছিল, জীবনেও ভুলবনা। আন্তরিক শ্রদ্ধা জানবেন। বাঘের বাচ্চা

আশরাফুল কবীর

অতিথি লেখক এর ছবি

প্রথমটা তেমন ভাল লাগলো না শুধু রবার্ট ফ্রস্ট ছাড়া।
এই মানুষটার একটা লাইন থাকলেই আমার কেন যেন ভাল লাগতেই হবে।
আর দ্বিতীয়টা গ্রামীণ পটভূমি। শিকড় তো আর অস্বীকার করা যায় না।
ভাল থাকবেন।

পাপলু বাঙ্গালী

অতিথি লেখক এর ছবি

পাপলু ভাই, অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।।।।

#ভাল থাকুন সবসময় বাঘের বাচ্চা

আশরাফুল কবীর

কানিজ ফাতেমা এর ছবি

ভালো লিখেছেন। হাততালি

অতিথি লেখক এর ছবি

#অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে কানিজ ফাতেমা, ভাল থাকুন সবসময়

আশরাফুল কবীর

মরুদ্যান এর ছবি

পড়লাম মন দিয়ে, ভাল লেগেছে, প্রথমটা বেশি।

কিন্তু অনেক বানান ভুল, কয়েকটা চোখে পড়েছে:
ধূর -- ধুর
সমীকরন --সমীকরণ
প্রচন্ড--প্রচণ্ড
ঝাপ--ঝাঁপ
বড়ো-- বড়
পূর্ন--পূর্ণ
বর্ননা--বর্ণনা
লক্ষন--লক্ষণ
ঘোষনা--ঘোষণা
সাজেষ্ট-- সাজেস্ট (s এর মত উচ্চারণ হলে বাংলায় স হবে)
হ্রেষাহ্রেষি-- রেষারেষি (ঘোড়ার ডাক= হ্রেষা)

পরের বার একটু দেখেশুনে নেবেন হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

পরের বার একটু দেখেশুনে নেবেন

#এইরে খেয়ালই ছিলনা, কোথায় যে থাকে মন তোমার ?

ধন্যবাদ প্রিয় মরুদ্যান, পরেরবার খেয়াল থাকবে আশা রাখি বাঘের বাচ্চা

আশরাফুল কবীর

তারেক অণু এর ছবি

চলুক ঘটনা বড়ই গোলমেলে মনে হচ্ছে, চালিয়ে যান, দেখি শেষ পর্যন্ত কি ঘটে !

অতিথি লেখক এর ছবি

ঘটনা বড়ই গোলমেলে মনে হচ্ছে, চালিয়ে যান, দেখি শেষ পর্যন্ত কি ঘটে !

>তারেক অনু ভাই ধন্যবাদ আপনাকে, ভাল থাকুন বাঘের বাচ্চা

আশরাফুল কবীর

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।